Skip to main content

Posts

অনুপ্রাস অলংকার কাকে বলে ? অনুপ্রাস অলংকারের শ্রেণীবিভাগ উদাহরণসহ আলোচনা করো। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, ষষ্ঠ সেমিস্টার, বাংলা মেজর DS12,Unit-1 অনুপ্রাস অলঙ্কারঃ একই ব্যঞ্জনধ্বনি বা ব্যঞ্জনধ্বনিগুচ্ছ যুক্ত বা বিযুক্ত অবস্থায় একাধিকবার উচ্চারিত হয়ে যে ধ্বনিমাধুর্য বা শ্রুতিসুখকর ধ্বনিঝঙ্কার সৃষ্টি করে, তাকে অনুপ্রাস অলঙ্কার বলে।আর এই অনুপ্রাসের মূল শর্ত হলো বর্ণের পুনরাবৃত্তি। এখানে স্বরবর্ণের সাম্য থাকা জরুরি নয়, কেবল ব্যঞ্জনবর্ণের মিল থাকলেই অনুপ্রাস হয়। উদাহরণ- ​"কুলায় কাঁপন লাগে লতার লহরী।" ব্যাখ্যাঃ উপরের উদাহরণটিতে অনুপ্রাস অলঙ্কারের সার্থক প্রয়োগ ঘটেছে।এখানে আমরা দেখতে পাই যে-একই ব্যঞ্জনধ্বনির পুনরাবৃত্তি হয়েছে বারবার।এই বাক্যটিতে ' ল' ব্যঞ্জনধ্বনিটি মোট চারবার ব্যবহৃত হয়েছে ( কুলায়,লাগে, লতার, লহরী- ল)। 'ল' ধ্বনিটি বারবার ফিরে আসার ফলে চরণে একটি চমৎকার সংগীতময় দোলা বা ঝঙ্কার সৃষ্টি হয়েছে।যেহেতু এখানে একটি ব্যঞ্জনধ্বনি ('ল') দুইয়ের বেশিবার (বহুবার) আবৃত্ত হয়েছে, তাই এটি অনুপ্রাসের একটি বিশেষ ভাগ 'বৃত্যানুপ্রাস'-এর অন্তর্ভুক্ত...
Recent posts
 পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (WBSU) স্নাতক স্তরের প্রথম সেমিস্টারের (NEP 2020) বাংলা (Minor) এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞানের গুরুত্বপূর্ণ কিছু সম্ভাব্য প্রশ্ন ও আলোচনার বিষয় নিচে দেওয়া হলো। এগুলো পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য আপনাকে সাহায্য করবে। ### **১. বাংলা মাইনর (Bengali Minor) সাজেশন** বাংলা মাইনর সিলেবাসে সাধারণত বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস (আধুনিক যুগ) এবং কিছু নির্দিষ্ট পাঠ্য অন্তর্ভুক্ত থাকে। **বিভাগ-ক: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস (আধুনিক যুগ)**  * **গদ্য ও প্রবন্ধ:** ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের অবদান এবং রামমোহন রায়ের গদ্যরীতির বৈশিষ্ট্য।  * **কাব্য-কবিতা:** বিহারীলাল চক্রবর্তীর 'সারদামঙ্গল' কাব্যের গুরুত্ব এবং আধুনিক বাংলা কাব্যে মাইকেল মধুসূদন দত্তের অবদান।  * **নাটক:** বাংলা নাট্যসাহিত্যে দীনবন্ধু মিত্র অথবা গিরিশচন্দ্র ঘোষের অবদান আলোচনা করো।  * **কথাসাহিত্য:** বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাসের বৈশিষ্ট্য অথবা ছোটগল্পকার হিসেবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সার্থকতা। **বিভাগ-খ: পাঠ্য বিষয় (কবিতা ও ছোটগল্প)**  * **কবিতা:** রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'ঐকতান' কবিতার মূল বক্তব্য...
  সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের 'মেঘচোর' নমস্কার বন্ধুরা, "শেষের কবিতা সুন্দরবন" চ্যানেলে আপনাদের স্বাগত। আজ আমরা আলোচনা করব সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের লেখা একটি অসাধারণ সায়েন্স ফিকশন বা কল্পবিজ্ঞান গল্প **'মেঘচোর'**। বিজ্ঞানের অহংকার নাকি প্রকৃতির নিয়ম—শেষ পর্যন্ত কার জয় হয়? তা নিয়েই আজকের এই ভিডিও।  মূল গল্পের পটভূমি          •গল্পের মূল নায়ক বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানী পুরন্দর চৌধুরী। তিনি আবহাওয়া বিজ্ঞানে এমন এক অভাবনীয় কৌশল আবিষ্কার করেছেন, যার মাধ্যমে তিনি বিশাল মেঘখণ্ডকে এক দেশ থেকে অন্য দেশে উড়িয়ে নিয়ে যেতে পারেন। তাঁর লক্ষ্য ছিল সাহারা মরুভূমিতে বৃষ্টি নামিয়ে তাকে সবুজ করে তোলা। কিন্তু এই মহান উদ্দেশ্য সফল হওয়ার আগেই বাধে বিপত্তি।   • কারপভ: গল্পের নেপথ্য নায়ক         পুরন্দর চৌধুরীর এই জেদ আর রাগের মূলে আছেন বিজ্ঞানী কারপভ। কারপভ ছিলেন পুরন্দরের প্রতিদ্বন্দ্বী। পুরন্দর যখন মেঘ নিয়ে গবেষণা করছিলেন, তখন কারপভ হিংসার বশবর্তী হয়ে তাঁকে 'মেঘচোর' বলে অপবাদ দেন। কারপভ প্রচার করেন যে পুরন্দর প্রকৃতির সম্পদ চুরি করছেন। সারা বিশ্ব যখন পুর...
একাঙ্ক নাটকঃ যে নাটক কেবল একটি মাত্র অঙ্কে (Act) সমাপ্ত হয় এবং যাতে মানবজীবনের কোনো একটি বিশেষ মুহূর্ত বা অখণ্ড খণ্ডচিত্র সার্থকভাবে ফুটে ওঠে, তাকেই একাঙ্ক নাটক বলা হয়। এটি পূর্ণাঙ্গ নাটকের সংক্ষিপ্ত রূপ নয়, বরং একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ শিল্পরূপ।           একাঙ্ক নাটক হলো নাট্যসাহিত্যের এমন একটি রূপভেদ যা মাত্র একটি অঙ্কে সমাপ্ত হয়। আধুনিক ব্যস্ত জীবনে অল্প সময়ের মধ্যে সম্পূর্ণ রসাস্বাদনের জন্য এই নাটক অত্যন্ত জনপ্রিয়।​সহজ কথায় বলা যায় যে- যে নাটকের কাহিনী বিন্যাস, দ্বন্দ্ব এবং পরিণাম একটি মাত্র অঙ্কের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে, তাকেই একাঙ্ক নাটক বলা হয়। • একাঙ্ক নাটকের বৈশিষ্ট্য ১)অঙ্ক ও দৃশ্যঃ এই নাটকে অঙ্ক মাত্র একটিই থাকে। দৃশ্য একাধিক হতে পারে, তবে কাহিনী বিরতিহীনভাবে এগিয়ে চলাই এর ধর্ম। ২)ঘটনার ঐক্যঃ এখানে কোনো উপকাহিনী বা পার্শ্বচরিত্রের আধিক্য থাকে না। একটি মূল লক্ষ্য বা ঘটনাকে কেন্দ্র করে নাটকটি আবর্তিত হয়। ৩)চরিত্রের স্বল্পতাঃ সময় ও পরিসর কম হওয়ার কারণে চরিত্রের সংখ্যা খুবই সীমিত থাকে। দুই বা তিনটি প্রধান চরিত্রের মাধ্যমেই নাটকীয়তা তুঙ্গে নেওয়া হয়। ৪)সংক্ষিপ্তত...

ফ্রান্সের সন্ত্রাসের রাজত্বের (Reign of Terror): প্রেক্ষাপট, রোবসপিয়রের ভূমিকা ও ফলাফল আলোচনা করো।

ফ্রান্সের সন্ত্রাসের রাজত্বের (Reign of Terror): প্রেক্ষাপট, রোবসপিয়রের ভূমিকা ও ফলাফল আলোচনা করো। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, ষষ্ঠ সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর।       আলোচনা শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,ফরাসি বিপ্লবের ইতিহাসে ১৭৯৩ সালের ২রা জুন থেকে ১৭৯৪ সালের ২৭শে জুলাই পর্যন্ত সময়কালকে ' সন্ত্রাসের রাজত্ব ' বলা হয়। জিরোন্ডিন দলের পতনের পর জ্যাকোবিন দল রোবসপিয়রের নেতৃত্বে ফ্রান্সে এক একনায়কতান্ত্রিক শাসন প্রতিষ্ঠা করে। এই শাসনের মূল ভিত্তি ছিল-   "সন্ত্রাসের মাধ্যমে প্রজাতন্ত্রকে রক্ষা করা।"  •সন্ত্রাসের রাজত্ব প্রবর্তনের কারণ বা প্রেক্ষাপট•  ফ্রান্সে সন্ত্রাসের রাজত্বের ফলে এক বহুমুখী সংকট ঘনীভূত হয়। যার ফলেই এই কঠোর শাসনের উদ্ভব ঘটেছিল। আর সেই শাসনে আমরা দেখতে পাই যে-  ১)  বৈদেশিক সংকটঃ ইংল্যান্ড, অস্ট্রিয়া, প্রুশিয়া ও স্পেনসহ ইউরোপীয় শক্তিবর্গ ফ্রান্সের বিরুদ্ধে 'প্রথম শক্তিজোট' গঠন করে। ফরাসি বাহিনী একের পর এক যুদ্ধে পরাজিত হতে থাকে, যা বিপ্লবের অস্তিত্বকে বিপন্ন করে তোলে।   ২)অভ্যন্তরীণ গৃহযুদ্ধঃ ফ্রান্সের দক্ষিণ ও পশ্চিম প্রান্তে (যেমন...
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের এই বিজ্ঞানভিত্তিক গল্পটি বিজ্ঞানের দম্ভ বনাম প্রকৃতির ভারসাম্যের এক অনবদ্য লড়াইয়ের কাহিনি। বিজ্ঞানী পুরন্দর চৌধুরী এবং তাঁর ভাইঝি অসীমা এই দুই চরিত্রের আদর্শগত সংঘাতই গল্পের প্রাণ।যেখানে-       বিজ্ঞানী পুরন্দর চৌধুরী সাহারা মরুভূমিতে বৃষ্টিপাত ঘটিয়ে সেখানে সবুজ বনভূমি তৈরির পরিকল্পনা করেন। কিন্তু সেই বৃষ্টির জল বা মেঘ আসবে অন্য দেশ থেকে।আর সেখানে এই কাজের নৈতিকতা নিয়ে অসীমা প্রশ্ন তুলে পুরন্দর চৌধুরীকে বলে - "অন্যের জমি থেকে ফসল চুরি করলে তাকে চোর বলা হয়, অন্যের আকাশ থেকে মেঘ চুরি করলে তাকে কী বলা উচিত?"        পুরন্দর চৌধুরী মেঘকে নিজের আয়ত্তে এনেছেন বলে দাবি করেন।তবে এখানে অসীমা তাঁকে সতর্ক করে দেয় যে, প্রকৃতির একটা নিজস্ব নিয়ম আছে।আর সেকারণে এক জায়গার জল অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়া মানেই প্রকৃতির ভারসাম্য নষ্ট করা।তাই অসীমা বলে- "প্রকৃতিকে নিয়ে এইরকম খেলা মারাত্মক।"  আসলে পৃথিবীর এক জায়গার জল অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়া মানেই প্রকৃতির নিয়ম ভাঙা। আর সেই কাজটি করছেন বিজ্ঞানী পুরন্দর চৌধুরী। শুধু তাই নয়, নিজেকে মেঘের সম্রাট মনে করতেন।...
 পশ্চিমবঙ্গে ১ কাঠা এবং ডেসিমেলের (শতক) সম্পর্ক সাধারণত অঞ্চলভেদে কিছুটা ভিন্ন হতে পারে, তবে স্ট্যান্ডার্ড পরিমাপ অনুযায়ী **১ কাঠা = ১.৬৫ ডেসিমেল (প্রায়)** ধরা হয়। নিচে আপনার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী হিসাবটি দেওয়া হলো: ### **ধাপ ১: ১ ডেসিমেল জমির দাম বের করা** যেহেতু ১.৬৫ ডেসিমেল (১ কাঠা) জমির দাম ৩,০০,০০০ টাকা, সুতরাং, ১ ডেসিমেল জমির দাম = \frac{৩,০০,০০০}{১.৬৫} \approx **১,৮১,৮১৮.১৮ টাকা**। ### **ধাপ ২: ২.৪৪ ডেসিমেল জমির দাম বের করা** এখন, ২.৪৪ ডেসিমেল জমির দাম হবে: ### **একনজরে হিসাব**  * **১ কাঠা জমির দাম:** ৩,০০,০০০ টাকা  * **২.৪৪ ডেসিমেল জমির দাম:** প্রায় **৪,৪৩,৬৩৬ টাকা** > **বিঃদ্রঃ:** যদি আপনার এলাকায় ১ কাঠার পরিমাপ ১.৬৫ ডেসিমেল থেকে আলাদা হয় (যেমন অনেক জায়গায় ১.৫ বা ১.৬ ডেসিমেল ধরা হয়), তবে সেক্ষেত্রে দাম সামান্য কম-বেশি হতে পারে। সাধারণ হিসাবের জন্য এটিই সঠিক পদ্ধতি। >