সমাজতত্ত্বের ব্যবহারিক গুরুত্ব (Practical Importance of Sociology) আলোচনা করো। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম সেমিস্টার সমাজবিদ্যা মাইনর। আলোচনা শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে, মানব সমাজের এক সামগ্রিক চিত্র পাওয়ার জন্য একটি সাধারণ শাস্ত্রের প্রয়োজনীয়তা আছে। যেখানে এই সামগ্রিক ও সাধারণ স্বাস্থ্যটি প্রধান কাজ হবে অন্যান্য সামাজিক বিজ্ঞানের আলোচনা ও ফলাফলকে একত্রিত বা সমন্বিত করা। আর সমাজবিজ্ঞান হলো সেই সাধারণ শাস্ত্র, যা সামাজিক জীবনের পুঙ্খানুপুঙ্খ দিকগুলি এবং তার প্রাসঙ্গিক নিয়মনীতিগুলি সম্পর্কে অনুসন্ধান করে এবং বিশেষ সমাজবিজ্ঞানগুলির মধ্যে সংহতি বা সমন্বয় সাধন করে। আর এই দৃষ্টিভঙ্গিকে সামনে রেখে সমাজতত্ত্বের যে ব্যবহারিক গুরুত্ব গুলি আমরা পাই সেগুলি হলো - ১) অধ্যাপক হবহাউস তার 'সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ' নামক গ্রন্থে বলেন যে- সমাজতত্ত্ব অন্যান্য সমাজবিজ্ঞানের অন্তর্ভুক্ত নানা বিষয় বা মানবিক বিদ্যাচর্চার ক্ষেত্রে সহায়ক উপাদান সংগ্রহ করে দেয়।এমনও দেখা গেছে যে, সমাজবিজ্ঞানের বিশেষীকৃত একটি শাখা যখন কোনো বিষয় বা তত্ত্ব বিশ্লেষণ করার ক্ষেত...
বৈশেষিক দর্শনে কয়টি পদার্থ স্বীকার করে সেই পদার্থের ক্রমটি সাজাও এবং এই ক্রমটির কারণ কী? কেন করা হয়েছে? বৈশেষিক দর্শনে জগত ও জীবনের সমস্ত জ্ঞেয় (যা জানা যায়) ও অভিধেয় (যার নাম দেওয়া যায়) বিষয়কে **‘পদার্থ’** বলা হয়। মহর্ষি কণাদ রচিত *‘বৈশেষিক সূত্র’* অনুসারে বৈশেষিক দর্শনে **৬টি মূল পদার্থ** (ভাব পদার্থ) স্বীকার করা হয়েছে। পরবর্তীতে আচার্য প্রশস্তপাদ ও নব্য বৈশেষিকগণ এর সাথে **‘অভাব’** নামক পদার্থ যুক্ত করেন। সুতরাং, বৈশেষিক দর্শনে মোট **৭টি পদার্থ** স্বীকার করা হয়। ### পদার্থের সঠিক ক্রম বৈশেষিক দর্শন অনুসারে ৭টি পদার্থের ক্রম হলো: 1. **দ্রব্য** (Substance) 2. **গুণ** (Quality) 3. **কর্ম** (Action) 4. **সামান্য** (Generality / Universality) 5. **বিশেষ** (Particularity / Individuality) 6. **সমবায়** (Inherence) 7. **অভাব** (Non-existence) ### এই নির্দিষ্ট ক্রমটির কারণ ও যুক্তি বৈশেষিক দর্শনে পদার্থের এই ক্রমটি কেবল এলোমেলো নয়; এর পেছনে রয়েছে গভীর যৌক্তিক, কার্যকারণগত এবং সত্তাতাত্ত্বিক (Ontological) কারণ। নিচে এই ক্রমটির যৌক্ত...