Skip to main content

ভাষা(XII-3rd Sem) ভাষা বিজ্ঞান ও তার শাখা প্রশাখা।

ভাষাঃ ভাষাবিজ্ঞান ও তার শাখা প্রশাখা(পশ্চিমবঙ্গ উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ, দ্বাদশ শ্রেণী, তৃতীয় সেমিস্টার)।

১ তুলনামূলক ভাষা বিজ্ঞানের সূত্রপাত কে করেন? 
উত্তরঃ স্যার উইলিয়াম জোন্স্।
২) মানুষের মৌখিক ভাষা কত বছরের পুরনো?
কয়েক লক্ষ বছরের। 
৩) লেখা শুরু হয়েছে কত বছর পূর্বে 
উত্তরঃ পাঁচ থেকে সাত বছর পূর্বে 
৪) ভাষাবিজ্ঞানের আলোচনায় কোন ভাষার গুরুত্ব সর্বাধিক? 
মৌখিক ভাষা 
৫) ভাষার গঠন, প্রকৃতি, পদ্ধতি সম্পর্কে ভাষাবিজ্ঞানের চর্চা কে কি বলা হয়?
ভাষাবিজ্ঞান। 
৬) ভাষাবিজ্ঞানের বহুল প্রচলিত শাখা কয়টি? 
উত্তরঃ তিনটি 
৭) স্যার উইলিয়াম জোন্স কত সাল আগে ভাষা বিজ্ঞানের সূত্রপাত করেছিলেন? 
উত্তরঃ ১৭৮৬ খ্রিস্টাব্দের আগে 
৮) সংস্কৃত, গ্ৰিক, ল্যাটিন প্রভৃতি ভাষাগুলির উৎপত্তির মূলে প্রধান ভাষাটি কি? 
উত্তরঃ ইন্দো ইউরোপীয়। 
৯) আধুনিক ভাষা বিজ্ঞানের চর্চা হয়েছিল কোন ভাষা বিজ্ঞান চর্চার মাধ্যমে? 
উত্তরঃ তুলনামূলক ভাষাবিজ্ঞান। 
১০) বর্ণনামূলক ভাষাবিজ্ঞান কি আলোচনা করে?
উত্তরঃ সমকালীন প্রচলিত ভাষার গঠন রীতি নিয়ে আলোচনা করে 
১১) বর্ণনামূলক ভাষাবিজ্ঞানের সূত্রপাত কবে হয়েছিল? 
উত্তরঃ বিংশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে। 
১২) বর্ণনামূলক ভাষা বিজ্ঞানের জন্ম হয় কোথায়?
উত্তরঃ ইউরোপে। 
১৩) বর্ণনামূলক ভাষাবিজ্ঞান ইউরোপের পর কোথায় বিস্তার লাভ করে? 
উত্তরঃ মার্কিন দেশে।
১৪) কোন ভাষার আলোচনার ক্ষেত্রে বিষয়গুলি কী?
উত্তরঃ ধ্বনিবিজ্ঞান ও ধ্বনিতত্ত্ব, রূপতত্ত্ব বাক্যতত্ত্ব এবং শব্দার্থতত্ত্ব।
১৫) পদের গঠন ও পদের চেয়ে ছোট ভাষার একক রূপের নানান প্রযুক্তি আলোচিত হয় কোথায়? 
উত্তরঃ রুপতত্ত্বে।
১৬) শব্দের অর্থ পর্যালোচনা হয় কোথায়? 
উত্তরঃ শব্দার্থতত্ত্বে।
১৭) ভাষার সংগঠনের উপর বেশি গুরুত্ব আরোপ করে কোন বিজ্ঞান? 
উত্তরঃ বর্ণনামূলক ভাষাবিজ্ঞান। 
১৮) ভাষার কেন্দ্রীয় চরিত্র, বিন্যাস এবং তার গঠনপ্রণালী আলোচিত হয় কোথায়?
উত্তরঃ প্রধান ভাষাবিজ্ঞানে।
১৯) "মানুষের মধ্যেই থাকে ভাষা শেখার সামর্থ্য"-কে বলেছেন? 
উত্তরঃ নোয়াম চমস্কি।
২০) ভাষার সাথে সমাজের সম্পর্ক, বিচার, বিশ্লেষণ হয় কোথায়? 
উত্তরঃ ফলিত ভাষাবিজ্ঞানে।
২১) প্রধান ভাষা বিজ্ঞানের কয়টি শাখা? 
উত্তরঃ পাঁচটি। 
২২) ধ্বনিবিজ্ঞান যদি Phonetics হয় তাহলে ধ্বনিতত্ত্ব কি হবে?
উত্তরঃ Phonology হবে।
২৩) ভাষাবিজ্ঞানের কোন শাখাটি ফলিত বিজ্ঞানের অন্তগত?
উত্তরঃ সমাজবিজ্ঞান।
২৪) ভাষা এবং সমাজ কিভাবে সমাজ ও ভাষার ওপর প্রভাব বিস্তার করে তা কোথায় আলোচিত হয়? 
উত্তরঃ সমাজবিজ্ঞান।
২৫) ভাষা উপভাষার সম্পর্ক, ভাষা ওলিঙ্গ প্রভৃতি আলোচিত হয় কোথায়? 
উত্তরঃ সমাজবিজ্ঞান।
২৬) কোন ব্যক্তি বিশেষ উপভাষার যে বিশেষ রীতি ব্যবহার করে তাকে কি বলা হয়? 
উত্তরঃ কোড।
২৭) পরিস্থিতি অনুসারে ভাষা বদলের প্রক্রিয়াকে কি বলা হয়? 
উত্তরঃ কোড- বদল।
২৮) ভাষা ও মনের সম্পর্ক এবং গবেষণা করেন কারা? 
উত্তরঃ মনোবিজ্ঞানীরা। 
২৯) প্রথম ভাষা শেখার যন্ত্র মানব মস্তিষ্ক বিষয়টিকে চিহ্নিত করেন? 
উত্তরঃ নোয়াম চমস্কি।
৩০) ভাষা শেখার সামর্থের কেন্দ্র কোনটি? 
উত্তরঃ মস্তিষ্ক 
৩১) LAD এর পুরো কথাটি কী?
উত্তরঃ language Acquisition Device
৩২) LAS এর পুরো কথাটি কী?
উত্তরঃ language Acquisition System.
৩৩) ভাষার সাথে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িয়ে থাকার বিষয়গুলি কি কি?
উত্তরঃ স্মৃতি, বুদ্ধি ও উদ্বিগ্নতা।
৩৪) PET এর পুরো কথাটি কি? 
উত্তরঃ Positron Emission Tomography 
৩৫) স্নায়ুবিজ্ঞানকে কয় ভাগে ভাগ করা হয় ও কি কি?
উত্তরঃ স্নায়ু বিজ্ঞান কে দুই ভাগে ভাগ করা হয়, ভাষা শেখা এবং ভাষাগত সমস্যার সংস্করণ।
৩৬) পৃথিবীর আদিম জনজাতির ভাষা নিয়ে বিশ্লেষণ শুরু হয় কোন সময় থেকে? 
•উত্তরঃ বিশ শতকের প্রথম দিক থেকে।
৩৭)নৃভাষাবিজ্ঞানে আলোচিত হয়-
•উত্তরঃ সামাজিক প্রথা, সামাজিক বিশ্বাস, সামাজিক সংগঠন। 
৩৮)ভাষাবিজ্ঞানের কোন শাখা সাহিত্যের নান্দনিক দিকটি তুলে ধরে?
•উত্তরঃ শৈলীবিজ্ঞান।
৩৯)কোন পাঠ্য বস্তুর গোড়ার কথাটি কি? 
•উত্তরঃ ভাষারীতি। 
৪০) 'চিন্তার পোষাক'বা 'The dress of thought' মতবাদটির প্রবক্তা কে?
•উত্তরঃ স্যামুয়েল ওয়েসলি।
৪১) লাঙ্( language) এর নামকরণ কে করেছিলেন? 
•উত্তরঃ ফেদিনা দ্যা সোস্যুর।
৪২) প্যারোল তত্ত্বের প্রবক্তা কে?
•উত্তরঃ ফেদিনা দ্যা সোস্যুর
৪৩) প্রথম dictionary শব্দটি কার ল্যাটিন ও ইংরেজি অভিধানে পাওয়া যায়? 
•উত্তরঃ স্যার থমাস এলিয়ট।
৪৪)অভিধান ভাষার কোন কোন দিকের মধ্যে সংযোগ রক্ষা করে?
 •উত্তরঃ ধ্বনি ও অর্থ 
৪৫)অভিধানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্তর কোনটি? 
•উত্তরঃ বাগার্থগত স্তর।
৪৬)The shorter Oxford English dictionary কী?
•উত্তরঃ •ইতিহাসভিত্তিক অভিধান।
•ঠিক এরূপ অসংখ্য বিষয়ভিত্তিক আলোচনা ব্যাখ্যা সাজেশন ভিডিও পেতে ভিজিট করুন আমাদের SHESHER KOBITA SUNDARBAN Youtube channel 🙏 



Comments

Popular posts from this blog

একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়।

  একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়-সারদা মঙ্গল               গীতিকাব্য হলো এক ধরনের কবিতা, যার মধ্যে দিয়ে ব্যক্তির আবেগ, অনুভূতি এবং অভিজ্ঞতাগুলিকে ছন্দ ওর সংগীতের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। তবে এখানে কবিতাগুলি খুবই ছোট আকারের হয়, আর সেখানে কবির ব্যক্তিগত অনুভূতির গভীরতা ও আন্তরিকতা প্রকাশ পায়। আর এই প্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি গীতি কবিতার সংকলন হলো গীতিকাব্য। ব্যঞ্জনাময় ও সংহত ।  গীতিকাব্যের বৈশিষ্ট্য  গীতিকাব্যের কিছু প্রধান বৈশিষ্ট্য নিচে আলোচনা করা হলো: ১. ব্যক্তিগত অনুভূতি ও আবেগ প্রকাশ: এটি গীতিকাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য। এখানে কবি নিজের ব্যক্তিগত অনুভূতি, প্রেম, বিরহ, আনন্দ বা বিষাদের কথা তুলে ধরেন। ২. সংক্ষিপ্ততা: গীতিকাব্য সাধারণত দীর্ঘ হয় না। অল্প কয়েকটি স্তবকের মধ্যে কবি তাঁর ভাবনা সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করেন। ৩. সুর ও ছন্দের প্রাধান্য: গীতিকাব্য মূলত সুর করে আবৃত্তি করার জন্য রচিত হয়। তাই এতে সুর ও ছন্দের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়। ৪. আত্মগতভাব: গীতিকাব্যে বাইরের জগতের বর্ণনা না দিয়ে কবির নিজের মনের ভেতরের জগতের প্রতি মনোযোগ ...

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর ।

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর  ১) শিল্প বিপ্লব কবে কোথায় প্রথম ঘটেছিল?         উত্তর - প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়েছিল ইংল্যান্ডে (গ্রেট ব্রিটেন)। এটি প্রধানত অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হয়ে প্রায় ১৭৬০ থেকে ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দ-এর মধ্যে ঘটেছিল। ২) কৃষ্ণমৃত্যু কী?            • কৃষ্ণমৃত্যু (Black Death) হলো মানব ইতিহাসের এক ভয়াবহ মহামারি।এটি ছিল মূলত প্লেগ (Plague) রোগ, যা Yersinia pestis নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে সৃষ্টি হয়েছিল।এটি প্রধানত ১৩৪৬ থেকে ১৩৫৩ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে ইউরোপ, এশিয়া (ইউরেশিয়া) এবং উত্তর আফ্রিকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল। ৩) কে বলেছিলেন মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড?        •এই বিখ্যাত উক্তিটি যিনি করেছিলেন তিনি হলেন প্রাচীন গ্রিসের একজন প্রখ্যাত দার্শনিক, যার নাম প্রোটাগোরাস (Protagoras)।তাঁর মূল বক্তব্যটি ছিল-"মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড, যা আছে তারও, আর যা নেই তারও।” ৪) পেত্রাক কেন বিখ্যাত?         •পেত্রাক (Francesco Petrarca) ছিলেন ১৪ শতকের (১৩০৪-১৩৭৪) একজন ...

অবক্ষয় যুগ। অষ্টাদশ-ঊনবিংশ শতাব্দীর সন্ধিক্ষণে বাঙালির অবক্ষয় যুগের পরিচয় দাও। এই সময়ে টপ্পা ও আখড়াই গানের উদ্ভব ও জনপ্রিয়তার সামাজিক কারণগুলি আলোচনা করো।

অবক্ষয় যুগ। অষ্টাদশ-ঊনবিংশ শতাব্দীর সন্ধিক্ষণে বাঙালির অবক্ষয় যুগের পরিচয় দাও। এই সময়ে টপ্পা ও আখড়াই গানের উদ্ভব ও জনপ্রিয়তার সামাজিক কারণগুলি আলোচনা করো। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম সেমিস্টার বাংলা মাইনর।ইউনিট ৪।   অবক্ষয় যুগের পরিচয় এবং টপ্পা ও আখড়াই গানের সামাজিক কারণ ও অবক্ষয় যুগের পরিচয়          আমরা জানি যে,১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে পলাশীর যুদ্ধের পর থেকে ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধ (১৮৫০ খ্রি.) পর্যন্ত সময়কালকে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে 'অবক্ষয় যুগ' বা 'সন্ধিযুগ' বলা হয়।আর এটি ছিল মধ্যযুগের দেবনির্ভরতার অবসান এবং আধুনিক যুগের মানবতাবোধের সূচনার মধ্যবর্তী এক ক্রান্তিকাল।যেখানে এই সময়কালের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি  নিম্নরূপে আলোচনা করা যেতে পারে-        •রাজনৈতিক অস্থিরতাঃ নবাবী শাসনের পতন এবং ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দেওয়ানি লাভের ফলে বাংলার পুরনো শাসন ও অর্থনৈতিক কাঠামো ভেঙে পড়ে।      •'বাবু' সংস্কৃতির উদয়ঃ ছিয়াত্তরের মন্বন্তর (১১৭৬ বঙ্গাব্দ) এবং চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের (১৭৯৩ খ্রি.) ফলে গ্রামীণ বনেদি সমাজ ধ্...