Skip to main content

Posts

কেন্দ্রীয় প্রবণতার পরিমাপের বিভিন্ন প্রকার গুলি আলোচনা করো

কেন্দ্রীয় প্রবণতার পরিমাপের বিভিন্ন প্রকার গুলি আলোচনা করো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়,চতুর্থ সেমিস্টার, এডুকেশন মাইনর)। কেন্দ্রীয় প্রবণতার পরিমাপঃ  কেন্দ্রীয় প্রবণতা হলো পরিসংখ্যানের একটি ধারণা, যা কোনো ডেটাসেটের কেন্দ্রবিন্দু বা গড় মানকে বোঝায়।আসলে এটি এমন একটি একক সংখ্যা যা সম্পূর্ণ ডেটাসেটের প্রতিনিধিত্ব করে। এর মাধ্যমে বোঝা যায় যে, ডেটার বেশিরভাগ মান কোন নির্দিষ্ট বিন্দুর আশেপাশে জমা হয়েছে। আসলে এখানে কিছু গাণিতিক কৌশল প্রয়োগ করা হয়ে থাকে, যার মধ্যে অন্যতম হলো কেন্দ্রীয় প্রবণতার পরিমাণ। আর এই কেন্দ্রীয় প্রবণতার তিনটি পরিমাপ আছে। সেগুলি হল-গড়,মধ্যমমান এবং সংখ্যাগুরুমান বা ভুষিষ্টক।         • কেন্দ্রীয় পরিমাপের শ্রেণীবিভাগ বা প্রকার • কেন্দ্রীয় প্রবণতাকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়ে থাকে। আর সেই ভাগ গুলি হল-                 ১)গড়(Mean) ২) মধ্যম মান(Median)                                         ৩) ...

শিক্ষামূলক অভীক্ষা বলতে কী বোঝায়

শিক্ষামূলক অভিক্ষা বলতে কি বোঝায় আলোচনা করো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় চতুর্থ সেমিস্টার এডুকেশন মাইনর)। শিক্ষামূলক অভিক্ষাঃ আমরা জানি যে, শিক্ষামূলক অভীক্ষা হল সেই অভীক্ষা- যার দ্বারা বিশেষভাবে শিক্ষার্থীর কোন শিক্ষাগত বৈশিষ্ট্যের পরিমাপ করা হয়ে থাকে। আবার এই শিক্ষামূলক অভীক্ষাকে তিন শ্রেণীতে ভাগ করা হয় আর সেই ভাগগুলি হল-        ১) মৌখিক অভীক্ষা  ঃ কোন বিশেষ বিষয়ে শিক্ষার্থীদের লব্ধ জ্ঞানের সুস্পষ্ট ও সঠিক বিচারের জন্য ধারাবাহিকভাবে প্রশ্নকরণের মাধ্যমে যে অভিক্ষা নেওয়া হয় তাকে মৌখিক অভিক্ষা বলে।       ২) লিখিত অভীক্ষাঃ এই অভীক্ষায় শিক্ষার্থীদের শুধুমাত্র কয়েকটি শব্দ ব্যবহার করে বা কতগুলোর নির্দিষ্ট ধারণা থেকে সঠিক উত্তরটিকে নির্বাচন করতে হয়।        ৩) ব্যবহারিক অভীক্ষাঃ যে অভীক্ষার সাহায্যে কোন বিষয় সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক জ্ঞান সংগঠনের দক্ষতার পরিমাপ করা হয় তাকে ব্যবহারিক অভীক্ষা বলা হয়। এছাড়াও শিক্ষামূলক অভিক্ষা কে আবার চার ভাগে ভাগ করা হয়ে থাকে।সেই ভাগ গুলি হল-        ...

মূল্যায়নের কৌশল উপকরণ বলতে কী বোঝো আলোচনা কর

মূল্যায়নের কৌশল এবং উপকরণ বলতে কী বোঝো? (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় চতুর্থ সেমিস্টার এডুকেশন মাইনর)            • মূল্যায়নের কৌশলঃ আমরা মূল্যায়নের কৌশল বলতে বুঝি যে,কোনো ব্যক্তি, বিষয়, বস্তু বা ঘটনার মান, গুরুত্ব, কার্যকারিতা বা মূল্য নির্ধারণের জন্য ব্যবহৃত পদ্ধতি বা প্রক্রিয়া। আসলে এটি শিক্ষাক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, দক্ষতা ও উপলব্ধি পরিমাপের একটি অপরিহার্য অংশ। আর সেখানে মূল্যায়নের উদ্দেশ্য হলো- •শিক্ষার্থীদের পারদর্শিতা সম্পর্কে ধারণা লাভ করা। •শিক্ষকের শিক্ষণ পদ্ধতির কার্যকারিতা যাচাই করা। •শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা চিহ্নিত করে তাদের উন্নতিতে সহায়তা করা। •পাঠ্যক্রমের কার্যকারিতা মূল্যায়নকরা।           • মূল্যায়নের উপকরণঃ মূল্যায়নের উপকরণ বলতে আমরা এমন সব সরঞ্জাম বা মাধ্যমকে বুঝি যে, যা ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, দক্ষতা, যোগ্যতা এবং উপলব্ধি পরিমাপ করা হয়। শিক্ষকের মূল্যায়নের কৌশলকে বাস্তবায়ন করার জন্য এই উপকরণগুলো অপরিহার্য।আর সেখানে-             এই উপকরণগুলো বিভিন্ন ধর...

প্রফেসর শঙ্কু কীভাবে শঙ্কু ও আদিম মানুষের গল্পে আদিম মানুষের রহস্যের সমাধান কিভাবে করেছিলেন তা আলোচনা করো।

প্রফেসর শঙ্কু কীভাবে শঙ্কু ও আদিম মানুষের গল্পে আদিম মানুষের রহস্যের সমাধান কিভাবে করেছিলেন তা আলোচনা করো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, চতুর্থ সেমিস্টার, বাংলা মাইনর)           আমরা জানি যে,' প্রফেসর শঙ্কু ও আদিম মানুষ ' গল্পে, প্রফেসর শঙ্কু এভিটিউটন (Evituton ) নামক একটি ওষুধ আবিষ্কার করে আদিম মানুষের রহস্যের সমাধান করেন। এই ওষুধ মানুষের বিবর্তন প্রক্রিয়াকে দ্রুততর করতে পারে। গল্পে এক নৃতত্ত্ববিদ, ড. ক্লাইন, অ্যামাজনের গভীর জঙ্গলে একটি আদিম উপজাতি খুঁজে পান যাদেরকে তিনি 'হোমো অ্যাফারেনসিস' বলে মনে করেন। যা প্রায় ৩০ লক্ষ বছর আগের মানুষের মতো। ক্লাইন তাদের মধ্যে থেকে একজনকে ধরে তার গবেষণাগারে খাঁচায় বন্দী করে রাখেন। আদিম মানুষটি হিংস্র, কোনো ভাষা জানে না এবং কাঁচা মাংস খায়। যেখানে -              শঙ্কু যখন এই আদিম মানুষটির অবস্থা জানতে পারেন, তখন তিনি তার এভিটিউটন ওষুধটি ব্যবহার করে তার রহস্যের সমাধান করেন। শঙ্কু বুঝতে পারেন যে এই আদিম মানুষের বিবর্তন ঘটিয়ে তাকে আধুনিক মানুষের পর্যায়ে আনা সম্ভব।আর সেখানে রহস্যের স...

প্রফেসর শঙ্কুর 'ম্যাকাও' গল্পে তাঁর গবেষণার প্রধান সংকট ও তার সমাধান কিভাবে হয়েছিল তা আলোচনা করো ।

প্রফেসর শঙ্কুর 'ম্যাকাও' গল্পে তাঁর গবেষণার প্রধান সংকট ও তার সমাধান কিভাবে হয়েছিল তা আলোচনা করো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় চতুর্থ সেমিস্টার বাংলা মাইনর)।        আলোচনার শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,প্রফেসর শঙ্কু একটি নতুন রাসায়নিক ম্যাকিউরিয়া আবিষ্কার করেছিলেন, যে আবিষ্কার আমাদের মস্তিষ্কের ক্ষমতা অনেক গুণ বাড়িয়ে দেয়।আসলে এই ম্যাকিউরিয়া একটি বিশেষ ধরনের ম্যাকাও পাখিকে খাওয়ানোর পর সেই পাখিটি অস্বাভাবিক রকমের বুদ্ধিমান হয়ে ওঠে এবং মানুষের মতো আচরণ করতে থাকে। শঙ্কু তার এই আবিষ্কারকে ডঃ ম্যাকর নামক একজন বিজ্ঞানীর কাছে তুলে ধরেন, যিনি তাকে একসময় তার গবেষণার জন্য সাহায্য করেছিলেন। অতঃপর ম্যাকর শঙ্কুর আবিষ্কারের প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে ওঠেন। তিনি শঙ্কুকে বলেন যে-                                                                                    " এই আব...

কান্টের মতে কর্তব্যমুখী নীতি তত্ত্বটি ব্যাখ্যা ও বিচার করো।

কান্টের মতে কর্তব্যমুখী নীতি তত্ত্বটি ব্যাখ্যা ও বিচার করো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, চতুর্থ সেমিস্টার, দর্শন মাইনর)।         • কর্তব্যমুখী নীতিঃ  ইমানুয়েল কান্টের মতে, কর্তব্যমুখী নীতি হলো এমন একটি নৈতিক তত্ত্ব, যেখানে কোনো কাজের নৈতিক মূল্য তার ফলাফলের ওপর নির্ভর করে না, বরং কাজটি সঠিক নৈতিক নিয়ম বা কর্তব্যের ওপর ভিত্তি করে করা হয়েছে কিনা তার ওপর নির্ভর করে। আসলে কান্টের মতে- একটি কাজ তখনই নৈতিকভাবে সঠিক, যখন তা কোনো শর্তহীন নিয়ম মেনে করা হয়। যেখানে এই নীতির মূল ধারণা হলো-  ১) নৈতিকতা সহজাতঃ   মানুষ যুক্তি দিয়ে নৈতিকতা বুঝতে সক্ষম। সঠিক কাজ করার জন্য আমাদের কোনো ধর্মীয় বা সামাজিক নির্দেশের প্রয়োজন নেই; আমাদের নিজস্ব যুক্তিই যথেষ্ট।  ২) কর্তব্যের ওপর জোরঃ একটি কাজ নৈতিকভাবে ভালো তখনই, যখন তা শুধু কর্তব্যবোধ থেকে করা হয়। যদি কোনো কাজ ভালো ফল পাওয়ার আশা, ভয় বা ব্যক্তিগত কোনো স্বার্থের কারণে করা হয়, তবে তা নৈতিকভাবে মূল্যবান নয়। উদাহরণস্বরূপ, একজন দোকানদার যদি শুধু সুনাম ধরে রাখার জন্য সৎ থাকে, তবে তার কাজটি নৈতিকভাবে সঠিক ...

বাংলা মেজর পঞ্চম সেমিস্টার সিলেবাস ২০২৫

  বাংলা সিলেবাস ২০২৫ পঞ্চম সেমিস্টার DS10, DS11 (As per National Education Policy 2020)                              • DS-10• Unit-1  • বাংলা রঙ্গমঞ্চের ইতিহাস ঃ- •লেবেডব ও বেঙ্গলি থিয়েটার •নবীন বসুর শ্যামবাজার থিয়েটার •বেলগাছিয়া নাট্যশালা •জোড়াসাঁকো নাট্যশালা •বাগবাজার অ্যামেচার থিয়েটার •ন্যাশনাল থিয়েটার প্রথম ও দ্বিতীয় পর্ব •নাট্য নিয়ন্ত্রণ বিল •গণনাট্য ও নবনাট্য আন্দোলন।  Unit-2 • মধুসূদন দত্তঃকৃষ্ণকুমারী নাটক। Unit-3  • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরঃ রাজা নাটক Unit-4 • বিজন ভট্টাচার্যঃ নবান্ন নাটক  *** • পাঠ্যপুস্তকঃ  •নাটকের কথা/নাট্যতত্ত্ব ও নাট্যমঞ্চ- অজিত কুমার ঘোষ। • বাংলা নাট্যমঞ্চের রূপরেখা-দুর্গাশঙ্কর মুখোপাধ্যায়। • বাংলা থিয়েটারের ইতিহাস/গণনাট্য আন্দোলন- দর্শন  চৌধুরী। --------------------..............----------------------.................----                               •DS-11 • Unit-...