Skip to main content

Posts

মিনাক্ষী মুখার্জী

•জনগণের দরবারে উদীয়মান বার্তাঃউত্তরপাড়ার উন্নয়ন ও বিকল্প রাজনীতির ডাক।      উত্তরপাড়া,২৩শে মার্চ ২০২৬- আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে উত্তরপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রটি এখন রাজ্য রাজনীতির অন্যতম আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু।এই কেন্দ্রে বিকল্প ও স্বচ্ছ রাজনীতির মুখ হিসেবে উঠে আসছেন লড়াকু নেত্রী মীনাক্ষী মুখার্জি। উত্তরপাড়ার কৃষ্টি, সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যকে রক্ষা করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন সমস্যার সমাধানে তাঁর উপস্থিতি এক নতুন আশার আলো দেখাচ্ছে। •কেন উত্তরপাড়ার জন্য মীনাক্ষী মুখার্জি অপরিহার্য?       • সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে মীনাক্ষী মুখার্জি আজ এক পরিচিত নাম। ডিওয়াইএফআই (DYFI)-এর রাজ্য সম্পাদিকা হিসেবে বেকারদের কর্মসংস্থান এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে তাঁর আপসহীন লড়াই উত্তরপাড়ার তরুণ প্রজন্মের কাছে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।        • উত্তরপাড়া-কোতরং এবং মাখলা অঞ্চলের নিকাশি ব্যবস্থা, যানজট এবং বন্ধ হয়ে যাওয়া কলকারখানাগুলোর পুনরুজ্জীবনে মীনাক্ষীর সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি কেবল গৎবাঁধা প্রতিশ্রুতিতে বিশ্বাসী নন, বরং নিচুতলার মানুষ...
Recent posts
 আপনার ছাত্রদের পরীক্ষার প্রস্তুতির কথা মাথায় রেখে, উপরের টপিকগুলোর ওপর ভিত্তি করে একটি মডেল প্রশ্নপত্র (Model Question Paper) নিচে সাজিয়ে দিলাম। এটি আপনি সরাসরি ক্লাসে বা আপনার চ্যানেলের জন্য ব্যবহার করতে পারেন। মাধ্যমিক ইতিহাস প্রস্তুতি: দ্বিতীয় ও তৃতীয় অধ্যায় সময়: ৪৫ মিনিট | পূর্ণমান: ২০ ১. সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো (MCQ): (1 \times 5 = 5) ১.১. 'ফরাজী' শব্দটি এসেছে আরবি 'ফরাজ' শব্দ থেকে, যার অর্থ হলো— (ক) ধর্মযুদ্ধ (খ) বাধ্যতামূলক কর্তব্য (গ) নবজাগরণ (ঘ) স্বাধীনতা। ১.২. নীল চাষ করার জন্য চাষীদের অগ্রিম অর্থ দেওয়াকে বলা হতো— (ক) আবওয়াব (খ) দাদন (গ) খাজন (ঘ) নজরানা। ১.৩. চুয়াড় বিদ্রোহের (১৭৯৯) অন্যতম নেত্রী ছিলেন— (ক) মাতঙ্গিনী হাজরা (খ) রানী শিরোমণি (গ) দেবী চৌধুরানী (ঘ) প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার। ১.৪. তিতুমীরের আসল নাম কী ছিল? (ক) দুদু মিঞা (খ) মীর নিসার আলী (গ) চেরাগ আলী (ঘ) লুৎফর রহমান। ১.৫. বাঁশের কেল্লা কোথায় নির্মিত হয়েছিল? (ক) বারাসাত (খ) নারকেলবেড়িয়া (গ) বাদুড়িয়া (ঘ) বসিরহাট। ২. অতি সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও (একটি বাক্যে): (1 \times 3 = 3) ২.১. কে ফরাজী আন্দোলনের প্রবর...

উপভাষা কাকে বলে? উপভাষার বৈশিষ্টগুলি লেখো। বাংলা ভাষায় উপভাষাগুলি কী কী?

উপভাষা কাকে বলে? উপভাষার বৈশিষ্টগুলি লেখো। বাংলা ভাষায় উপভাষাগুলি কী কী? (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় চতুর্থ সেমিস্টার বাংলা মেজর)।         •উপভাষার সংজ্ঞাঃ একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের অন্তর্গত মূল ভাষার যে আঞ্চলিক বৈচিত্র্য বা স্থানীয় রূপ লক্ষ করা যায়, তাকে উপভাষা বলে। ভৌগোলিক ব্যবধান, পরিবেশ এবং সামাজিক মেলামেশার পার্থক্যের কারণে একই ভাষার মধ্যে উচ্চারণ, শব্দভাণ্ডার এবং ব্যাকরণগত যে রূপভেদ তৈরি হয়, তা-ই উপভাষা।প্রখ্যাত ভাষাবিদ সুকুমার সেনের মতে— "একটি মূল ভাষার অন্তর্গত কয়েকটি আঞ্চলিক রূপকে উপভাষা বলা হয়।"       • উপভাষার প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহঃ উপভাষাকে চেনার জন্য বেশ কিছু সাধারণ বৈশিষ্ট্য লক্ষ করা যায়-  • ভৌগোলিক সীমারেখা: উপভাষা মূলত একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক অঞ্চলের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে।  • উচ্চারণভঙ্গি: অঞ্চলভেদে শব্দের উচ্চারণ ও সুরের পরিবর্তন ঘটে। যেমন— কোনো অঞ্চলে 'স' ধ্বনি 'হ'-এর মতো উচ্চারিত হয়।  • শব্দভাণ্ডার: একই বস্তুকে বোঝাতে ভিন্ন ভিন্ন উপভাষায় ভিন্ন ভিন্ন শব্দ ব্যবহৃত হয় (যেমন— কোথাও 'লবণ', কোথাও 'নুন')।   • ব্যাকরণগত ...
 ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় (WBSU) এর প্রথম সেমিস্টার দর্শন মাইনর (Minor) পরীক্ষার জন্য একটি সম্ভাব্য এবং গুরুত্বপূর্ণ সাজেশান নিচে দেওয়া হলো। এটি নতুন NEP 2020 সিলেবাসের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। বিভাগ ক: ১০ নম্বরের বড় প্রশ্ন (যেকোনো ২টি বা ৩টি করতে হয়) ১. চার্বাক দর্শন: চার্বাক জ্ঞানতত্ত্ব আলোচনা করো। চার্বাকরা কেন একমাত্র প্রত্যক্ষকেই প্রমাণ বলে স্বীকার করেছেন? অনুমান ও শব্দ প্রমাণ খণ্ডনে তাঁদের যুক্তিগুলি বিশ্লেষণ করো। ২. ন্যায় দর্শন: মহর্ষি গৌতম প্রদত্ত প্রত্যক্ষের লক্ষণটি ব্যাখ্যা করো। এই লক্ষণের অন্তর্গত পদগুলির (অব্যপদেশ্য, অব্যভিচারী, ব্যবসায়াত্মক) সার্থকতা বিচার করো। (ভেরি ভেরি ইম্পর্ট্যান্ট) ৩. বৈশেষিক দর্শন: অভাব পদার্থ কাকে বলে? অভাবের বিভিন্ন প্রকারভেদগুলি (সংসর্গাভাব ও অন্যোন্যাভাব) উদাহরণসহ বিস্তারিত আলোচনা করো। ৪. অদ্বৈত বেদান্ত: অদ্বৈত বেদান্ত মতে ব্রহ্মের স্বরূপ আলোচনা করো। 'সগুণ ব্রহ্ম' ও 'নির্গুণ ব্রহ্ম'-এর মধ্যে পার্থক্য বুঝিয়ে লেখো। ৫. ন্যায় দর্শন: পরার্থানুমান কাকে বলে? পরার্থানুমানের পাঁচটি অবয়ব (পঞ্চাবয়বী ন্যায়...

দর্শন সাজেশন প্রথম সেমিস্টার ২০২৬

১. চার্বাক জ্ঞানতত্ত্ব আলোচনা করো: চার্বাকরা কেন একমাত্র 'প্রত্যক্ষকেই' প্রমাণ হিসেবে স্বীকার করেছেন? অনুমান ও শব্দ প্রমাণ খণ্ডনে তাঁদের যুক্তিগুলি বিশ্লেষণ করো। *** ২. চার্বাক জড়বাদ বা ভূতচৈতন্যবাদ ব্যাখ্যা করো: "চৈতন্যবিশিষ্ট দেহই আত্মা"—এই মতবাদের সপক্ষে চার্বাকদের যুক্তি দাও। এই মতবাদের সীমাবদ্ধতাগুলি কী কী? ** ৩. চার্বাক নীতিতত্ত্ব বা সুখবাদ আলোচনা করো : চার্বাক দর্শনে 'কাম' কেন শ্রেষ্ঠ পুরুষার্থ? তাঁদের নীতিদর্শনকে কেন জড়বাদী বলা হয়? ​           ৫ নম্বরের মাঝারি প্রশ্ন (৫ x ১) ​*** ১. চার্বাক মতে 'ব্যপ্তিজ্ঞান' কেন সম্ভব নয়? অনুমান খণ্ডনে তাঁদের প্রধান যুক্তিটি লেখো। **২. চার্বাক 'দেহাত্মবাদ' সংক্ষেপে আলোচনা করো। ** ৩. চার্বাকরা কেন আকাশকে (Ether) মৌলিক উপাদান হিসেবে স্বীকার করেননি? ৪. চার্বাক সম্মত 'চতুর্ভূত' বা 'পঞ্চভূত' বিতর্কটি ব্যাখ্যা করো। **৫. চার্বাক দর্শনকে কেন 'লোকায়ত' দর্শন বলা হয়? ​          ২ নম্বরের অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন (২ x ১) ​*১. চার্বাক শব্দের বুৎপত্তিগত অর্থ কী? **২. চার্বাক মতে পরম পুরুষার্থ ক...

দর্শন প্রথম সেমিস্টার প্রশ্নাবলী।

দর্শন প্রথম সেমিস্টার প্রশ্নাবলী ২০২৩, ২০২৪ ১) যেকোনো দশটি প্রশ্নের উত্তর দাও ২×১০=২০(২০২৪) ঋত কাকে বলে?  ব্রহ্ম শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ কি?  আস্তিক দর্শন বলতে কী বোঝো? ভারতীয় দর্শনের দুটি আস্তিক সম্পদের নাম উল্লেখ করো।  চার্বাক দর্শনে কয়টি প্রমাণ স্বীকার করা হয়েছে? তাদের নাম উল্লেখ করো।  স্বভাববাদ কি?  ভূতচৈতন্যবাদ কি?  ন্যায় মতে কয় প্রকার প্রমা স্বীকার করা হয়?  ন্যায় মতে প্রত্যক্ষের লক্ষণ কি?  নৈয়ায়িকগণ কত প্রকার লোকিক সন্নিকর্ষ স্বীকার করেন? তাদের নাম উল্লেখ করো।  ন্যায় দর্শন অনুসারে অনুমান ও অনুমিতির মধ্যে দুটি পার্থক্য লেখো।  ন্যায় মতে ব্যাপ্তি কী?  বৈশেষিক মতে দ্রব্য কয়টি এবং কি কি?  বৈশেষিক দর্শনের স্বীকৃত পাঁচ প্রকার কর্ম কি কি?  বিশেষ কী  সংযোগ ও সমবায়ের মধ্যে দুটি পার্থক্য লেখো  বেদান্ত শব্দের অর্থ কি?  ব্রহ্ম সূত্রের রচয়িতা কে?  অদ্বৈত বেদান্ত মতে সত্তা কয় প্রকার ও কি কি? আচার্য শঙ্করের মতে মায়া কি? ২০২৩ ঋণ কাকে বলে? ঋণ কয় প্রকার ও কি কি?  ভারতীয় দর্শনের স্বীকৃত পঞ্চকো...

কারক কাকে বলে? বিভিন্ন প্রকার কারকের উদাহরণসহ সংজ্ঞা লেখো।

কারক কাকে বলে? কারক কয় প্রকার ও কি কি? উদাহরণসহ সংজ্ঞা দাও। সহজে কারক নির্ণয়ের উপায়          ১)কারকঃ বাক্যে ক্রিয়াপদের সাথে বিশেষ্য ও সর্বনাম পদের যে সম্পর্ক, তাকেই কারক বলা হয়। সহজ কথায়, একটি বাক্যের কাজ (ক্রিয়া) কার দ্বারা, কার মাধ্যমে বা কোথায় সম্পন্ন হচ্ছে—এই পারস্পরিক সম্বন্ধই হলো কারক। • কারক সাধারণত ৬ প্রকার-       ক) কর্তৃকারকঃ বাক্যে যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদ ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাকে কর্তৃকারক বলে। ক্রিয়াকে ‘কে’ বা ‘কারা’ দিয়ে প্রশ্ন করলে এই কারক পাওয়া যায়।     • উদাহরণ- ছেলেরা ফুটবল খেলছে। (এখানে ‘ছেলেরা’ কাজটা করছে, তাই এটি কর্তৃকারক)       খ) কর্মকারকঃ যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে কর্মকারক বলে। ক্রিয়াকে ‘কী’ বা ‘কাকে’ দিয়ে প্রশ্ন করলে এই কারক পাওয়া যায়।       • উদাহরণ- মা ভাত রাঁধছেন। (মা ‘কী’ রাঁধছেন? উত্তর: ভাত)       গ)করণ কারকঃ ‘করণ’ শব্দের অর্থ যন্ত্র, সহায়ক বা উপায়। কর্তা যার সাহায্যে ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাকে করণ কারক বলে। ক্রিয়াকে ‘কী দিয়ে’ বা ‘কীসের দ্বা...