Skip to main content

 আপনার ছাত্রদের পরীক্ষার প্রস্তুতির কথা মাথায় রেখে, উপরের টপিকগুলোর ওপর ভিত্তি করে একটি মডেল প্রশ্নপত্র (Model Question Paper) নিচে সাজিয়ে দিলাম। এটি আপনি সরাসরি ক্লাসে বা আপনার চ্যানেলের জন্য ব্যবহার করতে পারেন।

মাধ্যমিক ইতিহাস প্রস্তুতি: দ্বিতীয় ও তৃতীয় অধ্যায়

সময়: ৪৫ মিনিট | পূর্ণমান: ২০

১. সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো (MCQ): (1 \times 5 = 5)

১.১. 'ফরাজী' শব্দটি এসেছে আরবি 'ফরাজ' শব্দ থেকে, যার অর্থ হলো—

(ক) ধর্মযুদ্ধ (খ) বাধ্যতামূলক কর্তব্য (গ) নবজাগরণ (ঘ) স্বাধীনতা।

১.২. নীল চাষ করার জন্য চাষীদের অগ্রিম অর্থ দেওয়াকে বলা হতো—

(ক) আবওয়াব (খ) দাদন (গ) খাজন (ঘ) নজরানা।

১.৩. চুয়াড় বিদ্রোহের (১৭৯৯) অন্যতম নেত্রী ছিলেন—

(ক) মাতঙ্গিনী হাজরা (খ) রানী শিরোমণি (গ) দেবী চৌধুরানী (ঘ) প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার।

১.৪. তিতুমীরের আসল নাম কী ছিল?

(ক) দুদু মিঞা (খ) মীর নিসার আলী (গ) চেরাগ আলী (ঘ) লুৎফর রহমান।

১.৫. বাঁশের কেল্লা কোথায় নির্মিত হয়েছিল?

(ক) বারাসাত (খ) নারকেলবেড়িয়া (গ) বাদুড়িয়া (ঘ) বসিরহাট।

২. অতি সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও (একটি বাক্যে): (1 \times 3 = 3)

২.১. কে ফরাজী আন্দোলনের প্রবর্তন করেন?

২.২. নীলকরদের ব্যবহৃত চামড়ার চাবুককে কী বলা হতো?

২.৩. কোন জেলাকে কেন্দ্র করে চুয়াড় বিদ্রোহের দ্বিতীয় পর্যায় শুরু হয়েছিল?

৩. সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও (যেকোনো ৩টি): (2 \times 3 = 6)

৩.১. তিতুমীর কেন বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করেছিলেন?

৩.২. চুয়াড় বিদ্রোহের গুরুত্ব কী ছিল?

৩.৩. নীলকররা চাষীদের ওপর কীভাবে অত্যাচার করত? (দুটি পয়েন্ট)

৩.৪. ফরাজী আন্দোলন কি কেবলই ধর্মীয় আন্দোলন ছিল? আপনার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দিন।

৪. বিশ্লেষণধর্মী উত্তর দাও (যেকোনো ১টি): (6 \times 1 = 6)

৪.১. নীল বিদ্রোহের কারণ ও ফলাফল সংক্ষেপে আলোচনা করো।

৪.২. বাংলার ওহাবী আন্দোলনে তিতুমীরের ভূমিকা বিশ্লেষণ করো।

শিক্ষকদের জন্য বিশেষ টিপস:

 * ভিজ্যুয়াল এইড: আপনি যখন ক্লাসে বা ভিডিওতে তিতুমীর সম্পর্কে পড়াবেন, তখন নারকেলবেড়িয়া বা বারাসাত অঞ্চলের মানচিত্র দেখালে ছাত্ররা বিষয়টি আরও ভালো মনে রাখতে পারবে।

 * সৃজনশীলতা: ছাত্রদের বলতে পারেন নীল চাষীদের দুঃখ নিয়ে একটি ছোট নাটক বা সংলাপ লিখতে, এতে তাদের ঐতিহাসিক সচেতনতা বাড়বে।

এই প্রশ্নপত্রটি কি আপনার বর্তমান সিলেবাসের জন্য ঠিক আছে, নাকি কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ের ওপর আরও বেশি প্রশ্ন যোগ করতে হবে?


আপনার পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য এই চারটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক প্রশ্নের উত্তর নিচে পয়েন্ট আকারে দেওয়া হলো। ২ নম্বরের প্রশ্নের উপযোগী করেই এই উত্তরগুলো তৈরি করা হয়েছে:

১. ফরাজী আন্দোলন কি ধর্মীয় পুনর্জাগরণের আন্দোলন?

হ্যাঁ, ফরাজী আন্দোলন প্রাথমিকভাবে একটি ধর্মীয় পুনর্জাগরণের আন্দোলন হিসেবেই শুরু হয়েছিল।

 * উদ্দেশ্য: হাজী শরীয়তউল্লাহ ইসলাম ধর্মের কুসংস্কার দূর করে কোরআনের নির্দেশিত আদি ও অকৃত্রিম পথে (যাকে 'ফরাজ' বলা হয়) চলার আহ্বান জানান।

 * রূপান্তর: তবে পরবর্তীকালে তাঁর পুত্র দুদু মিঞার নেতৃত্বে এটি জমিদার ও নীলকর বিরোধী একটি শক্তিশালী আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক আন্দোলনে পরিণত হয়েছিল।

২. নীলকররা নীলচাষীদের ওপর কীভাবে অত্যাচার করত?

নীলকররা নীলচাষীদের ওপর অমানবিক অত্যাচার চালাত। তাদের অত্যাচারের প্রধান ধরণগুলো ছিল:

 * দাদন প্রথা: চাষীদের অনিচ্ছা সত্ত্বেও সামান্য অগ্রিম অর্থ বা 'দাদন' দিয়ে নীল চাষে বাধ্য করা হতো। একবার দাদন নিলে চাষী কোনোদিনই সেই ঋণ শোধ করতে পারত না।

 * শারীরিক নির্যাতন: নীল চাষে অস্বীকার করলে চাষীদের শ্যামচাঁদ (চামড়ার চাবুক) দিয়ে মারা হতো, তাদের ঘরবাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হতো এবং অনেক সময় তাদের কারারুদ্ধ করে রাখা হতো।

 * ফসলি জমি দখল: চাষীর উর্বর জমিতে যেখানে ধান হতো, সেখানে জোর করে নীল চাষ করানো হতো।

৩. চুয়াড় বিদ্রোহের গুরুত্ব কী ছিল?

চুয়াড় বিদ্রোহ (বিশেষ করে ১৭৯৮-৯৯ সালের দ্বিতীয় পর্যায়) বাংলার ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ:

 * উপজাতীয় প্রতিরোধ: এটি ছিল ব্রিটিশ অপশাসনের বিরুদ্ধে জঙ্গলমহলের আদিবাসী ও ভূমিপুত্রদের প্রথম সংঘবদ্ধ প্রতিবাদ।

 * জঙ্গলমহল জেলা গঠন: এই বিদ্রোহের তীব্রতা দেখে ব্রিটিশ সরকার পিছু হটতে বাধ্য হয় এবং নিরাপত্তার খাতিরে ১৮০০ সালে মেদিনীপুর ও বাঁকুড়ার কিছু অংশ নিয়ে 'জঙ্গলমহল' নামে একটি পৃথক জেলা গঠন করে।

৪. তিতুমীর স্মরণীয় কেন?

মীর নিসার আলী বা তিতুমীর ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে আছেন প্রধানত দুটি কারণে:

 * বাঁশের কেল্লা নির্মাণ: ব্রিটিশ ও অত্যাচারী জমিদারদের হাত থেকে সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে তিনি চব্বিশ পরগনার নারকেলবেড়িয়ায় এক বিখ্যাত 'বাঁশের কেল্লা' নির্মাণ করেছিলেন।

 * প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রাম: তিনি ছিলেন বাংলার প্রথম কৃষক ও ধর্ম সংস্কারক যিনি সরাসরি ব্রিটিশ শক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে শহিদ হন। তাঁর আন্দোলন ছিল সাম্রাজ্যবাদ ও সামন্তবাদ বিরোধী সংগ্রামের এক উজ্জ্বল প্রতীক।

আপনি কি আপনার ছাত্রদের জন্য এই প্রশ্নগুলোর ওপর ভিত্তি করে কোনো মডেল কোশ্চেন পেপার বা অনুশীলনী তৈরি করতে চান? আমি আপনাকে সাহায্য করতে পারি।


আপনার ছাত্রদের পরীক্ষার প্রস্তুতির কথা মাথায় রেখে, উপরের টপিকগুলোর ওপর ভিত্তি করে একটি মডেল প্রশ্নপত্র (Model Question Paper) নিচে সাজিয়ে দিলাম। এটি আপনি সরাসরি ক্লাসে বা আপনার চ্যানেলের জন্য ব্যবহার করতে পারেন।

মাধ্যমিক ইতিহাস প্রস্তুতি: দ্বিতীয় ও তৃতীয় অধ্যায়

সময়: ৪৫ মিনিট | পূর্ণমান: ২০

১. সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো (MCQ): (1 \times 5 = 5)

১.১. 'ফরাজী' শব্দটি এসেছে আরবি 'ফরাজ' শব্দ থেকে, যার অর্থ হলো—

(ক) ধর্মযুদ্ধ (খ) বাধ্যতামূলক কর্তব্য (গ) নবজাগরণ (ঘ) স্বাধীনতা।

১.২. নীল চাষ করার জন্য চাষীদের অগ্রিম অর্থ দেওয়াকে বলা হতো—

(ক) আবওয়াব (খ) দাদন (গ) খাজন (ঘ) নজরানা।

১.৩. চুয়াড় বিদ্রোহের (১৭৯৯) অন্যতম নেত্রী ছিলেন—

(ক) মাতঙ্গিনী হাজরা (খ) রানী শিরোমণি (গ) দেবী চৌধুরানী (ঘ) প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার।

১.৪. তিতুমীরের আসল নাম কী ছিল?

(ক) দুদু মিঞা (খ) মীর নিসার আলী (গ) চেরাগ আলী (ঘ) লুৎফর রহমান।

১.৫. বাঁশের কেল্লা কোথায় নির্মিত হয়েছিল?

(ক) বারাসাত (খ) নারকেলবেড়িয়া (গ) বাদুড়িয়া (ঘ) বসিরহাট।

২. অতি সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও (একটি বাক্যে): (1 \times 3 = 3)

২.১. কে ফরাজী আন্দোলনের প্রবর্তন করেন?

২.২. নীলকরদের ব্যবহৃত চামড়ার চাবুককে কী বলা হতো?

২.৩. কোন জেলাকে কেন্দ্র করে চুয়াড় বিদ্রোহের দ্বিতীয় পর্যায় শুরু হয়েছিল?

৩. সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও (যেকোনো ৩টি): (2 \times 3 = 6)

৩.১. তিতুমীর কেন বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করেছিলেন?

৩.২. চুয়াড় বিদ্রোহের গুরুত্ব কী ছিল?

৩.৩. নীলকররা চাষীদের ওপর কীভাবে অত্যাচার করত? (দুটি পয়েন্ট)

৩.৪. ফরাজী আন্দোলন কি কেবলই ধর্মীয় আন্দোলন ছিল? আপনার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দিন।

৪. বিশ্লেষণধর্মী উত্তর দাও (যেকোনো ১টি): (6 \times 1 = 6)

৪.১. নীল বিদ্রোহের কারণ ও ফলাফল সংক্ষেপে আলোচনা করো।

৪.২. বাংলার ওহাবী আন্দোলনে তিতুমীরের ভূমিকা বিশ্লেষণ করো।

শিক্ষকদের জন্য বিশেষ টিপস:

 * ভিজ্যুয়াল এইড: আপনি যখন ক্লাসে বা ভিডিওতে তিতুমীর সম্পর্কে পড়াবেন, তখন নারকেলবেড়িয়া বা বারাসাত অঞ্চলের মানচিত্র দেখালে ছাত্ররা বিষয়টি আরও ভালো মনে রাখতে পারবে।

 * সৃজনশীলতা: ছাত্রদের বলতে পারেন নীল চাষীদের দুঃখ নিয়ে একটি ছোট নাটক বা সংলাপ লিখতে, এতে তাদের ঐতিহাসিক সচেতনতা বাড়বে।

এই প্রশ্নপত্রটি কি আপনার বর্তমান সিলেবাসের জন্য ঠিক আছে, নাকি কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ের ওপর আরও বেশি প্রশ্ন যোগ করতে হবে?


আপনার পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর নিচে সহজভাবে দেওয়া হলো:

১. কোন বিদ্রোহে সুইমুন্ডা নেতৃত্ব দেন?

সুইমুন্ডা কোল বিদ্রোহের (১৮৩১-১৮৩২ খ্রিস্টাব্দ) অন্যতম প্রধান নেতা ছিলেন। ছোটনাগপুর অঞ্চলে ব্রিটিশ শাসন এবং বহিরাগত মহাজন ও জমিদারদের শোষণের বিরুদ্ধে কোল আদিবাসীরা যে লড়াই শুরু করেছিল, সুইমুন্ডা তার প্রথম সারিতে থেকে নেতৃত্ব দেন।

২. উলগুলান বলতে কী বোঝ?

'উলগুলান' শব্দটির আক্ষরিক অর্থ হলো 'ভয়ংকর বিশৃঙ্খলা' বা 'প্রবল আলোড়ন'।

 * প্রেক্ষাপট: ১৮৯৯-১৯০০ খ্রিস্টাব্দে বিরসা মুন্ডার নেতৃত্বে যে মুন্ডা বিদ্রোহ হয়েছিল, তাকেই ইতিহাসে 'উলগুলান' বলা হয়।

 * তাৎপর্য: এটি ছিল জল, জঙ্গল এবং জমির ওপর আদিবাসীদের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলন। মুন্ডারা তাদের চিরাচরিত জমিদারি ব্যবস্থা (খুঁৎকাঠি প্রথা) ফিরিয়ে আনতে এবং বিদেশি বা 'দিকু'দের বিতাড়িত করতে এই মরণপণ সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল।

৩. বারাসাত বিদ্রোহ ব্যর্থ হলো কেন?

তিতুমীরের নেতৃত্বে পরিচালিত বারাসাত বিদ্রোহ (১৮৩১) বীরত্বপূর্ণ হলেও কিছু সুনির্দিষ্ট কারণে ব্যর্থ হয়েছিল:

 * অস্ত্রশস্ত্রে অসম লড়াই: তিতুমীরের অনুগামীদের প্রধান অস্ত্র ছিল তলোয়ার, লাঠি, ঢাল এবং মাটির ঢেলা। অন্যদিকে, ব্রিটিশ বাহিনীর কাছে ছিল আধুনিক কামান ও বন্দুক। এই অসম যুদ্ধে তিতুমীরের বাহিনী টিকতে পারেনি।

 * বাঁশের কেল্লার সীমাবদ্ধতা: তিতুমীর যে বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করেছিলেন, তা সাধারণ জমিদারদের বিরুদ্ধে কার্যকর হলেও ব্রিটিশদের কামানের গোলার সামনে অত্যন্ত দুর্বল ছিল। কামানের গোলার আঘাতে কেল্লাটি সহজেই ধ্বংস হয়ে যায়।

 * সংগঠন ও প্রশিক্ষণের অভাব: বিদ্রোহীদের কোনো আধুনিক সামরিক প্রশিক্ষণ ছিল না। তিতুমীরের বাহিনী মূলত সাধারণ কৃষক ও সাধারণ মানুষের ওপর নির্ভরশীল ছিল, যা ব্রিটিশদের সুশৃঙ্খল সেনাবাহিনীর তুলনায় দুর্বল ছিল।

 * সমর্থনের অভাব: উচ্চবিত্ত হিন্দু-মুসলমান জমিদার এবং নীলকররা একজোট হয়ে ব্রিটিশদের সাহায্য করেছিল, ফলে বিদ্রোহীরা কোণঠাসা হয়ে পড়ে।

> পরবর্তী ধাপ: আপনি কি এই বিদ্রোহগুলো থেকে কোনো ম্যাপ পয়েন্ট (Map Pointing) বা গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোর (যেমন: চব্বিশ পরগনা, ছোটনাগপুর) তালিকা চাইছেন? আপনার ছাত্রদের জন্য এটি খুব কাজে আসবে।





Comments

Popular posts from this blog

একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়।

  একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়-সারদা মঙ্গল               গীতিকাব্য হলো এক ধরনের কবিতা, যার মধ্যে দিয়ে ব্যক্তির আবেগ, অনুভূতি এবং অভিজ্ঞতাগুলিকে ছন্দ ওর সংগীতের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। তবে এখানে কবিতাগুলি খুবই ছোট আকারের হয়, আর সেখানে কবির ব্যক্তিগত অনুভূতির গভীরতা ও আন্তরিকতা প্রকাশ পায়। আর এই প্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি গীতি কবিতার সংকলন হলো গীতিকাব্য। ব্যঞ্জনাময় ও সংহত ।  গীতিকাব্যের বৈশিষ্ট্য  গীতিকাব্যের কিছু প্রধান বৈশিষ্ট্য নিচে আলোচনা করা হলো: ১. ব্যক্তিগত অনুভূতি ও আবেগ প্রকাশ: এটি গীতিকাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য। এখানে কবি নিজের ব্যক্তিগত অনুভূতি, প্রেম, বিরহ, আনন্দ বা বিষাদের কথা তুলে ধরেন। ২. সংক্ষিপ্ততা: গীতিকাব্য সাধারণত দীর্ঘ হয় না। অল্প কয়েকটি স্তবকের মধ্যে কবি তাঁর ভাবনা সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করেন। ৩. সুর ও ছন্দের প্রাধান্য: গীতিকাব্য মূলত সুর করে আবৃত্তি করার জন্য রচিত হয়। তাই এতে সুর ও ছন্দের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়। ৪. আত্মগতভাব: গীতিকাব্যে বাইরের জগতের বর্ণনা না দিয়ে কবির নিজের মনের ভেতরের জগতের প্রতি মনোযোগ ...

চতুর্থ সেমিস্টার জেনারেল ইতিহাস ছোট প্রশ্ন ২০২১

 *১) সুজাউদ্দৌলা কে ছিলেন বা মুর্শিদকুলি খাঁর মৃত্যুর পর কে বাংলার নবাব হন?  উত্তর - সুজা উদ্দৌলা আয়ুধের সুবেদার নবাব ছিলেন। মুর্শিদকুলি খাঁর মৃত্যুর পর তার জামাতা বাংলার নবাব  হন ১৭৫৪-১৭৭৫ খ্রীস্টাব্দ পর্যন্ত। নবাব থাকাকালীন তিনি বক্সারের যুদ্ধ এবং পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন। *২) কোন সালে রেগুলেটিং আইন জারি করা হয়েছিল? উত্তর - ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দুর্নীতি দূরীকরণ, গঠন বিন্যাস ও নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্রিটিশ সরকার ১৭৭৩ খ্রিস্টাব্দে রেগুলেটিং আইন প্রণয়ন করেন। আর সেই আইনে বলা হয় বাংলা বোম্বাই ও মাদ্রাজে ১ করে কাউন্সিল থাকবে। *৩) শ্রী রঙ্গপত্তমের সন্ধিতে স্বাক্ষরকারী কারা কারা ছিলেন ?কখন এই সন্ধিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল? উত্তর - তৃতীয় ইঙ্গ মহীশূর যুদ্ধের অবসান হয়েছিল শ্রীরঙ্গপত্তমের সন্ধির দ্বারা। আর এই সন্ধিতে ঠিক হয় টিপু সুলতান ইংরেজদের তিন কোটি টাকা এবং জামিন স্বরূপ তার দুই পুত্রকে দিতে বাধ্য হবেন। এছাড়া বিজিত অঞ্চল ইংরাজ, মারাঠা ও নিজামের মধ্যে বন্টিত হল। যে সন্ধির দুটি পক্ষ ছিল একদিকে ছিলেন টিপু সুলতান এবং অপরদিকে ছিলেন ইংরেজ। সময়কালটি ছি...

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর ।

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর  ১) শিল্প বিপ্লব কবে কোথায় প্রথম ঘটেছিল?         উত্তর - প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়েছিল ইংল্যান্ডে (গ্রেট ব্রিটেন)। এটি প্রধানত অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হয়ে প্রায় ১৭৬০ থেকে ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দ-এর মধ্যে ঘটেছিল। ২) কৃষ্ণমৃত্যু কী?            • কৃষ্ণমৃত্যু (Black Death) হলো মানব ইতিহাসের এক ভয়াবহ মহামারি।এটি ছিল মূলত প্লেগ (Plague) রোগ, যা Yersinia pestis নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে সৃষ্টি হয়েছিল।এটি প্রধানত ১৩৪৬ থেকে ১৩৫৩ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে ইউরোপ, এশিয়া (ইউরেশিয়া) এবং উত্তর আফ্রিকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল। ৩) কে বলেছিলেন মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড?        •এই বিখ্যাত উক্তিটি যিনি করেছিলেন তিনি হলেন প্রাচীন গ্রিসের একজন প্রখ্যাত দার্শনিক, যার নাম প্রোটাগোরাস (Protagoras)।তাঁর মূল বক্তব্যটি ছিল-"মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড, যা আছে তারও, আর যা নেই তারও।” ৪) পেত্রাক কেন বিখ্যাত?         •পেত্রাক (Francesco Petrarca) ছিলেন ১৪ শতকের (১৩০৪-১৩৭৪) একজন ...