Skip to main content

প্রাথমিক ও গৌণ গোষ্ঠীর সংজ্ঞা ও পার্থক্য লেখো।

পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (WBSU) ষষ্ঠ সেমিস্টার সমাজ দর্শন (Social Philosophy) প্রাথমিক ও গৌণ গোষ্ঠীর সংজ্ঞা ও পার্থক্য লেখো।

      সমাজবিজ্ঞানী চার্লস কুলী (Charles Cooley) ১৯০৯ সালে তাঁর 'Social Organization' গ্রন্থে সর্বপ্রথম 'প্রাথমিক গোষ্ঠী'র ধারণা দেন।আসলে সমাজকে বুঝতে এই দুটি গোষ্ঠীর পার্থক্য জানা অত্যন্ত জরুরি।আর সেখানে-

     ১. প্রাথমিক গোষ্ঠীঃযে গোষ্ঠীর সদস্যদের মধ্যে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ, মুখোমুখি সম্পর্ক এবং গভীর একাত্মবোধ থাকে, তাকে প্রাথমিক গোষ্ঠী বলে। এখানে সম্পর্কগুলো স্বতঃস্ফূর্ত এবং দীর্ঘস্থায়ী। উদাহরণ-পরিবার, খেলার সাথী বা ঘনিষ্ঠ বন্ধুদল।

     ২. গৌণ গোষ্ঠীঃযে গোষ্ঠীর সদস্যদের মধ্যে সম্পর্ক মূলত আনুষ্ঠানিক, পরোক্ষ এবং বিশেষ কোনো স্বার্থ বা উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য গড়ে ওঠে, তাকে গৌণ গোষ্ঠী বলে। উদাহরণ-রাজনৈতিক দল, শ্রমিক ইউনিয়ন বা বড় কোনো কারখানার কর্মীগোষ্ঠী।

•প্রাথমিক ও গৌণ গোষ্ঠীর মধ্যেপ্রধান পার্থক্য•

 ১) সম্পর্কের প্রকৃতি অনুসারে প্রাথমিক গোষ্ঠীর সদস্যদের মধ্যে সম্পর্ক থাকে মুখোমুখি (Face-to-face) এবং অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। কিন্তু-

         •গৌণ গোষ্ঠীর সদস্যদের মধ্যে সম্পর্ক থাকে পরোক্ষ এবং যান্ত্রিক বা আনুষ্ঠানিক। 

২) স্থায়িত্বের দিক থেকে প্রাথমিক গোষ্ঠী সাধারণত দীর্ঘস্থায়ী হয় (যেমন— পরিবার)।কিন্তু-

      •গৌগ গোষ্ঠী তুলনামূলকভাবে অস্থায়ী; উদ্দেশ্য পূরণ হলেই ভেঙে যেতে পারে। 

৩) আকারগতভাবে প্রাথমিক গোষ্ঠীর আকার ক্ষুদ্র হয়, যাতে সবাই সবাইকে চেনে।কিন্তু -

      • গৌণ গোষ্ঠীর  আকার অত্যন্ত বিশাল ও ব্যাপক হতে পারে। 

৪) উদ্দেশ্যগত ভাবে প্রাথমিক গোষ্ঠী কোনো বিশেষ স্বার্থ নয়, কেবল মানসিক আনন্দ ও সাহচর্যের জন্য এটি গড়ে ওঠে।কিন্তু -

        •গৌণগোষ্ঠী বিশেষ কোনো স্বার্থ বা লক্ষ্য অর্জনের জন্য মানুষ এই গোষ্ঠীর সদস্য হয়। 

৫) নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি হিসেব প্রাথমিক গোষ্ঠীর সদস্যদের আচার-আচরণ লোকাচার, নীতি ও অলিখিত নিয়মে নিয়ন্ত্রিত হয়।কিন্তু -

     • গৌণ গোষ্ঠীর মধ্যে নিয়ন্ত্রণ মূলত আইন, প্রশাসনিক নিয়ম ও লিখিত বিধির মাধ্যমে ঘটে।

| ৬. একাত্মবোধ (We-feeling) | সদস্যদের মধ্যে তীব্র 'আমরা-বোধ' বা ভ্রাতৃত্ববোধ কাজ করে। | এখানে সদস্যদের মধ্যে ব্যক্তিগত একাত্মবোধের অভাব থাকে। |

| ৭. অন্তর্ভুক্তি | মানুষ সাধারণত জন্মগতভাবে বা স্বেচ্ছায় এর অংশ হয়। | এটি মূলত চুক্তিভিত্তিক বা পেশাগত কারণে গড়ে ওঠে। |

| ৮. যোগাযোগের মাধ্যম | মৌখিক ও সরাসরি আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে যোগাযোগ হয়। | চিঠি, ইমেল বা বার্তার মাধ্যমে পরোক্ষ যোগাযোগ বেশি হয়। |

| ৯. দায়িত্ব ও কর্তব্য | দায়িত্বগুলো সীমাহীন এবং ব্যক্তিগত আবেগের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। | এখানে দায়িত্ব সুনির্দিষ্ট এবং চুক্তির দ্বারা সীমাবদ্ধ থাকে। |

| ১০. ব্যক্তিগত গুরুত্ব | একজন সদস্যের উপস্থিতি এখানে অপরিহার্য। একজনের মৃত্যু বা চলে যাওয়া গোষ্ঠীটিকে নাড়িয়ে দেয়। | সদস্যের ব্যক্তিগত গুরুত্ব কম; একজনের পরিবর্তে অন্যজন সহজেই স্থলাভিষিক্ত হতে পারে। |

উপসংহার:

পরিশেষে বলা যায়, প্রাথমিক গোষ্ঠী মানুষের ব্যক্তিত্ব গঠনে এবং মানসিক বিকাশে সাহায্য করে, অন্যদিকে গৌণ গোষ্ঠী মানুষের সামাজিক ও পেশাগত জীবনকে সুশৃঙ্খল করে। আধুনিক জটিল সমাজে মানুষের অস্তিত্বের জন্য উভয় গোষ্ঠীর গুরুত্বই অপরিসীম।

পরীক্ষার বিশেষ টিপস:

 * উত্তরটি লেখার সময় সমাজবিজ্ঞানী চার্লস কুলী-র নাম উল্লেখ করলে উত্তরের মান বাড়বে।

 * ১০ নম্বরের জন্য এই ১০টি পয়েন্ট ছক আকারে লিখে নিচে ১-২ লাইন করে বর্ণনা করলে পরীক্ষক খুশি হবেন।

আমি কি আপনার জন্য 'পরিবারের কার্যাবলি' বা 'রাষ্ট্রের উৎপত্তি' সংক্রান্ত কোনো নোট তৈরি করে দেব? অথবা আপনার ইউটিউব চ্যানেলের জন্য এই নোটটির একটি PDF ডিজাইন করে দেব?

প্রাথমিক ও গৌণ গোষ্ঠীর মধ্যে পার্থক্য (বিস্তারিত আলোচনা)

সমাজবিজ্ঞানী চার্লস কুলী তাঁর 'Social Organization' গ্রন্থে এই দুই ধরণের গোষ্ঠীর ধারণা দেন। প্রাথমিক গোষ্ঠী হলো মানুষের জীবনের প্রথম পাঠশালা, আর গৌণ গোষ্ঠী হলো বৃহত্তর সামাজিক প্রয়োজনের ফল।

১০টি মূল পার্থক্যের বিস্তারিত বিবরণ:

১. সম্পর্কের ধরণ (Nature of Relationship):

প্রাথমিক গোষ্ঠীর সম্পর্ক হয় অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এবং মুখোমুখি (Face-to-face)। যেমন— পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ভালোবাসা ও স্নেহের সম্পর্ক। অন্যদিকে, গৌণ গোষ্ঠীর সম্পর্ক হয় যান্ত্রিক, আনুষ্ঠানিক এবং পরোক্ষ। যেমন— একটি অফিসের সহকর্মীদের সম্পর্ক।

২. গোষ্ঠীর আকার (Size of the Group):

প্রাথমিক গোষ্ঠীর সদস্য সংখ্যা খুবই কম হয়। ছোট আকার হওয়ার কারণে সবাই সবাইকে ব্যক্তিগতভাবে চেনে। কিন্তু গৌণ গোষ্ঠীর আকার বিশাল হতে পারে, যেমন কোনো রাজনৈতিক দল বা আন্তর্জাতিক সংস্থা। এখানে সবাই সবাইকে ব্যক্তিগতভাবে চেনে না।

৩. স্থায়িত্ব (Stability):

প্রাথমিক গোষ্ঠী সাধারণত স্থায়ী প্রকৃতির হয়। জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত মানুষ পরিবারের সদস্য থাকে। কিন্তু গৌণ গোষ্ঠী অস্থায়ী; কোনো নির্দিষ্ট কাজ বা উদ্দেশ্য শেষ হয়ে গেলে এই গোষ্ঠী ভেঙে যেতে পারে।

৪. উদ্দেশ্য (Purpose):

প্রাথমিক গোষ্ঠীর কোনো নির্দিষ্ট বৈষয়িক উদ্দেশ্য থাকে না, এটি মানসিক প্রশান্তি ও সহমর্মিতার জন্য টিকে থাকে। কিন্তু গৌণ গোষ্ঠী সবসময় কোনো না কোনো বিশেষ স্বার্থ বা উদ্দেশ্য (যেমন— বেতন বৃদ্ধি বা রাজনৈতিক ক্ষমতা) লাভের জন্য তৈরি হয়।

৫. নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি (Social Control):

প্রাথমিক গোষ্ঠীতে সদস্যদের আচরণ অনিয়মিত বা অলিখিত প্রথা, লোকাচার এবং লোকনীতির দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। কিন্তু গৌণ গোষ্ঠীতে নিয়ন্ত্রণ থাকে কঠোর আইন, সংবিধান এবং প্রশাসনিক বিধিনিষেধের মাধ্যমে।

৬. যোগাযোগের মাধ্যম (Communication):

প্রাথমিক গোষ্ঠীর সদস্যরা সরাসরি কথা বলে বা ভাব বিনিময় করে। কিন্তু গৌণ গোষ্ঠীতে যোগাযোগ হয় মূলত চিঠি, ইমেইল, নোটিশ বা দূরালাপনীর মাধ্যমে।

৭. একাত্মবোধ (We-feeling):

প্রাথমিক গোষ্ঠীর সদস্যদের মধ্যে তীব্র 'আমরা-বোধ' বা ভ্রাতৃত্ববোধ কাজ করে। একজনের বিপদে অন্যজন এগিয়ে আসে। কিন্তু গৌণ গোষ্ঠীর সদস্যরা মূলত নিজ নিজ দায়িত্ব পালনে ব্যস্ত থাকে, সেখানে গভীর মানসিক টান কম থাকে।

৮. সদস্যপদ (Membership):

প্রাথমিক গোষ্ঠীর সদস্য হওয়া সবসময় ঐচ্ছিক নয় (যেমন— পরিবারে জন্ম নেওয়া)। কিন্তু গৌণ গোষ্ঠীর সদস্যপদ সাধারণত ঐচ্ছিক; মানুষ নিজের প্রয়োজনে বা চুক্তির ভিত্তিতে এখানে যোগ দেয়।

৯. ব্যক্তিগত বনাম নৈর্ব্যক্তিক (Personal vs Impersonal):

প্রাথমিক গোষ্ঠীতে প্রতিটি সদস্যের স্বতন্ত্র গুরুত্ব আছে। একজনের মৃত্যু বা অনুপস্থিতি গোষ্ঠীতে বড় শূন্যতা তৈরি করে। গৌণ গোষ্ঠীতে সদস্যপদ নৈর্ব্যক্তিক; একজন চলে গেলে তার জায়গায় অন্য কাউকে সহজেই নিয়োগ দেওয়া যায়।

১০. সামাজিকীকরণ (Socialization):

মানুষের চরিত্র ও ব্যক্তিত্ব গঠনে প্রাথমিক গোষ্ঠী প্রধান ভূমিকা পালন করে। গৌণ গোষ্ঠী মানুষের পেশাগত দক্ষতা ও সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

উপসংহার

পরিশেষে বলা যায় যে, প্রাথমিক গোষ্ঠী মানুষের আবেগীয় চাহিদাকে পূর্ণ করে এবং গৌণ গোষ্ঠী আধুনিক জটিল সমাজে মানুষের বৈষয়িক ও পেশাগত জীবনের ভারসাম্য বজায় রাখে। সমাজ দর্শনে এই দুই গোষ্ঠীর অবস্থান একে অপরের পরিপূরক।

আপনার ইউটিউব চ্যানেলের জন্য বোনাস টিপস:

আপনি যখন ভিডিওটি বানাবেন, তখন একটি স্লাইড বা চার্ট ব্যবহার করতে পারেন যেখানে একদিকে পরিবারের ছবি (প্রাথমিক গোষ্ঠী) এবং অন্যদিকে একটি ফ্যাক্টরি বা অফিসের ছবি (গৌণ গোষ্ঠী) থাকবে। এটি ছাত্রছাত্রীদের কাছে বিষয়টি আরও পরিষ্কার করে তুলবে।

আমি কি আপনার জন্য 'পরিবারের সমাজতাত্ত্বিক গুরুত্ব' বা 'বর্ণ ও শ্রেণীর পার্থক্য' নিয়ে কোনো নোট তৈরি করে দেব? যা আপনার চ্যানেলের দর্শকদের জন্য সহায়ক হবে।



Comments

Popular posts from this blog

একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়।

  একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়-সারদা মঙ্গল               গীতিকাব্য হলো এক ধরনের কবিতা, যার মধ্যে দিয়ে ব্যক্তির আবেগ, অনুভূতি এবং অভিজ্ঞতাগুলিকে ছন্দ ওর সংগীতের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। তবে এখানে কবিতাগুলি খুবই ছোট আকারের হয়, আর সেখানে কবির ব্যক্তিগত অনুভূতির গভীরতা ও আন্তরিকতা প্রকাশ পায়। আর এই প্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি গীতি কবিতার সংকলন হলো গীতিকাব্য। ব্যঞ্জনাময় ও সংহত ।  গীতিকাব্যের বৈশিষ্ট্য  গীতিকাব্যের কিছু প্রধান বৈশিষ্ট্য নিচে আলোচনা করা হলো: ১. ব্যক্তিগত অনুভূতি ও আবেগ প্রকাশ: এটি গীতিকাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য। এখানে কবি নিজের ব্যক্তিগত অনুভূতি, প্রেম, বিরহ, আনন্দ বা বিষাদের কথা তুলে ধরেন। ২. সংক্ষিপ্ততা: গীতিকাব্য সাধারণত দীর্ঘ হয় না। অল্প কয়েকটি স্তবকের মধ্যে কবি তাঁর ভাবনা সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করেন। ৩. সুর ও ছন্দের প্রাধান্য: গীতিকাব্য মূলত সুর করে আবৃত্তি করার জন্য রচিত হয়। তাই এতে সুর ও ছন্দের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়। ৪. আত্মগতভাব: গীতিকাব্যে বাইরের জগতের বর্ণনা না দিয়ে কবির নিজের মনের ভেতরের জগতের প্রতি মনোযোগ ...

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর ।

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর  ১) শিল্প বিপ্লব কবে কোথায় প্রথম ঘটেছিল?         উত্তর - প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়েছিল ইংল্যান্ডে (গ্রেট ব্রিটেন)। এটি প্রধানত অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হয়ে প্রায় ১৭৬০ থেকে ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দ-এর মধ্যে ঘটেছিল। ২) কৃষ্ণমৃত্যু কী?            • কৃষ্ণমৃত্যু (Black Death) হলো মানব ইতিহাসের এক ভয়াবহ মহামারি।এটি ছিল মূলত প্লেগ (Plague) রোগ, যা Yersinia pestis নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে সৃষ্টি হয়েছিল।এটি প্রধানত ১৩৪৬ থেকে ১৩৫৩ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে ইউরোপ, এশিয়া (ইউরেশিয়া) এবং উত্তর আফ্রিকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল। ৩) কে বলেছিলেন মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড?        •এই বিখ্যাত উক্তিটি যিনি করেছিলেন তিনি হলেন প্রাচীন গ্রিসের একজন প্রখ্যাত দার্শনিক, যার নাম প্রোটাগোরাস (Protagoras)।তাঁর মূল বক্তব্যটি ছিল-"মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড, যা আছে তারও, আর যা নেই তারও।” ৪) পেত্রাক কেন বিখ্যাত?         •পেত্রাক (Francesco Petrarca) ছিলেন ১৪ শতকের (১৩০৪-১৩৭৪) একজন ...

চতুর্থ সেমিস্টার জেনারেল ইতিহাস ছোট প্রশ্ন ২০২১

 *১) সুজাউদ্দৌলা কে ছিলেন বা মুর্শিদকুলি খাঁর মৃত্যুর পর কে বাংলার নবাব হন?  উত্তর - সুজা উদ্দৌলা আয়ুধের সুবেদার নবাব ছিলেন। মুর্শিদকুলি খাঁর মৃত্যুর পর তার জামাতা বাংলার নবাব  হন ১৭৫৪-১৭৭৫ খ্রীস্টাব্দ পর্যন্ত। নবাব থাকাকালীন তিনি বক্সারের যুদ্ধ এবং পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন। *২) কোন সালে রেগুলেটিং আইন জারি করা হয়েছিল? উত্তর - ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দুর্নীতি দূরীকরণ, গঠন বিন্যাস ও নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্রিটিশ সরকার ১৭৭৩ খ্রিস্টাব্দে রেগুলেটিং আইন প্রণয়ন করেন। আর সেই আইনে বলা হয় বাংলা বোম্বাই ও মাদ্রাজে ১ করে কাউন্সিল থাকবে। *৩) শ্রী রঙ্গপত্তমের সন্ধিতে স্বাক্ষরকারী কারা কারা ছিলেন ?কখন এই সন্ধিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল? উত্তর - তৃতীয় ইঙ্গ মহীশূর যুদ্ধের অবসান হয়েছিল শ্রীরঙ্গপত্তমের সন্ধির দ্বারা। আর এই সন্ধিতে ঠিক হয় টিপু সুলতান ইংরেজদের তিন কোটি টাকা এবং জামিন স্বরূপ তার দুই পুত্রকে দিতে বাধ্য হবেন। এছাড়া বিজিত অঞ্চল ইংরাজ, মারাঠা ও নিজামের মধ্যে বন্টিত হল। যে সন্ধির দুটি পক্ষ ছিল একদিকে ছিলেন টিপু সুলতান এবং অপরদিকে ছিলেন ইংরেজ। সময়কালটি ছি...