Skip to main content

Posts

 আপনার ইউটিউব চ্যানেলের (SHESHER KOBITA SUNDARBAN) দর্শকদের জন্য ২০২৬ সালের কলেজ ভর্তির একটি ভিডিও স্ক্রিপ্ট নিচে দেওয়া হলো। এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে ছাত্রছাত্রীরা খুব সহজেই **Centralised Admission Portal (WBCAP)**-এর নিয়মগুলো বুঝতে পারে। ## **ভিডিওর শিরোনাম আইডিয়া:**  * পশ্চিমবঙ্গ কলেজ ভর্তি ২০২৬: নতুন নিয়ম ও আবেদন পদ্ধতি (A to Z Guide)  * WBCAP 2026: এক ক্লিকেই রাজ্যের সব কলেজে ভর্তি | স্টেপ-বাই-স্টেপ গাইড ## **ভিডিও স্ক্রিপ্ট (খসড়া)** ### **১. সূচনা (Intro) - [০:০০ - ০:৪৫ মিনিট]** *(ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে বা স্লাইড শো দিয়ে শুরু করুন)* " নমস্কার বন্ধুরা, 'শেষের কবিতা সুন্দরবন' চ্যানেলে আপনাদের সবাইকে স্বাগত। ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর এখন সবার মনে একটাই প্রশ্ন—কলেজে ভর্তি হব কীভাবে?        গত বছরের মতো এবারও পশ্চিমবঙ্গ সরকার কিন্তু ভর্তির নিয়মে বড় বদল এনেছে। এখন আর আলাদা আলাদা কলেজের চক্কর কাটতে হবে না। আজকের ভিডিওতে আমি আপনাদের জানাব **WBCAP ২০২৬** পোর্টাল কী, কীভাবে আবেদন করবেন এবং কী কী নিয়ম আপনাকে মানতে হবে। ভিডিওটি না ...
Recent posts

উপন্যাস ও রোমান্সের সংজ্ঞা এবং এদের মধ্যকার ১০টি মৌলিক পার্থক্য লেখো।

উপন্যাস ও রোমান্সের সংজ্ঞা এবং এদের মধ্যকার ১০টি মৌলিক পার্থক্য লেখো। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (WBSU) চতুর্থ সেমিস্টারের বাংলা মেজর DS-5, খ.      •উপন্যাসঃ  উপন্যাস হলো গদ্যে রচিত এমন এক দীর্ঘ আখ্যানমূলক সাহিত্যকর্ম, যেখানে বাস্তব জীবনের প্রতিফলন ঘটে। এতে চরিত্রগুলোর জীবনসংগ্রাম, মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ এবং সামাজিক প্রেক্ষাপট অত্যন্ত বিশ্বস্ততার সঙ্গে ফুটে ওঠে। সংক্ষেপে, যা বাস্তবসম্মত এবং জীবনের কাছাকাছি, তাই উপন্যাস। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় যে, তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'গণদেবতা' বা মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'পদ্মানদীর মাঝি' শ্রেষ্ঠ উপন্যাস।      •রোমান্সঃ  রোমান্স হলো এমন এক ধরনের আখ্যান যেখানে কল্পনাপ্রসূত, অলৌকিক বা অতিপ্রাকৃত ঘটনার প্রাধান্য থাকে। এখানে বাস্তবতা অপেক্ষা বীরত্ব, প্রেম এবং রোমাঞ্চকর অভিযানের ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। রোমান্সের জগৎ সাধারণত দৈনন্দিন ধূসর বাস্তবতা থেকে দূরে এক মায়াবী জগৎ। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় যে, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'দুর্গেশনন্দিনী' বা 'কপালকুণ্ডলা' রোমান্সধর্মী উপন্যাস।  উপন্যাস ও রো...

ঐতিহাসিক উপন্যাসের সংজ্ঞা দাও। ঐতিহাসিক উপন্যাসের বৈশিষ্ট্য গুলি আলোচনা করো। একটি সার্থক ঐতিহাসিক উপন্যাসের নাম উল্লেখ করে সেটি আসলে ঐতিহাসিক উপন্যাস কিনা তা আলোচনা করে দেখাও।

ঐতিহাসিক উপন্যাসের সংজ্ঞা দাও। ঐতিহাসিক উপন্যাসের বৈশিষ্ট্য গুলি আলোচনা করো। একটি সার্থক ঐতিহাসিক উপন্যাসের নাম উল্লেখ করে সেটি আসলে ঐতিহাসিক উপন্যাস কিনা তা আলোচনা করে দেখাও। পশ্চিমবঙ্গের রাষ্ট্র বিশ্ববিদ্যালয় চতুর্থ সেমিস্টার বাংলা মেজর DS-5, Unit2/b ​    •  ঐতিহাসিক উপন্যাসঃ যে উপন্যাসে কোনো একটি বিশেষ যুগের ঐতিহাসিক ঘটনা বা চরিত্রকে কেন্দ্র করে কাহিনি গড়ে ওঠে এবং সেই যুগের সমাজ-ভাবনা, রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও জীবনযাত্রার সাথে লেখকের কল্পনা মিশ্রিত হয়ে একটি রসোত্তীর্ণ সাহিত্যকর্ম সৃষ্টি হয়, তাকেই ঐতিহাসিক উপন্যাস বলা হয়। এতে ইতিহাসের কঙ্কালের ওপর কল্পনার রক্ত-মাংস যোগ করে অতীতকে বর্তমানের মতো জীবন্ত করে তোলা হয়। ​     • ঐতিহাসিক উপন্যাসের প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ ​একটি সার্থক ঐতিহাসিক উপন্যাসে সাধারণত যে সকল বৈশিষ্ট্যগুলি থাকা প্রয়োজন সেগুলি হলো-       ১ .  ঐতিহাসিক ভিত্তিঃ  উপন্যাসের মূল কাহিনি অবশ্যই ইতিহাসের কোনো সত্য ঘটনা বা নির্দিষ্ট কোনো ঐতিহাসিক যুগের প্রেক্ষাপটে রচিত হতে হবে। ইতিহাস এখানে কেবল পটভূমি নয়, বরং কাহিনির অবিচ্ছেদ্য অ...
বাংলায় বিজ্ঞান ও কারিগরি শিক্ষার বিকাশ কীভাবে হয়েছিল আলোচনা করো।পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ (WBBSE) দশম শ্রেণীর ইতিহাস পাঠ্যসূচির অন্তর্গত 'বিকল্প চিন্তা ও উদ্যোগ' অধ্যায়।        আলোচনা শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,ঊনবিংশ শতাব্দীতে বাংলায় প্রাতিষ্ঠানিক বিজ্ঞান ও কারিগরি শিক্ষার যে জোয়ার এসেছিল। আর এই জোয়ার এসেছিল কয়েকটি প্রধান প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে। সেখানে আমরা দেখি  ১. ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য কাল্টিভেশন অফ সায়েন্স (IACS-১৮৭৬ নামক প্রতিষ্ঠানটিকে। আসলে এটি ছিল ভারতে বিজ্ঞান চর্চার প্রথম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানসেই প্রতিষ্ঠাতা হলেন ডঃ মহেন্দ্রলাল সরকার।যার-  প্রধান উদ্দেশ্য ছিল-কোনো সরকারি সাহায্য ছাড়াই ভারতীয়দের মধ্যে মৌলিক বিজ্ঞান গবেষণা ও চর্চাকে জনপ্রিয় করা।তবে এখানে গবেষণা করেই স্যার সি. ভি. রমন ১৯৩০ সালে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন। ফাদার লাফঁ, জগদীশচন্দ্র বসু এবং প্রফুল্লচন্দ্র রায় এখানে যুক্ত ছিলেন।শুধু তাই নয়- ২. বেঙ্গল টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট BTI - ১৯০৬ এর ভূমিকা ছিল অবিস্মরণীয়। আসলে স্বদেশী আন্দোলনের সময় কারিগরি শিক্ষার প্রসারে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।আর ...
  পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (WBSU) চতুর্থ সেমিস্টার বাংলা মেজরের পাঠ্যসূচিতে অতুলচন্দ্র গুপ্তের 'কাব্য জিজ্ঞাসা' আপনার পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ সম্ভাব্য প্রশ্নাবলি নিচে আলোচনা করা হলো: ### ১. বড় প্রশ্ন (১০ বা ১৫ নম্বরের জন্য)  * **ধ্বন্যালোক ও ধ্বনিতত্ত্ব:** "কাব্যস্য আত্মা ধ্বনিঃ"— আনন্দবর্ধনের এই মতটি অতুলচন্দ্র গুপ্ত কীভাবে ব্যাখ্যা করেছেন? ধ্বনি কাব্যের আত্মা কেন, তা আলোচনা করো।  * **রসতত্ত্ব ও রসনিস্পত্তি:** ভরত মুনির রসসূত্রটি আলোচনা করে কাব্যে রসের গুরুত্ব ও আস্বাদন প্রক্রিয়া বুঝিয়ে লেখো।  * **কাব্যলক্ষণ:** কাব্যলক্ষণ বলতে কী বোঝায়? 'শব্দার্থৌ সহিতৌ কাব্যম্'— এই প্রসঙ্গের গুরুত্ব 'কাব্য জিজ্ঞাসা' গ্রন্থ অবলম্বনে আলোচনা করো।  * **গুণ ও অলঙ্কার:** কাব্যে গুণের স্থান কোথায় এবং অলঙ্কারের সঙ্গে গুণের পার্থক্য কী? লেখক এই বিষয়ে কী অভিমত ব্যক্ত করেছেন? ### ২. মাঝারি প্রশ্ন (৫ নম্বরের জন্য)  * **লক্ষণা ও ব্যঞ্জনা:** শব্দের ত্রিবিধ শক্তির (অভিধা, লক্ষণা, ব্যঞ্জনা) মধ্যে ব্যঞ্জনার শ্রেষ্ঠত্ব কোথায়?  * **রীতি ও রস:** কাব্যের রীতি বা...
        আলোচনা শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,বিজ্ঞানের জয়যাত্রার চেয়েও যে প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা করা বেশি জরুরি। আর সেটিই 'মেঘচোর' গল্পের মূল সুর।যেখানে  বিজ্ঞানী পুরন্দর চৌধুরীর দম্ভ এবং অসীমার পরিবেশ সচেতনতা-এই দুইয়ের সংঘাত।তবে প্রকৃতিকে নিজের স্বার্থে ব্যবহার করা যে 'চুরি'র সমান, সেই নৈতিক বার্তা আলোচক গল্পটিতে তুলে ধরা হয়েছে। আর সেখানে আমরা দেখি-           পুরন্দর চৌধুরী মেঘকে নিজের ইচ্ছামতো চালনা করতে পারতেন।শুধু তাই নয়,তিনি মনে করতেন বিজ্ঞান দিয়ে প্রকৃতিকে পদানত করা সম্ভব। তিনি অলোকাকে উদ্দেশ্য করে বলেছিলেন: "মেঘ চুরি করা কী বলছিস? মেঘ কি কারও ব্যক্তিগত সম্পত্তি? আমি মেঘকে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিয়ে যাব, এতে চুরির কী আছে?"* >  **২. পরিবেশের ভারসাম্য ও অলোকার প্রতিবাদ:** অলোকা বুঝতে পেরেছিল যে, এক দেশের মেঘ অন্য দেশে নিয়ে যাওয়া মানে সেই দেশের মানুষের জল কেড়ে নেওয়া এবং প্রাকৃতিক বিপর্যয় ডেকে আনা। সে সরাসরি প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছিল: > *"পৃথিবীর এক জায়গার জল অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়া মানেই তো প্রকৃতির নিয়ম ভাঙা। সাহারা মরুভূমি...
 কামিনী রায়ের স্মৃতিচিহ্ন কবিতার মূল সপ্তম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ের জনপ্রিয় কবিতা **'স্মৃতিচিহ্ন'**, যা কবি **কামিনী রায়ে**র 'নির্মাল্য' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। নিচে কবিতাটির মূল বিষয়বস্তু সহজভাবে আলোচনা করা হলো: ### **মূল বিষয়বস্তু** কবিতাটির মূল সুর হলো **নশ্বরতা ও অমরত্বের পার্থক্য**। পৃথিবীতে একদল মানুষ আছেন যারা বিত্তবান ও শক্তিশালী। তারা নিজেদের নাম চিরস্থায়ী করার জন্য বড় বড় অট্টালিকা বা স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করেন। তারা মনে করেন, পাথরের এই কাঠামো তাদের নামকে মহাকালের হাত থেকে রক্ষা করবে। কিন্তু সময়ের অমোঘ নিয়মে সেইসব দামি ইমারত ধুলোয় মিশে যায়। যারা কেবল নিজেদের স্বার্থে বা অহংকারে পাথর দিয়ে নাম লিখে রাখতে চেয়েছিলেন, কালক্রমে মানুষ তাদের ভুলে যায়। তাদের তৈরি সেই ইষ্টকস্তূপ আজ ভগ্নদশা আর শ্যাওলায় ঢাকা পড়ে আছে। অন্যদিকে, যারা মানুষের কল্যাণে কাজ করেন এবং পরার্থপর (পরের ভালো করেন), তাদের নাম কোনো পাথরে খোদাই করার প্রয়োজন হয় না। তারা তাদের ভালোবাসা এবং সেবার মাধ্যমে মানুষের হৃদয়ে চিরস্থায়ী আসন লাভ করেন। কবির মতে, মানুষের হৃদয়ে যে স্মৃতি স্তম্ভ তৈরি হয়, তা অটুট থাকে এবং কখনও ...