Skip to main content

Posts

Bengali Major 4/DS-4,Suggestion 2026

        West Bengal State University                                   4th. Semester                                                      Bengali Major                                                 Suggestion-2026                                                             DS-4 ১) প্রতিটি একক থেকে একটি করে মোট চারটি প্রশ্নের উত্তর দাও ১০×৪= ৪০ ক) মধ্য বাংলা ভাষার কাল কত সীমা ও সাহিত্যিক নিদর্শন উল্লেখ করো। এই ভাষার ভাষাতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য গুলি লেখো। • *** প্রাচীন ভারতীয় আর্...
Recent posts
 পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (WBSU) ষষ্ঠ সেমিস্টার বাংলা মেজর (Major) পাঠ্যসূচির মানদণ্ড অনুযায়ী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের **'কাদম্বরী'** চরিত্রটি আলোচনার ক্ষেত্রে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় স্পষ্ট করা প্রয়োজন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনো উপন্যাসে 'কাদম্বরী' নামে কোনো কাল্পনিক চরিত্র নেই। তবে তাঁর ব্যক্তিগত জীবনে এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে **কাদম্বরী দেবী** (রবীন্দ্রনাথের নতুন বৌঠান, জ্যোতিরিদ্রনাথ ঠাকুরের পত্নী) এক অবিস্মরণীয় বাস্তব চরিত্র। ষষ্ঠ সেমিস্টারের বিশেষত 'রবীন্দ্র-সাহিত্য' বা 'রবীন্দ্র-জীবনকথা' পত্রের সিলেবাসে রবীন্দ্রনাথের জীবন ও সৃষ্টিতে কাদম্বরী দেবীর প্রভাব প্রায়শই পাঠ্য থাকে। আবার অনেক সময় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'কপালকুণ্ডলা' বা অন্যান্য ধ্রুপদী সাহিত্যের প্রসঙ্গে বাণভট্টের 'কাদম্বরী' অনুবাদের প্রসঙ্গ আসে। রবীন্দ্র-জীবনী ও রবীন্দ্র-সাহিত্যের প্রেক্ষাপটে **"রবীন্দ্রনাথের জীবনে ও সাহিত্যে কাদম্বরী দেবীর প্রভাব/ভূমিকা"** সম্পর্কিত একটি উচ্চমানের ও বিস্তারিত নোট নিচে প্রস্তুত করে দেওয়া হলো, যা পরী...

শেষের কবিতা' উপন্যাসের নামকরণের সার্থকতা আলোচনা করো।

' শেষের কবিতা' উপন্যাসের নামকরণের সার্থকতা আলোচনা করো।পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (WBSU) ষষ্ঠ সেমিস্টারের বাংলা মেজর (Major)DS-13          আলোচনা শুরুতেই আমরা বলতে পারি যে,রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস সাহিত্যের ইতিহাসে ‘শেষের কবিতা’ একটি কালজয়ী ও অনন্য সৃষ্টি। এটি কেবল একটি উপন্যাস নয়, বরং গদ্যে লেখা এক অপূর্ব লিরিক বা গীতিকাব্য । সাহিত্যে নামকরণের ক্ষেত্রে কখনও চরিত্রের নাম, কখনও ঘটনার ঘনঘটা, আবার কখনও অন্তর্নিহিত ভাববস্তু প্রধান হয়ে ওঠে। ‘শেষের কবিতা’ উপন্যাসটির নামকরণ মূলত তার ভাবব্যঞ্জক, কাব্যিক এবং মনস্তাত্ত্বিক গভীরতা  কে নির্দেশ করে। আপাতদৃষ্টিতে মনে হতে পারে এটি একটি কবিতার বই, কিন্তু নিবিড় পাঠে বোঝা যায়-এই নামটির মধ্যেই লুকিয়ে আছে উপন্যাসের মূল ভাবাদর্শ, নায়ক অমিত রায়ের জীবনদর্শন এবং প্রেমচেতনা র চূড়ান্ত পরিণতি।          •নামকরণের যৌক্তিকতা, সার্থকতা ও নান্দনিক উৎস হিসাবে মূলত তিনটি প্রধান স্তরে বিশ্লেষণ করা যেতে পারে। আর সেখানে আমরা দেখি-     ১.উপন্যাসের গঠনগত বা আঙ্গিক দিক, যেখানে আছে গদ্য ও পদ্যের মেল...

গৃহদাহ' উপন্যাসের নামকরণের সার্থকতা আলোচনা করো।

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'গৃহদাহ' উপন্যাসের নামকরণের সার্থকতা আলোচনা করো।পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (WBSU) ষষ্ঠ সেমিস্টারের বাংলা মেজর DS-13          আলোচনা শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,সাহিত্যে নামকরণের নানাবিধ পদ্ধতি রয়েছে—কখনও তা চরিত্রপ্রধান, কখনও ঘটনাকেন্দ্রিক, আবার কখনও তা ব্যঞ্জনামূলক বা প্রতীকী। অপরাজেয় কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'গৃহদাহ' (১৯২০) উপন্যাসটির নামকরণ মূলত একটি গভীর ভাবব্যঞ্জক এবং মনস্তাত্ত্বিক প্রতীকী নামকরণ । উপন্যাসটিতে একদিকে যেমন সামাজিক ও পারিবারিক ভাঙনের এক বাস্তব চিত্র রূপায়িত হয়েছে, অন্যদিকে তেমনই মানুষের আদিম প্রবৃত্তি, কামনা-বাসনা এবং সংস্কারের দ্বন্দ্বে অন্তরের পবিত্র গৃহটি কীভাবে ছারখার হয়ে যায়, তার এক নিখুঁত চালচিত্র অঙ্কিত হয়েছে।আর এই দ্বিমুখী প্রেক্ষাপটে উপন্যাসটির নামকরণের সার্থকতা নিম্ন সূত্রাকারে আলোচনা করা হলো-          'গৃহদাহ' শব্দটির আক্ষরিক অর্থ হলো ‘ ঘরের আগুন’ বা ‘বাড়ি পুড়ে যাওয়া’ । কিন্তু শরৎচন্দ্রের কবিমানস কেবল ইঁট-কাঠ-পাথরের তৈরি জড় গৃহের দহন দেখিয়ে ক্ষান্ত হ...

দর্শন চতুর্থ সেমিস্টার সাজেশন ২০২৬

  West Bengal State University                                          4th. Semester                                                    Philosophy Minor                                                   Suggestion2026   2.Answer any two question from the following ( নিম্নলিখিত যেকোনো দুটি প্রশ্নের উত্তর দাও)। **• নৈতিক ও অনৈতিক ক্রিয়ার মধ্যে পার্থক্য লেখো। **• কান্টের নিঃশর্ত আদেশ তত্ত্বটি সংক্ষিপ্ত টীকা লেখো। •বৌদ্ধ দর্শনে নির্বাণ বলতে কী বোঝায়? **• জৈন দর্শনে যে অনুব্রত ও মহাব্রত-র মধ্যে পার্থক্য নির্দেশ করা হয়েছে তা লেখো। **• মনস্তাত্ত্বিক ও নৈতিক সুখবাদের মধ্যে পার্থক্য লেখো। **• বৌদ্ধ দর্শন প্রবর্তিত পঞ্চশীল ন...

রসতত্ত্বঃ ভরত মুনির রসসূত্রটি উল্লেখ করে বিভাব, অনুভাব ও ব্যভিচারী ভাবের পারস্পরিক সম্পর্ক বুঝিয়ে দাও।

রসতত্ত্বঃ ভরত মুনির রসসূত্রটি উল্লেখ করে বিভাব, অনুভাব ও ব্যভিচারী ভাবের পারস্পরিক সম্পর্ক বুঝিয়ে দাও। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় চতুর্থ সেমিস্টার বাংলা মেজর।DS-5, Unit-III.(কাব্য জিজ্ঞাসা -অতুল চন্দ্র গুপ্ত )।  রসসূত্রঃ আচার্য ভরত মুনি তাঁর ‘ নাট্যশাস্ত্র’ গ্রন্থে রস নিষ্পত্তির প্রক্রিয়াটি বোঝাতে গিয়ে যে বিখ্যাত সূত্রটি দিয়েছেন, তা হলো- ​"বিভাবানুভাবব্যভিচারিসংযোগাদ্রসনিষ্পত্তিঃ"        অর্থাৎ বাংলায় যার অর্থ-বিভাব, অনুভাব এবং ব্যভিচারী ভাবের সংযোগে রস নিষ্পন্ন বা জাগ্রত হয়।আসলে মানুষের অন্তরে কিছু চিরস্থায়ী আবেগ বা ভাব সুপ্ত অবস্থায় থাকে, যেগুলিকে স্থায়ী ভাব বলা হয় (যেমন—রতি, শোক, ক্রোধ, উৎসাহ ইত্যাদি)। ভরত মুনির মতে, এই স্থায়ী ভাবটিই বিভাব, অনুভাব এবং ব্যভিচারী ভাবের সংস্পর্শে এসে রসরূপে আস্বাদনযোগ্য হয়ে ওঠে। ​ উপাদানগুলির পরিচয় ও পারস্পরিক সম্পর্ক ​      রস সূত্রের মূল রসায়নকে বুঝতে হলে প্রথমেই এর তিনটি মূল উপাদানকে আলাদা করে চিনে নেওয়া প্রয়োজন। নিচে একটি সহজ তালিকার মাধ্যমে এদের কাজ ও সম্পর্ক  হলো- ​১. বিভাব (কারন)।  ব...

রসতত্ত্বঃ ভরত মুনির রসসূত্রটি উল্লেখ করে বিভাব, অনুভাব ও ব্যভিচারী ভাবের পারস্পরিক সম্পর্ক বুঝিয়ে দাও।

রসতত্ত্বঃ ভরত মুনির রসসূত্রটি উল্লেখ করে বিভাব, অনুভাব ও ব্যভিচারী ভাবের পারস্পরিক সম্পর্ক বুঝিয়ে দাও। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় চতুর্থ সেমিস্টার বাংলা মেজর।DS-5, Unit-III.      রসতত্ত্ব: ভরত মুনির রসসূত্র ও উপাদানসমূহের পারস্পরিক সম্পর্ক আলোচনায় আমরা প্রথমেই বলে রাখি যে,ভারতীয় সাহিত্যতত্ত্ব এবং নন্দনতত্ত্বের ইতিহাসে আচার্য ভরত  মুনির ‘নাট্যশাস্ত্র’( খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় শতক থেকে দ্বিতীয় খ্রিস্টাব্দের মধ্যবর্তী সময়) একটি আকর গ্রন্থ। এই গ্রন্থের ষষ্ঠ ও সপ্তম অধ্যায়ে রস ও ভাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। ষষ্ঠ অধ্যায়ে ভরত মুনি রস নিষ্পত্তির যে অমোঘ সূত্রটি নির্মাণ করেছেন, তা কাব্য ও নাট্য উভয় সাহিত্যেরই প্রাণস্বরূপ।আর সেখানে-আচার্য ভরতের অমর রসসূত্রটি হলো- "বিভাবানুভাবব্যভিচারি সংযোগাদ্রসনিষ্পত্তিঃ"       অর্থাৎ,সামাজিক বা সহৃদয় পাঠকের অন্তরে কিছু ভাব জন্মসূত্রেই সুপ্ত বা বাসনারূপে অবস্থান করে। এদের স্থায়ী ভাব  বলা হয়। যখন নাট্যমঞ্চে বা কাব্যের জগতে এই স্থায়ী ভাবের সঙ্গে বিভাব, অনুভাব এবং ব্যভিচারী বা সঞ্চারী ভাবের ‘সংযোগ’ ঘটে, তখনই সহ...