বাঙালির শিল্প ও সংস্কৃতি (পশ্চিমবঙ্গ উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ দ্বাদশ শ্রেণী চতুর্থ সেমিস্টার বাংলা)।
বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে সত্যজিৎ রায়ের অবদান সংক্ষেপে আলোচনা করো।
আলোচনার শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,বিশ্ববরেণ্য চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায় বাংলা চলচ্চিত্রকে আন্তর্জাতিক আঙিনায় এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছেন। তাঁর অবদান নিম্নলিখিত দিক থেকে আমরা আলোচনা করতে পারি-
•পথের পাঁচালী (১৯৫৫): বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত তাঁর প্রথম ছবি 'পথের পাঁচালী' বাংলা চলচ্চিত্রের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। এটি আন্তর্জাতিক স্তরে বহু পুরস্কার লাভ করে।
•অপু ত্রয়ীঃ'পথের পাঁচালী', 'অপরাজিত' এবং 'অপুর সংসার'—এই তিনটি ছবি বা অপু ত্রয়ীর মাধ্যমে তিনি অপুর শৈশব থেকে প্রৌঢ়ত্ব পর্যন্ত এক মহাকাব্যিক জীবনকাহিনী তুলে ধরেন।
•বিচিত্র বিষয়ঃতিনি শুধু বাস্তবধর্মী ছবিই নয়, সংগীতধর্মী ছবি (জলসাঘর), ঐতিহাসিক ছবি (শতরঞ্জ কে খিলাড়ি), গোয়েন্দা ছবি (ফেলুদা সিরিজ) এবং শিশুতোষ ছবি (গুপি গাইন বাঘা বাইন) নির্মাণে পারদর্শী ছিলেন।
•বহুমুখী প্রতিভাঃ ছবির পরিচালনা ছাড়াও চিত্রনাট্য রচনা, সংগীত পরিচালনা এবং পোস্টার ডিজাইনে তাঁর অসাধারণ দক্ষতা ছিল।
পরিশেষে আমরা বলতে পারি যে,১৯৯২ সালে তাঁকে বিশ্বের সর্বোচ্চ চলচ্চিত্র সম্মান 'অস্কার' (লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট) প্রদান করা হয়। বাংলা চলচ্চিত্র মানেই আজও সত্যজিৎ রায়ের অমর সৃষ্টি।
•ভাষা বিজ্ঞান•
• উদাহরণসহ অবিভাজ্য ধ্বনি সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করো।
উত্তরঃযে সমস্ত ধ্বনিমূলকে কৃত্রিমভাবেও খণ্ড বা বিশ্লেষণ করা যায় না, তাদের বলা হয় অবিভাজ্য ধ্বনি। অর্থাৎ, এগুলো শব্দের কোনো নির্দিষ্ট বর্ণ বা স্বর নয়, বরং উচ্চারণের সময় পুরো শব্দের ওপর নির্ভর করে।
অবিভাজ্য ধ্বনির প্রধান কয়েকটি শাখা-
১)শ্বাসঘাতঃ কোনো একটি নির্দিষ্ট ধ্বনি বা দল-কে যখন বেশি জোর দিয়ে উচ্চারণ করা হয়। যেমন: 'কেষ্ট' শব্দের 'কে' ধ্বনিটি।
২)দৈর্ঘ্যঃকোনো স্বরধ্বনি দীর্ঘক্ষণ ধরে উচ্চারণ করা। যেমন: 'করো' (বলা অর্থে) এবং 'করো' (অনুরোধ অর্থে) এর মধ্যে উচ্চারণের সময়ের তফাৎ।
৩)সুরতরঙ্গঃবাক্যে সুরের ওঠানামাকে সুরতরঙ্গ বলে। একই বাক্য সাধারণ বিবৃতিতে একরকম শোনায়, আবার প্রশ্ন করলে অন্যরকম সুর হয়। যেমন: "তুমি আসবে।" (বিবৃতি) এবং "তুমি আসবে?" (প্রশ্ন)।
৪)যতিঃ উচ্চারণের সময় মাঝপথে স্বল্প বিরতি।
•চিত্রকলা: নন্দলাল বসু এবং যামিনী রায়ের অবদান দেখে রাখবে।
•বিজ্ঞান: জগদীশচন্দ্র বসু এবং প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের অবদান গুরুত্বপূর্ণ।
•গান: কাজী নজরুল ইসলাম এবং অতুলপ্রসাদ সেনের গান সম্পর্কে ২-৩টি পয়েন্ট পড়ে রাখবে।
Comments
Post a Comment