Skip to main content

Posts

শিক্ষার লক্ষ্যের প্রয়োজনীয়তা আলোচনা করো।

শিক্ষার লক্ষ্যের প্রয়োজনীয়তা আলোচনা করো।পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্র বিশ্ববিদ্যালয় এডুকেশন প্রথম সেমিস্টার মাইনর/কোর।          আমরা জানি যে,শিক্ষার লক্ষ্য থাকা একটি সুনির্দিষ্ট ও অর্থপূর্ণ জীবন গড়ার জন্য অত্যন্ত জরুরি। লক্ষহীন শিক্ষা কান্ডারীহীন নৌকার মতো, যা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে বিপথে পরিচালিত হতে পারে।আসলে শিক্ষার নির্দিষ্ট লক্ষ্য মানুষের অন্তর্নিহিত সম্ভাবনার বিকাশ ঘটাতে এবং ব্যক্তিকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সঠিক দিকনির্দেশ দেয়। উপযুক্ত শিক্ষার লক্ষ্য শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং পাঠক্রম প্রণয়নকারীদের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট পথরেখা তৈরি করে; যা ব্যক্তিসত্তার সর্বাঙ্গীণ বিকাশ, নৈতিক চেতনা বৃদ্ধি এবং সামাজিক উন্নতির সঠিক মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। সংক্ষেপে বলা যায়, শিক্ষাকে অর্থবহ, সুশৃঙ্খল ও ফলপ্রসূ করে তোলার জন্যই সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। আর সেখানে-শিক্ষার লক্ষ্য থাকার প্রয়োজনীয়তা হলো-     ১)দিক-নির্দেশনা প্রদানঃ শিক্ষার লক্ষ্য শিক্ষার্থী ও শিক্ষক উভয়কেই সঠিক পথের দিশা দেখায়। উপযুক্ত লক্ষ্য না থাকলে শিক্ষাদান ও শিখন প্রক্রিয়া নিরর্থক হয...
Recent posts

রাজা নাটক।। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রাজা নাটকের রাজা চরিত্রটির স্বরূপ বিশ্লেষণ করো। তাঁকে কেন অদৃশ্য রাখা হয়েছে? আলোচনা করো।

রাজা নাটক।। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রাজা নাটকের রাজা চরিত্রটির স্বরূপ বিশ্লেষণ করো। তাঁকে কেন অদৃশ্য রাখা হয়েছে? আলোচনা করো।       আলোচনার শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রূপক-সাংকেতিক নাটক ‘রাজা’ (১৯১০)। আর সেই নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্র হলেন স্বয়ং ‘রাজা’। সমগ্র নাটকে তিনি কোনো দৃশ্যমান মানবীয় অবয়বে মঞ্চে আবির্ভূত হন না; কেবল অন্ধকার ঘরে রানীর সঙ্গে তাঁর কথা হয়। বহিরাঙ্গের অনুপস্থিতি সত্ত্বেও তিনি নাটকের একমাত্র চালিকাশক্তি। আসলে এই নাটকে রাজা হলেন-        • পরম সত্য ও পরমাত্মার প্রতীক। তবে এই নাটকে রাজা কেবল কোনো পার্থিব কোনো রাজ্যের শাসক নন; তিনি ঈশ্বর, পরমাত্মা বা জীবন-সত্যের প্রতীক। রূপক অর্থে তিনি এমন এক পরম সত্তা, যাঁকে বাহ্যিক চোখ দিয়ে দেখা যায় না, কেবল অনুভূতির গভীরে উপলব্ধি করা যায়। আর সে কারণেই এখানে রাজা-         সুন্দর ও কুরূপের অতীত (অরূপের রূপ)। আলোচ্য নাটকে  রাজা বহিরঙ্গে সুন্দর নন, রানীর দৃষ্টিতে তিনি রূপহীন বা কৃষ্ণবর্ণ। কিন্তু রবীন্দ্রনাথ দেখিয়েছেন যে, বাহ্যিক রূপসামগ্রী দিয়ে ...
  "শেষের কবিতা" রাষ্ট্রবিজ্ঞান, প্রথম ইউনিট টেষ্ট ২০২৬ একাদশ শ্রেণী, প্রথম সেমিস্টার।  যেকোন কুড়িটি প্রশ্নের উত্তর দাও। ২০×১=২০ ১) সংবিধানের সংজ্ঞা দাও। ২) রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য একান্ত ভাবে প্রয়োজন ----------------। ৩) "সংবিধান হলো সেইসব আইন-কানুন ও রীতির সমষ্টি যেগুলি রাষ্ট্রের জীবনকে নিয়ন্ত্রণ করে"- কে বলেছেন?  ৪) গিলক্রিস্টের মতে সংবিধান হলো -------------। ৫) সংবিধান পরিবর্তন করার জন্য প্রয়োজন -----------। ৬) গতানুগতিকভাবে সংবিধানকে প্রধানত কয় শ্রেণীতে ভাগ করা হয় ও কি কি? ৭) লিখিত সংবিধান কি? এই সংবিধান কোন দেশে প্রচলিত আছে?  ৮) অলিখিত সংবিধান প্রচলিত আছে এমন একটি দেশের নাম লেখো। ৯) সংবিধান লিখিত ও অলিখিত এই দুই ভাগে ভাগ করা অবৈজ্ঞানিক ও অযৌক্তিক কে বলেছেন? ১০) সুপরিবর্তনীয় সংবিধান প্রচলিত আছে এমন দুটি দেশের নাম লেখো। ১১) দুষ্পরবর্তনীয় সংবিধান কি? ১২) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান কি ধরনের সংবিধান? ১৩) সাংবিধানিক আইন হলো দেশের সর্বোচ্চ........... ১৪) কোন সংবিধানে সরকারের বিভিন্ন বিভাগের কার্যাবলী নির্দিষ্ট করা থাকে?  ১৫) ব্যক্তি স্বাধীনতা ও নাগরিক...

রাষ্ট্রবিজ্ঞান, একাদশ শ্রেণী প্রথম সেমিস্টার।

 ১) সংবিধানের সংজ্ঞা দাও। ২) রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য একান্ত ভাবে প্রয়োজন ----------------।(সংবিধান) ৩) "সংবিধান হলো সেইসব আইন-কানুন ও রীতির সমষ্টি যেগুলি রাষ্ট্রের জীবনকে নিয়ন্ত্রণ করে"- কে বলেছেন? লর্ড ব্রাইস। ৪) গিলক্রিস্টের মতে সংবিধান হলো -------------। ( লিখিত ও অলিখিত নিয়ম ) ৫) সংবিধান পরিবর্তন করার জন্য প্রয়োজন -----------( বিশেষ পদ্ধতি, সংকীর্ণ অর্থে রাষ্ট্রবিজ্ঞানী )। ৬) গতানুগতিকভাবে সংবিধানকে প্রধানত কয় শ্রেণীতে ভাগ করা হয় ও কি কি? ( দুই ভাগে লিখিত ও অলিখিত সংবিধান এবং দুষ্পরিবর্তনীয় ও সুপরিবর্তনীয় সংবিধান। ) ৭) লিখিত সংবিধান কি? এই সংবিধান কোন দেশে  প্রচলিত আছে? ( মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারত সুইজারল্যান্ড ) ৮) অলিখিত সংবিধান প্রচলিত আছে এমন একটি দেশের নাম বলো ( ব্রিটেন ) ৯) সংবিধান লিখিত ও অলিখিত এই দুই ভাগে ভাগ করা অবৈজ্ঞানিক ও অযৌক্তিক কে বলেছেন?(লর্ড ব্রাইস) ১০) সুপরিবর্তনীয় সংবিধান প্রচলিত আছে এমন দুটি দেশের নাম লেখো( ব্রিটেন নিউজিল্যান্ড ) ১১) দুষ্পরবর্তনীয় সংবিধান কি? ( সাধারণ আইন প্রণয়নের পদ্ধতি অনুসারে যে সংবিধানকে পরিবর্তন বা সংশোধন করা যায় না তা...
 পড়তে বসলে মনোযোগ হারিয়ে যাওয়া বা ঘুম আসা স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের সবচেয়ে বড় সমস্যাগুলোর একটি। এই বিষয়ের ওপর ভিডিও বানালে রিটেনশন অনেক বেশি পাওয়া যায়। নিচে ভিডিও তৈরির সুবিধার্থে বিষয় দুটিকে আকর্ষণীয় পয়েন্ট আকারে সাজিয়ে দেওয়া হলো: ১. পড়ায় মনোযোগ আনার ৫টি কার্যকর উপায়  * ' ফাইভ সেকন্ড রুল' (5-Second Rule) প্রয়োগ করা    * পদ্ধতি: পড়তে বসতে ইচ্ছা না করলে মনের সাথে তর্ক না করে উল্টো গণনা শুরু করুন: ৫, ৪, ৩, ২, ১—এবং সাথে সাথে বই খুলে বসে পড়ুন।    * সুবিধা: মগজ অজুহাত তৈরি করার আগেই অ্যাকশন নিতে বাধ্য হয়।  * অপ্রয়োজনীয় বিষয় দূরে রাখা।    * পদ্ধতি: পড়ার টেবিল থেকে মোবাইল ফোন, অপ্রয়োজনীয় বই বা মনোযোগ বিচ্যুত করে এমন সব জিনিস সরিয়ে ফেলুন। শুধু যে বিষয়টি পড়বেন সেটি টেবিলে রাখুন।  * পড়াকে ছোট ছোট লক্ষ্য বা চ্যাংকে ভাগ করা (Chunking Method)    * পদ্ধতি: "আজ পুরো চ্যাপ্টার শেষ করব"—এমন বড় টার্গেট না নিয়ে "আগামী ২০ মিনিটে শুধু ২টি পৃষ্ঠা পড়ব"—এমন ছোট লক্ষ্য নির্ধারণ করুন।  * অ্যাক্টিভ লার্নিং (শব্দ করে পড়া বা খাতায় লেখা)   ...

শিক্ষার লক্ষ্যের প্রয়োজনীয়তা আলোচনা করো।

শিক্ষার লক্ষ্যের প্রয়োজনীয়তা আলোচনা করো।পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়,প্রথম সেমিস্টার, এডুকেশন মাইনর।         আলোচনার শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,শিক্ষা একটি উদ্দেশ্যমুখী, গতিশীল এবং সচেতন সামাজিক প্রক্রিয়া। যেকোনো তাৎপর্যপূর্ণ কাজের পেছনে যেমন একটি সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য থাকে, তেমনি শিক্ষার ক্ষেত্রটিতেও একটি স্পষ্ট লক্ষ্য থাকা অপরিহার্য। লক্ষ্যহীন শিক্ষা কান্ডারীহীন নৌকার মতো, যা শিক্ষার্থীকে গন্তব্যহীন ভাসমান অবস্থায় নিয়ে যায় এবং শিক্ষার সমগ্র প্রক্রিয়াকে নিষ্ফল করে তোলে।আসলে-        শিক্ষা দর্শনে শিক্ষার লক্ষ্য হলো সেই দিক-নির্ণায়ক কম্পাস, যা শিক্ষক ও শিক্ষার্থী উভয়কেই সঠিক পথের দিশা দেখায় এবং ব্যক্তির সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ ঘটিয়ে তাকে সমাজোপযোগী মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করে। আর এই আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা-        শিক্ষার লক্ষ্য কেন প্রয়োজন, তা সমাজবিজ্ঞান, মনোবিজ্ঞান এবং শিক্ষা দর্শনের আলোকে বিস্তারিতভাবে নিম্নে আলোচনা করা হলো-     ১)  শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যসূচি নির্ধারণে সাহায্য করে।শিক্ষার...
 মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পটি মূলত মানুষ ও প্রকৃতির মধ্যকার দ্বন্দ্ব এবং যান্ত্রিক সভ্যতার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রকৃতির নীরব প্রতিবাদের প্রেক্ষাপটে রচিত। গল্পের মূল বিষয়বস্তু নিচে তুলে ধরা হলো: ১. মানুষ ও প্রকৃতির সম্পর্কের দ্বন্দ: গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র নদেরচাঁদ একজন স্টেশনমাস্টার, যে নদীকে অসম্ভব ভালোবাসে। কিন্তু মানুষ যখন নিজের স্বার্থে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহকে বাঁধ, ব্রিজের মতো কৃত্রিম কাঠামো দিয়ে রুদ্ধ করে, তখন নদীর যে বন্দিদশা তৈরি হয়—তা নদেরচাঁদকে পীড়িত করে। ২. প্রকৃতির রূঢ় প্রতিশোধ: ভারী বর্ষণে ফুঁসে ওঠা নদীকে দেখে নদেরচাঁদের মনে হয়, নদী আজ তার ওপর চাপিয়ে দেওয়া মানুষের কৃত্রিম শাসনের বিরুদ্ধে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছে। ব্রিজের খুঁটিতে নদীর আছড়ে পড়া যেন যান্ত্রিক সভ্যতার বিরুদ্ধে প্রকৃতির বিদ্রোহের রূপ। ৩. যান্ত্রিক সভ্যতার পরিণতি: গল্পের পরিণতিতে দেখা যায়, যে যান্ত্রিক সভ্যতা ও ব্রিজের ওপর নদেরচাঁদের এত গর্ব ছিল, রাতের অন্ধকারে চলন্ত ট্রেন (যা যান্ত্রিক অগ্রগতির প্রতীক) নদেরচাঁদকে পিষে দিয়ে চলে যায়। সংক্ষেপে, প্রকৃতিকে জয় করার নামে মানুষ যখন তার ওপর অত্যাচার চালায়, ত...