Skip to main content

USA(মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)(3rd.Sem) আইনসভার কার্যাবলী লেখ

USA( মার্কিন যুক্তরাষ্ট) আইনসভার কার্যাবলী লেখো(পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় তৃতীয় সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর)।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভার নাম কংগ্রেস। মার্কিন কংগ্রেস একটি দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা। আর সেদেশে কংগ্রেসের নিম্নকক্ষের নাম প্রতিনিধি সভা আর উচ্চকক্ষের নাম হলো সিনেট। যেখানে প্রতিনিধি সভা জনগণের প্রতিনিধির দ্বারা গঠিত হয়, আর সিনেট গঠিত হয় প্রত্যেক রাজ্য থেকে দুজন প্রতিনিধি নিয়ে। প্রতিনিধি সভার সদস্যরা গণতান্ত্রিক নীতি অনুসারে সমগ্র জাতির প্রতিনিধিত্ব করে, আর সিনেটের সদস্যরা যুক্তরাষ্ট্রীয় নীতির ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের প্রতিনিধিত্ব করে। যেখানে-

     মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভার নিম্নকক্ষ অর্থাৎ প্রতিনিধি সভা আইন প্রণয়ন, অর্থ সংক্রান্ত ক্ষমতা, নির্বাচনমূলক ক্ষমতা, সংবিধান সংশোধন করার মতো গুরুত্বপূর্ণ কার্যাবলী সম্পন্ন করে থাকে।সেখানে-

               প্রতিনিধি সভা মূলত আইন প্রণয়নকারী সংস্থা। তাই এই সংস্থায় যেকোন বিল এই সভায় উত্থাপন করা যায়। পাশাপাশি এই সভায় কেবলমাত্র অর্থবিল উত্থাপন করা যায়। এছাড়াও প্রতি চার বছরে প্রতিনিধি সভা ও সিনেট যৌথ অধিবেশনে মিলিত হয়ে রাষ্ট্রপতি ও উপরাষ্ট্রপতি ভোট গণনার কাজ করে থাকে। এছাড়াও সংবিধান সংশোধনের মতো গুরুত্বপূর্ণ কার্যাবলীতে প্রতিনিধিসভা অংশগ্রহণ করে থাকে। আবার-

               সিনেট আইন বিষয়ক ক্ষমতা, অর্থ সংক্রান্ত ক্ষমতা, শাসন সংক্রান্ত ক্ষমতার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলি সম্পন্ন করতে অংশগ্রহণ করে থাকে। আর সেখানে-

          সাধারণ বিলের ক্ষেত্রে সিনেট প্রতিনিধিসভার সমান ক্ষমতা ভোগ করে থাকে। পাশাপাশি অর্থ সংক্রান্ত বিল বা বাজেট প্রথমে সিনেটে উত্থাপিত হয় না। সেখানে প্রতিনিধি সভায় অনুমোদনের পর বিলটি সিনেটে প্রেরিত হয়। সংবিধান অনুসারে শাসন ও বিচার বিভাগের বিভিন্ন পদে নিয়োগের ক্ষমতা রাষ্ট্রপতি ভোগ করে থাকেন। তবে এক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির যাবতীয় নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়টি সিনেটের অনুমোদন প্রয়োজন।

Comments

Popular posts from this blog

একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়।

  একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়-সারদা মঙ্গল               গীতিকাব্য হলো এক ধরনের কবিতা, যার মধ্যে দিয়ে ব্যক্তির আবেগ, অনুভূতি এবং অভিজ্ঞতাগুলিকে ছন্দ ওর সংগীতের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। তবে এখানে কবিতাগুলি খুবই ছোট আকারের হয়, আর সেখানে কবির ব্যক্তিগত অনুভূতির গভীরতা ও আন্তরিকতা প্রকাশ পায়। আর এই প্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি গীতি কবিতার সংকলন হলো গীতিকাব্য। ব্যঞ্জনাময় ও সংহত ।  গীতিকাব্যের বৈশিষ্ট্য  গীতিকাব্যের কিছু প্রধান বৈশিষ্ট্য নিচে আলোচনা করা হলো: ১. ব্যক্তিগত অনুভূতি ও আবেগ প্রকাশ: এটি গীতিকাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য। এখানে কবি নিজের ব্যক্তিগত অনুভূতি, প্রেম, বিরহ, আনন্দ বা বিষাদের কথা তুলে ধরেন। ২. সংক্ষিপ্ততা: গীতিকাব্য সাধারণত দীর্ঘ হয় না। অল্প কয়েকটি স্তবকের মধ্যে কবি তাঁর ভাবনা সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করেন। ৩. সুর ও ছন্দের প্রাধান্য: গীতিকাব্য মূলত সুর করে আবৃত্তি করার জন্য রচিত হয়। তাই এতে সুর ও ছন্দের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়। ৪. আত্মগতভাব: গীতিকাব্যে বাইরের জগতের বর্ণনা না দিয়ে কবির নিজের মনের ভেতরের জগতের প্রতি মনোযোগ ...

চতুর্থ সেমিস্টার জেনারেল ইতিহাস ছোট প্রশ্ন ২০২১

 *১) সুজাউদ্দৌলা কে ছিলেন বা মুর্শিদকুলি খাঁর মৃত্যুর পর কে বাংলার নবাব হন?  উত্তর - সুজা উদ্দৌলা আয়ুধের সুবেদার নবাব ছিলেন। মুর্শিদকুলি খাঁর মৃত্যুর পর তার জামাতা বাংলার নবাব  হন ১৭৫৪-১৭৭৫ খ্রীস্টাব্দ পর্যন্ত। নবাব থাকাকালীন তিনি বক্সারের যুদ্ধ এবং পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন। *২) কোন সালে রেগুলেটিং আইন জারি করা হয়েছিল? উত্তর - ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দুর্নীতি দূরীকরণ, গঠন বিন্যাস ও নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্রিটিশ সরকার ১৭৭৩ খ্রিস্টাব্দে রেগুলেটিং আইন প্রণয়ন করেন। আর সেই আইনে বলা হয় বাংলা বোম্বাই ও মাদ্রাজে ১ করে কাউন্সিল থাকবে। *৩) শ্রী রঙ্গপত্তমের সন্ধিতে স্বাক্ষরকারী কারা কারা ছিলেন ?কখন এই সন্ধিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল? উত্তর - তৃতীয় ইঙ্গ মহীশূর যুদ্ধের অবসান হয়েছিল শ্রীরঙ্গপত্তমের সন্ধির দ্বারা। আর এই সন্ধিতে ঠিক হয় টিপু সুলতান ইংরেজদের তিন কোটি টাকা এবং জামিন স্বরূপ তার দুই পুত্রকে দিতে বাধ্য হবেন। এছাড়া বিজিত অঞ্চল ইংরাজ, মারাঠা ও নিজামের মধ্যে বন্টিত হল। যে সন্ধির দুটি পক্ষ ছিল একদিকে ছিলেন টিপু সুলতান এবং অপরদিকে ছিলেন ইংরেজ। সময়কালটি ছি...

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর ।

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর  ১) শিল্প বিপ্লব কবে কোথায় প্রথম ঘটেছিল?         উত্তর - প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়েছিল ইংল্যান্ডে (গ্রেট ব্রিটেন)। এটি প্রধানত অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হয়ে প্রায় ১৭৬০ থেকে ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দ-এর মধ্যে ঘটেছিল। ২) কৃষ্ণমৃত্যু কী?            • কৃষ্ণমৃত্যু (Black Death) হলো মানব ইতিহাসের এক ভয়াবহ মহামারি।এটি ছিল মূলত প্লেগ (Plague) রোগ, যা Yersinia pestis নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে সৃষ্টি হয়েছিল।এটি প্রধানত ১৩৪৬ থেকে ১৩৫৩ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে ইউরোপ, এশিয়া (ইউরেশিয়া) এবং উত্তর আফ্রিকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল। ৩) কে বলেছিলেন মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড?        •এই বিখ্যাত উক্তিটি যিনি করেছিলেন তিনি হলেন প্রাচীন গ্রিসের একজন প্রখ্যাত দার্শনিক, যার নাম প্রোটাগোরাস (Protagoras)।তাঁর মূল বক্তব্যটি ছিল-"মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড, যা আছে তারও, আর যা নেই তারও।” ৪) পেত্রাক কেন বিখ্যাত?         •পেত্রাক (Francesco Petrarca) ছিলেন ১৪ শতকের (১৩০৪-১৩৭৪) একজন ...