পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় (WBSU)-এর প্রথম সেমিস্টারের বাংলা মেজর (Major) ও মাইনর (Minor) কোর্সে মনসামঙ্গল কাব্য (সাধারণত মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য বা মঙ্গলকাব্যের ধারার অংশ হিসেবে) থেকে সাধারণত বিভিন্ন নম্বরের প্রশ্ন এসে থাকে। প্রশ্ন কাঠامোর ধরন এবং কোন কোন বিষয়ে জোর দেওয়া হয়, তার একটি বিস্তারিত রূপ নিচে দেওয়া হলো: ১. নম্বরের বিভাজন ও প্রশ্নের ধরন বিশ্ববিদ্যালয়ের সেমিস্টার পরীক্ষার প্রশ্নপত্র সাধারণত কয়েকটি ভাগে বিভক্ত থাকে: সন্দর্ভমূলক বা বড় প্রশ্ন (১০ বা ১৫ নম্বর): এই বিভাগে পুরো কাব্যধারা, কবি পরিচিতি বা নির্দিষ্ট কোনো চরিত্র ও আখ্যানভাগ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করতে হয়। মধ্যম মানের প্রশ্ন (৫ নম্বর): সংক্ষিপ্ত টিকা বা নির্দিষ্ট কোনো প্রसंग বা পদের ব্যাখ্যা সংক্রান্ত প্রশ্ন। সংক্ষিপ্ত বা অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন (১ বা ২ নম্বর): বহু বিকল্পভিত্তিক প্রশ্ন (MCQ) অথবা এক-দুটি বাক্যে উত্তর দেওয়ার প্রশ্ন (SAQ), যা পুরো সিলেবাস থেকে আসে। ২. মনসামঙ্গল কাব্য থেকে প্রধানত কি ধরনের প্রশ্ন আসে? ক. মঙ্গলকাব্য ও মনসামঙ্গল ধারা সম্পর্কিত সাধারণ প্রশ্ন (১০/৫ নম্বর) মঙ্গলকাব্যের...
মনসামঙ্গল।।‘মনসামঙ্গল কাব্যের কবি হিসেবে বা শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে বিজয় গুপ্তের কবি প্রতিভা’র পরিচয় দাও।
মনসামঙ্গল ।। ‘ মনসামঙ্গল কাব্যের কবি হিসেবে বা শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে বিজয় গুপ্তের কবি প্রতিভা’র পরিচয় দাও। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম সেমিস্টার বাংলা মেজর ও মাইনর। আমরা জানি যে, মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের লৌকিক মঙ্গলকাব্য ধারার অন্যতম আদি এবং শ্রেষ্ঠ কবি হলেন বিজয় গুপ্ত । বর্তমান বাংলাদেশের বরিশাল জেলার গোয়েলা (বা গৈলা) গ্রামে তাঁর জন্ম। ১৪৯৪ খ্রিষ্টাব্দে (শকাব্দ ১৪১৫) তিনি রচনা করেন তাঁর বিখ্যাত কাব্য ‘পদ্মপুরাণ’ , যা সাধারণকভাবে মনসামঙ্গল কাব্য নামেই পরিচিত।তবে- মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলী বা শাক্ত পদাবলীর পাশাপাশি মঙ্গলকাব্য ধারায় যে লৌকিক জীবনের চিত্র ফুটে উঠেছে, তার প্রথম সফল রূপকার ছিলেন বিজয় গুপ্ত। একজন কবি হিসেবে তাঁর প্রতিভার মূল্যায়নে সমসাময়িক সমাজচিত্র, বাস্তবতাবোধ, চরিত্র সৃষ্টি এবং লোকায়ত ভাষার ব্যবহার বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।আর এই দৃষ্টিভঙ্গিকে সামনে রেখে বলা যায় যে - ১. সমাজসচেতনতা ও বাস্তবতাবোধঃ বিজয় গুপ্তের কাব্য প্রতিভার অন্যতম প্রধান দিক হলো তাঁর সূক্ষ্ম পর্যবেক্ষণ শক্তি এবং বাস্তব...