Skip to main content

ছেলেটা(RMV,XII) কবিতার সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'ছেলেটা' কবিতার অতি সংক্ষিপ্ত ও MCQ প্রশ্নোত্তর।(পশ্চিমবঙ্গ রবীন্দ্র মুক্ত বিদ্যালয় সংসদ উচ্চমাধ্যমিক)।

১) 'ছেলেটা' কবিতা কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?

উত্তরঃ পুনশ্চ কাব্যগ্রন্থ।

২) ছেলেটার ভির্মী লাগার কারণ কি?

উত্তরঃ বিষফল খাওয়ার জন্য।

৩) ছেলেটা কোথায় হারিয়ে যায়?

উত্তরঃ রথের মেলায়।

৪) দাঁড়কাক কোথায় বসেছিল?

উত্তরঃ বৈঁচিগাছের ডালে। 

৫) ডুবে ডুবে কে গুগলি তোলে?

উত্তরঃ পাতিহাঁস।

৭) ছেলেটা জলের তলায় ডুবে গেলে কে তাকে উদ্ধার করে? 

উত্তরঃ রাখাল।

৮) পাকড়াশীদের মেজো ছেলে ছেলেটাকে কি দেখতে দিয়েছিল?

উত্তরঃ কাঁচ পরানোর চোঙ।

৯) "তার দেহান্তর ঘটল।"-কার দেহান্তর ঘটলো?

উত্তরঃ পোষ্য বঙ্গজ কুকুরের।

১০) "চুরি করতে উৎসাহ হল না।" -কেন কার চুরি করতে উৎসাহ হল না? 

উত্তরঃ পোষা কুকুরের মৃত্যুর কারণে ছেলেটার চুরি করতে উৎসাহ হল না।

১১) ছেলেটাকে ডেকে এনে কে দুধ খাওয়ায়?

উত্তরঃ সিধু গয়লানী।

১২) "তার ছেলেটি মরে গেছে সাত বছর হল।"-এখানে কার ছেলের মরে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে?

উত্তরঃ সিধু গয়লানীর।

১৪) "এমন নিরেট বুদ্ধি!"-এখানে কার নিরেট বুদ্ধির কথা বলা হয়েছে? 

উত্তরঃ ছেলেটির।

১৫) "আমার কাছে দুঃখ করে গেল।"-কে দুঃখ করে গেল? 

উত্তরঃ অম্বিকে মাস্টার দুঃখ করে গেল। 

১৬) "আমি বললুম, সে ত্রুটি আমারই।"-এখানে আমি কে? 

উত্তরঃ এখানে আমি স্বয়ং কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। 

১৭) ছেলেটার বয়স হবে- ১০ বছর।

১৮) ছাড়া পেলেই আবার-দেয় দৌড়। 

১৯) বাঁশের ডগায় বসে-মাছরাঙা।

২০) কাজেই চুরি করে আনতে হলো-কাচ পরানো চোঙ।

২১) ছেলেটা বাগানে খোঁটা পোতার গর্তে পোষে-কোলাব্যাঙ।

২২) কাগজের বাক্সে এনে রাখে-গুবরে পোকা।

২৩) 'চুরি করতে উৎসাহ হলো না।'-করমচা।

২৪) "সে পক্ষ নেয় ওই ছেলেটারই"-এখানে সে কে? 

সিধু গয়লানী।

২৫) "আমার কাছে দুঃখ করে গেল"-অম্বিকা মাস্টার।

• ঠিক এরূপ অসংখ্য বিষয়ভিত্তিক আলোচনা ব্যাখ্যা সাজেশন ভিডিও পেতে ভিজিট করুন আমাদের ফেসবুক পেজ এবং SHESHER KOBITA SUNDARBAN Youtube channel 🙏 •


Comments

Popular posts from this blog

একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়।

  একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়-সারদা মঙ্গল               গীতিকাব্য হলো এক ধরনের কবিতা, যার মধ্যে দিয়ে ব্যক্তির আবেগ, অনুভূতি এবং অভিজ্ঞতাগুলিকে ছন্দ ওর সংগীতের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। তবে এখানে কবিতাগুলি খুবই ছোট আকারের হয়, আর সেখানে কবির ব্যক্তিগত অনুভূতির গভীরতা ও আন্তরিকতা প্রকাশ পায়। আর এই প্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি গীতি কবিতার সংকলন হলো গীতিকাব্য। ব্যঞ্জনাময় ও সংহত ।  গীতিকাব্যের বৈশিষ্ট্য  গীতিকাব্যের কিছু প্রধান বৈশিষ্ট্য নিচে আলোচনা করা হলো: ১. ব্যক্তিগত অনুভূতি ও আবেগ প্রকাশ: এটি গীতিকাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য। এখানে কবি নিজের ব্যক্তিগত অনুভূতি, প্রেম, বিরহ, আনন্দ বা বিষাদের কথা তুলে ধরেন। ২. সংক্ষিপ্ততা: গীতিকাব্য সাধারণত দীর্ঘ হয় না। অল্প কয়েকটি স্তবকের মধ্যে কবি তাঁর ভাবনা সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করেন। ৩. সুর ও ছন্দের প্রাধান্য: গীতিকাব্য মূলত সুর করে আবৃত্তি করার জন্য রচিত হয়। তাই এতে সুর ও ছন্দের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়। ৪. আত্মগতভাব: গীতিকাব্যে বাইরের জগতের বর্ণনা না দিয়ে কবির নিজের মনের ভেতরের জগতের প্রতি মনোযোগ ...

চতুর্থ সেমিস্টার জেনারেল ইতিহাস ছোট প্রশ্ন ২০২১

 *১) সুজাউদ্দৌলা কে ছিলেন বা মুর্শিদকুলি খাঁর মৃত্যুর পর কে বাংলার নবাব হন?  উত্তর - সুজা উদ্দৌলা আয়ুধের সুবেদার নবাব ছিলেন। মুর্শিদকুলি খাঁর মৃত্যুর পর তার জামাতা বাংলার নবাব  হন ১৭৫৪-১৭৭৫ খ্রীস্টাব্দ পর্যন্ত। নবাব থাকাকালীন তিনি বক্সারের যুদ্ধ এবং পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন। *২) কোন সালে রেগুলেটিং আইন জারি করা হয়েছিল? উত্তর - ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দুর্নীতি দূরীকরণ, গঠন বিন্যাস ও নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্রিটিশ সরকার ১৭৭৩ খ্রিস্টাব্দে রেগুলেটিং আইন প্রণয়ন করেন। আর সেই আইনে বলা হয় বাংলা বোম্বাই ও মাদ্রাজে ১ করে কাউন্সিল থাকবে। *৩) শ্রী রঙ্গপত্তমের সন্ধিতে স্বাক্ষরকারী কারা কারা ছিলেন ?কখন এই সন্ধিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল? উত্তর - তৃতীয় ইঙ্গ মহীশূর যুদ্ধের অবসান হয়েছিল শ্রীরঙ্গপত্তমের সন্ধির দ্বারা। আর এই সন্ধিতে ঠিক হয় টিপু সুলতান ইংরেজদের তিন কোটি টাকা এবং জামিন স্বরূপ তার দুই পুত্রকে দিতে বাধ্য হবেন। এছাড়া বিজিত অঞ্চল ইংরাজ, মারাঠা ও নিজামের মধ্যে বন্টিত হল। যে সন্ধির দুটি পক্ষ ছিল একদিকে ছিলেন টিপু সুলতান এবং অপরদিকে ছিলেন ইংরেজ। সময়কালটি ছি...

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর ।

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর  ১) শিল্প বিপ্লব কবে কোথায় প্রথম ঘটেছিল?         উত্তর - প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়েছিল ইংল্যান্ডে (গ্রেট ব্রিটেন)। এটি প্রধানত অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হয়ে প্রায় ১৭৬০ থেকে ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দ-এর মধ্যে ঘটেছিল। ২) কৃষ্ণমৃত্যু কী?            • কৃষ্ণমৃত্যু (Black Death) হলো মানব ইতিহাসের এক ভয়াবহ মহামারি।এটি ছিল মূলত প্লেগ (Plague) রোগ, যা Yersinia pestis নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে সৃষ্টি হয়েছিল।এটি প্রধানত ১৩৪৬ থেকে ১৩৫৩ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে ইউরোপ, এশিয়া (ইউরেশিয়া) এবং উত্তর আফ্রিকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল। ৩) কে বলেছিলেন মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড?        •এই বিখ্যাত উক্তিটি যিনি করেছিলেন তিনি হলেন প্রাচীন গ্রিসের একজন প্রখ্যাত দার্শনিক, যার নাম প্রোটাগোরাস (Protagoras)।তাঁর মূল বক্তব্যটি ছিল-"মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড, যা আছে তারও, আর যা নেই তারও।” ৪) পেত্রাক কেন বিখ্যাত?         •পেত্রাক (Francesco Petrarca) ছিলেন ১৪ শতকের (১৩০৪-১৩৭৪) একজন ...