সপ্তম শ্রেণীর পাঠ্য 'কার দৌড় কদ্দুর' প্রবন্ধটি থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ছোট প্রশ্ন ও তার উত্তর নিচে আলোচনা করা হলো।
১. অ্যামিবা কীভাবে চলাচল করে?
উত্তরঃ অ্যামিবা তার দেহ থেকে বের হওয়া অস্থায়ী এক ধরণের পা বা 'ক্ষণপদ'-এর সাহায্যে চলাচল করে।
২. প্যারামেশিয়ামের চলন অঙ্গের নাম কী?
উত্তরঃ প্যারামেশিয়ামের চলন অঙ্গ হলো সিলিয়া (Cilia), যা দেখতে অসংখ্য ছোট ছোট রোঁয়ার মতো।
৩. লেখক কাকে 'গমনশীলতার সবথেকে আদিম উদাহরণ' বলেছেন?
উত্তরঃলেখক অ্যামিবার চলনকে গমনশীলতার সবথেকে আদিম বা পুরনো উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
৪. শামুক কত দ্রুত চলতে পারে?
উত্তরঃ শামুক অত্যন্ত ধীরগতিতে চলে। লেখকের মতে, শামুক এক ঘন্টায় মাত্র ০.০৫ মাইল পথ যেতে পারে।
৫. ক্যাঙ্গারুর চলন পদ্ধতি কেমন?
উত্তরঃ ক্যাঙারু মূলত তার শক্তিশালী পেছনের দুটি পায়ের সাহায্যে লাফিয়ে লাফিয়ে চলে। এক এক লাফে সে অনেকটা পথ পার হতে পারে।
৬. চিতা বাঘের গতিবেগ কত?
উত্তরঃস্থলচর প্রাণীদের মধ্যে অত্যন্ত দ্রুতগামী চিতা বাঘ ঘন্টায় প্রায় ৭০ মাইলের কাছাকাছি দৌড়াতে পারে।
৭. মানুষ কীভাবে তার গতির সীমাবদ্ধতাকে জয় করেছে?
উত্তরঃমানুষ তার বুদ্ধির জোরে নানারকম যানবাহন যেমন—গাড়ি, ট্রেন, জাহাজ ও উড়োজাহাজ আবিষ্কার করে নিজের গতির সীমাবদ্ধতাকে জয় করেছে।
৮. "চরৈবেতি" শব্দের অর্থ কী এবং প্রবন্ধের পরিপ্রেক্ষিতে এর গুরুত্ব কী?
উত্তরঃ 'চরৈবেতি' শব্দের অর্থ হলো 'এগিয়ে যাও' বা 'চলো'। লেখক এই শব্দের মাধ্যমে বুঝিয়েছেন যে, চলিষ্ণুতা বা গতিই হলো জীবনের ধর্ম; থামা মানেই পিছিয়ে পড়া।
৯. এই প্রবন্ধের মূল বার্তা কী?
উত্তরঃ প্রন্ধের মূল বার্তা হলো, জগতের প্রতিটি অণু-পরমাণু এবং জীবজগৎ প্রতিনিয়ত গতিশীল। দৈহিক গতির চেয়েও মানুষের 'মানসিক গতি' বা বুদ্ধির দৌড় অনেক বেশি শক্তিশালী।
Comments
Post a Comment