Skip to main content

Posts

 আপনার অসন্তোষ একদম স্বাভাবিক, এবং আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত যে আগের উত্তরগুলোতে আমি বিষয়টি ভুল বুঝেছিলাম! আপনি ঠিকই বলেছেন, ২০২৫ সালে যে প্রশ্নগুলো ইতিমধ্যেই এসে গেছে, ২০২৬ সালের পরীক্ষায় সাধারণত সেগুলো সরাসরি আসবে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের সিলেবাসের যে অধ্যায়গুলো থেকে ২০২৫ সালে প্রশ্ন এসেছে (যেমন: ইলতুৎমিশ, সুফি আন্দোলন, মনসবদারি, মারাঠা ইত্যাদি), সেই অধ্যায়গুলোর বিকল্প বা পরিপূরক প্রশ্ন এবং যেসব অধ্যায় থেকে প্রশ্ন আসেনি, সেগুলোকে ভিত্তি করে ২০২৬ সালের জন্য একটি সম্পূর্ণ নতুন সাজেশন নিচে দেওয়া হলো: GROUP - B (২৫০ শব্দের মধ্যম দৈর্ঘ্যের প্রশ্ন)  *** ১. গিয়াসউদ্দিন বলবন কিভাবে দিল্লি সুলতানির সার্বভৌমত্ব ও রাজতন্ত্রের মর্যাদা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছিলেন?  *** ২. আলাউদ্দিন খলজির মূল্যনিয়ন্ত্রণ নীতি বা বাজারদর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।  *** ৩. মহম্মদ বিন তুঘলকের রাজধানী স্থানান্তর পরিকল্পনাটি কেন ব্যর্থ হয়েছিল?  *** ৪. ভক্তি আন্দোলনের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি কী কী ছিল?  *"* ৫. মুঘল সাম্রাজ্যের পতনে ঔরঙ্গজেবের দাক্ষিণাত্য নীতি কতটা দায়ী ছিল?  ***...
Recent posts

নির্বাচন কমিশন। সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর সাজেশন

নির্বাচন কমিশন।। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় (WBSU)-এর রাষ্ট্রবিজ্ঞান মাইনর/মেজর (NEP / CCFUP) সিলেবাসের Unit 1: "Electoral Process in India: Election Commission—composition, function, role—Electoral Reforms" অধ্যায়, অর্থাৎ ভারতের নির্বাচন প্রক্রিয়া (২ নম্বরের গুরুত্বপূর্ণ সাজেশন)৪ নম্বর অধ্যায়। ১. ভারতের নির্বাচন কমিশনের গঠন কেমন? (Composition of Election Commission) উত্তর: ভারতীয় সংবিধানের ৩২৪(২) ধারা অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন একজন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (Chief Election Commissioner) এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সময় সময় (অর্থাৎ যখন যেমন প্রয়োজন) নির্ধারিত সংখ্যক অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারদের নিয়ে গঠিত হয়। বর্তমানে এটি ৩ সদস্যের একটি বহু-সদস্যবিশিষ্ট সংস্থা। ২. নির্বাচন কমিশনারদের কার্যকাল ও চাকরির মেয়াদ কত? উত্তর: মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারদের কার্যকালের মেয়াদ ৬ বছর অথবা তাঁদের ৬৫ বছর বয়স হওয়া পর্যন্ত (যেটি আগে ঘটে)। ৩. নির্বাচন কমিশনের দুটি প্রধান কার্যবলী উল্লেখ করো। উত্তর: নির্বাচন পরিচালনা ও তত্ত্বাবধান: লোকসভা, রাজ্...

নির্বাচন কমিশন।। ভারতের নির্বাচন কমিশনের নির্বাচনী সংস্কার(Electoral Reforms in India) আলোচনা করো।

নির্বাচন কমিশন।। ভারতের নির্বাচন কমিশনের নির্বাচনী সংস্কার(Electoral Reforms in India) আলোচনা করো। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় সপ্তম সেমিস্টার রাষ্ট্রবিজ্ঞান মাইনর।       আমরা জানি যে,বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ভারতে অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনা করার মূল দায়িত্ব সংবিধানের ৩২৪ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ভারতের নির্বাচন কমিশনের (ECI) ওপর ন্যস্ত।আসলে স্বাধীন ভারতের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ, শক্তিশালী এবং প্রযুক্তিমুখী করার জন্য সময়ের সাথে সাথে নির্বাচন কমিশন একাধিক নির্বাচনী সংস্কার গ্রহণ ও সুপারিশ করেছে। আর সেই নির্বাচনী সংস্কার গ্রহণ ও সুপারিশ গুলি হলো-      • নির্বাচনী সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা। ভারতে প্রধানত চারটি 'M' (Money, Muscle, Media, and Mafia) এবং তিনটি 'C' (Corruption, Casteism, and Criminalization)-এর প্রভাব দূর করার লক্ষ্যে নির্বাচনী সংস্কার জরুরি হয়ে পড়েছিল।যেখানে কালো টাকার প্রভাব রোধ করার জন্য রাজনৈতিক অর্থায়ন ও মাত্রাতিরিক্ত নির্বাচনী খরচ নিয়ন্ত্রণ করা হয়।যার প্রধান উদ্দেশ্য হলো অপরাধমূলক ব্যাকগ্রাউন...

আলেকজান্ডারের ভারত আক্রমণকালে উত্তর-পশ্চিম ভারতের রাজনৈতিক অবস্থা কেমন ছিল? আলোচনা করো।

আলেকজান্ডার।। আলেকজান্ডারের ভারত আক্রমণকালে উত্তর-পশ্চিম ভারতের রাজনৈতিক অবস্থা কেমন ছিল? আলোচনা করো। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর।       আলোচনার শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,খ্রিস্টপূর্ব ৩২৬ অব্দে মেসিডোনিয়ার বীর সম্রাট আলেকজান্ডার যখন ভারত আক্রমণ করেন, তখন উত্তর-পশ্চিম ভারতের রাজনৈতিক চিত্রটি ছিল অত্যন্ত খণ্ডিত, বিশৃঙ্খল এবং পরস্পরবিরোধী দ্বন্দ্বে জর্জরিত। সেই সময়কালে কোনো কেন্দ্রীয় শক্তিশালী রাজনৈতিক ঐক্য বা অখণ্ড সাম্রাজ্য সেখানে ছিল না। এই রাজনৈতিক অনৈক্য ও পারস্পরিক কোন্দলই আলেকজান্ডারের ভারত বিজয়কে অনেকাংশে সহজ করে দিয়েছিল। আর সেখানে আমরা দেখি-     • রাজনৈতিক খণ্ডবিখণ্ডতা ও ক্ষুদ্র রাজ্যের উপস্থিতি। আসলে খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতকের মাঝামাঝি সময়ে উত্তর-পশ্চিম ভারত কোনো একক ছাতার নিচে ছিল না। সিন্ধু নদ ও তার উপনদীগুলো অববাহিকায় ছোট ছোট অসংখ্য স্বাধীন রাজ্য, রাজতন্ত্র এবং যুক্তরাষ্ট্র বা গণরাজ্য ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল। প্রতিটি রাজ্য একে অপরের থেকে সম্পূর্ণ স্বাধীন ছিল এবং তাদের মধ্যে নিয়মিত সীমানা বিরোধ ও রাজনৈতিক শত্রুতা লেগেই থাক...

মনসামঙ্গল কাব্য।। মনসার লৌকিক দেবী থেকে পৌরাণিক দেবীতে রূপান্তরের সংগ্রাম এবং নিজের পূজা প্রতিষ্ঠার জন্য তাঁর জেদ ও চক্রান্ত আলোচনা করো।

মনসামঙ্গল কাব্য।। মনসার লৌকিক দেবী থেকে পৌরাণিক দেবীতে রূপান্তরের সংগ্রাম এবং নিজের পূজা প্রতিষ্ঠার জন্য তাঁর জেদ ও চক্রান্ত আলোচনা করো। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম সেমিস্টার বাংলা মেজর, মাইনর।       আলোচনা শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের মঙ্গলকাব্য ধারায় অন্যতম প্রধান কাব্য হলো মনসামঙ্গল ।আর এই কাব্যের মূল চালিকাশক্তি দেবী মনসার নিজের পূজা প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই।সেখানে লৌকিক সমাজ থেকে পৌরাণিক দেবকুলে নিজের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করা এবং মর্ত্যে উচ্চবর্ণের মানুষের কাছে পূজা আদায় করার জন্য মনসার যে সংগ্রাম, জেদ ও চক্রান্তের রূপ চিত্রিত হয়েছে, তা মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য দলিল হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। যেখানে-     • লৌকিক দেবী থেকে পৌরাণিক দেবীতে রূপান্তরে র ব্যাকুলতা এ কাব্যের মূল সুর।আসলে দেবী মনসার উদ্ভব মূলত গ্রামীণ সমাজের লৌকিক সর্পদেবী হিসেবে। তিনি ছিলেন সাপ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য কৃষক ও সাধারণ নিম্নবর্গের মানুষের উপাস্য। কিন্তু তিনি শুধুমাত্র লৌকিক দেবী হয়ে থাকতে চাননি; তাঁর আকাঙ্ক্ষা ছিল স্বর্গীয় দেবসভায় স্বীকৃতি লাভ ...

আমার দুর্গোৎসব।।'আমার দুর্গোৎসব' প্রবন্ধটি বাঙালি জাতি এবং মাতৃভূমির প্রতি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের গভীর ভালোবাসার এক মর্মস্পর্শী দলিল-কমলাকান্তের গ্ৰন্থ অবলম্বনে আলোচনা করো

আমার দুর্গোৎসব ।।' আমার দুর্গোৎসব' প্রবন্ধটি বাঙালি জাতি এবং মাতৃভূমির প্রতি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের গভীর ভালোবাসার এক মর্মস্পর্শী দলিল-কমলাকান্তের গ্ৰন্থ অবলম্বনে আলোচনা করো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়/কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়,পঞ্চম সেমিস্টার, বাংলা মেজর)DS9, Unit 1.           আলোচনার শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে, আমার দুর্গোৎসব' প্রবন্ধটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'কমলাকান্তের দপ্তর' (১৮৭৫) গ্রন্থের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও আবেগঘন রচনা।আর এই প্রবন্ধটি আফিংখোর ব্রাহ্মণ কমলাকান্তের জবানিতে রচিত হলেও, এটি কেবলমাত্র রম্য-ব্যঙ্গ নয়, বরং গভীর দেশপ্রেম, জাতীয়তাবোধ এবং দার্শনিক ভাবনার এক অপূর্ব মিশ্রণ। তাই আমরা বলতে পারি-এটি কেবল একটি প্রবন্ধ নয়, বরং একটি পরাধীন জাতির হৃদয়ের স্পন্দন।আর সেই স্পন্দনে স্পন্দিত হয়ে -          আমরা বলতে পারি যে,' আমার দুর্গোৎসব ' প্রবন্ধটি অবশ্যই বাঙালি জাতি ও মাতৃভূমির প্রতি ভালোবাসার দলিল।আসলে 'আমার দুর্গোৎসব' প্রবন্ধটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'কমলাকান্তের দপ্তর' (১৮৭৫) গ্রন্থের অন্তর্গত...

আমার মন।।'কেবল মন বাঁধা দিতেই আসি' উক্তিটির প্রেক্ষিতে পরাধীন বাঙালির দাসত্ববৃত্তি ও গদ্যশৈলী আলোচনা করো।

আমার মন।।'কেবল মন বাঁধা দিতেই আসি' উক্তিটির প্রেক্ষিতে পরাধীন বাঙালির দাসত্ববৃত্তি ও গদ্যশৈলী আলোচনা করো। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় ৫ম সেমিস্টার বাংলা মেজর।        আলোচনার শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,ঊনবিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক ও সমাজচিন্তক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের হাস্যরসাত্মক ও ব্যঙ্গাত্মক গদ্যসংকলন ‘কমলাকান্তের দপ্তর’। যে গদ্য সংকলনের একটি অন্যতম প্রধান ভাবাশ্রয়ী রচনা হলো ‘আমার মন’ । আর এই প্রবন্ধটিতে পরাধীন ভারতে পাশ্চাত্য শিক্ষা ও সভ্যতার অন্ধ অনুকরণে রত বাঙালি বুদ্ধিজীবী সমাজের আত্মিক পরাধীনতা, নৈতিক অবক্ষয় এবং তীব্র দাসত্ববৃত্তিকে বঙ্কিমচন্দ্র তাঁর আফিমখোর রূপক চরিত্র কমলাকান্তের মাধ্যমে পরম নিপুণতায় উন্মোচিত করেছেন। প্রবন্ধে কমলাকান্তের ক্ষোভ ও খেদমিশ্রিত উচ্চারণ-                 " আমরা কি করিতে আসি, তাহা ঠিক বলিতে পারি না-কিন্তু বোধ হয়, কেবল মন বাঁধা দিতেই আসি।"                                   আ...