প্রফেসর শঙ্কু কীভাবে শঙ্কু ও আদিম মানুষের গল্পে আদিম মানুষের রহস্যের সমাধান কিভাবে করেছিলেন তা আলোচনা করো।
প্রফেসর শঙ্কু কীভাবে শঙ্কু ও আদিম মানুষের গল্পে আদিম মানুষের রহস্যের সমাধান কিভাবে করেছিলেন তা আলোচনা করো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, চতুর্থ সেমিস্টার, বাংলা মাইনর)
আমরা জানি যে,'প্রফেসর শঙ্কু ও আদিম মানুষ' গল্পে, প্রফেসর শঙ্কু এভিটিউটন (Evituton) নামক একটি ওষুধ আবিষ্কার করে আদিম মানুষের রহস্যের সমাধান করেন। এই ওষুধ মানুষের বিবর্তন প্রক্রিয়াকে দ্রুততর করতে পারে। গল্পে এক নৃতত্ত্ববিদ, ড. ক্লাইন, অ্যামাজনের গভীর জঙ্গলে একটি আদিম উপজাতি খুঁজে পান যাদেরকে তিনি 'হোমো অ্যাফারেনসিস' বলে মনে করেন। যা প্রায় ৩০ লক্ষ বছর আগের মানুষের মতো। ক্লাইন তাদের মধ্যে থেকে একজনকে ধরে তার গবেষণাগারে খাঁচায় বন্দী করে রাখেন। আদিম মানুষটি হিংস্র, কোনো ভাষা জানে না এবং কাঁচা মাংস খায়। যেখানে -
শঙ্কু যখন এই আদিম মানুষটির অবস্থা জানতে পারেন, তখন তিনি তার এভিটিউটন ওষুধটি ব্যবহার করে তার রহস্যের সমাধান করেন। শঙ্কু বুঝতে পারেন যে এই আদিম মানুষের বিবর্তন ঘটিয়ে তাকে আধুনিক মানুষের পর্যায়ে আনা সম্ভব।আর সেখানে রহস্যের সমাধানে আমরা দেখি যে -
•এভিটিউটন প্রয়োগঃ প্রফেসর শঙ্কু সেই আদিম মানুষটির উপর তার আবিষ্কৃত এভিটিউটন ওষুধটি প্রয়োগ করেন।আর সেই ওষুধ প্রয়োগের ফলে-
• বিবর্তনের প্রক্রিয়াঃ ওষুধ প্রয়োগের পর, আদিম মানুষটির মধ্যে দ্রুত বিবর্তন শুরু হয়। তার আচরণ এবং শারীরিক গঠনে পরিবর্তন আসে। সে ধীরে ধীরে মানুষের মতো কথা বলতে শুরু করে এবং তার জ্ঞান বৃদ্ধি পায়।
•পরিচয় উন্মোচনঃবিবর্তনের এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আদিম মানুষটি ধীরে ধীরে তার আসল পরিচয় প্রকাশ করে। জানা যায় যে সে কোনো আদিম মানুষ নয়, বরং সে একজন আধুনিক মানুষ, যার মস্তিষ্কের একটি অংশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল এবং তাকে এই আদিম অবস্থায় ফিরিয়ে এনেছিল। অতঃপর-
•পূর্বাবস্থায় প্রত্যাবর্তনঃশঙ্কুর এভিটিউটন ওষুধটি তার মস্তিষ্কের ক্ষতিগ্রস্ত অংশটিকে আবার ঠিক করে দেয়, এবং সে তার পূর্বাবস্থায় ফিরে আসে। তাই আমরা -
পরিশেষে আমরা বলতে পারি যে, প্রফেসর শঙ্কু তার বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার এভিটিউটন ব্যবহার করে আপাতদৃষ্টিতে আদিম বলে মনে হওয়া মানুষটির রহস্যের সমাধান করেন এবং তাকে তার স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে দিতে সক্ষম হন।
Comments
Post a Comment