বৈদিক যুগে নারীশিক্ষা আলোচনা করো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় পঞ্চম সেমিস্টার,এডুকেশন, মাইনর)।
আলোচনার শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে, বৈদিক যুগে সমাজের নারীর স্থান ছিল অতি উচ্ছে। শিশুকে শিক্ষায় নারী পুরুষের ভেদ ছিল না সে যুগে শিক্ষায় নারী পুরুষের ভেদ ছিল না। তবে নারীর বেদে অধিকার ছিল এবং তারা যজ্ঞে তৎকালীন সময়ে অংশগ্রহণ করতেন। শুধু তাই নয়-
গুরুগৃহে বাসকালে নারীরা ব্রহ্মচর্য পালন করতেন। যেখানে নারীরা গুরুগৃহে থেকে বেদ,বেদাঙ্গ,উপনিষদ প্রভৃতি গ্রন্থ পড়তেন। তবে অথর্ববেদে বলা হয়েছে যে, ছাত্রীর জীবন অর্থাৎ পড়াশোনা শেষ না হলে কুমারীদের বিবাহে কোনমতেই অধিকার দেওয়া হতো না। তবে-
বৈদিক যুগে মহিলারা শিক্ষা গ্রহণের সঙ্গে মন্ত্রদ্রষ্টাও ছিলেন। এছাড়াও বিশ্ববারা,ঘোষা, লোপামুদ্রা,অপালা, ইন্দ্রাণী প্রমুখ বিদূষীরা ঋগ্বেদের মন্ত্রদ্রষ্টা ছিলেন বলে এদের ঋত্বিক বলা হয়েছে। কিন্তু-
বৈদিক যুগে নারীদের শুধু উপনয়ন ও সাবিত্রী মন্ত্রেই অধিকার ছিল না।তারা বেদ অধ্যায়ন ও অধ্যাপনা করতেন। বৈদিক যুগে নারীরা পুস্তক রচনাও করেছেন। কার্শকৃৎষ্ণী মীমাংসা শাস্ত্রের উপর একখানি গ্রন্থ লেখেন। আর এই সকল তথ্য থেকে জানা যায় যে, ব্রাহ্মণী আপিশলি ব্যাকরণের উপর বই লিখেছেন।
•ঠিক এরূপ অসংখ্য বিষয়ভিত্তিক আলোচনা ব্যাখ্যা সাজেশন Tutorial Class ভিডিও পেতে ভিজিট করুন আমাদের SHESHER KOBITA SUNDARBAN Youtube channel 🙏
Comments
Post a Comment