Skip to main content

বিড়াল,বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।

বিড়াল,বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত রম্যরসাত্মক ও সমাজ সচেতনতামূলক প্রবন্ধ।পশ্চিমবঙ্গ উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ একাদশ শ্রেণি প্রথম সেমিস্টার।

১. ‘বিড়াল’ প্রবন্ধটি বঙ্কিমচন্দ্রের কোন গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে?

 •উত্তর:‘কমলাকান্তের দপ্তর’ গ্রন্থ থেকে।

 2.প্রবন্ধের শুরুতে কমলাকান্ত কী খাচ্ছিলেন এবং কী করছিলেন?

    •উত্তর: কমলাকান্ত আফিম খেয়ে ঝিমোচ্ছিলেন এবং ওয়াটারলুর যুদ্ধ নিয়ে ভাবছিলেন।

৩.কমলাকান্ত নিজেকে কার সাথে তুলনা করেছেন?

  •উত্তর: ওয়াটারলুর যুদ্ধে পরাজিত ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়ানের সাথে।

৪.ঝিমুনির ঘোরে কমলাকান্ত কার ডাক শুনতে পেয়েছিলেন?

• উত্তর: একটি বিড়ালের ‘মিউ’ ডাক।

৫.কমলাকান্তের জন্য রাখা দুধটুকু কে খেয়ে ফেলেছিল?

• উত্তর: মার্জারী (বিড়াল)।

৬.দুধটুকু কার জন্য রাখা ছিল?

 •উত্তর:কমলাকান্তের জন্য প্রসন্ন গোয়ালিনী সেই দুধ রেখে গিয়েছিল।

৭.বিড়ালকে মারার জন্য কমলাকান্ত কী তুলে নিয়েছিলেন?

 •উত্তর: একটি ভাঙা লড়ি (লাঠি)।

৮.বিড়ালটি কমলাকান্তের লাঠি তোলা দেখে ভয় না পেয়ে কী করেছিল?

• উত্তর:কমলাকান্তের মুখের দিকে তাকিয়ে হাই তুলেছিল এবং একটু সরে বসেছিল।

৯.বিড়ালের মতে, দুধ খেয়ে সে কার উপকার করেছে?

 •উত্তর:কমলাকান্তের (কারণ দুধ খেলে কমলাকান্তের অধর্ম হতো এবং বিড়াল খেয়ে নেওয়ায় কমলাকান্তের পরোপকার রূপ ধর্ম সঞ্চয় হয়েছে)।

১০. বিড়ালের মতে পৃথিবীর আসল রহস্য কী?

•উত্তর:‘ক্ষুধার চেয়ে আর কিছুই তীব্র নয়’ এবং ‘যার পেটে ক্ষিদে থাকে, সে-ই বোঝে’।

১১.বিড়াল চোর হওয়ার পেছনে সমাজের কাদের দায়ী করেছে?

•উত্তর: সমাজের ধনী ও কৃপণ ব্যক্তিদের, যারা অতিরিক্ত সম্পদ জমিয়ে রাখে কিন্তু দরিদ্রদের দেয় না।

১২.“চোর দোষী বটে, কিন্তু কৃপণ ধনী তদপেক্ষা শতগুণে দোষী।”- উক্তিটি কার?

•উত্তর:বিড়ালের (কমলাকান্তের জবানিতে বিড়ালের উক্তি)।

১৩.বিড়ালের মতে, ক্ষুধার্ত অবস্থায় চুরি করা অধর্ম নয় কেন?

•উত্তর:কারণ জীবন বাঁচানোই প্রধান ধর্ম, আর ধনীরা খাবার না দিলে বেঁচে থাকার জন্য চুরি করা ছাড়া উপায় থাকে না।

১৪.“আমি যদি চোর হই, তবে তোমরা কী?”- বিড়াল কাদের উদ্দেশ্যে এই প্রশ্ন করেছে?

•উত্তর:সমাজের বিচারক এবং দণ্ডদাতাদের উদ্দেশ্যে।

১৫.বিড়ালের মতে, কোন প্রাণীর খিদে পেলে কেউ তাকে লাঠি নিয়ে মারতে আসে না?

•উত্তর:কুকুরের (মানুষের প্রিয় পাত্র বা অনুগত প্রাণী)।

১৬.বিড়াল কোন সমাজতান্ত্রিক সত্য তুলে ধরেছে?

•উত্তর:ধনের অসম বণ্টনই সমাজে চুরির মূল কারণ।

১৭.কমলাকান্ত বিড়ালের গুরুগম্ভীর কথা শুনে নিজেকে কী মনে করেছিলেন?

•উত্তর:নিজেকে একজন বড় সামাজিক ও দার্শনিক পণ্ডিতের সামনে মূর্খ মনে করেছিলেন।

১৮.বিড়াল কমলাকান্তকে কোন শাস্ত্র পড়ার পরামর্শ দিয়েছিল?

•উত্তর: ‘ন্যায়শাস্ত্র’ বা সামাজিক সাম্যের নীতি।

১৯.প্রবন্ধে ‘মার্জার’ শব্দের অর্থ কী?

•উত্তর:বিড়াল।

২০.কমলাকান্তের মতে, বিড়ালটি আসলে কী রূপ ধারণ করে এসেছিল?

•উত্তর:একজন সমাজ-সংস্কারক বা দার্শনিকের রূপ ধারণ করে।

২১. বিড়ালকে তাড়ানোর জন্য কমলাকান্তকে কে উস্কানি দিচ্ছিল?

•উত্তর:কমলাকান্তের ভেতরের চিরাচরিত মানুষের সংস্কার এবং লোকলজ্জার ভয়।

২২.“পরোপকারই পরম ধর্ম”- বিড়ালের এই কথার প্রেক্ষিতে কমলাকান্তের মনে কী ভাব উদয় হয়েছিল?

•উত্তর:কমলাকান্ত বুঝতে পেরেছিলেন যে, নিজের দুধ বিড়ালকে খেতে দেওয়াও এক প্রকার পরোপকার।

২৩. বিড়াল ধনীদের উদ্দেশ্যে কী চাবুক মেরেছে?

•উত্তর:ধনীরা নিজেরা অতিরিক্ত খেয়ে পেট নষ্ট করে, কিন্তু একটা ক্ষুধার্ত বিড়ালকে এক ফোঁটা দুধ দিতে চায় না।

২৪.“আমি চোর, তা চোর বৈ কী!-এখানে বিড়ালের কোন মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে?**

•উত্তর: সমাজের অন্যায় ব্যবস্থার প্রতি তীব্র শ্লেষ ও ব্যঙ্গ।

২৫.বিড়ালের বিচার বিশ্লেষণ শুনে কমলাকান্তের লাঠির কী দশা হয়েছিল?

•উত্তর: কমলাকান্তের হাত থেকে লাঠিটি আস্তে আস্তে মাটিতে খসে পড়েছিল।

২৬.বিড়ালটি কমলাকান্তের কাছে কী প্রার্থনা করেছিল?

উত্তর:সমাজে যেন তাদের (দরিদ্র ও অবহেলিতদের) প্রতি একটু সহানুভূতি দেখানো হয়।

•২৭.কমলাকান্ত শেষ পর্যন্ত বিড়ালকে কী প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন?

•উত্তর:পরের বার প্রসন্ন দুধ দিলে, তিনি বিড়ালকে ভাগ দেবেন।

২৮.‘বিড়াল’ প্রবন্ধের মূল সুর বা থিম কী?

•উত্তর:সাম্যবাদ, সামাজিক শোষণমুক্তি এবং শোষিত শ্রেণীর অধিকারের সপক্ষে যুক্তি।

২৯.বিড়াল কার পেটের ব্যথার ওষুধ খেতে বলেছিল?

•উত্তর:ধনীদের (যারা অতিরিক্ত খেয়ে পেটের ব্যথায় ভোগে, অথচ গরিবকে দেয় না)।

৩০.বঙ্কিমচন্দ্র এই রম্য রচনার আড়ালে মূলত কী করতে চেয়েছেন?

•উত্তর:তৎকালীন সমাজব্যবস্থার ভণ্ডামি ও ধনী শ্রেণীর নিষ্ঠুরতাকে তীব্র উপহাস ও যুক্তির মাধ্যমে আক্রমণ করেছেন।

৩১.কমলাকান্ত আফিমের নেশায় কোন কাল্পনিক যুদ্ধের সেনাপতিদের দেখছিলেন?

•উত্তর:ওয়াটারলুর যুদ্ধে ডিউক অফ ওয়েলিংটন এবং নেপোলিয়ান বোনাপার্টকে।

৩২.“ক্ষুধার্তের চুরি করা অধর্ম নয়”- এই বক্তব্যের সপক্ষে বিড়াল কার মত বা উদ্ধৃতি দিয়েছিল?

•উত্তর:প্রাচীন শাস্ত্রকার বা পণ্ডিতদের (বিড়াল বলেছিল, "স্মৃতিশাস্ত্রকারেরা বলেন যে, আতুরের নিয়মে দোষ নাই")।

৩৩.বিড়ালের মতে, চোরের দণ্ড বা শাস্তি দেওয়ার আগে বিচারকের কী করা উচিত?

•উত্তর:বিচারকের অন্তত তিন দিন উপবাস বা না খেয়ে থাকা উচিত, যাতে তিনি ক্ষুধার কষ্ট বুঝতে পারেন।

৩৪.“বিজ্ঞ লোকের মত এই যে, যখন বিচারক পরাস্ত হইবে...”-তখন বিজ্ঞ লোকের পরামর্শ কী?

•উত্তর:গম্ভীরভাবে উপদেশ প্রদান করা (কমলাকান্ত বিড়ালকে পরাস্ত করতে না পেরে এই পথই বেছে নিয়েছিলেন)।

৩৫. বিড়াল কমলাকান্তকে কোন বিশেষ বিশেষণ বা উপাধিতে সম্বোধন করেছিল?

•উত্তর: "হে কমলাকান্তবাবু!" এবং পরে তাকে একজন "পণ্ডিত" ও "দয়ার্দ্রচিত্ত" ব্যক্তি হিসেবে গণ্য করেছে।

৩৬.“কালো চামড়া দেখিয়া ঘৃণা করিও না” — বিড়ালের এই বক্তব্যের অন্তর্নিহিত অর্থ কী?

•উত্তর:বাহ্যিক রূপ বা সামাজিক অবস্থান দেখে কাউকে অবহেলা না করে তার ভেতরের মানুষের বা প্রাণীর কষ্টকে বোঝার আহ্বান।

৩৭.প্রসন্ন গোয়ালিনীকে বিড়াল কী বলে অভিহিত করেছে?*

•উত্তর: অত্যন্ত কৃপণ এবং অধার্মিক (যে গরুর দুধে জল মেশায়, অথচ ক্ষুধার্ত বিড়ালকে দুধ দিতে চায় না)।

৩৮.কমলাকান্ত বিড়ালকে শেষ পর্যন্ত কোন তাত্ত্বিক উপদেশ দিয়েছিলেন?

•উত্তর: কমলাকান্ত তাকে বলেছিলেন যে, চুরি করা ভালো নয়, অধর্মের পথে না গিয়ে ধর্মোপদেশে মন দিতে।

৩৯. বিড়ালের মতে, সমাজের কোন ব্যক্তিরা অধর্মের আসল হোতা?

•উত্তর:যারা নিজেরা প্রয়োজনের অতিরিক্ত সম্পদ জমিয়ে রাখে এবং অন্যকে অনাহারে মরতে বাধ্য করে।

৪০.“এ সংসারের এক একটি অতি অপূর্ব নিয়ম এই যে...” -প্রবন্ধ অনুযায়ী সেই অপূর্ব নিয়মটি কী?

•উত্তর:যে খেতে পায় না তাকে কেউ খেতে দেয় না, আর যার পেট ভরা তাকেই সবাই খাওয়াতে চায়।

৪১.কমলাকান্তের মতে, সমাজে চোরের চেয়েও বড় চোর কারা?

•উত্তর:সাধুবেশী কৃপণ ধনীরা, যারা গরিবের হক বা প্রাপ্য লুণ্ঠন করে ধনী হয়েছে।

৪২.বিড়ালের কথাগুলো কমলাকান্তের কাছে কেমন মনে হয়েছিল?

•উত্তর:অত্যন্ত যৌক্তিক, সামাজিক সাম্যবাদী দর্শনে ভরপুর এবং ‘সোশ্যালিস্ট’ (Socialist) বা সমাজতান্ত্রিক ভাবধারার।

৪৩.বিড়াল নিজেকে সমাজের কোন শ্রেণীর প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থাপন করেছে?

•উত্তর: বঞ্চিত, শোষিত, ক্ষুধার্ত ও অবহেলিত দরিদ্র শ্রেণীর প্রতিনিধি।

৪৪.“মার্জার মহোদয়া” কমলাকান্তের কোন জিনিসটি হরণ বা চুরি করেছিলেন?

•উত্তর: কমলাকান্তের জন্য বরাদ্দ আধ-সের খাঁটি দুধ।

৪৫.বিড়াল প্রসন্ন গোয়ালিনীর গাভী (গরু) সম্পর্কে কী মন্তব্য করেছিল?

•উত্তর:গাভীটি প্রসন্নর একার নয়, সেটি ঈশ্বরের সৃষ্টি এবং তার দুধের ওপর ক্ষুধার্ত সব প্রাণীরই অধিকার আছে।

৪৬.কমলাকান্ত লাঠিটি নামিয়ে রাখার পর বিড়ালটির প্রতিক্রিয়া কী ছিল?

•উত্তর:বিড়ালটি বুঝতে পেরেছিল যে কমলাকান্ত তার যুক্তি মেনে নিয়েছেন, তাই সে আরও নিশ্চিন্ত হয়ে বসলো।

৪৭.“তুমি যদি ঐ লাঠি লাড়াইয়া আমার মাথা ভাঙিয়া দাও, তবে তাহাতে তোমার কী গৌরব?”- বিড়াল কেন এ কথা বলেছিল?

•উত্তর: কারণ একজন ক্ষুধার্ত ও দুর্বল প্রাণীর ওপর লাঠি চালানো কোনো বীরত্ব বা গৌরবের কাজ নয়।

৪৮.বিড়াল কার পেটের অসুখ বা ‘প্লীহা’ বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করেছে?

•উত্তর:সমাজের বাবু বা ধনী ব্যক্তিদের, যারা শ্রম না করে শুধু খেয়ে খেয়ে পেটের রোগে ভোগে।

৪৯.প্রবন্ধের শেষে কমলাকান্ত বিড়ালকে বিদায় করার জন্য কী দিয়েছিলেন?

   •উত্তর: একটি আফিমের গুলি (নিল ডাউন) দেওয়ার লোভ দেখিয়েছিলেন, যাতে বিড়ালটি শান্ত থাকে।

৫০.বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ‘বিড়াল’ প্রবন্ধে কোন ধরনের সাহিত্যিক কৌশল ব্যবহার করেছেন?

  •উত্তর: ‘অ রূপক’ বা ‘অ্যালিগরি’ (Allegory) এবং শ্লেষাত্মক (Satirical) রসবোধ।




Comments

Popular posts from this blog

একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়।

  একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়-সারদা মঙ্গল               গীতিকাব্য হলো এক ধরনের কবিতা, যার মধ্যে দিয়ে ব্যক্তির আবেগ, অনুভূতি এবং অভিজ্ঞতাগুলিকে ছন্দ ওর সংগীতের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। তবে এখানে কবিতাগুলি খুবই ছোট আকারের হয়, আর সেখানে কবির ব্যক্তিগত অনুভূতির গভীরতা ও আন্তরিকতা প্রকাশ পায়। আর এই প্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি গীতি কবিতার সংকলন হলো গীতিকাব্য। ব্যঞ্জনাময় ও সংহত ।  গীতিকাব্যের বৈশিষ্ট্য  গীতিকাব্যের কিছু প্রধান বৈশিষ্ট্য নিচে আলোচনা করা হলো: ১. ব্যক্তিগত অনুভূতি ও আবেগ প্রকাশ: এটি গীতিকাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য। এখানে কবি নিজের ব্যক্তিগত অনুভূতি, প্রেম, বিরহ, আনন্দ বা বিষাদের কথা তুলে ধরেন। ২. সংক্ষিপ্ততা: গীতিকাব্য সাধারণত দীর্ঘ হয় না। অল্প কয়েকটি স্তবকের মধ্যে কবি তাঁর ভাবনা সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করেন। ৩. সুর ও ছন্দের প্রাধান্য: গীতিকাব্য মূলত সুর করে আবৃত্তি করার জন্য রচিত হয়। তাই এতে সুর ও ছন্দের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়। ৪. আত্মগতভাব: গীতিকাব্যে বাইরের জগতের বর্ণনা না দিয়ে কবির নিজের মনের ভেতরের জগতের প্রতি মনোযোগ ...

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর ।

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর  ১) শিল্প বিপ্লব কবে কোথায় প্রথম ঘটেছিল?         উত্তর - প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়েছিল ইংল্যান্ডে (গ্রেট ব্রিটেন)। এটি প্রধানত অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হয়ে প্রায় ১৭৬০ থেকে ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দ-এর মধ্যে ঘটেছিল। ২) কৃষ্ণমৃত্যু কী?            • কৃষ্ণমৃত্যু (Black Death) হলো মানব ইতিহাসের এক ভয়াবহ মহামারি।এটি ছিল মূলত প্লেগ (Plague) রোগ, যা Yersinia pestis নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে সৃষ্টি হয়েছিল।এটি প্রধানত ১৩৪৬ থেকে ১৩৫৩ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে ইউরোপ, এশিয়া (ইউরেশিয়া) এবং উত্তর আফ্রিকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল। ৩) কে বলেছিলেন মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড?        •এই বিখ্যাত উক্তিটি যিনি করেছিলেন তিনি হলেন প্রাচীন গ্রিসের একজন প্রখ্যাত দার্শনিক, যার নাম প্রোটাগোরাস (Protagoras)।তাঁর মূল বক্তব্যটি ছিল-"মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড, যা আছে তারও, আর যা নেই তারও।” ৪) পেত্রাক কেন বিখ্যাত?         •পেত্রাক (Francesco Petrarca) ছিলেন ১৪ শতকের (১৩০৪-১৩৭৪) একজন ...

চতুর্থ সেমিস্টার জেনারেল ইতিহাস ছোট প্রশ্ন ২০২১

 *১) সুজাউদ্দৌলা কে ছিলেন বা মুর্শিদকুলি খাঁর মৃত্যুর পর কে বাংলার নবাব হন?  উত্তর - সুজা উদ্দৌলা আয়ুধের সুবেদার নবাব ছিলেন। মুর্শিদকুলি খাঁর মৃত্যুর পর তার জামাতা বাংলার নবাব  হন ১৭৫৪-১৭৭৫ খ্রীস্টাব্দ পর্যন্ত। নবাব থাকাকালীন তিনি বক্সারের যুদ্ধ এবং পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন। *২) কোন সালে রেগুলেটিং আইন জারি করা হয়েছিল? উত্তর - ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দুর্নীতি দূরীকরণ, গঠন বিন্যাস ও নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্রিটিশ সরকার ১৭৭৩ খ্রিস্টাব্দে রেগুলেটিং আইন প্রণয়ন করেন। আর সেই আইনে বলা হয় বাংলা বোম্বাই ও মাদ্রাজে ১ করে কাউন্সিল থাকবে। *৩) শ্রী রঙ্গপত্তমের সন্ধিতে স্বাক্ষরকারী কারা কারা ছিলেন ?কখন এই সন্ধিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল? উত্তর - তৃতীয় ইঙ্গ মহীশূর যুদ্ধের অবসান হয়েছিল শ্রীরঙ্গপত্তমের সন্ধির দ্বারা। আর এই সন্ধিতে ঠিক হয় টিপু সুলতান ইংরেজদের তিন কোটি টাকা এবং জামিন স্বরূপ তার দুই পুত্রকে দিতে বাধ্য হবেন। এছাড়া বিজিত অঞ্চল ইংরাজ, মারাঠা ও নিজামের মধ্যে বন্টিত হল। যে সন্ধির দুটি পক্ষ ছিল একদিকে ছিলেন টিপু সুলতান এবং অপরদিকে ছিলেন ইংরেজ। সময়কালটি ছি...