Skip to main content

Posts

গৃহদাহ উপন্যাসের প্রশ্নাবলী।

গৃহদাহ উপন্যাসের প্রশ্নাবলী। ​১. চরিত্র বিশ্লেষণ ••​'গৃহদাহ' উপন্যাসের কেন্দ্রীয় নারী চরিত্র হিসেবে অচলার অন্তর্দ্বন্দ্ব ও ট্র্যাজেডি আলোচনা করো। ••• বা বিমলা।গৃহদাহ' উপন্যাসে বিমলা চরিত্রটি অচলার চরিত্রের বৈপরীত্য ফুটিয়ে তুলতে কতখানি সহায়ক হয়েছে? ​••সুরেশ ও মহিম—এই দুই বিপরীতমুখী চরিত্রের তুলনামূলক আলোচনা করে উপন্যাসের কাহিনি বিন্যাসে তাদের ভূমিকা নিরূপণ করো। ​••সুরেশ চরিত্রটির খলনায়ক নাকি পরিস্থিতির শিকার? উপন্যাসের আধারে বুঝিয়ে দাও। ​•মৃণাল চরিত্রটির সার্থকতা বিচার করো। অচলার বিপরীতে মৃণাল চরিত্রটি কতটা উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে? ​২. বিষয়বস্তু ও নামকরণ ​•••উপন্যাস হিসেবে 'গৃহদাহ'-এর সার্থকতা বিচার করো।/ মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস হিসেবে গৃহদাহ উপন্যাস। ​•'গৃহদাহ' উপন্যাসের নামকরণ কতটা যুক্তিযুক্ত বা সার্থক হয়েছে তা আলোচনা করো। ​••• অচলার মানসিক দোলাচল এবং সমাজ ও ব্যক্তির সংঘাত এই উপন্যাসে কীভাবে ফুটে উঠেছে? ​৩. সমাজচিত্র ও সম্পর্ক: ​•তৎকালীন হিন্দু ও ব্রাহ্ম সমাজের দ্বন্দ্ব 'গৃহদাহ' উপন্যাসে কীভাবে প্রতিফলিত হয়েছে? ​••"গৃহদাহ কেবল গৃহের দাহ নয়, অন্তরেরও দ...
Recent posts
. অভিবাদন ও পরিচিতি: " নমস্কার, আপনাদের সকলকে স্বাগত জানাই আমার ইউটিউব চ্যানেল 'শেষের কবিতার সুন্দরবন'-এ। আশা করি আমার প্রিয় ছাত্রছাত্রীরা তোমরা সবাই খুব ভালো আছো। সামনেই তোমাদের দ্বিতীয় পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন অর্থাৎ সেকেন্ড সামেটিভ পরীক্ষা। তাই তোমাদের ভূগোলের প্রস্তুতিকে আরও মজবুত করতে আজ আমি নিয়ে এসেছি ২০২৫ সালের জন্য একটি বিশেষ ভূগোল সাজেশন।" ​২. ভিডিওর গুরুত্ব (Hook): "আজকের এই ভিডিওতে আমরা মূলত বায়ুমণ্ডল, বারিমণ্ডল এবং ভারতের অর্থনৈতিক পরিবেশ থেকে এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন আলোচনা করব, যা বিগত বছরগুলোর পর্ষদের প্রশ্নপত্রের ধারা বিশ্লেষণ করে তৈরি করা হয়েছে। শুধু বড় প্রশ্নই নয়, ভিডিওর শেষে থাকছে বিশেষ কিছু ম্যাপ পয়েন্ট আউট, যা তোমাদের পরীক্ষার খাতায় পুরো নম্বর পেতে সাহায্য করবে।" ​৩. মূল পর্বে প্রবেশের আগে: "তাই ভিডিওটি না টেনে একদম শেষ পর্যন্ত দেখো এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলো খাতায় লিখে নাও। যারা এই চ্যানেলে নতুন, তারা অবশ্যই চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে রেখো শিক্ষা সংক্রান্ত এমন আরও আপডেট পাওয়ার জন্য। চলো, তাহলে আজকের মূল আলোচনা শুরু করা যাক।...

পদ্মা নদীর মাঝি উপন্যাসে কুবের ও কপিলা—এই দুই চরিত্রের জটিল মনস্তাত্ত্বিক সম্পর্কটি বিশ্লেষণ করো।

পদ্মা নদীর মাঝি উপন্যাসে কুবের ও কপিলা—এই দুই চরিত্রের জটিল মনস্তাত্ত্বিক সম্পর্কটি বিশ্লেষণ করো। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, ষষ্ঠ সেমিস্টার বাংলা মেজর।         আলোচনা শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'পদ্মানদীর মাঝি' উপন্যাসে কুবের ও কপিলার সম্পর্ক কেবল দেহজ আকর্ষণ নয়, বরং এটি সমাজতত্ত্ব এবং ফ্রয়েডীয় মনস্তত্ত্বের এক চমৎকার মিশ্রণ। পদ্মার ঢেউয়ের মতো চঞ্চল আর রহস্যময় এই সম্পর্ক। আর এই নিরিখে তাদের সম্পর্কের মধ্যে আমরা দেখতে পাই-             পদ্মা নদী মাঝি উপন্যাসে কুবের এবং কপিলা চরিত্রের মধ্যে আছে অবদমিত বাসনা ও ফ্রয়েডীয় তত্ত্ব। আসলেকুবেরের জীবনে তার স্ত্রী মালা হলো স্থিরতা ও কর্তব্যের প্রতীক। কিন্তু মালা পঙ্গু হওয়ার কারণে কুবেরের দাম্পত্য জীবনে এক ধরণের অপূর্ণতা কাজ করত। এই অবদমিত বাসনার প্রতিফলন ঘটে শ্যালিকা কপিলার প্রতি আকর্ষণে। কপিলা সেই প্রাণশক্তির প্রতীক, যা কুবেরের ধূসর জীবনে বৈচিত্র্য আনে। কুবের যখন কপিলার দিকে তাকায়, তখন সে কেবল এক নারীকে দেখে না, বরং সে নিজের না পাওয়া আকাঙ্ক্ষাগুলোকে খু...

সুকুমার রায়ের ‘নোটবুক' কবিতার মূল বিষয়বস্তু আলোচনা করো।

সুকুমার রায়ের ‘নোটবুক' কবিতার মূল বিষয়বস্তু আলোচনা করো। পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ সপ্তম, শ্রেণী দ্বিতীয় সেমিস্টার বাংলা।       সুকুমার রায়ের ‘নোটবুক’ কবিতাটি মূলত একটি কৌতূহলোদ্দীপক এবং হাস্যরসাত্মক কবিতা।​‘নোটবুক’ কবিতার প্রধান চরিত্র হলো একটি শিশু (বা একজন কৌতূহলী মানুষ), যার হাতে সবসময় একটি নোটবুক থাকে। সে তার চারপাশের জগতের তুচ্ছাতিতুচ্ছ বিষয় নিয়ে প্রচণ্ড কৌতূহলী। যখনই সে নতুন কোনো তথ্য পায় বা তার মনে কোনো অদ্ভুত প্রশ্ন জাগে, তখনই সে সেটি তার নোটবুকে লিখে রাখে। ​        কবিতাটির মূল সুর হলো অহেতুক কৌতূহল এবং অসংলগ্ন তথ্যের সংকলন। লেখক এখানে দেখিয়েছেন যে, অনেক সময় আমরা গুরুত্বহীন বিষয় নিয়ে মাথা ঘামাই, অথচ সেগুলোর বৈজ্ঞানিক বা যুক্তিনির্ভর কারণ না খুঁজে কেবল সেগুলোকে সংগ্রহ করতেই ব্যস্ত থাকি। আর সেখানে আমরা দেখি- ​        তুচ্ছ বিষয়ে মনোযোগ হিসেবে নোটবুকের মালিক ফড়িংয়ের ক’টি পা কিংবা আরশোলা কী খায়, তা জানার জন্য ছটফট করে। তার কাছে এসব তথ্য অত্যন্ত মূল্যবান।আবার- ​      বিচিত্র সব প্রশ্নে দেখা যায় কামড়ালে কেন আঙ...

মহাকাব্য এবং গীতিকাব্যের প্রকারভেদ আলোচনা কর।

মহাকাব্য এবং গীতিকাব্যের প্রকারভেদ আলোচনা কর। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় চতুর্থ সেমিস্টার বাংলা মেজর।       মহাকাব্যঃ মহাকাব্য হলো একটি দীর্ঘ বর্ণনাধর্মী কাব্য যেখানে কোনো দেবতা বা অসাধারণ গুণসম্পন্ন বীরের জীবনকথা, যুদ্ধ এবং মহৎ কোনো উদ্দেশ্য বর্ণিত হয়। প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য অলঙ্কার শাস্ত্র অনুযায়ী মহাকাব্যকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা হয়। আর সেই ভাগ গুলি হলো- ​     ক ) জাত মহাকাব্যঃ এই ধরনের মহাকাব্য কোনো একক কবির সৃষ্টি নয়, বরং যুগের পর যুগ ধরে চলে আসা জনশ্রুতি, লোকগাথা এবং বীরত্বগাথা কোনো এক সময় সংকলিত হয়ে মহাকাব্যের রূপ নেয়। এটি একটি জাতির বিকাশমান সময়ের কাহিন। উদাহরণ হিসেবে বলতে পারি- বাল্মিকী রামায়ণ,  ব্যাসদেবের মহাভারত,হোমারের ইলিয়াড ওডিসি।      ​খ) সাহিত্যিক মহাকাব্যঃ যখন কোনো একক কবি সচেতনভাবে নির্দিষ্ট অলঙ্কার শাস্ত্র বা মহাকাব্যের নিয়ম মেনে কোনো ধ্রুপদী কাহিনী অবলম্বন করে মহাকাব্য রচনা করেন, তাকে সাহিত্যিক মহাকাব্য বলে। উদাহরণ: মাইকেল মধুসূদন দত্তের মেঘনাদবধ কাব্য , মিল্টনের প্যারাডাইস লস্ট (Paradise Lost), কালিদাস...

গীতিকাব্য কাকে বলে এবং তার বৈশিষ্ট্য কী কী, একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয় দাও।

গীতিকাব্য কাকে বলে এবং তার বৈশিষ্ট্য কী কী, একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয় দাও। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় চতুর্থ সেমিস্টার বাংলা মেজর।       • গীতিকাব্যঃ  গীতিকাব্য হলো সাহিত্যের একটি বিশেষ রূপ, যেখানে কবির ব্যক্তিগত আবেগ, অনুভূতি, সুখ-দুঃখ এবং অন্তরের ভাবনা প্রকাশ পায়। এটি সাধারণত একটি সংক্ষিপ্ত কবিতা বা গান যা লেখকের হৃদয়ভাবকে সরাসরি তুলে ধরে।যেখানে-প্রাচীন গ্রিসে 'গীতিকাব্য' শব্দটি উদ্ভূত হয়েছিল, যেখানে 'লিরিক' শব্দটি এসেছে 'লাইর' নামক বাদ্যযন্ত্র থেকে। অর্থাৎ, এই ধরনের কবিতা সুর সহযোগে আবৃত্তি করা হতো।মোটকথা-             গীতিকাব্য হলো এক ধরনের কবিতা, যার মধ্যে দিয়ে ব্যক্তির আবেগ, অনুভূতি এবং অভিজ্ঞতাগুলিকে ছন্দ ওর সংগীতের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। তবে এখানে কবিতাগুলি খুবই ছোট আকারের হয়, আর সেখানে কবির ব্যক্তিগত অনুভূতির গভীরতা ও আন্তরিকতা প্রকাশ পায়। আর এই প্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি গীতি কবিতার সংকলন হলো গীতিকাব্য।     • গীতিকাব্যের বৈশিষ্ট্যঃ       ১. ব্যক্তিগত অনুভূতি ও আবেগ প্রকাশ: এটি গীতিকা...
  স্বামী বিবেকানন্দ মেরিট-কাম-মিনস স্কলারশিপ (SVMCM) নিয়ে একটি সুন্দর প্রতিবেদন তৈরির খসড়া এবং বর্তমান আপডেটগুলো নিচে দেওয়া হলো: ### ** স্বামী বিবেকানন্দ স্কলারশিপের বর্তমান আপডেট (এপ্রিল ২০২৬)**  * **আবেদনের সময়সীমা বৃদ্ধি:** ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের জন্য ফ্রেশ (নতুন) এবং রিনিউয়াল আবেদনের শেষ তারিখ বাড়িয়ে **৩১ মে, ২০২৬** পর্যন্ত করা হয়েছে।  * ** টাকা ঢোকার বর্তমান পরিস্থিতি :** বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের (এপ্রিল-মে ২০২৬) কারণে নির্বাচনী আচরণবিধি বা 'Model Code of Conduct' কার্যকর রয়েছে। এই কারণে যাদের স্ট্যাটাস 'Sanctioned' দেখাচ্ছে, তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকার প্রক্রিয়া আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। ৪ জুন ২০২৬-এ ফলাফল ঘোষণার পর পুনরায় টাকা পাঠানো শুরু হতে পারে।  * ** রিভার্সাল স্ট্যাটাস :** কিছু ছাত্রছাত্রীর স্ট্যাটাস 'Sanctioned' থেকে 'Approved' হয়ে গেছে (যাকে রিভার্স বলা হচ্ছে)। ফান্ড আসার সাথে সাথে এগুলি আবার ঠিক হয়ে যাবে, চিন্তার কারণ নেই।  * ** হার্ড কপি জমা:* * অনেক কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় (যেমন বিশ্বভারতী বা SVIST) এপ্রিল ও মে মাসের মধ্যে হার্...