Skip to main content

Posts

ঝুমুর দল ও ঝুমুর গান এই উপন্যাসে আঞ্চলিক এই শিল্পধারাগুলো কেবল বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং কাহিনির চালিকাশক্তি- আলোচনা করো

ঝুমুর দল ও ঝুমুর গান এই উপন্যাসে আঞ্চলিক এই শিল্পধারাগুলো কেবল বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং কাহিনির চালিকাশক্তি- আলোচনা করো পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় ষষ্ঠ সেমিস্টার বাংলা মেজর।            আলোচনা শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'কবি' উপন্যাসে ঝুমুর দল ও ঝুমুর গান কোনো অলঙ্কার মাত্র নয়; বরং এটি উপন্যাসের মূল ঘটনার বুনন, চরিত্রের রূপান্তর এবং জীবনদর্শনের প্রধান চালিকাশক্তি। বীরভূমের রুক্ষ লাল মাটির সংস্কৃতির সাথে মিশে থাকা এই লোকশিল্পটি কীভাবে কাহিনিকে গতিদান করেছে। আর সেই গতিদানে আমরা লক্ষ্য করি যে-      ঝুমুর দল হলো নিম্নবর্গের জীবন সংগ্রামের দর্পণ ইতিহাস।উপন্যাসের শুরুতেই আমরা দেখি-নিতাই তার চোর-ডাকাতের বংশীয় পরিচয় মুছে ফেলে একজন 'কবি' হতে চায়। তার এই শিল্পীসত্তার উত্তরণ ঘটে ঝুমুর দলের সংস্পর্শে আসার মাধ্যমে। ঝুমুর দলগুলো তৎকালীন বীরভূমের প্রান্তিক মানুষের এক বিচিত্র জীবিকা ছিল। তারা মেলায় মেলায় ঘুরে গান গেয়ে বেড়াত। এই দলগুলোর যাযাবর জীবন এবং তাদের ভেতরের নৈতিক ও সামাজিক সংকট নিতাইয়ের জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। ঝুমুর দ...
Recent posts

সমাজ ও সভ্যতার সংজ্ঞা দাও। সমাজ ও সভ্যতার মধ্যে পার্থক্য লেখো।

সমাজ ও সভ্যতার সংজ্ঞা দাও। সমাজ ও সভ্যতার মধ্যে পার্থক্য লেখো। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় ষষ্ঠ সেমিস্টার দর্শন মাইনর  সমাজঃসাধারণ অর্থে 'সমাজ' বলতে একদল মানুষের সমষ্টিকে বোঝায় যারা নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য সাধনের জন্য একত্রিত হয়। সমাজবিজ্ঞানী ম্যাকাইভার ও পেজ (MacIver and Page) -এর মতে- ​" সমাজ হলো সামাজিক সম্পর্কের একটি জাল" (Society is the web of social relationships )।"           অর্থাৎ, যখন একাধিক ব্যক্তি পারস্পরিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া এবং সম্পর্কের ভিত্তিতে একটি সুসংগঠিত কাঠামো গড়ে তোলে, তাকেই সমাজ বলে। সমাজের মূল ভিত্তি হলো চেতনা এবং সহযোগিতা। ​২. সম্প্রদায়ঃ সম্প্রদায় হলো সমাজের একটি নির্দিষ্ট অংশ যেখানে মানুষ একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকায় বসবাস করে এবং তাদের মধ্যে এক গভীর একাত্মবোধ বা 'আমরা-বোধ' (We-feeling) কাজ করে।সমাজবিজ্ঞানী বোগার্ডাস (Bogardus) -এর মতে- ​" সম্প্রদায় হলো এমন একটি সামাজিক গোষ্ঠী যেখানে কিছুটা হলেও 'আমরা-বোধ' কাজ করে এবং যারা একটি নির্দিষ্ট স্থানে বসবাস করে।" • সমাজ ও সভ্যতার পার্থক্য• ১. নির্দিষ্ট ...

রাঢ়ী উপভাষা কি? রাঢ়ী উপভাষা প্রচলিত অঞ্চল গুলির নাম লেখো।এই উপভাষার রূপতাত্ত্বিক এবং ধ্বনিতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য গুলি আলোচনা করো

রাঢ়ী উপভাষা কি? রাঢ়ী উপভাষা প্রচলিত অঞ্চল গুলির নাম লেখো।এই উপভাষার রূপতাত্ত্বিক এবং ধ্বনিতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য গুলি আলোচনা করো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্র বিশ্ববিদ্যালয় চতুর্থ সেমিস্টার বাংলা মেজর  রাঢ়ী উপভাষাঃ পশ্চিমবঙ্গের মধ্য-ভাগ বা প্রাচীন রাঢ় অঞ্চলের উপভাষাই হলো রাঢ়ী উপভাষা। এই উপভাষার মার্জিত রূপটিই বর্তমানে আমাদের 'মান্য চলিত বাংলা' হিসেবে স্বীকৃত।প্রাচীন ‘রাঢ়’ অঞ্চল (অধুনা পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ) থেকে এই উপভাষার নামকরণ হয়েছে।আর সেখানে-      • প্রচলিত অঞ্চল এই উপভাষাটি মূলত পশ্চিমবঙ্গের নিম্নলিখিত জেলাগুলিতে প্রচলিত। প্রচলিত সেই অঞ্চল গুলি হল-কলকাতা, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগণা।•হাওড়া, হুগলি, নদিয়া ও মুর্শিদাবাদ।•পূর্ব বর্ধমান এবং বাঁকুড়া ও বীরভূম জেলার পূর্বাংশ। • রাঢ়ী উপভাষার সীমা নির্ধারণ • রাঢ়ী উপভাষার চতুর্দিকের সীমানা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়- ​ উত্তরেঃ বরেন্দ্রী উপভাষার সীমানা (মালদহ ও দক্ষিণ দিনাজপুরের কিছু অংশ)। ​ দক্ষিণেঃ বঙ্গোপসাগর এবং উড়িষ্যা সংলগ্ন মেদিনীপুরের কিছু অংশ (যেখানে ঝাড়খণ্ডী ও রাঢ়ীর মিশ্রণ লক্ষ্য করা যায়)। ​পূর্বেঃ বঙ্গীয় বা...
 WBSU ১ম সেমিস্টার: চার্বাক দর্শন (২ নম্বরের প্রশ্ন-উত্তর) ​• ঋণ কাকে বলে? ঋণ কয় প্রকার ও কি কি? • ভারতীয় দর্শনের স্বীকৃত পঞ্চকোষসমূহের নাম লেখো। • চার্বাক দর্শনে ভূত কয়টি ও কি কি? ১. চার্বাক মতে 'প্রমাণ' কয়টি ও কী কী? উত্তর: চার্বাক মতে প্রমাণ একটিই, তা হলো প্রত্যক্ষ। চার্বাকরা প্রত্যক্ষ ছাড়া অন্য কোনো প্রমাণ (যেমন— অনুমান, শব্দ বা উপমান) স্বীকার করেন না। ​২. চার্বাকরা কেন 'আকাশ' বা 'ব্যোম'-কে স্বীকার করেন না? উত্তর: চার্বাকরা কেবল সেই বস্তুগুলোকেই স্বীকার করেন যা প্রত্যক্ষ করা যায়। আকাশ বা ব্যোম প্রত্যক্ষযোগ্য নয় (অপ্রতক্ষ্য), তাই চার্বাক মতে এটি মৌলিক ভূত পদার্থ নয়। ​৩. চার্বাক দর্শনের অপর নাম 'লোকায়ত দর্শন' কেন? উত্তর: 'লোকেষু আয়ত' অর্থাৎ সাধারণ মানুষের মধ্যে এই দর্শনের ব্যাপক প্রচার ছিল। সাধারণ মানুষ ইহজাগতিক সুখ ও ভোগবাদে বিশ্বাসী বলে এই দর্শনকে লোকায়ত দর্শন বলা হয়। ​৪ . 'ভূচৈতন্যবাদ' বা 'দেহাত্মবাদ' বলতে কী বোঝায়? উত্তর: চার্বাক মতে, চৈতন্য হলো দেহের ধর্ম। ক্ষিতি, অপ, তেজ ও মরুৎ—এই চার ভূতের মিলনে দেহে চৈতন্যের উদয় ...

মিনাক্ষী মুখার্জী

•জনগণের দরবারে উদীয়মান বার্তাঃউত্তরপাড়ার উন্নয়ন ও বিকল্প রাজনীতির ডাক।      উত্তরপাড়া,২৩শে মার্চ ২০২৬- আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে উত্তরপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রটি এখন রাজ্য রাজনীতির অন্যতম আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু।এই কেন্দ্রে বিকল্প ও স্বচ্ছ রাজনীতির মুখ হিসেবে উঠে আসছেন লড়াকু নেত্রী মীনাক্ষী মুখার্জি। উত্তরপাড়ার কৃষ্টি, সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যকে রক্ষা করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন সমস্যার সমাধানে তাঁর উপস্থিতি এক নতুন আশার আলো দেখাচ্ছে। •কেন উত্তরপাড়ার জন্য মীনাক্ষী মুখার্জি অপরিহার্য?       • সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে মীনাক্ষী মুখার্জি আজ এক পরিচিত নাম। ডিওয়াইএফআই (DYFI)-এর রাজ্য সম্পাদিকা হিসেবে বেকারদের কর্মসংস্থান এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে তাঁর আপসহীন লড়াই উত্তরপাড়ার তরুণ প্রজন্মের কাছে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।        • উত্তরপাড়া-কোতরং এবং মাখলা অঞ্চলের নিকাশি ব্যবস্থা, যানজট এবং বন্ধ হয়ে যাওয়া কলকারখানাগুলোর পুনরুজ্জীবনে মীনাক্ষীর সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি কেবল গৎবাঁধা প্রতিশ্রুতিতে বিশ্বাসী নন, বরং নিচুতলার মানুষ...
 আপনার ছাত্রদের পরীক্ষার প্রস্তুতির কথা মাথায় রেখে, উপরের টপিকগুলোর ওপর ভিত্তি করে একটি মডেল প্রশ্নপত্র (Model Question Paper) নিচে সাজিয়ে দিলাম। এটি আপনি সরাসরি ক্লাসে বা আপনার চ্যানেলের জন্য ব্যবহার করতে পারেন। মাধ্যমিক ইতিহাস প্রস্তুতি: দ্বিতীয় ও তৃতীয় অধ্যায় সময়: ৪৫ মিনিট | পূর্ণমান: ২০ ১. সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো (MCQ): (1 \times 5 = 5) ১.১. 'ফরাজী' শব্দটি এসেছে আরবি 'ফরাজ' শব্দ থেকে, যার অর্থ হলো— (ক) ধর্মযুদ্ধ (খ) বাধ্যতামূলক কর্তব্য (গ) নবজাগরণ (ঘ) স্বাধীনতা। ১.২. নীল চাষ করার জন্য চাষীদের অগ্রিম অর্থ দেওয়াকে বলা হতো— (ক) আবওয়াব (খ) দাদন (গ) খাজন (ঘ) নজরানা। ১.৩. চুয়াড় বিদ্রোহের (১৭৯৯) অন্যতম নেত্রী ছিলেন— (ক) মাতঙ্গিনী হাজরা (খ) রানী শিরোমণি (গ) দেবী চৌধুরানী (ঘ) প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার। ১.৪. তিতুমীরের আসল নাম কী ছিল? (ক) দুদু মিঞা (খ) মীর নিসার আলী (গ) চেরাগ আলী (ঘ) লুৎফর রহমান। ১.৫. বাঁশের কেল্লা কোথায় নির্মিত হয়েছিল? (ক) বারাসাত (খ) নারকেলবেড়িয়া (গ) বাদুড়িয়া (ঘ) বসিরহাট। ২. অতি সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও (একটি বাক্যে): (1 \times 3 = 3) ২.১. কে ফরাজী আন্দোলনের প্রবর...

উপভাষা কাকে বলে? উপভাষার বৈশিষ্টগুলি লেখো। বাংলা ভাষায় উপভাষাগুলি কী কী?

উপভাষা কাকে বলে? উপভাষার বৈশিষ্টগুলি লেখো। বাংলা ভাষায় উপভাষাগুলি কী কী? (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় চতুর্থ সেমিস্টার বাংলা মেজর)।         •উপভাষার সংজ্ঞাঃ একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের অন্তর্গত মূল ভাষার যে আঞ্চলিক বৈচিত্র্য বা স্থানীয় রূপ লক্ষ করা যায়, তাকে উপভাষা বলে। ভৌগোলিক ব্যবধান, পরিবেশ এবং সামাজিক মেলামেশার পার্থক্যের কারণে একই ভাষার মধ্যে উচ্চারণ, শব্দভাণ্ডার এবং ব্যাকরণগত যে রূপভেদ তৈরি হয়, তা-ই উপভাষা।প্রখ্যাত ভাষাবিদ সুকুমার সেনের মতে— "একটি মূল ভাষার অন্তর্গত কয়েকটি আঞ্চলিক রূপকে উপভাষা বলা হয়।"       • উপভাষার প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহঃ উপভাষাকে চেনার জন্য বেশ কিছু সাধারণ বৈশিষ্ট্য লক্ষ করা যায়-  • ভৌগোলিক সীমারেখা: উপভাষা মূলত একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক অঞ্চলের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে।  • উচ্চারণভঙ্গি: অঞ্চলভেদে শব্দের উচ্চারণ ও সুরের পরিবর্তন ঘটে। যেমন— কোনো অঞ্চলে 'স' ধ্বনি 'হ'-এর মতো উচ্চারিত হয়।  • শব্দভাণ্ডার: একই বস্তুকে বোঝাতে ভিন্ন ভিন্ন উপভাষায় ভিন্ন ভিন্ন শব্দ ব্যবহৃত হয় (যেমন— কোথাও 'লবণ', কোথাও 'নুন')।   • ব্যাকরণগত ...