Skip to main content

কবি কঙ্কন মুকুন্দরাম2nd Sem, Major )চক্রবর্তীর চন্ডিমঙ্গল কাব্যের আখেটিক খন্ড অবলম্বনে ফুল্লরা চরিত্রটি আলোচনা করো।

কবি কঙ্কন মুকুন্দরাম চক্রবর্তী চন্ডীমঙ্গল কাব্যের আখেটিক খন্ড অবলম্বনে ফুল্লরা চরিত্রটি আলোচনা করো •• অথবা ফুল্লরা চরিত্রটি একটি প্রতিবাদী নারী চরিত্র- আলোচনা করো(পশ্চিমবঙ্গ কৃষ্ণীয় দ্বিতীয় সেমিস্টার বাংলা মেজর)।

           •আলোচনার শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,কবি কঙ্কন মুকুন্দরাম চক্রবর্তী রচিত অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাব্য চন্ডিমঙ্গল।আর সেই কাব্যের আখেটিক খন্ডের এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রতিবাদী এবং  স্বামীপ্রানা চরিত্র ফুল্লরা।আসলে দরিদ্র ব্যাধ কালকেতুর স্ত্রী ফুল্লরা দেবী চণ্ডীর মায়ার সৃষ্ট এক সংকটময় পরিস্থিতিতে তার চারিত্রিক দৃঢ়তা, বাস্তবতাবোধ এবং স্বামীর প্রতি গভীর প্রেমের এক আদর্শ নিদর্শন।    

      •দারিদ্রময় জীবন ও সংগ্ৰামী মনঃ চন্ডিমঙ্গল কাব্যের আখেটিক খন্ডে আমরা ফুল্লরার দৈনন্দিন জীবনযাত্রার এক করুন চিত্র দেখতে পাই। স্বামী কালকেতুর শিকারের ওপর নির্ভর করে তাদের সংসার চলে। দারিদ্র্য তাদের জীবনের নিত্যসঙ্গী। ফুল্লরার দীর্ঘ বারোমাস্যা বর্ণনার মধ্য দিয়ে কবি তৎকালীন সমাজের এক সাধারণ দরিদ্র নারীর দুঃখ-দুর্দশা অত্যন্ত বাস্তবসম্মতভাবে তুলে ধরেছেন। শুধু তাই নয়-

       •প্রবল অভাব-অনটন, ক্ষুধার জ্বালা, ঋণের বোঝা,এসবই ফুল্লরার জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তবে এই প্রতিকূলতার মধ্যেও ফুল্লরা কিন্তু হার মানে না। সে অত্যন্ত কর্মঠ এবং সংগ্রামী নারী। শুধু তাই নয়,স্বামীকে শিকারের জন্য উৎসাহিত করা থেকে শুরু করে সংসারের যাবতীয় কাজ সে একাই সামলিয়ে নিতে সিদ্ধহস্তা। তার এই সংগ্রামী মানসিকতা তাকে এক অসাধারণ নারী চরিত্রে পরিণত করেছে চন্ডিমঙ্গল কাব্যে।আর সেখানে ফুল্লরার-

ফতুল্লার বাস্তববোধ ও দূরদর্শিতাঃ চন্ডীমঙ্গল কাব্যের  আখেটিক খন্ডে ফুল্লরার চরিত্রের একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো তার প্রখর বাস্তবতাবোধ ও দূরদর্শিতা। যখন দেবী চণ্ডী এক সুন্দরী নারীর রূপ ধরে কালকেতুর সামনে উপস্থিত হন এবং কালকেতু তাকে ঘরে নিয়ে আসে, তখন ফুল্লরা বিস্মিত হয়। শুধু তাই নয়-

       সেই সাথে ফুল্লরা বেশ শঙ্কিতও হয়। সে বুঝতে পারে যে এই সুন্দরী নারীর আগমন তাদের দরিদ্র জীবনে আরও বড় সংকট ডেকে আনতে পারে। সে দেবী চণ্ডীর মিথ্যা পরিচয়ে মুগ্ধ না হয়ে তার আসল উদ্দেশ্য সম্পর্কে সংশয় প্রকাশ করে। তবে -

           •কালকেতু যখন দেবীকে নিজের ঘরে রাখতে চায়, তখন ফুল্লরা অত্যন্ত বুদ্ধিমত্তার সাথে দেবীর পরিচয় এবং তাদের দরিদ্র অবস্থা সম্পর্কে তুলে ধরে।ফুল্লরা খুব ভালো করেই জানে যে এই সুন্দরী নারীর ভরণপোষণ করা তাদের মতো দারিদ্রক্লৃষ্ট পরিবারের পক্ষে অসম্ভব। তাই ফতুল্লার এই বাস্তবসম্মত বিশ্লেষণ দেবী চণ্ডীকেও বিস্মিত করে। আসলে এর আড়ালে আছে-

ফুল্লরার আত্মমর্যাদা ও প্রতিবাদী সত্তাঃফুল্লরা শুধুমাত্র একজন গৃহিণী নয়, তার মধ্যে এক সুদৃঢ় আত্মমর্যাদাবোধ এবং প্রতিবাদী সত্তাও বিদ্যমান। দেবীর ছদ্মবেশে থাকা চণ্ডী যখন ফুল্লরাকে নানাভাবে প্রলোভিত করার চেষ্টা করেন, এমনকি তার রূপের প্রশংসা করে কালকেতুর দ্বিতীয় স্ত্রী হওয়ার প্রস্তাব দেন, তখন ফুল্লরা তা কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করে। তবুও ফুল্লরা-

           তার স্বামীর প্রতি বিশ্বস্ত এবং নিজের অধিকার সম্পর্কে সচেতন। দেবীর প্রস্তাবের প্রতিবাদে সে স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেয় যে, সে তার স্বামীর ওপর কারো ভাগ বসাতে দেবে না। তার এই নির্ভীক প্রতিবাদী রূপ তাকে একজন শক্তিশালী নারী চরিত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে।

         •স্বামীভক্তি ও সাংসারিক নারীঃফুল্লরার চরিত্রে স্বামীভক্তি অত্যন্ত প্রবল। সে কালকেতুর প্রতি গভীর অনুরাগী এবং তার সুখ-দুঃখের অংশীদার। কালকেতু যখন দেবী চণ্ডীর মায়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে, তখন ফুল্লরা তাকে সতর্ক করার চেষ্টা করে। তার এই স্বামীভক্তিই তাকে নানা প্রতিকূলতা মোকাবিলা করার শক্তি জোগায়। একইসাথে তার মধ্যে এক সহজাত সাংসারিক প্রজ্ঞা লক্ষ্য করা যায়। আসলে -

            ফুল্লরা জানে কীভাবে একটি সংসার চালাতে হয়, কীভাবে অভাবের সঙ্গে লড়াই করতে হয়। তার এই প্রজ্ঞাই তাকে কালকেতুর অবিবেচক সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে সাহায্য করে।

              •পরিশেষে আমরা বলতে পারি যে,চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের আখেটিক খণ্ডে ফুল্লরা চরিত্রটি কেবল একজন দরিদ্র ব্যাধের স্ত্রী হিসেবে সীমাবদ্ধ নয়। সে হয়ে উঠেছে তৎকালীন সমাজের শোষিত, বঞ্চিত নারীর এক প্রতিচ্ছবি, যে তার দৃঢ়তা, বাস্তবতাবোধ, আত্মমর্যাদা এবং প্রতিবাদের মধ্য দিয়ে নিজের স্থান করে নেয়। দারিদ্র্যের কশাঘাত, স্বামীর প্রতি ভালোবাসা এবং সংকটময় পরিস্থিতিতে তার বুদ্ধিমত্তা—এসবই ফুল্লরাকে একটি অসাধারণ ও চিরস্মরণীয় চরিত্রে পরিণত করেছে।

ঠিক এরূপ অসংখ্য বিষয়ভিত্তিক আলোচনা সাজেশন ব্যাখ্যা এবং ভিডিও পেতে ভিজিট করুন আমাদের ফেসবুক পেজ এবং আমাদের SHESHER KOBITA SUNDORBON YOUTUBE CHANNEL 🙏 













পথ জীবনযাত্রার এক চিত্র দেখতে পাই। স্বামী কালকেতুর শিকারের ওপরে তাদের পক্ষে দাঁড় করানো। দারিদ্র্য তাদের জীবন নিত্যসঙ্গী। ফুলরার দীর্ঘ বারোমাস্যা বর্ণনার মধ্য দিয়ে কবি তৎকালীন সমাজের এক সাধারণ দরিদ্র নারী দুঃখ-দুর্দশা অত্যন্ত বাস্তবিকভাবে বর্ণনা করেছেন। অভাব-অনটন, ক্ষুধার শক্তি, বোঝার—এসবই ফুল্লরার জীবন অবিচ্ছেদ্য অংশ। তবে এই প্রতিকূলতার মধ্যেও ফুলরা হারে না। সে অত্যন্ত কর্মঠ এবং দল। স্বামীকে শিকারের জন্য একাকী করা থেকে শুরু করে দেশের বাইরের কাজ সে সামলায়। তার এই বিপ্লবী চরিত্রে তাকে এক অসাধারণ নারী পরিণত করেছে।

বাস্তবতাবোধ ও দূরদর্শিতা

ফুল্লরার চরিত্রের একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য তার প্রখর বাস্তবতাবোধ ও দূরদর্শিতা। যখন দেবী চণ্ডী এক সুন্দরী নারী রূপ ধরে কালকেতুর উপস্থিত হন এবং কালকেতু তাকে সামনে নিয়ে আসে, তখন ফুলরা বিস্মিত হয় এবং একইসাথে শিঙ্কিতও হয়। সে আলোচনা করতে পারে যে এই সুন্দরী নারীর আগমন তাদের দরিদ্র আরও বড় পক্ষকে আনতে পারে। সে দেবী চণ্ডীর আবেগে আবেগ না হওয়া তার অস্বাভাবিক সম্বন্ধে প্রকাশ করে। কালকেতু যখন দেবীকে সামনে রাখতে চান, তখন ফুলরা বুদ্ধিমত্তার সাথে দেবীর এবং তাদের দরিদ্র অবস্থা সম্পর্কে কথা ধরে। সে অভিজ্ঞতা যে এই সুন্দরী নারীর ভরপোষণ করা তাদের ব্যবহার। তার এই বাস্তব বিশ্লেষণী দেবী চণ্ডীকে বিস্মিত করে।

আত্মমর্যাদা ও প্রতিবাদী সত্তা

ফুল্লরা শুধুমাত্র একজন গৃহিণী নয়, তার এক সুদৃঢ় আত্মমর্যাদা বিরোধিতা এবং প্রতিবাদী সত্তাও বিদ্যমান। দেবীর ছদ্মবেশে শান্ত চণ্ডী যখন ফুলরাকে শাসন করে প্রলোভিত করার চেষ্টা করেন, এমনকি তার প্রশংসা করে কালকেতু দ্বিতীয় স্ত্রী প্রস্তাব দেন, তখন ফুল্লরা তা কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করে। সে তার স্বামীর প্রতি বিশ্বস্ত এবং নিজের অধিকার সম্পর্কে। প্রতিবাদের প্রতিবাদে সে ক্ষমতার ভয় দেয়, সে তার স্বামীর ওপর ভাগ বসাতে পারে না। তার এই নির্ভীক প্রতিবাদী রূপ তাকে একজন নারী চরিত্র হিসেবে চিহ্নিত করে।

স্বামীভক্তি ও সাংসারিক প্রজ্ঞা

ফুলরার চরিত্রে স্বামীভক্তি অত্যন্ত প্রবল। সে কালকেতুর প্রতি গভীর অনুরাগী এবং তার সুখ-দুঃখের অংশীদার। কালকেতু যখন দেবী চণ্ডীর মায়া আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে, তখন ফুলরা তাকে সতর্ক করার চেষ্টা করে। তার এই স্বামীভক্তিই তাকে প্রতিকূলতা মোকাবিলা করার শক্তি জোগায়। একইসাথে তার মধ্যে এক সহজাত সাংসারিক প্রজ্ঞা লক্ষ্য করা যায়। সে জানার পদ্ধতি একটি চালাতে হয়, প্রয়োজনের সাথে লড়াই করতে হয়। তার এই প্রজ্ঞাই তাকে কালকেতুর অবিবেচকের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে সাহায্য করে।

উপসংহার

চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের আখেক খন্ডে ফুলরা চরিত্রটি কেবল একজন দরিদ্র ব্যাধের স্ত্রী হিসাবে সীমাবদ্ধ নয়। সে হয়ে উঠেছে, তৎকালীন সমাজের শোধ, বঞ্চিত নারীর এক প্রতিবি তার দৃঢ়তা, বাস্তবতাবোধ, আত্মমর্যাদা এবং প্রতিবাদের মধ্য দিয়ে নিজের স্থান করে নেওয়া। দারিদ্র্যের কশাঘাত, স্বামীর প্রতি প্রেম এবং শত্রুপক্ষে তার বুদ্ধিমত্তা—এসবই ফুলরাকে একটি অসাধারণ ও চিরস্মরণীয় চরিত্রে পরিনত করেছে।



কবি কঙ্কন মুকুন্দরাম চক্রবর্তী চন্ডিমঙ্গল কাব্যের আখেটিক খন্ড অবলম্বনে ফুল্লরা চরিত্রটি আলোচনা করো

Comments

Popular posts from this blog

একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়।

  একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়-সারদা মঙ্গল               গীতিকাব্য হলো এক ধরনের কবিতা, যার মধ্যে দিয়ে ব্যক্তির আবেগ, অনুভূতি এবং অভিজ্ঞতাগুলিকে ছন্দ ওর সংগীতের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। তবে এখানে কবিতাগুলি খুবই ছোট আকারের হয়, আর সেখানে কবির ব্যক্তিগত অনুভূতির গভীরতা ও আন্তরিকতা প্রকাশ পায়। আর এই প্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি গীতি কবিতার সংকলন হলো গীতিকাব্য। ব্যঞ্জনাময় ও সংহত ।  গীতিকাব্যের বৈশিষ্ট্য  গীতিকাব্যের কিছু প্রধান বৈশিষ্ট্য নিচে আলোচনা করা হলো: ১. ব্যক্তিগত অনুভূতি ও আবেগ প্রকাশ: এটি গীতিকাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য। এখানে কবি নিজের ব্যক্তিগত অনুভূতি, প্রেম, বিরহ, আনন্দ বা বিষাদের কথা তুলে ধরেন। ২. সংক্ষিপ্ততা: গীতিকাব্য সাধারণত দীর্ঘ হয় না। অল্প কয়েকটি স্তবকের মধ্যে কবি তাঁর ভাবনা সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করেন। ৩. সুর ও ছন্দের প্রাধান্য: গীতিকাব্য মূলত সুর করে আবৃত্তি করার জন্য রচিত হয়। তাই এতে সুর ও ছন্দের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়। ৪. আত্মগতভাব: গীতিকাব্যে বাইরের জগতের বর্ণনা না দিয়ে কবির নিজের মনের ভেতরের জগতের প্রতি মনোযোগ ...

চতুর্থ সেমিস্টার জেনারেল ইতিহাস ছোট প্রশ্ন ২০২১

 *১) সুজাউদ্দৌলা কে ছিলেন বা মুর্শিদকুলি খাঁর মৃত্যুর পর কে বাংলার নবাব হন?  উত্তর - সুজা উদ্দৌলা আয়ুধের সুবেদার নবাব ছিলেন। মুর্শিদকুলি খাঁর মৃত্যুর পর তার জামাতা বাংলার নবাব  হন ১৭৫৪-১৭৭৫ খ্রীস্টাব্দ পর্যন্ত। নবাব থাকাকালীন তিনি বক্সারের যুদ্ধ এবং পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন। *২) কোন সালে রেগুলেটিং আইন জারি করা হয়েছিল? উত্তর - ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দুর্নীতি দূরীকরণ, গঠন বিন্যাস ও নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্রিটিশ সরকার ১৭৭৩ খ্রিস্টাব্দে রেগুলেটিং আইন প্রণয়ন করেন। আর সেই আইনে বলা হয় বাংলা বোম্বাই ও মাদ্রাজে ১ করে কাউন্সিল থাকবে। *৩) শ্রী রঙ্গপত্তমের সন্ধিতে স্বাক্ষরকারী কারা কারা ছিলেন ?কখন এই সন্ধিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল? উত্তর - তৃতীয় ইঙ্গ মহীশূর যুদ্ধের অবসান হয়েছিল শ্রীরঙ্গপত্তমের সন্ধির দ্বারা। আর এই সন্ধিতে ঠিক হয় টিপু সুলতান ইংরেজদের তিন কোটি টাকা এবং জামিন স্বরূপ তার দুই পুত্রকে দিতে বাধ্য হবেন। এছাড়া বিজিত অঞ্চল ইংরাজ, মারাঠা ও নিজামের মধ্যে বন্টিত হল। যে সন্ধির দুটি পক্ষ ছিল একদিকে ছিলেন টিপু সুলতান এবং অপরদিকে ছিলেন ইংরেজ। সময়কালটি ছি...

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর ।

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর  ১) শিল্প বিপ্লব কবে কোথায় প্রথম ঘটেছিল?         উত্তর - প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়েছিল ইংল্যান্ডে (গ্রেট ব্রিটেন)। এটি প্রধানত অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হয়ে প্রায় ১৭৬০ থেকে ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দ-এর মধ্যে ঘটেছিল। ২) কৃষ্ণমৃত্যু কী?            • কৃষ্ণমৃত্যু (Black Death) হলো মানব ইতিহাসের এক ভয়াবহ মহামারি।এটি ছিল মূলত প্লেগ (Plague) রোগ, যা Yersinia pestis নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে সৃষ্টি হয়েছিল।এটি প্রধানত ১৩৪৬ থেকে ১৩৫৩ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে ইউরোপ, এশিয়া (ইউরেশিয়া) এবং উত্তর আফ্রিকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল। ৩) কে বলেছিলেন মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড?        •এই বিখ্যাত উক্তিটি যিনি করেছিলেন তিনি হলেন প্রাচীন গ্রিসের একজন প্রখ্যাত দার্শনিক, যার নাম প্রোটাগোরাস (Protagoras)।তাঁর মূল বক্তব্যটি ছিল-"মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড, যা আছে তারও, আর যা নেই তারও।” ৪) পেত্রাক কেন বিখ্যাত?         •পেত্রাক (Francesco Petrarca) ছিলেন ১৪ শতকের (১৩০৪-১৩৭৪) একজন ...