চায়ের ধোঁয়া।। উৎপল দত্তের 'চায়ের ধোঁয়া' গ্রন্থ/প্রবন্ধের নাট্যভাবনা, প্রেক্ষাপট ও মূল বিষয়বস্তু। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় বাংলা মাইনর, সপ্তম সেমিস্টার, BNGSMC701T, (SM1). উৎপল দত্তের নাট্যভাবনা ‘চায়ের ধোঁয়া’ আলোচনায় আমরা প্রথমেই বলে রাখি যে,বাংলা গণনাট্য আন্দোলন এবং রাজনৈতিক থিয়েটারের অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব উৎপল দত্ত। তাঁর নাট্যচিন্তা ও প্রবন্ধ সংকলন 'চায়ের ধোঁয়া' (প্রথম প্রকাশ: ১৯৬০) থিয়েটার বিষয়ক তাঁর শাণিত পর্যবেক্ষণ ও মার্কসবাদী নাট্যবীক্ষার এক অমূল্য দলিল।আসলে- উৎপল দত্তের নাট্যভাবনার পটভূমিতে রয়েছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-উত্তর বাংলার সামাজিক-রাজনৈতিক অস্থিরতা, তেভাগা ও শোষিত মানুষের সংগ্রাম এবং মধ্যবিত্তের ভণ্ডামি। তথাকথিত বুর্জোয়া বা আভিজাত্যনির্ভর অপেশাদার আড্ডার নাট্যচর্চাকে তীব্র আক্রমণ করে জনগণের রাজনৈতিক অধিকার সচেতনতা বাড়ানোর উদ্দেশ্যেই তাঁর এই রচনা। ‘চায়ের ধোঁয়া’ নামকরণের তাৎপর্য ও রূপক হিসেবে আমরা দেখতে পাই,'চায়ের ধোঁয়া' কথাটির মধ্যে উৎপল দত্ত মধ্যবিত্ত বুদ্ধিজীবীদের অন্তঃস...
শিক্ষার লক্ষ্যের প্রয়োজনীয়তা আলোচনা করো।পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্র বিশ্ববিদ্যালয় এডুকেশন প্রথম সেমিস্টার মাইনর/কোর। আমরা জানি যে,শিক্ষার লক্ষ্য থাকা একটি সুনির্দিষ্ট ও অর্থপূর্ণ জীবন গড়ার জন্য অত্যন্ত জরুরি। লক্ষহীন শিক্ষা কান্ডারীহীন নৌকার মতো, যা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে বিপথে পরিচালিত হতে পারে।আসলে শিক্ষার নির্দিষ্ট লক্ষ্য মানুষের অন্তর্নিহিত সম্ভাবনার বিকাশ ঘটাতে এবং ব্যক্তিকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সঠিক দিকনির্দেশ দেয়। উপযুক্ত শিক্ষার লক্ষ্য শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং পাঠক্রম প্রণয়নকারীদের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট পথরেখা তৈরি করে; যা ব্যক্তিসত্তার সর্বাঙ্গীণ বিকাশ, নৈতিক চেতনা বৃদ্ধি এবং সামাজিক উন্নতির সঠিক মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। সংক্ষেপে বলা যায়, শিক্ষাকে অর্থবহ, সুশৃঙ্খল ও ফলপ্রসূ করে তোলার জন্যই সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। আর সেখানে-শিক্ষার লক্ষ্য থাকার প্রয়োজনীয়তা হলো- ১)দিক-নির্দেশনা প্রদানঃ শিক্ষার লক্ষ্য শিক্ষার্থী ও শিক্ষক উভয়কেই সঠিক পথের দিশা দেখায়। উপযুক্ত লক্ষ্য না থাকলে শিক্ষাদান ও শিখন প্রক্রিয়া নিরর্থক হয...