আঞ্চলিক উপন্যাস হিসেবে 'পদ্মা নদীর মাঝি' স্বার্থকতা আলোচনা করো।পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় ষষ্ঠ সেমিস্টার বাংলা মেজর। আলোচনা শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'পদ্মা নদীর মাঝি'(১৯৩৬) উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যে আঞ্চলিক উপন্যাসের একটি সার্থক ও কালজয়ী দৃষ্টান্ত।আর একটি উপন্যাসকে 'আঞ্চলিক' হতে গেলে তার ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতা, সেই অঞ্চলের মানুষের বিশেষ জীবনযাত্রা, ভাষা এবং সংস্কৃতির যে অখণ্ড রূপ প্রয়োজন, তার সবটুকুই এই উপন্যাসে বিদ্যমান।এখন আমাদের আলোচনা করে দেখাতে হবে যে-পদ্মা নদীর মাঝি প্রকৃতই আঞ্চলিক উপন্যাস কিনা। আর এই পরিপ্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি- • ভৌগোলিক সংস্থান ও পদ্মার প্রভাব স্পষ্ট লক্ষণীয় পদ্মা নদী মাঝি উপন্যাসে।আসলে আঞ্চলিক উপন্যাসের প্রথম শর্ত হলো একটি নির্দিষ্ট ভূখণ্ডকে কেন্দ্র করে কাহিনির বিস্তার ঘটবে।আর মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় এই উপন্যাসে পূর্ববঙ্গের কেতুপুর,রসুলপুর এবং সংলগ্ন নদীমাতৃক অঞ্চলকে বেছে নিয়েছেন এই উপন্যাসে।আর এখানে পদ্মা নদী কেবল পটভূমি নয়, বরং মানুষের ভাগ্যবিধাতা, জীবনদাত্রী। পদ্মার জোয়ার-ভাটা, ভাঙ...