' সংবিধান: সংজ্ঞা ও প্রকারভেদ '।পশ্চিমবঙ্গ উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ একাদশ শ্রেণির প্রথম সেমিস্টারের রাষ্ট্রবিজ্ঞান। ১) সংবিধান কাকে বলে? উত্তর: সংবিধান হলো মৌলিক আইন ও নিয়মনীতির সমাহার, যার মাধ্যমে কোনো রাষ্ট্রের মৌলিক কাঠামো, শাসনব্যবস্থার রূপ, নাগরিকদের অধিকার এবং সরকার ও নাগরিকদের মধ্যকার সম্পর্ক পরিচালিত হয়। ২. কে সংবিধানকে “রাষ্ট্রের জীবনধারণ পদ্ধতি” (A way of life the state has chosen for itself) বলে বর্ণনা করেছেন? উত্তর: গ্রিক দার্শনিক এরিস্টটল (Aristotle)। ৩. লিখিত সংবিধান কাকে বলে? উত্তর: যে সংবিধানের অধিকাংশ মৌলিক নিয়মকানুন ও শাসনতান্ত্রিক নীতিসমূহ একটি বা একাধিক লিখিত দলিলে নির্দিষ্ট ও স্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ থাকে, তাকে লিখিত সংবিধান বলে (যেমন: ভারতের সংবিধান)। ৪. অলিখিত সংবিধানের একটি প্রধান উৎস কী? উত্তর: প্রথা, আচার-ব্যবহার, বিচারালয়ের সিদ্ধান্ত এবং ঐতিহাসিক নজির (যেমন: ব্রিটেনের সংবিধান)। ৫. সুপরিবর্তনীয় সংবিধান কাকে বলে? উত্তর: যে সংবিধান সংশোধনের জন্য কোনো জটিল বা বিশেষ পদ্ধতির প্রয়োজন হয় না, বরং সাধারণ আইন পাসের পদ্ধতিতেই সংশোধন করা যায়, তাকে সুপরিবর্তনীয় সংবিধান...
‘ সাম্যবাদী’ কবিতা, পশ্চিমবঙ্গ উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ একাদশ শ্রেণি প্রথম সেমিস্টার। ‘সাম্যবাদী’ কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত ‘সাম্যবাদী’ (১৯২৫) কাব্যগ্রন্থ থেকে গৃহীত হয়েছে। এই কবিতার মূল মূলসুর হলো অসাম্প্রদায়িকতা, ধর্মীয় সহনশীলতা এবং মনুষ্যত্বের জয়গান। আর সেখানে আমরা দেখতে পাই- কবি এমন এক জাগতিক তীর্থস্থানের কথা বলেছেন(সাম্যবাদ), যেখানে জাতি, ধর্ম, বর্ণ বা ধনী-দরিদ্রের কোনো ভেদ নেই। মানুষের শ্রেষ্ঠ পরিচয় সে ‘মানুষ’। তাই কবি বলেন- কোরআন, পুরাণ, বেদ, বাইবেল বা গ্রন্থ পাঠ করে কিংবা মন্দির, মসজিদ, গির্জায় গিয়ে ঈশ্বর বা সত্য লাভ করা যায় না, যদি না মানুষের হৃদয় পবিত্র হয়। আসলে কবি মানুষের হৃদয়কে সমস্ত শাস্ত্র ও দেবালয়ের চেয়ে বড় বলে মনে করেছেন। কারণ প্রতিটি মানুষের অন্তরেই পরম সত্তা বা সত্য বসবাস করে। যে সত্যের মধ্যে আমরা দেখতে পাই- মানবতাবাদী চেতনা।ধর্মগ্রন্থে জ্ঞান পাওয়া যেতে পারে, কিন্তু সত্যকে উপলব্ধি করতে হলে নিজের ভেতরের ‘মানুষ’কে জাগিয়ে তুলতে হবে। মানুষই সমস্ত সৃষ্টির সেরা এ...