Skip to main content

Posts

To The Secretary, West Bengal Council of Rabindra Open Schooling Bikash Bhaban, Saltlake Kolkata-700091 Subject-Application for Issue of Duplicate Renewal Certificate of Study Centre (Misplaced). To Respected Sir/Madam, I have the honour to state that our Study Centre, Hingalganj High school Rabindra Open Schooling,Study Centre Code1817 is a duly recognized Study Centre under the West Bengal Council of Rabindra Open Schooling.       This is to inform you, with deep regret, that the Renewal Certificate of our Study Centre for the academic session 2023 has been misplaced unintentionally. In spite of thorough search, the said certificate could not be traced. In this connection,  regarding the misplaced of the Renewal Certificate has already been lodged at the concerned Police Station. GD/FIR No.: __________________________ Date: __________________________ Name of Police Station: __________________________ A copy of the same is enclosed herewith for your kind perusal. Th...
Recent posts

আমল সে আমল' রচনায় অবীন্দ্রনাথ ঠাকুর দুই কালের যে তুলনামূলক চিত্র এঁকেছেন তার পরিচয় দাও।

' এ আমল সে আমল' রচনায় অবীন্দ্রনাথ ঠাকুর দুই কালের যে তুলনামূলক চিত্র এঁকেছেন তার পরিচয় দাও (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় পঞ্চম সেমিস্টার বাংলা মেজর সিলেবাস)       আলোচনার শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে, অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'এ আমল সে আমল' স্মৃতিচারণমূলক প্রবন্ধটি মূলত পরিবর্তনের এক শিল্পরূপ। জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ির অন্দরমহলকে কেন্দ্র করে লেখক তাঁর শৈশবের 'সে আমল' এবং বর্তমানের 'এ আমল'-এর মধ্যে যে আমূল বিবর্তন দেখেছেন, তা এখানে ফুটে উঠেছে।আর সেই দুই কালের তুলনামূলক চিত্র নিম্নে আলোচনা করা হলো-       •  গৃহসজ্জা ও আসবাবপত্রের ক্ষেত্রে আমরা সে আমলে দেখি-সেকালে ঘর সাজানোর প্রধান উপকরণ ছিল শুভ্রতা ও সারল্য। লেখক জানিয়েছেন, তখন বসার ঘরে থাকত-      " পুরু জাজিমের উপরে ধবধবে সাদা ফরাস পাতা, চার ধারে বড় বড় তাকিয়া।"         আসবাব বলতে ছিল দু-চারটে মেহগনি কাঠের আলমারি। দেওয়ালে থাকত বিলিতি ঝাড়লণ্ঠন এবং রঙিন কাঁচের ঝাড়। আবার-             এ আমলে  দেখা যায়-বর্তমান সময়ে সেই খোলামেলা ভাব হা...
ইসলামিক শিক্ষায় ধর্মীয় ও জাগতিক বিদ্যার সমন্বয় ঘটেছে-আলোচনা করো পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় পঞ্চম সেমিস্টার এডুকেশন মাইনর সিলেবাস  মধ্যযুগীয় ভারতের শিক্ষা ধারায় ধর্মীয় বিদ্যা (Manqulat) ও জাগতিক বা ইহলৌকিক বিদ্যার (Maqulat) সমন্বয় একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বিষয়। যেখানে মধ্যযুগীয় ভারতে ইসলামিক শিক্ষা ব্যবস্থা কেবল ধর্মতত্ত্বের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। সুলতানি এবং বিশেষ করে মুঘল সম্রাট আকবরের আমলে এই শিক্ষা ব্যবস্থায় ধর্মীয় আদর্শের পাশাপাশি বাস্তববাদী ও জাগতিক বিষয়গুলির এক চমৎকার সমন্বয় ঘটেছিল। ১. পাঠ্যক্রমের বিভাজন: 'মাকুলাত' ও 'মানকুলাত' ইসলামিক শিক্ষার পাঠ্যক্রমকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা হয়েছিল:  * মানকুলাত (ধর্মীয় বিদ্যা): এতে কুরআন শরিফ পাঠ, হাদিস, ইসলামি আইন (শারিয়ত) এবং সুফিবাদ অন্তর্ভুক্ত ছিল। এর লক্ষ্য ছিল আধ্যাত্মিক মুক্তি।  * মাকুলাত (জাগতিক বিদ্যা): এতে যুক্তিশাস্ত্র, দর্শন, গণিত, বিজ্ঞান, ইতিহাস এবং চিকিৎসা বিজ্ঞান অন্তর্ভুক্ত ছিল। এর লক্ষ্য ছিল জাগতিক উন্নতি ও প্রশাসনিক দক্ষতা অর্জন। ২. প্রাথমিক স্তরে সমন্বয় (মক্তব) মক্তবগুলিতে শিশুদের কেবল কুরআন পা...

ছন্দে শুধু কান রাখো অজিত দত্ত।

কবি অজিত দত্ত 'ছন্দে শুধু কান রাখো' কবিতার মূল বিষয়বস্তু আলোচনা করো সপ্তম শ্রেণী বাংলা সাহিত্য মেলা।       কবি অজিত দত্তের ' ছন্দে শুধু কান রাখো ' কবিতাটি মূলত প্রকৃতির অন্তর্নিহিত ছন্দ এবং জীবনের গতির সঙ্গে সেই ছন্দের মেলবন্ধন নিয়ে রচিত। কবি এখানে বোঝাতে চেয়েছেন যে, এই মহাবিশ্বের প্রতিটি উপাদানেই একটা নির্দিষ্ট সুর ও ছন্দ বিদ্যমান—আমাদের শুধু তা অনুভব করার মতো একাগ্রতা প্রয়োজন। আর সেখানে           •দ্বন্দ্ব ভুলে একাগ্রতা বৃদ্ধি করার অনুরোধ।কবিতার শুরুতেই কবি পাঠকদের অনুরোধ করেছেন জীবনের সব কলহ, দ্বন্দ্ব এবং ঝগড়া ভুলে যেতে। কারণ মনের মধ্যে অশান্তি থাকলে প্রকৃতির সূক্ষ্ম ছন্দ ধরা সম্ভব নয়। কবির ভাষায়- "মন্দে যাঁদের মন গলেনি, ছন্দ আছে ঝগড়া-ঝাঁটিতেও / ছন্দহীন তো নয়কো কিছু, ছন্দে শুধু কান রাখো।"          আলোচ্য কবিতায় প্রকৃতির সর্বত্র ছন্দের উপস্থিতি লক্ষ্যণীয়।প্রকৃতির প্রতিটি তুচ্ছাতিতুচ্ছ ঘটনার মধ্যেও ছন্দ রয়েছে। ঝড়-বৃষ্টি, জ্যোৎস্না, দুপুরের ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক কিম্বা পাখির কূজন-সবই একটি নিয়মে চলে। এমনকি ঘড়ির কাঁটার টি...

সপ্তম শ্রেণী বাংলা ভাষাচর্চা প্রথম অধ্যায়।

সপ্তম শ্রেণী বাংলা ভাষা চর্চা পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ  ১) খাঁটি দেশি শব্দ কাকে বলে উদাহরণসহ আলোচনা করো।            •বাংলাদেশের আদিম অধিবাসী যেমন-কোল, ভিল, মুণ্ডা, সাঁওতাল ইত্যাদি বা অনার্য জাতির ভাষা থেকে যেসব শব্দ বাংলা ভাষায় সরাসরি মিশে গেছে এবং কালক্রমে পরিবর্তিত হয়ে নিজস্ব রূপ ধারণ করেছে, তাদের দেশি শব্দ বলা হয়।আরোও সরলভাবে বলা যায়-              যে সব শব্দের মূল সংস্কৃত, প্রাকৃত বা বিদেশি ভাষায় পাওয়া যায় না বরং এ দেশের আদিম জনপদ থেকেই এসেছে, তারাই খাঁটি দেশি শব্দ। যার বৈশিষ্ট্যগুলি হলো-       •এসব শব্দের কোনো ব্যাকরণগত ব্যুৎপত্তি সাধারণত খুঁজে পাওয়া যায় না।      •এগুলো মূলত আমাদের গ্রামবাংলার লোকজ সংস্কৃতির সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িয়ে আছে।      •দ্রাবিড় ও অস্ট্রিক ভাষার প্রভাব এসব শব্দে সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। • উদাহরণসহ শ্রেণিবিভাগ• খাঁটি দেশি শব্দগুলোকে আমরা দৈনন্দিন ব্যবহারের ওপর ভিত্তি করে কয়েকটি ভাগে দেখতে পারি।আর সেই ভাগ গুলি হলো- • বিভাগ এবং উদাহরণ• • গৃ...

মিলের অন্বয়ী পদ্ধতি।

মিলের অন্বয়ী পদ্ধতি (Method of Agreement) উদাহরণসহ ব্যাখ্যা ও বিচার করো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়/কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় তৃতীয় সেমিস্টার দর্শন মাইনর সিলেবাস)          যুক্তিবিজ্ঞানী জন স্টুয়ার্ট মিল কার্যকারণ সম্পর্ক নির্ণয়ের জন্য পাঁচটি পদ্ধতির কথা বলেছেন, যার মধ্যে প্রথম এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি হলো অন্বয়ী পদ্ধতি (Method of Agreement)।আর সেই পদ্ধতির  • মূল সূত্র বা সংজ্ঞা-            অন্বয়ী পদ্ধতির মূল কথা হলো 'মিল' বা 'সাদৃশ্য'। মিলের মতে-"আলোচ্য ঘটনার দুই বা ততোধিক দৃষ্টান্তের মধ্যে যদি কেবল একটিমাত্র পরিস্থিতি সাধারণ বা মিল থাকে, তবে সেই পরিস্থিতিটিই হলো আলোচ্য ঘটনার কারণ বা কার্য।"সহজ কথায় -     ‌‌ যদি একাধিক ক্ষেত্রে একটি সাধারণ অবস্থা উপস্থিত থাকে এবং সেই প্রতিটি ক্ষেত্রেই আলোচ্য ঘটনাটি ঘটে, তবে ওই সাধারণ অবস্থাটিই কারণ হিসেবে গণ্য হবে। • আকারগত/সাংকেতিক উদাহরণ (Symbolic Example)       ধরা যাক, আমরা 'ঘ' নামক একটি ঘটনার কারণ অনুসন্ধান করছি। • দৃষ্টান্ত সমূহ।পূর্ববর্তী ঘট...

বিদ্যাসাগরের 'সীতার বনবাস' গ্রন্থে করুণ রসের প্রাধান্য আলোচনা করো।

বিদ্যাসাগরের 'সীতার বনবাস' গ্রন্থে করুণ রসের প্রাধান্য দেখা যায় যা আলোচনা করো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়/কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় পঞ্চম সেমিস্টার বাংলা মাইনর সিলেবাস)        আমরা জানি যে,উনিশ শতকের বাংলা গদ্যের জনক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর তাঁর 'সীতার বনবাস' গ্রন্থে বাল্মীকির রামায়ণ ও ভবভূতির উত্তররামচরিতের প্রেক্ষাপট গ্রহণ করলেও, এর অন্তঃপুরে প্রবহমান রয়েছে এক গভীর কারুণ্য ও বেদনাবোধ। সীতার ত্যাগ, রামের রাজধর্মের নিষ্ঠুরতা এবং নারী হৃদয়ের হাহাকার এই গ্রন্থকে 'করুণ রসের' এক আকর গ্রন্থে পরিণত করেছে।ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের 'সীতার বনবাস' (১৮৬০) বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য শোকগাথা। ভবভূতির 'উত্তররামচরিত' নাটকের আধারে রচিত হলেও বিদ্যাসাগর তাঁর সহজাত করুণরসে সিক্ত করে কাহিনীটিকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন।          সীতার বনবাস গ্রন্থের সূচনাতেই দেখা যায়, গর্ভবতী সীতা সুখের স্বপ্নে বিভোর, অথচ রাজা রামচন্দ্র লোকাপবাদের ভয়ে তাঁকে নির্বাসনে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। রামের হৃদয়ের এই অন্তর্দ্বন্দ্ব এবং সীতার অজ্ঞতা এক করুণ পরিস্থিতির সৃষ্টি করে।...