নারীশিক্ষায় ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অবদান আলোচনা করো (পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ দশম শ্রেণী প্রথম সেমিস্টার ইতিহাস)। আলোচনার শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,উনিশ শতকের মধ্যভাগে বাংলার সমাজ যখন কুসংস্কার আর গোঁড়ামিতে আচ্ছন্ন ছিল, তখন 'বিদ্যার সাগর' ও 'দয়ার সাগর' ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর উপলব্ধি করেছিলেন যে, নারীজাতির উন্নতি ছাড়া দেশের সার্বিক উন্নতি সম্ভব নয়। তিনি বুঝেছিলেন, কেবল উচ্চবিত্ত নয়, সাধারণ ঘরের মেয়েদের কাছেও শিক্ষার আলো পৌঁছানো প্রয়োজন। • বেথুন স্কুল ও বিদ্যাসাগরঃ ১৮৪৯ সালে জন এলিয়ট ড্রিঙ্কওয়াটার বেথুন যখন 'ক্যালকাটা ফিমেল স্কুল' (বর্তমানে বেথুন স্কুল) প্রতিষ্ঠা করেন, তখন বিদ্যাসাগর ছিলেন তার প্রধান সহযোগী। তিনি এই স্কুলের অবৈতনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং স্কুলের জন্য ছাত্রী সংগ্রহ ও পাঠ্যক্রম তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন। বালিকা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাঃ বিদ্যাসাগর যখন দক্ষিণবঙ্গের স্কুল পরিদর্শক (School Inspector) ছিলেন, তখন তিনি ব্যক্তিগত উদ্যোগে গ্রামবাংলার আনাচে-কানাচে স্কুল তৈরির ক...
লীলা মজুমদার এর মাকু উপন্যাসের প্রথম অধ্যায়ের মুল বিষয়বস্ত বিস্তারিত আলোচনা (পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ সপ্তম শ্রেণীর বাংলা দ্রুত গঠনের জন্য)। আলোচনার শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,লীলা মজুমদারের শিশুসাহিত্যের এক অনন্য সৃষ্টি 'মাকু'।আর এই মাকু উপন্যাসের প্রথম অধ্যায়ে আমরা পরিচিত হই দুই বোন- সোনা ও টিয়া র সাথে এবং তাদের রোমাঞ্চকর অভিযানের সূচনার সাথে।আর সেখানে তাদের অভিযানের প্রেক্ষাপট ও কালনিবাসে দেখি- গল্পের শুরুতে দেখা যায় সোনা ও টিয়া তাদের পিসেমশাইয়ের বাড়ি 'কালনিবাসে' যাওয়ার জন্য তৈরি হচ্ছে। এই কালনিবাস জায়গাটি বনের ধারে অবস্থিত এবং সেখানে নানা অদ্ভুত ঘটনা ঘটে। তাদের মা তাদের সাবধানে থাকার পরামর্শ দেন।কারণ সেই বনে বুনো জানোয়ারের ভয় আছে।তবে তারা সাবধানে থাকার পরেও আমরা দেখি- মাকুর রহস্যময় আবির্ভাব। আর সেখানে প্রথম অধ্যায়ের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো মাকু নামক একটি যন্ত্রমানুষ বা রোবট।এই মাকুকে তৈরি করেছিল এক ঘড়িওয়ালা। মাকু দেখতে অনেকটা মানুষের মতো হলেও সে আসলে কলকব্জার তৈরি। তার অদ্ভুত সব ক্ষ...