পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সপ্তম শ্রেণির দ্রুতপঠন 'মাকু' উপন্যাসের প্রথম ৩ পৃষ্ঠায় (প্রথম অধ্যায়) গল্পের চমৎকার সূচনা ও প্রধান চরিত্রদের পরিচয় দেওয়া হয়েছে। এর মূল বিষয়বস্তু নিচে আলোচনা করা হলো: ১. আম্মা ও দয়াময়ীর কথা গল্পের শুরু হয় দুই বোন আম্মা ও দয়াময়ী (যাদের আমরা সোনা ও টিয়া হিসেবে চিনি)-র কথোপকথন দিয়ে। তারা তাদের প্রিয় পুতুলগুলোকে নিয়ে খেলছিল। বড়দের শাসনে থাকা এই দুই ছোট্ট মেয়ের মনে তখন চলছে রোমাঞ্চকর অভিযানের পরিকল্পনা। ২. কালিয়ার বনের রহস্য সোনা ও টিয়া তাদের মেজমামার কাছে শুনেছে যে কালিয়ার বনে গেলেই নাকি সব অদ্ভুত কাণ্ড ঘটে । সেই বনে বাঘ আছে, ভাল্লুক আছে, আর আছে হরেক রকমের মজার মানুষ। তাদের বাড়ির চাকর পাচু বারবার সাবধান করে যে কালিয়ার বনে গেলে আর ফেরা যায় না, কিন্তু ছোটদের মন তো আর বাধা মানে না! ৩. নোটো মাস্টারের সার্কাস পার্টি সোনা ও টিয়া জানতে পারে যে তাদের পরিচিত নোটো মাস্টার কালিয়ার বনে এক বিরাট সার্কাস পার্টি খুলে বসেছেন। সেখানে জাদুকর আছে, সঙ আছে, আর আছে আশ্চর্য সব জানোয়ার। সোনা ও টিয়া ঠিক করে যে তারা লুকিয়ে সেই বনে যাবে এবং এই অদ্ভুত জগতটা স্বচক্ষে দেখবে।...
পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সপ্তম শ্রেণির পাঠ্যসূচির অন্তর্ভুক্ত শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের 'পাগলা গণেশ' একটি চমৎকার বিজ্ঞানধর্মী (Science Fiction) গল্প। নিচে গল্পের সংক্ষিপ্তসার ও প্রয়োজনীয় তথ্য দেওয়া হলো: মূল তথ্য * লেখক: শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়। * গল্পের প্রেক্ষাপট: ভবিষ্যৎ পৃথিবী, সাল ৩৫৮৯। * মূল উপজীব্য: যান্ত্রিক সভ্যতার যুগে মানবিকতা, শিল্পকলা এবং সৃজনশীলতার গুরুত্ব। গল্পের সংক্ষিপ্তসার ১. যান্ত্রিক ভবিষ্যৎ ও বিজ্ঞানের জয়জয়কার: ৩৫৮৯ সালে পৃথিবী বিজ্ঞানে চরম উন্নতি করেছে। মানুষ অমরত্ব লাভ করেছে (মৃত্যুঞ্জয়ী টনিক আবিষ্কারের ফলে), মহাকাশ ভ্রমণ সহজ হয়ে গেছে। কিন্তু এই অতি-আধুনিক যুগে মানুষের মন থেকে মায়া, দয়া, ভালোবাসা এবং বিশেষ করে কবিতা, গান ও ছবির মতো সুকুমার বৃত্তিগুলো হারিয়ে গেছে। লোকে মনে করে এসব ‘অপ্রয়োজনীয় সময় নষ্ট’। ২. গণেশ ও তার ব্যতিক্রমী অবস্থান: গল্পের নায়ক গণেশ একজন ২০০ বছরের বৃদ্ধ। তিনি বিজ্ঞানের এই যান্ত্রিকতা মেনে নিতে পারেননি। যখন পৃথিবী থেকে শিল্প-সাহিত্য বিলুপ্তপ্রায়, তখন গণেশ হিমালয়ের নির্জন গুহায় বসে কবিতা লেখেন, ছবি আঁকেন আর গান গান। ত...