Skip to main content

Posts

তৃতীয় সেমিস্টার দর্শন মাইনর।

 • A-বচনের সীমিত আবর্তনের সপক্ষে যুক্তি দাও। A- সকল কবি হয় মানুষ। ( আবর্তনীয় ) I-কোন কোনো মানুষ হয় কবি। (I) আবর্তিত         সাবেকি যুক্তিবিজ্ঞানীদের মতে, A বচনের সীমিত আবর্তন সম্পূর্ণ বৈধ কারণ এটি আবর্তনের সবকটি নিয়ম মেনে চলে। যদিও আধুনিক যুক্তিবিজ্ঞানে (বুলীয় ব্যাখ্যায়) সামান্য বচন থেকে বিশেষ বচনে আসা 'অস্তিত্বমূলক দোষ' হিসেবে দেখা হয়, কিন্তু সাবেকি যুক্তিবিদ্যায় উদ্দেশ্য পদের অস্তিত্ব আছে ধরে নিয়ে একে বৈধ বলেই গণ্য করা হয়।         ওপরের আলোচনা ও নিয়ম বিশ্লেষণ থেকে বলা যায় যে, A বচনের সীমিত আবর্তন-আবর্তনের সব নিয়ম অনুসরণ করে হয়। তাই যুক্তিবিদ্যার নিয়ম অনুসারে একটি বৈধ অমাধ্যম অনুমান। • যুক্তিবিজ্ঞানে 'সত্যতা' (Truth) এবং 'বৈধতা' (Validity) দুটি সম্পূর্ণ আলাদা ধারণা হলেও এদের মধ্যে এক গভীর ও জটিল সম্পর্ক বিদ্যমান। সাধারণত সত্যতা বিচার করা হয় বচনের ক্ষেত্রে, আর বৈধতা বিচার করা হয় যুক্তির ক্ষেত্রে।                • সত্যতা ও বৈধতার মৌলিক পার্থক্য•        • সত্যতা (Truth): এট...
Recent posts

বৌদ্ধ

আলোচনার শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,প্রাচীন ভারতের শিক্ষা ইতিহাসে বৌদ্ধ ও ব্রাহ্মণ্য শিক্ষা ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এদের মধ্যে বেশ কিছু সাদৃশ্য থাকলেও মৌলিক পার্থক্য বিদ্যমান। সাদৃশ্য (Similarities) |  | শিক্ষার লক্ষ্য | মোক্ষলাভ বা আত্মার মুক্তি। | নির্বাণলাভ বা চির মুক্তি। | | নৈতিকতা ও শৃঙ্খলা | সংযম, কঠোর নিয়মানুবর্তিতা ও ব্রহ্মচর্যের উপর জোর। | সংযম, নিয়মানুবর্তিতা ও সঙ্ঘজীবনের কঠোর নীতি পালন। | | শিক্ষণ পদ্ধতি | প্রধানত মৌখিক পদ্ধতি, আলোচনা ও বিতর্ক। | প্রধানত মৌখিক পদ্ধতি, আলোচনা, উপকথা ও গল্পের মাধ্যমে। | | শিক্ষার পরিবেশ | লোকালয় থেকে দূরে তপোবন বা গুরুগৃহের প্রাকৃতিক পরিবেশ। | লোকালয় থেকে দূরে বিহার বা সঙ্ঘারামের প্রাকৃতিক পরিবেশ। | | শিক্ষা ব্যয় | উভয় শিক্ষাব্যবস্থাই ছিল অবৈতনিক (বিনা বেতনে)। | উভয় শিক্ষাব্যবস্থাই ছিল অবৈতনিক। | | ভিক্ষাবৃত্তি | ছাত্রদের ভিক্ষাবৃত্তি গ্রহণ করা আবশ্যিক ছিল। | ভিক্ষুদের (শ্রমণ/ভিক্ষু) ভিক্ষাবৃত্তি গ্রহণ করা আবশ্যিক ছিল। | | রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ | উভয় শিক্ষাব্যবস্থাই ছিল রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণের ঊর্ধ্বে। | উভয় শিক্ষাব্যবস্থাই ছ...
 জ্ঞান এবং ভালোবাসার মেলবন্ধন থাকুক তোমাদের জীবন জুড়ে। এই উপহারটি কেবল বই নয়, আমার হৃদয়ের এক টুকরো শুভকামনা।" দোলনা, প্রথম প্রতিশ্রুতি-আশাপূর্ণা দেবী। একাত্তরে দিনগুলি-জাহানারা ইমাম। হুমায়ূন আহমেদের 'সেরা উপন্যাস' বা 'শ্রেষ্ঠ উপন্যাস' সংকলনটি অবশ্যই! যেহেতু আপনার চ্যানেলের নাম 'শেষের কবিতা সুন্দরবন', তাই ভিডিওর শুরুটা যদি একটু সাহিত্যিক ছোঁয়ায় হয়, তবে সেটি দর্শকদের মনে আলাদা জায়গা করে নেবে। নিচে আপনার জন্য একটি স্ক্রিপ্ট আউটলাইন এবং একটি শুরু করার মতো কবিতা দেওয়া হলো: ভিডিওর শুরু: একটি বিশেষ কবিতা (Intro Poem) আপনি ভিডিওটি শুরু করতে পারেন এই কথাগুলো দিয়ে: > "অন্ধকারের বুক চিরে যেমন ভোরের আলো আসে, > তেমনি শিক্ষার আলোতে মনের কালি ঘুচে হাসে। > সুন্দরবনের নদী যেমন বহমান নিজের ছন্দে, > তেমনি প্রতিটি শিশু বিকশিত হোক শিক্ষার গন্ধে। > অধিকার নয় এটি, এ হলো বেঁচে থাকার প্রাণ, > আসুন জানি, কী বলছে আমাদের শিক্ষার অধিকার আইন।" >  ভিডিও স্ক্রিপ্ট (মূল অংশ) ১. ভূমিকা (Hook): "নমস্কার, 'শেষের কবিতা সুন্দরবন' চ্যানেলে আপনাদের স্ব...

উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার গাইড লাইন ২০২৬

আসন্ন উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি এবং পরীক্ষার হলের কৌশল হিসেবে কিছু জরুরি গাইডলাইন ।       পরীক্ষার প্রস্তুতি ও হলের জন্য সেরা টিপস • টেক্সট বুকই আসল (Line-by-Line Reading) সেমিস্টার পদ্ধতিতে যেহেতু প্রচুর MCQ এবং সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন থাকে, তাই কোনো গাইড বইয়ের ওপর নির্ভরশীল না হয়ে মূল পাঠ্যবই (Textbook) বারবার পড়ুন। বিশেষ করে লেখক/কবির নাম, উৎস গ্রন্থ এবং গল্পের সূক্ষ্ম তথ্যগুলো মাথায় রাখুন।    •  উত্তরপত্রের উপস্থাপনা (Presentation)       •  পরিচ্ছন্নতা: খাতায় কাটাকাটি কম করবেন। ভুল হলে শুধু একটি দাগ দিয়ে কেটে দিন।      • পয়েন্ট করে লেখা : বড় প্রশ্নের ক্ষেত্রে ঢালাও না লিখে ছোট ছোট প্যারাগ্রাফ বা Bullet Points ব্যবহার করুন। এতে পরীক্ষকের খাতা দেখতে সুবিধা হয় এবং নম্বর ভালো আসে।    • উদ্ধৃতি ( Quotations): উত্তরের সপক্ষে টেক্সট থেকে ছোট ছোট উদ্ধৃতি দিলে উত্তরের মান বহুগুণ বেড়ে যায়। ৩. সময় ব্যবস্থাপনা (Time Management) পরীক্ষার হলে সময় ভাগ করে নিন:      •  প্রথম ১...

বাঙালির শিল্প সংস্কৃতি

বাঙালির শিল্প ও সংস্কৃতি (পশ্চিমবঙ্গ উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ দ্বাদশ শ্রেণী চতুর্থ সেমিস্টার বাংলা)।   বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে সত্যজিৎ রায়ের অবদান সংক্ষেপে আলোচনা করো।           আলোচনার শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,বিশ্ববরেণ্য চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায় বাংলা চলচ্চিত্রকে আন্তর্জাতিক আঙিনায় এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছেন। তাঁর অবদান নিম্নলিখিত দিক থেকে আমরা আলোচনা করতে পারি-      • পথের পাঁচালী (১৯৫৫): বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত তাঁর প্রথম ছবি 'পথের পাঁচালী' বাংলা চলচ্চিত্রের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। এটি আন্তর্জাতিক স্তরে বহু পুরস্কার লাভ করে।      • অপু ত্রয়ীঃ 'পথের পাঁচালী', 'অপরাজিত' এবং 'অপুর সংসার'—এই তিনটি ছবি বা অপু ত্রয়ীর মাধ্যমে তিনি অপুর শৈশব থেকে প্রৌঢ়ত্ব পর্যন্ত এক মহাকাব্যিক জীবনকাহিনী তুলে ধরেন।      • বিচিত্র বিষয়ঃ তিনি শুধু বাস্তবধর্মী ছবিই নয়, সংগীতধর্মী ছবি (জলসাঘর), ঐতিহাসিক ছবি (শতরঞ্জ কে খিলাড়ি), গোয়েন্দা ছবি (ফেলুদা সিরিজ) এবং শিশুতোষ ছবি (গুপি গাইন বাঘা বাইন) নির্মাণে পারদর্শী ...

কালীপ্রসন্ন সিংহ, সংবাদ প্রভাকর, বঙ্গদর্শন টীকা।

পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিলেবাস ও পরীক্ষার মানদণ্ড অনুযায়ী (৫ নম্বরের উপযোগী) কালীপ্রসন্ন সিংহ, সংবাদ প্রভাকর, বঙ্গদর্শন সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত টীকা।            • কালীপ্রসন্ন সিংহ (১৮৪০ - ১৮৭০)•        ঊনবিংশ শতাব্দীর বাংলা সাহিত্য ও সমাজ সংস্কারের ইতিহাসে কালীপ্রসন্ন সিংহ এক অবিস্মরণীয় ব্যক্তিত্ব। মাত্র ৩০ বছরের স্বল্পস্থায়ী জীবনে তিনি তাঁর বহুমুখী প্রতিভা ও সমাজসেবার মাধ্যমে আধুনিক বাঙালি সংস্কৃতির ভিত মজবুত করেছিলেন।       ১)  ' হুতোম প্যাঁচার নকশা' ও বাংলা গদ্যঃ কালীপ্রসন্ন সিংহের সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যকীর্তি হলো 'হুতোম প্যাঁচার নকশা' (১৮৬২)। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ব্যঙ্গধর্মী গদ্যগ্রন্থ। তৎকালীন কলকাতার বাবু কালচার, ভণ্ডামি ও সামাজিক অবক্ষয়কে তিনি এই গ্রন্থে 'হুতুমি' বা চলিত ভাষায় নিপুণভাবে তুলে ধরেন। তাঁর এই চলিত গদ্যরীতি বাংলা সাহিত্যের ভাষাশৈলীতে এক যুগান্তর এনেছিল।       ২) মহাভারতের অনুবাদঃ  কালীপ্রসন্ন সিংহের অক্ষয় কীর্তি হলো মূল সংস্কৃত থেকে 'মহাভারত'-এর ১৮টি পর্ব বাংলা...

২০০৯ সালের শিক্ষার অধিকার আইন (RTE Act) র মূল উদ্দেশ্য এবং বৈশিষ্ট্যগুলি আলোচনা করো।

২০০৯ সালের শিক্ষার অধিকার আইন (RTE Act) র মূল উদ্দেশ্য এবং বৈশিষ্ট্যগুলি আলোচনা করো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের/কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় পঞ্চম সেমিস্টার এডুকেশন মাইনর সিলেবাস)। • শিক্ষার অধিকার আইন (RTE Act, 2009)-এর উদ্দেশ্য• ১) শিক্ষার অধিকার আইনের প্রধান লক্ষ্য হলো প্রতিটি শিশুর কাছে শিক্ষার সুযোগ পৌঁছে দেওয়া।যেখানে ভারতের ৬ থেকে ১৪ বছর বয়সী প্রতিটি শিশুর জন্য প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করা।  ১ ) শিশুদের বিদ্যালয়ে ভর্তি এবং নিয়মিত উপস্থিতি সুনিশ্চিত করার দায়িত্ব রাষ্ট্রের ওপর ন্যস্ত করা।     ২) বৈষম্য দূরীকরণ: জাতি, ধর্ম, লিঙ্গ বা অর্থনৈতিক অবস্থার ভিত্তিতে শিক্ষার সুযোগ থেকে যাতে কেউ বঞ্চিত না হয়, তা দেখা।       ৩) শুধু শিক্ষা নয়, গুণগত মানসম্পন্ন প্রাথমিক শিক্ষা প্রদান করা যা শিশুর সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ ঘটাবে।     ৪) মুখস্থ বিদ্যার বদলে আনন্দদায়ক ও ভীতিমুক্ত পরিবেশে পাঠদানের ব্যবস্থা করা।       • শিক্ষার অধিকার আইনের প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ• RTE আইনের মূল বৈশিষ্ট্যগুলিকে কয়েকটি প্রধান ভাগে ভাগ করা যেতে পারে: ১. বাধ্যতা...