শিবতোষ মুখোপাধ্যায়ের 'কার দৌড় কদ্দুর'তথ্যমূলক বিজ্ঞানধর্মী প্রবন্ধের মূল বিষয়বস্তু আলোচনা করো। সপ্তম শ্রেণী, পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। আলোচনার শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে, কার দৌড় কদ্দূর গল্পের মূল কথা হলো- জীবজগতের গতির বৈচিত্র্য। লেখক এখানে দেখিয়েছেন যে, প্রতিটি প্রাণীর চলন বা দৌড়ানোর ক্ষমতা ভিন্ন ভিন্ন এবং এই গতির পেছনে সুনির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক কারণ রয়েছে। লেখক শিবতোষ মুখোপাধ্যায় শুরুতেই জানিয়েছেন যে পৃথিবী ও মহাবিশ্বের সবকিছুই গতিশীল ।এমনকি যে গাছকে আমরা স্থবির মনে করি, তার ভেতরেও রসের চলন বা গতির খেলা চলছে। * **এককোশী প্রাণীর গতি:** অ্যামিবা তার ক্ষণপদের সাহায্যে মন্থর গতিতে চলে। অন্যদিকে প্যারামিশিয়াম তার অসংখ্য চুলের মতো 'সিলিয়া' ব্যবহার করে জলের মধ্যে দ্রুত গতিতে এগোয়। * **স্থলচর প্রাণীর উদাহরণ:** লেখক মানুষের হাঁটা এবং দৌড়ানোর গতির সাথে ঘোড়া, চিতা বা ক্যাঙ্গারুর গতির তুলনা করেছেন। তিনি দেখিয়েছেন যে চিতা হলো স্থলভাগের অন্যতম দ্রুততম প্রাণী। * **গমন পদ্ধতির ভিন্নতা:** বিভিন্ন প্রাণী বিভিন্ন পদ্ধতিতে চলে। কেউ দু-...
সুবোধ ঘোষের বিখ্যাত ছোটগল্প 'বহুরূপী' মধ্যবিত্ত সমাজের বাস্তবতার আড়ালে এক শিল্পীর সততা ও নৈতিকতার গল্প।আর সেই গল্পে আমরা দেখি- গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র হরিদা একজন অতি সাধারণ দরিদ্র মানুষ। অভাবের জীবন হলেও তিনি কোনো ধরাবাঁধা কাজে আবদ্ধ হতে চাননি। তিনি একজন জাত শিল্পী। বিভিন্ন সময় নানারকম অদ্ভুত সাজগোজ বা বহুরূপী সেজে পথে বের হওয়া এবং তা থেকে পাওয়া সামান্য বকশিশই ছিল তাঁর আয়ের উৎস।আসলে- গল্পের মোড় ঘোরে যখন হরিদা এক জাঁদরেল সন্ন্যাসীর ছদ্মবেশ ধারণ করে অবিনাশবাবুর বাড়ি তে যান। তাঁর নিখুঁত অভিনয়ের মুগ্ধ হয়ে অবিনাশবাবু তাঁকে ১০০ টাকা (সেকালে যা অনেক বড় অঙ্ক) দিতে চান। কিন্তু হরিদা তা গ্রহণ করেন না। কারণ একজন খাঁটি সন্ন্যাসীর সাজে থেকে টাকা নেওয়াকে তিনি তাঁর শিল্পের অপমান বলে মনে করেছেন। পেটের ক্ষিধের চেয়েও তাঁর কাছে শিল্পের মর্যাদা অনেক বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে। ১. হরিদার জীবনের পেশা কী ছিল? • হরিদার পেশা ছিল 'বহুরূপী' সাজা। বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন সাজে লোকজনকে আনন্দ দিয়ে তিনি জীবিকা নির্বাহ করতেন। ২. সন্ন্যাসী জ...