বৈশেষিক দর্শন।। বৈশেষিক দর্শন মতে সংযোগ ও সমবায়ের মধ্যে পার্থক্য আলোচনা করো। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, প্রথম সেমিস্টার দর্শন মাইনর। মান ৫। বৈশেষিক দর্শনে সম্বন্ধ মূলত দুই প্রকার-সংযোগ এবং সমবায়। এই দুই সম্বন্ধের মধ্যে মৌলিক পার্থক্যগুলি হলো-নিম্নরূপ- ১) সম্বন্ধের প্রকৃতি অনুসারে সংযোগ একটি অনিত্য ও ক্ষণস্থায়ী সম্বন্ধ।কিন্তু - সমবায় একটি নিত্য ও শ্বাশত সম্বন্ধ। ২) অযুতসিদ্ধতা হিসেবে সংযোগ দুটি যুতসিদ্ধ (যা একে অপরকে ছাড়া আলাদাভাবে অবস্থান করতে পারে) বস্তুর মধ্যে ঘটে। যেমন: টেবিলে রাখা বই।কিন্তু- সমবায়ের ক্ষেত্রে দুটি অযুতসিদ্ধ (যাদের অন্তত একটিকে অন্যটি ছাড়া পৃথকভাবে পাওয়া যায় না) বস্তুর মধ্যে ঘটে। যেমন: গুণ ও গুণী। ৩) বিভাগ বা বিচ্ছেদ অনুসারে সংযোগের বিনাশ ঘটে বিচ্ছেদের (বিভাগের) মাধ্যমে।কিন্তু- সমবায় সম্বন্ধীয় বস্তুদ্বয়ের বিনাশ কেবল বস্তুর ধ্বংসের মাধ্যমেই সম্ভব, বিচ্ছেদের দ্বারা নয়। ৪) পদার্থের স্থিতি ...
নির্বাচন কমিশন।। ভারতের নির্বাচন কমিশনের গঠন ও কার্যাবলী আলোচনা করো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় চতুর্থ এবং সপ্তম সেমিস্টার রাষ্ট্রবিজ্ঞান মাইনর)। আলোচনার শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,ভারতের সংবিধানের ১৫ নং অংশে ৩২৪ থেকে ৩২৯ নম্বর ধারায় নির্বাচন কমিশন সম্পর্কিত বিবরণ রয়েছে।তবে সংবিধানের ৩২৪(১) নম্বর ধারা অনুসারে, ভারতের নির্বাচন কমিশন একটি স্বশাসিত ও স্বাধীন সাংবিধানিক সংস্থা।আসলে এটি ভারতের সংসদ (লোকসভা ও রাজ্যসভা), রাজ্য বিধানসভা, রাষ্ট্রপতি এবং উপরাষ্ট্রপতির নির্বাচন পরিচালনা, তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণের সার্বিক দায়িত্ব পালন করে। তবে প্রসঙ্গগত উল্লেখ করা যায় যে, পঞ্চায়েত ও পৌরসভা নির্বাচন পরিচালনা করে 'রাজ্য নির্বাচন কমিশন'। ১. নির্বাচন কমিশনের গঠনঃ ১৯৫০ সালে প্রতিষ্ঠার সময় নির্বাচন কমিশন একজন মাত্র মুখ্য নির্বাচন কমিশনার নিয়ে গঠিত ছিল। ১৯৮৯ সালে সংশোধনী আইনের মাধ্যমে এটি বহু-সদস্যীয় সংস্থায় পরিণত করা হয়। ১৯৯৩ সাল থেকে কমিশন স্থায়ীভাবে একজন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং দুজন নির্বাচন কমিশনার-মোট তিনজন সদস্য নিয়ে গঠিত।আর সেখানে- ...