Skip to main content

Posts

তৃতীয় সেমিস্টার বাংলা মাইনর সাজেশন ২০২৫-২৬।

West Bengal State University                         Bengali Minor             Suggestion NEP 2025-26 ইউনিট -১, শিশু ও কিশোর সাহিত্য। ••• ​ উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরীঃ  শিশুসাহিত্যে উপেন্দ্রকিশোরের অবদান আলোচনা করো। •​'টুনটুনির বই' বা 'গুপী গাইন বাঘা বাইন'-এর বিশেষত্ব আলোচনা করো। •• বাংলা শিশু ও কিশোর সাহিত্য রচনায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অবদান আলোচনা করো। ••​ দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদারঃ  বাংলার লোককথা বা রূপকথা সংগ্রহে তাঁর অবদান (বিশেষত 'ঠাকুরমার ঝুলি')। •••​ লীলা মজুমদারঃ  কিশোর সাহিত্যে তাঁর নিজস্ব ঘরানা (যেমন 'পদি পিসির বর্মি বাক্স' বা 'হলদে পাখির পালক')। •••​ সত্যজিৎ রায়ঃ  কিশোর গোয়েন্দা সাহিত্যে 'ফেলুদা' অথবা কল্পবিজ্ঞানের জনপ্রিয়তায় 'প্রফেসর শঙ্কু'র অবদান। •বাংলা শিশু ও কিশোর সাহিত্যের বিকাশে সাময়িক পত্র পত্রিকার ভূমিকা আলোচনা করো।     • উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী টুনটুনির বই                       ইউনিট ২ ...

উনিশ শতকের বণিকদের বিচিত্র কর্মকাণ্ড ও কারিগরি ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ আলোচনা করো

উনিশ শতকের বণিকদের বিচিত্র কর্মকাণ্ড ও কারিগরি ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ আলোচনা করো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর)         আমরা জানি যে,উনিশ শতকের ভারতের অর্থনৈতিক ইতিহাসে বণিক সম্প্রদায়ের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।এই সময়ে একদিকে যেমন প্রথাগত অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য বজায় ছিল, আবার অন্যদিকে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির হাত ধরে বিশ্ববাজারের সঙ্গে ভারতের সংযোগ নিবিড় হয়েছিল।আর সেই নিবিড় সম্পর্ক দেখি-          উনিশ শতকের বণিকদের বিচিত্র কর্মকাণ্ড। সেই   কর্মকাণ্ডে আমরা এই সময়কার বণিকদের কর্মকাণ্ডকে মূলত কয়েকটি ভাগে ভাগ করতে পারি -         • পণ্য সরবরাহ ও রপ্তানিঃ  বণিকরা মূলত গ্রামগঞ্জ থেকে কাঁচামাল (যেমন: নীল, তুলা, রেশম, আফিম ও চিনি) সংগ্রহ করে বন্দরে নিয়ে আসতেন। দ্বারকানাথ ঠাকুর বা মতিলাল শীলের মতো বাঙালি বণিকরা ইউরোপীয়দের সাথে অংশীদারিত্বে বড় ব্যবসা পরিচালনা করতেন।         মুৎসুদ্দি বা দালালি ব্যবস্থাঃ ব্রিটিশ কোম্পানি সরাসরি কৃষকদের চ চিনত না। তাই তারা দেশীয়...

আইনের অনুশাসন।

আইনের অনুশাসন বলতে কী বোঝ আলোচনা করো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় তৃতীয় সেমিস্টার রাষ্ট্রবিজ্ঞান মাইনর)       আইনের অনুশাসন বলতে বোঝায়-রাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থা কোনো ব্যক্তি বা শাসকের ইচ্ছানুযায়ী পরিচালিত না হয়ে আইনের বিধান অনুযায়ী পরিচালিত হবে। অর্থাৎ, আইনই হবে সর্বোচ্চ শক্তি; কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী আইনের ঊর্ধ্বে নয়।আর এখানে-     এ. ভি. ডাইসি প্রদত্ত তিনটি প্রধান বৈশিষ্ট্য আইনের অনুশাসনকে তিনটি মৌলিক নীতির ওপর ভিত্তি করে ব্যাখ্যা করেছেন-        ১) আইনের প্রাধান্যঃ আইনের প্রাধান্য এর অর্থ হলো, আইন সবার ওপরে। কোনো ব্যক্তিকে ততক্ষণ পর্যন্ত শাস্তি দেওয়া যাবে না বা তার শরীর বা সম্পত্তির ক্ষতি করা যাবে না, যতক্ষণ না তিনি দেশের প্রচলিত আইন ভঙ্গ করছেন। শাসক নিজের ইচ্ছামতো কাউকে সাজা দিতে পারেন না; শাস্তি পেতে হলে সাধারণ আদালতের মাধ্যমে আইন ভঙ্গের প্রমাণ হতে হবে।     ২)আইনের দৃষ্টিতে সাম্যঃ অধ্যাপক  ডাইসির মতে, দেশের সাধারণ আইন সকলের জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। পদমর্যাদা নির্বিশেষে দেশের প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে সাধারণ নাগর...

বড়ু চণ্ডীদাস রচিত 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় ও যুগান্তকারী আবিষ্কার আলোচনা করো।

বড়ু চণ্ডীদাস রচিত 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় ও যুগান্তকারী আবিষ্কার আলোচনা করো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম সেমিস্টার বাংলা মেজর সিলেবাস)।       •  শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের আবিষ্কারের ইতিহাস•         আমরা জানি যে,শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের আবিষ্কারের কাহিনী কোনো রোমাঞ্চকর গল্পের চেয়ে কম নয়। ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দে (১৩১৬ বঙ্গাব্দ) প্রখ্যাত পুথি সংগ্রাহক ও গবেষক বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপুরের নিকটবর্তী কাঁকিল্যা গ্রামে শ্রীনিবাস আচার্যের বংশধর দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে যান। সেখানে অযত্নে রক্ষিত অবস্থায় একটি গোয়ালঘরের মাচার ওপর ধামাভরা পুথির মধ্যে তিনি এই অমূল্য রত্নটি খুঁজে পান। আসলে-          পুথিটি ছিল খণ্ডিত (আদি ও অন্ত নেই), তাই এর প্রকৃত নাম জানা সম্ভব হয়নি। তবে পুথির ভেতরে একটি চিরকুটে ' শ্রীকৃষ্ণসন্দর্ভ' নামটি পাওয়া যায়। লোকমুখে প্রচলিত চণ্ডীদাসের 'কৃষ্ণকীর্তন' গীত হওয়ার ঐতিহ্যের ওপর ভিত্তি করে বসন্তরঞ্জন রায় এর নাম দেন 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন'। ...

বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের ইতিহাসে বিদ্যাসাগরের ভূমিকা আলোচনা করো।

বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের ইতিহাসে বিদ্যাসাগরের ভূমিকা আলোচনা করো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় পঞ্চম সেমিস্টার বাংলা মাইনর সিলেবাস)।          উনিশ শতকের বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের চর্চাকে সুসংবদ্ধ করার লক্ষে ১৮৯৩ সালে 'বেঙ্গল অ্যাকাডেমি অব লিটারেচার' প্রতিষ্ঠিত হয়, যা ১৮৯৪ সালে 'বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ' নামে আত্মপ্রকাশ করে । যদিও এই প্রতিষ্ঠানটি বিদ্যাসাগরের মৃত্যুর (১৮৯১) সামান্য পরে আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়েছিল, তবুও এর পরিকল্পনা, আদর্শ এবং প্রেক্ষাপট তৈরিতে বিদ্যাসাগরের ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য।আর সেখানে বিদ্যাসাগরের অবদান ও প্রভাব হলো-            বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ গঠনের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য ছিল বাংলা গদ্যের শ্রীবৃদ্ধি এবং দুষ্প্রাপ্য প্রাচীন পুঁথি সংগ্রহ। বিদ্যাসাগর তাঁর সারাজীবনের সাহিত্যকর্মের মাধ্যমে বাংলা গদ্যের যে ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন, পরিষদ সেই ধারাকেই এগিয়ে নিয়ে যায়। পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের অনেকেই ছিলেন বিদ্যাসাগরের গুণমুগ্ধ অনুরাগী।            পরিষদ গঠনের আগে বিদ্যাসাগর বাংলা ভাষায়...

মাধ্যমিক প্রথম সেমিস্টার বাংলা সিলেবাস ২০২৬

 পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ (WBBSE) ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষ থেকে নবম ও দশম শ্রেণিতে সেমিস্টার পদ্ধতি চালু করেছে। আপনার জিজ্ঞাসিত দশম শ্রেণীর (Madhyamik) প্রথম সেমিস্টার (First Semester) এর সম্ভাব্য সিলেবাস নিচে দেওয়া হলো: দশম শ্রেণী: প্রথম সেমিস্টার (বাংলা প্রথম ভাষা) সাধারণত প্রথম সেমিস্টারে পাঠ্যবইয়ের প্রথম দিকের অংশগুলি অন্তর্ভুক্ত থাকে। পর্ষদের নির্দেশিকা অনুযায়ী বিভাজনটি নিম্নরূপ হতে পারে: ১. সাহিত্য সঞ্চয়ন (মূল পাঠ্যবই):  * গল্প: * জ্ঞানচক্ষু (আশাপূর্ণা দেবী)    * বহুরূপী (সুবোধ ঘোষ)  * কবিতা:    * আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি (শঙ্খ ঘোষ)    * আফ্রিকা (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)    * অসুখী একজন (পাবলো নেরুদা)  * প্রবন্ধ:    * হারিয়ে যাওয়া কালি কলম (শ্রীপান্থ) ২. কোনি (সহায়ক পাঠ):  * উপন্যাসের প্রথম অংশ (সাধারণত ১ থেকে ৩০-৪০ পাতা পর্যন্ত বা প্রথম কয়েকটি পরিচ্ছেদ)। ৩. ব্যাকরণ:  * কারক ও অকারক সম্পর্ক।  * বিভক্তি ও অনুসর্গ। ৪. নির্মিতি (Writing Skill):  * কাল্পনিক সংলাপ রচনা।  * অথবা, প্রতিবেদন রচনা। পরীক্ষা...

তৃতীয় সেমিস্টার দর্শন সাজেশন ২০২৫-২৬।

  West Bengal State University   Philosophy Minor Suggestion                    2025-26    বচন বলতে কী বোঝায়?পরিমাণ অনুসারে নিরপেক্ষ বচন কত প্রকার ও কি কি?  বচনের গুণ কাকে বলে? খুব কম রাজনীতিবিদ হন সৎ  (যুক্তিবিজ্ঞানসম্মত বচনে রূপান্তরিত করো)  কেবলমাত্র শিশুরা দরখাস্তকারী (বচনটির কোন পদ ব্যাপ্য?) I বচন তার উদ্দেশ্য ও বিধেয় কোন পদকেই ব্যাপ্য করে না।(সত্য না মিথ্যা উল্লেখ করো)।  সৎ লোক সাধারণত সুখী হয় (বচনটির বিরোধী বচন গুলি প্রদর্শন করো)। বস্তুগত বিবর্তন কাকে বলে?  বিপরীত পদ ও বিরুদ্ধে পদের মধ্যে পার্থক্য কি? আবর্তনীয়ের উদ্দেশ্য পদ আবর্তিতের বচনে কি হবে? ন্যায় অনুমানের মূর্তি বলতে কি বুঝায়?  আবর্তনের বৈধতা সংক্রান্ত নিয়মটি কি? একটি প্রাকল্পিক বাক্য কখন মিথ্যা হয়? একটি স্বতঃসত্য বচনকে নিষেধ করলে কি বচন পাওয়া যাবে? মিলের অন্বয়ী ব্যতিরেকী পদ্ধতির সংজ্ঞা দাও। সাদা বাঘ আছে (বচনটি যুক্তি বিজ্ঞানসম্মত রূপ দাও)। কোন মানুষ পূর্ণ নয় (আবর্তনের বিবর্তন কর)। সত্যসারণির দ্বারা যৌগিক যোজক প্রা...