Skip to main content

Posts

Showing posts from March, 2026

আন্তর্জাতিক ধ্বনিমূলক বর্ণমালা (IPA): সংজ্ঞা, উদ্দেশ্য ও প্রয়োজনীয়তা আলোচনা কর।

আন্তর্জাতিক ধ্বনিমূলক বর্ণমালা (IPA): সংজ্ঞা, উদ্দেশ্য ও প্রয়োজনীয়তা আলোচনা কর পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্র বিশ্ববিদ্যালয় চতুর্থ সেমিস্টার, বাংলা মেজর।             আমরা জানি যে,বিশ্বের বিভিন্ন ভাষার ধ্বনিসমূহকে একটি সুনির্দিষ্ট ও একক লিপির মাধ্যমে প্রকাশ করার জন্য যে আন্তর্জাতিক বর্ণমালা ব্যবহৃত হয়, তাকেই আন্তর্জাতিক ধ্বনিমূলক বর্ণমালা বা International Phonetic Alphabet (IPA) বলা হয়। ১৮৮৬ সালে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে 'International Phonetic Association' নামক একটি সংস্থা এটি প্রবর্তন করে। আরোও সহজ করে বলতে গেলে বলতে হয়--           বানান যাই হোক না কেন, পৃথিবীর যেকোনো ভাষার সঠিক উচ্চারণ যাতে একটি নির্দিষ্ট চিহ্নের মাধ্যমে যে কেউ বুঝতে পারে, সেই লক্ষ্যেই IPA তৈরি হয়েছে। যেমন: ইংরেজি 'Cat' এবং 'Character'—উভয় শব্দে 'C' থাকলেও এদের উচ্চারণ আলাদা। IPA-তে এদের সঠিক ধ্বনিগত রূপ যথাক্রমে [kæt] এবং [kærəktə] হিসেবে লেখা হয়।  • আন্তর্জাতিক ধ্বনিমূলক বর্ণমালা (IPA)প্রবর্তনের উদ্দেশ্য       আমরা জানি যে,IPA সৃষ্টির পেছনে প্রধানত...

অষ্টাদশ শতাব্দীতে শাক্ত পদাবলীর উদ্ভবের কারণসমূহ আলোচনা করো।

অষ্টাদশ শতাব্দীতে শাক্ত পদাবলীর উদ্ভবের কারণসমূহ আলোচনা করো। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্র বিশ্ববিদ্যালয়, প্রথম সেমিস্টার বাংলা মেজর।             আলোচনা শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে বৈষ্ণব পদাবলীর পর শাক্ত পদাবলীই ছিল সবচেয়ে প্রভাবশালী ধারা। এই ধারার উদ্ভবের পেছনে তৎকালীন সামাজিক, রাজনৈতিক এবং ধর্মীয় প্রেক্ষাপট ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। আর এই পরিপ্রেক্ষিতে আমরা শাক্তপদাবলীর উদ্ভবের কারণসমূহ গুলি নিম্ন সুত্রাকারে বলতে পারি।         •রাজনৈতিক অস্থিরতা ও চরম বিপর্যয়ের ছবি চিত্রাংকন শাক্ত পদাবলী।অষ্টাদশ শতাব্দীর বাংলা ছিল চরম বিশৃঙ্খলার সময়। মোগল সাম্রাজ্যের পতন, নবাবী শাসনের দুর্বলতা এবং মারাঠা দস্যু বা 'বর্গী' হাঙ্গামায় বাংলার জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল। ১৭৭০ সালের (১১৭৬ বঙ্গাব্দ) ভয়াবহ 'ছিয়াত্তরের মন্বন্তর' মানুষের মনে এক গভীর নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করে। এই চরম সংকটের মুহূর্তে মানুষ বৈষ্ণব ধর্মের কোমল 'পরকীয়া' প্রেমের চেয়ে মহাশক্তির আরাধনায় বেশি ভরসা খুঁজে পায়। আদ্যাশক্তি চণ্ডী বা কালীর চরণে আশ্রয় পাওয়ার আকুতি থেকেই শাক্...

চর্যাপদে প্রতিফলিত বাংলার ব্রাত্য জীবনকথার পরিচয় দাও।

চর্যাপদে প্রতিফলিত বাংলার ব্রাত্য জীবনকথার পরিচয় দাও(সমাজচিত্র)।পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম সেমিস্টার বাংলা মেজর।        আলোচনা শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,চর্যাপদ মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া সিদ্ধাচার্যদের সাধন-সংগীত হলেও এর পরতে পরতে মিশে আছে হাজার বছর আগের বাঙালির প্রাত্যহিক জীবনের ধুলোবালির কর্মকথা। শুধু তাই নয়,সমকালীন সমাজব্যবস্থায় উচ্চবর্গের শোষণে কোণঠাসা যে ' ব্রাত্য' বা অন্ত্যজ শ্রেণী , তাঁদের জীবনই চর্যাকারদের রূপক ও প্রতীকের প্রধান উৎস।আসলে ধর্মতত্ত্বের আড়ালে এখানে ফুটে উঠেছে সাধারণ মানুষের অভাব, পেশা, আমোদ-প্রমোদ এবং সামাজিক সংগ্রামের এক জীবন্ত দলিল। আর সেই জীবন্ত দলিলে আমরা দেখতে পাই-        • সামাজিক বিচ্ছিন্নতা ও অস্পৃশ্যতা র চর্যাপদের একটি অন্যতম মূল্যবান সম্পদ। আসলে চর্যাপদের যুগে সমাজ ছিল বর্ণাশ্রমের কঠোর শাসনে আবদ্ধ। ডোম, চণ্ডাল, শবর প্রভৃতি নিম্নবর্গের মানুষেরা নগরের সীমানার মধ্যে থাকার অধিকার পেত না। সমাজতাত্ত্বিক বিচারে তারা ছিল একান্তভাবে 'অস্পৃশ্য'। আর সেখানে আমরা চর্যাপদ গ্রন্থে কাহ্নপাদের ১০ নম্বর পদে আমরা দেখতে পাই- ...
  সৈয়দ মুজতবা আলির 'কুতুব মিনারের কথা' প্রবন্ধটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রবন্ধ। যে প্রবন্ধে লেখক কেবল একটি স্থাপত্যের বর্ণনা দেননি, বরং সুলতানি আমলের শিল্পরুচি ও কুতুব মিনারের অনন্যতা তুলে ধরেছেন।আর সেখানে আমরা দেখি-         প্রাবন্ধিক সৈয়দ মুজতবা আলির মতে, কুতুব মিনার বিশ্বের শ্রেষ্ঠ মিনার। ভারতের অন্য কোনো স্থাপত্য-এমনকি তাজমহলও এর সাথে তুলনায় আসে না। এটি সম্পূর্ণভাবে একটি স্বাধীন মিনার, যা কোনো মসজিদের অংশ হিসেবে তৈরি হয়নি, বরং এটি শিল্পীর নিজস্ব সৃজনী প্রতিভার এক শ্রেষ্ঠ নিদর্শন। আর-         কুতুব মিনারটি পাঁচটি তলায় বিভক্ত। প্রথমতলায় বাঁশি ও কোণের নকশা, দ্বিতীয়তলায় কেবল বাঁশি এবং তৃতীয়তলায় কেবল কোণের কারুকার্য দেখা যায়। শিল্পী অত্যন্ত নিপুণভাবে এই জ্যামিতিক নকশার হেরফের ঘটিয়ে মিনারটিকে একঘেয়েমি থেকে মুক্তি দিয়েছেন। মিনারের গায়ে খোদাই করা লতাপাতা এবং আরবি হরফের সারি এর সৌন্দর্যকে এক অনন্য উচ্চতা দান করেছে।         হিন্দু-মুসলিম স্থাপত্যরীতির মিলন মিনারটি তৈরির সময় হিন্দু ও মুসলিম—উভয় ঘরানার শিল্পী ও কারুকারদের সম্মিলিত ...
 আপনার আপলোড করা ছবিটি ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত এবং হৃদয়বিদারক একটি আলোকচিত্র। এটি সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিচে দেওয়া হলো: ছবির পরিচিতি ও পটভূমি  * আলোকচিত্রী: ছবিটি তুলেছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার বিখ্যাত ফটোসাংবাদিক কেভিন কার্টার (Kevin Carter)।  * সময় ও স্থান: ছবিটি ১৯৯৩ সালে দক্ষিণ সুদানের 'আইয়োড' (Ayod) নামক একটি গ্রামে দুর্ভিক্ষের সময় তোলা হয়েছিল।  * ছবির বিষয়বস্তু: ছবিতে দেখা যায় একটি জীর্ণশীর্ণ শিশু ক্ষুধার জ্বালায় মাটিতে নুইয়ে পড়েছে, আর তার ঠিক পেছনেই একটি শকুন ওৎ পেতে বসে আছে। এই শিশুটি তখন জাতিসংঘের একটি খাদ্য কেন্দ্রের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করছিল। পুরস্কার ও বিতর্ক  * পুলিৎজার পুরস্কার: এই অসামান্য এবং মর্মান্তিক ছবিটির জন্য কেভিন কার্টার ১৯৯৪ সালে সাংবাদিকতার সর্বোচ্চ সম্মান পুলিৎজার পুরস্কার (Pulitzer Prize) লাভ করেন।  * তীব্র সমালোচনা: পুরস্কার পাওয়ার পর সারা বিশ্বে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় ওঠে। অনেকেই প্রশ্ন তোলেন যে আলোকচিত্রী কেন শিশুটিকে উদ্ধার না করে ছবি তুলতে ব্যস্ত ছিলেন। কার্টার পরবর্তীতে জানিয়েছিলেন যে, তিনি ছবি তোলার পর শকুনটিকে তাড়িয়ে দিয়ে...
  ' হাজার চুরাশির মা' উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র হিসেবে সুজাতার বিবর্তন আলোচনা করো। একজন সাধারণ ঘরোয়া মা থেকে কীভাবে তিনি এক বিপ্লবী সত্তার জননী হয়ে উঠলেন? আলোচনা করো।           আলোচনা শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,মহাশ্বেতা দেবীর ‘হাজার চুরাশির মা’ উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র সুজাতা চ্যাটার্জির বিবর্তন একাধারে যন্ত্রণাময় এবং মুক্তিপ্রদ। একজন সাধারণ উচ্চবিত্ত পরিবারের অন্তরালবর্তী গৃহবধূ থেকে তাঁর ‘হাজার চুরাশির মা’ তথা এক বিপ্লবী সত্তার জননী হয়ে ওঠা সুজাতা চরিত্রের বিবর্তন ও উত্তরণে আমরা দেখতে পাই-           •উপন্যাসের শুরুতে সুজাতা একজন সাধারণ ঘরোয়া মা এবং এক অবদমিত গৃহবধূ। যিনি তাঁর স্বামী দিব্যনাথের আধিপত্যবাদী এবং নীতিহীন সংসারে নিজেকে মানিয়ে নিয়েছিলেন। দিব্যনাথের লম্পটতা ও সুবিধাবাদী আচরণের বিপরীতে সুজাতা ছিলেন শান্ত ও নিরুদ্দেশ। তাঁর একমাত্র মানসিক আশ্রয় ছিল তাঁর ছোট ছেলে ব্রতী। ব্রতী কেন নকশাল আন্দোলনে জড়িয়েছিল, তার রাজনৈতিক আদর্শ কী ছিল-তা সুজাতা শুরুতে জানতেন না। তিনি কেবল জানতেন ব্রতী তাঁর একান্ত আপন। তবে-       ...
 সূচনা (Intro) - [০:০০ - ০:৪৫ মিনিট] ​( ক্যামেরার সামনে হাসিমুখে অভিবাদন জানান) "নমস্কার বন্ধুরা, আপনাদের প্রিয় চ্যানেল 'শেষের কবিতা সুন্দরবন'-এ সবাইকে স্বাগত। আমি [আপনার নাম]। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (WBSU) প্রথম সেমিস্টারের ছাত্রছাত্রীরা অনেকদিন ধরেই একটি প্রশ্ন বারবার করছেন— 'আমাদের পরীক্ষা কবে থেকে শুরু হবে?' আজকের ভিডিওতে আমি আপনাদের সেই বহু প্রতীক্ষিত পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ এবং রুটিন সংক্রান্ত কিছু গুরুত্বপূর্ণ আপডেট দেব। তাই ভিডিওটি একদম শেষ পর্যন্ত দেখুন।" ​২. মূল খবর: সম্ভাব্য তারিখ (Main News) - [০:৪৫ - ২:৩০ মিনিট] ​"বন্ধুরা, বিভিন্ন সূত্র এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের গত কয়েক বছরের পরীক্ষার প্যাটার্ন বিশ্লেষণ করে যা জানা যাচ্ছে, তাতে আপনাদের পরীক্ষা এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে শুরু হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। ••নির্দিষ্ট করে বলতে গেলে, ১৫ই এপ্রিল ২০২৬ বা তার পরবর্তী দু-একদিনের মধ্যেই আপনাদের থিওরি পরীক্ষা শুরু হতে পারে। মনে রাখবেন, এটি একটি সম্ভাব্য তারিখ। তবে আপনারা এই তারিখটিকেই লক্ষ্য (Target) হিসেবে রেখে আপনাদের প্রস্তুতি চূড়ান্ত করু...

হাজার চুরাশির মা’ উপন্যাসের নামকরণের সার্থকতা আলোচনা করো।

‘ হাজার চুরাশির মা’ উপন্যাসের নামকরণের সার্থকতা আলোচনা করো পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (WBSU) ষষ্ঠ সেমিস্টার বাংলা মাইনর ।            আমরা জানি যে,সাহিত্যের সার্থক নামকরণের মধ্য দিয়ে লেখকের জীবনদর্শন ও গল্পের মূল সুরটি প্রতিফলিত হয়।আর এই প্রেক্ষিতে  মহাশ্বেতা দেবীর ‘হাজার চুরাশির মা’ (১৯৭৪) উপন্যাসটি কেবল একটি রাজনৈতিক আখ্যান নয়, এটি সত্তরের দশকের অগ্নিগর্ভ পশ্চিমবঙ্গের এক অসামান্য দলিল।যেখানে একটি লাশের শনাক্তকরণ নম্বর কীভাবে একজন মায়ের ব্যক্তিগত শোককে বিশ্বজনীন প্রতিবাদে রূপান্তরিত করে, তা এই নামকরণের মাধ্যমেই স্পষ্ট হয়ে ওঠে। আর সেখানে আমরা দেখি যে-        সংখ্যাতত্ত্ব ও ব্যক্তিপরিচয়ে ব্রতী। উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র সুজাতা চ্যাটার্জির মেজো ছেলে ব্রতী নকশাল আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিল। পুলিশের গুলিতে তার মৃত্যু হয়। রাষ্ট্রীয় নথিতে ব্রতী তখন আর কোনো নাম নয়, সে কেবল একটি সংখ্যা-১০৮৪। মর্গের ডোম বা পুলিশের লাল খাতার পাতায় তার পরিচয় ছিল 'হাজার চুরাশি নম্বর লাশ' (Corpse No. 1084)।শুধু তাই নয়-         ...

অপসঙ্গতি Maladjustment)কাকে বলে? অপসংগতির কারণগুলি আলোচনা করো। অপসংগতি দূরীকরণের উপায় গুলি কি কি?

অপসঙ্গতি Maladjustment)কাকে বলে? অপসংগতির কারণগুলি আলোচনা করো। অপসংগতি দূরীকরণের উপায় গুলি কি কি? পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় ষষ্ঠ সেমিস্টার এডুকেশন মাইনর।         • অপসঙ্গতির ধারণাঃ আমরা জানি যে,সঙ্গতিবিধান হলো একটি গতিশীল প্রক্রিয়া। যখন কোনো ব্যক্তি তার জৈবিক বা মনস্তাত্ত্বিক চাহিদার সাথে পরিবেশের প্রতিকূলতার সমন্বয় ঘটাতে পারে না, তখন তার মধ্যে এক ধরনের ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয়। মনোবিদ ল্যাজারাস (Lazarus)-এর মতে, যখন কোনো ব্যক্তি তার পরিবেশের সাথে কার্যকরভাবে মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়, তখনই অপসঙ্গতির সৃষ্টি হয়। এর ফলে ব্যক্তির মধ্যে অস্বাভাবিক আচরণ, অতিরিক্ত উদ্বেগ, অহেতুক ভয় বা আক্রমণাত্মক মনোভাব দেখা দেয়।অ • অপসঙ্গতির কারণসমূহ (Causes of Maladjustment)• আমরা জানি যে,অপসঙ্গতির কারণগুলি বহুমুখী।তাই একে প্রধানত চারটি স্তম্ভে ভাগ করে আলোচনা করা যেতে পারে। আর সেই ভাগগুলি হলো- ক) জৈবিক ও শারীরিক কারণ (Biological Causes):     • বংশগতিঃ অনেক সময় বংশগতভাবে প্রাপ্ত স্নায়বিক দুর্বলতা বা মানসিক অস্থিরতা অপসঙ্গতির ভিত্তি তৈরি করে।  • শারীরিক গঠন ও ত্রুটিঃ দ...
 ১০ নম্বরের বড় প্রশ্ন (Broad Questions) ​১. সঙ্গতিবিধানের সংজ্ঞা দাও এবং এর প্রকৃতি আলোচনা করো। একজন সুসংগতিপূর্ণ ব্যক্তির বৈশিষ্ট্যগুলি কী কী? ২. অপসঙ্গতি (Maladjustment) বলতে কী বোঝো? অপসঙ্গতির কারণগুলি (পারিবারিক, সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক) বিস্তারিত আলোচনা করো। ৩. প্রতিরক্ষণ কৌশল (Defense Mechanisms) কী? যেকোনো পাঁচটি প্রতিরক্ষা কৌশল উদাহরণসহ ব্যাখ্যা করো। (যেমন: অবদমন, যুক্তিনির্ভরতা, প্রক্ষেপণ ইত্যাদি)। ৪. সঙ্গতিবিধানে বিদ্যালয়ের ভূমিকা আলোচনা করো। একজন শিক্ষক কীভাবে শিক্ষার্থীদের সঠিক সঙ্গতিবিধানে সাহায্য করতে পারেন? ৫. সঙ্গতিবিধান এবং মানসিক স্বাস্থ্য (Mental Health): এদের মধ্যে সম্পর্ক কী? মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষায় সঙ্গতিবিধানের গুরুত্ব আলোচনা করো। ১০ নম্বরের অতিরিক্ত প্রশ্ন (Broad Questions) ​১. প্রতিরক্ষা কৌশল (Defense Mechanisms) ও মানসিক স্বাস্থ্য: প্রতিরক্ষা কৌশলগুলি কীভাবে সাময়িকভাবে মানসিক ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে? এর অতি-ব্যবহারের কুফলগুলি আলোচনা করো। ২. সঙ্গতিবিধানে বংশগতি ও পরিবেশের আপেক্ষিক গুরুত্ব: সঙ্গতিবিধানের প্রক্রিয়ায় বংশগতি (Heredity) না কি পরিবেশ (Env...

কোনি মতি নন্দী প্রথম সেমিস্টার

  কোনি' উপন্যাসের প্রথম থেকে ষষ্ঠ অধ্যায় পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ১ ও ২ নম্বরের প্রশ্নোত্তর নিয়ে আলোচনা করেছি। আসন্ন প্রথম সাময়িক পরীক্ষার (1st Unit Test) প্রস্তুতির জন্য এই সাজেশনটি অত্যন্ত কার্যকর। ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখুন এবং বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন।" ​ ১ নম্বরের অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (অধ্যায় ১-৬) ​ ১. 'কোনি' উপন্যাসের রচয়িতা কে? ​ উত্তর: প্রখ্যাত ক্রীড়া সাংবাদিক ও সাহিত্যিক মতি নন্দী। ​ ২. বিষ্ণুচরণ ধর প্রতিদিন কতক্ষণ মালিশ করাতেন? ​ উত্তর: বিষ্ণুচরণ ধর প্রতিদিন চার ঘণ্টা ধরে মালিশ করাতেন। ​ ৩. ক্ষিতীশ সিংহ কোন ক্লাবে সাঁতারের ট্রেনার ছিলেন? ​ উত্তর: ক্ষিতীশ সিংহ কলকাতার 'জুপিটার' ক্লাবের সাঁতারের ট্রেনার ছিলেন। ​ ৪. ক্ষিতীশের স্ত্রীর নাম কী? তিনি কী কাজ করতেন? ​ উত্তর: ক্ষিতীশের স্ত্রীর নাম লীলাবতী। তিনি একটি দর্জির দোকান (টেইলরিং শপ) চালাতেন। ​ ৫. "ফাইট কোনি ফাইট"—উক্তিটি কার? ​ উত্তর: এটি উপন্যাসের মূল মন্ত্র এবং কোনিকে উৎসাহিত করার জন্য এই উক্তিটি ক্ষিতীশ সিংহের। ​ ৬. কোনির বাবার নাম কী? তাঁর মৃত্যু হয়েছিল কেন? ​ উত্তর: কোনি...
  তোর আসল লজ্জা জ্বলে, আসল গর্বও জ্বলে" — উক্তিটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো। ক্ষিতীশ কেন কোনিকে এই কথা বলেছিলেন? একজন প্রকৃত খেলোয়াড়ের কাছে শরীরের পোশাক বা সামাজিক দারিদ্র্য বড় কথা নয়, তার প্রধান ক্ষেত্র হলো খেলার মাঠ। এখানে 'জল' বলতে সাঁতারের পুকুর বা প্রতিযোগিতার ট্র্যাককে বোঝানো হয়েছে। ক্ষিতীশ কোনিকে বোঝাতে চেয়েছিলেন যে: ​আসল লজ্জা: গরিব হওয়া বা সাধারণ পোশাক পরা লজ্জার বিষয় নয়। লজ্জার বিষয় হলো প্রতিযোগিতায় অন্যের কাছে হেরে যাওয়া বা নিজের সেরাটা দিতে না পারা। ​আসল গর্ব: দামি পোশাকে বা সচ্ছলতায় কোনো খেলোয়াড়ের গর্ব নেই। তার আসল গর্ব হলো জলের মধ্যে রেকর্ড গড়া এবং জয়ী হওয়া। ​এককথায়, ক্ষিতীশ কোনিকে বস্তুবাদী জগতের মোহ থেকে সরিয়ে এনে খেলোয়াড়োচিত মানসিকতা (Sportsman Spirit) তৈরিতে সাহায্য করতে চেয়েছিলেন। ​ক্ষিতীশ কেন কোনিকে এই কথা বলেছিলেন? ​ক্ষিতীশ সিংহ এই কথাটি কোনিকে বলেছিলেন তার মনের হীনম্মন্যতা দূর করার জন্য। এর কারণগুলি হলো: ​১. দারিদ্র্য ও সংকোচ: কোনি ছিল অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের মেয়ে। জুপিটার বা অ্যাপোলোর মতো ক্লাবে সচ্ছল ঘরের ছেলেমেয়েদের মাঝে নিজেকে খাপ খাওয়াতে তার খুব লজ্জ...

ইতিহাস মাইনর প্রথম সেমিস্টার সাজেশন 2026 পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়।

ইতিহাস মাইনর প্রথম সেমিস্টার সাজেশন 2026  পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়।       প্রাচীন ভারতের ইতিহাস: প্রশ্ন ও উত্তর ১. রাজতরঙ্গিনী কে লিখেছিলেন? এটি কোন রাজ্যের সম্পর্কে আলোকপাত করেছিল?      • রাজতরঙ্গিনী গ্রন্থটি রচনা করেছিলেন দ্বাদশ শতাব্দীর কাশ্মীরি পণ্ডিত কলহন। গ্রন্থটি মূলত প্রাচীন ও মধ্যযুগের কাশ্মীর রাজ্যের রাজনৈতিক ইতিহাস ও রাজবংশগুলির উপর আলোকপাত করে। ২. হরপ্পা সভ্যতার দুটি প্রত্নকেন্দ্রের নাম করো যেগুলি প্রমাণ করে যে অধিবাসীরা ধান উৎপন্ন করত।       •গুজরাটের লোথাল এবং রংপুর।এই দুটি প্রত্নকেন্দ্র থেকে ধানের তুষ ও অবশেষ পাওয়া গেছে, যা প্রমাণ করে যে হরপ্পার অধিবাসীরা ধান চাষ জানত। ৩. মহেঞ্জোদারোর প্রাপ্ত ব্রঞ্জের নর্তকী মূর্তির তাৎপর্য কী?         •মহেঞ্জোদারোর এই মূর্তিটি সিন্ধু সভ্যতার উন্নত ধাতুশিল্প ও ক্ষয়িষ্ণু মোম পদ্ধতি (Lost Wax Process) সম্পর্কে ধারণা দেয়। এটি তৎকালীন সমাজের বিনোদন প্রিয়তা এবং নারীশক্তির অলঙ্কৃত রূপটি প্রকাশ করে। ৪. ঋক বৈদিক যুগের দুটি মুদ্রার নাম লেখো।       • ঋক ব...

ইতিহাস প্রথম সেমিস্টার সংক্ষিপ্ত প্রশ্নাবলী

••রাজতরঙ্গিনী কে লিখেছিলেন? এটি কোন রাজ্যের সম্পর্কে আলোকপাত করেছিল? •• হরপ্পা সভ্যতার এমন দুটি প্রত্নকেন্দ্রের নাম করো যেগুলি প্রমাণ করে যে,হরপ্পার অধিবাসীরা ধান উৎপন্ন করত। • মহেঞ্জদারোর প্রাপ্ত ব্রঞ্জের নর্তকী মূর্তির তাৎপর্য কি? •• ঋক বৈদিক যুগের দুটি মুদ্রার নাম লেখো। ••কৃষিকাজের উল্লেখ আছে এমন দুটি বৈদিক গ্রন্থের নাম উল্লেখ করো। •• অষ্টাঙ্গিক মার্গ বলতে তুমি কি বোঝো? •আলেকজান্ডার কখন ভারত আক্রমণ করেন? ভারত ইতিহাসে তার আক্রমণের তাৎপর্য কী? ••মেগাস্থিনিস কে ছিলেন? তার গ্রন্থের নাম কি? ••কোন পণ্ডিত ব্যক্তি সর্বপ্রথম অশোকের লেখ পাঠ করেন? অশোকের দুটি গুরুত্বপূর্ণ লেখ এর নাম উল্লেখ করো। ••জুনাগড় লিপিতে কার কৃতিত্বের কথা বর্ণনা রয়েছে? • মহেঞ্জোদারোতে বৃহৎ স্নানাগারটি কি ছিল? ••ত্রিরত্ন বলতে কী বোঝায়? ••মৌর্যযুগে ধর্মমহামাত্রদের কাজ কি ছিল? ••বানভট্ট কে ছিলেন?তাঁর রচিত গ্রন্থের নাম উল্লেখ করো। ••কে কখন শক যুগের সূচনা করেছিলেন? ••সাতবাহন রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা কে? *** ভারতবর্ষের দুটি প্রত্ন ক্ষেত্রের নাম কর যেখান থেকে পুরাপ্রস্তর যুগের প্রস্তরচিত্র পাওয়া গেছে। •হরপ্পা সভ্যতার এমন দুটি প...

সমন্বয় কাকে বলে? সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তা আলোচনা করো।

সঙ্গতিবিধান বা সমন্বয় কাকে বলে? সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তা আলোচনা করো।পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় ষষ্ঠ সেমিস্টার এডুকেশন মাইনর।       সঙ্গতিবিধান বা সমন্বয়ঃ সাধারণ অর্থে, কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য একটি প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন বিভাগ, ব্যক্তি এবং তাদের কাজের মধ্যে ঐক্য ও সামঞ্জস্য বিধান করার প্রক্রিয়াকেই সমন্বয় বলা হয়।তবে-         শিক্ষা প্রশাসনের পরিভাষায়, বিদ্যালয়ের লক্ষ্য পূরণের জন্য শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী, শিক্ষার্থী এবং উপকরণের মধ্যে যে সুশৃঙ্খল সংযোগ স্থাপন করা হয়, তাকেই শিক্ষামূলক সমন্বয় বলে। মুনিও রেইলির মতে-" সমন্বয় হলো সাধারণ লক্ষ্য অর্জনের জন্য সম্মিলিত প্রচেষ্টার সুশৃঙ্খল বিন্যাস ।"  • সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সুষ্ঠু পরিচালনা এবং গুণগত মান উন্নয়নের জন্য সমন্বয়ের গুরুত্ব অপরিসীম। আর সেখানে  এর প্রয়োজনীয়তাগুলো হলো-       • লক্ষ্যের ঐক্য নিশ্চিতকরণঃ একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন বিষয়ের শিক্ষক এবং অশিক্ষক কর্মচারী থাকেন। সমন্বয় না থাকলে প্রত্যেকের প্রচেষ্টা ভিন্ন দিকে চালিত হতে পারে। সমন্ব...
  "Hello YouTube Team, this is Samaresh Sardar  and I am the creator of the channel 'SHESHER KOBITA SUNDARBAN' . Today, I am recording this video to appeal against the 'Reused Content' decision on my channel."          "In this video, I am creating a 'History Minor Suggestion' for the first-semester students of West Bengal State University (WBSU) . As a professional educator, I don't just copy-paste information. I analyze previous years' question papers, follow the current NEP syllabus, and use my academic expertise to prepare these suggestions."        "You can see me on camera right now. I use my own voice and face-cam to explain these complex topics to my students. Every slide, note, and piece of information shown in my videos is researched and compiled by me. I use editing tools to make the educational content more engaging and easy to understand." ​ ৪. শেষ কথা: "My goal is to provide quality education to the s...

রামরাজ্য

  রামরাজ্য মহাত্মা গান্ধীর 'রামরাজ্য' কোনো ধর্মীয় গোঁড়ামি বা নির্দিষ্ট কোনো দেবতার শাসন নয়, বরং এটি ছিল তাঁর একটি আদর্শ সমাজ ও রাষ্ট্রের রাজনৈতিক দর্শন। তাঁর দৃষ্টিতে রামরাজ্য মানে হলো ' জনগণের সার্বভৌমত্ব' যেখানে নৈতিকতা ও ন্যায়ের শাসন প্রতিষ্ঠিত থাকবে। নিচে গান্ধীর রামরাজ্যের মূল বৈশিষ্ট্যগুলো সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো: ১. নৈতিক ও আদর্শ রাষ্ট্র গান্ধীজির কাছে রামরাজ্য ছিল একটি ' আদর্শ গণতন্ত্র'। যেখানে রাজা বা শাসক জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করবেন। এখানে 'রাম' মানে দশরথ পুত্র রাম নয়, বরং রাম বলতে তিনি বুঝিয়েছেন অন্তরাত্মার বিবেক বা ঈশ্বরকে। তাঁর মতে, যে শাসনব্যবস্থায় সত্য ও অহিংসা প্রধান ভিত্তি, সেটাই রামরাজ্য। ২. বিকেন্দ্রীকরণ ও গ্রাম স্বরাজ গান্ধীজি বিশ্বাস করতেন যে সত্যিকারের ভারত তার গ্রামগুলোতে বাস করে। তাই রামরাজ্যের মূলে ছিল 'গ্রাম স্বরাজ'।  * প্রতিটি গ্রাম হবে স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং স্বশাসিত।  * ক্ষমতা কোনো নির্দিষ্ট কেন্দ্রে কুক্ষিগত না থেকে পঞ্চায়েতি ব্যবস্থার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের হাতে থাকবে। ৩. সামাজিক সাম্য ও অন্ত্যোদয় রামরাজ্যে উঁচু-নিচু, ...

ইতিহাস মাইনর প্রথম সেমিস্টার সাজেশন ২০২৬

  বিভাগ-খ,যেকোনো ২টি প্রশ্নের উত্তর দাও ৫×২=১০ ** * ক্ষুদ্রাশ্মীয় আয়ুধের উপর একটি সংক্ষিপ্ত টীকা লেখ  *** হরপ্পা বাসীদের ধর্মীয় জীবনের উপর মন্তব্য করো/ হরপ্পা সভ্যতার বিস্তৃতি *** জৈন ও বৌদ্ধধর্মের পার্থক্য লেখো। *** ঋক বৈদিক যুগের সমাজব্যবস্থা নিয়ে সংক্ষিপ্ত প্রবন্ধ লেখো/ ঋক বৈদিক যুগে নারীদের অবস্থা কেমন ছিল /  *** বৈদিক যুগের বর্ণ ব্যবস্থার ওপর একটি সংক্ষিপ্ত টীকা লেখ *** মৌর্য যুগের গুপ্তচর ব্যবস্থা সম্পর্কে একটি টীকা লেখ।  *** অশোকের ধম্মের মূল নীতিগুলি কি ছিল  ** কলিঙ্গ যুদ্ধের ঐতিহাসিক গুরুত্ব লেখো  ** ষোড়শ মহাজনপাদ সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত টীকা লেখ *সাতবাহনদের উৎপত্তি সম্পর্কে তুমি কী জানো? *চন্দ্রগুপ্ত মোর্য কে ছিলেন? বিভাগ -গ, যেকোনো দুটি প্রশ্নের উত্তর দাও  ১০×২=২০ *** ৭) প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনার উপাদান হিসেবে লিপি ও মুদ্রার গুরুত্ব আলোচনা কর   *** হরপ্পা সভ্যতা কতটা নগরাশ্রয়ী ছিল?  আর্যদের আদি বাসস্থান নির্ণয়ের সমস্যাটি পর্যালোচনা কর  *** প্রাচীন ভারতে প্রতিবাদীর ধর্ম আন্দোলন গড়ে ওঠার সামাজিক অর্থনৈতিক ও ধর্মী...

ইতিহাস মাইনর প্রথম সেমিস্টার প্রশ্নাবলী

 ২০২৪ বিভাগ-ক  উত্তর পশ্চিম ভারতের দুটি গুরুত্বপূর্ণ নব্য প্রস্তরযুগীয় প্রত্নক্ষেত্রের নাম উল্লেখ করো   হরপ্পা সভ্যতার সমকালীন দুটি অ-ভারতীয় সভ্যতার নাম করো।  মঞ্জোদারোর বৃহৎ স্নানাগারের গুরুত্ব কি?  রামায়ণ ও মহাভারত এই দুই মহাকাব্যের ঐতিহাসিক গুরুত্ব কি?  ঋক বৈদিক যুগে সভ্য ও সমিতি বলতে কী বোঝো?  ত্রিরত্ন কি?  কতজন জৈন তীর্থঙ্করের উল্লেখ পাওয়া যায়? শেষ দুজন তীর্থঙ্করের নাম লেখো।  অর্থশাস্ত্র এর রচয়িতা কে?এর মূল বিষয়বস্তু কী?  বিন্দুসার কে ছিলেন?  মৌর্য যুগে মহা ধর্ম মহামাত্রদের কাজ কি ছিলো?  কে এবং কখন মৌর্য বংশের পতন ঘটান? শেষ মৌর্য সম্রাট কে ছিলেন?  খ্রিস্টীয় প্রথম শতকে আবিষ্কৃত কোন প্রাকৃতিক ঘটনা, ভারত-রোম সামুদ্রিক বাণিজ্যের বৃদ্ধিতে সাহায্য করেছিল?  কুষান বংশের সর্বশ্রেষ্ঠ শাসক কে ছিলেন? তার রাজধানী কোথায় ছিল? কে কখন শক যুগের সূচনা করেছিলেন? কে নাসিক প্রশস্তি রচনা করেন এবং কেন?  ২০২৩   ভারতবর্ষের দুটি প্রত্ন ক্ষেত্রের নাম কর যেখান থেকে পুরাপ্রস্তর যুগের প্রস্তরচিত্র পাওয়া গেছে।  হরপ...

ঝুমুর দল ও ঝুমুর গান এই উপন্যাসে আঞ্চলিক এই শিল্পধারাগুলো কেবল বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং কাহিনির চালিকাশক্তি- আলোচনা করো

ঝুমুর দল ও ঝুমুর গান এই উপন্যাসে আঞ্চলিক এই শিল্পধারাগুলো কেবল বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং কাহিনির চালিকাশক্তি- আলোচনা করো পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় ষষ্ঠ সেমিস্টার বাংলা মেজর।            আলোচনা শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'কবি' উপন্যাসে ঝুমুর দল ও ঝুমুর গান কোনো অলঙ্কার মাত্র নয়; বরং এটি উপন্যাসের মূল ঘটনার বুনন, চরিত্রের রূপান্তর এবং জীবনদর্শনের প্রধান চালিকাশক্তি। বীরভূমের রুক্ষ লাল মাটির সংস্কৃতির সাথে মিশে থাকা এই লোকশিল্পটি কীভাবে কাহিনিকে গতিদান করেছে। আর সেই গতিদানে আমরা লক্ষ্য করি যে-      ঝুমুর দল হলো নিম্নবর্গের জীবন সংগ্রামের দর্পণ ইতিহাস।উপন্যাসের শুরুতেই আমরা দেখি-নিতাই তার চোর-ডাকাতের বংশীয় পরিচয় মুছে ফেলে একজন 'কবি' হতে চায়। তার এই শিল্পীসত্তার উত্তরণ ঘটে ঝুমুর দলের সংস্পর্শে আসার মাধ্যমে। ঝুমুর দলগুলো তৎকালীন বীরভূমের প্রান্তিক মানুষের এক বিচিত্র জীবিকা ছিল। তারা মেলায় মেলায় ঘুরে গান গেয়ে বেড়াত। এই দলগুলোর যাযাবর জীবন এবং তাদের ভেতরের নৈতিক ও সামাজিক সংকট নিতাইয়ের জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। ঝুমুর দ...

সমাজ ও সভ্যতার সংজ্ঞা দাও। সমাজ ও সভ্যতার মধ্যে পার্থক্য লেখো।

সমাজ ও সভ্যতার সংজ্ঞা দাও। সমাজ ও সভ্যতার মধ্যে পার্থক্য লেখো। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় ষষ্ঠ সেমিস্টার দর্শন মাইনর  সমাজঃসাধারণ অর্থে 'সমাজ' বলতে একদল মানুষের সমষ্টিকে বোঝায় যারা নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য সাধনের জন্য একত্রিত হয়। সমাজবিজ্ঞানী ম্যাকাইভার ও পেজ (MacIver and Page) -এর মতে- ​" সমাজ হলো সামাজিক সম্পর্কের একটি জাল" (Society is the web of social relationships )।"           অর্থাৎ, যখন একাধিক ব্যক্তি পারস্পরিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া এবং সম্পর্কের ভিত্তিতে একটি সুসংগঠিত কাঠামো গড়ে তোলে, তাকেই সমাজ বলে। সমাজের মূল ভিত্তি হলো চেতনা এবং সহযোগিতা। ​২. সম্প্রদায়ঃ সম্প্রদায় হলো সমাজের একটি নির্দিষ্ট অংশ যেখানে মানুষ একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকায় বসবাস করে এবং তাদের মধ্যে এক গভীর একাত্মবোধ বা 'আমরা-বোধ' (We-feeling) কাজ করে।সমাজবিজ্ঞানী বোগার্ডাস (Bogardus) -এর মতে- ​" সম্প্রদায় হলো এমন একটি সামাজিক গোষ্ঠী যেখানে কিছুটা হলেও 'আমরা-বোধ' কাজ করে এবং যারা একটি নির্দিষ্ট স্থানে বসবাস করে।" • সমাজ ও সভ্যতার পার্থক্য• ১. নির্দিষ্ট ...

রাঢ়ী উপভাষা কি? রাঢ়ী উপভাষা প্রচলিত অঞ্চল গুলির নাম লেখো।এই উপভাষার রূপতাত্ত্বিক এবং ধ্বনিতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য গুলি আলোচনা করো

রাঢ়ী উপভাষা কি? রাঢ়ী উপভাষা প্রচলিত অঞ্চল গুলির নাম লেখো।এই উপভাষার রূপতাত্ত্বিক এবং ধ্বনিতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য গুলি আলোচনা করো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্র বিশ্ববিদ্যালয় চতুর্থ সেমিস্টার বাংলা মেজর  রাঢ়ী উপভাষাঃ পশ্চিমবঙ্গের মধ্য-ভাগ বা প্রাচীন রাঢ় অঞ্চলের উপভাষাই হলো রাঢ়ী উপভাষা। এই উপভাষার মার্জিত রূপটিই বর্তমানে আমাদের 'মান্য চলিত বাংলা' হিসেবে স্বীকৃত।প্রাচীন ‘রাঢ়’ অঞ্চল (অধুনা পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ) থেকে এই উপভাষার নামকরণ হয়েছে।আর সেখানে-      • প্রচলিত অঞ্চল এই উপভাষাটি মূলত পশ্চিমবঙ্গের নিম্নলিখিত জেলাগুলিতে প্রচলিত। প্রচলিত সেই অঞ্চল গুলি হল-কলকাতা, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগণা।•হাওড়া, হুগলি, নদিয়া ও মুর্শিদাবাদ।•পূর্ব বর্ধমান এবং বাঁকুড়া ও বীরভূম জেলার পূর্বাংশ। • রাঢ়ী উপভাষার সীমা নির্ধারণ • রাঢ়ী উপভাষার চতুর্দিকের সীমানা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়- ​ উত্তরেঃ বরেন্দ্রী উপভাষার সীমানা (মালদহ ও দক্ষিণ দিনাজপুরের কিছু অংশ)। ​ দক্ষিণেঃ বঙ্গোপসাগর এবং উড়িষ্যা সংলগ্ন মেদিনীপুরের কিছু অংশ (যেখানে ঝাড়খণ্ডী ও রাঢ়ীর মিশ্রণ লক্ষ্য করা যায়)। ​পূর্বেঃ বঙ্গীয় বা...
 WBSU ১ম সেমিস্টার: চার্বাক দর্শন (২ নম্বরের প্রশ্ন-উত্তর) ​• ঋণ কাকে বলে? ঋণ কয় প্রকার ও কি কি? • ভারতীয় দর্শনের স্বীকৃত পঞ্চকোষসমূহের নাম লেখো। • চার্বাক দর্শনে ভূত কয়টি ও কি কি? ১. চার্বাক মতে 'প্রমাণ' কয়টি ও কী কী? উত্তর: চার্বাক মতে প্রমাণ একটিই, তা হলো প্রত্যক্ষ। চার্বাকরা প্রত্যক্ষ ছাড়া অন্য কোনো প্রমাণ (যেমন— অনুমান, শব্দ বা উপমান) স্বীকার করেন না। ​২. চার্বাকরা কেন 'আকাশ' বা 'ব্যোম'-কে স্বীকার করেন না? উত্তর: চার্বাকরা কেবল সেই বস্তুগুলোকেই স্বীকার করেন যা প্রত্যক্ষ করা যায়। আকাশ বা ব্যোম প্রত্যক্ষযোগ্য নয় (অপ্রতক্ষ্য), তাই চার্বাক মতে এটি মৌলিক ভূত পদার্থ নয়। ​৩. চার্বাক দর্শনের অপর নাম 'লোকায়ত দর্শন' কেন? উত্তর: 'লোকেষু আয়ত' অর্থাৎ সাধারণ মানুষের মধ্যে এই দর্শনের ব্যাপক প্রচার ছিল। সাধারণ মানুষ ইহজাগতিক সুখ ও ভোগবাদে বিশ্বাসী বলে এই দর্শনকে লোকায়ত দর্শন বলা হয়। ​৪ . 'ভূচৈতন্যবাদ' বা 'দেহাত্মবাদ' বলতে কী বোঝায়? উত্তর: চার্বাক মতে, চৈতন্য হলো দেহের ধর্ম। ক্ষিতি, অপ, তেজ ও মরুৎ—এই চার ভূতের মিলনে দেহে চৈতন্যের উদয় ...

মিনাক্ষী মুখার্জী

•জনগণের দরবারে উদীয়মান বার্তাঃউত্তরপাড়ার উন্নয়ন ও বিকল্প রাজনীতির ডাক।      উত্তরপাড়া,২৩শে মার্চ ২০২৬- আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে উত্তরপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রটি এখন রাজ্য রাজনীতির অন্যতম আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু।এই কেন্দ্রে বিকল্প ও স্বচ্ছ রাজনীতির মুখ হিসেবে উঠে আসছেন লড়াকু নেত্রী মীনাক্ষী মুখার্জি। উত্তরপাড়ার কৃষ্টি, সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যকে রক্ষা করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন সমস্যার সমাধানে তাঁর উপস্থিতি এক নতুন আশার আলো দেখাচ্ছে। •কেন উত্তরপাড়ার জন্য মীনাক্ষী মুখার্জি অপরিহার্য?       • সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে মীনাক্ষী মুখার্জি আজ এক পরিচিত নাম। ডিওয়াইএফআই (DYFI)-এর রাজ্য সম্পাদিকা হিসেবে বেকারদের কর্মসংস্থান এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে তাঁর আপসহীন লড়াই উত্তরপাড়ার তরুণ প্রজন্মের কাছে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।        • উত্তরপাড়া-কোতরং এবং মাখলা অঞ্চলের নিকাশি ব্যবস্থা, যানজট এবং বন্ধ হয়ে যাওয়া কলকারখানাগুলোর পুনরুজ্জীবনে মীনাক্ষীর সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি কেবল গৎবাঁধা প্রতিশ্রুতিতে বিশ্বাসী নন, বরং নিচুতলার মানুষ...
 আপনার ছাত্রদের পরীক্ষার প্রস্তুতির কথা মাথায় রেখে, উপরের টপিকগুলোর ওপর ভিত্তি করে একটি মডেল প্রশ্নপত্র (Model Question Paper) নিচে সাজিয়ে দিলাম। এটি আপনি সরাসরি ক্লাসে বা আপনার চ্যানেলের জন্য ব্যবহার করতে পারেন। মাধ্যমিক ইতিহাস প্রস্তুতি: দ্বিতীয় ও তৃতীয় অধ্যায় সময়: ৪৫ মিনিট | পূর্ণমান: ২০ ১. সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো (MCQ): (1 \times 5 = 5) ১.১. 'ফরাজী' শব্দটি এসেছে আরবি 'ফরাজ' শব্দ থেকে, যার অর্থ হলো— (ক) ধর্মযুদ্ধ (খ) বাধ্যতামূলক কর্তব্য (গ) নবজাগরণ (ঘ) স্বাধীনতা। ১.২. নীল চাষ করার জন্য চাষীদের অগ্রিম অর্থ দেওয়াকে বলা হতো— (ক) আবওয়াব (খ) দাদন (গ) খাজন (ঘ) নজরানা। ১.৩. চুয়াড় বিদ্রোহের (১৭৯৯) অন্যতম নেত্রী ছিলেন— (ক) মাতঙ্গিনী হাজরা (খ) রানী শিরোমণি (গ) দেবী চৌধুরানী (ঘ) প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার। ১.৪. তিতুমীরের আসল নাম কী ছিল? (ক) দুদু মিঞা (খ) মীর নিসার আলী (গ) চেরাগ আলী (ঘ) লুৎফর রহমান। ১.৫. বাঁশের কেল্লা কোথায় নির্মিত হয়েছিল? (ক) বারাসাত (খ) নারকেলবেড়িয়া (গ) বাদুড়িয়া (ঘ) বসিরহাট। ২. অতি সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও (একটি বাক্যে): (1 \times 3 = 3) ২.১. কে ফরাজী আন্দোলনের প্রবর...