পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (WBSU) ষষ্ঠ সেমিস্টার বাংলা মেজর (Major) পাঠ্যসূচির মানদণ্ড অনুযায়ী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের **'কাদম্বরী'** চরিত্রটি আলোচনার ক্ষেত্রে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় স্পষ্ট করা প্রয়োজন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনো উপন্যাসে 'কাদম্বরী' নামে কোনো কাল্পনিক চরিত্র নেই। তবে তাঁর ব্যক্তিগত জীবনে এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে **কাদম্বরী দেবী** (রবীন্দ্রনাথের নতুন বৌঠান, জ্যোতিরিদ্রনাথ ঠাকুরের পত্নী) এক অবিস্মরণীয় বাস্তব চরিত্র। ষষ্ঠ সেমিস্টারের বিশেষত 'রবীন্দ্র-সাহিত্য' বা 'রবীন্দ্র-জীবনকথা' পত্রের সিলেবাসে রবীন্দ্রনাথের জীবন ও সৃষ্টিতে কাদম্বরী দেবীর প্রভাব প্রায়শই পাঠ্য থাকে। আবার অনেক সময় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'কপালকুণ্ডলা' বা অন্যান্য ধ্রুপদী সাহিত্যের প্রসঙ্গে বাণভট্টের 'কাদম্বরী' অনুবাদের প্রসঙ্গ আসে। রবীন্দ্র-জীবনী ও রবীন্দ্র-সাহিত্যের প্রেক্ষাপটে **"রবীন্দ্রনাথের জীবনে ও সাহিত্যে কাদম্বরী দেবীর প্রভাব/ভূমিকা"** সম্পর্কিত একটি উচ্চমানের ও বিস্তারিত নোট নিচে প্রস্তুত করে দেওয়া হলো, যা পরী...
' শেষের কবিতা' উপন্যাসের নামকরণের সার্থকতা আলোচনা করো।পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (WBSU) ষষ্ঠ সেমিস্টারের বাংলা মেজর (Major)DS-13 আলোচনা শুরুতেই আমরা বলতে পারি যে,রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস সাহিত্যের ইতিহাসে ‘শেষের কবিতা’ একটি কালজয়ী ও অনন্য সৃষ্টি। এটি কেবল একটি উপন্যাস নয়, বরং গদ্যে লেখা এক অপূর্ব লিরিক বা গীতিকাব্য। সাহিত্যে নামকরণের ক্ষেত্রে কখনও চরিত্রের নাম, কখনও ঘটনার ঘনঘটা, আবার কখনও অন্তর্নিহিত ভাববস্তু প্রধান হয়ে ওঠে। ‘শেষের কবিতা’ উপন্যাসটির নামকরণ মূলত তার ভাবব্যঞ্জক, কাব্যিক এবং মনস্তাত্ত্বিক গভীরতা কে নির্দেশ করে। আপাতদৃষ্টিতে মনে হতে পারে এটি একটি কবিতার বই, কিন্তু নিবিড় পাঠে বোঝা যায়-এই নামটির মধ্যেই লুকিয়ে আছে উপন্যাসের মূল ভাবাদর্শ, নায়ক অমিত রায়ের জীবনদর্শন এবং প্রেমচেতনার চূড়ান্ত পরিণতি। ### নামকরণের যৌক্তিকতা, সার্থকতা ও নান্দনিক উৎস হিসাবে মূলত তিনটি প্রধান স্তরে বিশ্লেষণ করা যেতে পারে। আর সেখানে আমরা দেখি- ১.উপন্যাসের গঠনগত বা আঙ্গিক দিক, যেখানে আছে গদ্য ও পদ্যের মেলবন্ধন। ২. অমিত রায়ে...