Skip to main content

Posts

Showing posts from February, 2026

তৃতীয় সেমিস্টার দর্শন মাইনর।

 • A-বচনের সীমিত আবর্তনের সপক্ষে যুক্তি দাও। A- সকল কবি হয় মানুষ। ( আবর্তনীয় ) I-কোন কোনো মানুষ হয় কবি। (I) আবর্তিত         সাবেকি যুক্তিবিজ্ঞানীদের মতে, A বচনের সীমিত আবর্তন সম্পূর্ণ বৈধ কারণ এটি আবর্তনের সবকটি নিয়ম মেনে চলে। যদিও আধুনিক যুক্তিবিজ্ঞানে (বুলীয় ব্যাখ্যায়) সামান্য বচন থেকে বিশেষ বচনে আসা 'অস্তিত্বমূলক দোষ' হিসেবে দেখা হয়, কিন্তু সাবেকি যুক্তিবিদ্যায় উদ্দেশ্য পদের অস্তিত্ব আছে ধরে নিয়ে একে বৈধ বলেই গণ্য করা হয়।         ওপরের আলোচনা ও নিয়ম বিশ্লেষণ থেকে বলা যায় যে, A বচনের সীমিত আবর্তন-আবর্তনের সব নিয়ম অনুসরণ করে হয়। তাই যুক্তিবিদ্যার নিয়ম অনুসারে একটি বৈধ অমাধ্যম অনুমান। • যুক্তিবিজ্ঞানে 'সত্যতা' (Truth) এবং 'বৈধতা' (Validity) দুটি সম্পূর্ণ আলাদা ধারণা হলেও এদের মধ্যে এক গভীর ও জটিল সম্পর্ক বিদ্যমান। সাধারণত সত্যতা বিচার করা হয় বচনের ক্ষেত্রে, আর বৈধতা বিচার করা হয় যুক্তির ক্ষেত্রে।                • সত্যতা ও বৈধতার মৌলিক পার্থক্য•        • সত্যতা (Truth): এট...

বৌদ্ধ

আলোচনার শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,প্রাচীন ভারতের শিক্ষা ইতিহাসে বৌদ্ধ ও ব্রাহ্মণ্য শিক্ষা ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এদের মধ্যে বেশ কিছু সাদৃশ্য থাকলেও মৌলিক পার্থক্য বিদ্যমান। সাদৃশ্য (Similarities) |  | শিক্ষার লক্ষ্য | মোক্ষলাভ বা আত্মার মুক্তি। | নির্বাণলাভ বা চির মুক্তি। | | নৈতিকতা ও শৃঙ্খলা | সংযম, কঠোর নিয়মানুবর্তিতা ও ব্রহ্মচর্যের উপর জোর। | সংযম, নিয়মানুবর্তিতা ও সঙ্ঘজীবনের কঠোর নীতি পালন। | | শিক্ষণ পদ্ধতি | প্রধানত মৌখিক পদ্ধতি, আলোচনা ও বিতর্ক। | প্রধানত মৌখিক পদ্ধতি, আলোচনা, উপকথা ও গল্পের মাধ্যমে। | | শিক্ষার পরিবেশ | লোকালয় থেকে দূরে তপোবন বা গুরুগৃহের প্রাকৃতিক পরিবেশ। | লোকালয় থেকে দূরে বিহার বা সঙ্ঘারামের প্রাকৃতিক পরিবেশ। | | শিক্ষা ব্যয় | উভয় শিক্ষাব্যবস্থাই ছিল অবৈতনিক (বিনা বেতনে)। | উভয় শিক্ষাব্যবস্থাই ছিল অবৈতনিক। | | ভিক্ষাবৃত্তি | ছাত্রদের ভিক্ষাবৃত্তি গ্রহণ করা আবশ্যিক ছিল। | ভিক্ষুদের (শ্রমণ/ভিক্ষু) ভিক্ষাবৃত্তি গ্রহণ করা আবশ্যিক ছিল। | | রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ | উভয় শিক্ষাব্যবস্থাই ছিল রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণের ঊর্ধ্বে। | উভয় শিক্ষাব্যবস্থাই ছ...
 জ্ঞান এবং ভালোবাসার মেলবন্ধন থাকুক তোমাদের জীবন জুড়ে। এই উপহারটি কেবল বই নয়, আমার হৃদয়ের এক টুকরো শুভকামনা।" দোলনা, প্রথম প্রতিশ্রুতি-আশাপূর্ণা দেবী। একাত্তরে দিনগুলি-জাহানারা ইমাম। হুমায়ূন আহমেদের 'সেরা উপন্যাস' বা 'শ্রেষ্ঠ উপন্যাস' সংকলনটি অবশ্যই! যেহেতু আপনার চ্যানেলের নাম 'শেষের কবিতা সুন্দরবন', তাই ভিডিওর শুরুটা যদি একটু সাহিত্যিক ছোঁয়ায় হয়, তবে সেটি দর্শকদের মনে আলাদা জায়গা করে নেবে। নিচে আপনার জন্য একটি স্ক্রিপ্ট আউটলাইন এবং একটি শুরু করার মতো কবিতা দেওয়া হলো: ভিডিওর শুরু: একটি বিশেষ কবিতা (Intro Poem) আপনি ভিডিওটি শুরু করতে পারেন এই কথাগুলো দিয়ে: > "অন্ধকারের বুক চিরে যেমন ভোরের আলো আসে, > তেমনি শিক্ষার আলোতে মনের কালি ঘুচে হাসে। > সুন্দরবনের নদী যেমন বহমান নিজের ছন্দে, > তেমনি প্রতিটি শিশু বিকশিত হোক শিক্ষার গন্ধে। > অধিকার নয় এটি, এ হলো বেঁচে থাকার প্রাণ, > আসুন জানি, কী বলছে আমাদের শিক্ষার অধিকার আইন।" >  ভিডিও স্ক্রিপ্ট (মূল অংশ) ১. ভূমিকা (Hook): "নমস্কার, 'শেষের কবিতা সুন্দরবন' চ্যানেলে আপনাদের স্ব...

উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার গাইড লাইন ২০২৬

আসন্ন উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি এবং পরীক্ষার হলের কৌশল হিসেবে কিছু জরুরি গাইডলাইন ।       পরীক্ষার প্রস্তুতি ও হলের জন্য সেরা টিপস • টেক্সট বুকই আসল (Line-by-Line Reading) সেমিস্টার পদ্ধতিতে যেহেতু প্রচুর MCQ এবং সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন থাকে, তাই কোনো গাইড বইয়ের ওপর নির্ভরশীল না হয়ে মূল পাঠ্যবই (Textbook) বারবার পড়ুন। বিশেষ করে লেখক/কবির নাম, উৎস গ্রন্থ এবং গল্পের সূক্ষ্ম তথ্যগুলো মাথায় রাখুন।    •  উত্তরপত্রের উপস্থাপনা (Presentation)       •  পরিচ্ছন্নতা: খাতায় কাটাকাটি কম করবেন। ভুল হলে শুধু একটি দাগ দিয়ে কেটে দিন।      • পয়েন্ট করে লেখা : বড় প্রশ্নের ক্ষেত্রে ঢালাও না লিখে ছোট ছোট প্যারাগ্রাফ বা Bullet Points ব্যবহার করুন। এতে পরীক্ষকের খাতা দেখতে সুবিধা হয় এবং নম্বর ভালো আসে।    • উদ্ধৃতি ( Quotations): উত্তরের সপক্ষে টেক্সট থেকে ছোট ছোট উদ্ধৃতি দিলে উত্তরের মান বহুগুণ বেড়ে যায়। ৩. সময় ব্যবস্থাপনা (Time Management) পরীক্ষার হলে সময় ভাগ করে নিন:      •  প্রথম ১...

বাঙালির শিল্প সংস্কৃতি

বাঙালির শিল্প ও সংস্কৃতি (পশ্চিমবঙ্গ উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ দ্বাদশ শ্রেণী চতুর্থ সেমিস্টার বাংলা)।   বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে সত্যজিৎ রায়ের অবদান সংক্ষেপে আলোচনা করো।           আলোচনার শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,বিশ্ববরেণ্য চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায় বাংলা চলচ্চিত্রকে আন্তর্জাতিক আঙিনায় এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছেন। তাঁর অবদান নিম্নলিখিত দিক থেকে আমরা আলোচনা করতে পারি-      • পথের পাঁচালী (১৯৫৫): বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত তাঁর প্রথম ছবি 'পথের পাঁচালী' বাংলা চলচ্চিত্রের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। এটি আন্তর্জাতিক স্তরে বহু পুরস্কার লাভ করে।      • অপু ত্রয়ীঃ 'পথের পাঁচালী', 'অপরাজিত' এবং 'অপুর সংসার'—এই তিনটি ছবি বা অপু ত্রয়ীর মাধ্যমে তিনি অপুর শৈশব থেকে প্রৌঢ়ত্ব পর্যন্ত এক মহাকাব্যিক জীবনকাহিনী তুলে ধরেন।      • বিচিত্র বিষয়ঃ তিনি শুধু বাস্তবধর্মী ছবিই নয়, সংগীতধর্মী ছবি (জলসাঘর), ঐতিহাসিক ছবি (শতরঞ্জ কে খিলাড়ি), গোয়েন্দা ছবি (ফেলুদা সিরিজ) এবং শিশুতোষ ছবি (গুপি গাইন বাঘা বাইন) নির্মাণে পারদর্শী ...

কালীপ্রসন্ন সিংহ, সংবাদ প্রভাকর, বঙ্গদর্শন টীকা।

পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিলেবাস ও পরীক্ষার মানদণ্ড অনুযায়ী (৫ নম্বরের উপযোগী) কালীপ্রসন্ন সিংহ, সংবাদ প্রভাকর, বঙ্গদর্শন সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত টীকা।            • কালীপ্রসন্ন সিংহ (১৮৪০ - ১৮৭০)•        ঊনবিংশ শতাব্দীর বাংলা সাহিত্য ও সমাজ সংস্কারের ইতিহাসে কালীপ্রসন্ন সিংহ এক অবিস্মরণীয় ব্যক্তিত্ব। মাত্র ৩০ বছরের স্বল্পস্থায়ী জীবনে তিনি তাঁর বহুমুখী প্রতিভা ও সমাজসেবার মাধ্যমে আধুনিক বাঙালি সংস্কৃতির ভিত মজবুত করেছিলেন।       ১)  ' হুতোম প্যাঁচার নকশা' ও বাংলা গদ্যঃ কালীপ্রসন্ন সিংহের সর্বশ্রেষ্ঠ সাহিত্যকীর্তি হলো 'হুতোম প্যাঁচার নকশা' (১৮৬২)। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ব্যঙ্গধর্মী গদ্যগ্রন্থ। তৎকালীন কলকাতার বাবু কালচার, ভণ্ডামি ও সামাজিক অবক্ষয়কে তিনি এই গ্রন্থে 'হুতুমি' বা চলিত ভাষায় নিপুণভাবে তুলে ধরেন। তাঁর এই চলিত গদ্যরীতি বাংলা সাহিত্যের ভাষাশৈলীতে এক যুগান্তর এনেছিল।       ২) মহাভারতের অনুবাদঃ  কালীপ্রসন্ন সিংহের অক্ষয় কীর্তি হলো মূল সংস্কৃত থেকে 'মহাভারত'-এর ১৮টি পর্ব বাংলা...

২০০৯ সালের শিক্ষার অধিকার আইন (RTE Act) র মূল উদ্দেশ্য এবং বৈশিষ্ট্যগুলি আলোচনা করো।

২০০৯ সালের শিক্ষার অধিকার আইন (RTE Act) র মূল উদ্দেশ্য এবং বৈশিষ্ট্যগুলি আলোচনা করো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের/কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় পঞ্চম সেমিস্টার এডুকেশন মাইনর সিলেবাস)। • শিক্ষার অধিকার আইন (RTE Act, 2009)-এর উদ্দেশ্য• ১) শিক্ষার অধিকার আইনের প্রধান লক্ষ্য হলো প্রতিটি শিশুর কাছে শিক্ষার সুযোগ পৌঁছে দেওয়া।যেখানে ভারতের ৬ থেকে ১৪ বছর বয়সী প্রতিটি শিশুর জন্য প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করা।  ১ ) শিশুদের বিদ্যালয়ে ভর্তি এবং নিয়মিত উপস্থিতি সুনিশ্চিত করার দায়িত্ব রাষ্ট্রের ওপর ন্যস্ত করা।     ২) বৈষম্য দূরীকরণ: জাতি, ধর্ম, লিঙ্গ বা অর্থনৈতিক অবস্থার ভিত্তিতে শিক্ষার সুযোগ থেকে যাতে কেউ বঞ্চিত না হয়, তা দেখা।       ৩) শুধু শিক্ষা নয়, গুণগত মানসম্পন্ন প্রাথমিক শিক্ষা প্রদান করা যা শিশুর সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ ঘটাবে।     ৪) মুখস্থ বিদ্যার বদলে আনন্দদায়ক ও ভীতিমুক্ত পরিবেশে পাঠদানের ব্যবস্থা করা।       • শিক্ষার অধিকার আইনের প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ• RTE আইনের মূল বৈশিষ্ট্যগুলিকে কয়েকটি প্রধান ভাগে ভাগ করা যেতে পারে: ১. বাধ্যতা...

শিক্ষার অধিকার আইন ২০০৯

 ২০০৯ সালের শিক্ষার অধিকার আইন (RTE Act, 2009) ভারতীয় শিক্ষা ব্যবস্থার ইতিহাসে একটি মাইলফলক। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (WBSU) পঞ্চম সেমিস্টার এডুকেশন মাইনর সিলেবাসের প্রয়োজনীয়তা মাথায় রেখে নিচে একটি আদর্শ উত্তর আলোচনা করা হলো। শিক্ষার অধিকার আইন ২০০৯ (RTE Act, 2009) একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ আলোচনা করো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়/কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় পঞ্চম সেমিস্টার এডুকেশন মাইনর সিলেবাস)           আমরা জানি যে,২০০৯ সালের ৪ঠা আগস্ট ভারতীয় সংসদে এই আইনটি পাস হয় এবং ১লা এপ্রিল ২০১০ থেকে এটি কার্যকর হয়। ভারতীয় সংবিধানের ২১এ (Article 21A) ধারা অনুযায়ী শিক্ষাকে মৌলিক অধিকারের মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। আসলে ২০০৯ সালের শিক্ষার অধিকার আইন (RTE Act, 2009) ভারতীয় শিক্ষা ব্যবস্থার ইতিহাসে একটি মাইলফলক।আর সেই আইনের মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো-        এই আইনটি ভারতের শিক্ষাব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনতে নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলি গ্রহণ করেছে।আর সেই পদক্ষেপে আমরা দেখতে পাই-      ১ ) অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষাঃ ৬ থেকে ১৪ বছর বয়সী ...

কৃত্তিবাসী রামায়ণ মধ্যযুগীয় বাঙালির ভক্তিবাদের কাব্য- আলোচনা করো ।

কৃত্তিবাসী রামায়ণ মধ্যযুগীয় বাঙালির ভক্তিবাদের কাব্য- আলোচনা করো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় পঞ্চম সেমিস্টার বাংলা মেজর সিলেবাস)।            আলোচনার শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,মধ্যযুগের বাংলার সমাজ ও সাহিত্যে ভক্তিবাদের প্রভাব ছিল সুদূরপ্রসারী। বিশেষ করে শ্রীচৈতন্যদেবের আবির্ভাবের আগে ও পরে বাঙালির ধর্মচিন্তায় ঈশ্বরকে আপনজন হিসেবে পাওয়ার যে ব্যাকুলতা তৈরি হয়েছিল, কৃত্তিবাসের ‘শ্রীরামপাঁচালী’ বা ‘কৃত্তিবাসী রামায়ণ’ তার অন্যতম প্রধান নিদর্শন। বাল্মীকির বীরত্বগাথাকে কৃত্তিবাস ভক্তিনির্ভর এক মরমী কাব্যে রূপান্তরিত করেছেন।আর সেখানে আমরা দেখি-            বাল্মীকির রামায়ণে রামচন্দ্র ছিলেন একজন আদর্শ মানুষ বা ‘ পুরুষোত্তম’। কিন্তু কৃত্তিবাসের হাতে তিনি হয়ে উঠেছেন পরমেশ্বর বা নারায়ণের অবতার। এখানে যুদ্ধের চেয়েও বড় হয়ে উঠেছে রামের চরণে সমর্পণ। যুদ্ধের ময়দানে রাক্ষসরা যখন রামের বাণে প্রাণ হারায়, তখন তারা যন্ত্রণার চেয়ে বেশি অনুভব করে মোক্ষলাভের আনন্দ। রাবণের পুত্র বীরবাহু যখন যুদ্ধে যান, তিনি রামকে ঈশ্বর জ্ঞানে ভক্তি করতে করতে ...

কৃত্তিবাসী রামায়ণে বাঙালির আঞ্চলিক সত্তা ও সমাজজীবনের প্রভাব আলোচনা করো।

কৃত্তিবাসী রামায়ণে বাঙালির আঞ্চলিক সত্তা ও সমাজজীবনের প্রভাব আলোচনা করো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় পঞ্চম সেমিস্টার বাংলা মেজর সিলেবাস)। DS8         রামায়ণের আদিকবি বাল্মীকির সংস্কৃত রামায়ণকে ভিত্তি করে পঞ্চদশ শতাব্দীতে কৃত্তিবাস ওঝা ‘শ্রীরামপাঁচালী’ রচনা করেন। তবে এটি কেবল অনুবাদ নয়, বরং বাঙালির নিজস্ব আবেগ, সংস্কৃতি এবং জীবনাচরণের এক অনন্য দলিল। আসলে কৃত্তিবাস বাল্মীকির বীরত্বগাথাকে বাঙালির ঘরের মমতায় সিক্ত করে তাকে ' বাঙালির জাতীয় মহাকাব্য' হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছেন।আর সেখানে-       বাল্মীকির রামায়ণে বর্ণিত আর্যাবর্তের রুক্ষ ও গাম্ভীর্যপূর্ণ প্রকৃতি কৃত্তিবাসের হাতে বাংলার সুজলা-সুফলা রূপে রূপান্তরিত হয়েছে। অযোধ্যা বা লঙ্কার বর্ণনায় কৃত্তিবাস অজান্তেই বাংলার নদ-নদী, বিল এবং সবুজ বনভূমির চিত্র এঁকেছেন। লঙ্কার প্রাসাদেও বাংলার ঘরবাড়ির ছাঁচ খুঁজে পাওয়া যায়।        কৃত্তিবাসী রামায়ণের সবচেয়ে মজার ও উল্লেখযোগ্য দিক হলো চরিত্রের খাদ্য তালিকা । অযোধ্যায় ভোজের আয়োজনে কৃত্তিবাস যে মেনু পরিবেশন করেছেন, তা খাঁটি বা...

বাংলা দ্বাদশ শ্রেণী চতুর্থ সেমিস্টার সুলতানি আমলের চিত্রকলা

দ্বাদশ শ্রেণী চতুর্থ সেমিস্টার সুলতানি আমলের চিত্রকলা ও তৎসংলগ্ন শিল্পকলা। ১. সুলতানি আমলের চিত্রকলার প্রধান বাহন কী ছিল? (ক) দেওয়াল চিত্র (খ) পুঁথিচিত্র (গ) তৈলচিত্র (ঘ) জলরং ২. 'ইসকান্দারনামা' কাব্যের অলংকরণ কোন যুগের চিত্রকলার নিদর্শন? (ক) পাল যুগ (খ) সেন যুগ (গ) সুলতানি যুগ (ঘ) মোঘল যুগ ৩. সুলতানি আমলের শিল্পরীতিতে কোন দুটি সংস্কৃতির সমন্বয় ঘটেছিল ? (ক) ভারতীয় ও ইউরোপীয় (খ) পাল ও চীনা (গ) ভারতীয় ও পারসিক (ঘ) বৌদ্ধ ও মায়ানমার ৪. সুলতানি স্থাপত্যের গায়ে যে অলংকরণ দেখা যায় তাকে কী বলে? (ক) ফ্রেস্কো (খ) টেরাকোটা বা পোড়ামাটির কাজ (গ) মোজাইক (ঘ) ক্যানভাস ১. সুলতানি আমলের চিত্রকলার একটি বৈশিষ্ট্য লেখো।       উত্তর: সুলতানি চিত্রকলার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো এতে সূক্ষ্ম রেখার কাজ এবং উজ্জ্বল প্রাকৃতিক রঙের (যেমন— সোনালি, নীল ও লাল) ব্যবহার। ২. সুলতানি যুগে চিত্রকলা চর্চার প্রধান কেন্দ্র কোথায় ছিল?       উত্তর: এই যুগে মূলত রাজধানী গৌড় এবং পাণ্ডুয়াকে কেন্দ্র করে চিত্রকলা ও অলংকরণ শিল্পের বিকাশ ঘটেছিল। ৩. সুলতানি চিত্রশৈলীকে 'ইন্দো-পারসিক' বলা হয় কেন?     ...

ইতালিতে রেনেসাঁস কেন প্রথম সংঘটিত হয়েছিল? পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস।

রেনেসাঁস বা নবজাগরণ বলতে কী বোঝায়? ইতালিতে রেনেসাঁস কেন প্রথম সংঘটিত হয়েছিল আলোচনা করো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়/কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর)।       আমরা জানি যে,'রেনেসাঁস' (Renaissance) একটি ফরাসি শব্দ, যার আক্ষরিক অর্থ হলো 'পুনর্জন্ম' (Rebirth)। চতুর্দশ থেকে ষোড়শ শতকের মধ্যবর্তী সময়ে ইউরোপের শিল্প, সাহিত্য, বিজ্ঞান এবং চিন্তাধারায় যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন ঘটেছিল, তাকেই রেনেসাঁস বলা হয়। অর্থাৎ-      ‌‌  মধ্যযুগের ধর্মীয় আচ্ছন্নতা ও গোঁড়ামি কাটিয়ে প্রাচীন গ্রিস ও রোমের ধ্রুপদী জ্ঞান-বিজ্ঞানের পুনরুজ্জীবন এবং তার সঙ্গে আধুনিক যুক্তিবাদ ও মানবতাবাদের মিলনকেই রেনেসাঁস বলে। যার বৈশিষ্ট্য হলো-       রেনেসাঁসের প্রধান স্তম্ভ ছিল মানবতাবাদ। এখানে পরলোকের চিন্তার চেয়ে ইহজাগতিক মানুষের সুখ-দুঃখ এবং সৃজনশীলতাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হতো। এছাড়া যুক্তিবাদ, ব্যক্তি স্বতন্ত্রবাদ এবং অনুসন্ধিৎসা ছিল এই আন্দোলনের মূল চালিকাশক্তি।   ইতালিতে রেনেসাঁস কেন প্রথম সংঘটিত হয়েছিল?        ইউরোপের অন্...

তৃতীয় সেমিস্টার রাষ্ট্রবিজ্ঞান মাইনর ২নম্বরের প্রশ্নোত্তর।

তৃতীয় সেমিস্টার রাষ্ট্রবিজ্ঞান মাইনর সিলেবাস অনুযায়ী ২নম্বরের প্রশ্নোত্তর (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়/কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় ) ১ . তুলনামূলক রাজনীতি (Comparative Politics) বলতে কী বোঝ?         •বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থা, রাজনৈতিক প্রক্রিয়া, রাজনৈতিক আচরণ এবং রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে যে বিজ্ঞানসম্মত তুলনা করা হয়, তাকেই তুলনামূলক রাজনীতি বলে। এটি কেবল শাসনকাঠামো নয়, বরং রাজনৈতিক দল, চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী এবং জনমতের তুলনামূলক আলোচনা করে। ২. তুলনামূলক সরকার বা শাসন ব্যবস্থা (Comparative Government) কাকে বলে?      বিভিন্ন দেশের আইন বিভাগ, শাসন বিভাগ এবং বিচার বিভাগের মতো আনুষ্ঠানিক সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর গঠন ও কার্যাবলীর মধ্যে যে তুলনা করা হয়, তাকে তুলনামূলক সরকার বলা হয়। এটি মূলত রাষ্ট্রের সংবিধান ও আইনি কাঠামোর ওপর আলোকপাত করে। ৩. উদারনৈতিক রাজনৈতিক ব্যবস্থা (Liberal Political System) কী?       যে রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ব্যক্তি-স্বাধীনতা, আইনের শাসন, একাধিক রাজনৈতিক দলের অস্তিত্ব এবং পর্যায়ক্রমিক নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠন...

শিক্ষার সমাজতান্ত্রিক /ব্যক্তি তান্ত্রিক লক্ষ্য (

শিক্ষার সমাজতান্ত্রিক লক্ষ্য (Socialistic Aim of Education) আলোচনা করো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়/কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম সেমিস্টার এডুকেশন মাইনর সিলেবাস)।          আমরা জানি যে,শিক্ষার সমাজতান্ত্রিক লক্ষ্যের মূল কথা হলো-ব্যক্তি নয়, সমাজই বড়।আর এই মতবাদ অনুযায়ী, মানুষ সমাজবদ্ধ জীব এবং সমাজের উন্নতির মধ্যেই ব্যক্তির উন্নতি নিহিত। প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ জন ডিউই (John Dewey), ব্যাগলে (Bagley) প্রমুখ এই লক্ষ্যের সমর্থক ছিলেন।আর এই প্রেক্ষিতে শিক্ষার সমাজতান্ত্রিক লক্ষ্যের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি হলো-       •সামাজিক বিকাশঃ শিক্ষার প্রধান কাজ হলো ব্যক্তিকে সমাজের একজন আদর্শ ও দায়িত্বশীল সদস্য হিসেবে গড়ে তোলা। ব্যক্তির ব্যক্তিগত চাহিদার চেয়ে সামাজিক চাহিদাকে এখানে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।       •সামাজিক সংহতি ও ঐক্যঃ বৈচিত্র্যময় এই সমাজে জাতি, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে শিক্ষার্থীদের মধ্যে একতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগিয়ে তোলা এই শিক্ষার অন্যতম লক্ষ্য।      • নাগরিক গুণাবলির বিকাশঃ শিক্ষার্থীকে তার অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কে সচে...

জন্মিলে মরিতে হবে, অমর কে কোথা কবে"- উদ্ধৃতিটির মধ্য দিয়ে কবির কোন জীবনদর্শনের পরিচয় পাওয়া যায়?

" জন্মিলে মরিতে হবে, অমর কে কোথা কবে"- উদ্ধৃতিটির মধ্য দিয়ে কবির কোন জীবনদর্শনের পরিচয় পাওয়া যায়? সংক্ষিপ্ত আকারে সপ্তম শ্রেণীর জন্য।           মাইকেল মধুসূদন দত্তের 'বঙ্গভূমির প্রতি' কবিতার এই বিখ্যাত চরণের মধ্য দিয়ে কবির এক গভীর ও বাস্তববাদী জীবনদর্শনের পরিচয় পাওয়া যায়।আর সেই পরিচয়ে কবির জীবনের নশ্বরতা ও সত্যের প্রকাশ হয়। যেখানে-           কবি এখানে একটি ধ্রুব সত্যকে তুলে ধরেছেন- জন্মিলে মৃত্যু অনিবার্য। পৃথিবীতে কোনো প্রাণীই চিরকাল বেঁচে থাকে না। প্রকৃতির এই অমোঘ নিয়মকে কোনমতেই অস্বীকার করার উপায় নেই।আসলে- কর্মের মাধ্যমে অমরত্ব      কবি বোঝাতে চেয়েছেন যে, মানুষ তার রক্ত-মাংসের শরীরে অমর হতে পারে না।,কেবল ভালো কাজের মাধ্যমে মানুষ মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকতে পারে। তবে মানুষের জীবন ক্ষণস্থায়ী, তাই এই অল্প সময়ে এমন কিছু করা উচিত যা তাকে মৃত্যুর পরেও স্মরণীয় করে রাখবে।আর সেখানে- বিনয় ও দেশপ্রেম      উক্ত চরণের মাধ্যমে কবির বিনয়ী ভাব প্রকাশ পেয়েছে। তিনি জানতেন যে একদিন তাকে বিদায় নিতে হবে। তাই তিনি দেশমাতার কাছ...

সপ্তম শ্রেণীর বাংলা সিলেবাস।

সপ্তম শ্রেণীর বাংলা 'সাহিত্য মেলা' (মূল পাঠ্যবই) এবং 'মাকু' (সহায়ক পাঠ্য)। নিচে তোমাদের সিলেবাসের প্রধান অংশগুলো তুলে ধরা হলো। ১)সাহিত্য মেলা (গদ্য ও কবিতা) কবিতাঃ ছন্দে শুধু কান রাখো – অজিত দত্ত  বঙ্গভূমির প্রতি – মাইকেল মধুসূদন দত্ত আঁকা লেখা – মৃদুল দাশগুপ্ত স্মৃতিচিহ্ন – কামিনী রায় চিরকালিন – সুকান্ত ভট্টাচার্য ছাদপিটানো গান – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নোটবই – সুকুমার রায় গদ্যঃ পাগলা গণেশ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় আত্মকথা – রামকিঙ্কর বেইজ খোকনের প্রথম ছবি – বনফুল কুতুব মিনারের কথা – সৈয়দ মুজতবা আলী তাতায়েঁর সমুদ্র দেখা – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়  গাধার কান – পরশুরাম   • সহায়ক পাঠ (লীলা মজুমদারের 'মাকু')• লীলা মজুমদারের জনপ্রিয় কিশোর উপন্যাস 'মাকু' তোমাদের সহায়ক পাঠ্য হিসেবে পড়তে হয়। এটি একটি রোমাঞ্চকর গল্প যা থেকে সংক্ষিপ্ত ও বড় প্রশ্ন পরীক্ষায় আসে। ৩. ভাষা চর্চা (ব্যাকরণ ও নির্মিতি) বাংলা ব্যাকরণ অংশে যে বিষয়গুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ:  * শব্দ তৈরির কৌশল: তৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দ।  * কারক ও বিভক্তি: কারকের বিভিন্ন প্রকারভেদ ও নির্ণয় পদ্ধতি।  * তদ্ধিত প্রত্যয়...

জন্মভূমির প্রতি কবিতার পটভূমি ও মূল বিষয়বস্তু আলোচনা করো।

জন্মভূমির প্রতি কবিতার পটভূমি ও মূল বিষয়বস্তু আলোচনা করো (পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ সপ্তম শ্রেণী বাংলা)।          আলোচনার শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,মধুসূদন দত্ত যখন উচ্চশিক্ষা এবং যশের আশায় বিলেত (ইউরোপ) যাচ্ছিলেন, তখন স্বদেশের প্রতি তাঁর মনের গভীর টান এবং অনুশোচনা থেকে এই কবিতাটি লিখেছিলেন। কবি নিজেকে তাঁর জন্মভূমি বা 'বঙ্গজননী'র কাছে একজন দাস হিসেবে কল্পনা করেছেন এবং মিনতি জানিয়েছেন যেন মা তাঁকে ভুলে না যান।তাই-            কবি দেশমাতার কাছে প্রার্থনা করেছেন যে, প্রবাসে থাকা অবস্থায় যদি তাঁর মৃত্যুও হয়, তাতে তাঁর দুঃখ নেই, যদি মা তাঁকে মনে রাখেন। তবুও  কবি স্বীকার করেছেন যে, যৌবনের মোহে তিনি স্বদেশ ত্যাগ করেছিলেন , যা ছিল তাঁর একটি বড় ভুল। একে তিনি 'মক্ষিকা' বা মাছির গুড় ভেবে ভুলের সাথে তুলনা করেছেন। আবার-          কবি মনে করেন, মানুষ কেবল তখনই অমর হয় যখন সে মানুষের মনে স্থান পায়।তিনি নিজেকে গুণহীন মনে করলেও আশা করেন যে, দেশমাতা তাঁর দোষগুলো ক্ষমা করে দিয়ে তাঁকে মনে রাখবেন।এর পরপরই কবি বর (আশীর্বাদ...

বিজ্ঞান ও কুসংস্কার'-(পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য নমুনা প্রবন্ধ রচনা ২০২৬

' বিজ্ঞান ও কুসংস্কার'-(পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য নমুনা প্রবন্ধ রচনা ২০২৬)।     • ভূমিকা: একবিংশ শতাব্দীতে দাঁড়িয়ে মানুষ আজ মহাকাশ জয় করেছে, প্রযুক্তির চরম শিখরে পৌঁছেছে। তবুও সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে কুসংস্কারের অন্ধকার রয়ে গেছে। বিজ্ঞান হলো যুক্তিনির্ভর জ্ঞান, আর কুসংস্কার হলো অন্ধ বিশ্বাস।এই দুইয়ের দ্বন্দ্ব আজকের সমাজের এক বড় সমস্যা।        " অন্ধজনে দেহ আলো, মৃতজনে দেহ প্রাণ।"          • কুসংস্কারের উৎস ও কারণঃ কুসংস্কারের মূল ভিত্তি হলো ভয় এবং অজ্ঞতা। প্রাচীনকালে যখন মানুষ প্রাকৃতিক ঘটনার কারণ বুঝত না, তখন সে অলৌকিক শক্তিতে বিশ্বাস করত। সেই ভয় থেকেই জন্ম নিয়েছে ডাইনি প্রথা, গ্রহরত্নে বিশ্বাস বা পশু বলির মতো কুপ্রথা। শিক্ষার অভাব এবং যুক্তিবাদী চিন্তার অভাব এই সমস্যাকে জিইয়ে রেখেছে।         •বিজ্ঞানের ভূমিকাঃ বিজ্ঞান আমাদের শেখায় প্রমাণ ছাড়া কিছু বিশ্বাস না করতে। লুই পাস্তুর যখন জলাতঙ্কের টিকা আবিষ্কার করলেন, তখন মানুষ বুঝল এটি কোনো অভিশাপ নয়, বরং একটি রোগ। বিজ্ঞানের আলো যত ছড়িয়েছে, সমা...