Skip to main content

Posts

প্রতি,                                                                           মাননীয় শুভেন্দু অধিকারী                                       মুখ্যমন্ত্রী,                                                               পশ্চিমবঙ্গ সরকার। দ্বারা: সভাপতি,                                                                  ভারতীয় জনতা পার্টি,              ...
Recent posts
চায়ের ধোঁয়া, উৎপল দত্ত।।  ‘চায়ের ধোঁয়া’ মূলত একটি ছোটগল্প গ্রন্থ হিসেবে পরিচিত হলেও এটি নাট্যবিষয়ক ভাবনার একটি বিশেষ দলিল এবং গণনাট্য আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত সামাজিক-রাজনৈতিক আলেখ্য। ‘চায়ের ধোঁয়া’ গল্পগ্রন্থের মূল চরিত্রসমূহ ‘চায়ের ধোঁয়া’ গ্রন্থের বিভিন্ন রচনা/গল্পে মধ্যবিত্ত জীবনের দ্বন্দ্ব, চায়ের দোকানের রাজনীতি ও সামাজিক রূপান্তরের চিত্র ফুটে উঠেছে। এর উল্লেখযোগ্য চরিত্রগুলি হলো:  * কেশব / চায়ের দোকানদার: গল্প/রচনার কেন্দ্রবিন্দু, যার দোকানের চায়ের ধোঁয়ায় আড্ডা এবং রাজনীতির সূত্রপাত।  * বিপ্লবী মনোভাবাপন্ন তরুণ চরিত্রসমূহ (যেমন: সনৎ, প্রদীপ): যারা সমাজ পরিবর্তনের খোয়াব দেখে এবং মার্কসবাদী ভাবধারার সমর্থক।  * পেশাদার মধ্যবিত্ত প্রতিনিধি (যেমন: বাবু চরিত্র বা কেরানি): যারা সামাজিক অন্যায় দেখেও বাস্তবতার চাপে নিষ্ক্রিয় থাকে। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় (WBSU) - সপ্তম সেমিস্টার বাংলা (পরীক্ষার সম্ভাব্য প্রশ্নাবলি) সপ্তম সেমিস্টারের (Major / Minor / DSE) সিলেবাসে উৎপল দত্তের নাট্যভাবনা এবং ‘চায়ের ধোঁয়া’ অংশটি থেকে পরীক্ষার জন্য নিম্নলিখিত ...

জীবনানন্দ দাশ-কবিতার কথা।।

জীবনানন্দ দাশ-কবিতার কথা।।  পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (WBSU) সপ্তম সেমিস্টারের বাংলা মাইনর।   জীবনানন্দের কাব্যদর্শন ও প্রবান্ধিক চিন্তাধারা: ​‘কবিতার কথা’ প্রবন্ধ অবলম্বনে জীবনানন্দ দাশের কবিতা সম্পর্কিত মূল বক্তব্য ও কাব্যদর্শন বিস্তারিত আলোচনা করো। ​কবির সংজ্ঞা ও বৈশিষ্ট্য: ​“সকলেই কবি নয়। কেউ কেউ কবি” — কবি জীবনানন্দ দাশ কাকে এবং কেন ‘প্রকৃত কবি’ বলেছেন? তাঁর মতে একজন প্রকৃত কবির কী কী গুণাবলী থাকা আবশ্যক? ​কবিতার উপাদান ও সমকাল চেতনা: ​জীবনানন্দের মতে কবিতার মূল উপাদাদ বা উৎসগুলি কী কী? একজন কবির জীবনে ইতিহাসচেতনায় ও সমকালভাবনার গুরুত্ব প্রবন্ধ অনুসরণে আলোচনা করো। ​২. মাঝারি ও ব্যাখ্যাভিত্তিক প্রশ্ন (৫ নম্বর) ​কল্পনা ও চিত্ররূপময়তা: ​জীবনানন্দ দাশের মতে কবিমানসে 'কল্পনা' এবং 'চিত্ররূপময়তা'র (Imagery) গুরুত্ব ব্যাখ্যা করো। ​কবিতা ও অন্যান্য শিল্পমাধ্যম: ​কবিতা ও দর্শনের বা কবিতা ও বিজ্ঞানের সম্পর্ক বিষয়ে জীবনানন্দ দাশ ‘কবিতার কথা’ প্রবন্ধে কী মতামত ব্যক্ত করেছেন? ​উক্তিভিত্তিক ব্যাখ্যা: ​“কবিতা অনেক রকমের আছে” — বক্তব্যটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো। ​“কবিত...

চায়ের ধোঁয়া, উৎপল দত্ত।।

চায়ের ধোঁয়া, উৎপল দত্ত।। পশ্চিমবঙ্গয়ের রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (WBSU) সপ্তম সেমিস্টারের বাংলা মাইনর কোর্সের অন্তর্ভুক্ত     উৎপল দত্তের ‘চায়ের ধোঁয়া’ প্রবন্ধটি মূলত তাঁর স্মৃতিচারণ, থিয়েটার ভাবনা, গণনাট্য আন্দোলন এবং সমকালীন রাজনৈতিক-সামাজিক প্রেক্ষিতনির্ভর একটি অসাধারণ রচনা। ১. রচনাধর্মী প্রশ্ন (১০ নম্বরের জন্য)  ১) প্রবন্ধের নামকরণের সার্থকতা: ‘চায়ের ধোঁয়া’ প্রবান্ধিক নামকরণের নাট্যভাবনা ও প্রতীকী অর্থ বিশ্লেষণ করো।  *** ২) মূল বক্তব্য ও প্রেক্ষাপট: ‘চায়ের ধোঁয়া’ প্রবন্ধে তৎকালীন নাট্যচর্চা, গণনাট্য আন্দোলন এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতির যে চিত্র ফুটে উঠেছে, তা নিজের ভাষায় আলোচনা করো।  ৩) স্মৃতিচারণ ও সামাজিক চিত্র: প্রবন্ধটিতে সাধারণ চা-খাবারের দোকানের আড্ডা কীভাবে বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চা ও প্রগতিশীল নাট্যান্দোলনের পীঠস্থান হয়ে উঠেছিল, তা বুঝিয়ে দাও।  *** ৪) উৎপল দত্তের নাট্যচিন্তা: প্রবন্ধটির মধ্য দিয়ে উৎপল দত্তের গণমুখী নাট্যভাবনা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার যে পরিচয় পাওয়া যায়, তা সংক্ষেপে লেখো। ***  ​উৎপল দত্ত তাঁর ‘চায়ের ধোঁয়া’ প্রবন্...

ষোড়শ মহাজনপদের নাম লেখো।

  ষোড়শ মহাজনপদের নাম লেখো।          প্রাচীন ভারতের খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতকে গঙ্গা অববাহিকা ও তার আশেপাশের অঞ্চলে ষোলোটি প্রধান রাজ্য ও প্রজাতন্ত্র গড়ে উঠেছিল, যা ইতিহাসে ষোড়শ মহাজনপদ নামে পরিচিত।সেই ষোলোটি মহাজনপদের নাম হলো-  •অঙ্গ (রাজধানী: চম্পা)•মগধ (রাজধানী: রাজগৃহ/গিরিব্রজ, পরবর্তীতে পাটলিপুত্র)•কাশী (রাজধানী: বারাণসী)•কোশল (রাজধানী: শ্রাবস্তী/অযোধ্যা)• বজ্জি / ব্রিজি (রাজধানী: বৈশালী) — এটি একটি গণসংঘ বা প্রজাতন্ত্র ছিল• মল্ল (রাজধানী: কুশীনগর ও পবা)-এটিও একটি প্রজাতন্ত্র ছিল •চেদি (রাজধানী: শুক্তিমতী)•বৎস (রাজধানী: কৌশাম্বী)       •কুরু (রাজধানী: ইন্দ্রপ্রস্থ)•পাঁচাল (রাজধানী: অহিচ্ছত্র ও কম্পিল্য)• মৎস্য (রাজধানী: বিরাটনগর)• শূরসেন (রাজধানী: মথুরা)• অশ্মক / অসক (রাজধানী: পোতালি/পোতন) -দক্ষিণ ভারতের একমাত্র মহাজনপদ• অবন্তী (রাজধানী: উজ্জয়িনী ও মহিষ্মতী)•গান্ধার (রাজধানী: তক্ষশীলা)• কম্বোজ (রাজধানী: রাজপুর/হাটক)

বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে ষোড়শ শতককে কেন স্বর্ণযুগ বলা হয় কেন?

বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে ষোড়শ শতককে কেন স্বর্ণযুগ বলা হয় কেন? আলোচনা করো।      বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে ষোড়শ শতককে (১৫০১–১৬০০ খ্রিষ্টাব্দ) শ্রীচৈতন্যদেবের আবির্ভাব ও চৈতন্যদেব-পরবর্তী সাহিত্যের এক অসামান্য বিকাশকাল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এই সময়ের সাহিত্যিক সমৃদ্ধির কারণে একে বাংলা সাহিত্যের স্বর্ণযুগ বলা হয়।তর মূল কারণগুলো হলো-       • চৈতন্যদেবের প্রভাব ও বৈষ্ণব সাহিত্য। ষোড়শ শতকে শ্রীচৈতন্যদেবের উদার মানবতাবাদী বৈষ্ণব আন্দোলনের প্রভাবে বাংলা সাহিত্য অপ্রতিরোধ্য গতি লাভ করে। তাঁর ভাবাদর্শ কেন্দ্র করে বাংলা ভাষায় প্রথমবারের মতো জীবনী সাহিত্য (যেমন-কৃষ্ণদাস কবিরাজের শ্রীশ্রীচৈতন্যচরিতামৃত ও বৃন্দাবন দাসের চৈতন্যভাগবত) রচনার ধারা শুরু হয়।      • বৈষ্ণব পদাবলীর চরম উৎকর্ষ। এই শতকে পদাবলী সাহিত্য ভাব, ভাষা ও রস পরিবেশনায় চরম শিখরে পৌঁছায়। বিদ্যাLine (পূর্বসূরি), জ্ঞানদাস ও গোবিন্দদাসের মতো কবিদের পদাবলীতে রাধাকৃষ্ণের প্রেমকে কেন্দ্র করে প্রেম ও ভক্তির অপূর্ব সুর ঝংকৃত হয়।      • মঙ্গলকাব্যের রূপায়ন। ষোড়শ শতকেই মনসামঙ্গল...
 প্রাপক,                                                                        মাননীয় শুভেন্দু অধিকারী                                          মুখ্যমন্ত্রী,                                                                  পশ্চিমবঙ্গ সরকার। দ্বারা-                                                                        সভাপতি,          ...