Skip to main content

Posts

বাংলা মাইনর সাজেশন ২০২৬ প্রথম সেমিস্টার

বাংলা মাইনর সাজেশন ২০২৬ প্রথম সেমিস্টার                        একক-১ •• বৌদ্ধ দর্শন ও সংস্কৃতি চর্চায় বৌদ্ধবিহারগুলির ভূমিকা আলোচনা করো।  •• বাংলা সাহিত্যের একমাত্র নিদর্শন চর্যাপদের বৌদ্ধ সহজিইয়াদের ধর্ম সাধন তত্ত্ব এর যে প্রত্যক্ষ প্রভাব লক্ষ্য করা যায় সে সম্পর্কে আলোকপাত করো।  ••• চর্যাপদে প্রতিফলিত বাংলার ব্রাত্য জীবন কথার পরিচয় দাও। বাংলা সাহিত্যে চর্যাপদের গুরুত্ব আলোচনা করো। •••বৌদ্ধতান্ত্রিক সাধন সঙ্গীতে ধর্ম ও সাহিত্যের মেলবন্ধন ঘটেছে-আলোচনা করো।                             একক-২ ••• শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের আবিষ্কার ও নামকরণ সম্পর্কে লেখো।কাব্যটি কার লেখা? কাব্যটিতে কটি খন্ড ও কি কি? কাব্যটির রচনায় কবির দক্ষতার পরিচয় দাও। ২২ •• আর্য অনার্য সংস্কৃতি ও তার সমন্বয়ের ইতিহাস তুর্কি বিজয়ের সামাজিক প্রভাবের দিকটির সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও। ২১ •••বাংলা সাহিত্য সংস্কৃতিতে তুর্কি আক্রমণের প্রভাব ও গুরুত্ব নির্দেশ করো।২০২৩ •• চন্ডীমঙ্গল/ ধর্মমঙ্গ...
Recent posts
• আঞ্চলিক উপন্যাস: 'কবি' উপন্যাসকে কি একটি সফল আঞ্চলিক উপন্যাস বলা যায়? বীরভূমের জনজীবন ও পটভূমির প্রেক্ষিতে আলোচনা করো।  তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'কবি' (১৯৪৪) বাংলা সাহিত্যের এমন এক মহীরুহ যা আঞ্চলিক উপন্যাসের সংজ্ঞাকে পূর্ণতা দান করেছে। বীরভূমের রুক্ষ রাঙামাটির গন্ধ, সেখানকার অবহেলিত মানুষের আবেগ এবং লোকজ সংস্কৃতির এক নিবিড় মেলবন্ধন এই উপন্যাস। নিচে বীরভূমের জনজীবন ও পটভূমির প্রেক্ষিতে এর সার্থকতা বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলো: ১. বীরভূমের ভৌগোলিক ও প্রাকৃতিক পটভূমি 'কবি' উপন্যাসের প্রাণভোমরা হলো বীরভূমের বিশেষ ভৌগোলিক পরিবেশ। কোপাই ও বক্রেশ্বর নদীর অববাহিকা, লাল মাটির পথ, বাবলা ও তালবনের ছায়াঘেরা গ্রামগুলো এখানে সজীব হয়ে উঠেছে। তারাশঙ্কর কেবল দৃশ্য বর্ণনা করেননি, বরং বীরভূমের রুক্ষতাকে চরিত্রের মনস্তত্ত্বের সাথে মিশিয়ে দিয়েছেন। উপন্যাসের শুরুতে স্টেশনের পাশের পরিবেশ বা মহাদেবপুর গ্রামের যে বর্ণনা পাওয়া যায়, তা বীরভূমের এক শাশ্বত রূপ। ২. নিম্নবর্গের সমাজ ও জীবনসংগ্রাম আঞ্চলিক উপন্যাসের সার্থকতা নির্ভর করে সেই অঞ্চলের বিশেষ কোনো জনগোষ্টীর জীবনচিত্রায়ণে। ...
 • বাংলা প্রথম সেমিস্টার মাইনর প্রশ্নাবলী• ১)                         একক-১ ক) বাংলা সাহিত্যের আদিপর্বে বৌদ্ধধর্ম ও সংস্কৃতিচর্চা কিভাবে প্রভাব বিস্তার করেছিল তার পরিচয় দাও।  ২০২২ • বৌদ্ধ দর্শন ও সংস্কৃতি চর্চায় বৌদ্ধবিহারগুলির ভূমিকা আলোচনা করো। ২১, • বাংলা সাহিত্যের আদিপর্বে বৌদ্ধ ধর্ম ও বৌদ্ধ সংস্কৃতি চর্চা কিভাবে প্রভাব বিস্তার করেছিল শেষ সম্পর্কে আলোচনা করো।২০২৪ • বাংলা সাহিত্যের একমাত্র নিদর্শন চর্যাপদের বৌদ্ধ সহজিইয়াদের ধর্ম সাধন তত্ত্ব এর যে প্রত্যক্ষ প্রভাব লক্ষ্য করা যায় সে সম্পর্কে আলোকপাত করো। ২০ খ) চর্যাপদ কে কবে কোথা থেকে আবিষ্কার করেন বাংলা সাহিত্যে  চর্যাপদের গুরুত্ব আলোচনা করো।২২ • চর্যাপদের পদগুলি ধর্মীয় সাধন সংগীত হওয়া সত্ত্বেও এর যথার্থ সাহিত্যিক মূল্য রয়েছে আলোচনা করো।২১,২৪ • চর্যাপদে প্রতিফলিত বাংলার ব্রাত্য জীবন কথার পরিচয় দাও। ২০,২৩, •বৌদ্ধতান্ত্রিক সাধন সঙ্গীতে ধর্ম ও সাহিত্যের মেলবন্ধন ঘটেছে-আলোচনা করো।২০২৩ একক-২ গ) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের আবিষ্কার ও নামকরণ সম্পর্কে লেখো।কাব্যটি ...

তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'কবি' উপন্যাসের কেন্দ্রীয় নারীচরিত্র ঠাকুরঝি। এই চরিত্রটি রক্ত-মাংসের মানবী থেকে কীভাবে নিতাইয়ের হৃদয়ে এক অপার্থিব 'কাব্যলক্ষ্মী'তে রূপান্তরিত হয়েছে? আলোচনা করো।

তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'কবি' উপন্যাসের কেন্দ্রীয় নারীচরিত্র ঠাকুরঝি। এই চরিত্রটি রক্ত-মাংসের মানবী থেকে কীভাবে নিতাইয়ের হৃদয়ে এক অপার্থিব 'কাব্যলক্ষ্মী'তে রূপান্তরিত হয়েছে? আলোচনা করো, ষষ্ঠ সেমিস্টার।          আলোচনা শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে, তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি কালজয়ী উপন্যাস কবি।আর সেই কবি উপন্যাসের একটি মুখ্য রক্ত মাংসের নারী চরিত্র ঠাকুরঝি।আসলে তারাশঙ্করের 'কবি' উপন্যাসে ঠাকুরঝি চরিত্রটি বাস্তব আর কল্পনার এক অপূর্ব মিশেল। সে একদিকে যেমন অভাব-অনটন আর সামাজিক শাসনের শৃঙ্খলে আবদ্ধ এক পল্লীবধূ। আবার অন্যদিকে সে কবিয়াল নিতাইয়ের শিল্পসত্তার ধ্রুবতারা।তাই ঠাকুরঝি কেবল একটি চরিত্র নয়, সে নিতাইয়ের জীবনদর্শনের এক গভীর সংবেদনা। আর সেই গভীর সংবেদনার মধ্যে ঠাকুরঝি একজন-       • রক্ত-মাংসের মানবীর লৌকিকরূপ। আর সেই রূপের মধ্যে আমরা ঠাকুরঝিকে উপন্যাসের শুরুতে আমরা দেখি এক অতি সাধারণ গ্রামীণ নারী হিসেবে। তার পরিচয় ও অস্তিত্ব লৌকিক জগতের সীমাবদ্ধতায় ঘেরা। যেখানে তার সামাজিক পরিচয়ে দেখি-সে এক গোপবালা, বিবাহিতা এবং পরস্ত্রী। তার জীবনের পরিধ...

শিবায়ন কাব্যকে শিবমঙ্গল আখ্যা দেওয়া কত দূর সঙ্গত আলোচনা করো। প্রসঙ্গত এই ধারার শ্রেষ্ঠ কবি রামেশ্বর ভট্টাচাৰ্যের কাব্যকৃতির পরিচয় দাও।

শিবায়ন কাব্যকে শিবমঙ্গল আখ্যা দেওয়া কত দূর সঙ্গত আলোচনা করো। প্রসঙ্গত এই ধারার শ্রেষ্ঠ কবি রামেশ্বর ভট্টাচাৰ্যের কাব্যকৃতির পরিচয় দাও। (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্র বিশ্ববিদ্যালয় বাংলা প্রথম সেমিস্টার মেজর DS1)।           আলোচনা শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে মঙ্গলকাব্য একটি বিশেষ স্থান দখল করে আছে। চণ্ডীমঙ্গল, মনসামঙ্গল বা ধর্মমঙ্গল কাব্যগুলির মতো শিবকে নিয়ে রচিত কাব্যধারাটি 'শিবায়ন' নামে পরিচিত। তবে অনেক কবি ও সমালোচক একে 'শিবমঙ্গল' নামে অভিহিত করেছেন। এই নামকরণের সার্থকতা এবং এই ধারার শ্রেষ্ঠ কবি রামেশ্বর ভট্টাচার্যের কৃতিত্ব নিচে আলোচনার পূর্বে শিবায়ন বনাম শিবমঙ্গল নামকরণের যৌক্তিকতা বিচার করা আবশ্যক। আর সেই বিচারে আমরা দেখি-মঙ্গলকাব্যের প্রচলিত সংজ্ঞার নিরিখে শিবায়নকে 'শিবমঙ্গল' বলা যায় কিনা, তা নিয়ে দ্বিমত রয়েছে-         মঙ্গলকাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি হলো-দেব বন্দনা, আত্মপরিচয়, দেবীর মর্ত্যে পূজা প্রচার এবং শেষে ফলশ্রুতি। শিবায়ন কাব্যেও এই কাঠামোটি বর্তমান। বিশেষ করে গ্রন্থপাঠের ফলে জাগতিক মঙ্গলের যে প্রতিশ্রুতি...

কবি উপন্যাসটি একটি সফল আঞ্চলিক উপন্যাস হিসেবে সার্থকতা আলোচনা করো।

কবি উপন্যাসটি একটি সফল আঞ্চলিক উপন্যাস হিসেবে সার্থকতা আলোচনা করো। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় ষষ্ঠ সেমিস্টার বাংলা মেজর DS14 ​         বাংলা কথাসাহিত্যের ইতিহাসে তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় হলেন এমন এক শিল্পী যিনি মাটির কাছাকাছি থাকা ব্রাত্য মানুষদের জীবনকথাকে অমর করে তুলেছেন। তাঁর ১৯৪৪ সালে প্রকাশিত 'কবি' উপন্যাসটি কেবল একজন লোককবির আত্মপ্রকাশের কাহিনী নয়, বরং এটি বীরভূম অঞ্চলের মাটি, মানুষ এবং সংস্কৃতির এক অখণ্ড দলিল।যেখানে আঞ্চলিক উপন্যাসে আমরা দেখতে পাই যে-           বাংলা উপন্যাসে 'আঞ্চলিকতা' একটি বিশেষ শিল্পরীতি, যেখানে একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক পরিমণ্ডল, সেখানকার মানুষের ভাষা, সংস্কৃতি, সংস্কার এবং জীবনসংগ্রাম উপন্যাসের মূল চালিকাশক্তি হয়ে ওঠে। তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের ১৯৪৪ সালে প্রকাশিত ‘কবি’ উপন্যাসটি বীরভূমের রুক্ষ রাঙামাটির এক অনন্য মহাকাব্য। কেবল কাহিনীর খাতিরে নয়, বরং বীরভূমের মৃত্তিকা সংলগ্ন ব্রাত্য মানুষের জীবনচিত্র অঙ্কনেই এই উপন্যাসের সার্থকতা। আর সেই সার্থকতার পথ ধরে আমরা বলতে পারি-      • নির্দিষ্ট ভ...
তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'কবি' উপন্যাসের পরীক্ষার প্রশ্নাবলী। ১. চরিত্র কেন্দ্রিক প্রশ্ন  ১) নিতাই (নিতাইচরণ): নিতাইয়ের কবিয়াল হয়ে ওঠার সংঘাতময় যাত্রা আলোচনা করো। তার কবিসত্তা ও ব্যক্তিমানসের দ্বন্দ্বটি ফুটিয়ে তোলো।  ২)  ঠাকুরঝি: 'কবি' উপন্যাসে ঠাকুরঝি চরিত্রটি কি কেবলই রক্ত-মাংসের মানবী, নাকি নিতাইয়ের কাব্যলক্ষ্মী? আলোচনা করো।  ৩)  বসন্তন (বসন): নিতাইয়ের জীবনে বসন্তনের ভূমিকা এবং তার করুণ পরিণতির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।  ৪)  রাজা ও ঝুমুর দল: ঝুমুর দলের পরিবেশ এবং রাজা চরিত্রের গুরুত্ব নিরূপণ করো। ২. নামকরণের সার্থকতা ও শিল্পরূপ  * নামকরণ: 'কবি' উপন্যাসের নামকরণের সার্থকতা বিচার করো। নিতাই কি শেষ পর্যন্ত একজন প্রকৃত 'কবি' হয়ে উঠতে পেরেছিল?  * আঞ্চলিক উপন্যাস: 'কবি' উপন্যাসকে কি একটি সফল আঞ্চলিক উপন্যাস বলা যায়? বীরভূমের জনজীবন ও পটভূমির প্রেক্ষিতে আলোচনা করো।  * উপন্যাসের গঠন: উপন্যাসের কাহিনী বিন্যাস বা গঠনশৈলী নিয়ে সমালোচনামূলক আলোচনা করো। ৩. দর্শন ও জীবনবোধ  * জীবনবাদ: "জীবন এত ছোট কেনে?" — এই আক্ষেপের মধ্য দিয়ে উপন্যাসে যে জীবন...