Skip to main content

Posts

রক্তভেজা মে দিবসঃঅধিকার আদায়ের লড়াইয়ের গল্প।       •আজ আমরা দিনে ৮ ঘণ্টা কাজ করি, সপ্তাহে দুদিন ছুটি পাই। কিন্তু আপনি কি জানেন, এই অধিকারগুলো এমনি এমনি আসেনি? এর পেছনে মিশে আছে শিকাগোর রাজপথের রক্ত আর হাজারো শ্রমিকের আত্মত্যাগের ইতিহাস।"আছ   ১৮৮০-র দশকের শ্রমবাজার।        " ১৮৮০-র দশকে শ্রমিকদের জীবন ছিল দুর্বিষহ। তখন কোনো নির্দিষ্ট কর্মঘণ্টা ছিল না। দিনে ১০ থেকে ১৬ ঘণ্টা, এমনকি ১৮ ঘণ্টাও কাজ করতে হতো। সামান্য মজুরি আর অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে শ্রমিকদের জীবন ছিল দাসের মতো।"আসলে  মূল ঘটনা হে মার্কেট ট্র্যাজেডি।সময়টা হলো১৮৮৬ সাল।        ১লা মে, ১৮৮৬ প্রায় ৩ লাখ শ্রমিক ৮ ঘণ্টা কাজের দাবিতে ধর্মঘট শুরু করে।আর  ৪ঠা মে, ১৮৮৬ শিকাগোর হে মার্কেটে বিশাল জনসভা। হঠাৎ পুলিশের ওপর একটি বোমা নিক্ষিপ্ত হয়।      যার পরিণতিতে পুলিশ নির্বিচারে গুলি চালায়। এতে অনেক শ্রমিক প্রাণ হারান এবং বহু আহত হন। পরে মিথ্যা মামলায় ৪ জন শ্রমিক নেতাকে ফাঁসি দেওয়া হয়।  " শিকাগোর হে মার্কেটের সেই রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম দমানোর চেষ্টা করা হলেও ...
Recent posts

বৈষ্ণব পদাবলী ও শাক্ত পদাবলীর প্রশ্ন

 পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (WBSU) প্রথম সেমিস্টার বাংলা মেজর সিলেবাসের **'বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস (প্রাচীন ও মধ্যযুগ)'** এবং পাঠ্য বৈষ্ণব ও শাক্ত পদাবলী থেকে ২০২৬ সালের পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু সম্ভাব্য প্রশ্ন নিচে দেওয়া হলো: ## বৈষ্ণব পদাবলী (সাজেশন) বৈষ্ণব পদাবলী থেকে সাধারণত পদকর্তাদের কবিকৃতি এবং পর্যায়ভিত্তিক পদের বিশ্লেষণ পরীক্ষায় আসে। **বড় প্রশ্ন (১০ বা ১৫ নম্বরের জন্য):**  * ** বিদ্যাপতি:** "বিদ্যাপতিকে কি খাঁটি বৈষ্ণব পদকর্তা বলা যায়?"—আলোচনা করো। অথবা, বিদ্যাপতির প্রার্থনা বা অভিসার পর্যায়ের কবিকৃতি বিশ্লেষণ করো।  * **চণ্ডীদাস:** "দুঃখের কবি হিসেবে চণ্ডীদাসের সার্থকতা বিচার করো।" তাঁর পদের সহজ-সরল ভাষার বৈশিষ্ট্য আলোচনা করো।  * **জ্ঞানদাস ও গোবিন্দদাস:** জ্ঞানদাসকে কেন 'দ্বিতীয় চণ্ডীদাস' বলা হয়? গোবিন্দদাসের অলঙ্কার ও শব্দপ্রয়োগের নিপুণতা (বিশেষ করে অভিসার পর্যায়ে) আলোচনা করো।  * **গৌরচন্দ্রিকা:** বৈষ্ণব পদাবলীতে 'গৌরচন্দ্রিকা'র গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা আলোচনা করো। **সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন বা ব্যাখ্যা (৫ নম্বরের জন...
ভিডিও শিরোনাম: রক্তভেজা মে দিবস: অধিকার আদায়ের লড়াইয়ের গল্প। ১. মুখবন্ধ   * ** ভিজ্যুয়াল:** শিল্প বিপ্লবের সময়কার পুরনো সাদা-কালো ভিডিও বা মে দিবসের মিছিলে উত্তাল জনসমুদ্রের দৃশ্য।  * ** ভয়েসওভার:** "আজ আমরা দিনে ৮ ঘণ্টা কাজ করি, সপ্তাহে দুদিন ছুটি পাই। কিন্তু আপনি কি জানেন, এই অধিকারগুলো এমনি এমনি আসেনি? এর পেছনে মিশে আছে শিকাগোর রাজপথের রক্ত আর হাজারো শ্রমিকের আত্মত্যাগের ইতিহাস।" ### **২. প্রেক্ষাপট: ১৮৮০-র দশকের শ্রমবাজার**  * **ভিজ্যুয়াল:** কয়লা খনি বা কাপড়ের কলে ক্লান্ত শ্রমিকদের কাজ করার ছবি। ছোট শিশুদের কারখানায় কাজ করার দৃশ্য।  * ** ভয়েসওভার:* * " ১৮৮০-র দশকে শ্রমিকদের জীবন ছিল দুর্বিষহ। তখন কোনো নির্দিষ্ট কর্মঘণ্টা ছিল না। দিনে ১০ থেকে ১৬ ঘণ্টা, এমনকি ১৮ ঘণ্টাও কাজ করতে হতো। সামান্য মজুরি আর অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে শ্রমিকদের জীবন ছিল দাসের মতো।" ### **৩. মূল ঘটনা: হে মার্কেট ট্র্যাজেডি (১৮৮৬)**  * **ভিজ্যুয়াল:** শিকাগোর মানচিত্র এবং ৪ঠা মে হে মার্কেটের জমায়েতের অলঙ্করণ বা স্কেচ।  * **তথ্যসূত্র:** * ** ১লা মে, ১৮৮৬:** প্রায় ৩ লাখ শ্রমিক ৮ ঘণ্টা ক...

মতি নন্দির কোনি উপন্যাসের সপ্তম অধ্যায়ের বিষয়বস্তু ও বিশ্লেষণ করো।

মতি নন্দীর কোনি উপন্যাসের সপ্তম অধ্যায়ের বিষয়বস্তু ও বিশ্লেষণ করো। পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ, দশম শ্রেণি, দ্বিতীয় সেমিস্টার।         সপ্তম অধ্যায়ের শুরুতে আমরা দেখতে পাই যে, মতি নন্দীর 'কোনি'উপন্যাসের সপ্তম অধ্যায়টি কোনির খেলোয়াড় জীবনের উত্তরণ এবং তার পারিবারিক সংকটের এক সন্ধিক্ষণ।যেখানে ক্ষিতীশ সিংহ কোনিকে এক কঠোর রুটিনের মধ্যে বেঁধে ফেলেছেন। দারিদ্র্য আর শারীরিক ক্লান্তি সত্ত্বেও ক্ষিতীশের লক্ষ্য স্থির। তিনি কোনিকে বোঝান যে তার আসল প্রতিদ্বন্দ্বী কোনো মানুষ নয়, বরং স্টপওয়াচের কাঁটা।আর সেখানে ক্ষিতীশ কোনিকে লক্ষ্য করে বলেছিলেন-  "তোর আসল শত্রু হলো এই ঘড়িটা। ওটাকে হারাতে হবে।"       সাঁতারের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর খাবার কোনির পরিবারের পক্ষে জোগাড় করা অসম্ভব ছিল। তাই ক্ষিতীশ নিজের স্বল্প সামর্থ্য থেকেই কোনির জন্য দুধ, ডিম ও কলার ব্যবস্থা করেন। এই অধ্যায়ে আমরা দেখি, ক্ষিতীশ কেবল একজন কোচ নন, বরং একজন অভিভাবকের দায়িত্ব পালন করছেন।আর সেখানে কোনির ডায়েট চার্ট বুঝিয়ে দেওয়ার সময় ক্ষিতীশ বলেন- "লোভ দেখিয়ে কোনো লাভ নেই কোনি, এটা তোর শর...

জীবনী সাহিত্য কাকে বলে ? জীবনের সাহিত্য এবং আত্মজীবনের মধ্যে পার্থক্য গুলি লেখো। একটি সার্থক জীবনী সাহিত্যের পরিচয় দিয়ে আলোচনা করে দেখাও যে,সেটি কেন সার্থক একটি জীবনের সাহিত্য।

জীবনী সাহিত্য কাকে বলে ? জীবনের সাহিত্য এবং আত্মজীবনের মধ্যে পার্থক্য গুলি লেখো। একটি সার্থক জীবনী সাহিত্যের পরিচয় দিয়ে আলোচনা করে দেখাও যে,সেটি কেন সার্থক একটি জীবনের সাহিত্য। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, চতুর্থ সেমিস্টার ডি এস ৫ ইউনিট ২।       • জীবনী সাহিত্যঃ জীবনী সাহিত্য হলো সাহিত্যের এমন একটি শাখা যেখানে কোনো লেখকের কলমে অন্য কোনো বিশিষ্ট ব্যক্তির জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত জীবনের উল্লেখযোগ্য ঘটনাবলি, তাঁর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য, মহত্ত্ব এবং সমাজমানসে তাঁর প্রভাব বর্ণিত হয়। ইংরেজিতে একে বলা হয় 'Biography'। জীবনীকার এখানে একজন নিরাসক্ত দর্শক বা ঐতিহাসিকের ভূমিকা পালন করেন, যিনি তথ্য ও রসের সমন্বয়ে একজন মানুষের জীবনচিত্রকে পাঠকের সামনে জীবন্ত করে তোলেন। ​        •জীবনী ও আত্মজীবনীর মধ্যে পার্থক্য•      ১) জীবনী সাহিত্যে রচয়িতা লেখক অন্য কোনো বিখ্যাত বা বিশিষ্ট ব্যক্তির জীবন নিয়ে গ্রন্থটি রচনা করেন। যেমন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'বিদ্যাসাগর চরিত' কিন্তু-        আত্মজীবনী গ্রন্থে লেখক নিজের জীবন কাহিনী নিজেই অত্যন্...

নতুুন ইউটিউব চ্যানেল ওপেন

নতুুন ইউটিউব চ্যানেলের যাত্রা শুরু করা যতটা রোমাঞ্চকর, ঠিক ততটাই ধৈর্যের পরীক্ষা। যারা নতুন এই পথে পা বাড়িয়েছেন, তাদের জন্য একটি সুশৃঙ্খল ও কার্যকর খসড়া নিচে দেওয়া হলো: ভিডিওর প্রথম **৫ থেকে ১০ সেকেন্ড** হলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। এই সময়ের মধ্যেই দর্শক ঠিক করেন তারা ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখবেন কি না। নতুন ইউটিউবারদের উদ্দেশ্যে করা ভিডিওর শুরুতে সাধারণ "হ্যালো, সবাই কেমন আছেন" না বলে নিচের যেকোনো একটি পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন: ## ১. সরাসরি সমস্যার সমাধান (The Solution First) দর্শকের সমস্যার কথা বলে শুরু করুন। এতে তারা শুরুতেই ভিডিওর গুরুত্ব বুঝতে পারবে। > *"আপনি কি মাসের পর মাস ভিডিও আপলোড করেও ভিউ পাচ্ছেন না? আজকের ভিডিওতে আমি এমন ৫টি ভিউ বাড়ানোর গোপন কৌশল জানাবো, যা বড় ইউটিউবাররা সাধারণত শেয়ার করতে চান না।"* >  ## ২. কৌতূহল জাগানো প্রশ্ন (The Curiosity Gap) এমন একটি প্রশ্ন করুন যার উত্তর পাওয়ার জন্য দর্শককে ভিডিওটি দেখতেই হবে। > *"আচ্ছা, আপনি কি জানেন কেন ৯৫% নতুন ইউটিউবার প্রথম তিন মাসের মধ্যেই চ্যানেল ছেড়ে দেয়? তারা যে ভুলটি করে, আপনিও কি সেই একই ...
লীলা মজুমদারের মাকু উপন্যাসের তৃতীয় অধ্যায়টি আলোচনা করো। পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ,সপ্তম শ্রেণী।       লীলা মজুমদারের 'মাকু' উপন্যাসের তৃতীয় অধ্যায়টি মূলত হোটেলওয়ালার অদ্ভুত স্বভাব, তার জন্মদিনের আয়োজন এবং সোনা-টিয়ার বনের জীবনের অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। আর সেখানে আমরা দেখি-     হোটেলওয়ালার বিচিত্র জন্মদিন পালন।তৃতীয় অধ্যায়ের শুরুতেই আমরা দেখি যে, হোটেলওয়ালার জন্মদিনের মহোৎসব। হোটেলওয়ালার দাবি অনুযায়ী, তার বয়স এগারো বছর পূর্ণ হয়ে বারো বছরে পা দিল। যদিও তার চেহারা দেখে সোনা ও টিয়ার মনে হয়েছে সে যথেষ্ট বৃদ্ধ, তবুও তার এই অদ্ভুত দাবিতে তারা অবাক হয়। আসলে হোটেলওয়ালা প্রতি বছরই তার বয়স এগারো বলে দাবি করে।তবে-       জন্মদিন উপলক্ষে কালিয়া আর পোলাওয়ের আয়োজন করা হয়। তবে এই রান্নার উপকরণগুলো ছিল অত্যন্ত অদ্ভুত। বনের লতাপাতা, ফলমূল আর জংলি গাছগাছড়া দিয়ে রান্না হচ্ছিল। আম্মা (সোনা-টিয়ার পরিচারিকা) এই রান্নার ধরন দেখে খুবই বিরক্ত হন।বিশেষ করে ' শুয়োরের হাড়ের ঝোল' এর কথা শুনে আম্মার গা ঘিনঘিন করে ওঠে।হোটেলওয়ালা অ...