Skip to main content

আইন অমান্য, ভারত ছাড়ো আন্দোলন, তেভাগা আন্দোলন তেভাগা আন্দোলন, ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে বামপন্থীদের ভূমিকা।

 ১)আইন অমান্য আন্দোলন (কৃষক) দের ভূমিকা:-

২)ভারত ছাড়ো আন্দোলন (কৃষক) দের ভূমিকা:-

৩)ভারতের স্বাধীনোত্তর পর্বে (কৃষক)অভূথ্যান তেভাগা আন্দোলন:-

৪)বিংশ শতকের ভারতে উপনিবেশ - বিরোধী আন্দোলনে বামপন্থী রাজনীতির অংশগ্রহণ :-

১) আইন অমান্য আন্দোলনে কৃষকদের ভূমিকাঃ১৯৩০ সালে গান্ধীজির নেতৃত্বে শুরু হওয়া আইন অমান্য আন্দোলনে ভারতের কৃষক সমাজ স্বতঃস্ফূর্তভাবে যোগ দিয়েছিল। বিভিন্ন অঞ্চলে কৃষকদের প্রধান ভূমিকা ছিল নিম্নরূপ-

      •কর ও খাজনা বন্ধ আন্দোলনঃএই আন্দোলনের মূল হাতিয়ার ছিল কর না দেওয়া। উত্তরপ্রদেশে জওহরলাল নেহেরুর নেতৃত্বে কৃষকরা 'খাজনা বন্ধ' (No-rent) এবং জমিদারি কর বন্ধের (No-revenue) আন্দোলন শুরু করে।

      •চৌকিদারি কর বয়কটঃ বিহার, বাংলা (বিশেষত মেদিনীপুর, আরামবাগ) এবং উড়িষ্যায় কৃষকরা স্থানীয় প্রশাসনকে 'চৌকিদারি কর' দিতে অস্বীকার করে। মেদিনীপুরে এই আন্দোলন তীব্র আকার ধারণ করেছিল।

      •বর্দোলি ও গুজরাটঃ গুজরাটের বর্দোলি এবং খেদা অঞ্চলের পতিদার কৃষকরা সরকারের রাজস্ব বয়কট করে। সরকার তাদের জমি ও গবাদিপশু বাজেয়াপ্ত করলেও তারা আন্দোলন থেকে পিছু হঠেনি।

      •বনাঞ্চল আইন অমান্যঃমধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র এবং কর্ণাটকের উপজাতি ও দরিদ্র কৃষকরা ঔপনিবেশিক বন আইন অমান্য করে সরকারি জঙ্গলে গবাদিপশু চড়ানো এবং কাঠ সংগ্রহ করা শুরু করে। তবে-

        ধনী ও মাঝারি কৃষকরা আন্দোলনের শুরুতে সক্রিয় থাকলেও, ১৯৩১ সালে গান্ধী-আরউইন চুক্তির ফলে আন্দোলন হঠাৎ স্থগিত হলে এবং তাদের বাজেয়াপ্ত জমি ফেরত না পাওয়ায় তারা পরবর্তীতে কিছুটা নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে।

২) ভারত ছাড়ো আন্দোলনে কৃষকদের ভূমিকাঃ১৯৪২ সালের ভারত ছাড়ো আন্দোলন বা ‘আগস্ট বিপ্লব’-এ ভারতের কৃষক সমাজ এক বৈপ্লবিক ও মারমুখী ভূমিকা পালন করেছিল। গান্ধীজির ‘করেঙ্গে ইয়ে মরেঙ্গে’ মন্ত্রে উদ্বুদ্ধ হয়ে তারা আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ে। আর সেখানে আমরা দেখতে পাই-

      •নেতৃত্বহীন আন্দোলন ও স্বতঃস্ফূর্ততাঃকংগ্রেসের শীর্ষ নেতারা গ্রেফতার হওয়ার পর কৃষকরা নিজেরাই আন্দোলনের নেতৃত্ব হাতে নেয়। বিহার, উত্তরপ্রদেশ, বাংলা ও উড়িষ্যার গ্রামীণ অঞ্চলে আন্দোলন গণ-অভ্যুত্থানের রূপ নেয়।

      •সরকারি ক্ষমতার প্রতীক ধ্বংসঃ বিক্ষুব্ধ কৃষকরা ঔপনিবেশিক শাসনের প্রতীক রেললাইন উপড়ে ফেলে, টেলিগ্রামের তার কেটে দেয়, থানা ও পোস্ট অফিসে আগুন লাগিয়ে দেয় এবং শস্য গুদাম লুণ্ঠন করে।

     •সমান্তরাল সরকার গঠনঃ মেদিনীপুরের তমলুকে কৃষকদের সমর্থনে ‘তমলুক জাতীয় সরকার’ (তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকার) গঠিত হয়। এছাড়া মহারাষ্ট্রের সাতারা এবং উড়িষ্যার তলচেরে কৃষকরা নিজস্ব সমান্তরাল সরকার গড়ে তোলে।

       •বিহার ও উত্তরপ্রদেশের তীব্রতাঃউত্তরপ্রদেশের আজমগড়, বালিয়া এবং বিহারের মুঙ্গের ও ভাগলপুরে কৃষকরা সম্পূর্ণ শাসনব্যবস্থা স্তব্ধ করে দিয়েছিল। ব্রিটিশরা বিমান থেকে গুলি চালিয়েও এই কৃষক বিদ্রোহ দমাতে হিমশিম খেয়েছিল।আসলে-

         ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সমস্ত স্তরের কৃষকদের এই মারমুখী অংশগ্রহণের ফলেই ভারত ছাড়ো আন্দোলন ব্রিটিশ শাসনের ভিত কাঁপিয়ে দিতে পেরেছিল।

৩) ভারতের স্বাধীনোত্তর পর্বে তেভাগা আন্দোলনঃ১৯৪৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে অবিভক্ত বাংলায় শুরু হওয়া এবং ১৯৪৭ সালের স্বাধীনতার পরেও স্থায়ী হওয়া ‘তেভাগা আন্দোলন’ ছিল বাংলার ইতিহাসের অন্যতম বৃহত্তম বর্গাচাষী বা ভাগচাষীদের আন্দোলন।আর সেখানে-

      •মূল দাবি ও স্লোগানঃ ফ্লউড কমিশনের (Floud Commission) সুপারিশ অনুযায়ী ভাগচাষীদের মূল দাবি ছিল-উৎপাদিত ফসলের তিন ভাগের দুই ভাগ দিতে হবে চাষীকে এবং এক ভাগ পাবেন জমিদার বা জোতদার। তাদের স্লোগান ছিল-

     "নিজ খামারে ধান তোলো"এবং "তেভাগা চাই"।

     •নেতৃত্ব ও বিস্তারঃ কমিউনিস্ট পার্টি পরিচালিত ‘প্রাদেশিক কিষাণ সভা’ এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দেয়। কমরেড চারু মজুমদার, ভবানী সেন, কংসারী হালদার প্রমুখ নেতা এতে যুক্ত ছিলেন। উত্তরবঙ্গের দিনাজপুর, রংপুর, জলপাইগুড়ি এবং দক্ষিণবঙ্গের চব্বিশ পরগনা ও মেদিনীপুরে এই আন্দোলন তীব্র রূপ নেয়।

       •নারীদের ভূমিকাঃতেভাগা আন্দোলনে রাজবংশী ও আদিবাসী কৃষক নারীদের ভূমিকা ছিল গৌরবময়। ‘নারী বাহিনী’ গঠন করে তারা লাঠি, বঁটি নিয়ে পুলিশ ও জোতদারদের গুণ্ডাবাহিনীকে প্রতিরোধ করেছিল (যেমন- দিনাজপুরের মা অপূর্ণা ও যশোদা)।

        •দমন ও পরিণতিঃ মুসলিম লীগ সরকার এবং স্থানীয় জোতদাররা নির্মম পুলিশি অত্যাচার চালিয়ে আন্দোলন দমন করে। প্রায় ৭০ জন কৃষক পুলিশের গুলিতে মারা যান।তবে-

          তাৎক্ষণিকভাবে তেভাগা আইন পাস না হলেও, এই আন্দোলন জোতদারী ব্যবস্থার ভিত নড়বড়ে করে দেয় এবং পরবর্তীকালে ১৯৫০ সালের ‘bargadars act’ ও স্বাধীন ভারতের ভূমি সংস্কারের পথ প্রশস্ত করে।

৪) বিংশ শতকের ভারতে উপনিবেশ-বিরোধী আন্দোলনে বামপন্থী রাজনীতির অংশগ্রহণ।

       বিংশ শতকের বিশের দশক থেকে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে বামপন্থী তথা কমিউনিস্ট ভাবধারার রাজনীতি এক নতুন মাত্রা যোগ করে। ভারতের জাতীয় আন্দোলনে তাদের অবদান নিচে আলোচনা করা হলো-

       •প্রতিষ্ঠা ও আদর্শঃ১৯২০ সালে তাসখন্দে এবং ১৯২৫ সালে কানপুরে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (CPI) আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়। মানবেন্দ্রনাথ রায়, মুজফফর আহমদ, শ্রীপাদ অমৃত ডাঙ্গে প্রমুখের নেতৃত্বে বামপন্থীরা পূর্ণ স্বাধীনতার দাবি তোলেন।

       •পূর্ণ স্বাধীনতার প্রথম দাবিঃ১৯২১ সালের আমেদাবাদ অধিবেশনে কমিউনিস্ট নেতা হসরাত মোহানি প্রথম কংগ্রেসের মঞ্চ থেকে ‘পূর্ণ স্বরাজ’ বা সম্পূর্ণ স্বাধীনতার দাবি উত্থাপন করেন, যা পরবর্তীতে ১৯২৯ সালে কংগ্রেস গ্রহণ করতে বাধ্য হয়।

       •শ্রমিক ও কৃষক সংগঠনঃবামপন্থীরাই প্রথম ভারতের শ্রমিক ও কৃষকদের সংগঠিত করে স্বাধীনতা আন্দোলনে শামিল করে। ১৯২০ সালে ‘আইটাক’ (AITUC) এবং ১৯৩৬ সালে ‘নিখিল ভারত কিষাণ সভা’ গঠনে বামপন্থীদের প্রধান ভূমিকা ছিল। তারা সাইমন কমিশন বিরোধী আন্দোলন ও ওয়াভেল পরিকল্পনার বিরুদ্ধে বড় ধর্মঘট গড়ে তোলে।

       •সশস্ত্র ও যুব আন্দোলনঃ ভগৎ সিং-এর ‘হিন্দুস্তান সোশ্যালিস্ট রিপাবলিকান অ্যাসোসিয়েশন’ (HSRA) সমাজতান্ত্রিক আদর্শে অনুপ্রাণিত ছিল। এছাড়া চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠনের পর সূর্য সেনের অনেক অনুগামী জেলে বসে বামপন্থী আদর্শে দীক্ষিত হন।

     •ব্রিটিশদের দমন নীতিঃ বামপন্থীদের শক্তিবৃদ্ধিতে ভীত হয়ে ব্রিটিশ সরকার পেশোয়ার ষড়যন্ত্র মামলা (১৯২২), কানপুর ষড়যন্ত্র মামলা (১৯২৪) এবং মিরাট ষড়যন্ত্র মামলা (১৯২৯)-র মাধ্যমে মুজফফর আহমদ, ডাঙ্গে সহ বহু বামপন্থী নেতাকে দীর্ঘ কারাদণ্ড দেয়।তবে-

          দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় সোভিয়েত ইউনিয়ন মিত্রপক্ষে যোগ দেওয়ায় ভারতের কমিউনিস্টরা ১৯৪২-এর ভারত ছাড়ো আন্দোলন থেকে দূরত্ব বজায় রাখে, যা তাদের জনপ্রিয়তায় কিছুটা ধাক্কা দিয়েছিল। তবে সার্বিকভাবে বামপন্থীরা স্বাধীনতা আন্দোলনকে বুর্জোয়া গণ্ডি থেকে বের করে সাধারণ মেহনতি মানুষের আন্দোলনে পরিণত করেছিল।



Comments

Popular posts from this blog

একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়।

  একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়-সারদা মঙ্গল               গীতিকাব্য হলো এক ধরনের কবিতা, যার মধ্যে দিয়ে ব্যক্তির আবেগ, অনুভূতি এবং অভিজ্ঞতাগুলিকে ছন্দ ওর সংগীতের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। তবে এখানে কবিতাগুলি খুবই ছোট আকারের হয়, আর সেখানে কবির ব্যক্তিগত অনুভূতির গভীরতা ও আন্তরিকতা প্রকাশ পায়। আর এই প্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি গীতি কবিতার সংকলন হলো গীতিকাব্য। ব্যঞ্জনাময় ও সংহত ।  গীতিকাব্যের বৈশিষ্ট্য  গীতিকাব্যের কিছু প্রধান বৈশিষ্ট্য নিচে আলোচনা করা হলো: ১. ব্যক্তিগত অনুভূতি ও আবেগ প্রকাশ: এটি গীতিকাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য। এখানে কবি নিজের ব্যক্তিগত অনুভূতি, প্রেম, বিরহ, আনন্দ বা বিষাদের কথা তুলে ধরেন। ২. সংক্ষিপ্ততা: গীতিকাব্য সাধারণত দীর্ঘ হয় না। অল্প কয়েকটি স্তবকের মধ্যে কবি তাঁর ভাবনা সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করেন। ৩. সুর ও ছন্দের প্রাধান্য: গীতিকাব্য মূলত সুর করে আবৃত্তি করার জন্য রচিত হয়। তাই এতে সুর ও ছন্দের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়। ৪. আত্মগতভাব: গীতিকাব্যে বাইরের জগতের বর্ণনা না দিয়ে কবির নিজের মনের ভেতরের জগতের প্রতি মনোযোগ ...

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর ।

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর  ১) শিল্প বিপ্লব কবে কোথায় প্রথম ঘটেছিল?         উত্তর - প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়েছিল ইংল্যান্ডে (গ্রেট ব্রিটেন)। এটি প্রধানত অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হয়ে প্রায় ১৭৬০ থেকে ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দ-এর মধ্যে ঘটেছিল। ২) কৃষ্ণমৃত্যু কী?            • কৃষ্ণমৃত্যু (Black Death) হলো মানব ইতিহাসের এক ভয়াবহ মহামারি।এটি ছিল মূলত প্লেগ (Plague) রোগ, যা Yersinia pestis নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে সৃষ্টি হয়েছিল।এটি প্রধানত ১৩৪৬ থেকে ১৩৫৩ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে ইউরোপ, এশিয়া (ইউরেশিয়া) এবং উত্তর আফ্রিকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল। ৩) কে বলেছিলেন মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড?        •এই বিখ্যাত উক্তিটি যিনি করেছিলেন তিনি হলেন প্রাচীন গ্রিসের একজন প্রখ্যাত দার্শনিক, যার নাম প্রোটাগোরাস (Protagoras)।তাঁর মূল বক্তব্যটি ছিল-"মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড, যা আছে তারও, আর যা নেই তারও।” ৪) পেত্রাক কেন বিখ্যাত?         •পেত্রাক (Francesco Petrarca) ছিলেন ১৪ শতকের (১৩০৪-১৩৭৪) একজন ...

চতুর্থ সেমিস্টার জেনারেল ইতিহাস ছোট প্রশ্ন ২০২১

 *১) সুজাউদ্দৌলা কে ছিলেন বা মুর্শিদকুলি খাঁর মৃত্যুর পর কে বাংলার নবাব হন?  উত্তর - সুজা উদ্দৌলা আয়ুধের সুবেদার নবাব ছিলেন। মুর্শিদকুলি খাঁর মৃত্যুর পর তার জামাতা বাংলার নবাব  হন ১৭৫৪-১৭৭৫ খ্রীস্টাব্দ পর্যন্ত। নবাব থাকাকালীন তিনি বক্সারের যুদ্ধ এবং পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন। *২) কোন সালে রেগুলেটিং আইন জারি করা হয়েছিল? উত্তর - ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দুর্নীতি দূরীকরণ, গঠন বিন্যাস ও নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্রিটিশ সরকার ১৭৭৩ খ্রিস্টাব্দে রেগুলেটিং আইন প্রণয়ন করেন। আর সেই আইনে বলা হয় বাংলা বোম্বাই ও মাদ্রাজে ১ করে কাউন্সিল থাকবে। *৩) শ্রী রঙ্গপত্তমের সন্ধিতে স্বাক্ষরকারী কারা কারা ছিলেন ?কখন এই সন্ধিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল? উত্তর - তৃতীয় ইঙ্গ মহীশূর যুদ্ধের অবসান হয়েছিল শ্রীরঙ্গপত্তমের সন্ধির দ্বারা। আর এই সন্ধিতে ঠিক হয় টিপু সুলতান ইংরেজদের তিন কোটি টাকা এবং জামিন স্বরূপ তার দুই পুত্রকে দিতে বাধ্য হবেন। এছাড়া বিজিত অঞ্চল ইংরাজ, মারাঠা ও নিজামের মধ্যে বন্টিত হল। যে সন্ধির দুটি পক্ষ ছিল একদিকে ছিলেন টিপু সুলতান এবং অপরদিকে ছিলেন ইংরেজ। সময়কালটি ছি...