১) ক)সজারু কাঁটা উপন্যাসটিতে দেবাশীষ চরিত্রটির বিশেষত্ব আলোচনা করো। দারিদ্র্যের আবহাওয়ায় এই দুটো রিপু তাকে প্রকৃতিস্থ থাকতে দেয়নি। সজারুর কাঁটা অবলম্বনে মানুষটির অপ্রকৃতিস্থ অবস্থার পরিচয় দাও21 • সজারু কাঁটা উপন্যাসের দীপা চরিত্রটি আপতদৃষ্টিতে স্বার্থপর বলে মনে হলেও শেষ পর্যন্ত তার উত্তরণ ঘটেছে- বিষয়টি আলোচনা করো। গোয়েন্দা কাহিনী হিসেবে সজারু কাঁটা উপন্যাসটির বিশেষত্ব নিরূপণ করো। ২২ খ) মঙ্গল গ্রহে ঘনাদা কি জাতীয় রচনা তা আলোচনা করে বুঝিয়ে দাও। মঙ্গল গ্রহে ঘনাদা উপন্যাসে মঙ্গল গ্রহের যে বর্ণনা ফুটে উঠেছে তা তোমার নিজের ভাষায় লেখো।২১ •ঘনাদাকে শিক্ষা দেওয়ার জন্য কারা ফন্দি এঁটেছিল? অতঃপর কি কাণ্ড হয়েছিল? লেখো। মঙ্গলগ্ৰহে ঘনাদা গ্রন্থটিতে প্রেমেন্দ্র মিত্র কল্পনা এবং বিজ্ঞানের সমন্বয় কিভাবে ঘটিয়েছেন, তা গ্রন্থ অবলম্বনে আলোচনা করো।২২ গ) প্রফেসর শঙ্কু ও মাকাও গল্প অবলম্বনে প্রফেসর শঙ্কুর গবেষণায় ঘনিয়ে আসা সংকট ও সংকট উত্তরণের কাহিনীটি লেখো। প্রফেসর শঙ্কু ও গোলক রহস্য গল্পে গোলকের রহস্যের সমাধান কিভাবে হয়েছিল তা সংক্ষেপে আলোচনা করো ২১ • ...
প্রাচীন তথা আদিম মানুষ কীভাবে খাদ্য সাংগ্ৰহক থেকে খাদ্য উৎপাদকে পরিণত হয়েছিল, তা আলোচনা করো।পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (WBSU) ইতিহাস প্রথম সেমিস্টার মাইনর ( প্রস্তর যুগীয় সংস্কৃতি) আলোচনা শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে, প্রাচীন ও ভারতীয় সভ্যতার উষালগ্ন থেকে আধুনিক মানুষে উত্তরণের ক্ষেত্রে বিভিন্ন উপাদান সহযোগী ভূমিকা পালন করেছিল। আর এক্ষেত্রে যে উপাদানটি এই দীর্ঘ বিবর্তনের সর্বক্ষেত্রে মানুষের বেঁচে থাকার প্রধান রসদ ছিল সেটি হল খাদ্য বা খাবার। আসলে প্রাচীন মানুষ যেমন একদিনে আধুনিক মানুষে পরিণত হয়নি তেমনি প্রাচীন মানুষ একদিনে খাদ্য উৎপাদকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে পারেনি।এক দীর্ঘ সময় অতিক্রান্তের মধ্যে দিয়ে মানুষ খাদ্য সংগ্রাহক থেকে আজকের খাদ্য উৎপাদকে উপনীত হয়েছে। আসলে এটি ছিল একটি বৈপ্লবিক ঘটনা। ব্রিটিশ প্রত্নতাত্ত্বিক ভি. গর্ডন চাইল্ড এই উত্তরণকে বলেন-‘ নব্য প্রস্তর বিপ্লব ’। ১. শিকারি ও খাদ্যসংগ্রহকারী পর্যায়ে আদিম মানুষ মূলত প্রকৃতির ওপর নির্ভরশীল ছিল। ফলমূল সংগ্রহ, বন্য পশু শিকার এবং মাছ ধরার মাধ্যমে তারা জীবিকা নির্বাহ করত...