Skip to main content

Posts

বাংলায় বিজ্ঞান ও কারিগরি শিক্ষার বিকাশ কীভাবে হয়েছিল আলোচনা করো।পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ (WBBSE) দশম শ্রেণীর ইতিহাস পাঠ্যসূচির অন্তর্গত 'বিকল্প চিন্তা ও উদ্যোগ' অধ্যায়।        আলোচনা শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,ঊনবিংশ শতাব্দীতে বাংলায় প্রাতিষ্ঠানিক বিজ্ঞান ও কারিগরি শিক্ষার যে জোয়ার এসেছিল। আর এই জোয়ার এসেছিল কয়েকটি প্রধান প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে। সেখানে আমরা দেখি  ১. ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য কাল্টিভেশন অফ সায়েন্স (IACS-১৮৭৬ নামক প্রতিষ্ঠানটিকে। আসলে এটি ছিল ভারতে বিজ্ঞান চর্চার প্রথম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানসেই প্রতিষ্ঠাতা হলেন ডঃ মহেন্দ্রলাল সরকার।যার-  প্রধান উদ্দেশ্য ছিল-কোনো সরকারি সাহায্য ছাড়াই ভারতীয়দের মধ্যে মৌলিক বিজ্ঞান গবেষণা ও চর্চাকে জনপ্রিয় করা।তবে এখানে গবেষণা করেই স্যার সি. ভি. রমন ১৯৩০ সালে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন। ফাদার লাফঁ, জগদীশচন্দ্র বসু এবং প্রফুল্লচন্দ্র রায় এখানে যুক্ত ছিলেন।শুধু তাই নয়- ২. বেঙ্গল টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট BTI - ১৯০৬ এর ভূমিকা ছিল অবিস্মরণীয়। আসলে স্বদেশী আন্দোলনের সময় কারিগরি শিক্ষার প্রসারে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।আর ...
Recent posts
  পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (WBSU) চতুর্থ সেমিস্টার বাংলা মেজরের পাঠ্যসূচিতে অতুলচন্দ্র গুপ্তের 'কাব্য জিজ্ঞাসা' আপনার পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ সম্ভাব্য প্রশ্নাবলি নিচে আলোচনা করা হলো: ### ১. বড় প্রশ্ন (১০ বা ১৫ নম্বরের জন্য)  * **ধ্বন্যালোক ও ধ্বনিতত্ত্ব:** "কাব্যস্য আত্মা ধ্বনিঃ"— আনন্দবর্ধনের এই মতটি অতুলচন্দ্র গুপ্ত কীভাবে ব্যাখ্যা করেছেন? ধ্বনি কাব্যের আত্মা কেন, তা আলোচনা করো।  * **রসতত্ত্ব ও রসনিস্পত্তি:** ভরত মুনির রসসূত্রটি আলোচনা করে কাব্যে রসের গুরুত্ব ও আস্বাদন প্রক্রিয়া বুঝিয়ে লেখো।  * **কাব্যলক্ষণ:** কাব্যলক্ষণ বলতে কী বোঝায়? 'শব্দার্থৌ সহিতৌ কাব্যম্'— এই প্রসঙ্গের গুরুত্ব 'কাব্য জিজ্ঞাসা' গ্রন্থ অবলম্বনে আলোচনা করো।  * **গুণ ও অলঙ্কার:** কাব্যে গুণের স্থান কোথায় এবং অলঙ্কারের সঙ্গে গুণের পার্থক্য কী? লেখক এই বিষয়ে কী অভিমত ব্যক্ত করেছেন? ### ২. মাঝারি প্রশ্ন (৫ নম্বরের জন্য)  * **লক্ষণা ও ব্যঞ্জনা:** শব্দের ত্রিবিধ শক্তির (অভিধা, লক্ষণা, ব্যঞ্জনা) মধ্যে ব্যঞ্জনার শ্রেষ্ঠত্ব কোথায়?  * **রীতি ও রস:** কাব্যের রীতি বা...
        আলোচনা শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,বিজ্ঞানের জয়যাত্রার চেয়েও যে প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা করা বেশি জরুরি। আর সেটিই 'মেঘচোর' গল্পের মূল সুর।যেখানে  বিজ্ঞানী পুরন্দর চৌধুরীর দম্ভ এবং অসীমার পরিবেশ সচেতনতা-এই দুইয়ের সংঘাত।তবে প্রকৃতিকে নিজের স্বার্থে ব্যবহার করা যে 'চুরি'র সমান, সেই নৈতিক বার্তা আলোচক গল্পটিতে তুলে ধরা হয়েছে। আর সেখানে আমরা দেখি-           পুরন্দর চৌধুরী মেঘকে নিজের ইচ্ছামতো চালনা করতে পারতেন।শুধু তাই নয়,তিনি মনে করতেন বিজ্ঞান দিয়ে প্রকৃতিকে পদানত করা সম্ভব। তিনি অলোকাকে উদ্দেশ্য করে বলেছিলেন: "মেঘ চুরি করা কী বলছিস? মেঘ কি কারও ব্যক্তিগত সম্পত্তি? আমি মেঘকে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিয়ে যাব, এতে চুরির কী আছে?"* >  **২. পরিবেশের ভারসাম্য ও অলোকার প্রতিবাদ:** অলোকা বুঝতে পেরেছিল যে, এক দেশের মেঘ অন্য দেশে নিয়ে যাওয়া মানে সেই দেশের মানুষের জল কেড়ে নেওয়া এবং প্রাকৃতিক বিপর্যয় ডেকে আনা। সে সরাসরি প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছিল: > *"পৃথিবীর এক জায়গার জল অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়া মানেই তো প্রকৃতির নিয়ম ভাঙা। সাহারা মরুভূমি...
 কামিনী রায়ের স্মৃতিচিহ্ন কবিতার মূল সপ্তম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ের জনপ্রিয় কবিতা **'স্মৃতিচিহ্ন'**, যা কবি **কামিনী রায়ে**র 'নির্মাল্য' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। নিচে কবিতাটির মূল বিষয়বস্তু সহজভাবে আলোচনা করা হলো: ### **মূল বিষয়বস্তু** কবিতাটির মূল সুর হলো **নশ্বরতা ও অমরত্বের পার্থক্য**। পৃথিবীতে একদল মানুষ আছেন যারা বিত্তবান ও শক্তিশালী। তারা নিজেদের নাম চিরস্থায়ী করার জন্য বড় বড় অট্টালিকা বা স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করেন। তারা মনে করেন, পাথরের এই কাঠামো তাদের নামকে মহাকালের হাত থেকে রক্ষা করবে। কিন্তু সময়ের অমোঘ নিয়মে সেইসব দামি ইমারত ধুলোয় মিশে যায়। যারা কেবল নিজেদের স্বার্থে বা অহংকারে পাথর দিয়ে নাম লিখে রাখতে চেয়েছিলেন, কালক্রমে মানুষ তাদের ভুলে যায়। তাদের তৈরি সেই ইষ্টকস্তূপ আজ ভগ্নদশা আর শ্যাওলায় ঢাকা পড়ে আছে। অন্যদিকে, যারা মানুষের কল্যাণে কাজ করেন এবং পরার্থপর (পরের ভালো করেন), তাদের নাম কোনো পাথরে খোদাই করার প্রয়োজন হয় না। তারা তাদের ভালোবাসা এবং সেবার মাধ্যমে মানুষের হৃদয়ে চিরস্থায়ী আসন লাভ করেন। কবির মতে, মানুষের হৃদয়ে যে স্মৃতি স্তম্ভ তৈরি হয়, তা অটুট থাকে এবং কখনও ...

ব্যক্তিত্বের সংলক্ষণ (Personality Traits) কীভাবে একজন ব্যক্তির সঙ্গতিবিধান প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করে তা বিস্তারিত আলোচনা করো।

ব্যক্তিত্বের সংলক্ষণ (Personality Traits) কীভাবে একজন ব্যক্তির সঙ্গতিবিধান প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করে তা বিস্তারিত আলোচনা করো।West Bengal State University Six Semester Education Minor         ব্যক্তিত্ব হলো একজন ব্যক্তির শারীরিক ও মানসিক বৈশিষ্ট্যের এক অনন্য সমন্বয়। মনোবিদ অলপোর্টের মতে, ব্যক্তিত্বের সংলক্ষণ (Personality Traits) হলো সেই সব মানসিক গঠন যা ব্যক্তিকে বিভিন্ন পরিস্থিতিতে একইভাবে প্রতিক্রিয়া জানাতে সাহায্য করে। অন্যদিকে, সঙ্গতিবিধান (Adjustment) হলো একটি নিরন্তর প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে ব্যক্তি তার পরিবেশের সাথে ভারসাম্য রক্ষা করে। ব্যক্তিত্বের সংলক্ষণগুলি এই ভারসাম্য রক্ষার কৌশলকে সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করে।আর সেখানে- ১. ব্যক্তিত্বের সংলক্ষণের ধরণ ও সঙ্গতিবিধানের ওপর প্রভাব       মনোবিদ্যায় ব্যক্তিত্বের সংলক্ষণগুলিকে প্রধানত 'Big Five Model' বা পঞ্চ-উপাদান মডেলের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করা হয়, যা সঙ্গতিবিধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আর সেই ভূমিকা হলো-  •বহির্মুখিতাঃযে সকল ব্যক্তি মিশুক এবং সাহসী হন, তারা সামাজিক পরিস্থিতিতে খুব দ্রুত মানিয়ে ...

বাংলায় ছাপাখানার বিকাশ কিভাবে হয়েছিল আলোচনা করো।

বাংলায় ছাপাখানার বিকাশ কিভাবে হয়েছিল আলোচনা করো।পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ, দশম শ্রেণীর দ্বিতীয় সেমিস্টার ইতিহাস।           আলোচনা শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষভাগে বাংলায় মুদ্রণ যন্ত্র বা ছাপাখানার আগমনের ফলে শিক্ষা ও সংস্কৃতির জগতে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আসে।যার ফলে হাতে লেখা পুঁথির বদলে ছাপা বইয়ের ব্যবহার জ্ঞানচর্চাকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়।তবে-        বাংলায় মুদ্রণ শিল্পের সূচনা হয় ইউরোপীয়দের হাত ধরে। ১৭৮০ সালে জেমস অগাস্টাস হিকি  কলকাতা থেকে ভারতের প্রথম সংবাদপত্র ' বেঙ্গল গেজেট 'প্রকাশ করেন। যদিও এটি ইংরেজি ছিল, কিন্তু এটিই বাংলায় ছাপাখানার ভিত্তি স্থাপন করে। আর সেখানে-      বাংলা হরফ বা টাইপ তৈরির ক্ষেত্রে চার্লস উইলকিন্স -এর নাম অগ্রগণ্য। তাঁকে ' বাংলার গুটেনবার্গ বলা হয়। তাঁর নির্দেশনায় বাঙালি শিল্পী পঞ্চানন কর্মকার  প্রথম সচল ও মার্জিত বাংলা হরফ তৈরি করেন। ১৭৭৮ সালে নাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড-এর লেখা ' এ গ্রামার অফ দ্য বেঙ্গল ল্যাঙ্গুয়েজ'( A Grammar of the Bengal Langua...
 কথা সাহিত্যের রূপভেদ থেকে পরীক্ষায় মূলত দুই ধরণের প্রশ্ন আসে— **তত্ত্বীয় বা সংজ্ঞামূলক** এবং **বিভাগীয় বা বৈশিষ্ট্যমূলক**। স্নাতক (Major/Minor) বা উচ্চমাধ্যমিক স্তরের পরীক্ষার কথা মাথায় রেখে সম্ভাব্য প্রশ্নের ধরণগুলো নিচে দেওয়া হলো: ## ১. বড় প্রশ্ন (১০ বা ১৫ নম্বরের জন্য) এই বিভাগে সাধারণত কোনো একটি বিশেষ রূপভেদের সংজ্ঞা, বৈশিষ্ট্য এবং উদাহরণসহ সার্থকতা বিচার করতে দেওয়া হয়।  * **উপন্যাস ও রোমান্স:** উপন্যাস ও রোমান্সের সংজ্ঞা দাও। এদের মধ্যকার পার্থক্যগুলো আলোচনা করো।  * **ঐতিহাসিক উপন্যাস:** ঐতিহাসিক উপন্যাসের বৈশিষ্ট্যগুলি কী কী? বঙ্কিমচন্দ্রের যেকোনো একটি উপন্যাসকে আদর্শ ঐতিহাসিক উপন্যাস বলা যায় কি না, তা আলোচনা করো।  * **আঞ্চলিক উপন্যাস:** আঞ্চলিক উপন্যাসের সংজ্ঞা দাও। বাংলা সাহিত্যে আঞ্চলিক উপন্যাসের সার্থকতা বিচার করো (যেমন: 'পদ্মানদীর মাঝি' বা 'হাসুলিবাঁকের উপকথা'র নিরিখে)।  * **মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস:** মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসের প্রধান লক্ষণগুলো লেখো। রবীন্দ্রনাথের 'চোখের বালি' বা 'চতুরঙ্গ' অবলম্বনে এই শ্রেণীর উপন্যাসের সার্থকতা বিচার করো।  * ...