কামরূপী উপভাষার কোন কোন অঞ্চলে প্রচলিত ? নির্দশনসহ এর ভাষাতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য গুলি আলোচনা করো উত্তর দিনাজপুর জলপাইগুড়ি দার্জিলিং এর কিছু অংশ শিলিগুড়ি ত্রিপুরা আসামের খাঁচার ধুবি গোয়ালপাড়া
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত "আমার সোনার বাংলা" গানটি কেবল একটি সংগীত নয়, এটি বাঙালির জাতীয় সত্তার পরিচয় এবং গভীর আবেগের বহিঃপ্রকাশ।বর্তমানে এটি বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত।গানটি ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের সময় রচিত হয়েছিল। তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার প্রশাসনিক কারণ দেখিয়ে বাংলাকে দুই ভাগে বিভক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়। এই বিভাজনের বিরুদ্ধে বাঙালির হৃদয়ে যে তীব্র প্রতিবাদ ও দেশাত্মবোধের জোয়ার তৈরি হয়েছিল, তা থেকেই এই গানের জন্ম।যেখানে- গানটির প্রেক্ষাপট বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলন সময়কাল ১৯০৫ সাল। * **উদ্দেশ্য:** বিচ্ছিন্নতাবাদী ব্রিটিশ শক্তির বিরুদ্ধে বাঙালির ঐক্য ও অখণ্ড বাংলাকে ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটানো। * **গানের সুর:** এটি বাউল গান থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে সুরারোপিত। তৎকালীন বাউল গগন হরকরার "আমি কোথায় পাব তারে" গানের সুরের আদলে এটি তৈরি করা হয়েছে। ### মূল বিষয়বস্তু এই গানের মূল উপজীব্য হলো বাংলার রূপ, প্রকৃতি এবং বাঙালি হৃদয়ে বাংলার জন্য যে অমলিন ভালোবাসা, তা ফুটে ওঠা। * **প্রকৃতি ও রূপের বন্দনা:** কবি এখানে বাংলার মাঠ-ঘাট, বন-উপবন, আকাশ-বাতাস, নদী ও ফসলের ক্ষেতের এ...