Skip to main content

Posts

ভারতের প্রধান জাতীয় রাজনৈতিক দলের আদর্শ ও কর্মসূচি আলোচনা করো। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় সপ্তম সেমিস্টার রাষ্ট্রবিজ্ঞান মাইনর স্পেশাল পেপার।         ভারতের রাজনৈতিক ব্যবস্থায় জাতীয় দলগুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ভারতের নির্বাচন কমিশন কর্তৃক স্বীকৃত জাতীয় রাজনৈতিক দলগুলির আদর্শ ও কর্মসূচি দেশের রাজনীতি, অর্থনীতি ও সামাজিক গঠনকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে।আর সেই হিসেবে  ভারতের প্রধান জাতীয় রাজনৈতিক দলগুলির আদর্শ ও মূল কর্মসূচির বিস্তারিত আলোচনা করা হলো- ১. ভারতীয় জনতা পার্টিঃ ভরতের বর্তমান রাজনীতিতে একক সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল হলো ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই দলটির ভাবাদর্শ ও কর্মসূচি প্রধানত "একাত্ম মানবতাবাদ" এবং "সাংস্কৃতিক জাতীয়তাবাদ"-এর ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।আর সেই দলের মূল আদর্শ হলো-        সংস্কৃতিক জাতীয়তাবাদ (হিন্দুত্ব): বিজেপির মূল ভাবাদর্শ হলো 'এক জাতি, এক সংস্কৃতি, এক দেশ'। ভারতের সনাতন সংস্কৃতি ও ইতিহাসকে তারা জাতীয় চেতনার কেন্দ্রবিন্দু মনে করে।      একাত্ম মানবতাবাদ...
Recent posts

রাজশক্তি উত্থান।। খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতকে মগধ কিভাবে উত্তর ভারতের রাজনীতিতে প্রাধান্য বিস্তার করেছিল? তা আলোচনা করো। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর।

রাজশক্তি উত্থান।।খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতকে মগধ কিভাবে উত্তর ভারতের রাজনীতিতে প্রাধান্য বিস্তার করেছিল? তা আলোচনা করো। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর।       আমরা জানি যে,খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতকে উত্তর ভারতের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ১৬টি মহাজনপদের উত্থান ঘটেছিল। এদের মধ্যে শেষপর্যন্ত মগধ সাম্রাজ্যবাদী শক্তিতে রূপ নেয় এবং অন্যান্য মহাজনপদকে হারিয়ে উত্তর ভারতের রাজনীতিতে প্রাধান্য প্রতিষ্ঠা করে।মগধের এই শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের পেছনে রাজনৈতিক, ভৌগোলিক, অর্থনৈতিক এবং সামরিক-বিভিন্ন অনুকূল কারণের অবদান ছিল।আর সেখানে আমরা দেখি- মগধের শক্তি বৃদ্ধি ও প্রাধান্য বিস্তারের প্রধান কারণগুলো হলো-       ১)দক্ষ রাজবংশ ও শক্তিশালী শাসক বৃন্দের ভূমিকাঃ মগধের প্রাধান্য বিস্তারের প্রধান ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন এর যোগ্য শাসকবর্গ। আর সেই শাসকবর্গের মধ্যে অন্যতম শাসকবংশ হলো-         হর্যাঙ্ক বংশঃ রাজা বিম্বিসার বৈবাহিক সম্পর্ক (কৌশল, বৈশালী ও মদ্র রাজপরিবারের সাথে) এবং সামরিক অভিযানের (অঙ্গরাজ্য জয়) মাধ্যমে মগধকে একটি শক্ত ভিত্তির ওপর...

চর্যপদ।। বাংলা গীতি কবিতার আদি রূপ হিসেবে চর্যাপদের সাহিত্যমূল্য আলোচনা করো।

চর্যপদ।। বাংলা গীতি কবিতার আদি রূপ হিসেবে চর্যাপদের সাহিত্যমূল্য আলোচনা করো।পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, প্রথম সেমিস্টার বাংলা মেজল ও মাইনর।       আলোচনা শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,বাংলা সাহিত্যধারায় গীতিকবিতার ইতিহাস হাজার বছরের প্রাচীন, আর তার আদিমতম ও সার্থক নিদর্শন হলো চর্যাপদ। বাহ্যিকভাবে চর্যাপদ বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যদের গূঢ় সাধনসঙ্গীত বা ধর্মীয় পদাবলী হলেও, এর অন্তরালে লুকিয়ে রয়েছে নিখাদ কাব্যরস, গভীর অনুভূতি এবং সমাজচিত্র। আর সেই ক্ষেত্রে আমরা দেখতে পাই-    •গীতিকবিতার বৈশিষ্ট্য ও চর্যাপদ। আসলে গীতিকবিতা (Lyric) বলতে বোঝায় কবির ব্যক্তিগত অনুভূতি, ভাবোচ্ছ্বাস ও আবেশের সুরময় প্রকাশ। চর্যাপদের পদগুলিতে এই গীতিকবিতোচিত গুণাবলী পূর্ণমাত্রায় বিদ্যমান। যেখানে আছে-      ব্যক্তিগত অনুভূতি ও ভাবাবেগ। সিদ্ধাচার্যরা শুধু শুষ্ক ধর্মতত্ত্ব ব্যাখ্যা করেননি; তাঁদের পদের ছত্রে ছত্রে রয়েছে আনন্দ, বেদনা, শূন্যতা ও মহাসুখের অনুভূতির ব্যক্তিগত প্রকাশ।এছাড়াও আছে-       সঙ্গীতময়তা ও তাল-রাগ। চর্যাপদের প্রতিটি পদের মাথায় নির্দিষ্ট রাগ-রাগি...
 বাংলা ভাষার ইতিহাস হিসেবে চর্যাপদের ভাষাতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য ও সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের ভূমিকা আলোচনা করো। বাংলা ভাষার আদি স্তরের (প্রাচীন বাংলা) একমাত্র নির্ভরযোগ্য ও প্রত্যক্ষ নিদর্শ হলো চর্যাপদ। প্রাকৃত ও অপভ্রংশের গণ্ডি পেরিয়ে বাংলা ভাষা যখন এক স্বাধীন নব্য ভারতীয় আর্যভাষা (NIA) হিসেবে রূপ নিচ্ছিল, চর্যাপদের ভাষাতত্ত্ব তারই প্রমাণ বহন করে। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (WBSU) ১০ নম্বরের বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষার উপযোগী করে নিচে চর্যাপদের ভাষাতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য এবং বাংলা ভাষার ইতিহাস প্রমাণের ক্ষেত্রে ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের ঐতিহাসিক ভূমিকা বিস্তারিত আলোচনা করা হলো: ১. ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের ভূমিকা চর্যাপদ আবিষ্কৃত হওয়ার পর বাংলা, অসমীয়া, ওড়িয়া এবং মৈথিলী—এই চার ভাষার পণ্ডিতেরা চর্যাপদকে তাঁদের নিজস্ব ভাষার প্রাচীন রূপ বলে দাবি করেছিলেন। এই বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে চর্যাপদের ভাষাকে বৈজ্ঞানিক ও ভাষাতাত্ত্বিক ভিত্তিতে ‘প্রাচীন বাংলা’ হিসেবে চূড়ান্তভাবে প্রতিপন্ন করেন ভাষাবিজ্ঞানী ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়।  * ODBL প্রকাশ (১৯২৬): সুনীতিকুমার চ...

সমাজ ও সম্প্রদায় কী ও তাদের মধ্যে পার্থক্য লেখো।

সমাজ ও সম্প্রদায় কী ও  তাদের মধ্যে পার্থক্য লেখো। পশ্চিমবঙ্গের রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম সেমিস্টার সমাজবিজ্ঞান মাইনর।         • সমাজঃ সমাজবিজ্ঞানীদের মতে, সমাজ বলতে কেবল মানুষের কোনো সমষ্টিকে বোঝায় না, বরং মানুষের পারস্পরিক সম্পর্ক ও ব্যবস্থার সমাহারকে বোঝায়।আসলে সমাজ হলো এক জটিল সামাজিক সম্পর্কের জাল, যার মাধ্যমে মানুষ পরস্পর যুক্ত থাকে। প্রসঙ্গত ম্যাকিভার ও পেজ বলেন-       " সমাজ হলো সামাজিক সম্পর্কের এক পরিবর্তনশীল রূপ বা জাল (Society is a web of social relationships)."      এ. ডব্লিউ. গ্রিন এর মতে-" সমাজ হলো এমন এক বিশাল গোষ্ঠী, যার সদস্য হিসেবে মানুষ সাধারণ জীবনযাত্রায় অংশগ্রহণ করার সুযোগ পায়।"       • সম্প্রদায়ঃ নির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমানায় একত্রিত হয়ে বসবাসকারী এবং পারস্পরিক একাত্মতা বা 'আমরা-বোধ' (We-feeling) দ্বারা পরিচালিত মানবগোষ্ঠীকে সম্প্রদায় বলা হয়। সম্প্রদায়ের ভিত্তি হলো যৌথ জীবনযাপন ও স্থানীয় অনুভূতি।আর সেখান ম্যাকিভার ও পেজ বলেন-    "যখন কোনো ছোট বা বড় গোষ্ঠীর সদস্যরা কোনো ...

শিক্ষার লক্ষ্য।। প্রথাগত শিক্ষা এবং প্রথাগত-বহির্ভূত শিক্ষা-র ধারণা ও এদের মধ্যকার প্রধান পার্থক্যগুলি আলোচনা করো।

শিক্ষার লক্ষ্য।। প্রথাগত শিক্ষা এবং প্রথাগত-বহির্ভূত শিক্ষা -র ধারণা ও এদের মধ্যকার  প্রধান পার্থক্যগুলি আলোচনা করো। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম সেমিস্টার এডুকেশন মাইনর।      • প্রথাগত শিক্ষাঃ যে শিক্ষা ব্যবস্থা একটি সুনির্দিষ্ট এবং প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর মধ্যে পরিচালিত হয়, তাকে প্রথাগত শিক্ষা বলে। এটি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে বিস্তৃত।আর সেই শিক্ষা ব্যবস্থায় থাকে-        নির্দিষ্ট পাঠ্যক্রম, নির্দিষ্ট সময়সীমা, নিয়মিত উপস্থিতি, উপযুক্ত শিক্ষক এবং কোর্স শেষে সার্টিফিকেট প্রদান করার ব্যবস্থা থাকে।উদাহরণ হিসেবে সেখানে আমরা বলতে পারি যে- স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত শিক্ষা হলো প্রথাগত শিক্ষা।       •প্রথাগত-বহির্ভূত শিক্ষাঃ  যে শিক্ষা ব্যবস্থা প্রথাগত কাঠামোর বাইরে সংঘটিত হলেও একটি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য, পরিকল্পনা ও নমনীয় কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয়, তাকে প্রথাগত-বহির্ভূত শিক্ষা বলে। আর সেই শিক্ষা ব্যবস্থায় থাকে-        সময়ের নমনীয়ত...
আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ও মানব সভ্যতার ভবিষ্যৎ (AI vs. Humanity: The Next 10 Years)  ভিডিও টাইটেল ধারণা:  * AI vs. Humanity: The Next 10 Years (2026–2036)  * What Happens When AI Becomes Smarter Than Us? থাম্বনেল কনসেপ্ট: একদিকে মানুষের অর্ধেক মুখ, অন্যদিকে রোবটের ফিউচারিস্টিক ফেস। মাঝখানে একটি টাইমার যা ২০৩৬ সাল নির্দেশ করছে। [দৃশ্য ১: হুক / শক্তিশালী শুরু (০:০০ - ০:১৫)] (তীব্র সুরের ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক। স্ক্রিনে বিভিন্ন আধুনিক শহরের দ্রুতাগতির টেকনোলজি ফুটেজ, ডাটা সেন্টার এবং এআই রোবটের দ্রুত কাটিং শট।) ভয়েসওভার: আমরা কি মানব ইতিহাসের সবচেয়ে বিপজ্জনক কিন্তু রোমাঞ্চকর যুগে প্রবেশ করছি? আমরা এমন এক প্রযুক্তি তৈরি করেছি যা মানুষের চেয়ে দ্রুত চিন্তা করতে পারে, সিদ্ধান্ত নিতে পারে এবং কোডিং থেকে শুরু করে আর্ট—সব কিছু এক নিমেষে তৈরি করতে পারে। কিন্তু প্রশ্ন হলো: আগামী ১০ বছরে এই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স আমাদের জীবনকে কোথায় নিয়ে যাবে? এটি কি মানুষের সবচেয়ে বড় সঙ্গী হবে, নাকি আমাদের সবচেয়ে বড় অস্তিত্বের হুমকি? [দৃশ্য ২: বর্তমান অবস্থা ও চাকরির বাজার (০:১৫ - ১:০০)...