Skip to main content

স্বামীজিকে যেরূপ দেখিয়াছি'ভগিনী নিবেদিতা।

পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (WBSU) পঞ্চম সেমিস্টার বাংলা মেজরের সিলেবাসে 'স্বামীজীকে যেরূপ দেখিয়াছি' গ্রন্থ, ভগিনী নিবেদিতা।

         •৫ নম্বরের ব্যাখ্যামূলক প্রশ্ন (মান - ৫)•

১. "ভারতের ধূলিকণা পর্যন্ত তাঁহার নিকট পবিত্র ছিল"— নিবেদিতার এই উক্তির আলোকে স্বামীজীর দেশপ্রেমের পরিচয় দাও।

২. স্বামীজীর কাছে 'শিবত্ব' বা আধ্যাত্মিকতার আদর্শ কীরূপ ছিল? নিবেদিতা তা কীভাবে বর্ণনা করেছেন?

৩. ক্ষীরভবানী মন্দিরে স্বামীজীর যে আধ্যাত্মিক উপলব্ধি হয়েছিল, তার সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।

৪. স্বামীজী কীভাবে নিবেদিতাকে ভারতের নারী শিক্ষার আদর্শে অনুপ্রাণিত করেছিলেন?

৫. নিবেদিতার ভারত সেবা ব্রত গ্রহণে স্বামীজীর নির্দেশের ভূমিকা আলোচনা করো।

৬. অমরনাথ যাত্রার পথে স্বামীজীর মানসিক ও শারীরিক অবস্থার যে বর্ণনা নিবেদিতা দিয়েছেন তা সংক্ষেপে লেখো।

৭. নিবেদিতার ব্রহ্মচর্য ও দীক্ষা গ্রহণের মুহূর্তটির বর্ণনা দাও।

 •১০ বা ১৫ নম্বরের দীর্ঘ উত্তরধর্মী প্রশ্ন (মান - ১০/১৫)•

১. চরিত্র বিশ্লেষণ: নিবেদিতার বর্ণনায় স্বামী বিবেকানন্দের ব্যক্তিত্বের যে 'কঠোরতা ও কোমলতা'র সংমিশ্রণ দেখা যায়, তা পাঠ্যবস্থু অবলম্বনে আলোচনা করো।

২. দেশপ্রেম: 'স্বামীজীকে যেরূপ দেখিয়াছি' গ্রন্থে স্বামীজীর ভারত-চেতনার যে পরিচয় পাওয়া যায়, তা বিস্তারিতভাবে লেখো।

৩. ভ্রমণ অভিজ্ঞতা: আলমোড়া ও কাশ্মীর ভ্রমণকালে স্বামীজীর সান্নিধ্যে নিবেদিতার যে বিচিত্র অভিজ্ঞতা হয়েছিল, তার একটি রূপরেখা প্রস্তুত করো।

৪. শিক্ষাদর্শ: স্বামীজীর শিক্ষাদর্শ এবং বিশেষত ভারতের নারী সমাজ সম্পর্কে তাঁর ভাবনা নিবেদিতার লেখনীতে কীভাবে ফুটে উঠেছে?

৫. গ্রন্থের গুরুত্ব: স্বামী বিবেকানন্দকে চেনার ও বোঝার ক্ষেত্রে নিবেদিতার এই স্মৃতিচারণমূলক গ্রন্থটি কেন শ্রেষ্ঠ আকর গ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত হয়? যুক্তি দিয়ে আলোচনা করো।

৬. অদ্বৈত বেদান্ত: স্বামীজীর ধর্মদর্শন ও অদ্বৈত বেদান্তের যে ব্যাখ্যা নিবেদিতা এই গ্রন্থে দিয়েছেন, তা আলোচনা করো।

       •২ নম্বরের অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন (মান - ২)•

১. 'স্বামীজীকে যেরূপ দেখিয়াছি' গ্রন্থটি ইংরেজিতে কী নামে পরিচিত? এটি কত সালে প্রকাশিত হয়?

২. নিবেদিতা কবে প্রথম স্বামীজীকে দেখেছিলেন?

৩. স্বামীজী নিবেদিতাকে ভারতের কোন আদর্শে দীক্ষিত করতে চেয়েছিলেন?

৪. ক্ষীরভবানী মন্দিরে স্বামীজী কী বিশেষ দৈববাণী শুনেছিলেন?

৫. "He is all Shiva" — নিবেদিতা কেন স্বামীজীকে 'শিব' বা শিবত্বের প্রতীক বলেছেন?

৬. নিবেদিতার মতে স্বামীজীর কাছে 'ম্যান মেকিং' বা 'মানুষ গড়া'র শিক্ষার অর্থ কী ছিল?

৭. স্বামীজী নিবেদিতাকে কেন 'মাতা' (Mother) বলে সম্বোধন করেছিলেন?

পরীক্ষার্থীদের জন্য পরামর্শ:

 * পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষায় উদ্ধৃতিমূলক প্রশ্ন (Quotations) বেশি আসে। তাই বইয়ের গুরুত্বপূর্ণ উক্তিগুলো মনে রাখা জরুরি।

 * স্বামীজীর স্বদেশপ্রেম এবং তাঁর আধ্যাত্মিক সত্তা— এই দুটি দিক থেকে বড় প্রশ্ন আসার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।

 * ভ্রমণকালীন (কাশ্মীর ও উত্তর ভারত) ঘটনাগুলো ভালো করে পড়ে রাখবে কারণ এখান থেকে ৫ নম্বরের টীকা বা প্রশ্ন কমন পাওয়া যায়।


Comments

Popular posts from this blog

একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়।

  একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়-সারদা মঙ্গল               গীতিকাব্য হলো এক ধরনের কবিতা, যার মধ্যে দিয়ে ব্যক্তির আবেগ, অনুভূতি এবং অভিজ্ঞতাগুলিকে ছন্দ ওর সংগীতের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। তবে এখানে কবিতাগুলি খুবই ছোট আকারের হয়, আর সেখানে কবির ব্যক্তিগত অনুভূতির গভীরতা ও আন্তরিকতা প্রকাশ পায়। আর এই প্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি গীতি কবিতার সংকলন হলো গীতিকাব্য। ব্যঞ্জনাময় ও সংহত ।  গীতিকাব্যের বৈশিষ্ট্য  গীতিকাব্যের কিছু প্রধান বৈশিষ্ট্য নিচে আলোচনা করা হলো: ১. ব্যক্তিগত অনুভূতি ও আবেগ প্রকাশ: এটি গীতিকাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য। এখানে কবি নিজের ব্যক্তিগত অনুভূতি, প্রেম, বিরহ, আনন্দ বা বিষাদের কথা তুলে ধরেন। ২. সংক্ষিপ্ততা: গীতিকাব্য সাধারণত দীর্ঘ হয় না। অল্প কয়েকটি স্তবকের মধ্যে কবি তাঁর ভাবনা সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করেন। ৩. সুর ও ছন্দের প্রাধান্য: গীতিকাব্য মূলত সুর করে আবৃত্তি করার জন্য রচিত হয়। তাই এতে সুর ও ছন্দের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়। ৪. আত্মগতভাব: গীতিকাব্যে বাইরের জগতের বর্ণনা না দিয়ে কবির নিজের মনের ভেতরের জগতের প্রতি মনোযোগ ...

চতুর্থ সেমিস্টার জেনারেল ইতিহাস ছোট প্রশ্ন ২০২১

 *১) সুজাউদ্দৌলা কে ছিলেন বা মুর্শিদকুলি খাঁর মৃত্যুর পর কে বাংলার নবাব হন?  উত্তর - সুজা উদ্দৌলা আয়ুধের সুবেদার নবাব ছিলেন। মুর্শিদকুলি খাঁর মৃত্যুর পর তার জামাতা বাংলার নবাব  হন ১৭৫৪-১৭৭৫ খ্রীস্টাব্দ পর্যন্ত। নবাব থাকাকালীন তিনি বক্সারের যুদ্ধ এবং পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন। *২) কোন সালে রেগুলেটিং আইন জারি করা হয়েছিল? উত্তর - ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দুর্নীতি দূরীকরণ, গঠন বিন্যাস ও নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্রিটিশ সরকার ১৭৭৩ খ্রিস্টাব্দে রেগুলেটিং আইন প্রণয়ন করেন। আর সেই আইনে বলা হয় বাংলা বোম্বাই ও মাদ্রাজে ১ করে কাউন্সিল থাকবে। *৩) শ্রী রঙ্গপত্তমের সন্ধিতে স্বাক্ষরকারী কারা কারা ছিলেন ?কখন এই সন্ধিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল? উত্তর - তৃতীয় ইঙ্গ মহীশূর যুদ্ধের অবসান হয়েছিল শ্রীরঙ্গপত্তমের সন্ধির দ্বারা। আর এই সন্ধিতে ঠিক হয় টিপু সুলতান ইংরেজদের তিন কোটি টাকা এবং জামিন স্বরূপ তার দুই পুত্রকে দিতে বাধ্য হবেন। এছাড়া বিজিত অঞ্চল ইংরাজ, মারাঠা ও নিজামের মধ্যে বন্টিত হল। যে সন্ধির দুটি পক্ষ ছিল একদিকে ছিলেন টিপু সুলতান এবং অপরদিকে ছিলেন ইংরেজ। সময়কালটি ছি...

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর ।

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর  ১) শিল্প বিপ্লব কবে কোথায় প্রথম ঘটেছিল?         উত্তর - প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়েছিল ইংল্যান্ডে (গ্রেট ব্রিটেন)। এটি প্রধানত অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হয়ে প্রায় ১৭৬০ থেকে ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দ-এর মধ্যে ঘটেছিল। ২) কৃষ্ণমৃত্যু কী?            • কৃষ্ণমৃত্যু (Black Death) হলো মানব ইতিহাসের এক ভয়াবহ মহামারি।এটি ছিল মূলত প্লেগ (Plague) রোগ, যা Yersinia pestis নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে সৃষ্টি হয়েছিল।এটি প্রধানত ১৩৪৬ থেকে ১৩৫৩ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে ইউরোপ, এশিয়া (ইউরেশিয়া) এবং উত্তর আফ্রিকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল। ৩) কে বলেছিলেন মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড?        •এই বিখ্যাত উক্তিটি যিনি করেছিলেন তিনি হলেন প্রাচীন গ্রিসের একজন প্রখ্যাত দার্শনিক, যার নাম প্রোটাগোরাস (Protagoras)।তাঁর মূল বক্তব্যটি ছিল-"মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড, যা আছে তারও, আর যা নেই তারও।” ৪) পেত্রাক কেন বিখ্যাত?         •পেত্রাক (Francesco Petrarca) ছিলেন ১৪ শতকের (১৩০৪-১৩৭৪) একজন ...