Skip to main content

Posts

শারীরশিক্ষা অর্থ ও সংজ্ঞা দাও। শারীর শিক্ষার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যসমূহ আলোচনা করো।পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম সেমিস্টার ফিজিক্যাল এডুকেশন মাইনর। ১. শারীরশিক্ষার অর্থ ও সংজ্ঞা (Meaning and Definition of Physical Education)      আমরা সাধারণভাবে বলতে পারি যে,'শারীরশিক্ষা' বা 'Physical Education' শব্দটি দুটি শব্দের সমষ্টি।আর সেখানে Physical (শারীরিক) শব্দের অর্থ শরীরের গঠন, অঙ্গপ্রত্যঙ্গ, শক্তি এবং ক্ষমতা।আর Education (শিক্ষা) শব্দের অর্থ নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে জ্ঞানার্জন এবং আচরণের কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন।আমরা আরও সহজ কথায় বলতে পারি-      শারীরিক কসরত, খেলাধুলা এবং ব্যায়ামের মাধ্যমে মানুষের শরীর ও মনের যে সামগ্রিক বিকাশ ঘটে, তাকেই শারীরশিক্ষা বলে। এটি কেবল হাত-পা নাড়ানো বা দৌড়াদৌড়ি নয়, বরং এটি শিক্ষার একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ যা শরীরকে সুস্থ রাখার পাশাপাশি মানসিক ও সামাজিক গুণাবলীর বিকাশ ঘটায়।তবে বিভিন্ন শিক্ষাবিদ ও ক্রীড়াবিজ্ঞানী শারীরশিক্ষার বিভিন্ন সংজ্ঞা দিয়েছেন।আর সেখানে জে. বি. ন্যাশ (J.B. Nash)-এর মতে-  "শারীরশিক্ষা হলো শিক্ষার সেই বিশাল ক্ষেত্র, যা...
Recent posts

ইতিহাস মাইনর ষষ্ঠ সেমিস্টার সাজেশন ২০২৬

ইতিহাস মাইনর ষষ্ঠ সেমিস্টার সাজেশন ২০২৬ ১) *** ফরাসি বিপ্লবের উদ্ভবের পশ্চাতে সামাজিক ও অর্থনৈতিক পটভূমি আলোচনা কর ২২  *** ফরাসি বিপ্লবের দার্শনিকদের ভূমিকা আলোচনা কর২১ ** ফরাসি বিপ্লব কি কেবলই একটি ফরাসি ঘটনা ছিল নাকি এর চরিত্র ছিল বিশ্বজনীন?" — আলোচনা করো। ​*** ফরাসি বিপ্লবের আদর্শ (স্বাধীনতা, সাম্য ও মৈত্রী) কীভাবে ইউরোপের অন্যান্য দেশে ছড়িয়ে পড়েছিল এবং তার পরিণতি কী হয়েছিল?  *** ২) নেপোলিয়ান বোনাপার্টের আভ্যন্তরীণ সংস্কার বর্ণনা করুন *** নেপোলিয়নের পতনের জন্য মহাদেশীয় অবরোধ ব্যবস্থা কতটা দায়ী ছিল ২১  নেপোলিয়ন ছিলেন ফরাসি বিপ্লবের ধ্বংসকারী ও রক্ষাকর্তা উভয়ই" — উক্তিটি বিশ্লেষণ করো। (Napoleon as the child of the Revolution). ​নেপোলিয়নের 'মহাদেশীয় ব্যবস্থা' (Continental System) বলতে কী বোঝো? এই ব্যবস্থা নেপোলিয়নের পতনের জন্য কতখানি দায়ী ছিল? ​*** ৩) ১৮১৫ সালের ভিয়েনা সম্মেলনের (Vienna Congress) মূল নীতি ও উদ্দেশ্যসমূহ আলোচনা করো। ইউরোপের পুনর্গঠনে এই সম্মেলন কতটা সফল হয়েছিল? ​** মেটারনিক ব্যবস্থা (Metternich System) কী? ইউরোপের ইতিহাসে মেটারনিকের রক্ষণশীল ...

চন্দ্রগুপ্ত।চাণক্যের প্রতিহিংসা চন্দ্রগুপ্ত নাটকের কিভাবে দেশপ্রেমে রূপান্তরিত হয়েছে তা আলোচনা করো।

চন্দ্রগুপ্ত।চাণক্যের প্রতিহিংসা চন্দ্রগুপ্ত নাটকের কিভাবে দেশপ্রেমে রূপান্তরিত হয়েছে তা আলোচনা করো।পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় ষষ্ঠ সেমিস্টার বাংলা মাইনর।         আলোচনার শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের ‘চন্দ্রগুপ্ত’ (১৯১১) নাটকের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হলো আচার্য চাণক্যের চরিত্র। চাণক্যের চরিত্রটি একাধারে তীব্র ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা এবং অন্যদিকে এক বিশাল দেশপ্রেমের এক অপূর্ব সমন্বয়। নাটকের শুরুতে যে আগুন জ্বলেছিল ব্যক্তিগত অপমানের প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য, নাটকের শেষ পর্বে তা কীভাবে অখণ্ড ভারত গঠনের মহিমান্বিত দেশপ্রেমে রূপান্তরিত হয়েছে, তা নাট্যকার অত্যন্ত নিপুণভাবে দেখিয়েছেন। আর সেই নাটকে-      • চাণক্যের প্রতিহিংসার উৎস বা ব্যক্তিগত ক্ষোভ। চাণক্যের সমস্ত কর্মকাণ্ডের প্রাথমিক চালিকাশক্তি ছিল রাজসভা থেকে পাওয়া চরম অপমান। মগধের অত্যাচারী রাজা মহপদ্ম নন্দ এবং তার মন্ত্রী রাক্ষস চাণক্যকে রাজসভা থেকে লাঞ্ছিত করে তাড়িয়ে দিয়েছিলেন। এই অপমানের প্রতিশোধ নিতেই চাণক্য প্রতিজ্ঞা করেন-নন্দ বংশকে সম্পূর্ণ ধ্বংস না করা পর্যন্ত তিনি তার মাথার শিখা (...

চন্দ্রগুপ্ত নাটকের নামকরণের সার্থকতা: "নাটকটির নাম 'চন্দ্রগুপ্ত' রাখা কতটা যুক্তিযুক্ত হয়েছে তা আলোচনা করো।

চন্দ্রগুপ্ত নাটকের  নামকরণের সার্থকতা: "নাটকটির নাম 'চন্দ্রগুপ্ত' রাখা কতটা যুক্তিযুক্ত হয়েছে তা আলোচনা করো।"পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় ষষ্ঠ সেমিস্টার বাংলা মাইনর।            আলোচনার শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,সাহিত্যে বা নাটকে ‘নামকরণ’ কেবল একটি পরিচয় চিহ্ন মাত্র নয়; তা হলো রচনার অন্তর্নিহিত ভাববস্তু, চরিত্র বা মূল সমস্যার একটি শৈল্পিক ইঙ্গিত। আর সেখানে নামকরণ সাধারণত তিনটি প্রধান ভিত্তির ওপর নির্ভর করে গড়ে ওঠে।সেই ভিত্তিগুলি হলো যথাক্রমে- চরিত্রপ্রধান, ঘটনাপ্রধান অথবা ভাবব্যঞ্জনামূলক। দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের ‘চন্দ্রগুপ্ত’ (১৯১১) একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক নাটক। নাটকটির নামকরণ প্রধান চরিত্র ‘চন্দ্রগুপ্ত’-এর নামানুসারে করা হয়েছে।এখন প্রশ্ন হলো, সামগ্রিক নাট্যভাবনার বিচারে এই নামকরণ কতটা সার্থকতা লাভ করেছে। আর সেটিই আমরা নিম্নে আলোচনা করবো-        •ঐতিহাসিক পটভূমি ও নাটকের বৃত্তের আঙ্গিকে নাটকের পটভূমি গ্রিক বিজেতা সেকান্দার শাহ বা আলেকজান্ডারের ভারত আক্রমণ এবং পরবর্তীকালে মগধের সিংহাসন থেকে অত্যাচারী নন্দরাজাকে উৎখাত করার ঘটনা। এই ...

টপ্পা গান। বাংলা টপ্পা গানের বৈশিষ্ট্য আলোচনা করে এই ধারায় নিধুবাবু (রামনিধি গুপ্ত)-র অবদান সংক্ষেপে আলোচনা করো।

টপ্পা গান। বাংলা টপ্পা গানের বৈশিষ্ট্য আলোচনা করে এই ধারায় নিধুবাবু (রামনিধি গুপ্ত)-র অবদান সংক্ষেপে আলোচনা করো। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় বাংলা মাইনর প্রথম সেমিস্টার ইউনিট ৩।            আমরা জানি যে,অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষার্ধ এবং ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধ ছিল বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এক 'যুগসন্ধিকাল'। এই সময়ে মধ্যযুগীয় দেব-নির্ভরতা কাটিয়ে বাংলা সাহিত্য ও সংগীতে প্রথম নাগরিক ও মানবীয় চেতনার উন্মেষ ঘটে। এই ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ ফসল হলো 'টপ্পা গান'। মূলত পাঞ্জাবের উটচালকদের লোকগীতি থেকে উৎপন্ন এই ধারাটিকে বাংলা মার্গসংগীত বা উচ্চাঙ্গসংগীতের আঙিনায় জনপ্রিয় করে তোলেন রামনিধি গুপ্ত, যিনি বাঙালির কাছে আদর করে 'নিধুবাবু' নামে পরিচিত ছিলেন।     ১. টপ্পা গানের উৎপত্তি ও স্বরূপঃ  'টপ্পা' শব্দটির মূল উৎস হিন্দি 'তপনা' বা 'টপকা' শব্দ থেকে, যার অর্থ 'লাফ দেওয়া' বা 'সংক্ষিপ্ত'। রাধামোহন সেন তাঁর 'সঙ্গীততরঙ্গ' গ্রন্থে লিখেছেন- "পাঞ্জাব হইতে হইল টপ্পার জনম / দুই চরণের মধ্যে তাহার নিয়ম।"       আসলে জনশ্রুতি অনুযায়...

নাগরিকতা

নাগরিকতা।পশ্চিমবঙ্গ উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের (WBCHSE) একাদশ শ্রেণী, প্রথম সেমিস্টার,রাষ্ট্রবিজ্ঞান সিলেবাস 'নাগরিকতা' (Citizenship) MCQ বা এক নম্বরের প্রশ্ন। • "নাগরিকতা হলো সমাজের মঙ্গলসাধনের জন্য নিজের সু চিন্তিত মতামত প্রয়োগের ক্ষমতা"- কে বলেন? উত্তরঃ ল্যাক্সি।  •প্রাচীন গ্রিস ও রোমের বসবাসকারী জনগণ কোথায় বাস করত?  উত্তরঃনগর রাষ্ট্রে।  •একটি রাষ্ট্রের বসবাসকারী জনগণকে কয় ভাগে ভাগ করা হয় ও কি কি?  উত্তরঃ দুই ভাগে ভাগ করা হয়, নাগরিক ও বিদেশী। ১. 'নাগরিক' (Citizen) শব্দটি প্রথম কোথায় ব্যবহৃত হয়েছিল?  •উত্তর: প্রাচীন গ্রিসে (নগর-রাষ্ট্রে)। ২. ল্যাটিন শব্দ 'Civis' (সিভিস) এর অর্থ কী? • উত্তর:নাগরিক। ৩. প্রাচীন গ্রিসের নগর-রাষ্ট্রে কাদের নাগরিক বলা হতো?  •উত্তর:যারা নগর-রাষ্ট্রের শাসনকার্যে বা রাজনৈতিক অধিকার ভোগে সরাসরি অংশ নিত। ৪.প্রাচীন গ্রিসে কাদের নাগরিক অধিকার ছিল না? • উত্তর: দাস, নারী এবং বিদেশিদের। ৫. আধুনিক যুগে নাগরিক বলতে কী বোঝায়? • উত্তরঃ যিনি রাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দা, রাষ্ট্রের প্রতি অনুগত এবং রাষ্ট্রপ্রদত্ত সব রাজনৈতিক ও সামাজিক অধ...

শ্রীকৃষ্ণকীর্তন।

শ্রীকৃষ্ণকীর্তন।পশ্চিমবঙ্গ উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের একাদশ শ্রেণির প্রথম সেমিস্টার, বাংলা। ১. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের রচয়িতা কে? উত্তর:বড়ু চণ্ডীদাস। ২. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের পুঁজিটি কে, কবে এবং কোথা থেকে আবিষ্কার করেন? উত্তর: বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দে বাঁকুড়া জেলার কাঁকিল্যা গ্রামের দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের গোয়ালঘর থেকে পুঁজিটি আবিষ্কার করেন। ৩. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি কত খ্রিস্টাব্দে এবং কোথা থেকে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়? উত্তর: ১৯১৬ খ্রিস্টাব্দে (১৩২৩ বঙ্গাব্দে) কলকাতার 'বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ' থেকে প্রকাশিত হয়। ৪. বসন্তরঞ্জন রায় পুঁজিটির কী নাম দিয়ে প্রকাশ করেছিলেন? উত্তর:শ্রীকৃষ্ণকীর্তন (আবিষ্কৃত পুঁজির প্রথম ও শেষ পাতা না থাকায় নাম জানা যায়নি, বসন্তরঞ্জন রায় এই নাম দেন)। ৫. পুঁজিটির ভেতরে চিরকুটে কী নাম লেখা পাওয়া গিয়েছিল? উত্তর:'শ্রীকৃষ্ণসন্দর্ভ'। ৬. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে মোট কয়টি খণ্ড আছে? উত্তর: ১৩টি খণ্ড (জন্মখণ্ড, তাম্বুলখণ্ড, দানখণ্ড, নৌকাখণ্ড, ছত্রখণ্ড, বৃন্দাবনখণ্ড, যমুনাখণ্ড, বাণখণ্ড, বংশীখণ্ড, রাধাবিরহ বা বিরহখণ্ড ইত্য...