Skip to main content

সম্মিলিত (XII-3rd.Sem) জাতিপুঞ্জের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (পশ্চিমবঙ্গ উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ,দ্বাদশ শ্রেণী, তৃতীয় সেমিস্টার)।

১. সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ কবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?

উত্তরঃ সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৫ সালে ২৪শে অক্টোবর।

২) সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের সদর দপ্তর কোথায়?

উত্তরঃ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিউ ইয়র্ক।

৩) সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের প্রধান উদ্দেশ্য কী ?

উত্তরঃ সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের প্রধান উদ্দেশ্য হল-বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখা, জাতিসমূহের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপন, আন্তর্জাতিক সমস্যা সমাধানে সহযোগিতা করা এবং মানবাধিকারের প্রতি সম্মান জানানো।

৪. সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের প্রধান কয়টি শাখা আছে? তাদের নাম লেখো।

উত্তরঃ সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের ছয়টি শাখা আছে।আর সেই শাখাগুলি হলো-সাধারণ সভা, নিরাপত্তা পরিষদ, অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ, অছি পরিষদ, আন্তর্জাতিক বিচারালয় এবং সচিবালয়।

৫. নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্রের সংখ্যা কত এবং সেই রাষ্ট্রগুলি কি কি?

উত্তরঃ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্রের সংখ্যা হল পাঁচটি।আর সেই সদস্য রাষ্ট্রগুলি হলো-চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্র।

৬. সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের বর্তমান মহাসচিব এর নাম কী? 

উত্তরঃ সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের বর্তমান মহাসচিবের নাম হলো আন্তোনিও গুতেরেস।

৭. সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের পূর্বসূরী সংস্থার নাম কি? 

উত্তরঃ সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের পূর্বসূরী সংস্থার নাম হলো-জাতিসংঘ (League of Nations)।

৮. সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের মোট সদস্য রাষ্ট্রের সংখ্যা কত?

উত্তরঃ বর্তমানে সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের সদস্য রাষ্ট্রের সংখ্যা হলো- ১৯৩টি।

৯. সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের কোন শাখাটি বিশ্বশান্তি রক্ষার দায়িত্ব পালন করে? 

উত্তরঃ সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের যে শাখাটি বিশ্বশান্তির প্রধান ভূমিকা পালন করে নিরাপত্তা পরিষদ।

১০. কোন সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে? 

উত্তরঃ ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের সদস্যপদ গ্রহণ করেন।

১১.সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের অফিশিয়াল ভাষা কয়টি ও কী কী?

উত্তরঃ সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের অফিসিয়াল ভাষা হলো ছয়টি। আর সেই ভাষাগুলি- আরবি, চীনা, ইংরেজি, ফরাসি, রুশ এবং স্প্যানিশ।

১২.জাতিসংঘের সনদ কোথায় স্বাক্ষরিত হয়েছিল?

উত্তরঃ জাতিসংঘের সনদ স্বাক্ষরিত হয় সানফ্রান্সিসকোতে।

১৩. সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের কোন সংস্থা শিশুদের অধিকার রক্ষার কাজ করে? 

উত্তরঃ সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের শিশুদের অধিকার রক্ষায় কাজ করে ইউনিসেফ (UNICEF)।

১৪. বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) কার একটি বিশেষায়িত সংস্থা? 

উত্তরঃ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের একটি বিশেষায়িত সংস্থা।

১৫. আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল(IMF)কার সাথে যুক্ত?

উত্তরঃ সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের সাথে যুক্ত একটি স্বতন্ত্র আর্থিক প্রতিষ্ঠান।


Comments

Popular posts from this blog

একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়।

  একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়-সারদা মঙ্গল               গীতিকাব্য হলো এক ধরনের কবিতা, যার মধ্যে দিয়ে ব্যক্তির আবেগ, অনুভূতি এবং অভিজ্ঞতাগুলিকে ছন্দ ওর সংগীতের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। তবে এখানে কবিতাগুলি খুবই ছোট আকারের হয়, আর সেখানে কবির ব্যক্তিগত অনুভূতির গভীরতা ও আন্তরিকতা প্রকাশ পায়। আর এই প্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি গীতি কবিতার সংকলন হলো গীতিকাব্য। ব্যঞ্জনাময় ও সংহত ।  গীতিকাব্যের বৈশিষ্ট্য  গীতিকাব্যের কিছু প্রধান বৈশিষ্ট্য নিচে আলোচনা করা হলো: ১. ব্যক্তিগত অনুভূতি ও আবেগ প্রকাশ: এটি গীতিকাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য। এখানে কবি নিজের ব্যক্তিগত অনুভূতি, প্রেম, বিরহ, আনন্দ বা বিষাদের কথা তুলে ধরেন। ২. সংক্ষিপ্ততা: গীতিকাব্য সাধারণত দীর্ঘ হয় না। অল্প কয়েকটি স্তবকের মধ্যে কবি তাঁর ভাবনা সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করেন। ৩. সুর ও ছন্দের প্রাধান্য: গীতিকাব্য মূলত সুর করে আবৃত্তি করার জন্য রচিত হয়। তাই এতে সুর ও ছন্দের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়। ৪. আত্মগতভাব: গীতিকাব্যে বাইরের জগতের বর্ণনা না দিয়ে কবির নিজের মনের ভেতরের জগতের প্রতি মনোযোগ ...

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর ।

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর  ১) শিল্প বিপ্লব কবে কোথায় প্রথম ঘটেছিল?         উত্তর - প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়েছিল ইংল্যান্ডে (গ্রেট ব্রিটেন)। এটি প্রধানত অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হয়ে প্রায় ১৭৬০ থেকে ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দ-এর মধ্যে ঘটেছিল। ২) কৃষ্ণমৃত্যু কী?            • কৃষ্ণমৃত্যু (Black Death) হলো মানব ইতিহাসের এক ভয়াবহ মহামারি।এটি ছিল মূলত প্লেগ (Plague) রোগ, যা Yersinia pestis নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে সৃষ্টি হয়েছিল।এটি প্রধানত ১৩৪৬ থেকে ১৩৫৩ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে ইউরোপ, এশিয়া (ইউরেশিয়া) এবং উত্তর আফ্রিকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল। ৩) কে বলেছিলেন মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড?        •এই বিখ্যাত উক্তিটি যিনি করেছিলেন তিনি হলেন প্রাচীন গ্রিসের একজন প্রখ্যাত দার্শনিক, যার নাম প্রোটাগোরাস (Protagoras)।তাঁর মূল বক্তব্যটি ছিল-"মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড, যা আছে তারও, আর যা নেই তারও।” ৪) পেত্রাক কেন বিখ্যাত?         •পেত্রাক (Francesco Petrarca) ছিলেন ১৪ শতকের (১৩০৪-১৩৭৪) একজন ...

অবক্ষয় যুগ। অষ্টাদশ-ঊনবিংশ শতাব্দীর সন্ধিক্ষণে বাঙালির অবক্ষয় যুগের পরিচয় দাও। এই সময়ে টপ্পা ও আখড়াই গানের উদ্ভব ও জনপ্রিয়তার সামাজিক কারণগুলি আলোচনা করো।

অবক্ষয় যুগ। অষ্টাদশ-ঊনবিংশ শতাব্দীর সন্ধিক্ষণে বাঙালির অবক্ষয় যুগের পরিচয় দাও। এই সময়ে টপ্পা ও আখড়াই গানের উদ্ভব ও জনপ্রিয়তার সামাজিক কারণগুলি আলোচনা করো। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম সেমিস্টার বাংলা মাইনর।ইউনিট ৪।   অবক্ষয় যুগের পরিচয় এবং টপ্পা ও আখড়াই গানের সামাজিক কারণ ও অবক্ষয় যুগের পরিচয়          আমরা জানি যে,১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে পলাশীর যুদ্ধের পর থেকে ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধ (১৮৫০ খ্রি.) পর্যন্ত সময়কালকে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে 'অবক্ষয় যুগ' বা 'সন্ধিযুগ' বলা হয়।আর এটি ছিল মধ্যযুগের দেবনির্ভরতার অবসান এবং আধুনিক যুগের মানবতাবোধের সূচনার মধ্যবর্তী এক ক্রান্তিকাল।যেখানে এই সময়কালের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি  নিম্নরূপে আলোচনা করা যেতে পারে-        •রাজনৈতিক অস্থিরতাঃ নবাবী শাসনের পতন এবং ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দেওয়ানি লাভের ফলে বাংলার পুরনো শাসন ও অর্থনৈতিক কাঠামো ভেঙে পড়ে।      •'বাবু' সংস্কৃতির উদয়ঃ ছিয়াত্তরের মন্বন্তর (১১৭৬ বঙ্গাব্দ) এবং চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের (১৭৯৩ খ্রি.) ফলে গ্রামীণ বনেদি সমাজ ধ্...