Skip to main content

Posts

প্রশ্ন-গুচ্ছ কাকে বলে? সুবিধা ও অসুবিধা গুলি লেখো।

প্রশ্নগুচ্ছ কাকে বলে? প্রশ্নগুচ্ছের সুবিধা ও অসুবিধাগুলি লেখো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, চতুর্থ সেমিস্টার, এডুকেশন Uni-2 )  ••  প্রশ্নগুচ্ছঃ  কোন গবেষণায় তথ্য সংগ্রহের জন্য প্রশ্নগুচ্ছ বা প্রশ্নাবলী অতি গুরুত্বপূর্ণ উপায়। নির্দিষ্ট তথ্য সংগ্রহের জন্য বিধিবদ্ধভাবে রচিত প্রশ্ন সমূহকে প্রশ্নগুচ্ছ বলে। আর Normative সার্ভে গবেষণার ক্ষেত্রে বিস্তৃত পরিধি থেকে তথ্যসংগ্রহের গুরুত্বপূর্ণ উৎস হল প্রশ্নগুচ্ছ।                     প্রশ্নগুচ্ছের সুবিধাঃ  ১) প্রশ্নপত্র যথাযথভাবে ব্যবহৃত হলে তথ্য সংগ্রহের উপায় হিসেবে প্রশ্নগুচ্ছের ব্যাপক সম্ভাবনা দেখা যায়।  ২) তাৎপর্যপূর্ণ প্রতিটি প্রশ্নের প্রতি প্রতিক্রিয়াকারীর মনোযোগে আকর্ষণে এটি ভীষণ কার্যকরী ৩) গবেষণায় অংশগ্রহণকারীরা যখন বহু দূরে এবং বিচ্ছিন্নভাবে অবস্থান করেন সেখানেই এই পদ্ধতিটি সাক্ষাৎকার, পর্যবেক্ষণ, অভীক্ষা প্রয়োগ ইত্যাদি অপেক্ষা সহজে প্রয়োগ করা যায়।  ৪) প্রশ্নগুচ্ছ দলগতভাবে প্রয়োগ করা যায় এবং যেকোনো উদ্দেশ্যে ভাবে করা যায় । ৫) পরিকল্পনা করা,...

স্মরণ ও বিস্মরণ এর পার্থক্য লেখো।

 স্মরণ ও বিস্মরণ এর প্রধান পার্থক্য নির্ণয় করো।  ব্যক্তির নিজস্ব অতীত অভিজ্ঞতাকে প্রতিরূপের সাহায্যে মনের সামনে পুনরায় টেনে আনাকে স্মৃতি বলে। স্মৃতি হলো অতীত প্রত্যক্ষ বা অনুভূত বস্তুর যথাসম্ভব অবিকল পুনরুৎপাদনের ক্ষমতা এবং স্মরণ হলো ক্রিয়া।          স্মৃতিকে বিশ্লেষণের মাধ্যমে এর যে উপাদানগুলি পাওয়া যায় তা হল-            ১) শিখন ও অভিজ্ঞতা লাভ              ২) সংরক্ষণ বা ধারণ পুনরুদ্রেক,                  পুনঃপরিজ্ঞান।       স্মৃতির পশ্চাতে এই সকল অবদানগুলির মিথস্ক্রিয়া কাজ করে। এগুলি বিস্তৃতির ক্ষেত্রে পরিলক্ষিত হয় না। বিস্তৃতির ক্ষেত্রে স্মৃতি প্রতিরূপটির যে সকল গুণ থাকলে মনে থাকতো তা থাকে না।                   এক্ষেত্রে উদ্দীপকের পুনরাবৃত্তি ঘটে না, আমাদের আবেগ, মেজাজ ও স্বাভাবিক আগ্রহের প্রতিকূল উদ্দীপক এবং নতুনত্ব বা বৈচিত্রপূর্ণ উদ্দীপক বিস্মৃতিতে হারিয়ে যায়। এছাড়া পর্যা...

জানা' ক্রিয়াপদটি কী কী অর্থে ব্যবহার করা হয়? অর্থগুলি দৃষ্টান্তসহ বিশ্লেষণ করো।

'জানা' ক্রিয়াপদটি কী কী অর্থে ব্যবহার করা হয়? অর্থগুলি দৃষ্টান্তসহ বিশ্লেষণ করো। ভূমিকাঃ           ইংরেজিতে Knowledge বা বাংলায় জ্ঞান বলতে আমরা বুঝে থাকি কোন বিষয় বা বস্তুকে জানা। কেননা Know এই ক্রিয়াপদ থেকে Knowledge শব্দটি এসেছে। তাই জানা ক্রিয়াপদটির অর্থ জেনে রাখা আমাদের অত্যন্ত জরুরি। আর এই জানা পদটি সাধারণত তিনটি অর্থে ব্যবহৃত হতে পারে। আর সেগুলি হল-             ১) পরিচিতি অর্থে জানা ।             ২) সামর্থ্য বা কর্মকৌশল অর্থে জানা।             ৩) বাচনিক অর্থে জানা। ১) পরিচিতি অর্থে জানাঃ              যখন আমি বলি আমি রিচার্ড স্মিথ কে জানি, তখন এই কথাটির অর্থ হল রিচার্ডের সাথে আমার পরিচিতি আছে। অর্থাৎ দু একবার তাঁর সাথে আমার সাক্ষাৎ হয়েছিল। এই সাক্ষাৎ পরিচয় না থাকলে কোন ব্যক্তি বা বস্তুকে জানি একথা বলা যায় না। বস্তু বা ঘটনার অস্তিত্ব সম্পর্কে এরূপ প্রাথমিক সচেতনতা থেকে যে জ্ঞান হয়, তাকে বলে পরিচিতমূলক জ্ঞান। সুতরাং 'জানা...

ভারতীয় সংবিধানে উল্লিখিত নির্দেশমূলক নীতিগুলির গুরুত্ব ও তাৎপর্য আলোচনা করো।

ভারতীয় সংবিধানে উল্লিখিত নির্দেশমূলক নীতিগুলির গুরুত্ব ও তাৎপর্য আলোচনা করো।(পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, দ্বিতীয় সেমিস্টার, রাষ্ট্রবিজ্ঞান মাইনর সিলেবাস)। ভূমিকাঃ        আলোচনা শুরুতেই বলা যায় যে,ভারতীয় সংবিধানে উল্লিখিত নির্দেশমূলক নীতিগুলি আদালত কর্তৃক  বলবৎযোগ্য না হওয়ার ফলে বাস্তবে এগুলি নৈতিক উপদেশ বা রাজনৈতিক ইস্তেহারে পরিণত হয়েছে। তবে এই নীতিগুলি একেবারেই মূল্যহীন নয়। কারণ এই নীতিগুলি আদালত কর্তৃক বলবৎযোগ্য না হয়েও এর গুরুত্ব বা তাৎপর্যকে সরাসরি অস্বীকার বা উপেক্ষা করা যায় না। তাই এই নির্দেশ মূলক নীতিগুলি বেশ তাৎপর্য বা গুরুত্ব আছে বলে মনে করা হয়। আর সেই গুরুত্ব গুলি হলো- ১) রাজনৈতিক তাৎপর্যঃ            নির্দেশমূলক নীতিগুলি আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে সমতা আনার মাধ্যমে ভারতীয় গণতন্ত্রকে পরিপূর্ণ করার চেষ্টা করেছে। তাই এই নীতিগুলি সমাজ বিপ্লবকে লক্ষ্য রেখে তা বাস্তবে রূপায়িত করার সহায়ক বলা হয়। আসলে এইসব নীতি ভারতের সমাজ জীবন ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সমাজে সাম্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গণতান্ত্রিক চিন্তাকে সুদৃঢ় ভিত্ত...

স্মরণ রাখার সহজ উপায় গুলি আলোচনা করো।

 স্মরণ রাখার সহজ উপায় গুলি আলোচনা করো (West Bengal State University, 2nd Semester, Education, Minor) ভূমিকাঃ        স্মৃতি কিভাবে বাড়ানো যায় এই বিষয়টি নিয়ে অতি প্রাচীনকাল থেকে আধুনিক কাল পর্যন্ত মনোবিদদের মধ্যে বেশ মতপার্থক্য দেখা যায়। আর এই মতপার্থক্যের মধ্যে প্রাচীনকালে স্মৃতিকে ফ্যাকাল্টি অফ মাইন্ড বলে বর্ণনা করা হত। তাঁদের মতে স্মৃতিকে বাড়ানো যায়। কিন্তু আধুনিক মনোবিদরা মনে করেন, স্মৃতির ধারণ শক্তি মানুষের সহজাত। যা অনুশীলন বা চর্চার দ্বারা তাকে কোনভাবেই বাড়ানো যায় না। প্রাচীন এবং আধুনিক কালের মনোবিদদের মতামতকে সামনে রেখে বলা যায় যে- ১) আগ্রহঃ           কোন বিষয়বস্তু শেখার আগে ওই বিষয়ের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি করা দরকার। আর আগ্রহ না থাকলে বিষয়বস্তু আয়ত্ত করা কঠিন হবে এবং সেটির সংরক্ষণ ক্ষণস্থায়ী হবে। ২) মনোযোগঃ          মনোযোগ হল মনকে নিযুক্ত করার প্রক্রিয়া। কোন বিষয়ে আয়ত্ত করার সময় মনকে সেই বিষয়ে নিযুক্ত করতে পারলে সংরক্ষণের কাজ সঠিকভাবে হয়। কারণ মনোযোগের সাহায্যেই বিষয়বস্তুগুলি জ্ঞানে...

বিস্মৃতি/বিস্মরণ অভিশাপ না আশীর্বাদ? যুক্তি দাও।

 বিস্মৃতি/বিস্মরণ অভিশাপ না আশীর্বাদ? আলোচনা করো।(পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, দ্বিতীয় সেমিস্টার, এডুকেশন,মাইনর)              আমরা জানি স্মৃতির বিপরীত প্রক্রিয়া হল বিস্মতি। আবার ভুলে যাওয়াকে আমরা বলি বিস্মৃতি। আসলে বিস্মৃতি হলো মস্তিষ্কে সংরক্ষণের অভাব, এটি একটি স্বাভাবিক মানসিক ঘটনা।           মনোবিদ রিবোর্ট বলেন যে, আমাদের কোন কিছু শেখার জন্য ভুলে যাওয়ার প্রয়োজন আছে। আমরা যা শিখি তার সমস্তটাই মনের মধ্যে রাখা সম্ভব নয়। কারণ আমাদের মানসিক ক্ষমতা হলো সীমাবদ্ধ। অপরিচিত জিনিসকে যদি আমরা ভুলে না যাই তাহলে আমরা প্রয়োজনীয় জিনিস মনে রাখতে পারব না। অনেক অনেক অতৃপ্ত বেদনাদায়ক অভিজ্ঞতা আমরা ভুলতে চাই মানসিক কষ্ট লাঘব করার জন্য। এদিক থেকে বিচার করলে বিস্মৃতি আমাদের কাছে আশীর্বাদ স্বরূপ। আবার-             অনেক সময় আমরা প্রয়োজনীয় জিনিসও ভুলে যাই। সবকিছু ভুলে যাওয়া এবং প্রয়োজনীয় কিছু যথাসময়ে মনে করতে না পারাকে নিঃসন্দেহে অভিশাপ বলা যায়।মনোবিদ ফ্রয়েডের মতে-     ...

ভারতীয় সংবিধানে উল্লিখিত নির্দেশমূলক নীতিগুলির গুরুত্ব ও তাৎপর্য আলোচনা করো।

 ভারতীয় সংবিধানে উল্লিখিত নির্দেশমূলক নীতিগুলির গুরুত্ব ও তাৎপর্য আলোচনা করো।(পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্র বিশ্ববিদ্যালয়, দ্বিতীয় সেমিস্টার, রাষ্ট্রবিজ্ঞান মাইনর সিলেবাস)। ভূমিকাঃ        আলোচনা শুরুতেই বলা যায় যে,ভারতীয় সংবিধানে উল্লিখিত নির্দেশমূলক নীতিগুলি আদালত কর্তৃক  বলবৎযোগ্য না করার ফলে বাস্তবে এগুলি নৈতিক উপদেশ বা রাজনৈতিক ইস্তেহারে পরিণত হয়েছে। তবে এই নীতিগুলি একেবারেই মূল্যহীন নয়। কারণ এই নীতিগুলি আদালত কর্তৃক বলবৎযোগ্য না হয়েও এর গুরুত্ব বা তাৎপর্যকে সরাসরি অস্বীকার বা উপেক্ষা করা যায় না। তাই এই নির্দেশ মূলক নীতিগুলি বেশ তাৎপর্য বা গুরুত্ব আছে বলে মনে করা হয়। আর সেই গুরুত্ব গুলি হলো- ১) রাজনৈতিক তাৎপর্যঃ            নির্দেশমূলক নীতিগুলি আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে সমতা আনার মাধ্যমে ভারতীয় গণতন্ত্রকে পরিপূর্ণ করার চেষ্টা করেছে। আর এই নীতিগুলি সমাজ বিপ্লবকে লক্ষ্য রেখে তা বাস্তবে রূপায়িত করার সহায়ক বলা যায়। তাই এইসব নীতি ভারতের সমাজ জীবন ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সমাজে সাম্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গণতান্ত্রিক চিন্তাকে সুদৃঢ় ভিত্ত...