Skip to main content

 





Unit-1 (বাংলা ছন্দের উপকরণ পরিবাসার সংজ্ঞা স্বরূপ ও নামকরণ)।

             একক-১

ক) *** বাংলা ছন্দের উপকরণগত ধারায় মাত্রার সংজ্ঞা, ও তার প্রকারভেদ এবং তার গঠনশৈলী উদাহরণসহ আলোচনা করো।

•*** বাংলা ছন্দের উপকরণ ধারায় যতির সংজ্ঞা দাও ও তার প্রকারভেদ আলোচনা করো।

• ** পঙক্তি অথবা প্রস্বর কাকে বলে ? পংক্তি ও প্রস্বরের স্বরূপ ও গুরুত্ব আলোচনা করো।

••অথবা টীকা ( উদাহরণসহ সংজ্ঞা লেখো)

 অক্ষর, বর্ণ, স্বর, মিল।

            • একক২•

গ) *** কলাবৃত্ত ছন্দ কাকে বলে?কলাবৃত্ত ছন্দের বৈশিষ্ট্যগুলি উদাহরণসহ আলোচনা করো।


           •একক-৩•

 ঙ) *** বাংলা ছন্দের মুক্তিতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অবদান আলোচনা করো। বিশেষ করে তাঁর মুক্তক অক্ষরবৃত্ত বা ‘বলাকা’র ছন্দের অভিনবত্ব নিরূপণ করো।

​** জীবনানন্দ দাশের কবিতার ছন্দ-প্রকৃতি আলোচনা করো। তিনি কীভাবে বাংলা ছন্দের প্রথাগত দোলা বা লয় ভেঙে আধুনিক গদ্যস্পন্দ ও দীর্ঘায়িত লয় তৈরি করেছেন, তা বুঝিয়ে দাও।

*** ছন্দের জাদুকর সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের ছন্দোচাতুর্য ও মাত্রাবৃত্ত (কলাবৃত্ত) ছন্দের বৈচিত্র্যময় ব্যবহার সম্পর্কে আলোচনা করো।

​*** বাংলা ছন্দের ক্লাসিক্যাল পুনরুজ্জীবনে বা ছন্দের কঠোর বন্ধন ও গাম্ভীর্য সৃষ্টিতে মোহিতলাল মজুমদারের অবদান মূল্যায়ন করো।

•অথবা•

*** বাংলা ছন্দের বিজ্ঞানসম্মত নামকরণে এবং ছন্দতত্ত্বের( দলবৃত্তু, কলাবৃত্ত ও মিশ্র কলাবৃত্ত) ইতিহাসে প্রবোধচন্দ্র সেনের অবদান আলোচনা করো।

​* ছান্দসিক হিসেবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কৃতিত্ব বিচার করো। বাংলা ছন্দের( ধ্বনি প্রধান ও বর্ণপ্রধান ছন্দের ধারণা )স্বরূপ অন্বেষণে তাঁর ‘ছন্দ’ গ্রন্থের ভূমিকা আলোচনা করো।

* বাংলা ছন্দের বিবর্তনের ইতিহাসে বিশেষত দলবৃত্ত ও কলাবৃত্ত ছন্দের ধ্বনিগত দোলা ও বৈচিত্র্য সৃষ্টিতে সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের অবদান মূল্যায়ন করো।

** বাংলা ছন্দ বিশ্লেষণে অমূল্যধন মুখোপাধ্যায়ের ‘বাংলা ছন্দের মূলসূত্র’ গ্রন্থের গুরুত্ব এবং তাঁর নিজস্ব ছন্দোমত আলোচনা করো।

** বাংলা ছন্দ চর্চায় তারাপদ ভট্টাচার্যের অবদান বা তাঁর ছন্দ-ভাবনার সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও।


Comments

Popular posts from this blog

একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়।

  একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়-সারদা মঙ্গল               গীতিকাব্য হলো এক ধরনের কবিতা, যার মধ্যে দিয়ে ব্যক্তির আবেগ, অনুভূতি এবং অভিজ্ঞতাগুলিকে ছন্দ ওর সংগীতের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। তবে এখানে কবিতাগুলি খুবই ছোট আকারের হয়, আর সেখানে কবির ব্যক্তিগত অনুভূতির গভীরতা ও আন্তরিকতা প্রকাশ পায়। আর এই প্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি গীতি কবিতার সংকলন হলো গীতিকাব্য। ব্যঞ্জনাময় ও সংহত ।  গীতিকাব্যের বৈশিষ্ট্য  গীতিকাব্যের কিছু প্রধান বৈশিষ্ট্য নিচে আলোচনা করা হলো: ১. ব্যক্তিগত অনুভূতি ও আবেগ প্রকাশ: এটি গীতিকাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য। এখানে কবি নিজের ব্যক্তিগত অনুভূতি, প্রেম, বিরহ, আনন্দ বা বিষাদের কথা তুলে ধরেন। ২. সংক্ষিপ্ততা: গীতিকাব্য সাধারণত দীর্ঘ হয় না। অল্প কয়েকটি স্তবকের মধ্যে কবি তাঁর ভাবনা সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করেন। ৩. সুর ও ছন্দের প্রাধান্য: গীতিকাব্য মূলত সুর করে আবৃত্তি করার জন্য রচিত হয়। তাই এতে সুর ও ছন্দের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়। ৪. আত্মগতভাব: গীতিকাব্যে বাইরের জগতের বর্ণনা না দিয়ে কবির নিজের মনের ভেতরের জগতের প্রতি মনোযোগ ...

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর ।

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর  ১) শিল্প বিপ্লব কবে কোথায় প্রথম ঘটেছিল?         উত্তর - প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়েছিল ইংল্যান্ডে (গ্রেট ব্রিটেন)। এটি প্রধানত অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হয়ে প্রায় ১৭৬০ থেকে ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দ-এর মধ্যে ঘটেছিল। ২) কৃষ্ণমৃত্যু কী?            • কৃষ্ণমৃত্যু (Black Death) হলো মানব ইতিহাসের এক ভয়াবহ মহামারি।এটি ছিল মূলত প্লেগ (Plague) রোগ, যা Yersinia pestis নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে সৃষ্টি হয়েছিল।এটি প্রধানত ১৩৪৬ থেকে ১৩৫৩ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে ইউরোপ, এশিয়া (ইউরেশিয়া) এবং উত্তর আফ্রিকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল। ৩) কে বলেছিলেন মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড?        •এই বিখ্যাত উক্তিটি যিনি করেছিলেন তিনি হলেন প্রাচীন গ্রিসের একজন প্রখ্যাত দার্শনিক, যার নাম প্রোটাগোরাস (Protagoras)।তাঁর মূল বক্তব্যটি ছিল-"মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড, যা আছে তারও, আর যা নেই তারও।” ৪) পেত্রাক কেন বিখ্যাত?         •পেত্রাক (Francesco Petrarca) ছিলেন ১৪ শতকের (১৩০৪-১৩৭৪) একজন ...

চতুর্থ সেমিস্টার জেনারেল ইতিহাস ছোট প্রশ্ন ২০২১

 *১) সুজাউদ্দৌলা কে ছিলেন বা মুর্শিদকুলি খাঁর মৃত্যুর পর কে বাংলার নবাব হন?  উত্তর - সুজা উদ্দৌলা আয়ুধের সুবেদার নবাব ছিলেন। মুর্শিদকুলি খাঁর মৃত্যুর পর তার জামাতা বাংলার নবাব  হন ১৭৫৪-১৭৭৫ খ্রীস্টাব্দ পর্যন্ত। নবাব থাকাকালীন তিনি বক্সারের যুদ্ধ এবং পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন। *২) কোন সালে রেগুলেটিং আইন জারি করা হয়েছিল? উত্তর - ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দুর্নীতি দূরীকরণ, গঠন বিন্যাস ও নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্রিটিশ সরকার ১৭৭৩ খ্রিস্টাব্দে রেগুলেটিং আইন প্রণয়ন করেন। আর সেই আইনে বলা হয় বাংলা বোম্বাই ও মাদ্রাজে ১ করে কাউন্সিল থাকবে। *৩) শ্রী রঙ্গপত্তমের সন্ধিতে স্বাক্ষরকারী কারা কারা ছিলেন ?কখন এই সন্ধিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল? উত্তর - তৃতীয় ইঙ্গ মহীশূর যুদ্ধের অবসান হয়েছিল শ্রীরঙ্গপত্তমের সন্ধির দ্বারা। আর এই সন্ধিতে ঠিক হয় টিপু সুলতান ইংরেজদের তিন কোটি টাকা এবং জামিন স্বরূপ তার দুই পুত্রকে দিতে বাধ্য হবেন। এছাড়া বিজিত অঞ্চল ইংরাজ, মারাঠা ও নিজামের মধ্যে বন্টিত হল। যে সন্ধির দুটি পক্ষ ছিল একদিকে ছিলেন টিপু সুলতান এবং অপরদিকে ছিলেন ইংরেজ। সময়কালটি ছি...