Skip to main content

মিনাক্ষী মুখার্জী

•জনগণের দরবারে উদীয়মান বার্তাঃউত্তরপাড়ার উন্নয়ন ও বিকল্প রাজনীতির ডাক।

     উত্তরপাড়া,২৩শে মার্চ ২০২৬- আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে উত্তরপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রটি এখন রাজ্য রাজনীতির অন্যতম আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু।এই কেন্দ্রে বিকল্প ও স্বচ্ছ রাজনীতির মুখ হিসেবে উঠে আসছেন লড়াকু নেত্রী মীনাক্ষী মুখার্জি। উত্তরপাড়ার কৃষ্টি, সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যকে রক্ষা করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন সমস্যার সমাধানে তাঁর উপস্থিতি এক নতুন আশার আলো দেখাচ্ছে।

•কেন উত্তরপাড়ার জন্য মীনাক্ষী মুখার্জি অপরিহার্য?

      • সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে মীনাক্ষী মুখার্জি আজ এক পরিচিত নাম। ডিওয়াইএফআই (DYFI)-এর রাজ্য সম্পাদিকা হিসেবে বেকারদের কর্মসংস্থান এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে তাঁর আপসহীন লড়াই উত্তরপাড়ার তরুণ প্রজন্মের কাছে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।

       • উত্তরপাড়া-কোতরং এবং মাখলা অঞ্চলের নিকাশি ব্যবস্থা, যানজট এবং বন্ধ হয়ে যাওয়া কলকারখানাগুলোর পুনরুজ্জীবনে মীনাক্ষীর সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি কেবল গৎবাঁধা প্রতিশ্রুতিতে বিশ্বাসী নন, বরং নিচুতলার মানুষের সঙ্গে মিশে সমস্যার গভীরে পৌঁছাতে দক্ষ।

    • উত্তরপাড়া হলো বাংলার নবজাগরণের অন্যতম ধাত্রীভূমি। জয়কৃষ্ণ লাইব্রেরি থেকে শুরু করে এই অঞ্চলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর গৌরব পুনরুদ্ধার করতে একজন শিক্ষিত এবং দূরদর্শী নেত্রীর প্রয়োজন, যা মীনাক্ষীর ব্যক্তিত্বে প্রতিফলিত হয়।

​     • উত্তরপাড়ার সাধারণ মানুষের কাছে মীনাক্ষী মুখার্জি আজ কেবল একজন রাজনৈতিক প্রার্থী নন, তিনি 'তিলোত্তমা'র বিচার চেয়ে রাজপথে লড়াই করা এক অকুতোভয় সেনানী। আরজিকর হাসপাতালের নক্কারজনক ঘটনার পর যখন সাধারণ মানুষের ক্ষোভ আগ্নেয়গিরির মতো ফেটে পড়েছিল, তখন মীনাক্ষী মুখার্জিই ছিলেন সেই প্রথম সারির লড়াকু মুখ, যিনি রাতের পর রাত রাজপথে কাটিয়েছেন।আরজিকর-এর প্রমাণ লোপাট এবং দুর্নীতির জাল যখন সাধারণ মানুষকে স্তম্ভিত করে দিচ্ছিল, তখন মীনাক্ষীর বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর মানুষের মনে সাহস জুগিয়েছে।

​        • উত্তরপাড়ার প্রতিটি ঘরের মা-বোনেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার যে অঙ্গীকার মীনাক্ষী নিয়েছেন, তা আরজিকর আন্দোলনের মাঠ থেকেই আরও শক্তিশালী হয়েছে। তিনি প্রমাণ করেছেন যে, তিনি কেবল ক্ষমতার জন্য নয়, মানুষের মর্যাদা রক্ষার জন্য লড়ছেন।

​      • আরজিকর কাণ্ড চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে সরকারি ব্যবস্থার রন্ধ্রে রন্ধ্রে থাকা অরাজকতা। মীনাক্ষী এই গৎবাঁধা রাজনীতির বিপরীতে দাঁড়িয়ে এক স্বচ্ছ এবং নিরাপদ সমাজ গড়ার ডাক দিয়েছেন, যেখানে আর কোনো মেয়েকে কর্মক্ষেত্রে বা ঘরের বাইরে এমন পরিস্থিতির শিকার হতে হবে না।আসলে-

​     •"আরজিকরের বিচার চেয়ে মীনাক্ষী যে লড়াই শুরু করেছেন, সেই লড়াই আসলে আমাদের বোনদের নিরাপত্তা এবং মায়েদের সম্মান রক্ষার লড়াই। উত্তরপাড়ার মানুষ জানে, এই লড়াইয়ের শেষ না দেখে মীনাক্ষী মাঠ ছাড়বেন না।"

​     •"যিনি আরজিকরের ন্যায়বিচারের দাবিতে পুলিশের লাঠি আর রক্তচক্ষু উপেক্ষা করতে পারেন, তিনিই পারেন উত্তরপাড়ার মানুষের হৃত গৌরব পুনরুদ্ধার করতে।"

     • রাজনীতির ময়দানে যখন দুর্নীতির কালো ছায়া প্রবল, তখন মীনাক্ষী মুখার্জির মতো স্বচ্ছ ভাবমূর্তির নেত্রী উত্তরপাড়ার মানুষকে একটি পরিষ্কার ও দায়বদ্ধ প্রশাসন উপহার দিতে পারেন।

        উত্তরপাড়ার শুভবুদ্ধিসম্পন্ন নাগরিকরা সর্বদা প্রগতিশীল চিন্তার পক্ষে রায় দিয়েছেন।আসন্ন নির্বাচনে কোনো প্রলোভন বা ভয়ের ঊর্ধ্বে উঠে, এলাকার প্রকৃত উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানের দাবিতে মীনাক্ষী মুখার্জিকে জয়যুক্ত করা সময়ের দাবি। উত্তরপাড়ার মাটির মেয়ে না হয়েও, তিনি আজ উত্তরপাড়ার প্রতিটি ঘরের আপনজন হয়ে উঠেছেন তাঁর কাজের মাধ্যমে। আর এই মুহূর্তে যেহেতু দেওয়াল লিখন শুরু হচ্ছে সেই দেওয়াল লিখনে নিম্নের স্লোগান গুলি লেখা যেতে পারে।

•"উন্নয়ন হোক মানুষের জন্য, রাজনীতি হোক সততার সঙ্গে।"

•"উত্তরপাড়ার মাটির ঘ্রাণ, মীনাক্ষীই হোক সমাধান।"

•"লড়াই যখন বাঁচার দায়, মীনাক্ষীকেই বাংলা চায়।"

ধন্যাবাদ 🙏



Comments

Popular posts from this blog

দর্শন প্রথম সেমিস্টার সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর।

দর্শন প্রথম সেমিস্টার সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, মাইনর সিলেবাস)  ১)চার্বাক মতে ভূত কয়টি ও কি কি? উত্তরঃচার্বাক মতে ভূত চারটি- ক্ষিতি, অপ্ , তেজ ও মরুৎ ২) স্বভাববাদ কী? উত্তরঃ চার্বাক জড়বাদের ভিত্তি হল স্বভাববাদ। যে মতবাদ অনুসারে স্বভাব থেকেই ভূত সৃষ্টি, আবার স্বভাব থেকেই বিচ্ছেদ। যার জন্য ঈশ্বরকে স্বীকার করা প্রয়োজন নেই। ৩) অব্যাপ্যদেশ কথাটির অর্থ লেখো। উত্তরঃ অব্যাপ্যদেশ বলতে বোঝায়- অশাব্দ অর্থাৎ যাকে শব্দের দ্বারা প্রকাশ করা যায় না। ৫) জ্ঞান লক্ষণ প্রত্যক্ষ কাকে বলে?  কোন একটি ইন্দ্রিয়ের মাধ্যমে তার নিজের বিষয়ীভূত গুণ ছাড়াও যদি অপর একটি ইন্দ্রিয়ের বিষয়ীভূত গুণকে প্রত্যক্ষ করার হয়, তাহলে সেই প্রত্যক্ষকে জ্ঞানলক্ষণ প্রত্যক্ষ বলা হয়। ৬) ন্যায় মতে প্রমাণের প্রকার  উত্তরঃ ন্যায় মতে প্রমাণ চার প্রকার। প্রত্যক্ষ, অনুমান, উপমান এবং শাব্দ। ৭) সন্নিকর্ষ কাকে বলে? উত্তরঃ ন্যায় মতে ইন্দ্রিয় ও কোন বাস্তব পদার্থের মধ্যে একপ্রকার বিশেষ সম্পর্ক ঘটলে তবেই আমাদের একটি বস্তুর প্রত্যক্ষজ্ঞান ।আর ঐ বিশেষ বিশেষ সম্পর্কের পারিভাষিক নাম হলো সন...

ইতিহাস (3rd Semester) সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর।

 তৃতীয় সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, তৃতীয় সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর)। ১)বন্দেগান-ই-চাহালগানি বলতে কী বোঝায়? •উত্তরঃবন্দেগান-ই-চাহালগান বলতে চল্লিশ জন তুর্কি ও অ-তুর্কি দাসদের সমন্বয়ে গঠিত একটি বাহিনীকে বোঝায়। এই বাহিনীকে ডাল চালিশা বা তুরকান-ই- চাহালগানি নামে ডাকা হতো। ২)আমির খসরু কে ছিলেন? •উত্তরঃ আমির খসরু ছিলেন প্রখ্যাত সুফি সাধক বা আরেফ নিজামউদ্দিন আওলিয়ার ছাত্র এবং অন্যতম প্রধান খলিফা। যাঁকে 'ভারতের তোতা' উপাধি দেওয়া হয়েছিল। ৩) মহরানা প্রতাপ কে ছিলেন?  •উত্তরঃ মেবারের শিশোদিয়া রাজবংশের একজন হিন্দু রাজপুত রাজা ছিলেন মহারানা প্রতাপ সিং। যিনি রাজপুতদের বীরত্ব ও দৃঢ় সংকল্পের প্রতীক। বহু বছর ধরে তিনি মুঘল সম্রাট আকবরের সঙ্গে লড়াই করেন। ৪) জায়গীরদারী সংকট কী? •উত্তরঃ জায়গিরদারী সংকট ছিল মোগল সাম্রাজ্যের একটি অর্থনৈতিক সংকট। এই সংকটে জমি বা জায়গিরের অভাব দেখা দিয়েছিল। যার ফলে প্রশাসনিক খরচ মেটানো এবং যুদ্ধের খরচ বহন করা সম্ভব হতো না। ৫) দাক্ষিণাত্য ক্ষত কী? •উত্তরঃ দাক্ষিণাত্য ক্ষত বলতে ঔরঙ্গজেবের দাক্ষিণাত্য নীত...

ব্রিটিশ(3rd.Sem) পার্লামেন্টের সার্বভৌমত্ব

ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সার্বভৌমত্ব আলোচনা করো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, তৃতীয় সেমিস্টার, রাষ্ট্রবিজ্ঞান মাইনর সিলেবাস)।         আমরা জানি যে,ব্রিটেনের সংবিধান অলিখিত বলে বিভিন্ন ঐতিহাসিক দলিল, শাসনতান্ত্রিক রীতিনীতি, পার্লামেন্ট প্রণীত আইন প্রভৃতির মাধ্যমে পার্লামেন্টের সার্বভৌমত্ব অর্জিত হয়েছে। ব্রিটেনের পার্লামেন্ট আইনানুগ সার্বভৌমত্ব অর্জন করেছে, রাজনৈতিক সার্বভৌমত্ব নয়। আর সেখানে ব্রিটিশ পার্লামেন্টকে আইনানুগ সার্বভৌমত্ব বলা হয়, কারণ-       যেকোনো বিষয়ে পার্লামেন্ট আইন প্রণনয়নের অধিকারী। তবে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট এককেন্দ্রিক রাষ্ট্র হওয়ায় পার্লামেন্টে কোন আইন প্রণয়নের সময় প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় না। আসলে সেখানে কমন্সসভা তথা নিম্নকক্ষের সার্বভৌমত্বকেই বলা হয় পার্লামেন্টের সার্বভৌমত্ব।     ••ব্রিটিশ পার্লামেন্টকে সার্বভৌমত্ব বলার কারণ- ১) পার্লামেন্টের ওপর আইনগত কোনরূপ বাধানিষেধ আরোপ করা যায় না। ২) পার্লামেন্ট প্রণীত আইনের বৈধতার ব্যাপারে আদালত কোন প্রশ্ন তুলতে পারেনা। ব্রিটেনের আদালত পার্লামেন্ট প্রণীত আইনের ওপর বিচার বি...