সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা হলো **প্রবন্ধ**। সাধারণভাবে কোনো নির্দিষ্ট বিষয়বস্তুকে কেন্দ্র করে তথ্য, যুক্তি এবং বুদ্ধিনির্ভর যে গদ্য রচনা লেখা হয়, তাকেই প্রবন্ধ বলা হয়। নিচে প্রবন্ধের সংজ্ঞা ও বৈশিষ্ট্যগুলো আলোচনা করা হলো: ### ১. সংজ্ঞা 'প্রবন্ধ' শব্দটির আক্ষরিক অর্থ হলো— 'প্রকৃষ্ট রূপে বন্ধন'। অর্থাৎ, যেখানে বিষয়বস্তু ও ভাবকে একটি সুশৃঙ্খল ও আঁটসাঁট কাঠামোর মধ্যে সাজিয়ে পরিবেশন করা হয়। ইংরেজিতে একে বলা হয় **Essay**। ### ২. মূল বৈশিষ্ট্য একটি আদর্শ প্রবন্ধের কয়েকটি প্রধান বৈশিষ্ট্য থাকে: * **যুক্তিনির্ভরতা:** প্রবন্ধ মূলত আবেগ বা কল্পনার চেয়ে যুক্তি ও তথ্যের ওপর বেশি নির্ভর করে। * **সুশৃঙ্খল গঠন:** এর একটি নির্দিষ্ট শুরু (ভূমিকা), মূল অংশ এবং শেষ (উপসংহার) থাকে। * **গদ্যের ব্যবহার:** এটি সর্বদা গদ্যে লিখিত হয়। * **বস্তুনিষ্ঠতা:** লেখক কোনো বিষয়কে বিচার-বিশ্লেষণ করে তার একটি স্বচ্ছ ধারণা পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ### ৩. প্রবন্ধের প্রকারভেদ উদ্দেশ্য ও বিষয়বস্তু অনুযায়ী প্রবন্ধকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা যায়: * **তন্ময় বা বস্তুনিষ্ঠ প্রবন্ধ (Object...
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এর 'পথের দাবী' গল্পের মূলভাববস্তু ও বিশ্লেষণ।পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ, দশম শ্রেণী দ্বিতীয় সেমিস্টার। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কালজয়ী উপন্যাস 'পথের দাবী'-র নির্বাচিত অংশটি মূলত উত্তাল ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত।আর সেখানে রাজনৈতিক উপন্যাস 'পথের দাবী'-র পাঠ্য অংশটিতে পরাধীন ভারতের সশস্ত্র বিপ্লবী আন্দোলনের এক রোমাঞ্চকর খণ্ডচিত্র ধরা পড়েছে।সেই খন্ডচিত্রে আমরা দেখি- • বিপ্লবীর ছদ্মবেশ ও অসাধারণ বুদ্ধিমত্তা সব্যসাচী।গল্পের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হলো সব্যসাচীর ছদ্মবেশ। ব্রিটিশ পুলিশের চোখে ধুলো দেওয়ার জন্য এক দুর্ধর্ষ বিপ্লবী কীভাবে নিজেকে সাধারণ, রুগ্ন ও অদ্ভুতদর্শন একজন মানুষে পরিণত করতে পারেন, তা এখানে দেখানো হয়েছে।যেখানে গিরিশ মহাপাত্রের সাজপোশাক ও আচরণ দেখে পুলিশের সন্দেহের অবকাশ থাকলেও শেষ পর্যন্ত তারা বিভ্রান্ত হয়। লেখকের কথায় - " গিরিশ মহাপাত্রের বেশভূষার সেই অদ্ভুত বাহার স্মরণ করিয়া অপূর্ব কোনোমতেই হাসি চাপিয়া রাখিতে পারিল না।" • পুলিশের ব্যর্থতা ও বিপ্লবীর জ...