Skip to main content

ষষ্ঠ সেমিস্টার বাংলা মেজর সাজেশন ২০২৬, DS15

ষষ্ঠ সেমিস্টার, বাংলা মেজর-রবীন্দ্র সাহিত্য সাজেশন। DS15, 2026


১) শেষের কবিতা

• অমিত ও লাবণ্যের সম্পর্কে ক্ষেত্রে কেতকী চরিত্রের ভূমিকা এবং তার সাথে অমিতের সম্পর্কের জটিলতা বিশ্লেষণ করো।

*** • লাবণ্য চরিত্রটি অমিত থেকে কতটা আলাদা? তার ব্যক্তিত্বের গভীরতা ও ধৈর্য কিভাবে উপন্যাসের ফুটে উঠেছে তা আলোচনা করো।

*** • অমিত রায় চরিত্রটির মধ্যে তৎকালীন রবীন্দ্রমানসের যে আধুনিকতার প্রতিফলন ঘটেছে তা আলোচনা করো।

***• শেষের কবিতা উপন্যাসে বর্ণিত প্রেম তত্ত্বের স্বরূপ ব্যাখ্যা করো।ঝর্ণার জল ও ঘড়ায় তোলা জল এর রূপকটি  প্রেমের বিচারে কতটা তাৎপর্যপূর্ণ আলোচনা করো।

*** • শেষের কবিতা উপন্যাসের নামকরণের সার্থকতা আলোচনা করো।



২) রবীন্দ্র সমালোচনা সাহিত্যঃ প্রাচীন সাহিত্য।

***• কুমারসম্ভব এবং শকুন্তলায় "কবি দেখাইয়াছেন মোহে যাহা  অকৃতার্থ মঙ্গলে তা পরিষমাপ্তি",- মহাকবি কালিদাসের এই বোধ আদর্শকে একত্র সংহত করেছেন প্রাচীন সাহিত্যে এর রবীন্দ্রনাথ। আলোচনা করো।

 *** •কাব্যের উপেক্ষিতা প্রবন্ধটিতে রবীন্দ্রনাথের মতে উপেক্ষিতা কারা? কেন এদের উপেক্ষিত বলেছেন?

• "আমাদের দেশে গার্হস্থ্য আশ্রমের যে অত্যন্ত উচ্চস্থান ছিল এই কাব্য তাহা সপ্রমাণ করিতেছে।" রামায়ণ প্রবন্ধ অবলম্বনে এই মন্তব্যের যাথার্থ্য প্রতিপন্ন করো। 

*** • কেউ যদি তরুণ বৎসরের ফুল ও পরিণত বৎসরের ফল, কেউ যদি মর্ত ও স্বর্গ একত্রে দেখিতে চায় তবে শকুন্তলা তাহা পাইবে।" রবীন্দ্রনাথের প্রাচীন সাহিত্যের অন্তর্গত শকুন্তলা প্রবন্ধ অবলম্বনে এই উক্তিটির মর্মার্থ বিশ্লেষণ করো।

• কিন্তু কেবল অতীত বর্তমান নয় প্রত্যেক মানুষের মধ্যেই অটল স্পর্শ বিরহ মেঘদুত প্রবন্ধ অতল স্পর্শ বিরহের যে প্রতিমা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সৃষ্টি করেছেন তার ব্যাখ্যা কর। 

***• "কাব্য সংসারে এমন দুটি-একটি রমণী আছে যাহারা কবি কর্তৃক সম্পূর্ণ উপেক্ষিত হইয়াও অমরলোক হইতে ভ্রষ্ট হয় নাই।" দুটি একটি রমণী কারা ? তারা কবি কর্তৃক উপেক্ষিত হয়েও কিভাবে অমরলোকের স্থায়ী আসন লাভ করেছেন?


৩) রবীন্দ্র আত্মজীবনীঃ ছেলেবেলা 

***• "পালকিখানা ঠাকুমাদের আমলের" - রবীন্দ্রনাথের ঠাকুরমার নাম কি ছিল? ছেলেবেলা গ্রন্থে এই পালকির প্রসঙ্গে রবীন্দ্রনাথ যা বলেছেন তা সংক্ষেপে লেখ। 

***• " আমার জীবনে বাইরের খোলার ছাদ ছিল প্রধান ছুটির দেশ"- ছেলেবেলা অনুসরণে এই মুক্তির রাজ্যটিকে ঘিরে রবীন্দ্রনাথের বিচিত্র অভিজ্ঞতার পরিচয় দাও।

• "আমাদের সময়কার কিছু পূর্বে ধনীঘরে ছিল শখের যাত্রার চলন। "- রবীন্দ্রনাথের ছেলেবেলা গ্রন্থ অবলম্বনে তৎকালীন শখের যাত্রার পরিচয় দাও।

*** • "জ্যোতিদাদা এসেছিলেন নির্জলা নতুন মন নিয়ে।"- জ্যোতিদাদার পরিচয় দিয়ে তাঁর সম্পর্কে ছেলেবেলা গ্রন্থে রবীন্দ্রনাথ যে স্মৃতিচারণা করেছেন তার বিবরণ দাও। 

***• "আমি জন্ম নিয়েছিলুম সেকেলে কলকাতায়।"ছেলেবেলা গ্রন্থ অবলম্বনে সেকালের কলকাতার পরিচয় দাও।

• বয়স তখন ছিল কাঁচা হালকা দেহখানা/ছিল পাখির মত, শুধু ছিল না তার ডানা।" ছেলেবেলা গ্রন্থে উদ্ধৃত কবিতাটির সংযোজনের প্রাসঙ্গিকতা বিচার করো।


৪) রবীন্দ্রপত্র সাহিত্যঃরাশিয়া চিঠি 

•সোভিয়েট শিক্ষাকে কিভাবে প্রাণবান করে তুলেছে, রাশিয়া চিঠি অনুসরণে শিক্ষার সেই বিরাট পর্ব এর পরিচয় দাও।

***• 'বলশেভিক অর্থনীতি সম্বন্ধে আমার মত কী, একথা অনেকে আমাকে জিজ্ঞাসা করে থাকেন।'-রাশিয়ার চিঠিতে এই প্রসঙ্গে রবীন্দ্রনাথ যে অভিমত ব্যক্ত করেছেন তা নিজের ভাষায় লেখ। 

***• রাশিয়ার চিঠি অবলম্বনে রাশিয়ার কৃষি ব্যবস্থা সম্পর্কে রবীন্দ্র অভিজ্ঞতার সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও। প্রসঙ্গক্রমে ভারতবর্ষের কৃষি সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথের অভিমত প্রকাশ করো। 

***• রাশিয়ার চিঠি গ্রন্থটি কী ধরনের রচনা সে সম্পর্কে তোমার অভিমত ব্যক্ত করো।

• বিজ্ঞান শিক্ষায় পুঁথি পড়ার সঙ্গে চোখে দেখার যোগ থাকা চাই।" চোখে দেখার যে সকল প্রণালীর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর উল্লেখ করেছেন, রাশিয়া চিঠি অনুসরণে তার পরিচয় দাও।

*** • "সেই ব্যষ্টিবর্জিত সমষ্টির অবাস্তবতা কখনোই মানুষ চিরদিন সইবে না। " বলশেভিক নীতির ভূয়সী প্রশংসা করেও এর সীমাবদ্ধতাকে রবীন্দ্রনাথ কীভাবে নির্দেশ করেছেন,- আলোচনা করো।

Comments

Popular posts from this blog

একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়।

  একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়-সারদা মঙ্গল               গীতিকাব্য হলো এক ধরনের কবিতা, যার মধ্যে দিয়ে ব্যক্তির আবেগ, অনুভূতি এবং অভিজ্ঞতাগুলিকে ছন্দ ওর সংগীতের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। তবে এখানে কবিতাগুলি খুবই ছোট আকারের হয়, আর সেখানে কবির ব্যক্তিগত অনুভূতির গভীরতা ও আন্তরিকতা প্রকাশ পায়। আর এই প্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি গীতি কবিতার সংকলন হলো গীতিকাব্য। ব্যঞ্জনাময় ও সংহত ।  গীতিকাব্যের বৈশিষ্ট্য  গীতিকাব্যের কিছু প্রধান বৈশিষ্ট্য নিচে আলোচনা করা হলো: ১. ব্যক্তিগত অনুভূতি ও আবেগ প্রকাশ: এটি গীতিকাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য। এখানে কবি নিজের ব্যক্তিগত অনুভূতি, প্রেম, বিরহ, আনন্দ বা বিষাদের কথা তুলে ধরেন। ২. সংক্ষিপ্ততা: গীতিকাব্য সাধারণত দীর্ঘ হয় না। অল্প কয়েকটি স্তবকের মধ্যে কবি তাঁর ভাবনা সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করেন। ৩. সুর ও ছন্দের প্রাধান্য: গীতিকাব্য মূলত সুর করে আবৃত্তি করার জন্য রচিত হয়। তাই এতে সুর ও ছন্দের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়। ৪. আত্মগতভাব: গীতিকাব্যে বাইরের জগতের বর্ণনা না দিয়ে কবির নিজের মনের ভেতরের জগতের প্রতি মনোযোগ ...

চতুর্থ সেমিস্টার জেনারেল ইতিহাস ছোট প্রশ্ন ২০২১

 *১) সুজাউদ্দৌলা কে ছিলেন বা মুর্শিদকুলি খাঁর মৃত্যুর পর কে বাংলার নবাব হন?  উত্তর - সুজা উদ্দৌলা আয়ুধের সুবেদার নবাব ছিলেন। মুর্শিদকুলি খাঁর মৃত্যুর পর তার জামাতা বাংলার নবাব  হন ১৭৫৪-১৭৭৫ খ্রীস্টাব্দ পর্যন্ত। নবাব থাকাকালীন তিনি বক্সারের যুদ্ধ এবং পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন। *২) কোন সালে রেগুলেটিং আইন জারি করা হয়েছিল? উত্তর - ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দুর্নীতি দূরীকরণ, গঠন বিন্যাস ও নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্রিটিশ সরকার ১৭৭৩ খ্রিস্টাব্দে রেগুলেটিং আইন প্রণয়ন করেন। আর সেই আইনে বলা হয় বাংলা বোম্বাই ও মাদ্রাজে ১ করে কাউন্সিল থাকবে। *৩) শ্রী রঙ্গপত্তমের সন্ধিতে স্বাক্ষরকারী কারা কারা ছিলেন ?কখন এই সন্ধিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল? উত্তর - তৃতীয় ইঙ্গ মহীশূর যুদ্ধের অবসান হয়েছিল শ্রীরঙ্গপত্তমের সন্ধির দ্বারা। আর এই সন্ধিতে ঠিক হয় টিপু সুলতান ইংরেজদের তিন কোটি টাকা এবং জামিন স্বরূপ তার দুই পুত্রকে দিতে বাধ্য হবেন। এছাড়া বিজিত অঞ্চল ইংরাজ, মারাঠা ও নিজামের মধ্যে বন্টিত হল। যে সন্ধির দুটি পক্ষ ছিল একদিকে ছিলেন টিপু সুলতান এবং অপরদিকে ছিলেন ইংরেজ। সময়কালটি ছি...

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর ।

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর  ১) শিল্প বিপ্লব কবে কোথায় প্রথম ঘটেছিল?         উত্তর - প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়েছিল ইংল্যান্ডে (গ্রেট ব্রিটেন)। এটি প্রধানত অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হয়ে প্রায় ১৭৬০ থেকে ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দ-এর মধ্যে ঘটেছিল। ২) কৃষ্ণমৃত্যু কী?            • কৃষ্ণমৃত্যু (Black Death) হলো মানব ইতিহাসের এক ভয়াবহ মহামারি।এটি ছিল মূলত প্লেগ (Plague) রোগ, যা Yersinia pestis নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে সৃষ্টি হয়েছিল।এটি প্রধানত ১৩৪৬ থেকে ১৩৫৩ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে ইউরোপ, এশিয়া (ইউরেশিয়া) এবং উত্তর আফ্রিকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল। ৩) কে বলেছিলেন মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড?        •এই বিখ্যাত উক্তিটি যিনি করেছিলেন তিনি হলেন প্রাচীন গ্রিসের একজন প্রখ্যাত দার্শনিক, যার নাম প্রোটাগোরাস (Protagoras)।তাঁর মূল বক্তব্যটি ছিল-"মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড, যা আছে তারও, আর যা নেই তারও।” ৪) পেত্রাক কেন বিখ্যাত?         •পেত্রাক (Francesco Petrarca) ছিলেন ১৪ শতকের (১৩০৪-১৩৭৪) একজন ...