শব্দার্থ পরিবর্তনের যেকোনো দুটি ধারা সম্পর্কে উদাহরণসহ আলোচনা করো। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের, (WBSU) চতুর্থ সেমিস্টার, বাংলা মেজর। •শব্দার্থ পরিবর্তনের ধারাঃঅর্থসংকোচ ও অর্থবিস্তার• •ভাষাবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে ভাষার বিবর্তনের সাথে সাথে শব্দের অর্থের পরিবর্তন একটি স্বাভাবিক ও নিরন্তর প্রক্রিয়া। একেই 'শব্দার্থ পরিবর্তনের ধারা' বলা হয়। সময়ের সাথে সাথে কোনো শব্দের আদি অর্থ পরিবর্তিত হয়ে নতুন অর্থ গ্রহণ করা বা অর্থের পরিধি সংকুচিত-প্রসারিত হওয়াকে শব্দার্থ পরিবর্তনের ধারা বলে। • ভাষার বিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে শব্দের অর্থ স্থির থাকে না। কালক্রমে শব্দের অর্থের পরিবর্তন ঘটে। এই পরিবর্তনের পেছনে ঐতিহাসিক, সমাজতাত্ত্বিক ও মনস্তাত্ত্বিক কারণ থাকে। শব্দার্থ পরিবর্তনের প্রধান দুটি ধারা হলো- অর্থসংকোচ এবং অর্থবিস্তার। ১. অর্থসংকোচঃ যখন কোনো শব্দ তার ব্যাপক বা সাধারণ অর্থ পরিত্যাগ করে একটি বিশেষ বা সংকীর্ণ অর্থে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে, তখন তাকে অর্থসংকোচ বলা হয়। অর্থাৎ, আগে শব্দটি যে বিশাল ক্ষেত্র জুড়ে ব্যবহৃত হতো, কাল...
কামরূপী বা কামরূপি অসমীয়া হলো অসমীয়া ভাষার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রাচীন উপভাষা। ভৌগোলিক ও ভাষাতাত্ত্বিক দিক থেকে এটি অসমের পশ্চিমাঞ্চলে প্রচলিত। নিচে কামরূপী উপভাষার অঞ্চল ও বৈশিষ্ট্যসমূহ আলোচনা করা হলো: কামরূপী উপভাষার সবচেয়ে সমৃদ্ধ এবং জীবন্ত নিদর্শন পাওয়া যায় নিম্ন অসমের লোকসংস্কৃতিতে: আইনাম (Ainaam): বসন্ত বা গুটিবসন্ত রোগের সময় শান্তিনির্ভর যে স্তুতিমূলক গান গাওয়া হয়, তা মূলত কামরূপী ভাষার সুরে ও শব্দভাণ্ডারে সমৃদ্ধ। বিয়া নাম (Biya Naam): বিয়ের অনুষ্ঠানে মহিলারা যে গানগুলো গান, তার অধিকাংশতেই কামরূপী আঞ্চলিক ভাষার স্পষ্ট ছাপ থাকে। এই গানগুলোতে স্থানীয় উপভাষার মাধুর্য ও বাগধারা ফুটে ওঠে। ### ১. প্রচলিত অঞ্চল কামরূপী উপভাষা প্রধানত অসমের নিম্ন অসম (Lower Assam) অঞ্চলে প্রচলিত। এর বিস্তার মূলত নিম্নোক্ত জেলাগুলোতে দেখা যায়: * **কামরূপ (গ্রামীণ ও মেট্রোপলিটন)** * **বরপেটা** * **নলবাড়ি** * **বঙাইগাঁও** * **দরং** জেলার পশ্চিমাংশ। ### ২. ভাষাতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য ও নিদর্শন কামরূপী উপভাষার কিছু স্বতন্ত্র ভাষাতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা একে মা...