সৈয়দ মুজতবা আলির 'কুতুব মিনারের কথা' প্রবন্ধটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রবন্ধ। যে প্রবন্ধে লেখক কেবল একটি স্থাপত্যের বর্ণনা দেননি, বরং সুলতানি আমলের শিল্পরুচি ও কুতুব মিনারের অনন্যতা তুলে ধরেছেন।আর সেখানে আমরা দেখি- প্রাবন্ধিক সৈয়দ মুজতবা আলির মতে, কুতুব মিনার বিশ্বের শ্রেষ্ঠ মিনার। ভারতের অন্য কোনো স্থাপত্য-এমনকি তাজমহলও এর সাথে তুলনায় আসে না। এটি সম্পূর্ণভাবে একটি স্বাধীন মিনার, যা কোনো মসজিদের অংশ হিসেবে তৈরি হয়নি, বরং এটি শিল্পীর নিজস্ব সৃজনী প্রতিভার এক শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। আর- কুতুব মিনারটি পাঁচটি তলায় বিভক্ত। প্রথমতলায় বাঁশি ও কোণের নকশা, দ্বিতীয়তলায় কেবল বাঁশি এবং তৃতীয়তলায় কেবল কোণের কারুকার্য দেখা যায়। শিল্পী অত্যন্ত নিপুণভাবে এই জ্যামিতিক নকশার হেরফের ঘটিয়ে মিনারটিকে একঘেয়েমি থেকে মুক্তি দিয়েছেন। মিনারের গায়ে খোদাই করা লতাপাতা এবং আরবি হরফের সারি এর সৌন্দর্যকে এক অনন্য উচ্চতা দান করেছে। হিন্দু-মুসলিম স্থাপত্যরীতির মিলন মিনারটি তৈরির সময় হিন্দু ও মুসলিম—উভয় ঘরানার শিল্পী ও কারুকারদের সম্মিলিত ...
আপনার আপলোড করা ছবিটি ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত এবং হৃদয়বিদারক একটি আলোকচিত্র। এটি সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিচে দেওয়া হলো: ছবির পরিচিতি ও পটভূমি * আলোকচিত্রী: ছবিটি তুলেছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার বিখ্যাত ফটোসাংবাদিক কেভিন কার্টার (Kevin Carter)। * সময় ও স্থান: ছবিটি ১৯৯৩ সালে দক্ষিণ সুদানের 'আইয়োড' (Ayod) নামক একটি গ্রামে দুর্ভিক্ষের সময় তোলা হয়েছিল। * ছবির বিষয়বস্তু: ছবিতে দেখা যায় একটি জীর্ণশীর্ণ শিশু ক্ষুধার জ্বালায় মাটিতে নুইয়ে পড়েছে, আর তার ঠিক পেছনেই একটি শকুন ওৎ পেতে বসে আছে। এই শিশুটি তখন জাতিসংঘের একটি খাদ্য কেন্দ্রের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করছিল। পুরস্কার ও বিতর্ক * পুলিৎজার পুরস্কার: এই অসামান্য এবং মর্মান্তিক ছবিটির জন্য কেভিন কার্টার ১৯৯৪ সালে সাংবাদিকতার সর্বোচ্চ সম্মান পুলিৎজার পুরস্কার (Pulitzer Prize) লাভ করেন। * তীব্র সমালোচনা: পুরস্কার পাওয়ার পর সারা বিশ্বে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় ওঠে। অনেকেই প্রশ্ন তোলেন যে আলোকচিত্রী কেন শিশুটিকে উদ্ধার না করে ছবি তুলতে ব্যস্ত ছিলেন। কার্টার পরবর্তীতে জানিয়েছিলেন যে, তিনি ছবি তোলার পর শকুনটিকে তাড়িয়ে দিয়ে...