সুকুমার রায়ের ‘নোটবুক' কবিতার মূল বিষয়বস্তু আলোচনা করো। পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ সপ্তম, শ্রেণী দ্বিতীয় সেমিস্টার বাংলা। সুকুমার রায়ের ‘নোটবুক’ কবিতাটি মূলত একটি কৌতূহলোদ্দীপক এবং হাস্যরসাত্মক কবিতা।‘নোটবুক’ কবিতার প্রধান চরিত্র হলো একটি শিশু (বা একজন কৌতূহলী মানুষ), যার হাতে সবসময় একটি নোটবুক থাকে। সে তার চারপাশের জগতের তুচ্ছাতিতুচ্ছ বিষয় নিয়ে প্রচণ্ড কৌতূহলী। যখনই সে নতুন কোনো তথ্য পায় বা তার মনে কোনো অদ্ভুত প্রশ্ন জাগে, তখনই সে সেটি তার নোটবুকে লিখে রাখে। কবিতাটির মূল সুর হলো অহেতুক কৌতূহল এবং অসংলগ্ন তথ্যের সংকলন। লেখক এখানে দেখিয়েছেন যে, অনেক সময় আমরা গুরুত্বহীন বিষয় নিয়ে মাথা ঘামাই, অথচ সেগুলোর বৈজ্ঞানিক বা যুক্তিনির্ভর কারণ না খুঁজে কেবল সেগুলোকে সংগ্রহ করতেই ব্যস্ত থাকি। আর সেখানে আমরা দেখি- তুচ্ছ বিষয়ে মনোযোগ হিসেবে নোটবুকের মালিক ফড়িংয়ের ক’টি পা কিংবা আরশোলা কী খায়, তা জানার জন্য ছটফট করে। তার কাছে এসব তথ্য অত্যন্ত মূল্যবান।আবার- বিচিত্র সব প্রশ্নে দেখা যায় কামড়ালে কেন আঙ...
মহাকাব্য এবং গীতিকাব্যের প্রকারভেদ আলোচনা কর। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় চতুর্থ সেমিস্টার বাংলা মেজর। মহাকাব্যঃ মহাকাব্য হলো একটি দীর্ঘ বর্ণনাধর্মী কাব্য যেখানে কোনো দেবতা বা অসাধারণ গুণসম্পন্ন বীরের জীবনকথা, যুদ্ধ এবং মহৎ কোনো উদ্দেশ্য বর্ণিত হয়। প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য অলঙ্কার শাস্ত্র অনুযায়ী মহাকাব্যকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা হয়। আর সেই ভাগ গুলি হলো- ক ) জাত মহাকাব্যঃ এই ধরনের মহাকাব্য কোনো একক কবির সৃষ্টি নয়, বরং যুগের পর যুগ ধরে চলে আসা জনশ্রুতি, লোকগাথা এবং বীরত্বগাথা কোনো এক সময় সংকলিত হয়ে মহাকাব্যের রূপ নেয়। এটি একটি জাতির বিকাশমান সময়ের কাহিন। উদাহরণ হিসেবে বলতে পারি- বাল্মিকী রামায়ণ, ব্যাসদেবের মহাভারত,হোমারের ইলিয়াড ওডিসি। খ) সাহিত্যিক মহাকাব্যঃ যখন কোনো একক কবি সচেতনভাবে নির্দিষ্ট অলঙ্কার শাস্ত্র বা মহাকাব্যের নিয়ম মেনে কোনো ধ্রুপদী কাহিনী অবলম্বন করে মহাকাব্য রচনা করেন, তাকে সাহিত্যিক মহাকাব্য বলে। উদাহরণ: মাইকেল মধুসূদন দত্তের মেঘনাদবধ কাব্য , মিল্টনের প্যারাডাইস লস্ট (Paradise Lost), কালিদাস...