**না**, আপনি যদি ইতিমধ্যে সমস্ত সঠিক নথিপত্র বা কাগজপত্র সহ **অফলাইনে (যেমন: ব্লক অফিস, মিউনিসিপালিটি, পঞ্চায়েত বা সরকারি শিবিরে)** অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম পূরণ করে জমা দিয়ে থাকেন, তবে আপনাকে **আবার নতুন করে অনলাইনে ফর্ম ফিলাপ করতে হবে না।** এই বিষয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিচে দেওয়া হলো, যা আপনার জেনে রাখা ভালো: * **যেকোনো একটি মাধ্যম প্রযোজ্য:** অন্নপূর্ণা যোজনার আবেদন প্রক্রিয়াটি অনলাইন এবং অফলাইন—উভয় পদ্ধতিতেই করা যাচ্ছে। আপনি যেকোনো একটি মাধ্যমে সঠিকভাবে আবেদন করলেই তা গ্রাহ্য হবে। * **সরকারিভাবে ডেটা এন্ট্রি:** আপনি অফলাইনে যে ফর্মটি জমা দিয়েছেন, সেটি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের বা পুরসভার আধিকারিকরা যাচাই (Verification) করার পর তাদের নিজস্ব পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইন ডেটাবেসে আপলোড করে দেবেন। * **ডবল বা দ্বৈত আবেদন এড়িয়ে চলুন:** একই ব্যক্তি যদি অফলাইনে জমা দেওয়ার পর আবার অনলাইনেও ফর্ম ফিলাপ করেন, তবে আবেদনের তথ্য ডুপ্লিকেট বা দ্বৈত হয়ে যেতে পারে। এর ফলে পরবর্তীতে আবেদনটি বাতিল (Reject) বা যাচাইকরণের ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। **আপনার করণীয়:** আপনি অফল...
প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনায় মুদ্রার গুরুত্ব আলোচনা করো। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম সেমিস্টার, ইতিহাস মাইনর ইউনিট১। প্রাচীন ভারতের ইতিহাস পুনর্গঠনে মুদ্রার গুরুত্ব অপরিসীম। প্রাচীনকালে আধুনিক যুগের মতো কোনো ধারাবাহিক লিখিত ইতিহাস গ্রন্থ ছিল না। তাই মুদ্রা বা 'মুদ্রাতত্ত্ব' (Numismatics) প্রাচীন ভারতের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, ধর্মীয় এবং সাংস্কৃতিক ইতিহাসের এক নির্ভরযোগ্য উপাদান হিসেবে কাজ করে।আর আমরা দেখি- ১. রাজনৈতিক ও বংশানুক্রমিক ইতিহাস পুনর্গঠনঃ মুদ্রা প্রাচীন ভারতের বিভিন্ন রাজবংশের ধারাবাহিক ইতিহাস জানতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে।আর সেখানে মৌর্য-পরবর্তী যুগে ব্যাকট্রিয়ার গ্রিক (ইন্দো-গ্রিক), শক ও পার্থিয়ান রাজাদের সম্পর্কে আমরা প্রায় সম্পূর্ণ তথ্যই পাই তাঁদের মুদ্রা থেকে। প্রায় ৩০ জনেরও বেশি ইন্দো-গ্রিক রাজার অস্তিত্ব কেবল মুদ্রার ওপর ভিত্তি করেই প্রমাণিত হয়েছে। • রাজত্বকাল ও সীমানা নির্ধারণঃ মুদ্রায় খোদিত রাজার নাম, উপাধি এবং সন-তারিখ থেকে রাজাদের সময়কাল নিখুঁতভাবে জানা যায়।...