উত্তর - মধ্যযুগে বাংলা সাহিত্যে বেশ কিছু সাহিত্য রচিত হয়েছিল । আর সেই সাহিত্য ধারায় গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়গুলো অনুবাদ সাহিত্য। ১২০৬ খ্রিস্টাব্দে তুর্কি আক্রমণের ফলে বাংলাদেশের সমাজ ও পরিবার এক গভীর সংকটের মুখে পড়ে। যারফলে হিন্দু শাসনতন্ত্রের অবসান এবং ইসলামীয় শাসনতন্ত্রের শুরু হয়। সেই সময়কালে নিম্নবর্গীয় হিন্দু জনজাতি ভয়ে ও আত্মরক্ষার তাগিদে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে। নিজেদের অস্তিত্ব বাঁচিয়ে রাখার এটাই ছিল সেদিন বাঙালির একমাত্র পথ । আর সেই কারণেই একদল মানুষ অবক্ষয়িত হিন্দু সমাজকে পুনরুজ্জীবিত
একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়-সারদা মঙ্গল গীতিকাব্য হলো এক ধরনের কবিতা, যার মধ্যে দিয়ে ব্যক্তির আবেগ, অনুভূতি এবং অভিজ্ঞতাগুলিকে ছন্দ ওর সংগীতের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। তবে এখানে কবিতাগুলি খুবই ছোট আকারের হয়, আর সেখানে কবির ব্যক্তিগত অনুভূতির গভীরতা ও আন্তরিকতা প্রকাশ পায়। আর এই প্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি গীতি কবিতার সংকলন হলো গীতিকাব্য। ব্যঞ্জনাময় ও সংহত । গীতিকাব্যের বৈশিষ্ট্য গীতিকাব্যের কিছু প্রধান বৈশিষ্ট্য নিচে আলোচনা করা হলো: ১. ব্যক্তিগত অনুভূতি ও আবেগ প্রকাশ: এটি গীতিকাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য। এখানে কবি নিজের ব্যক্তিগত অনুভূতি, প্রেম, বিরহ, আনন্দ বা বিষাদের কথা তুলে ধরেন। ২. সংক্ষিপ্ততা: গীতিকাব্য সাধারণত দীর্ঘ হয় না। অল্প কয়েকটি স্তবকের মধ্যে কবি তাঁর ভাবনা সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করেন। ৩. সুর ও ছন্দের প্রাধান্য: গীতিকাব্য মূলত সুর করে আবৃত্তি করার জন্য রচিত হয়। তাই এতে সুর ও ছন্দের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়। ৪. আত্মগতভাব: গীতিকাব্যে বাইরের জগতের বর্ণনা না দিয়ে কবির নিজের মনের ভেতরের জগতের প্রতি মনোযোগ ...
Comments
Post a Comment