"এমন দিন কি হবে তারা।তবে তারা তারা তারা বলে তারা বেয়ে পড়বে ধারা।।"- পদকর্তা কে ?কোন পর্যায়ে পদ? পদটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, দ্বিতীয় সেমিস্টার, বাংলা মেজর)।
উত্তরঃ সংবাদ প্রভাকর পত্রিকায় কবি সাংবাদিক ঈশ্বর গুপ্ত যাঁকে চিহ্নিত করেছেন 'সকল রসের রসিক, প্রেমিক, ভাবুক, ভক্ত এবং জ্ঞানীরূপে, সেই সাধক-কবি রামপ্রসাদ সেন হলেন আলোচ্য পদের রচয়িতা।
শাক্তপদ সাহিত্যে আগমনী,বিজয়া ও ভক্তের আকুতি- এই তিনটি স্বতন্ত্র পর্যায় রয়েছে। আর আলোচ্য পথটি 'ভক্তের আকুতি' পর্যায়ের অন্তর্ভুক্ত। আসলে
জ্যোতির্ময়ী তারা রামপ্রসাদের কাছে একমাত্র পূর্ণব্রহ্ম। তিমির বিনাশিনী তারা মায়ের অবস্থান 'সর্বঘটে'। তাঁর পদে আছে গয়া-গঙ্গা-কাশী। তাই তারা মায়ের নামোচ্চারণে মনের অন্ধকার দূর হয়ে যায়। শুধু তাই নয়, সমস্ত ভেদাভেদ, চিন্তার জট, কামনা-বাসনার লতাপাতা থেকে মুক্ত হয় মন। তাই কবি রামপ্রসাদ সেন বলেন-
তারা নামের স্মরণে দুটি চোখ যখন অশ্রু প্লাবিত হয়, তখন মনের অন্ধকার দূর হয়ে যায়। আর সেই সাথে মায়ের নাম স্মরণ করতে করতে হৃদয়ের শতদল পদ্ধতি বিকশিত হয়। ঠিক তখনই মা সমস্ত ভেদ-বুদ্ধি থেকে মনকে মুক্ত রাখেন। আসলে, মা হলেন যথার্থই তিমির বিনাশী। আর সেই কারণেই-
নামের মহিমা কত গভীর হতে পারে আলোচ্য এই পদটি তারই প্রমাণ। তাই বৈষ্ণবরা যেমন কৃষ্ণ নাম উচ্চারণ করেন, শাক্ত সাধকরা তেমন তারা মায়ের নাম উচ্চারণ করেন। আসলে এখানে নাম-ভক্তিবাদের বিষয়টি প্রকাশিত হয়েছে।
ঠিক এরূপ অসংখ্য বিষয়ভিত্তিক আলোচনা ব্যাখ্যা সাজেশন ভিডিও পেতে ভিজিট করুন আমাদের ফেসবুক পেজ এবং আমাদের SHESHER KOBITA SUNDARBAN Youtube channel 🙏
Comments
Post a Comment