Skip to main content

Posts

  Unit-1 (বাংলা ছন্দের উপকরণ পরিবাসার সংজ্ঞা স্বরূপ ও নামকরণ)।              একক-১ ক) *** বাংলা ছন্দের উপকরণগত ধারায় মাত্রার সংজ্ঞা, ও তার প্রকারভেদ এবং তার গঠনশৈলী উদাহরণসহ আলোচনা করো। •*** বাংলা ছন্দের উপকরণ ধারায় যতির সংজ্ঞা দাও ও তার প্রকারভেদ আলোচনা করো। • ** পঙক্তি অথবা প্রস্বর কাকে বলে ? পংক্তি ও প্রস্বরের স্বরূপ ও গুরুত্ব আলোচনা করো। ••অথবা টীকা ( উদাহরণসহ সংজ্ঞা লেখো)  অক্ষর, বর্ণ, স্বর, মিল।             • একক২• গ) *** কলাবৃত্ত ছন্দ কাকে বলে?কলাবৃত্ত ছন্দের বৈশিষ্ট্যগুলি উদাহরণসহ আলোচনা করো।            •একক-৩•  ঙ) *** বাংলা ছন্দের মুক্তিতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অবদান আলোচনা করো। বিশেষ করে তাঁর মুক্তক অক্ষরবৃত্ত বা ‘বলাকা’র ছন্দের অভিনবত্ব নিরূপণ করো। ​** জীবনানন্দ দাশের কবিতার ছন্দ-প্রকৃতি আলোচনা করো। তিনি কীভাবে বাংলা ছন্দের প্রথাগত দোলা বা লয় ভেঙে আধুনিক গদ্যস্পন্দ ও দীর্ঘায়িত লয় তৈরি করেছেন, তা বুঝিয়ে দাও। *** ছন্দের জাদুকর সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের ছন্দোচাতুর্য ও মাত্রাবৃ...
Recent posts
### **১. ভারতীয় আমলাতন্ত্রের বিবর্তন** ১. **আই.সি.এস (ICS) বলতে কী বোঝায়?** উত্তর: ব্রিটিশ শাসনকালে ভারতে 'ইম্পেরিয়াল সিভিল সার্ভিস' বা আই.সি.এস প্রবর্তিত হয়, যা ছিল ভারতীয় আমলাতন্ত্রের মেরুদণ্ড। এটি ভারতের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের নিয়োগ করত। ২. **সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলকে 'ভারতীয় অসামরিক প্রশাসনের জনক' বলা হয় কেন?** উত্তর: স্বাধীনতার পর ভারতের অখণ্ডতা বজায় রাখতে এবং সর্বভারতীয় সিভিল সার্ভিস (IAS, IPS) কাঠামো গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তাঁর অসামান্য ভূমিকার জন্য তাঁকে এই উপাধি দেওয়া হয়। ৩. **ভারতের সিভিল সার্ভিসের দুটি প্রধান শ্রেণিবিন্যাস কী?** উত্তর: অল ইন্ডিয়া সার্ভিস (যেমন- IAS, IPS) এবং সেন্ট্রাল সার্ভিস (যেমন- IRS, IFS)। ৩১. অল ইন্ডিয়া সার্ভিস (All India Service)-এর আওতায় কোন কোন সার্ভিস পড়ে? উত্তর: ইন্ডিয়ান অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস (IAS), ইন্ডিয়ান পুলিশ সার্ভিস (IPS) এবং ইন্ডিয়ান ফরেস্ট সার্ভিস (IFoS)। ​৩২. আমলাতন্ত্রের 'নৈর্ব্যক্তিকতা' (Impersonality) বলতে কী বোঝায়? উত্তর: আমলাতন্ত্রে কোনো ব্যক্তি তার ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ বা আবেগের দ্বারা ...

ষষ্ঠ সেমিস্টার বাংলা মাইনর সাজেশন ২০২৬।

 বাংলা নাটক ও কথা সাহিত্যের পাঠ  Unit-1( বিশ শতকের বাংলা নাটকের ইতিহাস) ​*** ১. দ্বিজেন্দ্রলাল রায়: ঐতিহাসিক নাটক রচনায় দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের অবদান আলোচনা করো। ‘চন্দ্রগুপ্ত’ বা ‘শাহজাহান’ নাটকের বিশেষত্বের দিকে আলোকপাত করো। ** ২. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাট্যভাবনা ও তাঁর রূপক-সাংকেতিক নাটকের বৈশিষ্ট্যগুলি উদাহরণসহ আলোচনা করো। *** ৩. বিজন ভট্টাচার্য ও গণনাট্য আন্দোলন: বাংলা নাটকের ইতিহাসে গণনাট্য আন্দোলনের প্রভাব এবং বিজন ভট্টাচার্যের ‘নবান্ন’ নাটকের ঐতিহাসিক গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো। *** ৪. উৎপল দত্ত: রাজনৈতিক নাটক রচনায় উৎপল দত্তের অবদান আলোচনা করো। ‘টিনের তলোয়ার’ বা তাঁর অন্য কোনো নাটকের আলোকে তাঁর নাট্যশৈলী বিশ্লেষণ করো। ** ৫. বাদল সরকার: বাংলা নাটকের আঙ্গিক পরিবর্তনে বাদল সরকারের ভূমিকা ও তাঁর ‘তৃতীয় নাট্যধারা’ (Third Theatre)-এর ধারণাটি আলোচনা করো। ​৫ নম্বরের প্রশ্ন (সংক্ষিপ্ত আলোচনা) ​মন্মথ রায়: পৌরাণিক ও সামাজিক নাটক রচনায় মন্মথ রায়ের অবদান সংক্ষেপে লেখো। ​*** তুলসী লাহিড়ী: তুলসী লাহিড়ীর নাটকে প্রান্তিক মানুষের জীবনচিত্র কতটা ফুটে উঠেছে? ‘পথিক’ বা ‘ছেঁড়াতা...
 ব্লগার (Blogger) এডিটরে বোল্ড, কালার বা ফন্টের অপশনগুলো সাধারণত একটি টুলবার হিসেবে থাকে। যদি সেটি হঠাৎ না দেখায়, তবে সাধারণত কিছু সাধারণ টেকনিক্যাল ত্রুটির কারণে এমনটি হয়। নিচে সমাধানের ধাপগুলো দেওয়া হলো: ### ১. এডিটর মোড চেক করুন (সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ) ব্লগার এডিটরে দুটি মোড থাকে—**HTML View** এবং **Compose View**।  * আপনি যদি ভুলবশত **'HTML View'** মোডে থাকেন, তবে সেখানে কোনো বোল্ড বা কালার টুলবার দেখাবে না। সেখানে শুধুমাত্র কোড দেখাবে।  * **সমাধান:** এডিটর পেজের বাম দিকে কোণার দিকে দেখুন। সেখানে একটি পেনসিল আইকন বা ড্রপ-ডাউন মেনু আছে। সেখানে ক্লিক করে **'Compose View'** নির্বাচন করুন। এটি করার সাথে সাথেই টুলবারটি ফিরে আসার কথা। ### ২. ব্রাউজার ক্যাশ ও কুকিজ ক্লিয়ার করুন কখনও কখনও ব্রাউজারের পুরোনো ডেটা বা 'ক্যাশ' (Cache) জমা হওয়ার কারণে ব্লগারের এডিটর সঠিকভাবে লোড হয় না।  * **সমাধান:** আপনার ব্রাউজারের সেটিংস থেকে 'Clear Browsing Data' বা 'Clear Cache' অপশনে গিয়ে ক্যাশ ফাইলগুলো ডিলিট করে দিন। এরপর ব্রাউজারটি বন্ধ করে নতুন করে লগইন করুন। ### ৩...

শিক্ষার সংকীর্ণ অর্থ ও ব্যাপক অর্থ ব্যাখ্যা করো। উভয় অর্থের মধ্যে পার্থক্য নিরূপণ করো।

শিক্ষার সংকীর্ণ অর্থ ও ব্যাপক অর্থ ব্যাখ্যা করো। উভয় অর্থের মধ্যে পার্থক্য নিরূপণ করো।পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (WBSU) প্রথম সেমিস্টারের 'এডুকেশন মাইনর' সিলেবাস অনুযায়ী।          আলোচনা শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,শিক্ষার ধারণা অত্যন্ত ব্যাপক এবং বহুমুখী। শিক্ষাবিদদের মতে, শিক্ষার অর্থ দুটি প্রধান দৃষ্টিভঙ্গিতে আলোচনা করা হয়—সংকীর্ণ অর্থ (Narrow Meaning) এবং ব্যাপক অর্থ (Wider Meaning)। এই দুটি অর্থই শিক্ষার সামগ্রিক প্রক্রিয়াকে বুঝতে শিক্ষার্থীকে সাহায্য করে।আসলে Education is a lifelong process"। আর সেখানে-   ১) শিক্ষার সংকীর্ণ অর্থ ( Narrow Meaning of Education)ঃ শিক্ষার সংকীর্ণ অর্থ বলতে বোঝায় নির্দিষ্ট গণ্ডির মধ্যে পরিকল্পিত শিক্ষাদান ব্যবস্থা। এর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো-       • শিক্ষালয়কেন্দ্রিকঃএই শিক্ষা মূলত স্কুল, কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্দিষ্ট চার দেয়ালের মধ্যে সীমাবদ্ধ।       •নিয়ন্ত্রিতঃএটি পাঠ্যপুস্তক, নির্দিষ্ট পাঠ্যক্রম এবং পরীক্ষার ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয়।       •শিক্ষককেন্দ্রিকঃ...

চার্বাকরা কেন 'শব্দ' প্রমাণকে স্বীকার করেন না? বিস্তারিত আলোচনা করো।

চার্বাকরা কেন 'শব্দ' প্রমাণকে স্বীকার করেন না? বিস্তারিত আলোচনা করো। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম সেমিস্টার দর্শন মাইনর।           আলোচনার শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,ভারতীয় দর্শনে জ্ঞান অর্জনের জন্য যে মাধ্যমগুলো স্বীকৃত, তাদের 'প্রমাণ' বলা হয়। চার্বাক দর্শন একটি জড়বাদী ও প্রত্যক্ষবাদী দর্শন। তাঁরা 'প্রত্যক্ষই একমাত্র প্রমাণ'-এই নীতিতে বিশ্বাসী। ভারতীয় দর্শনের অন্য শাখাগুলোতে (যেমন—ন্যায় বা মীমাংসা দর্শনে) 'শব্দ' বা আপ্তবাক্যকে স্বতন্ত্র প্রমাণ হিসেবে স্বীকার করা হলেও, চার্বাকরা একে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছেন। তাঁদের মতে, শব্দ প্রমাণের কোনো যৌক্তিক ভিত্তি নেই। আর এই পরিপ্রেক্ষিতে চার্বাকরা বলেন-       ১) অনুমানের ওপর নির্ভরশীলতা ।শব্দ প্রমাণ বা আপ্তবাক্য গ্রহণ করার অর্থ হলো বক্তার সততা বা বিশ্বস্ততার ওপর বিশ্বাস রাখা। কিন্তু কোনো ব্যক্তি যে 'আপ্ত' বা 'বিশ্বস্ত', তা আমরা কীভাবে জানি? চার্বাকদের মতে, এটি আমরা আগের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে 'অনুমান' করে নিই। যেহেতু চার্বাকরা অনুমানকেই একটি স্বতন্ত্র প্রমাণ হিসেবে ম...

আস্তিক ও নাস্তিক দর্শনের পার্থক্য লেখো।

আস্তিক ও নাস্তিক দর্শনের পার্থক্য লেখো। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, প্রথম সেমিস্টার দর্শন মাইনর।            আমরা জানি যে,ভারতীয় দর্শনচিন্তার এক বিশাল ও বৈচিত্র্যময় জগত রয়েছে।এই দর্শনের মূল ধারাগুলোকে প্রধানত দুটি ভাগে বিভক্ত করা হয় আস্তিক এবং নাস্তিক দর্শন । সাধারণ লৌকিক অর্থে 'আস্তিক' বলতে ঈশ্বরবিশ্বাসী এবং 'নাস্তিক' বলতে ঈশ্বর-অবিশ্বাসী বোঝানো হলেও, ভারতীয় দর্শনের পরিভাষায় এই শব্দদ্বয়ের অর্থের গভীরতা অনেক বেশি। তবে-        এখানে বিভাজনের প্রধান মাপকাঠি হলো 'বেদ'। যে দর্শন সম্প্রদায় বেদের প্রামাণ্য ও বেদবিহিত কর্মপদ্ধতিকে অভ্রান্ত ও পরম সত্য বলে স্বীকার করে, তারা আস্তিক দর্শন; আর যারা বেদের প্রামাণ্যকে অস্বীকার করে বা তার বিরোধী মত পোষণ করে, তারা নাস্তিক দর্শন। এই বিভাজনই ভারতীয় দর্শনের মতবাদগত বিন্যাস ও চিন্তাধারার পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করে। আর এই দৃষ্টিভঙ্গিকে সামনে রেখে আস্তিক ও নাস্তিক  দর্শনের যে পার্থক্যগুলি আমরা দেখতে পাই তা হলো-  ১) বেদের প্রামাণ্যকে যারা স্বীকার করেন তাঁরা আস্তিক দার্শনিক সম্প্রদায় নামে পরিচিত...