Skip to main content

সংবর্ধনা জ্ঞাপকপত্র

 স্থানান্তরের

   সংবর্ধনা।


পরমপ্রিয় শ্রদ্ধেয় ডঃ অভিষেক দাঁ মহাশয়ের স্থানান্তর উপলক্ষে সহকর্মীদের সংবর্ধনা জ্ঞাপকপত্র।


পরমপ্রিয় শ্রদ্ধাভাজনেষু,

               এই একটু আগে পর্যন্ত আপনার অক্লান্ত পরিশ্রম, শ্রদ্ধা, ভালোবাসা আর কর্মনৈপুণ্যে আমাদের কর্মস্থানের প্রতিটি কর্মময় দিন এগিয়ে চলে বিনা বাঁধায়, বিনা দ্বিধায়। আপনার কর্তব্যনিষ্ঠা, নিয়মানুবর্তিতা,আদর্শবোধ,দায়িত্ববোধ আমাদেরকে আপ্লুত করে আমাদের দুর্গমকান্তি পারাপারে।আপনিই আমাদের শিখিয়েছিলেন কর্মক্ষেত্রে কিভাবে কাজকে নিজের সন্তানের মত শ্রদ্ধা জানাতে হয়, কর্মক্ষেত্রকে কিভাবে ভালোবাসতে হয়। হে গুণিজন,যেকোন মহান কর্মযজ্ঞে আপনি সর্বদা সম্মুখ পানে এগিয়ে যেতে শিখিয়েছেন হাসিমুখে।তাই এখানে আমরা সকলেই আপনার স্নেহের,আপনার ভালোবাসার, আপনার শ্রদ্ধার আমরা সকলেই অংশীদার। আপনার সদাহাস্য আচরণ আমাদেরকে প্রেরণা যোগায় নিত্য নতুন পথের কর্মযজ্ঞের সামিল হতে। তাইতো আমাদের মধ্যে আজ কোন বিভেদের ভাঁজ নেই, আছে অপরিমেয়, অপরিসীম, এক আকাশ দিগন্ত জোড়া শ্রদ্ধা আর ভালোবাসার সৌরভ।

       বিধাতার কঠোর নিয়মের নিমন্ত্রণে আমাদের সকলকেই যেতে হয় নিত্যনতুন কর্মক্ষেত্রে। সেই অনুসারে আপনিও চলে যাবেন অন্য কোন এক কর্মক্ষেত্রে,যে কর্মক্ষেত্র আপনার পরশে হয়ে উঠবে স্বর্গসম।তবে আমরা প্রত্যাশা জিইয়ে রাখলাম, আপনি আবার ফিরে আসবেন আমাদের হৃদয়ের অন্দরমহলে।

                               ‘আশা’ কর্মীবৃন্দ 

                         হিঙ্গলগঞ্জ ব্লক, উত্তর ২৪ পরগনা 

                                   ৭৪৩৪৩৫

তারিখঃ

 

            

Comments

Popular posts from this blog

একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়।

  একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়-সারদা মঙ্গল               গীতিকাব্য হলো এক ধরনের কবিতা, যার মধ্যে দিয়ে ব্যক্তির আবেগ, অনুভূতি এবং অভিজ্ঞতাগুলিকে ছন্দ ওর সংগীতের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। তবে এখানে কবিতাগুলি খুবই ছোট আকারের হয়, আর সেখানে কবির ব্যক্তিগত অনুভূতির গভীরতা ও আন্তরিকতা প্রকাশ পায়। আর এই প্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি গীতি কবিতার সংকলন হলো গীতিকাব্য। ব্যঞ্জনাময় ও সংহত ।  গীতিকাব্যের বৈশিষ্ট্য  গীতিকাব্যের কিছু প্রধান বৈশিষ্ট্য নিচে আলোচনা করা হলো: ১. ব্যক্তিগত অনুভূতি ও আবেগ প্রকাশ: এটি গীতিকাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য। এখানে কবি নিজের ব্যক্তিগত অনুভূতি, প্রেম, বিরহ, আনন্দ বা বিষাদের কথা তুলে ধরেন। ২. সংক্ষিপ্ততা: গীতিকাব্য সাধারণত দীর্ঘ হয় না। অল্প কয়েকটি স্তবকের মধ্যে কবি তাঁর ভাবনা সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করেন। ৩. সুর ও ছন্দের প্রাধান্য: গীতিকাব্য মূলত সুর করে আবৃত্তি করার জন্য রচিত হয়। তাই এতে সুর ও ছন্দের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়। ৪. আত্মগতভাব: গীতিকাব্যে বাইরের জগতের বর্ণনা না দিয়ে কবির নিজের মনের ভেতরের জগতের প্রতি মনোযোগ ...

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর ।

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর  ১) শিল্প বিপ্লব কবে কোথায় প্রথম ঘটেছিল?         উত্তর - প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়েছিল ইংল্যান্ডে (গ্রেট ব্রিটেন)। এটি প্রধানত অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হয়ে প্রায় ১৭৬০ থেকে ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দ-এর মধ্যে ঘটেছিল। ২) কৃষ্ণমৃত্যু কী?            • কৃষ্ণমৃত্যু (Black Death) হলো মানব ইতিহাসের এক ভয়াবহ মহামারি।এটি ছিল মূলত প্লেগ (Plague) রোগ, যা Yersinia pestis নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে সৃষ্টি হয়েছিল।এটি প্রধানত ১৩৪৬ থেকে ১৩৫৩ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে ইউরোপ, এশিয়া (ইউরেশিয়া) এবং উত্তর আফ্রিকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল। ৩) কে বলেছিলেন মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড?        •এই বিখ্যাত উক্তিটি যিনি করেছিলেন তিনি হলেন প্রাচীন গ্রিসের একজন প্রখ্যাত দার্শনিক, যার নাম প্রোটাগোরাস (Protagoras)।তাঁর মূল বক্তব্যটি ছিল-"মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড, যা আছে তারও, আর যা নেই তারও।” ৪) পেত্রাক কেন বিখ্যাত?         •পেত্রাক (Francesco Petrarca) ছিলেন ১৪ শতকের (১৩০৪-১৩৭৪) একজন ...

অবক্ষয় যুগ। অষ্টাদশ-ঊনবিংশ শতাব্দীর সন্ধিক্ষণে বাঙালির অবক্ষয় যুগের পরিচয় দাও। এই সময়ে টপ্পা ও আখড়াই গানের উদ্ভব ও জনপ্রিয়তার সামাজিক কারণগুলি আলোচনা করো।

অবক্ষয় যুগ। অষ্টাদশ-ঊনবিংশ শতাব্দীর সন্ধিক্ষণে বাঙালির অবক্ষয় যুগের পরিচয় দাও। এই সময়ে টপ্পা ও আখড়াই গানের উদ্ভব ও জনপ্রিয়তার সামাজিক কারণগুলি আলোচনা করো। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম সেমিস্টার বাংলা মাইনর।ইউনিট ৪।   অবক্ষয় যুগের পরিচয় এবং টপ্পা ও আখড়াই গানের সামাজিক কারণ ও অবক্ষয় যুগের পরিচয়          আমরা জানি যে,১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে পলাশীর যুদ্ধের পর থেকে ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধ (১৮৫০ খ্রি.) পর্যন্ত সময়কালকে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে 'অবক্ষয় যুগ' বা 'সন্ধিযুগ' বলা হয়।আর এটি ছিল মধ্যযুগের দেবনির্ভরতার অবসান এবং আধুনিক যুগের মানবতাবোধের সূচনার মধ্যবর্তী এক ক্রান্তিকাল।যেখানে এই সময়কালের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি  নিম্নরূপে আলোচনা করা যেতে পারে-        •রাজনৈতিক অস্থিরতাঃ নবাবী শাসনের পতন এবং ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দেওয়ানি লাভের ফলে বাংলার পুরনো শাসন ও অর্থনৈতিক কাঠামো ভেঙে পড়ে।      •'বাবু' সংস্কৃতির উদয়ঃ ছিয়াত্তরের মন্বন্তর (১১৭৬ বঙ্গাব্দ) এবং চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের (১৭৯৩ খ্রি.) ফলে গ্রামীণ বনেদি সমাজ ধ্...