Skip to main content

Posts

 ১) একক-১ ২০২৪ ক) "জপিতে জপিতে নাম /অবশ করিল গো/ কেমনে পাইব সই তারে। "- কোন পর্যায়ের পদ? পদকর্তা কে? পদটির ভাব সৌন্দর্য ও কাব্য সৌন্দর্য ব্যাখ্যা করো। খ) গোষ্ঠী নিরপেক্ষ গীতিকবিতা হিসেবে বৈষ্ণব পদাবলী আধুনিক কাব্য পাঠকের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে- এ বিষয়ে তোমার অভিমত ব্যক্ত করো। একক-২  গ) আগমনী ও বিজয়া পর্যায়ের গানে মাতৃহৃদয়ের যে আকুতির পরিচয় পাওয়া যায়,উদাহরণসহ তা লেখো। ঘ) "আমায় দেও মা তবিলদারী/ আমি নিমক হারাম নই শঙ্করী।"- পদটিতে শাক্ত তত্ত্বে ঋদ্ধ কবির মানস অভিব্যক্তির প্রকাশ সম্পর্কে লেখো। একক-৩ ঙ) কালকেতুর পশু শিকার কাহিনীকে অবলম্বন করে মুকুন্দ চক্রবর্তী হাস্যরস রসিকতার পরিচয় দাও। চ) মুরারি শীল চরিত্রটি তার পেশা জীবনকে আশ্রয় করেই উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে-আলোচনা করো। একক-৪ ছ) 'কোন হেতু কৃষ্ণচন্দ্র করে অবতার'-শ্রীকৃষ্ণের শ্রীচৈতন্যরূপে আবির্ভাবের কী কী কারণ ব্যাখ্যা করেছেন শ্রী শ্রী চৈতন্যভাগবতের রচয়িতা বৃন্দাবন দাস- সে সম্পর্কে লেখো। ছ) শ্রীশ্রীচৈতন্যভাগবতের অনুসরণে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর শৈশব-বাল্য-কৈশোর জীবনের পরিচয় দাও। ২০২৫  ২) ক) এ সখি হামারি দুখ...
Recent posts
 অদ্বৈত বেদান্ত দর্শন।।অদ্বৈত বেদান্ত মতে 'অধ্যাস' বা 'অধ্যাসবাদ' বলতে কি বোঝায়? অধ্যাসের লক্ষণ ও শর্তগুলি আলোচনা করো। অদ্বৈত বেদান্ত দর্শনে আচার্য শঙ্কর তাঁর বিখ্যাত ‘ব্রহ্মসূত্রভাষ্য’-এর সূচনাতেই ‘অধ্যাস’ (Adhyasa) তত্ত্বের অবতরণা করেছেন। অদ্বৈত দর্শনের পুরো ভবনটি এই অধ্যাসবাদের ওপর দাঁড়িয়ে আছে, কারণ অধ্যাসই হলো সমস্ত ভ্রম ও জাগতিক বন্ধনের মূল কারণ। ১. অধ্যাস বা অধ্যাসবাদ বলতে কী বোঝায়? সহজ কথায়, এক বস্তুতে অন্য বস্তুর আরোপ বা ভুল ধারণাকেই ‘অধ্যাস’ বলা হয় ("অতস্মিন্ তদ্বুদ্ধিঃ অধ্যাসঃ"— যা যা নয়, তাতে সেই বোধ হওয়া)। অদ্বৈত বেদান্ত মতে, যখন কোনো বস্তুর প্রকৃত স্বরূপ না জেনে অবিদ্যা বা অজ্ঞানের কারণে সেখানে অন্য কোনো বস্তুর ধর্ম আরোপিত হয়, তখন সেই বিভ্রান্তিকর জ্ঞানকে অধ্যাস বা ভ্রম বলে।  * লৌকিক উদাহরণ: অন্ধকারে পড়ে থাকা দড়িকে (রজ্জু) না চিনে তাকে 'সাপ' মনে করা। এখানে দড়িতে সাপের অধ্যাস হয়েছে।  * দার্শনিক প্রয়োগ: পরমাত্মা বা ব্রহ্মের ওপর অনাদি অবিদ্যার প্রভাবে দৃশ্যমান জগত, দেহ, মন, অহংকার ইত্যাদির মিথ্যা আরোপ হওয়া। অদ্বৈত বেদান্তে বলা হয়, আত্মা বিশু...

অদ্বৈত বেদান্ত দর্শন।। শঙ্করাচার্য স্বীকৃত 'তিন প্রকার সত্তা' (পারমার্থিক, ব্যবহারিক ও প্রাতিভাসিক সত্তা) বিস্তারিত আলোচনা করো।

অদ্বৈত বেদান্ত দর্শন।। শঙ্করাচার্য স্বীকৃত 'তিন প্রকার সত্তা' (পারমার্থিক, ব্যবহারিক ও প্রাতিভাসিক সত্তা) বিস্তারিত আলোচনা করো।         অদ্বৈত বেদান্ত দর্শনে আচার্য শঙ্কর জগৎ ও ব্রহ্মের অবস্থান এবং অভিজ্ঞতার তারতম্য বোঝাতে 'সত্তাত্রৈবিধবাদ' বা তিন প্রকার সত্তার তত্ত্ব উপস্থাপন করেছেন। তাঁর মতে, সত্তা বা অস্তিত্ব বলতে এমন কিছুকে বোঝায় যা কোনোকালেই বাতিল বা বাধিত হয় না। এই বিচারে অদ্বৈত বেদান্তে অভিজ্ঞতার জগতকে প্রধানত তিনটি স্তরে বা সত্তায় ভাগ করা হয়েছে। আর সেই ভাগ গুলি হলো-      ১) পারমার্থিক সত্তাঃ পারমার্থিক সত্তা একমাত্র পরম, ত্রিকাল অবাধিত ও পরিবর্তনহীন সত্য। যা অতীতে ছিল, বর্তমানে আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে-কখনোই বাতিল বা মিথ্যা প্রমাণিত হয় না, তা-ই পারমার্থিক সত্তা।সেকারণেই-       অদ্বৈত মতে একমাত্র 'নির্গুণ ব্রহ্ম' বা আত্মাই পারমার্থিক সত্তার অধিকারী।যা কোনো জ্ঞান বা অভিজ্ঞতার দ্বারা ব্রহ্মজ্ঞান বাধিত হতে পারে না। ব্রহ্মই একমাত্র সৎ, চিত ও আনন্দস্বরূপ পরম সত্য ("ব্রহ্ম সত্য")।        ২)ব্যবহারিক সত্তাঃ  আমাদ...

অদ্বৈত বেদান্ত দর্শন।। অদ্বৈত বেদান্ত মতে 'মোক্ষ' বা মুক্তির স্বরূপ ব্যাখ্যা করো।

অদ্বৈত বেদান্ত দর্শন।। অদ্বৈত বেদান্ত মতে 'মোক্ষ' বা মুক্তির স্বরূপ ব্যাখ্যা করো। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় দর্শন প্রথম সেমিস্টার মাইনর।           আলোচনা শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,অদ্বৈত বেদান্ত দর্শন অনুযায়ী, মোক্ষ হলো আত্মস্বরূপে অবস্থান এবং অবিদ্যা বা অজ্ঞানের চিরতরে অবসান। আচার্য শঙ্কর জোর দিয়ে বলেছেন, মোক্ষ কোনো নতুন প্রাপ্তি বা অর্জন নয়, বরং আত্মার নিত্যসিদ্ধ মুক্ত স্বভাবের পুনঃউপলব্ধি মাত্র।আর সেখানে -       মোক্ষের প্রকৃতি হলো-সাধারণত কর্মের মাধ্যমে কোনো ফল লাভ করা যায়, কিন্তু অদ্বৈত বেদান্তে মোক্ষকে কোনো কর্মের ফল হিসেবে গণ্য করা হয় না।কর্মজাত বস্তু বা ফল পরিবর্তনশীল এবং নশ্বর। মোক্ষ যদি কর্মের দ্বারা উৎপন্ন হতো, তবে তা-ও নশ্বর হতো।তাই-         আত্মার স্বরূপ ই হলো 'সচ্চিদানন্দ' (সৎ, চিত্ ও আনন্দ)। অজ্ঞানের কারণে আত্মা নিজেকে বন্ধনযুক্ত মনে করে। জ্ঞানোদয় হলে এই অজ্ঞানের নাশ ঘটে এবং আত্মা তার নিজের পূর্ণ আনন্দরূপ উপলব্ধি করে। তাই মোক্ষ হলো বস্তু লাভ নয়, বরং অজ্ঞানের নিবৃত্তি।তবে-     মোক্ষ লাভের একমা...

দ্বিতীয় সেমিস্টার বাংলা মাইনর সাজেশন ২০২৬

দ্বিতীয় সেমিস্টার বাংলা মাইনর সাজশন ২০২৬।।( চতুর্থ সেমিস্টার বাংলা মেজর ডি এস-৪ সিলেবাস) একক-১ ×× ১)ক। মধ্য ভারতীয় আর্য ভাষার স্তরবিভাগ ও কালগত সীমা সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করে এর সাধারণ বৈশিষ্ট্য গুলির পরিচয় দাও।২৫ *** • ভারতীয় আর্য ভাষার প্রতিটি যুগের কালগত সীমা ও সাহিত্যিক নিদর্শন উল্লেখ করো , প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষার ভাষাতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য গুলি লেখ। ২৪ ***• প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষার কালগত সীমা নির্দেশ কর নিদর্শন সহ প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষায় ধ্বনিতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য গুলি আলোচনা করো।( আবার উক্ত প্রশ্নটি এভাবে দিতে পারে) *** •মধ্য বাংলা /(মধ্যভারতীয় আর্য)ভাষার কালগত সীমা ও সাহিত্যিক নিদর্শন উল্লেখ করো। এই ভাষার ভাষাতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য গুলি লেখো।২৫ ×× • প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষার কালগত সীমা নির্দেশ কর নিদর্শন সহ প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষায় ধ্বনিতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য গুলি আলোচনা করো।২৪ ×× খ) প্রাচীন বাংলা ভাষার ভাষাতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য গুলির সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও ২৫ *** • আদি-মধ্যযুগের বাংলা ভাষার লক্ষণগুলি সংক্ষেপে আলোচনা করো।২৪ একক-২ × গ)• বঙ্গালী উপভাষা কোন কোন অঞ্চলে প্রচলিত?...
 ১. মঙ্গলকাব্য: সংজ্ঞা, শ্রেণিবিভাগ ও কবি তালিকা মঙ্গলকাব্যের সংজ্ঞা মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে যেসমস্ত সুরসংযোগে গীত কাব্য বিশেষ কোনো লৌকিক ও পৌরাণিক দেব-দেবীর মহিমা প্রচার, তাঁদের পূজা প্রতিষ্ঠা এবং ব্রতকথাকে কেন্দ্র করে নির্দিষ্ট পরিকাঠামোয় রচিত হতো, সেগুলিকে মঙ্গলকাব্য বলা হয়। এগুলি মূলত পঞ্চালী ছন্দে রচিত এবং দেবপূজায় গীত হতো। মঙ্গলকাব্যের শ্রেণিবিভাগ মঙ্গলকাব্যকে প্রধানত দুটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়: প্রধান মঙ্গলকাব্য ও অপ্রধান মঙ্গলকাব্য।                   মঙ্গলকাব্য                       │        ┌──────────────┴──────────────┐        ▼ ▼ প্রধান মঙ্গলকাব্য অপ্রধান মঙ্গলকাব্য  ├── মনসামঙ্গল ├── ধর্মমঙ্গল  ├── চণ্ডীমঙ্গল ├── শীতলামঙ্গল  └── অন্নদামঙ্গল ├── সারদামঙ্গল                       ...

মঙ্গলকাব্য

 ১. মঙ্গলকাব্যের সংজ্ঞা ও নামকরণের কারণঃ মধ্যयुগের বাংলা সাহিত্যে যেসকল সুরসংযোগযুক্ত কাব্য বিশেষ কোনো লৌকিক ও পৌরাণিক দেব-দেবীর মহিমা প্রচার এবং ব্রতকথাকে কেন্দ্র করে রচিত হতো, সেগুলিকে মঙ্গলকাব্য বলা হয়।আর-         এই কাব্য পাঠ বা শ্রবণ করলে পরিবারের মঙ্গল হয়-এই লোকবিশ্বাস থেকেই কাব্যগুলির নাম 'মঙ্গলকাব্য' হয়েছে। ২. প্রধান ও অপ্রধান মঙ্গলকাব্যঃ মধ্যयुগের যে মঙ্গলকাব্যগুলি ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল এবং সাহিত্যরস ও শিল্পমানে শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রেখেছিল, সেগুলিকে প্রধান মঙ্গলকাব্য বলে।যেমন-মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর 'চণ্ডীমঙ্গল'।আর-           প্রধান মঙ্গলকাব্যগুলির ছায়াবলম্বনে রচিত বা যে কাব্যগুলির জনপ্রিয়তা ও সাহিত্যিক প্রভাব তুলনামূলকভাবে নির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমানায় সীমাবদ্ধ ছিল, সেগুলিকে অপ্রধান মঙ্গলকাব্য বলে।যেমন- দ্বিজ হরিরামের 'শীতলামঙ্গল'। ৩. মঙ্গলকাব্যের বৈশিষ্ট্য-    ১. মর্ত্যলোকে লৌকিক বা পৌরাণিক দেব-দেবীর পূজা প্রচার ও তাঁদের মহিমা স্থাপন।    ২. দেবীর অভিশাপে স্বর্গের দেবতা/দেবকন্যার মর্ত্যে আগমন এবং সাধ...