Skip to main content

তৃতীয় সেমিস্টার বাংলা মাইনর টীকা সাজেশন

সাজেশন বাংলা মাইনর টীকা ৫ নম্বরের পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় তৃতীয় সেমিস্টার ২০২৫-২৬।

২০২৪ (বিগত বছর) | ১. ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ 

 ২. বীরাঙ্গনা কাব্য 

 ৩. নীলদর্পণ 

 ৪. বনফুলের ছোটগল্প |

| ২০২৩ | ***১. শ্রীরামপুর মিশন •ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের কবিত্ব 

*** ২. মেঘনাদবধ কাব্য •বিহারীলাল চক্রবর্তী •

*** ৩. বঙ্গদর্শন পত্রিকা • তত্ত্ববোধিনী • কল্লোল• বিবেধার্থ/সবুজপত্র 

 *** ৪. আরণ্যক (বিভূতিভূষণ)• পদ্মানদীর মাঝি •শরৎচন্দ্রের ছোটগল্প।•কমলাকান্তের দপ্তর 

| ২০২২ | ১. শ্রীরামপুর মিশন 

 ২. মধুসূদনের নাটক • গিরিশচন্দ্র ঘোষ পৌরাণিক নাটক • বিজন ভট্টাচার্যের নবান্ন নাটক।

 *** ৩. তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা 

*** ৪. শরৎচন্দ্রের ছোটগল্প |

এখান থেকে আমরা কী বুঝলাম? (২০২৫-২৬ এর কৌশল)

১. রিপিটেশন প্যাটার্ন: খেয়াল করে দেখো, শ্রীরামপুর মিশন বা ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ—এই দুটির মধ্যে একটি প্রায় প্রতি বছর অল্টারনেট করে আসে। ২০২৪-এ ফোর্ট উইলিয়াম এসেছে, তাই তোমার জন্য শ্রীরামপুর মিশন খুব গুরুত্বপূর্ণ।

২. সাময়িক পত্র: ২০২৪-এ সাময়িক পত্র থেকে সরাসরি টীকা আসেনি, তাই ২০২৫-২৬ এর জন্য বঙ্গদর্শন অথবা তত্ত্ববোধিনী আসার সম্ভাবনা প্রায় ১০০%।

৩. নাটক: ২০২৪-এ 'নীলদর্পণ' এসেছে, তাই তোমার জন্য এবার গিরিশচন্দ্র ঘোষের পৌরাণিক নাটক বা বিজন ভট্টাচার্যের নবান্ন বেশি জরুরি।

৪. কাব্য: 'বীরাঙ্গনা' গতবার এসেছে, তাই এবার ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত বা বিহারীলাল চক্রবর্তী আসার পাল্লা ভারী।

২০২৫-২৬ এর জন্য তোমার ফাইনাল 'মাস্ট রিড' তালিকা:

১. শ্রীরামপুর মিশন (গদ্যের বিকাশে অবদান)

২. তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা ৩. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের যুগসন্ধিক্ষণের বৈশিষ্ট্য

৪. গিরিশচন্দ্র ঘোষের নাট্যপ্রতিভা

৫. শরৎচন্দ্রের শ্রীকান্ত (১ম পর্ব)

৬. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছোটগল্প

তুমি কি চাও আমি এই তালিকার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রথম ২-৩টি প্রশ্নের উত্তর পয়েন্ট করে লিখে দিই? এতে তোমার নো

ট তৈরির কাজটা সহজ হয়ে যাবে।

Comments

Popular posts from this blog

দর্শন প্রথম সেমিস্টার সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর।

দর্শন প্রথম সেমিস্টার সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, মাইনর সিলেবাস)  ১)চার্বাক মতে ভূত কয়টি ও কি কি? উত্তরঃচার্বাক মতে ভূত চারটি- ক্ষিতি, অপ্ , তেজ ও মরুৎ ২) স্বভাববাদ কী? উত্তরঃ চার্বাক জড়বাদের ভিত্তি হল স্বভাববাদ। যে মতবাদ অনুসারে স্বভাব থেকেই ভূত সৃষ্টি, আবার স্বভাব থেকেই বিচ্ছেদ। যার জন্য ঈশ্বরকে স্বীকার করা প্রয়োজন নেই। ৩) অব্যাপ্যদেশ কথাটির অর্থ লেখো। উত্তরঃ অব্যাপ্যদেশ বলতে বোঝায়- অশাব্দ অর্থাৎ যাকে শব্দের দ্বারা প্রকাশ করা যায় না। ৫) জ্ঞান লক্ষণ প্রত্যক্ষ কাকে বলে?  কোন একটি ইন্দ্রিয়ের মাধ্যমে তার নিজের বিষয়ীভূত গুণ ছাড়াও যদি অপর একটি ইন্দ্রিয়ের বিষয়ীভূত গুণকে প্রত্যক্ষ করার হয়, তাহলে সেই প্রত্যক্ষকে জ্ঞানলক্ষণ প্রত্যক্ষ বলা হয়। ৬) ন্যায় মতে প্রমাণের প্রকার  উত্তরঃ ন্যায় মতে প্রমাণ চার প্রকার। প্রত্যক্ষ, অনুমান, উপমান এবং শাব্দ। ৭) সন্নিকর্ষ কাকে বলে? উত্তরঃ ন্যায় মতে ইন্দ্রিয় ও কোন বাস্তব পদার্থের মধ্যে একপ্রকার বিশেষ সম্পর্ক ঘটলে তবেই আমাদের একটি বস্তুর প্রত্যক্ষজ্ঞান ।আর ঐ বিশেষ বিশেষ সম্পর্কের পারিভাষিক নাম হলো সন...

ইতিহাস (3rd Semester) সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর।

 তৃতীয় সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, তৃতীয় সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর)। ১)বন্দেগান-ই-চাহালগানি বলতে কী বোঝায়? •উত্তরঃবন্দেগান-ই-চাহালগান বলতে চল্লিশ জন তুর্কি ও অ-তুর্কি দাসদের সমন্বয়ে গঠিত একটি বাহিনীকে বোঝায়। এই বাহিনীকে ডাল চালিশা বা তুরকান-ই- চাহালগানি নামে ডাকা হতো। ২)আমির খসরু কে ছিলেন? •উত্তরঃ আমির খসরু ছিলেন প্রখ্যাত সুফি সাধক বা আরেফ নিজামউদ্দিন আওলিয়ার ছাত্র এবং অন্যতম প্রধান খলিফা। যাঁকে 'ভারতের তোতা' উপাধি দেওয়া হয়েছিল। ৩) মহরানা প্রতাপ কে ছিলেন?  •উত্তরঃ মেবারের শিশোদিয়া রাজবংশের একজন হিন্দু রাজপুত রাজা ছিলেন মহারানা প্রতাপ সিং। যিনি রাজপুতদের বীরত্ব ও দৃঢ় সংকল্পের প্রতীক। বহু বছর ধরে তিনি মুঘল সম্রাট আকবরের সঙ্গে লড়াই করেন। ৪) জায়গীরদারী সংকট কী? •উত্তরঃ জায়গিরদারী সংকট ছিল মোগল সাম্রাজ্যের একটি অর্থনৈতিক সংকট। এই সংকটে জমি বা জায়গিরের অভাব দেখা দিয়েছিল। যার ফলে প্রশাসনিক খরচ মেটানো এবং যুদ্ধের খরচ বহন করা সম্ভব হতো না। ৫) দাক্ষিণাত্য ক্ষত কী? •উত্তরঃ দাক্ষিণাত্য ক্ষত বলতে ঔরঙ্গজেবের দাক্ষিণাত্য নীত...

ব্রিটিশ(3rd.Sem) পার্লামেন্টের সার্বভৌমত্ব

ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সার্বভৌমত্ব আলোচনা করো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, তৃতীয় সেমিস্টার, রাষ্ট্রবিজ্ঞান মাইনর সিলেবাস)।         আমরা জানি যে,ব্রিটেনের সংবিধান অলিখিত বলে বিভিন্ন ঐতিহাসিক দলিল, শাসনতান্ত্রিক রীতিনীতি, পার্লামেন্ট প্রণীত আইন প্রভৃতির মাধ্যমে পার্লামেন্টের সার্বভৌমত্ব অর্জিত হয়েছে। ব্রিটেনের পার্লামেন্ট আইনানুগ সার্বভৌমত্ব অর্জন করেছে, রাজনৈতিক সার্বভৌমত্ব নয়। আর সেখানে ব্রিটিশ পার্লামেন্টকে আইনানুগ সার্বভৌমত্ব বলা হয়, কারণ-       যেকোনো বিষয়ে পার্লামেন্ট আইন প্রণনয়নের অধিকারী। তবে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট এককেন্দ্রিক রাষ্ট্র হওয়ায় পার্লামেন্টে কোন আইন প্রণয়নের সময় প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় না। আসলে সেখানে কমন্সসভা তথা নিম্নকক্ষের সার্বভৌমত্বকেই বলা হয় পার্লামেন্টের সার্বভৌমত্ব।     ••ব্রিটিশ পার্লামেন্টকে সার্বভৌমত্ব বলার কারণ- ১) পার্লামেন্টের ওপর আইনগত কোনরূপ বাধানিষেধ আরোপ করা যায় না। ২) পার্লামেন্ট প্রণীত আইনের বৈধতার ব্যাপারে আদালত কোন প্রশ্ন তুলতে পারেনা। ব্রিটেনের আদালত পার্লামেন্ট প্রণীত আইনের ওপর বিচার বি...