Skip to main content

Posts

শিক্ষার সংস্কার।।শিক্ষা সংস্কার প্রবন্ধে রবীন্দ্রনাথের শিক্ষা সংস্কারের ভাবনার দিকগুলি আলোচনা করো।

শিক্ষার সংস্কার।।শিক্ষা সংস্কার প্রবন্ধে রবীন্দ্রনাথের শিক্ষা সংস্কারের ভাবনার দিকগুলি আলোচনা করো।পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় পঞ্চম সেমিস্টার বাংলা মেজর।ডিএস৯, ইউনিট ২.          আমরা জানি যে,রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কেবল সাহিত্যের বরপুত্র নন, একাধারে তিনি ছিলেন দূরদর্শী চিন্তাবিদ ও শিক্ষাগুরু। ঔপনিবেশিক ব্রিটিশ শাসনকালে দেশের প্রচলিত যান্ত্রিক, ত্রুটিপূর্ণ ও কেরানি তৈরির শিক্ষাব্যবস্থার বিরুদ্ধে তিনি তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন। তাঁর ‘শিক্ষা’ গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত ‘শিক্ষা সংস্কার’ (ভাণ্ডার, আষাঢ় ১৩১৩) প্রবন্ধে রবীন্দ্রনাথ প্রচলিত শিক্ষা কাঠামোর আমূল পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছেন। তাঁর মতে, প্রকৃত শিক্ষা তখনই সার্থক হয় যখন তা মানুষের মননকে মুক্ত করে এবং দেশের মাটি ও সংস্কৃতির সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত থাকে।আর এই প্রেক্ষিতে আমরা দেখতে পাই-      ‘শিক্ষা সংস্কার’ প্রবন্ধে রবীন্দ্রনাথের শিক্ষা ভাবনার মূল দিকগুলি। যেখানে প্রবন্ধটিতে রবীন্দ্রনাথ শিক্ষা ব্যবস্থার ত্রুটিগুলি চিহ্নিত করার পাশাপাশি বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট সংস্কারের প্রস্তাব রেখেছেন। নিম্নে তাঁর ...
Recent posts

সমাজবিদ্যা।। সামাজিক পরিবর্তন বলতে কী বোঝো? সামাজিক পরিবর্তনের প্রধান কারণ বা উপাদানগুলি হিসেবে প্রযুক্তিগত, অর্থনৈতিক বা সাংস্কৃতিক বিষয়গুলি আলোচনা করো।

সমাজবিদ্যা।। সামাজিক পরিবর্তন বলতে কী বোঝো? সামাজিক পরিবর্তনের প্রধান কারণ বা উপাদানগুলি হিসেবে প্রযুক্তিগত, অর্থনৈতিক বা সাংস্কৃতিক বিষয়গুলি আলোচনা করো। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম সেমিস্টার সমাজবিদ্যা,মাইনর। ইউনিট -৩।          আলোচনা শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,পরিবর্তনই প্রকৃতির নিয়ম। সমাজ একটি গতিশীল ব্যবস্থা; তাই সমাজ সর্বদা পরিবর্তনশীল। প্রাচীন সমাজব্যবস্থা থেকে আজকের আধুনিক ও জটিল শিল্প সমাজে রূপান্তরের পথটি সামাজিক পরিবর্তনেরই ইতিহাস হিসেবে ধরা হয়।আর সমাজবিজ্ঞানে 'সামাজিক পরিবর্তন' বলতে সমাজের কাঠামো, প্রতিষ্ঠানসমূহ, মানুষের পারস্পরিক সম্পর্ক, মূল্যবোধ এবং আচরণের ধরনে পরিবর্তনকে বোঝানো হয়। তবে -          সাধারণ অর্থে সামাজিক পরিবর্তন হলো সমাজ কাঠামোর রূপান্তর। সমাজবিজ্ঞানী ম্যাকাইভার ও পেজ-এর মতে-                 ‌                                            ...

ন্যায় দর্শন।। ন্যায় দর্শন মতে বিকল্পক এবং সবিকল্পক প্রত্যক্ষ কাকে বলে? বিকল্পক এবং সবিকল্পক প্রত্যক্ষের মধ্যে পার্থক্য লেখো।

ন্যায় দর্শন ।। ন্যায় দর্শন মতে বিকল্পক এবং সবিকল্পক প্রত্যক্ষ কাকে বলে?  বিকল্পক এবং সবিকল্পক প্রত্যক্ষের মধ্যে পার্থক্য লেখো।পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম সেমিস্টার দর্শন মাইনর।       ন্যায় দর্শনে প্রত্যক্ষকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা হয়-নির্বিকল্পক প্রত্যক্ষ এবং সবিকল্পক প্রত্যক্ষ। ১. নির্বিকল্পক প্রত্যক্ষ । ইন্দ্রিয়ের সঙ্গে বিষয়ের প্রথম সংযোগের ফলে যে অবিকল্প, অনির্দিষ্ট এবং নাম-গুণ-জাতিহীন জ্ঞান উৎপন্ন হয়, তাকে নির্বিকল্পক প্রত্যক্ষ বলে।আর এই প্রত্যক্ষের  বৈশিষ্ট্য হলো-     নির্বিকল্পক প্রত্যক্ষে কেবলমাত্র বস্তুর অস্তিত্বমাত্র অনুভূত হয়, কিন্তু তার নাম, জাতি,গুণ বা বিশেষ কোনো বৈশিষ্ট্য স্পষ্টভাবে বোধগম্য হয় না। তাই- এটি সম্পূর্ণ শব্দযোজনাহীন বা অভাষিক জ্ঞান। যেমন-চোখের সামনে কোনো কিছু পড়ার প্রথম ক্ষণে "এটি কিছু একটা" বা "কিম্বিদম্"-এই ধরণের অনির্দিষ্ট অনুভূতি হয়। আসলে ন্যায় মতে-          নির্বিকল্পক প্রত্যক্ষ নিজে সরাসরি আমাদের গোচরীভূত হয় না, একে সবিকল্পক প্রত্যক্ষের পূর্ববর্তী স্তর হিসেবে...

ভারতীয় রাজনীতিতে মন্ডল কমিশনের সুপারিশ ও তার প্রভাব আলোচনা করো।

ভারতীয় রাজনীতিতে সমস্যাসমূহ। ।ভারতীয় রাজনীতিতে মন্ডল কমিশনের সুপারিশ ও তার প্রভাব আলোচনা করো।পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়, সপ্তম সেমিস্টার, রাষ্ট্রবিজ্ঞান মাইনর।       আমরা জানি যে,স্বাধীন ভারতে অনগ্রসর শ্রেণীর (OBC) সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের ইতিহাসে মন্ডল কমিশন এক যুগান্তকারী অধ্যায়।আর সেখানে আমারা দেখতে পাই- ১৯৭৯ সালে মোরারজী দেশাই সরকারের আমলে বি. পি. মন্ডলের নেতৃত্বে 'দ্বিতীয় অনগ্রসর শ্রেণী কমিশন' গঠিত হয়, যা সাধারণত মন্ডল কমিশন নামে পরিচিত।যে কমিশন ১৯৮০ সালে তাদের প্রতিবেদন পেশ করে এবং ১৯৯০-এর দশকে বিশ্বনাথ প্রতাপ সিং সরকারের আমলে এই কমিশনের সুপারিশ কার্যকর করা হয়। আর সেখানে-        • মন্ডল কমিশনের প্রধান সুপারিশসমূহ। মন্ডল   কমিশন তাদের রিপোর্টে ভারতের সমাজকে পর্যালোচনা করে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ পেশ করেছিল। আর সেই সুপারিশগুলো নিম্নসূত্রাকারে আলোচনা করা হলো-       • সংরক্ষণ বৃদ্ধি। সমাজের অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণী বা OBC-দের জন্য সরকারি চাকরি এবং উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে ২৭ শতাংশ সংরক্ষণ...

ভারতীয় রাজনীতিতে সমস্যা সমূহ।। ২০০৬ বনাঞ্চলের অধিকার আইনটি আলোচনা করো।

ভারতীয় রাজনীতিতে সমস্যা সমূহ।। ২০০৬ বনাঞ্চলের অধিকার আইনটি আলোচনা করো।(The Scheduled Tribes and Other Traditional Forest Dwellers (Recognition of Forest Rights) Act, 2006) পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রবিজ্ঞান মাইনর সপ্তম সেমিস্টার। আলোচনার শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,ভারতের আদিবাসী এবং বনবাসী সম্প্রদায়গুলি শতাব্দী ধরে জঙ্গলকে নিজেদের বসতি, জীবিকা এবং সংস্কৃতির কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করে আসছে। কিন্তু ঔপনিবেশিক আমল থেকে শুরু করে স্বাধীন ভারতের জঙ্গল নীতিগুলিতে তাদের এই ঐতিহাসিক অধিকারকে অস্বীকার করে জঙ্গল থেকে উচ্ছেদ করার প্রবণতা দেখা যায়। এই ঐতিহাসিক অবিচার দূর করতে এবং আদিবাসীদের সাংবিধানিক অধিকার সুনিশ্চিত করতে কেন্দ্র সরকার ২০০৬ সালে 'বনাঞ্চলের অধিকার আইন' (Forest Rights Act - FRA) পাশ করে। আর সেই আইনটি কার্যকর হয় ২০০৮ সাল থেকে। যেখানে-      •আইনের প্রধান উদ্দেশ্যসমূহ। ঐতিহাসিক অবিচার সংশোধন: ঔপনিবেশিক ও পরবর্তী জঙ্গল নীতির কারণে আদিবাসীদের ওপর যে অন্যায় হয়েছে, তা সংশোধন করা।আর তার ফলে জল, জঙ্গল ও জমির অধিকার রক্ষা হয়। বনবাসী পরিবারগুলির দীর্ঘদিনের বসবাস...

ভারতীয় রাজনীতিতে সমস্যা সমূহ।। ভারতের রাজনীতিতে ধর্মনিরপেক্ষতা ও সাম্প্রদায়িকতার বিতর্ক সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত আলোচনা করো।

ভারতীয় রাজনীতিতে সমস্যাসমূহ ।। ভারতের রাজনীতিতে ধর্মনিরপেক্ষতা ও সাম্প্রদায়িকতার বিতর্ক সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত আলোচনা করো। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় সপ্তম সেমিস্টার রাষ্ট্রবিজ্ঞান মাইনর।ইউনিট ২/৫      আলোচনা শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,স্বাধীন ভারতের রাজনৈতিক ও সংবিধান চর্চায় অন্যতম প্রধান কেন্দ্রবিন্দু হলো ধর্মনিরপেক্ষতা এবং সাম্প্রদায়িকতার দ্বন্দ্ব। তবে ভারতীয় সংবিধানের প্রস্তাবনায় ১৯৭৬ সালের ৪২তম  সংশোধনীর মাধ্যমে 'ধর্মনিরপেক্ষ' শব্দটি যুক্ত হয়েছিল বটে, কিন্তু রাষ্ট্র গঠনে ধর্মনিরপেক্ষতার প্রয়োগ এবং তা ঘিরে সাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক মেরুকরণ ভারতীয় গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।আর সেই বিতর্কে আমরা দেখি-    •  ভারতীয় ধর্মনিরপেক্ষতার ধরন ও বিতর্ক । পশ্চিমা ধর্মনিরপেক্ষতার ধরন অর্থাৎ যেখানে ধর্ম ও রাষ্ট্র সম্পূর্ণ পৃথক। কিন্তু পশ্চিমা ধর্মনিরপেক্ষতার ধরন থেকে ভারতের ধর্মনিরপেক্ষতার মডেলটি কিছুটা আলাদা। তাই ভারতীয় সংবিধানে একে বলা হয় ' সর্বধর্ম সমভাব ' অর্থাৎ সব ধর্মের প্রতি সংবিধানের সমান দৃষ্টিভঙ্গি থাকবে। আর এই বিষয়টি পু...

সপ্তম সেমিস্টার দর্শন মাইনর সাজেশন ২০২৬

সপ্তম সেমিস্টার দর্শন মাইনর সাজেশন ২০২৬, পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্র বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। আপনার দেওয়া সিলেবাসের ছবি এবং নির্দেশ অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্র বিশ্ববিদ্যালয় (WBSU) এবং কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় (CU)-এর চতুর্থ বছর সপ্তম সেমিস্টার দর্শন মাইনর (Philosophy Minor - Special Minor-1: নীতিশাস্ত্র ও তার প্রয়োগ / Applied Ethics) কোর্সের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও পরীক্ষার উপযোগী আদর্শ সাজেশন নিচে দেওয়া হলো। সপ্তম সেমিস্টার দর্শন মাইনর সাজেশন বিষয়: নীতিশাস্ত্র ও তার প্রয়োগ (Applied Ethics) বিভাগ-ক (দীর্ঘ প্রশ্ন / ১০ বা ১৫ নম্বরের জন্য): ১. ফলিত বা ব্যবহারিক নীতিশাস্ত্র (Applied Ethics): ফলিত নীতিশাস্ত্রের স্বরূপ, সংজ্ঞা এবং প্রথাগত নীতিশাস্ত্রের সঙ্গে এর পার্থক্য আলোচনা কর। ফলিত নীতিশাস্ত্রের পরিধি ও গুরুত্ব ব্যাখ্যা কর। প্রথাগত বা সাধারণ নীতিশাস্ত্র (Traditional Ethics) বলতে কী বোঝো? প্রথাগত নীতিশাস্ত্র থেকে ফলিত নীতিশাস্ত্র কীভাবে পৃথক এবং কেন আধুনিক যুগে ফলিত নীতিশাস্ত্রের গুরুত্ব এত বেশি?—তা বিস্তারিত আলোচনা কর। ২. অধিকারের স্বরূপ (Nature of Rights): মানুষের অধ...