Skip to main content

একাদশ শ্রেণী, ইতিহাস চেতনা, প্রথম অধ্যায়।

 ইতিহাস চেতনা। একাদশ শ্রেণি, প্রথম সেমিস্টার, প্রথম অধ্যায়ের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর।


১) প্রাগৈতিহাসিক কথাটি কে প্রথম ব্যবহার করেন? 

উত্তরঃ প্রাগৈতিহাসিক কথাটি প্রথম ব্যবহার করেন ১৮৩০ খ্রিস্টাব্দে প্রত্নতাত্ত্বিক পল তুর্নাল ।


২)আধুনিক ইতিহাস তত্ত্বের জনক কে? 

উত্তরঃআধুনিক ইতিহাসতত্ত্বের জনক হলেন র‍্যাঙ্কে।


৩)"সময়কালের ধারণা ছাড়া ইতিহাসের ধারণা অর্থহীন"- কে বলেন?

উত্তরঃ স্টুয়ার্ড পির্সট।


৪)নব্যপুরাতত্ত্ব বলতে কী বোঝো?

উত্তরঃ যে পুরাতত্ত্বচর্চায় একাধিক প্রত্নতাত্ত্বিক উপাদান নিয়ে সেগুলি বিশেষজ্ঞ দ্বারা ব্যাখ্যা, বিশ্লেষণ ও গুরুত্ব নিরুপণ করা হয়, তাকে নব্যপুরাতত্ত্ব বলে।


৫) দুটি বৌদ্ধ সাহিত্যের নাম লেখো।

উত্তরঃ দুটি বৌদ্ধ সাহিত্য হলো বুদ্ধচরিত এবং ললিতবিস্তার।


৬) সম্রাট অশোকের শিলালিপি গুলি কে পাঠোদ্ধার করেন?

উত্তরঃ সম্রাট অশোকের শিলালিপি গুলি পাঠোদ্ধার করেন জেমস প্রিন্সেপ(১৮৩৭)


৭) প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন আবিষ্কারের ক্ষেত্রে কি কি পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়? 

উত্তরঃ প্রত্নতাত্ত্বিক ত্ত্ব নিদর্শন আবিষ্কারের ক্ষেত্রে সমীক্ষা উৎখনন এবং বিশ্লেষণ পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়। 


৮) ইতিহাস রচনার মূল ভিত্তি কোন উপাদান ভিত্তিক? 

উত্তরঃ ইতিহাস রচনার মূল ভিত্তি লিখিত উপাদান ভিত্তিক। 


৯) পলিওগ্রাফি কী?

উত্তরঃ লিপির বিষয়বস্তু অধ্যায়নকে পলিওগ্ৰাফি বলা হয়।


১০) এপিওগ্রাফি কী

উত্তরঃ শিলালিপিতে উৎকীর্ণ বিষয় পঠনপাঠনকে ইংরেজিতে এপিওগ্রাফি বলে। 


১২) লেখমালা বলতে কী বোঝো?

উত্তরঃ যেকোনো প্রত্নতাত্ত্বিক উপাদান প্রাচীন ইতিহাস রচনা গুরুত্বপূর্ণ। এধরনের প্রত্নতাত্ত্বিক লিপি ও ফলকগুলিকে লেখমালা বলা হয়।। 


১৩) লিপির গুরুত্ব কী?

উত্তরঃ লিপি থেকে তৎকালীন আর্থ-সামাজিক এবং ধর্মীয় বিশ্বাসের নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায় বলেই লিপির গুরুত্ব।


 ১৩) জিগুরাত কী?

উত্তরঃ প্রাচীন সুমেরের প্রতিটি নগরে একটি করে সুবিশাল মন্দির থাকত, যেগুলিকে বলা হয় জিগুরাত।


১৪) ফ্যারাও কাদের বলা হয়?

উত্তরঃ প্রাচীন মিশরের রাজাদের ফ্যারাও বলা হয়।

প্রবাহমান ইতিহাস কাকে বলে? 


১৫) প্রবহমান ইতিহাস কাকে বলে?

সময় বা কাল নদীর স্রোতের মতো বয়ে যায়, ইতিহাসের ক্ষেত্রেও তা লক্ষণীয়। এই বয়ে যাওয়া কালকে প্রবাহমান ইতিহাস বলে। 


১৬) হায়ারোগ্লিফিক লিপি কী?

উত্তরঃ মূলত চিত্রলিপি যেগুলি ডান দিক থেকে বাম দিকে লেখা হয় ও যেখানে সূর্য বোঝাতে একটি বৃত্তের মধ্যে বিন্দু বসানো থাকতো তাকে হায়ারোগ্লিফিক বলে।


১৭) জীবাশ্ম কী?

উত্তরঃ লক্ষ লক্ষ বছর ধরে মাটির নিচে চাপা পড়ে থাকার ফলে প্রাণী বা উদ্ভিদের দেহ পাথরে পরিণত হয়। এই দেহ বা দেহাংশগুলিকে জীবাশ্ম বলা হয়।


১৮) পৃথিবীর প্রাচীনতম জীবাশ্মটি কোথায় পাওয়া যায়? 

উত্তরঃ পৃথিবীর প্রাচীনতম জীবাশ্মটি পাওয়া যায় আফ্রিকার কেনিয়াতে। 


১৯) পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন শিলালিপি কোথায় পাওয়া যায়? 

উত্তরঃ পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন শিলালিপি পাওয়া যায় ইরানের বেহিস্থানে।


২০) মমি কী

উত্তরঃ মিশরের রাজাদের মৃতদেহ নানারকম ভেষজ পদার্থ মিশিয়ে সংরক্ষণ করা হতো এই সংরক্ষিত মৃতদেহগুলিকে মমি বলা হয়।


ঠিক এরূপ অসংখ্য বিষয়ভিত্তিক আলোচনা সাজেশন এবং ভিডিও পেতে ভিজিট করুন আমাদের     

        "SHESHER KOBITA SUNDORBON" YOUTUBE CHANNEL ।


Comments

Popular posts from this blog

একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়।

  একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়-সারদা মঙ্গল               গীতিকাব্য হলো এক ধরনের কবিতা, যার মধ্যে দিয়ে ব্যক্তির আবেগ, অনুভূতি এবং অভিজ্ঞতাগুলিকে ছন্দ ওর সংগীতের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। তবে এখানে কবিতাগুলি খুবই ছোট আকারের হয়, আর সেখানে কবির ব্যক্তিগত অনুভূতির গভীরতা ও আন্তরিকতা প্রকাশ পায়। আর এই প্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি গীতি কবিতার সংকলন হলো গীতিকাব্য। ব্যঞ্জনাময় ও সংহত ।  গীতিকাব্যের বৈশিষ্ট্য  গীতিকাব্যের কিছু প্রধান বৈশিষ্ট্য নিচে আলোচনা করা হলো: ১. ব্যক্তিগত অনুভূতি ও আবেগ প্রকাশ: এটি গীতিকাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য। এখানে কবি নিজের ব্যক্তিগত অনুভূতি, প্রেম, বিরহ, আনন্দ বা বিষাদের কথা তুলে ধরেন। ২. সংক্ষিপ্ততা: গীতিকাব্য সাধারণত দীর্ঘ হয় না। অল্প কয়েকটি স্তবকের মধ্যে কবি তাঁর ভাবনা সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করেন। ৩. সুর ও ছন্দের প্রাধান্য: গীতিকাব্য মূলত সুর করে আবৃত্তি করার জন্য রচিত হয়। তাই এতে সুর ও ছন্দের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়। ৪. আত্মগতভাব: গীতিকাব্যে বাইরের জগতের বর্ণনা না দিয়ে কবির নিজের মনের ভেতরের জগতের প্রতি মনোযোগ ...

চতুর্থ সেমিস্টার জেনারেল ইতিহাস ছোট প্রশ্ন ২০২১

 *১) সুজাউদ্দৌলা কে ছিলেন বা মুর্শিদকুলি খাঁর মৃত্যুর পর কে বাংলার নবাব হন?  উত্তর - সুজা উদ্দৌলা আয়ুধের সুবেদার নবাব ছিলেন। মুর্শিদকুলি খাঁর মৃত্যুর পর তার জামাতা বাংলার নবাব  হন ১৭৫৪-১৭৭৫ খ্রীস্টাব্দ পর্যন্ত। নবাব থাকাকালীন তিনি বক্সারের যুদ্ধ এবং পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন। *২) কোন সালে রেগুলেটিং আইন জারি করা হয়েছিল? উত্তর - ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দুর্নীতি দূরীকরণ, গঠন বিন্যাস ও নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্রিটিশ সরকার ১৭৭৩ খ্রিস্টাব্দে রেগুলেটিং আইন প্রণয়ন করেন। আর সেই আইনে বলা হয় বাংলা বোম্বাই ও মাদ্রাজে ১ করে কাউন্সিল থাকবে। *৩) শ্রী রঙ্গপত্তমের সন্ধিতে স্বাক্ষরকারী কারা কারা ছিলেন ?কখন এই সন্ধিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল? উত্তর - তৃতীয় ইঙ্গ মহীশূর যুদ্ধের অবসান হয়েছিল শ্রীরঙ্গপত্তমের সন্ধির দ্বারা। আর এই সন্ধিতে ঠিক হয় টিপু সুলতান ইংরেজদের তিন কোটি টাকা এবং জামিন স্বরূপ তার দুই পুত্রকে দিতে বাধ্য হবেন। এছাড়া বিজিত অঞ্চল ইংরাজ, মারাঠা ও নিজামের মধ্যে বন্টিত হল। যে সন্ধির দুটি পক্ষ ছিল একদিকে ছিলেন টিপু সুলতান এবং অপরদিকে ছিলেন ইংরেজ। সময়কালটি ছি...

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর ।

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর  ১) শিল্প বিপ্লব কবে কোথায় প্রথম ঘটেছিল?         উত্তর - প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়েছিল ইংল্যান্ডে (গ্রেট ব্রিটেন)। এটি প্রধানত অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হয়ে প্রায় ১৭৬০ থেকে ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দ-এর মধ্যে ঘটেছিল। ২) কৃষ্ণমৃত্যু কী?            • কৃষ্ণমৃত্যু (Black Death) হলো মানব ইতিহাসের এক ভয়াবহ মহামারি।এটি ছিল মূলত প্লেগ (Plague) রোগ, যা Yersinia pestis নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে সৃষ্টি হয়েছিল।এটি প্রধানত ১৩৪৬ থেকে ১৩৫৩ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে ইউরোপ, এশিয়া (ইউরেশিয়া) এবং উত্তর আফ্রিকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল। ৩) কে বলেছিলেন মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড?        •এই বিখ্যাত উক্তিটি যিনি করেছিলেন তিনি হলেন প্রাচীন গ্রিসের একজন প্রখ্যাত দার্শনিক, যার নাম প্রোটাগোরাস (Protagoras)।তাঁর মূল বক্তব্যটি ছিল-"মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড, যা আছে তারও, আর যা নেই তারও।” ৪) পেত্রাক কেন বিখ্যাত?         •পেত্রাক (Francesco Petrarca) ছিলেন ১৪ শতকের (১৩০৪-১৩৭৪) একজন ...