Skip to main content

 পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (WBSU) অধীনে থাকা বিভিন্ন কলেজে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (UG) স্তরে সেন্ট্রালাইজড পোর্টালের মাধ্যমে ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ছাত্র-ছাত্রীরা যাতে কোনো রকম ভুলভ্রান্তি বা প্রতারণার শিকার না হয়, তার জন্য একটি প্রয়োজনীয় সতর্কতার বার্তার খসড়া (Draft Notice) নিচে প্রস্তুত করে দেওয়া হলো।

আপনি এটি আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করতে পারেন:

## 📌 ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য বিশেষ সতর্কবার্তা: স্নাতক (UG) ভর্তি ২০২৬-২৭

**পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (WBSU) অন্তর্গত সমস্ত কলেজের হবু ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে জানানো যাচ্ছে যে, ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে ৪ বছরের অনার্স/৩ বছরের পাস কোর্সে ভর্তির আবেদন করার আগে নিম্নলিখিত বিষয়গুলি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে মেনে চলতে হবে:**

### ১. সঠিক অফিশিয়াল পোর্টাল ব্যবহার করুন

 * ভর্তির জন্য কেবল এবং কেবলমাত্র পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উচ্চশিক্ষা দপ্তরের অফিশিয়াল সেন্ট্রালাইজড পোর্টাল **wbcap.in** ব্যবহার করুন।

 * কোনো কলেজের নিজস্ব ওয়েবসাইট থেকে এবার সরাসরি আবেদন করা যাবে না। কোনো ভুয়ো ওয়েবসাইট বা লিঙ্কে ক্লিক করে প্রতারিত হবেন না।

### ২. আবেদন ফি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে

 * রাজ্য সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী, এই সেন্ট্রালাইজড পোর্টালে আবেদনের জন্য **কোনো প্রকার আবেদন ফি (Application Fee) লাগবে না**।

 * যদি কোনো সাইবার ক্যাফে বা ব্যক্তি ফর্ম ফিলাপের সরকারি ফি বাবদ টাকা দাবি করে, তবে তা সম্পূর্ণ বেআইনি। (শুধুমাত্র সাইবার ক্যাফের নিজস্ব পরিশ্রমিক দিতে হতে পারে)।

### ৩. নিজস্ব মোবাইল নম্বর ও ইমেল আইডি ব্যবহার বাধ্যতামূলক

 * আবেদন করার সময় যে মোবাইল নম্বর এবং ইমেল আইডি (Email ID) দেবেন, তা যেন ছাত্র বা ছাত্রীর নিজের অথবা অভিভাবকের হয়।

 * ভর্তি প্রক্রিয়া চলাকালীন সমস্ত OTP, মেরিট লিস্টের আপডেট এবং পরবর্তীকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রেশনের সমস্ত তথ্য এই নম্বরেই আসবে। সাইবার ক্যাফের বা কোনো বাইরের ব্যক্তির মোবাইল নম্বর ভুলেও দেবেন না।

### ৪. সাবজেক্ট কম্বিনেশন ও মেধা তালিকা (Merit List)

 * পোর্টালে ২৫টি পর্যন্ত কলেজ ও কোর্সের পছন্দ (Choices) দেওয়ার সুযোগ আছে। নিজের উচ্চমাধ্যমিকের নম্বর অনুযায়ী ভেবেচিন্তে অপশন সাজান।

 * মেধা তালিকায় নাম আসার পর, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পোর্টালে লগইন করে সিট বুক করতে হবে। সময় পেরিয়ে গেলে ওই সিটের দাবি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।

### ৫. টাকা লেনদেন ও জালিয়াতি থেকে সাবধান!

 * কলেজে "ভর্তি করিয়ে দেওয়া" বা "নাম পাইয়ে দেওয়ার" নাম করে কোনো দালাল, বহিরাগত ব্যক্তি বা ছাত্র সংগঠনের সদস্যকে **এক টাকাও দেবেন না**।

 * ভর্তির সিট শুধুমাত্র মেধার ভিত্তিতে (Merit-Based) সম্পূর্ণ অনলাইন ও স্বচ্ছ পদ্ধতিতে বরাদ্দ করা হচ্ছে। টাকার বিনিময়ে ভর্তি হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

 * ভর্তির চূড়ান্ত ফি (Admission Fee) শুধুমাত্র অফিশিয়াল পোর্টালের পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমেই জমা দিতে হবে।

### ⚠️ হেল্পডেস্ক ও অভিযোগ জানানোর মাধ্যম:

ভর্তি সংক্রান্ত কোনো সমস্যা বা জালিয়াতির সম্মুখীন হলে অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট কলেজের হেল্পডেস্ক অথবা উচ্চশিক্ষা দপ্তরের টোল-ফ্রি নম্বরে যোগাযোগ করুন।

**ভর্তির শেষ তারিখ:** ১ জুন, ২০২৬। শেষ মুহূর্তের ওয়েবসাইটের ভিড় বা সার্ভার ডাউন এড়াতে যত দ্রুত সম্ভব আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করুন।

> **শিক্ষকদের জন্য পরামর্শ:** সাইবার ক্যাফে থেকে ফর্ম ফিলাপ করার সময় অনেক শিক্ষার্থীই ক্যাফে মালিকের ইমেল বা ফোন নম্বর দিয়ে দেয়, যা পরে বড় সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ছাত্র-ছাত্রীদের এই ৩ নম্বর পয়েন্টটি বিশেষভাবে বুঝিয়ে দেওয়া জরুরি।

এই খসড়াটিতে কি আরও নির্দিষ্ট কোনো তথ্য (যেমন ওবিসি/এসসি সার্টিফিকেট বা স্পোর্টস কোটা সংক্রান্ত কোনো নিয়ম) যুক্ত করার প্রয়োজন আছে?

উপরে দেওয়া খসড়াটি হুবহু নিচে সাজিয়ে দেওয়া হলো, যা আপনি সরাসরি কপি করে আপনার ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে সোশ্যাল মিডিয়া, নোটিস বোর্ড বা ইউটিউব চ্যানেলে ব্যবহার করতে পারবেন:

## 📌 স্নাতক (UG) ভর্তি ২০২৬-২৭: ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য বিশেষ সতর্কবার্তা

**পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (WBSU) অন্তর্গত সমস্ত কলেজের হবু ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে জানানো যাচ্ছে যে, ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে ৪ বছরের অনার্স বা ৩ বছরের পাস কোর্সে ভর্তির আবেদন করার আগে নিম্নলিখিত বিষয়গুলি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে মেনে চলতে হবে:**

 * **১. সঠিক অফিশিয়াল পোর্টাল ব্যবহার করুন:** ভর্তির জন্য কেবল এবং কেবলমাত্র পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উচ্চশিক্ষা দপ্তরের অফিশিয়াল সেন্ট্রালাইজড পোর্টাল **wbcap.in** ব্যবহার করুন। কোনো কলেজের নিজস্ব ওয়েবসাইট থেকে এবার সরাসরি আবেদন করা যাবে না। কোনো ভুয়ো ওয়েবসাইট বা লিঙ্কে ক্লিক করে প্রতারিত হবেন না।

 * **২. আবেদন ফি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে:** রাজ্য সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী, এই সেন্ট্রালাইজড পোর্টালে আবেদনের জন্য **কোনো প্রকার আবেদন ফি (Application Fee) লাগবে না**। যদি কোনো সাইবার ক্যাফে বা ব্যক্তি ফর্ম ফিলাপের সরকারি ফি বাবদ টাকা দাবি করে, তবে তা সম্পূর্ণ বেআইনি। (শুধুমাত্র সাইবার ক্যাফের নিজস্ব পরিশ্রমিক বা প্রিন্টিং চার্জ আলাদা হতে পারে)।

 * **৩. নিজস্ব মোবাইল নম্বর ও ইমেল আইডি ব্যবহার বাধ্যতামূলক:** আবেদন করার সময় যে মোবাইল নম্বর এবং ইমেল আইডি (Email ID) দেবেন, তা যেন ছাত্র বা ছাত্রীর নিজের অথবা অভিভাবকের হয়। ভর্তি প্রক্রিয়া চলাকালীন সমস্ত OTP, মেরিট লিস্টের আপডেট এবং পরবর্তীকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রেশনের সমস্ত তথ্য এই নম্বরেই আসবে। সাইবার ক্যাফের বা কোনো বাইরের ব্যক্তির মোবাইল নম্বর ভুলেও দেবেন না।

 * **৪. সাবজেক্ট কম্বিনেশন ও মেধা তালিকা (Merit List):** পোর্টালে ২৫টি পর্যন্ত কলেজ ও কোর্সের পছন্দ (Choices) দেওয়ার সুযোগ আছে। নিজের উচ্চমাধ্যমিকের নম্বর অনুযায়ী ভেবেচিন্তে অপশন সাজান। মেধা তালিকায় নাম আসার পর, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পোর্টালে লগইন করে সিট বুক করতে হবে। সময় পেরিয়ে গেলে ওই সিটের দাবি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।

 * **৫. টাকা লেনদেন ও জালিয়াতি থেকে সাবধান!:** কলেজে "ভর্তি করিয়ে দেওয়া" বা "নাম পাইয়ে দেওয়ার" নাম করে কোনো দালাল, বহিরাগত ব্যক্তি বা অন্য কাউকে **এক টাকাও দেবেন না**। ভর্তির সিট শুধুমাত্র মেধার ভিত্তিতে (Merit-Based) সম্পূর্ণ অনলাইন ও স্বচ্ছ পদ্ধতিতে বরাদ্দ করা হচ্ছে। টাকার বিনিময়ে ভর্তি হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। ভর্তির চূড়ান্ত ফি (Admission Fee) শুধুমাত্র অফিশিয়াল পোর্টালের পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমেই জমা দিতে হবে।

⚠️ **হেল্পডেস্ক:** ভর্তি সংক্রান্ত কোনো সমস্যা বা জালিয়াতির সম্মুখীন হলে অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট কলেজের হেল্পডেস্ক অথবা উচ্চশিক্ষা দপ্তরের টোল-ফ্রি নম্বরে যোগাযোগ করুন।

🗓️ **ভর্তির শেষ তারিখ:** ১ জুন, ২০২৬। শেষ মুহূর্তের ওয়েবসাইটের ভিড় বা সার্ভার ডাউন এড়াতে যত দ্রুত সম্ভব আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করুন।



Comments

Popular posts from this blog

একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়।

  একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়-সারদা মঙ্গল               গীতিকাব্য হলো এক ধরনের কবিতা, যার মধ্যে দিয়ে ব্যক্তির আবেগ, অনুভূতি এবং অভিজ্ঞতাগুলিকে ছন্দ ওর সংগীতের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। তবে এখানে কবিতাগুলি খুবই ছোট আকারের হয়, আর সেখানে কবির ব্যক্তিগত অনুভূতির গভীরতা ও আন্তরিকতা প্রকাশ পায়। আর এই প্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি গীতি কবিতার সংকলন হলো গীতিকাব্য। ব্যঞ্জনাময় ও সংহত ।  গীতিকাব্যের বৈশিষ্ট্য  গীতিকাব্যের কিছু প্রধান বৈশিষ্ট্য নিচে আলোচনা করা হলো: ১. ব্যক্তিগত অনুভূতি ও আবেগ প্রকাশ: এটি গীতিকাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য। এখানে কবি নিজের ব্যক্তিগত অনুভূতি, প্রেম, বিরহ, আনন্দ বা বিষাদের কথা তুলে ধরেন। ২. সংক্ষিপ্ততা: গীতিকাব্য সাধারণত দীর্ঘ হয় না। অল্প কয়েকটি স্তবকের মধ্যে কবি তাঁর ভাবনা সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করেন। ৩. সুর ও ছন্দের প্রাধান্য: গীতিকাব্য মূলত সুর করে আবৃত্তি করার জন্য রচিত হয়। তাই এতে সুর ও ছন্দের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়। ৪. আত্মগতভাব: গীতিকাব্যে বাইরের জগতের বর্ণনা না দিয়ে কবির নিজের মনের ভেতরের জগতের প্রতি মনোযোগ ...

ষষ্ঠ সেমিস্টার বাংলা অনার্স (DSE3/4) সাজেশন ২০২৫

       West Bengal State University                                       BA Honours, 6th Semester                                         SUGGESTION 2025                                                      BNGA,DSE05T( DSE3/4)  • বাংলা কথাসাহিত্যঃ মন্বন্তর, দাঙ্গা ও দেশভাগ• একক-১(২০২১) ক) দেশভাগের ইতিহাসের বাস্তব রূপ বাংলা সাহিত্যে  কীভাবে প্রকাশ পেয়েছে কয়েকটি উপন্যাস অনুসরণে তার পরিচয় দাও। • ১৯৪৬ দাঙ্গা রাজনীতির ট্রাজেডি বাংলা ছোটগল্পের পরিসরে কিভাবে এসেছে, সংশ্লিষ্ট কয়েকটি রচনা অবলম্বনে আলোচনা করো। (২০২২) পঞ্চাশের মন্বন্তরের বাস্তব বর্ণনা করে বাংলা উপন্যাসে তার কতটা প্রতিফলন ঘটেছে, সে বিষয়ে আলোকপাত করো। •দেশভাগের ক...

ইতিহাস (3rd Semester) সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর।

 তৃতীয় সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, তৃতীয় সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর)। ১)বন্দেগান-ই-চাহালগানি বলতে কী বোঝায়? •উত্তরঃবন্দেগান-ই-চাহালগান বলতে চল্লিশ জন তুর্কি ও অ-তুর্কি দাসদের সমন্বয়ে গঠিত একটি বাহিনীকে বোঝায়। এই বাহিনীকে ডাল চালিশা বা তুরকান-ই- চাহালগানি নামে ডাকা হতো। ২)আমির খসরু কে ছিলেন? •উত্তরঃ আমির খসরু ছিলেন প্রখ্যাত সুফি সাধক বা আরেফ নিজামউদ্দিন আওলিয়ার ছাত্র এবং অন্যতম প্রধান খলিফা। যাঁকে 'ভারতের তোতা' উপাধি দেওয়া হয়েছিল। ৩) মহরানা প্রতাপ কে ছিলেন?  •উত্তরঃ মেবারের শিশোদিয়া রাজবংশের একজন হিন্দু রাজপুত রাজা ছিলেন মহারানা প্রতাপ সিং। যিনি রাজপুতদের বীরত্ব ও দৃঢ় সংকল্পের প্রতীক। বহু বছর ধরে তিনি মুঘল সম্রাট আকবরের সঙ্গে লড়াই করেন। ৪) জায়গীরদারী সংকট কী? •উত্তরঃ জায়গিরদারী সংকট ছিল মোগল সাম্রাজ্যের একটি অর্থনৈতিক সংকট। এই সংকটে জমি বা জায়গিরের অভাব দেখা দিয়েছিল। যার ফলে প্রশাসনিক খরচ মেটানো এবং যুদ্ধের খরচ বহন করা সম্ভব হতো না। ৫) দাক্ষিণাত্য ক্ষত কী? •উত্তরঃ দাক্ষিণাত্য ক্ষত বলতে ঔরঙ্গজেবের দাক্ষিণাত্য নীত...