Skip to main content

 পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সপ্তম শ্রেণির দ্রুতপঠন 'মাকু' উপন্যাসের প্রথম ৩ পৃষ্ঠায় (প্রথম অধ্যায়) গল্পের চমৎকার সূচনা ও প্রধান চরিত্রদের পরিচয় দেওয়া হয়েছে। এর মূল বিষয়বস্তু নিচে আলোচনা করা হলো:

১. আম্মা ও দয়াময়ীর কথা

গল্পের শুরু হয় দুই বোন আম্মা ও দয়াময়ী (যাদের আমরা সোনা ও টিয়া হিসেবে চিনি)-র কথোপকথন দিয়ে। তারা তাদের প্রিয় পুতুলগুলোকে নিয়ে খেলছিল। বড়দের শাসনে থাকা এই দুই ছোট্ট মেয়ের মনে তখন চলছে রোমাঞ্চকর অভিযানের পরিকল্পনা।

২. কালিয়ার বনের রহস্য

সোনা ও টিয়া তাদের মেজমামার কাছে শুনেছে যে কালিয়ার বনে গেলেই নাকি সব অদ্ভুত কাণ্ড ঘটে। সেই বনে বাঘ আছে, ভাল্লুক আছে, আর আছে হরেক রকমের মজার মানুষ। তাদের বাড়ির চাকর পাচু বারবার সাবধান করে যে কালিয়ার বনে গেলে আর ফেরা যায় না, কিন্তু ছোটদের মন তো আর বাধা মানে না!

৩. নোটো মাস্টারের সার্কাস পার্টি

সোনা ও টিয়া জানতে পারে যে তাদের পরিচিত নোটো মাস্টার কালিয়ার বনে এক বিরাট সার্কাস পার্টি খুলে বসেছেন। সেখানে জাদুকর আছে, সঙ আছে, আর আছে আশ্চর্য সব জানোয়ার। সোনা ও টিয়া ঠিক করে যে তারা লুকিয়ে সেই বনে যাবে এবং এই অদ্ভুত জগতটা স্বচক্ষে দেখবে।

৪. পালানোর প্রস্তুতি

বাড়ির সবার চোখ এড়িয়ে তারা বনে যাওয়ার জন্য তৈরি হয়। তাদের সঙ্গে থাকে কিছু খাবার (যেমন মুড়ি, নারকেল নাড়ু) এবং সাহস। বনের শুরুতে তারা একটা বিরাট বটগাছ দেখতে পায়, যেখান থেকেই মূলত তাদের রোমাঞ্চকর যাত্রা শুরু হতে চলেছে।

এই ৩ পৃষ্ঠার প্রধান চরিত্র ও তথ্য:

সোনা ও টিয়া,যারা গল্পের দুই ছোট্ট প্রধান চরিত্র (বোন)। কালিয়ার বন। রহস্যময় জঙ্গল যেখানে সার্কাস পার্টি আছে। |নোটো মাস্টার। সার্কাস পার্টির মালিক বা দলপতি।  মাকু | যদিও শুরুর ৩ পৃষ্ঠায় মাকু সরাসরি সামনে আসেনি, তবে বনের অদ্ভুতুড়ে সব ঘটনার ইঙ্গিত থেকেই তার আবির্ভাবের প্রেক্ষাপট তৈরি হয়। |

গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট

 •কালিয়ার বন নিয়ে বাড়ির লোকেদের ভয় এবং ছোটদের কৌতূহল।সার্কাসের প্রতি সোনা ও টিয়ার আকর্ষণ।ছোটবেলার সারল্য ও অজানাকে জানার অদম্য ইচ্ছে।


Comments

Popular posts from this blog

দর্শন প্রথম সেমিস্টার সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর।

দর্শন প্রথম সেমিস্টার সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, মাইনর সিলেবাস)  ১)চার্বাক মতে ভূত কয়টি ও কি কি? উত্তরঃচার্বাক মতে ভূত চারটি- ক্ষিতি, অপ্ , তেজ ও মরুৎ ২) স্বভাববাদ কী? উত্তরঃ চার্বাক জড়বাদের ভিত্তি হল স্বভাববাদ। যে মতবাদ অনুসারে স্বভাব থেকেই ভূত সৃষ্টি, আবার স্বভাব থেকেই বিচ্ছেদ। যার জন্য ঈশ্বরকে স্বীকার করা প্রয়োজন নেই। ৩) অব্যাপ্যদেশ কথাটির অর্থ লেখো। উত্তরঃ অব্যাপ্যদেশ বলতে বোঝায়- অশাব্দ অর্থাৎ যাকে শব্দের দ্বারা প্রকাশ করা যায় না। ৫) জ্ঞান লক্ষণ প্রত্যক্ষ কাকে বলে?  কোন একটি ইন্দ্রিয়ের মাধ্যমে তার নিজের বিষয়ীভূত গুণ ছাড়াও যদি অপর একটি ইন্দ্রিয়ের বিষয়ীভূত গুণকে প্রত্যক্ষ করার হয়, তাহলে সেই প্রত্যক্ষকে জ্ঞানলক্ষণ প্রত্যক্ষ বলা হয়। ৬) ন্যায় মতে প্রমাণের প্রকার  উত্তরঃ ন্যায় মতে প্রমাণ চার প্রকার। প্রত্যক্ষ, অনুমান, উপমান এবং শাব্দ। ৭) সন্নিকর্ষ কাকে বলে? উত্তরঃ ন্যায় মতে ইন্দ্রিয় ও কোন বাস্তব পদার্থের মধ্যে একপ্রকার বিশেষ সম্পর্ক ঘটলে তবেই আমাদের একটি বস্তুর প্রত্যক্ষজ্ঞান ।আর ঐ বিশেষ বিশেষ সম্পর্কের পারিভাষিক নাম হলো সন...

ইতিহাস (3rd Semester) সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর।

 তৃতীয় সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, তৃতীয় সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর)। ১)বন্দেগান-ই-চাহালগানি বলতে কী বোঝায়? •উত্তরঃবন্দেগান-ই-চাহালগান বলতে চল্লিশ জন তুর্কি ও অ-তুর্কি দাসদের সমন্বয়ে গঠিত একটি বাহিনীকে বোঝায়। এই বাহিনীকে ডাল চালিশা বা তুরকান-ই- চাহালগানি নামে ডাকা হতো। ২)আমির খসরু কে ছিলেন? •উত্তরঃ আমির খসরু ছিলেন প্রখ্যাত সুফি সাধক বা আরেফ নিজামউদ্দিন আওলিয়ার ছাত্র এবং অন্যতম প্রধান খলিফা। যাঁকে 'ভারতের তোতা' উপাধি দেওয়া হয়েছিল। ৩) মহরানা প্রতাপ কে ছিলেন?  •উত্তরঃ মেবারের শিশোদিয়া রাজবংশের একজন হিন্দু রাজপুত রাজা ছিলেন মহারানা প্রতাপ সিং। যিনি রাজপুতদের বীরত্ব ও দৃঢ় সংকল্পের প্রতীক। বহু বছর ধরে তিনি মুঘল সম্রাট আকবরের সঙ্গে লড়াই করেন। ৪) জায়গীরদারী সংকট কী? •উত্তরঃ জায়গিরদারী সংকট ছিল মোগল সাম্রাজ্যের একটি অর্থনৈতিক সংকট। এই সংকটে জমি বা জায়গিরের অভাব দেখা দিয়েছিল। যার ফলে প্রশাসনিক খরচ মেটানো এবং যুদ্ধের খরচ বহন করা সম্ভব হতো না। ৫) দাক্ষিণাত্য ক্ষত কী? •উত্তরঃ দাক্ষিণাত্য ক্ষত বলতে ঔরঙ্গজেবের দাক্ষিণাত্য নীত...

ব্রিটিশ(3rd.Sem) পার্লামেন্টের সার্বভৌমত্ব

ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সার্বভৌমত্ব আলোচনা করো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, তৃতীয় সেমিস্টার, রাষ্ট্রবিজ্ঞান মাইনর সিলেবাস)।         আমরা জানি যে,ব্রিটেনের সংবিধান অলিখিত বলে বিভিন্ন ঐতিহাসিক দলিল, শাসনতান্ত্রিক রীতিনীতি, পার্লামেন্ট প্রণীত আইন প্রভৃতির মাধ্যমে পার্লামেন্টের সার্বভৌমত্ব অর্জিত হয়েছে। ব্রিটেনের পার্লামেন্ট আইনানুগ সার্বভৌমত্ব অর্জন করেছে, রাজনৈতিক সার্বভৌমত্ব নয়। আর সেখানে ব্রিটিশ পার্লামেন্টকে আইনানুগ সার্বভৌমত্ব বলা হয়, কারণ-       যেকোনো বিষয়ে পার্লামেন্ট আইন প্রণনয়নের অধিকারী। তবে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট এককেন্দ্রিক রাষ্ট্র হওয়ায় পার্লামেন্টে কোন আইন প্রণয়নের সময় প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় না। আসলে সেখানে কমন্সসভা তথা নিম্নকক্ষের সার্বভৌমত্বকেই বলা হয় পার্লামেন্টের সার্বভৌমত্ব।     ••ব্রিটিশ পার্লামেন্টকে সার্বভৌমত্ব বলার কারণ- ১) পার্লামেন্টের ওপর আইনগত কোনরূপ বাধানিষেধ আরোপ করা যায় না। ২) পার্লামেন্ট প্রণীত আইনের বৈধতার ব্যাপারে আদালত কোন প্রশ্ন তুলতে পারেনা। ব্রিটেনের আদালত পার্লামেন্ট প্রণীত আইনের ওপর বিচার বি...