Skip to main content

অধিকার কাকে বলে? অধিকারের প্রকারভেদ/শ্রেণীবিভাগ আলোচনা করো।

অধিকার কাকে বলে? অধিকারের প্রকারভেদ/শ্রেণীবিভাগ আলোচনা করো। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম সেমিস্টার রাষ্ট্রবিজ্ঞান মাইনর ইউনিট ২ 

      •  অধিকারঃ-অধিকার হলোএমন কতকগুলো মৌলিক সুযোগ-সুবিধা যা সবার জন্য আবশ্যক। আসলে অধিকার বলতে মানুষের আত্মবিকাশের জন্য সেই সকল সুযোগ-সুবিধা বা দাবিকে বোঝায়, যে দাবিসমূহের হয়তো নৈতিক না হয় আইনগত ভিত্তি রয়েছে। অধ্যাপক হ্যারন্ড জে লাঙ্কি র মতে-

      "অধিকার হচ্ছে সমাজজীবনের সেসব অবস্থা যা  ব্যতীত মানুষ তার ব্যক্তিত্বের পরিপূর্ণ বিকাশ ঘটাতে সক্ষম হয় না।" (Rights are those conditions of social life without which no man can be at his best.)

         আবার জাতিসংঘের ইউনেস্কো কমিটির মতে, ‘অধিকার হলো জীবনযাত্রার সেসব সুযোগ-সুবিধা, যা না থাকলে নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক স্তরে মানুষ সক্রিয় সদস্য হিসেবে সমাজের কল্যাণ সাধন করতে পারে না। কারণ ঐসব সুযোগের অভাবে নিজ সত্তার পূর্ণ বিকাশ আদৌ সম্ভব না।

অধিকারকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়--

 ১) নৈতিক অধিকার ২)  আইনগত অধিকার ।

       • ১) নৈতিক অধিকারঃ যে অধিকার মানুষের নৈতিক অনুভূতির উপর নির্ভর করে এবং যেগুলো কোনো কর্তৃপক্ষ কর্তৃক রক্ষিত হয় না এবং যা লঙ্ঘিত করলে কোন শাস্তির নির্দিষ্ট বিধান নেই তাকে সাধারণভাবে নৈতিক অধিকার বলা হয়।যেমন- 

     বৃদ্ধ বয়সে সন্তানের কাছ থেকে পিতামাতার সহযোগিতা লাভ বা দেখভালের অধিকার।তবে এই নৈতিক অধিকার বিভিন্ন সমাজে বিভিন্ন রকম হতে পারে।

      ২) আইনগত অধিকারঃরাষ্ট্রীয় আইন দ্বারা স্বীকৃত অধিকারকে আইনগত অধিকার বলে। আইনগত অধিকারের মূলভিত্তি হলো রাষ্ট্র কর্তৃক অনুমোদিত আইন। রাষ্ট্রে বসবাসকারী কোনো নাগরিক আইনগত অধিকার করতে পারে না।এটি অমান্য করলে রাষ্ট্র তাকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি প্রদান করতে পারে। যেমন- 

          স্বাধীনভাবে মত প্রকাশের অধিকার, চলাফেরার অধিকার, সম্পত্তি ভোগের অধিকার ইত্যাদি।আইনগত অধিকারকে আবার তিন ভাগে ভাগ করা যায়- 

  ক) সামাজিক অধিকার,খ) রাজনৈতিক অধিকার 

          গ) অর্থনৈতিক অধিকার

       •ক) সামাজিক অধিকারঃ- সামাজিক অধিকার বলতে সেসব অধিকারকে বোঝায় যা ছাড়া সমাজের সদস্য হিসেবে সুন্দর ও সভ্য জীবন যাপন করা সম্ভব নয়।এসব অধিকারের সহায়তায় নাগরিকগণ তাদের ব্যক্তিত্ব উপলব্ধি করে সামাজিক জীবনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতে পারে। আবার স্থান, কালভেদে এই অধিকারগুলোর মধ্যে পার্থক্য দেখা গেলেও এর মধ্যে কতকগুলে রয়েছে মৌলিক অধিকার।আর সেই অধিকারগুলো হলো--

 ১। জীবনধারণের অধিকারঃ-ব্যক্তির জীবনের পূর্ণ বিকাশের জন্য রাষ্ট্র কর্তৃক প্রদত্ত সব সুযোগ-সুবিধাই হলো জীবনধারণের অধিকার।এই অধিকারবলে ব্যক্তি তার জীবন রক্ষার জন্য রাষ্ট্রের কাছ থেকে সাহায্য-সহযোগিতা পেয়ে থাকে।নিজের জীবন রক্ষা করা মানুষের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধিকার। এটি সব অধিকারের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।

   ২। শিক্ষা লাভের অধিকারঃ-শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড। শিক্ষা ছাড়া কোনো ব্যক্তি বা জাতি উন্নতি করতে পারে না।আধুনিক গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় শিক্ষা নাগরিকের একটি অন্যতম সামাজিক অধিকার।শিক্ষা অর্জনের মাধ্যমে মানুষ সচেতন হয়ে নিজের ও জাতীয় উন্নয়নে কাজ করতে পারে। অধ্যাপক লাস্কি শিক্ষার অধিকারকে একটি গুরুত্বপূর্ণ নাগরিক অধিকার হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

     ৩) সংবাদপত্র ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার অধিকারঃ গণতন্ত্রের অন্যতম শর্ত হলো সংবাদপত্রের স্বাধীনতা। ভয়ভীতির ঊর্ধ্বে থেকে স্বাধীনভাবে বস্তুনিষ্ঠ খবরাখবর প্রকাশ করার অধিকারকে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা বলে। গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে এবং জনমত গঠনের ক্ষেত্রে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা খুবই প্রয়োজন।বর্তমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির যুগে সংবাদপত্রের পাশাপাশি বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সমাবেশ ঘটেছে।এসব গণমাধ্যমের সাহায্যে বিশ্বের রাষ্ট্রগুলো পরস্পরের অত্যন্ত কাছে অবস্থান করছে।তাই --

        প্রগতিশীল সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য সংবাদপত্রের পাশাপাশি এসব মাধ্যমের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে।এসব মিডিয়ার মধ্যে রেডিও, টেলিভিশন, ইন্টারনেট খুব দ্রুত জনগণের কাছে খবর পৌঁছে দেয়। তাই এসব গণমাধ্যমের স্বাধীনতা অবশ্যই প্রয়োজন ।

        ৪। চলাফেরার অধিকারঃ- চলাফেরার অধিকার নাগরিকের অন্যতম সামাজিক অধিকার।রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব বিপন্ন না করে নাগরিকগণের রাষ্ট্রের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে চলাফেরা করার অধিকারকে চলাফেরার অধিকার বলে।

       ৫। মতামত প্রকাশের অধিকারঃ- স্বাধীনভাবে কথাবার্তা বলা ও মতপ্রকাশের সুযোগই হলো মতামত প্রকাশের অধিকার।ব্যক্তি তার মতামত অবশ্যই প্রকাশ করতে পারে, কিন্তু দেখতে হবে সেটি যেন রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে না যায়।

     ৬। সম্পত্তি ভোগের অধিকারঃ-সম্পত্তি ভোগের অধিকার গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক অধিকার।রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে প্রত্যেক নাগরিক তার নিজস্ব সম্পত্তি ভোগ করবে। কেউ যাতে অন্যের কোনো কিছু জোর করে দখল করতে না পারে রাষ্ট্র সে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক দার্শনিক অ্যারিস্টটলের মতে-

         “সম্পত্তির অধিকার সমাজ-বন্ধনকে সুদৃঢ় করে এর অনুপস্থিতিতে সমাজ শিথিল হয়ে পড়ে এবং ব্যক্তির পূর্ণ বিকাশ সম্ভব হয় না।"

       তবে সমাজ ও রাষ্ট্রের কল্যাণে ব্যক্তিগত সম্পত্তি অর্জন ও ভোগের অধিকারকে নিয়ন্ত্রণ করা একান্ত প্রয়োজন। রাষ্ট্র নিজের প্রয়োজনে ব্যক্তির সম্পত্তি উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ সাপেক্ষে অধিগ্রহণ করতে পারে।

             খ) রাজনৈতিক অধিকারঃ

    ১) ভোটদানের অধিকারঃ-  ভোট দানের অধিকার হল সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক অধিকার। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকের ভোটদানের অধিকার স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে। কারণ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতার মূল উৎস।

      ২) নিরাপত্তার অধিকারঃ-বিদেশে থাকাকালীন কোন দেশের নাগরিক নিজ রাষ্ট্রের দ্বারা নিরাপত্তা প্রদানের অধিকার ভোগ করে। বিদেশী রাষ্ট্র কোন রাষ্ট্রের নাগরিকের প্রতি অন্যায় বা অবিচার করলে নাগরিক তার রাষ্ট্রের কাছে প্রতিকার বা প্রতিবিধান দাবি করতে পারে।

       ৩) নির্বাচিত ও চাকরির অধিকারঃ- নির্দিষ্ট যোগ্যতা সম্পন্ন প্রতিটি নাগরিকের নির্বাচিত হয়ে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অংশগ্রহণের অধিকার প্রতিটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে আছে। আর সেই সাথে আছে সরকারি চাকরিতে যোগদানের অধিকার। উপযুক্ত যোগ্যতা সম্পন্ন প্রতিটি নাগরিক সরকারি চাকরিতে নিযুক্ত হওয়ার অধিকার রাষ্ট্র স্বীকার করে নেয়।

      ৪) সমালোচনা করার অধিকারঃ সরকারি কাজকর্মের সমালোচনা করার অধিকার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে অপরিহার্য। জনমতের উপর নির্ভরশীল গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় এই অধিকার সকলেরই কাম্য।

         গ) অর্থনৈতিক অধিকার

       ১) কর্মের অধিকারঃ-মানুষের কর্মের বা কাজের অধিকার হলো অর্থনৈতিক অধিকার গুলির মধ্যেই সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আর এই অধিকারের অর্থ হলো মানুষ তার নিজ দক্ষতা ও যোগ্যতা অনুযায়ী কাজে নিযুক্ত হতে পারবে এবং রাষ্ট্র তার নিশ্চিত করার দায়িত্ব নেবে।

     ২) পারিশ্রমিকের অধিকারঃ- শুধুমাত্র কর্মের অধিকারী যথেষ্ট নয়। উপযুক্ত কর্মের জন্য উপযুক্ত পারিশ্রমিকের অধিকার থাকা ভীষণ জরুরী। রাষ্ট্রের কর্তব্য হলো প্রত্যেক নাগরিকের উপযুক্ত কর্মের জন্য উপযুক্ত পারিশ্রমিক প্রদানের ব্যবস্থা করা।

      ৩) অবকাশের অধিকারঃ- অ্যারিস্টোটলের মতে- "সুন্দর জীবনের জন্য অবকাশ অপ্রিহার্য।" মানুষের কর্মশক্তিকে পরিপূর্ণভাবে প্রয়োগ করতে হলে অবকাশের অধিকার থাকা অপরিহার্য। অবকাশ ব্যতীত মানুষের কর্ম জীবন যান্ত্রিক ও হতাশাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। অবকাশ মানব জীবনের হতাশা ও ক্লান্তি দূর করে শ্রমশক্তিকে উজ্জীবিত করে তোলে।

      ৪) প্রতিপালিত হওয়ার অধিকারঃ- বার্ধক্যে উপনীত হলে মানুষ কর্মে অক্ষম হয়ে পড়ে। তখন তার উপার্জনের পথ বন্ধ হয়ে যায়। তাই প্রতিটি মানুষের বার্ধক্যে তথা অবসর জীবনে প্রতিপালিত হওয়ার অধিকার থাকা বাঞ্ছনীয়। পেনশন, প্রভিডেন্ট ফান্ড ইত্যাদি দ্বারা অক্ষম বা অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তির ভরণপোষণের দায়িত্ব নেওয়া উচিত।

ঠিক এরকম আরো অনেক নোটস সাজেশন এবং অন্যান্য শিক্ষামূলক ভিডিও পেতে ভিজিট করুন "SHESHER KOBITA SUNDORBON" YOUTUBE CHANNEL (শেষের কবিতা সুন্দরবন) ইউটিউব চ্যানেল

---------------+----------------------------------


Comments

Popular posts from this blog

একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়।

  একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়-সারদা মঙ্গল               গীতিকাব্য হলো এক ধরনের কবিতা, যার মধ্যে দিয়ে ব্যক্তির আবেগ, অনুভূতি এবং অভিজ্ঞতাগুলিকে ছন্দ ওর সংগীতের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। তবে এখানে কবিতাগুলি খুবই ছোট আকারের হয়, আর সেখানে কবির ব্যক্তিগত অনুভূতির গভীরতা ও আন্তরিকতা প্রকাশ পায়। আর এই প্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি গীতি কবিতার সংকলন হলো গীতিকাব্য। ব্যঞ্জনাময় ও সংহত ।  গীতিকাব্যের বৈশিষ্ট্য  গীতিকাব্যের কিছু প্রধান বৈশিষ্ট্য নিচে আলোচনা করা হলো: ১. ব্যক্তিগত অনুভূতি ও আবেগ প্রকাশ: এটি গীতিকাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য। এখানে কবি নিজের ব্যক্তিগত অনুভূতি, প্রেম, বিরহ, আনন্দ বা বিষাদের কথা তুলে ধরেন। ২. সংক্ষিপ্ততা: গীতিকাব্য সাধারণত দীর্ঘ হয় না। অল্প কয়েকটি স্তবকের মধ্যে কবি তাঁর ভাবনা সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করেন। ৩. সুর ও ছন্দের প্রাধান্য: গীতিকাব্য মূলত সুর করে আবৃত্তি করার জন্য রচিত হয়। তাই এতে সুর ও ছন্দের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়। ৪. আত্মগতভাব: গীতিকাব্যে বাইরের জগতের বর্ণনা না দিয়ে কবির নিজের মনের ভেতরের জগতের প্রতি মনোযোগ ...

চতুর্থ সেমিস্টার জেনারেল ইতিহাস ছোট প্রশ্ন ২০২১

 *১) সুজাউদ্দৌলা কে ছিলেন বা মুর্শিদকুলি খাঁর মৃত্যুর পর কে বাংলার নবাব হন?  উত্তর - সুজা উদ্দৌলা আয়ুধের সুবেদার নবাব ছিলেন। মুর্শিদকুলি খাঁর মৃত্যুর পর তার জামাতা বাংলার নবাব  হন ১৭৫৪-১৭৭৫ খ্রীস্টাব্দ পর্যন্ত। নবাব থাকাকালীন তিনি বক্সারের যুদ্ধ এবং পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন। *২) কোন সালে রেগুলেটিং আইন জারি করা হয়েছিল? উত্তর - ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দুর্নীতি দূরীকরণ, গঠন বিন্যাস ও নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্রিটিশ সরকার ১৭৭৩ খ্রিস্টাব্দে রেগুলেটিং আইন প্রণয়ন করেন। আর সেই আইনে বলা হয় বাংলা বোম্বাই ও মাদ্রাজে ১ করে কাউন্সিল থাকবে। *৩) শ্রী রঙ্গপত্তমের সন্ধিতে স্বাক্ষরকারী কারা কারা ছিলেন ?কখন এই সন্ধিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল? উত্তর - তৃতীয় ইঙ্গ মহীশূর যুদ্ধের অবসান হয়েছিল শ্রীরঙ্গপত্তমের সন্ধির দ্বারা। আর এই সন্ধিতে ঠিক হয় টিপু সুলতান ইংরেজদের তিন কোটি টাকা এবং জামিন স্বরূপ তার দুই পুত্রকে দিতে বাধ্য হবেন। এছাড়া বিজিত অঞ্চল ইংরাজ, মারাঠা ও নিজামের মধ্যে বন্টিত হল। যে সন্ধির দুটি পক্ষ ছিল একদিকে ছিলেন টিপু সুলতান এবং অপরদিকে ছিলেন ইংরেজ। সময়কালটি ছি...

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর ।

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর  ১) শিল্প বিপ্লব কবে কোথায় প্রথম ঘটেছিল?         উত্তর - প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়েছিল ইংল্যান্ডে (গ্রেট ব্রিটেন)। এটি প্রধানত অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হয়ে প্রায় ১৭৬০ থেকে ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দ-এর মধ্যে ঘটেছিল। ২) কৃষ্ণমৃত্যু কী?            • কৃষ্ণমৃত্যু (Black Death) হলো মানব ইতিহাসের এক ভয়াবহ মহামারি।এটি ছিল মূলত প্লেগ (Plague) রোগ, যা Yersinia pestis নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে সৃষ্টি হয়েছিল।এটি প্রধানত ১৩৪৬ থেকে ১৩৫৩ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে ইউরোপ, এশিয়া (ইউরেশিয়া) এবং উত্তর আফ্রিকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল। ৩) কে বলেছিলেন মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড?        •এই বিখ্যাত উক্তিটি যিনি করেছিলেন তিনি হলেন প্রাচীন গ্রিসের একজন প্রখ্যাত দার্শনিক, যার নাম প্রোটাগোরাস (Protagoras)।তাঁর মূল বক্তব্যটি ছিল-"মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড, যা আছে তারও, আর যা নেই তারও।” ৪) পেত্রাক কেন বিখ্যাত?         •পেত্রাক (Francesco Petrarca) ছিলেন ১৪ শতকের (১৩০৪-১৩৭৪) একজন ...