ম্যাসিডনীয় সভ্যতা ও সংস্কৃতির বিবরণ দাও । পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, ইতিহাস প্রথম সেমিস্টার, মাইনর। আমরা জানি যে,খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতকে রাজা দ্বিতীয় ফিলিপ এবং তাঁর যোগ্য পুত্র মহামতি অ্যালেকজান্ডারের হাত ধরে ম্যাসিডন একটি শক্তিশালী সামরিক সাম্রাজ্যে পরিণত হয়।তবে অ্যালেকজান্ডারের মধ্যপ্রাচ্য, মিসর ও ভারত অভিযানের ফলে প্রাচ্য ও প্রতীচ্যের (গ্রিক) সংস্কৃতির অপূর্ব সমন্বয় ঘটে। প্রাচীন ইতিহাসে এই মিশ্র সংস্কৃতি 'হেলেশীয় সংস্কৃতি' নামে পরিচিত। আর এই আলোচনার প্রেক্ষিতে আমরা ম্যাসিডনীয় সভ্যতা ও সংস্কৃতির বিভিন্ন দিকগুলি নিম্ন সূত্রাকারে আলোচনা করতে পারি। ১. কৃষির উন্নতি।। ম্যাসিডনীয় সাম্রাজ্য বিস্তারের ফলে কৃষিক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন ঘটে। আর সেখানে মিশর ও মেসোপটেমিয়ার ঐতিহ্যবাহী সেচব্যবস্থার সাথে গ্রিক প্রযুক্তির মেলবন্ধন ঘটানো হয়। নীলনদ ও ট্রাইগ্রিস-ইউফ্রেটিস উপত্যকায় উন্নত জলসেচ ব্যবস্থার মাধ্যমে ফলন বাড়ানো হয়। সেই সাথে শুরু হয়- নতুন শস্যের প্রচলনঃ সাম্রাজ্যের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগের সুবিধার ফলে এক...
ম্যাসিডনীয় সাম্রাজ্যের পতনের কারণ লেখো। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, ইতিহাস প্রথম,সেমিস্টার মাইনর। আলোচনা শুরুতেই আমরা বলে থাকি যে,ম্যাসিডনীয় সাম্রাজ্যের উত্থান যতটা দ্রুত ও নাটকীয় ছিল, এর পতনও ছিল ততটাই আকস্মিক। খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতকে মহামতি অ্যালেকজান্ডারের মৃত্যুর পর শক্তিশালী এই বিশাল সাম্রাজ্য ভেঙে পড়তে শুরু করে। আর এই পরিপ্রেক্ষিতে আমরা ম্যাসিডনীয় সাম্রাজ্যের পতনের প্রধান কারণগুলি আলোচনা করতে পারি। যেখানে - ১. অ্যালেকজান্ডারের আকস্মিক মৃত্যু ও উত্তরাধিকারীর অভাব।। খ্রিস্টপূর্ব ৩২৩ অব্দে মাত্র ৩২ বছর বয়সে অ্যালেকজান্ডারের আকস্মিক মৃত্যু সাম্রাজ্যের মূল স্তম্ভ ধসিয়ে দেয়। মৃত্যুর পূর্বে তিনি কোনো যোগ্য উত্তরাধিকারী মনোনীত করে যাননি। ফলে তাঁর মৃত্যুর পরপরই সাম্রাজ্যের সর্বোচ্চ ক্ষমতা দখলের জন্য সেনাপতিদের মধ্যে তীব্র দ্বন্দ্ব শুরু হয়। ২. সেনাপতিদের গৃহযুদ্ধ।। অ্যালেকজান্ডারের যোগ্য সেনাপতিরা (যাঁদের 'দিয়াদোচি' বলা হতো)-যেমন সেলিউকাস, টলেমি, অ্যান্টিগোনাস এবং লি সিমাকাস—সাম্রাজ্যকে নিজেদের মধ্যে ভ...