Skip to main content

Posts

প্রচার পত্র।

 ‘শেষের কবিতা কোচিং সেন্টার ’-এর পক্ষ থেকে মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক এবং বিএ (BA) ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে মাইকে প্রচার। ঘোষক বা অ্যানাউন্সার এটি পড়ার সময় একটুও তাড়াহুড়ো না করে, স্পষ্ট উচ্চারণে এবং কিছুটা ছন্দ মিলিয়ে বলবেন। প্রয়োজনে ব্যাকগ্রাউন্ডে হালকা কোনো বাদ্যযন্ত্রের সুর ব্যবহার করা যেতে পারে।        • মাইক প্রচারের খসড়া• (শুরুতে একটি হালকা সুর বা দৃষ্টি আকর্ষণকারী টিউন... তারপর)  **মনোযোগ দিন! মনোযোগ দিন!! মনোযোগ দিন!!!** এলাকার সমস্ত ছাত্র-ছাত্রী এবং অভিভাবক বন্ধুদের জানাই একটি বিশেষ ও সুবর্ণ সুযোগের খবর!  * পড়াশোনা কি কঠিন মনে হচ্ছে? * পরীক্ষায় আশানুরূপ নম্বর হচ্ছে না?  * পরীক্ষায় দারুণ রেজাল্ট করতে চান?  * কিন্তু সঠিক গাইডলাইন খুঁজে পাচ্ছেন না? আর কোনো চিন্তা নেই! আপনার স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে, শিক্ষার আলো ছড়াতে আপনার নিজের এলাকায় এসে গেছে             **‘শেষের কবিতা কোচিং সেন্টার ’**  **আমাদের এখানে কাদের পড়ানো হয়?** ৩১ বছরের অভিজ্ঞ এবং দক্ষ শিক্ষক-শিক্ষিক দ্বারা নিখুঁত পরিচালনায় আমাদের এখানে ভর্...
Recent posts
উৎপ্রেক্ষা অলংকার কাকে বলে ? উৎপ্রেক্ষা অলংকারের শ্রেণীবিভাগ উদাহরণসহ আলোচনা করো। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় ষষ্ঠ সেমিস্টার বাংলা মেজর।   উৎপ্রেক্ষা অলংকারঃ কাব্যে যেখানে উপমেয়কে (যাকে তুলনা করা হচ্ছে) সাধারণ ধর্মের সাদৃশ্যের জন্য উপমান (যার সাথে তুলনা করা হচ্ছে) বলে মনে হয় বা উপমান হিসেবে কবি প্রবল সংশয় বা সম্ভাবনা প্রকাশ করেন, তখন তাকে উৎপ্রেক্ষা অলংকার বলে।সহজ কথায়-         উপমেয় ও উপমানের মধ্যে সাদৃশ্য এত বেশি থাকে যে, কবি উপমেয়কে উপমান বলেই ভুল বা সংশয় প্রকাশ করেন। এই অলংকারে সাধারণত ' যেন', 'মনে হয়', 'বুঝি', 'বটে', 'নিশ্চয়', 'আশঙ্কা হয়' ইত্যাদি সম্ভাবনাবাচক শব্দ ব্যবহৃত হয়।উদাহরণ- " মুখখানি যেন নীল পদ্ম।"     ব্যাখ্যাঃ'মুখখানি'  হলো উপমেয় এবং ' নীল পদ্ম ' হলো উপমান। মুখের সৌন্দর্য দেখে কবির মনে প্রবল সম্ভাবনা বা সংশয় জেগেছে যে, মুখটি আসলে মুখ নয়, যেন একটি নীল পদ্ম। 'যেন' শব্দের দ্বারা এই সম্ভাবনা প্রকাশিত হওয়ায় এটি উৎপ্রেক্ষা অলংকার।     •উৎপ্রেক্ষা অলংকারের শ্রেণীবিভাগ•            উৎপ্র...
 পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (WBSU) ষষ্ঠ সেমিস্টারের ইতিহাস মাইনর (History Minor) পরীক্ষার বড় প্রশ্ন (১৫ নম্বর) বা বিস্তারিত আলোচনার উপযোগী করে নোটটি নিচে আরও তথ্যসমৃদ্ধভাবে পুনর্গঠিত করে দেওয়া হলো। # ফরাসি বিপ্লবের দুই স্তম্ভ: টেনিস কোর্টের শপথ ও বাস্তিল দুর্গের পতন ### ১. টেনিস কোর্টের শপথ (২০শে জুন, ১৭৮৯) **প্রেক্ষাপট ও রাজনৈতিক সংকট:** ফরাসি সম্রাট ষোড়শ লুই ১৭৮৯ সালের ৫ই মে ভার্সাইয়ে এস্টেটস জেনারেলের অধিবেশন ডাকেন। তৃতীয় সম্প্রদায়ের (সাধারণ মানুষ) দাবি ছিল ‘মাথাপিছু ভোট’ (One Man One Vote), কিন্তু রাজা ও প্রথম দুই সম্প্রদায় ‘শ্রেণিভিত্তিক ভোট’-এর দাবিতে অনড় থাকে। এই অচলাবস্থা কাটানোর জন্য ১৭ই জুন তৃতীয় সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা নিজেদের **‘জাতীয় সভা’** (National Assembly) হিসেবে ঘোষণা করেন। এটি ছিল রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রথম প্রকাশ্য বিদ্রোহ। **শপথের বিবরণ:** ২০শে জুন তৃতীয় সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা সভাকক্ষে প্রবেশ করতে গিয়ে দেখেন সেটি তালাবন্ধ। তারা মনে করেন রাজা তাদের সভা ভেঙে দিতে চান। উত্তেজিত প্রতিনিধিরা নিকটবর্তী এক ইনডোর টেনিস খেলার মাঠে সমবেত হন। এখানে প্রখ্যাত জ্...

টেনিস কোর্টের শপথ

টেনিস কোর্টের শপথ-   টেনিস কোর্টের শপথ (১৭৮৯), প্রেক্ষাপট ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব  পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (WBSU) ষষ্ঠ সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর (History Minor) পাঠ্যক্রম।         আলোচনার শুরুতেই বলে রাখি যে,১৭৮৯ খ্রিস্টাব্দের ২০শে জুন ফ্রান্সের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় দিন। ফরাসি বিপ্লবের প্রাক্কালে তৃতীয় সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা ভার্সাইয়ের টেনিস খেলার মাঠে যে শপথ গ্রহণ করেছিলেন, তা ' টেনিস কোর্টের শপথ'(Tennis Court Oath) নামে পরিচিত। এটি ছিল ফরাসি রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের প্রথম সংগঠিত বিদ্রোহ এবং আধুনিক গণতন্ত্রের পথে এক বলিষ্ঠ পদক্ষেপ।আর সেই বিদ্রোহের প্রেক্ষাপট ছিল-       ফরাসি সম্রাট ষোড়শ লুই ১৭৮৯ খ্রিস্টাব্দের ৫ই মে দীর্ঘ ১৭৫ বছর পর 'এস্টেটস জেনারেল'বা জাতীয় সভার অধিবেশন আহ্বান করেন।এই সভায় তিনটি সম্প্রদায় ছিল। আর সেই সম্প্রদায় গুলি হলো- ১. যাজক (প্রথম সম্প্রদায়) •২. অভিজাত (দ্বিতীয় সম্প্রদায়)            •৩. সাধারণ মানুষ (তৃতীয় সম্প্রদায়)           আসলে তৃতীয় সম্প্...

মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস কাকে বলে ? এই উপন্যাসের প্রধান লক্ষণগুলো লেখো। রবীন্দ্রনাথের 'চোখের বালি' বা 'চতুরঙ্গ' অবলম্বনে এই শ্রেণীর উপন্যাসের সার্থকতা বিচার করো।

মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস কাকে বলে ? এই উপন্যাসের প্রধান লক্ষণগুলো লেখো। রবীন্দ্রনাথের 'চোখের বালি' বা 'চতুরঙ্গ' অবলম্বনে এই শ্রেণীর উপন্যাসের সার্থকতা বিচার করো। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় চতুর্থ সেমিস্টার বাংলা মেজর DS-5, Unit-2       আলোচনা শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে, বাংলা সাহিত্যে উপন্যাসের বিবর্তনের ধারায় মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং আধুনিক শাখা। যেখানে সাধারণ উপন্যাসে বাইরের ঘটনা বা প্লট প্রধান হয়ে ওঠে, সেখানে মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসে মানুষের মনের গহীন কোণ, তার ইচ্ছা-অনিচ্ছা, দ্বন্দ্ব এবং অবচেতন মনের বিশ্লেষণই মুখ্য। আর এই নিরিখে আমরা বলতে পারি- ​        যে উপন্যাসে বাহ্যিক ঘটনার ঘনঘটার চেয়ে চরিত্রের অন্তর্জগৎ বা মনের গূঢ় রহস্য বিশ্লেষণে লেখক বেশি মনোযোগী হন, তাকেই মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস বলা হয়। এখানে 'কী ঘটছে' তার চেয়ে বড় হয়ে দাঁড়ায় চরিত্রটি 'কী ভাবছে' বা 'কেন এমন আচরণ করছে'। মানুষের জটিল মনস্তত্ত্ব, অবদমিত কামনা, ঈর্ষা, প্রেম এবং নৈতিক দ্বন্দ্বের ব্যবচ্ছেদই এই জাতীয় উপন্যাসের প্রধান উপজীব্য।      •মনস্...

মূল্যায়ণঃশিক্ষামূলক অভীক্ষার (Educational Test) শ্রেণীবিভাগ বা প্রকারভেদ আলোচনা করো।

শিক্ষামূলক অভীক্ষার (Educational Test) শ্রেণী বিভাগ বা প্রকারভেদ আলোচনা করোপ (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় চতুর্থ সেমিস্টার এডুকেশন মাইনর)।Unit-3       আলোচনার শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,শিক্ষামূলক অভীক্ষাগুলিকে বিভিন্ন মানদণ্ডের ভিত্তিতে ভাগে ভাগ করা হয়। আর বলা যেতে পারে যে,এই সকল শ্রেণীবিভাগগুলো অভীক্ষার উদ্দেশ্য, প্রয়োগের পদ্ধতি এবং আদর্শায়নের উপর নির্ভর করে করে। সেই ভাগ গুলি হল-        ১)  অভীক্ষার উদ্দেশ্য অনুযায়ী শ্রেণীবিভাগ   ক) পারদর্শিতার অভীক্ষাঃ পারদর্শিতা অভীক্ষাগুলি একজন শিক্ষার্থীর অর্জিত জ্ঞান এবং দক্ষতা পরিমাপ করে থাকে। সাধারণত কোনো পাঠ্যক্রম বা কোর্স শেষ হওয়ার পর এই পরীক্ষা নেওয়া হয়, যেমন—বার্ষিক পরীক্ষা বা বোর্ড পরীক্ষা। এছাড়াও- খ)নির্ণায়ক অভীক্ষাঃ  নির্ণায়ক অভীক্ষার প্রধান উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের শেখার ক্ষেত্রে বিদ্যমান দুর্বলতা ও সমস্যাগুলি চিহ্নিত করা। এর মাধ্যমে শিক্ষক বুঝতে পারেন কোন নির্দিষ্ট বিষয়ে শিক্ষার্থীর কেন অসুবিধা হচ্ছে এবং সেই অনুযায়ী প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা নিতে পারেন। গ)পূর্বাভাসমূলক অভীক...

উপন্যাস ও রোমান্সের সংজ্ঞা এবং এদের মধ্যকার ১০টি মৌলিক পার্থক্য লেখো।

উপন্যাস ও রোমান্সের সংজ্ঞা এবং এদের মধ্যকার ১০টি মৌলিক পার্থক্য লেখো। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (WBSU) চতুর্থ সেমিস্টারের বাংলা মেজর DS-5, খ.      •উপন্যাসঃ  উপন্যাস হলো গদ্যে রচিত এমন এক দীর্ঘ আখ্যানমূলক সাহিত্যকর্ম, যেখানে বাস্তব জীবনের প্রতিফলন ঘটে। এতে চরিত্রগুলোর জীবনসংগ্রাম, মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ এবং সামাজিক প্রেক্ষাপট অত্যন্ত বিশ্বস্ততার সঙ্গে ফুটে ওঠে। সংক্ষেপে, যা বাস্তবসম্মত এবং জীবনের কাছাকাছি, তাই উপন্যাস। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় যে, তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'গণদেবতা' বা মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'পদ্মানদীর মাঝি' শ্রেষ্ঠ উপন্যাস।      •রোমান্সঃ  রোমান্স হলো এমন এক ধরনের আখ্যান যেখানে কল্পনাপ্রসূত, অলৌকিক বা অতিপ্রাকৃত ঘটনার প্রাধান্য থাকে। এখানে বাস্তবতা অপেক্ষা বীরত্ব, প্রেম এবং রোমাঞ্চকর অভিযানের ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। রোমান্সের জগৎ সাধারণত দৈনন্দিন ধূসর বাস্তবতা থেকে দূরে এক মায়াবী জগৎ। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় যে, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'দুর্গেশনন্দিনী' বা 'কপালকুণ্ডলা' রোমান্সধর্মী উপন্যাস।  উপন্যাস ও রো...