Skip to main content

দর্শন সাজেশন প্রথম সেমিস্টার ২০২৬

১. চার্বাক জ্ঞানতত্ত্ব আলোচনা করো: চার্বাকরা কেন একমাত্র 'প্রত্যক্ষকেই' প্রমাণ হিসেবে স্বীকার করেছেন? অনুমান ও শব্দ প্রমাণ খণ্ডনে তাঁদের যুক্তিগুলি বিশ্লেষণ করো।

*** ২. চার্বাক জড়বাদ বা ভূতচৈতন্যবাদ ব্যাখ্যা করো: "চৈতন্যবিশিষ্ট দেহই আত্মা"—এই মতবাদের সপক্ষে চার্বাকদের যুক্তি দাও। এই মতবাদের সীমাবদ্ধতাগুলি কী কী?

** ৩. চার্বাক নীতিতত্ত্ব বা সুখবাদ আলোচনা করো: চার্বাক দর্শনে 'কাম' কেন শ্রেষ্ঠ পুরুষার্থ? তাঁদের নীতিদর্শনকে কেন জড়বাদী বলা হয়?

​           ৫ নম্বরের মাঝারি প্রশ্ন (৫ x ১)

​*** ১. চার্বাক মতে 'ব্যপ্তিজ্ঞান' কেন সম্ভব নয়? অনুমান খণ্ডনে তাঁদের প্রধান যুক্তিটি লেখো।

**২. চার্বাক 'দেহাত্মবাদ' সংক্ষেপে আলোচনা করো।

** ৩. চার্বাকরা কেন আকাশকে (Ether) মৌলিক উপাদান হিসেবে স্বীকার করেননি?

৪. চার্বাক সম্মত 'চতুর্ভূত' বা 'পঞ্চভূত' বিতর্কটি ব্যাখ্যা করো।

**৫. চার্বাক দর্শনকে কেন 'লোকায়ত' দর্শন বলা হয়?

​         ২ নম্বরের অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন (২ x ১)

​*১. চার্বাক শব্দের বুৎপত্তিগত অর্থ কী?

**২. চার্বাক মতে পরম পুরুষার্থ কোনটি?

৩. 'ন হি প্রমিতং প্রত্যক্ষং'—উক্তিটির তাৎপর্য কী?

৪. চার্বাক মতে চৈতন্যের উৎস কী? (যেমন: পান, চুন ও খয়েরের উদাহরণ)।

**৫. চার্বাক দর্শনের প্রতিষ্ঠাতা বা প্রধান আচার্য কাকে মনে করা হয়?

**৬. চার্বাকরা কয়টি 'ভূত' বা মৌলিক পদার্থ স্বীকার করেন ও কী কী?

**৭. চার্বাক মতে 'শব্দ' কেন প্রমাণ নয়?

**৮. চার্বাকদের নাস্তিক শিরোমণি বলা হয় কেন?


     ১০ নম্বরের বড় প্রশ্ন (১০ x ১) ন্যায় দর্শন 

​*** ১. ন্যায় মতে প্রত্যক্ষের লক্ষণ: মহর্ষি গৌতম প্রদত্ত প্রত্যক্ষের লক্ষণটি ব্যাখ্যা করো। এই লক্ষণের মধ্যে ব্যবহৃত পদগুলির (অব্যপদেশ্য, অব্যভিচারী, ব্যবসায়াত্মক) সার্থকতা বিচার করো।

২. সবিকল্পক ও নির্বিকল্পক প্রত্যক্ষ: সবিকল্পক ও নির্বিকল্পক প্রত্যক্ষের মধ্যে পার্থক্য করো।** নির্বিকল্পক প্রত্যক্ষের অস্তিত্বের সপক্ষে ন্যায়দের যুক্তি কী?

*** ৩. অনুমান ও ব্যাপ্তিজ্ঞান: ব্যাপ্তি কী? ব্যাপ্তিগ্রহের উপায় বা পদ্ধতিগুলি বিস্তারিতভাবে আলোচনা করো।

*** ৪. সার্থানুমান ও পরার্থানুমান: সার্থানুমান ও পরার্থানুমানের মধ্যে পার্থক্য লেখো। পরার্থানুমানের পাঁচটি অবয়ব (পঞ্চাবয়বী ন্যায়) উদাহরণসহ ব্যাখ্যা করো।

​           ৫ নম্বরের মাঝারি প্রশ্ন (৫ x ১)

​** ১. লৌকিক ও অলৌকিক সন্নিকর্ষ: লৌকিক ও অলৌকিক সন্নিকর্ষের মধ্যে মূল পার্থক্যগুলি কী কী?

২. অলৌকিক সন্নিকর্ষ: অলৌকিক সন্নিকর্ষের প্রকারভেদগুলি (সামান্যলক্ষণ, জ্ঞানলক্ষণ ও যোগজ) সংক্ষেপে আলোচনা করো।

** ৩. অনুমিতির লক্ষণ: অনুমিতি কাকে বলে? পক্ষ, সাধ্য ও হেতু—এই তিনটি পদের স্বরূপ ব্যাখ্যা করো।

**৪. পরামর্শ: 'পরামর্শ' কাকে বলে? "ব্যাপ্তিবিশিষ্ট পক্ষধর্মতাজ্ঞানই পরামর্শ"—উক্তিটি বুঝিয়ে লেখো।

**৫. শব্দ প্রমাণ: ন্যায় মতে 'আপ্তবাক্য' বা শব্দ প্রমাণের স্বরূপ ব্যাখ্যা করো।

​         ২ নম্বরের অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন (২ x ১)

​১. ন্যায় দর্শনের প্রবর্তক বা সূত্রকার কে?

২. ন্যায় মতে 'প্রমা' ও 'প্রমাণ' বলতে কী বোঝায়?

৩. সন্নিকর্ষ কাকে বলে?

৪. লৌকিক সন্নিকর্ষ কয় প্রকার ও কী কী?

৫. "পর্বতো বহ্নিমান ধূমাৎ"—এখানে পক্ষ, সাধ্য ও হেতু কোনটি?

৬. 'পঞ্চাবয়বী ন্যায়'-এর পাঁচটি অবয়বের নাম লেখো।

৭. অন্বয়-ব্যতিরেকী ব্যাপ্তি কাকে বলে?

৮. 'উপমান' কাকে বলে? একটি উদাহরণ দাও।

৯. হেতু ও সাধ্যের মধ্যে কী সম্পর্ক থাকে? (অবিনাভাব সম্বন্ধ বা ব্যাপ্তি)।

১০. ন্যায় মতে লৌকিক সন্নিকর্ষের একটি উদাহরণ দাও (যেমন: চক্ষু ও ঘটের সংযোগ)।

        ১০ নম্বরের বড় প্রশ্ন (১০ x ১)বৈশেষিক দর্শন 

​*** ১. পদার্থের শ্রেণিবিভাগ: বৈশেষিক সম্মত 'পদার্থ' শব্দের অর্থ কী? বৈশেষিকগণ যে সাতটি পদার্থ (দ্রব্য, গুণ, কর্ম, সামান্য, বিশেষ, সমবায় ও অভাব) স্বীকার করেছেন, তাদের সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও।

*** ২. অভাব পদার্থ: অভাব কাকে বলে? অভাবের বিভিন্ন প্রকারভেদগুলি (প্রাগভাব, ধ্বংসাভাব, অত্যন্তাভাব ও অন্যোন্যাভাব) উদাহরণসহ বিস্তারিত আলোচনা করো। 

৩. সামান্য পদার্থ: বৈশেষিক মতে 'সামান্য' পদার্থের লক্ষণ ও স্বরূপ ব্যাখ্যা করো। 'পর সামান্য' ও 'অপর সামান্য'-এর মধ্যে পার্থক্য করো। 'জাতিবাধক' বা সামান্য কেন সব জায়গায় থাকে না, তার কারণগুলো উল্লেখ করো।

** ৪. দ্রব্য পদার্থ: বৈশেষিক মতে দ্রব্যের লক্ষণ দাও। নয়টি দ্রব্যের (ক্ষিতি, অপ, তেজ, মরুৎ, ব্যোম, কাল, দিক, আত্মা, মন) সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।

​          ৫ নম্বরের মাঝারি প্রশ্ন (৫ x ১)

​*** ১. সমবায় ও সংযোগ: সমবায় ও সংযোগের মধ্যে পাঁচটি প্রধান পার্থক্য আলোচনা করো।

***২. বিশেষ পদার্থ: বৈশেষিক দর্শনে 'বিশেষ' নামক পদার্থের গুরুত্ব আলোচনা করো। কেন এই দর্শনের নাম 'বৈশেষিক' হয়েছে?

*** ৩. গুণ পদার্থ: বৈশেষিক মতে 'গুণ' পদার্থের লক্ষণ কী? চব্বিশটি গুণের নাম উল্লেখ করো।

*** ৪. পরমাণুবাদ: বৈশেষিক সম্মত পরমাণুবাদের সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও।

৫. প্রাগভাব ও ধ্বংসাভাব: প্রাগভাব ও ধ্বংসাভাবের মধ্যে পার্থক্য উদাহরণসহ বুঝিয়ে লেখো।

​            ২ নম্বরের অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন (২ x ১)

​১. বৈশেষিক দর্শনের প্রবর্তক বা সূত্রকার কে? (মহর্ষি কণাদ)।

২. 'পদার্থ' বলতে বৈশেষিকরা কী বোঝেন?

৩. 'নিত্য দ্রব্য' কোনগুলি?

৪. সমবায় কী প্রকার সম্বন্ধ?

৫. বৈশেষিক মতে কর্ম কয় প্রকার ও কী কী? (উৎক্ষেপণ, অবক্ষেপণ, আকুঞ্চন, প্রসারণ ও গমন)।

৬. আকাশকে কেন 'এক ও বিভু' বলা হয়?

৭. অন্যোন্যাভাবের একটি উদাহরণ দাও। (যেমন: ঘট পট নয়)।

৮. গুণ ও কর্মের মধ্যে একটি প্রধান পার্থক্য লেখো।

৯. বৈশেষিক মতে মৌলিক পদার্থের সংখ্যা কয়টি?

১০. 'বিশেষ' পদার্থ কোথায় থাকে?


    ১০ নম্বরের বড় প্রশ্ন (১০ x ১) অদ্বৈত বেদান্ত দর্শন 

​১. শঙ্করাচার্যের ব্রহ্মবাদ: অদ্বৈত বেদান্ত মতে ব্রহ্মের স্বরূপ আলোচনা করো।** 'সগুণ ব্রহ্ম' ও 'নির্গুণ ব্রহ্ম'-এর মধ্যে পার্থক্য বুঝিয়ে লেখো।

*** ২. মায়াবাদ: অদ্বৈত দর্শনে 'মায়া' বা 'অবিদ্যা'-র স্বরূপ ব্যাখ্যা করো। মায়ার দুটি প্রধান শক্তি (আবরণ ও বিক্ষেপ) আলোচনা করো।

৩. জীব ও ব্রহ্মের সম্বন্ধ: "ব্রহ্ম সত্য জগৎ মিথ্যা জীবো ব্রহ্মৈব নাপরঃ"—অদ্বৈত বেদান্তের এই মূল দর্শনের আলোকে জীব ও ব্রহ্মের অভেদত্ব ব্যাখ্যা করো।

*** ৪. অদ্বৈত মতে মোক্ষ বা মুক্তি: মোক্ষ বলতে কী বোঝায়? অদ্বৈত মতে 'জীবনমুক্তি' ও 'বিদেহমুক্তি'-র মধ্যে পার্থক্য আলোচনা করো।

​           ৫ নম্বরের মাঝারি প্রশ্ন (৫ x ১)

**​১. বিবর্তবাদ ও পরিণামবাদ: অদ্বৈত বেদান্তের 'বিবর্তবাদ' সংক্ষেপে আলোচনা করো। পরিণামবাদের সাথে এর পার্থক্য কী?

২. জ্ঞানের স্তর (ত্রিসত্তা): অদ্বৈত মতে তিন প্রকার সত্তা (প্রাতিভাসিক, ব্যবহারিক ও পারমার্থিক) উদাহরণসহ ব্যাখ্যা করো।

** ৩. অনির্বচনীয়তা: মায়াকে কেন 'অনির্বচনীয়' বলা হয়?

৪. সাধন চতুষ্টয়: ব্রহ্মজ্ঞানের অধিকারী হওয়ার জন্য যে চারটি সাধনার (সাধন চতুষ্টয়) কথা বলা হয়েছে, সেগুলি কী কী?

*** ৫. অবিদ্যা ও মায়ার পার্থক্য: অদ্বৈত মতে অবিদ্যা ও মায়ার মধ্যে কোনো মৌলিক পার্থক্য আছে কি? সংক্ষেপে লেখো।

​           ২ নম্বরের অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন (২ x ১)

​১. অদ্বৈত বেদান্তের প্রধান প্রবক্তা কে? (আদি শংকরাচার্য)।

২. 'অদ্বৈত' শব্দের অর্থ কী?

৩. ব্রহ্মের স্বরূপ লক্ষণ ও তটস্থ লক্ষণ বলতে কী বোঝায়?

৪. মায়ার দুটি কাজ বা শক্তি কী কী?

৫. 'অহং ব্রহ্মাস্মি'—এই মহাবাক্যটির তাৎপর্য কী?

৬. প্রাতিভাসিক সত্তার একটি উদাহরণ দাও। (যেমন: রজ্জুতে সর্প জ্ঞান)।

৭. বিবর্তবাদ বলতে কী বোঝায়?

৮. অদ্বৈত মতে জগতের স্বরূপ কী? (মিথ্যা বা অনির্বচনীয়)।

৯. 'তত্ত্বমসি' কথাটির অর্থ কী?

১০. শঙ্করাচার্যের মতে ব্রহ্ম লাভের একমাত্র উপায় কোনটি? (জ্ঞানযোগ




Comments

Popular posts from this blog

দর্শন প্রথম সেমিস্টার সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর।

দর্শন প্রথম সেমিস্টার সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, মাইনর সিলেবাস)  ১)চার্বাক মতে ভূত কয়টি ও কি কি? উত্তরঃচার্বাক মতে ভূত চারটি- ক্ষিতি, অপ্ , তেজ ও মরুৎ ২) স্বভাববাদ কী? উত্তরঃ চার্বাক জড়বাদের ভিত্তি হল স্বভাববাদ। যে মতবাদ অনুসারে স্বভাব থেকেই ভূত সৃষ্টি, আবার স্বভাব থেকেই বিচ্ছেদ। যার জন্য ঈশ্বরকে স্বীকার করা প্রয়োজন নেই। ৩) অব্যাপ্যদেশ কথাটির অর্থ লেখো। উত্তরঃ অব্যাপ্যদেশ বলতে বোঝায়- অশাব্দ অর্থাৎ যাকে শব্দের দ্বারা প্রকাশ করা যায় না। ৫) জ্ঞান লক্ষণ প্রত্যক্ষ কাকে বলে?  কোন একটি ইন্দ্রিয়ের মাধ্যমে তার নিজের বিষয়ীভূত গুণ ছাড়াও যদি অপর একটি ইন্দ্রিয়ের বিষয়ীভূত গুণকে প্রত্যক্ষ করার হয়, তাহলে সেই প্রত্যক্ষকে জ্ঞানলক্ষণ প্রত্যক্ষ বলা হয়। ৬) ন্যায় মতে প্রমাণের প্রকার  উত্তরঃ ন্যায় মতে প্রমাণ চার প্রকার। প্রত্যক্ষ, অনুমান, উপমান এবং শাব্দ। ৭) সন্নিকর্ষ কাকে বলে? উত্তরঃ ন্যায় মতে ইন্দ্রিয় ও কোন বাস্তব পদার্থের মধ্যে একপ্রকার বিশেষ সম্পর্ক ঘটলে তবেই আমাদের একটি বস্তুর প্রত্যক্ষজ্ঞান ।আর ঐ বিশেষ বিশেষ সম্পর্কের পারিভাষিক নাম হলো সন...

ইতিহাস (3rd Semester) সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর।

 তৃতীয় সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, তৃতীয় সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর)। ১)বন্দেগান-ই-চাহালগানি বলতে কী বোঝায়? •উত্তরঃবন্দেগান-ই-চাহালগান বলতে চল্লিশ জন তুর্কি ও অ-তুর্কি দাসদের সমন্বয়ে গঠিত একটি বাহিনীকে বোঝায়। এই বাহিনীকে ডাল চালিশা বা তুরকান-ই- চাহালগানি নামে ডাকা হতো। ২)আমির খসরু কে ছিলেন? •উত্তরঃ আমির খসরু ছিলেন প্রখ্যাত সুফি সাধক বা আরেফ নিজামউদ্দিন আওলিয়ার ছাত্র এবং অন্যতম প্রধান খলিফা। যাঁকে 'ভারতের তোতা' উপাধি দেওয়া হয়েছিল। ৩) মহরানা প্রতাপ কে ছিলেন?  •উত্তরঃ মেবারের শিশোদিয়া রাজবংশের একজন হিন্দু রাজপুত রাজা ছিলেন মহারানা প্রতাপ সিং। যিনি রাজপুতদের বীরত্ব ও দৃঢ় সংকল্পের প্রতীক। বহু বছর ধরে তিনি মুঘল সম্রাট আকবরের সঙ্গে লড়াই করেন। ৪) জায়গীরদারী সংকট কী? •উত্তরঃ জায়গিরদারী সংকট ছিল মোগল সাম্রাজ্যের একটি অর্থনৈতিক সংকট। এই সংকটে জমি বা জায়গিরের অভাব দেখা দিয়েছিল। যার ফলে প্রশাসনিক খরচ মেটানো এবং যুদ্ধের খরচ বহন করা সম্ভব হতো না। ৫) দাক্ষিণাত্য ক্ষত কী? •উত্তরঃ দাক্ষিণাত্য ক্ষত বলতে ঔরঙ্গজেবের দাক্ষিণাত্য নীত...

ব্রিটিশ(3rd.Sem) পার্লামেন্টের সার্বভৌমত্ব

ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সার্বভৌমত্ব আলোচনা করো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, তৃতীয় সেমিস্টার, রাষ্ট্রবিজ্ঞান মাইনর সিলেবাস)।         আমরা জানি যে,ব্রিটেনের সংবিধান অলিখিত বলে বিভিন্ন ঐতিহাসিক দলিল, শাসনতান্ত্রিক রীতিনীতি, পার্লামেন্ট প্রণীত আইন প্রভৃতির মাধ্যমে পার্লামেন্টের সার্বভৌমত্ব অর্জিত হয়েছে। ব্রিটেনের পার্লামেন্ট আইনানুগ সার্বভৌমত্ব অর্জন করেছে, রাজনৈতিক সার্বভৌমত্ব নয়। আর সেখানে ব্রিটিশ পার্লামেন্টকে আইনানুগ সার্বভৌমত্ব বলা হয়, কারণ-       যেকোনো বিষয়ে পার্লামেন্ট আইন প্রণনয়নের অধিকারী। তবে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট এককেন্দ্রিক রাষ্ট্র হওয়ায় পার্লামেন্টে কোন আইন প্রণয়নের সময় প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় না। আসলে সেখানে কমন্সসভা তথা নিম্নকক্ষের সার্বভৌমত্বকেই বলা হয় পার্লামেন্টের সার্বভৌমত্ব।     ••ব্রিটিশ পার্লামেন্টকে সার্বভৌমত্ব বলার কারণ- ১) পার্লামেন্টের ওপর আইনগত কোনরূপ বাধানিষেধ আরোপ করা যায় না। ২) পার্লামেন্ট প্রণীত আইনের বৈধতার ব্যাপারে আদালত কোন প্রশ্ন তুলতে পারেনা। ব্রিটেনের আদালত পার্লামেন্ট প্রণীত আইনের ওপর বিচার বি...