Skip to main content

Posts

 বাংলা মেজর DS5 সাজেশন 2026 
Recent posts

কবি জীবনানন্দ দাশ বাংলার মাটিতে ফিরে আসার আকাঙ্ক্ষা কেন ব্যক্ত করেছেন- তা আলোচনা করো।•

কবি জীবনানন্দ দাশ বাংলার মাটিতে ফিরে আসার আকাঙ্ক্ষা কেন ব্যক্ত করেছেন- তা আলোচনা করো।• কবি জীবনানন্দ দাশের 'আবার আসিব ফিরে' কবিতায় তাঁর বারবার ফিরে আসার আকাঙ্ক্ষা বা অমোঘ দেশপ্রেমের কথ আলোচনা করো(পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় চতুর্থ সেমিস্টার বাংলা মেজর)।         আলোচনার শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে," বাংলা কবিতার আধুনিকতার জনক জীবনানন্দ দাশের ‘রূপসী বাংলা’ কাব্যগ্রন্থের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও ধ্রুপদী কবিতা হলো ‘আবার আসিব ফিরে’। এই কবিতায় কবির দেশপ্রেম কোনো কৃত্রিম আবেগ নয়, বরং বলা যেতে পারে তা তাঁর অস্তিত্বের গভীরে প্রোথিত এক অমোঘ টান। কবি বাংলার সাধারণ নিসর্গ, রূপ-রস ও গন্ধের সাথে নিজের সত্তাকে এমনভাবে একাত্ম করে নিয়েছেন যে, মৃত্যুর পরেও তিনি এই নশ্বর পৃথিবীতেই বারবার ফিরে আসতে চেয়েছেন। ‘আবার আসিব ফিরে’ কেবল কবির ব্যক্তিগত আকাঙ্ক্ষার প্রকাশ নয়, বরং এটি আবহমান বাংলার প্রকৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতি একজন কবির অকৃত্রিম নিবেদন। আলোচ্য কবিতায় কবি কোনো বিশেষ ধর্ম বা জাতিসত্তার ঊর্ধ্বে উঠে শঙ্খচিল, শালিক, কিংবা সাধারণ গ্রাম্য কিশোরের বেশে যে ফিরে আসার বাসনা ব্যক্ত করেছেন, তা তাঁর গভী...

মেঘনাদবধ কাব্যের প্রথম স্বর্গের শোকাকুলা চিত্রাঙ্গদার যে চরিত্র কবি চিত্রিত করেছেন তা নিজের ভাষায় পরিস্ফুট করো। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় চতুর্থ সেমিস্টার বাংলা মেজর।

মেঘনাদবধ কাব্যের প্রথম স্বর্গের শোকাকুলা চিত্রাঙ্গদার যে চরিত্র কবি চিত্রিত করেছেন তা নিজের ভাষায় পরিস্ফুট করো । পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় চতুর্থ সেমিস্টার বাংলা মেজর।          মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ মহাকাব্যের চিরাচরিত ধারার অনুসারী হলেও, এর প্রতিটি চরিত্র কবি তাঁর নিজস্ব মনন ও আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে গড়ে তুলেছেন। কাব্যের প্রথম সর্গে প্রমীলা বা রাবণের পাশাপাশি চিত্রাঙ্গদার উপস্থিতি অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত হলেও কবি সেখানে এক গভীর ও করুণ মাতৃত্বের রূপ ফুটিয়ে তুলেছেন। পুত্রের মৃত্যুসংবাদ শুনে মাতা চিত্রাঙ্গদার শোকের যে ছবি কবি এঁকেছেন, তা একাধারে ট্র্যাজিক এবং মানবিক।তাই আমরা দেখি-       শোকাকুলা জননীর আর্তনাদ। প্রথম স্বর্গে বীরবাহুর মৃত্যুসংবাদ লঙ্কাপুরীতে পৌঁছালে চারিদিকে যে হাহাকার পড়ে যায়, সেই প্রেক্ষাপটে চিত্রাঙ্গদার প্রবেশ ঘটে। বীরবাহু ছিলেন লঙ্কাবাসীর আশা-ভরসা। পুত্রের অকালমৃত্যুর সংবাদে চিত্রাঙ্গদার যে মাতৃরূপ আমরা দেখি, তা অতিশয় করুণ। তিনি কেবল একজন সাধারণ মাতা নন, বরং তিনি এক হারানো বীরের জননী, যার জীবনের সমস্ত গর্ব ও...

প্রাচীন ভারতের নারীর অবস্থান লেখো অথবা আর্য সমাজের নারীর ভূমিকা আলোচনা করো।

প্রাচীন ভারতের নারীর অবস্থান লেখো অথবা আর্য সমাজের নারীর ভূমিকা আলোচনা করো।পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, প্রথম সেমিস্টার,ইতিহাস মাইনর।         আলোচনা শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,প্রাচীন ভারতের সমাজে নারীর অবস্থান বা আর্য সমাজে নারীর ভূমিকা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও জটিল বিষয়। সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে নারীর মর্যাদাও পরিবর্তিত হয়েছে। যেখানে ​প্রাচীন ভারতে নারীর অবস্থান ও আর্য সমাজের ভূমিকাহিসেবে আমরা দেখি,​প্রাচীন ভারতের নারী সমাজকে প্রধানত দুটি পর্যায়ে ভাগ করে বিশ্লেষণ করা হয়-বৈদিক যুগ এবং পরবর্তী বৈদিক ও স্মৃতিশাস্ত্রের যুগ।আসলে-        প্রাচীন ভারতে নারীর অবস্থান সম্পর্কে জানার জন্য বিভিন্ন উপাদানের সাহায্য আমরা পাই। আর সেখানে বেদ ও বৈদিক সাহিত্য, রামায়ণ ও মহাভারত, গ্রিক পর্যটকদের বিবরণ, বিভিন্ন ঐতিহাসিকদের বিবরণ বৌদ্ধ ও জৈন গ্রন্থাদি প্রভৃতি।সেখানে-       বৈদিক যুগে নারীর অবস্থান  (১৫০০ – ১০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ)সম্পর্কে আমরা জানতে পারি যে ঋক বৈদিক যুগের সমাজ ব্যবস্থায় নারী যথেষ্ট মর্যাদা ও সম্মানের অধিকারিণী ছিলেন। ...

প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনায় বৈদেশিক বিববণ অথবা বিদেশী সাহিত্যের ভূমিকা আলোচনা করো।

প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনায় বৈদেশিক বিববণ অথবা বিদেশী সাহিত্যের ভূমিকা আলোচনা করো।পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর।           আলোচনার শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,প্রাচীন ভারতের ইতিহাস পুনর্গঠনে দেশীয় উপাদানের (যেমন—সাহিত্যিক বা প্রত্নতাত্ত্বিক) পাশাপাশি বৈদেশিক বিবরণ বা বিদেশী সাহিত্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।যেখানে প্রাচীনকালে বহু বিদেশী পরিব্রাজক, বণিক ও দূত ভারতে এসেছিলেন। তাঁদের লেখনীতে সমকালীন ভারতের রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক ও ধর্মীয় পরিস্থিতির এক অনন্য চিত্র ফুটে উঠেছে। আর সেই চিত্রে আমরা দেখি-         গ্রিক ও রোমান বিবরণ। যেটি খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতক থেকে গ্রিক ঐতিহাসিক ও পর্যটকরা ভারতের কথা লিপিবদ্ধ করেছেন।যেখানে গ্রিক ঐতিহাসিক হেরোডোটাস (ইতিহাসের জনক) তাঁর লেখায় ভারতের উল্লেখ করেছেন। যদিও তাঁর তথ্যগুলি কিছুটা কিংবদন্তিনির্ভর, তবুও এটি প্রাচীন ভারতের সঙ্গে পারস্যের সম্পর্কের ইঙ্গিত দেয়।শুধু তাই নয়-        আলেকজান্ডারের অভিযানের সঙ্গে আসা নিয়ারকাস, অ্যারিস্টোবুলাস প্রমুখের বিবরণ থেক...
কৃষ্ণকান্তের উইল, গৃহদাহ, কবি, পদ্মা নদীর মাঝিঃষষ্ঠ সেমিস্টার বাংলা মেজর, DS-13 বাংলা উপন্যাস, সাজেশন ২০২৬  • কৃষ্ণকান্তের উইল, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়  ১. ভ্রমর চরিত্রটির বিশ্লেষণ ও সার্থকতা :"ভ্রমর 'কৃষ্ণকান্তের উইল' উপন্যাসের শ্রেষ্ঠ চরিত্র।"—মন্তব্যটির সার্থকতা বিচার করো। তার আত্মসম্মানবোধ, অভিমান এবং তার দাম্পত্য জীবনের বিবর্তনের মাধ্যমে বঙ্কিমচন্দ্র কীভাবে তৎকালীন নারীর আদর্শ রূপায়ণ করেছেন, তা আলোচনা করো। ​২. রোহিণী চরিত্রের দ্বন্দ্ব ও ট্র্যাজেডি :রোহিণী কি নিছকই এক 'পাপী' নারী, নাকি সমাজের ও পরিস্থিতির শিকার? কৃষ্ণকান্তের উইল উপন্যাসে রোহিণীর চরিত্র চিত্রণে বঙ্কিমচন্দ্রের মনস্তাত্ত্বিক দক্ষতার পরিচয় দাও। তার পরিণতির নেপথ্যে গোবিন্দলালের ভূমিকা কতটুকু? ​৩. গোবিন্দলালের চারিত্রিক পতন ও বিবর্তন:গোবিন্দলালের চরিত্রের পতনের কারণসমূহ বিশ্লেষণ করো। আদর্শবান ও নিষ্ঠাবান গৃহী থেকে একজন খুনি ও সর্বস্বান্ত মানুষ হয়ে ওঠার প্রক্রিয়ায় তার অন্তর্দন্দ্বের জায়গাটি উপন্যাস অবলম্বনে আলোচনা করো। ​৪. উপন্যাসের নামকরণ ও বিষয়বস্তু:' কৃষ্ণকান্তের উইল' উপন্যাসের নাম...

রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট হিসেবে হাজার চুরাশির মা উপন্যাসটিতে সত্তরের দশকের নকশাল আন্দোলন কীভাবে একটি উচ্চবিত্ত পরিবারের ভিত নাড়িয়ে দিয়েছিল, তা উপন্যাসের আলোকে লেখো।

হাজার চুরাশির মা- মহাশ্বেতা দেবীঃ রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট হিসেবে হাজার চুরাশির মা উপন্যাসটিতে সত্তরের দশকের নকশাল আন্দোলন কীভাবে একটি উচ্চবিত্ত পরিবারের ভিত নাড়িয়ে দিয়েছিল , তা উপন্যাসের আলোকে লেখো।পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় ষষ্ঠ সেমিস্টার বাংলা মাইনর।         আলোচনা শুরুতেই আমরা বলে থাকি যে,মহাশ্বেতা দেবীর কালজয়ী উপন্যাস ‘ হাজার চুরাশির মা ’কেবল সুজাতা ব্রতীর ব্যক্তিগত শোকের আখ্যান নয়, এটি সত্তরের দশকের উত্তাল রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি উচ্চবিত্ত বাঙালি পরিবারের ভাঙন ও নৈতিক সংকট বিশ্লেষণের দলিল। উপন্যাসের পটভূমিতে নকশাল আন্দোলন কীভাবে একটি আপাত-সুখী, বিত্তশালী পরিবারের ভিত নাড়িয়ে দিয়েছিল। আর এই প্রেক্ষিতে উপন্যাসটিতে আমরা দেখতে পাই-          ব্রতী সুজাতার সন্তান, যে '১০৮৪ নম্বর লাশ' হিসেবে শনাক্ত হয়েছিল। ব্রতীর মৃত্যু ছিল তার উচ্চবিত্ত পরিবারের কাছে এক বিরাট ধাক্কা। ব্রতী তার পরিবারের বিলাসিতা, শ্রেণি-স্বার্থ এবং সুবিধাবাদী মানসিকতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছিল। সে উপলব্ধি করেছিল যে, তার বাবার (দিব্যনাথ চ্যাটার্জি) ঐশ্বর্যের মূলে ...