মনসামঙ্গল।। মনসামঙ্গলকাব্যের কাহিনি এবং আর্য-অনার্য সংঘাত ও সমন্বয় আলোচনা করো। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম সেমিস্টার বাংলা মেজর মাইনর এবং কোর। •মনসামঙ্গলকাব্যের সংক্ষেপিত কাহিনি মূলত দুটি খণ্ডে বিভক্ত- স্বর্গখণ্ড এবং মর্ত্যখণ্ড। • স্বর্গখণ্ডঃ শিবের বীর্য থেকে পদ্মপত্রে মনসার জন্ম। স্বর্গ থেকে অভিশাপগ্রস্ত হয়ে মর্ত্যে আসেন অনিরুদ্ধ ও ঊষা, যারা মর্ত্যে লখিন্দর ও বেহুলা রূপে জন্মগ্রহণ করেন। • মর্ত্যখণ্ড ও মূল সংঘাতঃশিবভক্ত চম্পক নগরের ধনপতি ব্যবসায়ী চাঁদ সওদাগর কিছুতেই সর্পদেবী মনসাকে পূজা করতে রাজি নন। কারণ মনসা লৌকিক দেবী, আর চাঁদ পৌরাণিক দেব মহাদেবের ভক্ত।তবে- পূজা না পেয়ে ক্রুদ্ধ মনসা চাঁদের সপ্তডিঙা মধুকর সমুদ্রে ডুবিয়ে দেন এবং চাঁদের ছয় পুত্রকে বিষধর সর্প দ্বারা ধ্বংস করেন। তবুও চাঁদ অটল থাকেন।অতঃপর আমরা দেখি-বেহুলা-লখিন্দরের আখ্যান।চাঁদের সপ্তম পুত্র লখিন্দরের বিয়ের রাতে লৌহবাসর ঘরে মনসার পাঠানো কালনাগিনী তাকে দংশন করে। সতীতেন্তে বলীয়ান বেহুলা ভেলায় চড়ে ভেসে যান এবং দেবপুরে পৌঁছে...
মৌর্য ও ম্যাসিডনীয় সাম্রাজ্যের তুলনামূলক আলোচনা করো(সাদৃশ্য সহ)। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনার। আলোচনার শুরুতেই আমরা বলতে পারি যে,প্রাচীন বিশ্বের ইতিহাসে রাজনৈতিক বিস্তার, প্রশাসনিক দক্ষতা এবং সংস্কৃতি বিনিময়-এই তিন দিক থেকেই মৌর্য সাম্রাজ্য (খ্রিস্টপূর্ব ৩২২ – ১৮৫) এবং ম্যাসিডনীয় সাম্রাজ্য (বিশেষত দ্বিতীয় ফিলিপ ও আলেকজান্ডার দ্য গ্রেটের সময়কাল, খ্রিস্টপূর্ব ৪র্থ শতক) বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। দুটি সাম্রাজ্যই বিশাল ভূখণ্ড জুড়ে নিজেদের শাসন প্রতিষ্ঠা করে এক একচ্ছত্র ক্ষমতার সূচনা করেছিল। আর সেখানে তাদের মধ্যে যে সাদৃশ্য লক্ষ্য করা যায় সেগুলি হলো- প্রধান সাদৃশ্যসমূহ ১) ম্যাসিডন সাম্রাজ্য দ্বিতীয় ফিলিপ ও তাঁর পুত্র বীর আলেকজান্ডারের সামরিক বুদ্ধিমত্তার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছিল। আর সেই সাথে সাথেই • মৌর্য সাম্রাজ্য চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য এবং কৌটিল্যের যৌথ দূরদর্শিতার ফলে নন্দ সাম্রাজ্য ধ্বংস করে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। • কেন্দ্রীয়ভূত শাসন ও বিশাল সেনাবাহিনীগত ভাব...