Skip to main content

 WBSU ১ম সেমিস্টার: চার্বাক দর্শন (২ নম্বরের প্রশ্ন-উত্তর)

​• ঋণ কাকে বলে? ঋণ কয় প্রকার ও কি কি?

• ভারতীয় দর্শনের স্বীকৃত পঞ্চকোষসমূহের নাম লেখো।

• চার্বাক দর্শনে ভূত কয়টি ও কি কি?

১. চার্বাক মতে 'প্রমাণ' কয়টি ও কী কী?


উত্তর: চার্বাক মতে প্রমাণ একটিই, তা হলো প্রত্যক্ষ। চার্বাকরা প্রত্যক্ষ ছাড়া অন্য কোনো প্রমাণ (যেমন— অনুমান, শব্দ বা উপমান) স্বীকার করেন না।

​২. চার্বাকরা কেন 'আকাশ' বা 'ব্যোম'-কে স্বীকার করেন না?

উত্তর: চার্বাকরা কেবল সেই বস্তুগুলোকেই স্বীকার করেন যা প্রত্যক্ষ করা যায়। আকাশ বা ব্যোম প্রত্যক্ষযোগ্য নয় (অপ্রতক্ষ্য), তাই চার্বাক মতে এটি মৌলিক ভূত পদার্থ নয়।

​৩. চার্বাক দর্শনের অপর নাম 'লোকায়ত দর্শন' কেন?

উত্তর: 'লোকেষু আয়ত' অর্থাৎ সাধারণ মানুষের মধ্যে এই দর্শনের ব্যাপক প্রচার ছিল। সাধারণ মানুষ ইহজাগতিক সুখ ও ভোগবাদে বিশ্বাসী বলে এই দর্শনকে লোকায়ত দর্শন বলা হয়।

​৪. 'ভূচৈতন্যবাদ' বা 'দেহাত্মবাদ' বলতে কী বোঝায়?

উত্তর: চার্বাক মতে, চৈতন্য হলো দেহের ধর্ম। ক্ষিতি, অপ, তেজ ও মরুৎ—এই চার ভূতের মিলনে দেহে চৈতন্যের উদয় হয়। দেহের অতিরিক্ত কোনো আত্মা নেই। এই মতবাদকেই দেহাত্মবাদ বা ভূচৈতন্যবাদ বলে।

​৫. চার্বাক মতে 'পুরুষার্থ' কয়টি?

উত্তর: চার্বাকরা দুটি পুরুষার্থ স্বীকার করেন— অর্থ এবং কাম। এর মধ্যে 'কাম' (সুখভোগ) হলো পরম পুরুষার্থ এবং 'অর্থ' হলো কাম লাভের উপায়।

​৬. চার্বাকরা কেন 'অনুমান' প্রমাণকে অস্বীকার করেন?

উত্তর: চার্বাকদের মতে, অনুমানের মূল ভিত্তি হলো ব্যাপ্তি জ্ঞান। কিন্তু ব্যাপ্তি জ্ঞান (যেমন— যেখানে ধোঁয়া আছে সেখানে আগুন আছে) নিখুঁতভাবে প্রত্যক্ষ করা সম্ভব নয়। ব্যাপ্তি জ্ঞান অনিশ্চিত বলে অনুমানও প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়।

​৭. 'সুখবাদ' (Hedonism) বলতে চার্বাকরা কী বুঝিয়েছেন?

উত্তর: চার্বাকদের নীতিশাস্ত্রের মূল কথা হলো বর্তমান জীবনে যতটা সম্ভব সুখ ভোগ করা। তাঁদের মতে, দুঃখ আছে বলে সুখ ত্যাগ করা উচিত নয়—যেমন তুষ আছে বলে কেউ ধান ত্যাগ করে না।

​৮. ধূর্ত চার্বাক ও সুশিক্ষিত চার্বাকদের মধ্যে পার্থক্য কী?

উত্তর: ধূর্ত চার্বাকরা স্থূল ইন্দ্রিয়সুখকেই জীবনের চরম লক্ষ্য মনে করেন। অন্যদিকে, সুশিক্ষিত চার্বাকরা মানসিক সুখ এবং শিল্প-সংস্কৃতির মাধ্যমে প্রাপ্ত পরিশীলিত সুখকেও গুরুত্ব দেন।

​৯. চার্বাক মতে মোক্ষ কী?

উত্তর: চার্বাকরা পারলৌকিক মোক্ষ বা মুক্তি বিশ্বাস করেন না। তাঁদের মতে, 'মরণমেব অপবর্গ' অর্থাৎ মৃত্যুই হলো মোক্ষ বা দুঃখের চরম অবসান।

​১০. চার্বাকরা কেন ঈশ্বর মানেন না?

উত্তর: ঈশ্বর প্রত্যক্ষযোগ্য নন। চার্বাক মতে জগৎ কোনো অতিপ্রাকৃত শক্তি বা ঈশ্বরের দ্বারা সৃষ্টি হয়নি, বরং জড় ভূতগুলোর স্বাভাবিক মিলনে (স্বভাববাদ) এই জগতের সৃষ্টি হয়েছে।

​প্রশ্ন: চার্বাক দর্শনে 'যদৃচ্ছাবাদ' বলতে কী বোঝায়?

​উত্তর: চার্বাক মতে, এই জগৎ সৃষ্টির পেছনে কোনো বুদ্ধিমান স্রষ্টা বা ঈশ্বরের হাত নেই। ক্ষিতি, অপ, তেজ ও মরুৎ—এই চার জড় ভূতের আকস্মিক ও উদ্দেশ্যহীন মিলনকেই 'যদৃচ্ছাবাদ' বলা হয়। এই মতানুসারে, জগতের যাবতীয় বৈচিত্র্য কোনো নিয়মের অধীন নয়, বরং তা দৈবাৎ বা হঠাৎ করেই সৃষ্টি হয়েছে।

ন্যায় দর্শন: অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (SAQ)

ন্যায় দর্শনের প্রবর্তক বা আদি আচার্য কে? 

ন্যায় দর্শনের প্রবর্তক হলেন মহর্ষি গৌতম (তাঁর অপর নাম অক্ষপাদ)।

ন্যায় মতে 'প্রমা' বলতে কী বোঝায়? 

যথার্থ অনুভবকে বলা হয় প্রমা। অর্থাৎ বস্তুর রূপ যেমন, তাকে সেইভাবে জানাই হলো প্রমা (যেমন— রজ্জুকে রজ্জু বলে জানা)।

** ৩ ন্যায় দর্শনে কয়টি প্রমাণ স্বীকার করা হয়?

 ন্যায় দর্শনে চারটি প্রমাণ স্বীকার করা হয়— প্রত্যক্ষ, অনুমান, উপমান ও শব্দ।

** ন্যায় মতে সন্নিকর্ষ কাকে বলে?

৪ 'প্রত্যক্ষ' কাকে বলে? 

ইন্দ্রিয়ের সঙ্গে বিষয়ের সন্নিকর্ষের (যোগাযোগ) ফলে যে অব্যভিচারী ও সুনিশ্চিত জ্ঞান উৎপন্ন হয়, তাকেই প্রত্যক্ষ বলে।

লৌকিক সন্নিকর্ষ কয় প্রকার ও কী কী? 

লৌকিক সন্নিকর্ষ ছয় প্রকার। যথা— সংযোগ, সংযুক্ত-সমবায়, সংযুক্ত-সমবেত-সমবায়, সমবায়, সমবেত-সমবায় ও বিশেষণ-বিশেষ্যভাব।

৬ 'ব্যাপ্তি' বলতে কী বোঝায়? 

হেতু (ধোঁয়া) ও সাধ্যের (আগুন) মধ্যে যে অবিচ্ছেদ্য ও শর্তহীন সম্পর্ক থাকে, তাকেই ব্যাপ্তি বলা হয়।

পঞ্চাবয়বী ন্যায়-এর পাঁচটি অবয়ব কী কী?

 ১. প্রতিজ্ঞা, ২. হেতু, ৩. উদাহরণ, ৪. উপনয় ও ৫. নিগমন।

স্বার্থানুমান ও পরার্থানুমান-এর পার্থক্য কী? 

নিজের সংশয় দূর করার জন্য যে অনুমান করা হয় তা স্বার্থানুমান, আর অন্যকে বোঝানোর জন্য যে পাঁচ অবয়ব যুক্ত অনুমান করা হয় তা পরার্থানুমান।

ন্যায় মতে 'অপবর্গ' বা মুক্তি কী? 

সমস্ত প্রকার দুঃখের আত্যন্তিক নিবৃত্তি বা বিনাশকেই ন্যায় দর্শনে অপবর্গ বা মুক্তি বলা হয়।

১০ অলৌকিক প্রত্যক্ষ কয় প্রকার?

 অলৌকিক প্রত্যক্ষ তিন প্রকার— সামান্যলক্ষণ, জ্ঞানলক্ষণ ও যোগজ প্রত্যক্ষ।

 ** পরামর্শ বলতে কী বোঝো?


ক্রমিক

প্রশ্ন

উত্তর

বৈশেষিক দর্শনের প্রবর্তক কে?

বৈশেষিক দর্শনের প্রবর্তক হলেন মহর্ষি কণাদ। তাঁর নামানুসারে এই দর্শনকে 'কাণাদ দর্শন'ও বলা হয়।



বৈশেষিক মতে 'পদার্থ' বলতে কী বোঝায়?

যা জ্ঞেয় (জানার যোগ্য) এবং অভিধেয় (নামকরণের যোগ্য), তাকেই পদার্থ বলা হয়। প্রশস্তপাদের মতে, যার অস্তিত্ব আছে এবং যা বুদ্ধির বিষয়, তাই পদার্থ।



বৈশেষিক মতে পদার্থ কয়টি ও কী কী?

বৈশেষিক মতে পদার্থ সাতটি। যথা— ১. দ্রব্য, ২. গুণ, ৩. কর্ম, ৪. সামান্য, ৫. বিশেষ, ৬. সমবায় এবং ৭. অভাব।



'দ্রব্য' কাকে বলে? কয়টি দ্রব্য আছে?

যা গুণের আধার এবং সমবায়ী কারণ, তাকেই দ্রব্য বলে। দ্রব্য নয়টি— ক্ষিতি, অপ, তেজ, মরুৎ, ব্যোম, কাল, দিক, আত্মা ও মন।


'সামান্য' পদার্থ বলতে কী বোঝায়?

যা নিত্য এবং অনেক ব্যক্তির মধ্যে সমবেতভাবে থাকে, তাকে সামান্য বা জাতি বলে (যেমন— 'গোত্ব' জাতি যা সমস্ত গরুর মধ্যে থাকে)।


'বিশেষ' পদার্থ কী?

নিত্য দ্রব্যের (যেমন— পরমাণু) পরস্পর ভেদমূলক ধর্মই হলো বিশেষ। এই বিশেষ পদার্থের আলোচনার জন্যই এই দর্শনের নাম 'বৈশেষিক'।


সমবায় ও সংযোগের পার্থক্য কী?

সংযোগ হলো দুটি বস্তুর অস্থায়ী মিলন (যেমন— হাতে কলম ধরা)। কিন্তু সমবায় হলো নিত্য বা অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক (যেমন— ফুলে গন্ধ বা কাপড়ে সুতো)।


বৈশেষিক মতে 'অভাব' কয় প্রকার?

অভাব চার প্রকার— প্রাগভাব, ধ্বংসাভাব, অত্যন্তাভাব এবং অন্যোন্যাভাব।



বৈশেষিক দর্শনের পরমাণুবাদ কী?

জগত সৃষ্টির মূল উপাদান হলো অবিভাজ্য ও নিত্য পরমাণু। ক্ষিতি, অপ, তেজ ও মরুৎ—এই চার ভূতের পরমাণুর মিলনেই জগতের সৃষ্টি হয়।

১০

গুণ কয়টি? কয়েকটি গুণের নাম লিখুন।

বৈশেষিক মতে গুণ ২৪টি। যেমন— রূপ, রস, গন্ধ, স্পর্শ, সংখ্যা, পরিমাণ, সংযোগ, বিভাগ ইত্যাদি।


অদ্বৈত বেদান্ত দর্শনের প্রধান প্রবক্তা কে?

অদ্বৈত বেদান্তের প্রধান প্রবক্তা ও ভাষ্যকার হলেন আদি শংকরাচার্য।

'অদ্বৈত' শব্দের অর্থ কী?

অদ্বৈত মানে 'দুই নয়' অর্থাৎ 'এক'। এই মতে ব্রহ্ম ও আত্মা অভিন্ন, তাদের মধ্যে কোনো দ্বৈততা বা পার্থক্য নেই।

ব্রহ্মের স্বরূপ লক্ষণ কী?

ব্রহ্মের স্বরূপ লক্ষণ হলো— 'সচ্চিদানন্দ' (সৎ, চিৎ ও আনন্দ)। অর্থাৎ যা অবিনাশী, জ্ঞানস্বরূপ এবং আনন্দময়।

'অধ্যাস' (Adhyasa) বলতে কী বোঝায়?

এক বস্তুতে অন্য বস্তুর ভ্রান্ত আরোপকে অধ্যাস বলে। যেমন— অন্ধকারে দড়িতে সাপ দেখে ভয় পাওয়া। ব্রহ্মে জগতের আরোপই হলো অধ্যাস।

মায়া বা অবিদ্যা বলতে কী বোঝায়?

মায়া হলো এক অনির্বচনীয় শক্তি, যা সত্যকে আড়াল করে (আবরণ) এবং মিথ্যাকে সত্য বলে দেখায় (বিক্ষেপ)। মায়ার কারণেই আমরা ব্রহ্মকে জগৎ হিসেবে দেখি।

বিবর্তবাদ ও পরিণামবাদের পার্থক্য কী?

কারণ যখন বাস্তবে অন্য রূপে পরিবর্তিত হয় (যেমন দুধ থেকে দই), তাকে পরিণামবাদ বলে। আর কারণ যখন অবিকৃত থেকে কেবল ভ্রান্তিবশত অন্যরূপে প্রতীত হয় (যেমন দড়িতে সাপ), তাকে বিবর্তবাদ বলে। অদ্বৈত বেদান্ত বিবর্তবাদে বিশ্বাসী।

শংকরাচার্যের মতে জগতের সত্যতা কয়টি?

তিনি তিন প্রকার সত্যতা স্বীকার করেন— ১. প্রাতিভাসিক (স্বপ্ন), ২. ব্যবহারিক (লৌকিক জগৎ) এবং ৩. পারমার্থিক (একমাত্র ব্রহ্ম)।

'তত্ত্বমসি' (Tat Tvam Asi) মহাবাক্যের অর্থ কী?

এই বাক্যের অর্থ হলো— "তুমিই সেই" (অর্থাৎ জীবাত্মা ও পরমাত্মা বা ব্রহ্ম অভিন্ন)।

জীবনমুক্তি বলতে কী বোঝায়?

জীবিত অবস্থায় ব্রহ্মজ্ঞান লাভের মাধ্যমে মায়ার বন্ধন থেকে মুক্ত হওয়াকেই জীবনমুক্তি বলা হয়।

১০

শংকরাচার্যের বিখ্যাত শ্লোকটি কী?

"ব্রহ্ম সত্যং জগন্মথ্যা জীবো ব্রহ্মৈব নাপরঃ" —অর্থাৎ ব্রহ্মই একমাত্র সত্য, জগৎ মিথ্যা এবং জীব ও ব্রহ্মের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই।



• পরার্থানুমানে  বিভিন্ন অবয়বগুলির নাম লেখো।

 বৈশেষিক দর্শনে স্বীকৃত পাঁচ প্রকার কর্ম কি কি? 

 সংযোগ ও সমবায়ের মধ্যে দুটি পার্থক্য লেখ 

 ব্রহ্মসূত্রের রচয়িতা কে 

 বৈশেষিক মত অনুসারে বিভিন্ন প্রকার নিত্যদ্রব্য গুলির নাম লেখ 

 সগুন ব্রম্ভ কি 

 অদ্বৈত বেদান্ত মতে পারমার্থিক সত্তা কি?

Comments

Popular posts from this blog

একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়।

  একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়-সারদা মঙ্গল               গীতিকাব্য হলো এক ধরনের কবিতা, যার মধ্যে দিয়ে ব্যক্তির আবেগ, অনুভূতি এবং অভিজ্ঞতাগুলিকে ছন্দ ওর সংগীতের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। তবে এখানে কবিতাগুলি খুবই ছোট আকারের হয়, আর সেখানে কবির ব্যক্তিগত অনুভূতির গভীরতা ও আন্তরিকতা প্রকাশ পায়। আর এই প্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি গীতি কবিতার সংকলন হলো গীতিকাব্য। ব্যঞ্জনাময় ও সংহত ।  গীতিকাব্যের বৈশিষ্ট্য  গীতিকাব্যের কিছু প্রধান বৈশিষ্ট্য নিচে আলোচনা করা হলো: ১. ব্যক্তিগত অনুভূতি ও আবেগ প্রকাশ: এটি গীতিকাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য। এখানে কবি নিজের ব্যক্তিগত অনুভূতি, প্রেম, বিরহ, আনন্দ বা বিষাদের কথা তুলে ধরেন। ২. সংক্ষিপ্ততা: গীতিকাব্য সাধারণত দীর্ঘ হয় না। অল্প কয়েকটি স্তবকের মধ্যে কবি তাঁর ভাবনা সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করেন। ৩. সুর ও ছন্দের প্রাধান্য: গীতিকাব্য মূলত সুর করে আবৃত্তি করার জন্য রচিত হয়। তাই এতে সুর ও ছন্দের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়। ৪. আত্মগতভাব: গীতিকাব্যে বাইরের জগতের বর্ণনা না দিয়ে কবির নিজের মনের ভেতরের জগতের প্রতি মনোযোগ ...

চতুর্থ সেমিস্টার জেনারেল ইতিহাস ছোট প্রশ্ন ২০২১

 *১) সুজাউদ্দৌলা কে ছিলেন বা মুর্শিদকুলি খাঁর মৃত্যুর পর কে বাংলার নবাব হন?  উত্তর - সুজা উদ্দৌলা আয়ুধের সুবেদার নবাব ছিলেন। মুর্শিদকুলি খাঁর মৃত্যুর পর তার জামাতা বাংলার নবাব  হন ১৭৫৪-১৭৭৫ খ্রীস্টাব্দ পর্যন্ত। নবাব থাকাকালীন তিনি বক্সারের যুদ্ধ এবং পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন। *২) কোন সালে রেগুলেটিং আইন জারি করা হয়েছিল? উত্তর - ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দুর্নীতি দূরীকরণ, গঠন বিন্যাস ও নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্রিটিশ সরকার ১৭৭৩ খ্রিস্টাব্দে রেগুলেটিং আইন প্রণয়ন করেন। আর সেই আইনে বলা হয় বাংলা বোম্বাই ও মাদ্রাজে ১ করে কাউন্সিল থাকবে। *৩) শ্রী রঙ্গপত্তমের সন্ধিতে স্বাক্ষরকারী কারা কারা ছিলেন ?কখন এই সন্ধিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল? উত্তর - তৃতীয় ইঙ্গ মহীশূর যুদ্ধের অবসান হয়েছিল শ্রীরঙ্গপত্তমের সন্ধির দ্বারা। আর এই সন্ধিতে ঠিক হয় টিপু সুলতান ইংরেজদের তিন কোটি টাকা এবং জামিন স্বরূপ তার দুই পুত্রকে দিতে বাধ্য হবেন। এছাড়া বিজিত অঞ্চল ইংরাজ, মারাঠা ও নিজামের মধ্যে বন্টিত হল। যে সন্ধির দুটি পক্ষ ছিল একদিকে ছিলেন টিপু সুলতান এবং অপরদিকে ছিলেন ইংরেজ। সময়কালটি ছি...

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর ।

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর  ১) শিল্প বিপ্লব কবে কোথায় প্রথম ঘটেছিল?         উত্তর - প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়েছিল ইংল্যান্ডে (গ্রেট ব্রিটেন)। এটি প্রধানত অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হয়ে প্রায় ১৭৬০ থেকে ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দ-এর মধ্যে ঘটেছিল। ২) কৃষ্ণমৃত্যু কী?            • কৃষ্ণমৃত্যু (Black Death) হলো মানব ইতিহাসের এক ভয়াবহ মহামারি।এটি ছিল মূলত প্লেগ (Plague) রোগ, যা Yersinia pestis নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে সৃষ্টি হয়েছিল।এটি প্রধানত ১৩৪৬ থেকে ১৩৫৩ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে ইউরোপ, এশিয়া (ইউরেশিয়া) এবং উত্তর আফ্রিকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল। ৩) কে বলেছিলেন মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড?        •এই বিখ্যাত উক্তিটি যিনি করেছিলেন তিনি হলেন প্রাচীন গ্রিসের একজন প্রখ্যাত দার্শনিক, যার নাম প্রোটাগোরাস (Protagoras)।তাঁর মূল বক্তব্যটি ছিল-"মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড, যা আছে তারও, আর যা নেই তারও।” ৪) পেত্রাক কেন বিখ্যাত?         •পেত্রাক (Francesco Petrarca) ছিলেন ১৪ শতকের (১৩০৪-১৩৭৪) একজন ...