Skip to main content

 

১)

 ক) মূল্যায়নের মূল নীতি গুলি কি কি? শিক্ষাক্ষেত্রে মূল্যায়নের গুরুত্ব সম্পর্কে লেখো। ১৯

• মূল্যায়নের নীতি গুলি উল্লেখ করো , পরিমাপ ও মূল্যায়নের মধ্যে একটি তুলনামূলক আলোচনা করো। ২১

মূল্যায়নের সংজ্ঞা দাও। মূল্যায়নের নীতিগুলি উল্লেখ কর। শিক্ষার মূল্যায়ন গুরুত্বপূর্ণ কেন?২২

• মূল্যায়নের ধারণা ব্যাখ্যা করো।মূল্যায়নের সাথে পরিমাপের তুলনা করো।২৩

• মূল্যায়ন বলতে কি বোঝয়? শিক্ষায় মূল্যায়নের গুরুত্ব সংক্ষেপে আলোচনা করো। মূল্যায়ন ও পরিমাপের পার্থক্যগুলি উল্লেখ করো। ২৫



 খ) অভীক্ষার নির্ভরযোগ্যতা বলতে কি বোঝায়? নির্ভরযোগ্যতার বৈশিষ্ট্য গুলি কি কি?১৯

• মূল্যায়নের কৌশল ও উপকরণ গুলি কি কি? সর্বাত্মক পরিচয় পত্রের উদ্দেশ্য গুলি লেখো। এই প্রকার মূল্যায়ন কৌশলের সুবিধা ও অসুবিধা গুলি উল্লেখ করো। ২১

পরিমাপনের বিভিন্ন স্কেল গুলি কি কি? প্রশ্নগুচ্ছের সুবিধা ও অসুবিধা গুলি উল্লেখ করো।২২

• মূল্যায়নের কৌশল ও উপকরণ বলতে কী বোঝো ? সর্বাত্মক পরিচয় পত্রের বৈশিষ্ট্য গুলি লেখো। সর্বাত্মক পরিচয় পত্রের সুবিধা ও অসুবিধা গুলি কি কি? ২৩

•সর্বাত্মক পরিচয় পত্র বলতে কী বোঝায়? সর্বাত্মক পরিচয় পত্রের বৈশিষ্ট্য গুলি উল্লেখ করো। সর্বাত্মক পরিচয় পত্রের সুবিধা ও অসুবিধা গুলি আলোচনা করো। ২৫

গ) কেন্দ্রীয় প্রবণতার পরিমাপ বলতে কী বোঝো ১৯ 

• শিক্ষামূলক অভিক্ষার শ্রেণীবিভাগ করো। শিক্ষামূলক ও মনোবৈজ্ঞানিক অভীক্ষার মধ্যে পার্থক্যগুলি উল্লেখ করো।একটি সু অভীক্ষার বৈশিষ্ট্য গুলি কি কি? ২১

শিক্ষায় রাশিবিজ্ঞানের গুরুত্ব কি?কেন্দ্রীয় প্রবণতার পরিমাপে বিভিন্ন প্রকার গুলি আলোচনা করো।২২

• শিক্ষামূলক অভীক্ষা বলতে কী বোঝায়? সু অভিক্ষার বৈশিষ্ট্য গুলি লেখো।শিক্ষামূলক অভীক্ষা ও মনোবৈজ্ঞানিক অভীক্ষার পার্থক্য গুলি উল্লেখ করো।২৩

 •কেন্দ্রীয় প্রবণতার বিভিন্ন পরিমাপ গুলি কি কি? গড়ের ধর্ম গুলি উল্লেখ করো।২৫


২)

• বিভিন্ন প্রকার পরিমাপক স্কেল গুলি কি কি? ১৯

• পরিমাপকের স্কেল সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত টীকা লেখো। ২১

ক) মূল্যায়ন ও পরিমাপের মধ্যে পার্থক্য গুলি কি কি?২২

• মূল্যায়নের নীতি গুলি কি কি? ২৩

• মূল্যায়নের নীতি গুলি কি কি? ২৫

খ) মূল্যায়নের কৌশল হিসেবে প্রশ্ন-গুচ্ছের গুরুত্ব উল্লেখ করো। ১৯

• প্রশ্নগুচ্ছের বৈশিষ্ট্য গুলি উল্লেখ করো।২১

• একটি সু অভীক্ষার বৈশিষ্ট্য গুলি উল্লেখ করো।২২

• পরিমাপনের স্কেল সম্পর্কে সংক্ষেপে লেখো। ২৩

• পরিমাপের স্কেল সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত টীকা লেখো। ২৫

গ) যাথার্থতার বিভিন্ন প্রকার গুলি সংক্ষেপে বিবৃত করো। ১৯

• শিক্ষা ক্ষেত্রে মূল্যায়নের গুরুত্ব সংক্ষেপে আলোচনা করো। ২১

• কেন্দ্রীয় প্রবণতার পরিমাপ গুলি কি কি এবং এদের ব্যবহার উল্লেখ করো। ২১

• সর্বাত্মক পরিচয় পত্রের যেকোনো চারটি সুবিধা লেখো।২২

• কেন্দ্রীয় প্রবণতার পরিমাপ বলতে কী বোঝো? ২৩

• মূল্যায়নের একটি উপকরণ হিসেবে সাক্ষাৎকারের বৈশিষ্ট্য গুলি আলোচনা করো। ২৫

ঘ) সু অভীক্ষার বৈশিষ্ট্য গুলি কি কি? ১৯

• সম্মুখ চ্যুতির যেকোনো পাঁচটি সুবিধা লেখো।২২

• শিক্ষায় রাশি বিজ্ঞানের গুরুত্ব সংক্ষেপে লেখো। ২৩ 

• শিক্ষামূলক অভীক্ষা ও মনোবিজ্ঞানিক অভীক্ষার পার্থক্য গুলি উল্লেখ করো। ২৫

ঙ) শিক্ষা ক্ষেত্রে রাশি বিজ্ঞানের প্রয়োজনীয়তা কি? ১৯

• বিভিন্ন ধরনের শিক্ষামূলক অভীক্ষার শ্রেণীবিভাগ উল্লেখ করো। ২২

• বিষমতার পরিমাপ বলতে কি বোঝো?এর বিভিন্ন পরিমাপ গুলি কি কি?

৩২, ৩৪, ৪০, ৩০, ৩৯, ৪২, ৪৫, ৩৮- স্কোরগুলি থেকে গড় নির্ণয় করো।


Comments

Popular posts from this blog

একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়।

  একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়-সারদা মঙ্গল               গীতিকাব্য হলো এক ধরনের কবিতা, যার মধ্যে দিয়ে ব্যক্তির আবেগ, অনুভূতি এবং অভিজ্ঞতাগুলিকে ছন্দ ওর সংগীতের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। তবে এখানে কবিতাগুলি খুবই ছোট আকারের হয়, আর সেখানে কবির ব্যক্তিগত অনুভূতির গভীরতা ও আন্তরিকতা প্রকাশ পায়। আর এই প্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি গীতি কবিতার সংকলন হলো গীতিকাব্য। ব্যঞ্জনাময় ও সংহত ।  গীতিকাব্যের বৈশিষ্ট্য  গীতিকাব্যের কিছু প্রধান বৈশিষ্ট্য নিচে আলোচনা করা হলো: ১. ব্যক্তিগত অনুভূতি ও আবেগ প্রকাশ: এটি গীতিকাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য। এখানে কবি নিজের ব্যক্তিগত অনুভূতি, প্রেম, বিরহ, আনন্দ বা বিষাদের কথা তুলে ধরেন। ২. সংক্ষিপ্ততা: গীতিকাব্য সাধারণত দীর্ঘ হয় না। অল্প কয়েকটি স্তবকের মধ্যে কবি তাঁর ভাবনা সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করেন। ৩. সুর ও ছন্দের প্রাধান্য: গীতিকাব্য মূলত সুর করে আবৃত্তি করার জন্য রচিত হয়। তাই এতে সুর ও ছন্দের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়। ৪. আত্মগতভাব: গীতিকাব্যে বাইরের জগতের বর্ণনা না দিয়ে কবির নিজের মনের ভেতরের জগতের প্রতি মনোযোগ ...

চতুর্থ সেমিস্টার জেনারেল ইতিহাস ছোট প্রশ্ন ২০২১

 *১) সুজাউদ্দৌলা কে ছিলেন বা মুর্শিদকুলি খাঁর মৃত্যুর পর কে বাংলার নবাব হন?  উত্তর - সুজা উদ্দৌলা আয়ুধের সুবেদার নবাব ছিলেন। মুর্শিদকুলি খাঁর মৃত্যুর পর তার জামাতা বাংলার নবাব  হন ১৭৫৪-১৭৭৫ খ্রীস্টাব্দ পর্যন্ত। নবাব থাকাকালীন তিনি বক্সারের যুদ্ধ এবং পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন। *২) কোন সালে রেগুলেটিং আইন জারি করা হয়েছিল? উত্তর - ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দুর্নীতি দূরীকরণ, গঠন বিন্যাস ও নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্রিটিশ সরকার ১৭৭৩ খ্রিস্টাব্দে রেগুলেটিং আইন প্রণয়ন করেন। আর সেই আইনে বলা হয় বাংলা বোম্বাই ও মাদ্রাজে ১ করে কাউন্সিল থাকবে। *৩) শ্রী রঙ্গপত্তমের সন্ধিতে স্বাক্ষরকারী কারা কারা ছিলেন ?কখন এই সন্ধিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল? উত্তর - তৃতীয় ইঙ্গ মহীশূর যুদ্ধের অবসান হয়েছিল শ্রীরঙ্গপত্তমের সন্ধির দ্বারা। আর এই সন্ধিতে ঠিক হয় টিপু সুলতান ইংরেজদের তিন কোটি টাকা এবং জামিন স্বরূপ তার দুই পুত্রকে দিতে বাধ্য হবেন। এছাড়া বিজিত অঞ্চল ইংরাজ, মারাঠা ও নিজামের মধ্যে বন্টিত হল। যে সন্ধির দুটি পক্ষ ছিল একদিকে ছিলেন টিপু সুলতান এবং অপরদিকে ছিলেন ইংরেজ। সময়কালটি ছি...

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর ।

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর  ১) শিল্প বিপ্লব কবে কোথায় প্রথম ঘটেছিল?         উত্তর - প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়েছিল ইংল্যান্ডে (গ্রেট ব্রিটেন)। এটি প্রধানত অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হয়ে প্রায় ১৭৬০ থেকে ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দ-এর মধ্যে ঘটেছিল। ২) কৃষ্ণমৃত্যু কী?            • কৃষ্ণমৃত্যু (Black Death) হলো মানব ইতিহাসের এক ভয়াবহ মহামারি।এটি ছিল মূলত প্লেগ (Plague) রোগ, যা Yersinia pestis নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে সৃষ্টি হয়েছিল।এটি প্রধানত ১৩৪৬ থেকে ১৩৫৩ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে ইউরোপ, এশিয়া (ইউরেশিয়া) এবং উত্তর আফ্রিকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল। ৩) কে বলেছিলেন মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড?        •এই বিখ্যাত উক্তিটি যিনি করেছিলেন তিনি হলেন প্রাচীন গ্রিসের একজন প্রখ্যাত দার্শনিক, যার নাম প্রোটাগোরাস (Protagoras)।তাঁর মূল বক্তব্যটি ছিল-"মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড, যা আছে তারও, আর যা নেই তারও।” ৪) পেত্রাক কেন বিখ্যাত?         •পেত্রাক (Francesco Petrarca) ছিলেন ১৪ শতকের (১৩০৪-১৩৭৪) একজন ...