কোনি' উপন্যাসের প্রথম থেকে ষষ্ঠ অধ্যায় পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ১ ও ২ নম্বরের প্রশ্নোত্তর নিয়ে আলোচনা করেছি। আসন্ন প্রথম সাময়িক পরীক্ষার (1st Unit Test) প্রস্তুতির জন্য এই সাজেশনটি অত্যন্ত কার্যকর। ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখুন এবং বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন।"
১ নম্বরের অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (অধ্যায় ১-৬)
১. 'কোনি' উপন্যাসের রচয়িতা কে?
- উত্তর: প্রখ্যাত ক্রীড়া সাংবাদিক ও সাহিত্যিক মতি নন্দী।
২. বিষ্ণুচরণ ধর প্রতিদিন কতক্ষণ মালিশ করাতেন?
- উত্তর: বিষ্ণুচরণ ধর প্রতিদিন চার ঘণ্টা ধরে মালিশ করাতেন।
৩. ক্ষিতীশ সিংহ কোন ক্লাবে সাঁতারের ট্রেনার ছিলেন?
- উত্তর: ক্ষিতীশ সিংহ কলকাতার 'জুপিটার' ক্লাবের সাঁতারের ট্রেনার ছিলেন।
৪. ক্ষিতীশের স্ত্রীর নাম কী? তিনি কী কাজ করতেন?
- উত্তর: ক্ষিতীশের স্ত্রীর নাম লীলাবতী। তিনি একটি দর্জির দোকান (টেইলরিং শপ) চালাতেন।
৫. "ফাইট কোনি ফাইট"—উক্তিটি কার?
- উত্তর: এটি উপন্যাসের মূল মন্ত্র এবং কোনিকে উৎসাহিত করার জন্য এই উক্তিটি ক্ষিতীশ সিংহের।
৬. কোনির বাবার নাম কী? তাঁর মৃত্যু হয়েছিল কেন?
- উত্তর: কোনির বাবার নাম হরিচরণ ত্রিপাঠী। তিনি যক্ষ্মা রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।
৭. গঙ্গায় আম কুড়ানোর সময় ক্ষিতীশ প্রথম কোনিকে কী করতে দেখেছিলেন?
- উত্তর: ক্ষিতীশ দেখেছিলেন কোনি গঙ্গার প্রবল স্রোতের মধ্যেও পটুত্বের সঙ্গে সাঁতার কেটে আম কুড়োচ্ছে।
৮. কোনির দাদার নাম কী? তাঁর পেশা কী ছিল?
- উত্তর: কোনির দাদার নাম কমল। তিনি একটি বেসরকারি সংস্থায় কাজ করতেন এবং পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ছিলেন।
২ নম্বরের সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (অধ্যায় ১-৬)
১. বিষ্ণুচরণ ধরের আহারের তালিকাটি কীরূপ ছিল?
- উত্তর: বিষ্ণুচরণ ধর ছিলেন অতিভোজী। তাঁর আহারের তালিকায় থাকত আড়াই সের দুধ, বারোটা রসগোল্লা, ডজনখানেক কলা এবং প্রচুর পরিমাণে ঘি-মাখন সমৃদ্ধ খাবার। তাঁর শরীরচর্চার চেয়ে খাওয়ার প্রতি ঝোঁক ছিল বেশি।
২. ক্ষিতীশ সিংহকে কেন জুপিটার ক্লাব ছাড়তে হয়েছিল?
- উত্তর: ক্লাবের কর্মকর্তাদের নোংরা রাজনীতি এবং আধুনিক প্রশিক্ষণের অভাবের বিরুদ্ধে ক্ষিতীশ প্রতিবাদ করেছিলেন। বিশেষ করে ক্লাবের অলস ও অবাধ্য সাঁতারুদের কড়া শাসনে রাখার কারণে বিনোদ ভরদওয়াজ ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের ষড়যন্ত্রে তাঁকে ক্লাব ছাড়তে হয়।
৩. "তোর আসল লজ্জা জ্বলে, আসল গর্বও জ্বলে"—উক্তিটির তাৎপর্য কী?
- উত্তর: ক্ষিতীশ সিংহ কোনিকে বোঝাতে চেয়েছিলেন যে, দারিদ্র্য বা অভাব কোনো লজ্জার বিষয় নয়। একজন খেলোয়াড়ের আসল লজ্জা হলো প্রতিযোগিতায় হেরে যাওয়া এবং আসল গর্ব হলো জলের মধ্যে জয়ী হওয়া। তিনি কোনিকে খেলাধুলায় মনোনিবেশ করতে উৎসাহিত করেছিলেন।
৪. লীলাবতীর দোকানটির নাম কী? কেন তিনি দোকানটি দেখাশোনা করতেন?
- উত্তর: লীলাবতীর দোকানটির নাম ছিল 'সিনহা টেইলরিং'। ক্ষিতীশ সিংহ সারাদিন সাঁতার আর খেলাধুলা নিয়ে ব্যস্ত থাকতেন বলে সংসারের অভাব মেটাতে লীলাবতী অত্যন্ত পরিশ্রম করে এই দোকানটি চালাতেন।
৫. কোনিকে সাঁতার শেখানোর জন্য ক্ষিতীশ কী কী শর্ত দিয়েছিলেন?
- উত্তর: ক্ষিতীশ শর্ত দিয়েছিলেন যে কোনিকে কঠোর অনুশাসনের মধ্যে থাকতে হবে, রোজ ভোরে অনুশীলনে আসতে হবে এবং তাঁর নির্দেশমতো ডায়েট বা খাবার খেতে হবে। এছাড়াও কোনিকে জুপিটার ক্লাবের পরিবর্তে অ্যাপোলো ক্লাবে প্র্যাকটিস করার কথা বলা হয়।
৬. কমলের মৃত্যুর পর কোনির পরিবারের অবস্থা কেমন হয়েছিল?
- উত্তর: পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী কমলের অকাল মৃত্যুতে কোনির পরিবার চরম আর্থিক সংকটে পড়ে। তাদের খাওয়ার খরচ চালানোই কঠিন হয়ে পড়ে। এই কঠিন সময়ে ক্ষিতীশ সিংহ কোনির ত্রাতারূপে আবির্ভূত হন এবং তার সাঁতারের সমস্ত দায়িত্ব নেন।
Comments
Post a Comment