Skip to main content

 পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (WBSU) ৫ নম্বরের প্রশ্নের ধাঁচ অনুযায়ী, **‘সজারুর কাঁটা’** উপন্যাস থেকে লাইন তুলে (ব্যাখ্যামূলক / প্রসঙ্গ নির্দেশক) কিছু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সম্ভাব্য প্রশ্ন নিচে দেওয়া হলো:

## 📌 লাইন তুলে ৫ নম্বরের সম্ভাব্য প্রশ্নাবলী

### ১. *"সংসার জিনিসটা কেবল হৃদয়ের আদান-প্রদান নয়, আরো অনেক কিছু।"*

 * **(ক)** মন্তব্যটি কার এবং কাকে উদ্দেশ্য করে বলা?

 * **(খ)** উক্তিটির প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করো এবং বক্তার এই মন্তব্যের মধ্য দিয়ে কোন বাস্তব অভিজ্ঞতা ফুটে উঠেছে তা আলোচনা করো।

### ২. *"আজ আমার সত্যই ভয় হচ্ছে ব্যোমকেশ, কোন অনর্থ না ঘটে।"*

 * **(গ)** উক্তিটি কার? 'অনর্থ' বলতে বক্তা কিসের ইঙ্গিত দিয়েছেন?

 * **(ঘ)** কেন বক্তার মনে এই ভয়ের সঞ্চার হয়েছিল? সংক্ষেপে বুঝিয়ে লেখো।

### ৩. *"সজারুর কাঁটা একটা যন্ত্র মাত্র, আসল ঘাতক অন্য কেউ।"*

 * **(ক)** বক্তব্যটি কার?

 * **(খ)** 'সজারুর কাঁটা' কীভাবে হত্যার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল এবং বক্তা কেন একে কেবল ‘যন্ত্র’ হিসেবে দেখছেন তা বুঝিয়ে দাও।

### ৪. *"কিন্তু দীপা যদি সুখী না হয়, তবে আমার সমস্ত আয়োজনই পণ্ড।"*

 * **(ক)** মন্তব্যটি কার?

 * **(খ)** দীপাকে সুখী করার জন্য বক্তার কী প্রচেষ্টা ছিল এবং তাদের সম্পর্কের টানাপোড়েন কীভাবে কাহিনীতে জটিলতা তৈরি করে?

### ৫. *"রহস্য যখন জট পাকায়, তখন চোখের সামনের সহজ সত্যটাও স্পষ্ট হয় না।"*

 * **(ক)** উক্তিটির প্রসঙ্গ উল্লেখ করো।

 * **(খ)** ব্যোমকেশ বক্সী কীভাবে এই জটিল জট ছাড়িয়ে মূল অপরাধীর সন্ধান পেয়েছিলেন তা সংক্ষেপে আলোচনা করো।

## 📝 কীভাবে লিখবেন (উত্তর লেখার বিন্যাস):

১. **উৎস ও প্রসঙ্গ (১-২ নম্বর):** প্রথম অনুচ্ছেদে উপন্যাসের নাম, লেখকের নাম এবং ঘটনা বা চরিত্রের সঠিক প্রসঙ্গ উল্লেখ করবেন।

২. **মূল ব্যাখ্যা (৩-৪ নম্বর):** দ্বিতীয় অনুচ্ছেদে মূল প্রশ্নটির বিশদ কারণ বা তাত্পর্য পয়েন্ট আকারে পরিষ্কার করে বুঝিয়ে লিখবেন।


পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (WBSU) বি.এ. (বাংলা) পরীক্ষার জন্য শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের রহস্য-উপন্যাস **‘সজারুর কাঁটা’** থেকে ৫ নম্বরের সম্ভাব্য গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন এবং উত্তর লেখার কিছু প্রয়োজনীয় দিক নিচে দেওয়া হলো:

## 📌 ৫ নম্বরের সম্ভাব্য প্রশ্নাবলী

### ১. নামকরণের সার্থকতা

> **প্রশ্ন:** *‘সজারুর কাঁটা’* নামকরণের সার্থকতা সংক্ষেপে আলোচনা করো।

 * **উত্তরের মূল দিক:**

   * সজারুর কাঁটা কীভাবে অপরাধীর খুনের মূল হাতিয়ার হয়ে উঠেছে (বুকে গেঁথে দিয়ে হত্যা)।

   * সাধারণ এবং সহজলভ্য বস্তু দিয়ে অপরাধ সংঘটনের মধ্যে অপরাধীর মনস্তাত্ত্বিক রূপ ও নিখুঁত পরিকল্পনার প্রতিফলন।

   * নামকরণটি কীভাবে কৌতূহল সৃষ্টি করে এবং সমগ্র কাহিনীর মূল রহস্যের প্রতীক হয়ে ওঠে।

### ২. দেবাশীষ ভট্টাচার্য ও দীপার সম্পর্ক

> **প্রশ্ন:** দেবাশীষ ও দীপার বিবাহোত্তর সম্পর্কের টানাপোড়েন সংক্ষেপে লেখো।

 * **উত্তরের মূল দিক:**

   * দেবাশীষের একতরফা ভালোবাসা ও দীপাকে স্ত্রী হিসেবে পাওয়ার আকুলতা।

   * দীপার মনের অমিল, দূরত্ব এবং প্রবাল গুপ্তের প্রতি তার গোপন অনুরাগের প্রভাব।

   * কীভাবে এই সম্পর্কের জটিলতা কাহিনীর রহস্যকে আরও গভীর করে তুলেছিল।

### ৩. অপরাধীর মনস্তত্ত্ব ও খুনের কৌশল

> **প্রশ্ন:** ‘সজারুর কাঁটা’ উপন্যাসে খুনির অপরাধ করার কৌশল ও মনস্তত্ত্ব সংক্ষেপে বিশ্লেষণ করো।

 * **উত্তরের মূল দিক:**

   * জনবহুল ও অন্ধকার স্থানে সজারুর কাঁটা দিয়ে তীক্ষ্ণ আঘাতের কৌশল।

   * শনাক্তকরণ এড়ানোর জন্য অপ্রাসঙ্গিক বা আপাত-সম্পর্কহীন ব্যক্তিদের লক্ষ্যবস্তু করা।

   * অপরাধীর প্রতিশোধস্পর্ধা, আত্মঅহংকার এবং ব্যোমকেশকে চ্যালেঞ্জ জানানোর মানসিকতা।

### ৪. প্রবাল গুপ্তের চরিত্র

> **প্রশ্ন:** ‘সজারুর কাঁটা’ উপন্যাসে প্রবাল গুপ্তের চরিত্রটি সংক্ষেপে আলোচনা করো।

 * **উত্তরের মূল দিক:**

   * প্রবালের ব্যক্তিত্ব, তার আকর্ষণ এবং দীপার ওপর তার প্রভাব।

   * কাহিনীর মোড় ঘোরাতে এবং দেবাশীষের মনে সন্দেহ ও জটিলতা তৈরিতে তার ভূমিকা।

   * রহস্যের জট খোলার ক্ষেত্রে তার অবস্থানের গুরুত্ব।

### ৫. ব্যোমকেশ বক্সীর তদন্ত পদ্ধতি

> **প্রশ্ন:** সজারুর কাঁটা রহস্য উন্মোচনে সত্যসন্ধানী ব্যোমকেশের বুদ্ধিমত্তা ও পর্যবেক্ষণ ক্ষমতার পরিচয় দাও।

 * **উত্তরের মূল দিক:**

   * পুলিশের ধরাবাঁধা উপায়ের বাইরে গিয়ে অপরাধীর মানসিক গঠন বোঝা।

   * সূক্ষ্ম নিদর্শন (যেমন কাঁটার ব্যবহার ও সময়সূচী) বিশ্লেষণ করে সত্যে পৌঁছানো।

   * আবেগের জটিলতা ছাড়িয়ে ঠান্ডা মাথায় বৈজ্ঞানিক ও মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে আসল অপরাধীকে চিহ্নিত করা।

### ৬. সামাজিক পটভূমি ও পরিবেশ

> **প্রশ্ন:** ‘সজারুর কাঁটা’ উপন্যাসে তৎকালীন কলকাতার মধ্যবিত্ত সমাজের যে চিত্র ফুটে উঠেছে তা সংক্ষেপে লেখো।

 * **উত্তরের মূল দিক:**

   * তৎকালীন কলকাতার সিনেমা হল, অন্ধকার গলি ও নৈশ জীবনের আবহ।

   * মধ্যবিত্ত সংসারের মানসিক টানাপোড়েন, বিয়ে ও সম্পর্কের জটিলতা।

   * রহস্যের সাথে বাস্তবসম্মত নগরজীবনের নিখুঁত রূপায়ণ।

## 💡 ৫ নম্বরের উত্তর লেখার কিছু কার্যকর টিপস:

 * **শব্দসীমা ও গঠন:** উত্তর ১৫০-২০০ শব্দের মধ্যে রাখা ভালো। ১টি ভূমিকা, ২-৩টি পয়েন্ট এবং ১টি সংক্ষিপ্ত উপসংহার থাকবে।

 * **সরাসরি পয়েন্ট:** ৫ নম্বরের প্রশ্নে ভূমিকা বেশি দীর্ঘ না করে সরাসরি মূল প্রসঙ্গে আসা প্রয়োজন।

 * **উপন্যাসের উদ্ধৃতি:** সম্ভব হলে মূল পাঠের ১-২টি ছোট চরিত্র-উক্তি বা প্রসঙ্গের উল্লেখ করলে উত্তর অনেক মানসম্মত হয়।



বাঙালি কল্পবিজ্ঞান সাহিত্যের এক অনন্য সৃষ্টি প্রেমেন্দ্র মিত্রের **‘মঙ্গল গ্রহে ঘনাদা’** উপন্যাস। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পরীক্ষা এবং বি.এ. (বাংলা) পরীক্ষার কথা মাথায় রেখে এই উপন্যাস থেকে ৫ নম্বরের কিছু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সম্ভাব্য প্রশ্ন নিচে দেওয়া হলো:

## 📌 ৫ নম্বরের সম্ভাব্য প্রশ্নাবলী (সরাসরি ও চরিত্রভিত্তিক)

### ১. মঙ্গলের পাতাল শহরের ইতিহাস ও মাঙ্গলিকদের পরিণতি

> **প্রশ্ন:** ঘনাদার বিবরণ অনুযায়ী মঙ্গল গ্রহের পাতাল শহরের ইতিহাস এবং মাঙ্গলিকদের পরিণতির বিবরণ দাও।

 * **উত্তরের মূল দিক:** পারমাণবিক যুদ্ধ ও প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে মঙ্গলের উপরিভাগ বসবাসের অযোগ্য হয়ে ওঠার কাহিনী। সূর্যের অতিবেগুনি (আল্ট্রা-ভায়োলেট) ও কসমিক রশ্মি থেকে বাঁচতে পাতাল শহর তৈরি ও শেষ পর্যন্ত মাঙ্গলিকদের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাওয়ার ট্র্যাজেডি।

### ২. উন্মাদ বিজ্ঞানী লুটভিক ও মহাকাশ যাত্রা

> **প্রশ্ন:** ‘মঙ্গল গ্রহে ঘনাদা’ উপন্যাসে উন্মাদ বিজ্ঞানী লুটভিকের চরিত্র এবং তার মহাকাশ যানের ভূমিকা সংক্ষেপে আলোচনা করো।

 * **উত্তরের মূল দিক:** বিজ্ঞানী লুটভিকের অদ্ভুত মানসিকতা ও মহাকাশ যান আবিষ্কার। ঘনাদা, সুরঞ্জন ও বটুকেশ্বরকে প্রায় বন্দী অবস্থায় সেই যানে করে মঙ্গলে নিয়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপট।

### ৩. মঙ্গল গ্রহের প্রাকৃতিক পরিবেশ ও আবহাওয়া

> **প্রশ্ন:** ঘনাদার বর্ণনায় মঙ্গল গ্রহের আবহাওয়া ও প্রকৃতির যে রূপ ফুটে উঠেছে তা নিজের ভাষায় লেখো।

 * **উত্তরের মূল দিক:** ঘনাদার চোখে মঙ্গল গ্রহ কীভাবে ‘লাল বালির রাজ্য’ বা ‘ধাঁধিকা’ হয়ে উঠেছিল। মঙ্গলের নির্মল আবহাওয়া (সমুদ্রের ধারের হাওয়ার মতো অনুভূতি) এবং পৃথিবীর তুলনায় কম মাধ্যাকর্ষণের কারণে সেখানে চলাফেরার অভিজ্ঞতা।

### ৪. সুরঞ্জন ও বটুকেশ্বরকে মঙ্গলে রেখে আসার কারণ

> **প্রশ্ন:** উপন্যাসের শেষে ঘনাদা কেন সুরঞ্জন ও বটুকেশ্বরকে মঙ্গল গ্রহে ছেড়ে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তা সংক্ষেপে বুঝিয়ে দাও।

 * **উত্তরের মূল দিক:** মঙ্গলের অবশিষ্ট অধিবাসীদের (পরমাসুন্দরী রমণী) অস্তিত্ব রক্ষা এবং মঙ্গলের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে ঘনাদার নেওয়া সেই অদ্ভুত ও চমকপ্রদ সিদ্ধান্ত।

## 📌 লাইন তুলে (ব্যাখ্যামূলক) ৫ নম্বরের প্রশ্নাবলী

পরীক্ষায় অনেক সময় মূল টেক্সট থেকে লাইন তুলে প্রশ্ন করা হয়। তার কিছু নমুনা নিচে দেওয়া হলো:

### ৫. *"সেখানে প্রাণের বিকাশ আর বিবর্তন আমাদের পৃথিবীর অনেক আগেই হয়..."*

 * **(ক)** উক্তিটি কার এবং কোন গ্রহের কথা এখানে বলা হয়েছে?

 * **(খ)** উক্ত গ্রহের বিবর্তনের ইতিহাস ও ধ্বংসের কারণ বক্তা কীভাবে ব্যাখ্যা করেছেন?

### ৬. *"মঙ্গল গ্রহ পৃথিবীর তুলনায় ছোট। চাঁদের মতো অত অল্প না হলেও তার মাধ্যাকর্ষণ পৃথিবীর চেয়ে অনেক কম।"*

 * **(ক)** কোন প্রসঙ্গে এই বৈজ্ঞানিক সত্যটির অবতারণা করা হয়েছে?

 * **(খ)** এই কম মাধ্যাকর্ষণের কারণে মঙ্গলের মাটিতে স্পেস-স্যুট পরে হাঁটার ক্ষেত্রে অভিযাত্রীদের কী অভিজ্ঞতা হয়েছিল?

### ৭. *"মঙ্গল গ্রহের প্রাণীরা জালার মতো দেখতে যেটা আসলে তাদের তলা থেকে ওপরে ওঠবার জন্য স্পেস স্যুট।"*

 * **(ক)** মাঙ্গলিকদের শারীরিক বা বাহ্যিক রূপের এই ধাঁধাটি বক্তা কীভাবে সমাধান করেছেন?

 * **(খ)** মানুষের সঙ্গে মাঙ্গলিকদের চেহারার সাদৃশ্য নিয়ে ঘনাদা কী তত্ত্ব দিয়েছিলেন?

## 💡 পরীক্ষার খাতায় উত্তর লেখার কিছু কৌশল (Tips):

 * **কল্পবিজ্ঞান ও তথ্যের মেলবন্ধন:** প্রেমেন্দ্র মিত্রের ঘনাদার গল্পের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো এর ভেতরে লুকিয়ে থাকা বাস্তব বিজ্ঞান। তাই উত্তরের মধ্যে লেখকের ব্যবহৃত বৈজ্ঞানিক টার্মগুলো (যেমন—মাধ্যাকর্ষণ, কসমিক রশ্মি, পারমাণবিক যুগ) সঠিকভাবে উল্লেখ করলে নম্বর ভালো পাওয়া যায়।

 * **শব্দ সংখ্যা:** ৫ নম্বরের উত্তরের জন্য অতিরিক্ত ভূমিকা না লিখে সরাসরি মূল বক্তব্যে চলে যাওয়া উচিত এবং উত্তরটি যেন ১৫০ থেকে ২০০ শব্দের গণ্ডি না পেরোয়।




সত্যজিৎ রায়ের বিখ্যাত কল্পবিজ্ঞান চরিত্র **‘প্রফেসর শঙ্কু’** (যেমন—*‘ব্যোমযাত্রীর ডায়রি’*, *‘প্রফেসর শঙ্কু ও হাড়’*, *‘প্রফেসর শঙ্কু ও ইজি’* ইত্যাদি গল্প বা সমগ্র শঙ্কু সমগ্র) থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ও স্কুলের পরীক্ষার উপযোগী ৫ নম্বরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নাবলি নিচে দেওয়া হলো:

## 📌 ৫ নম্বরের সাধারণ ও বিষয়ভিত্তিক প্রশ্নাবলি

### ১. প্রফেসর শঙ্কুর গবেষণাগার ও উদ্ভাবনসমূহ

> **প্রশ্ন:** প্রফেসর ট্রিপানন্দ শঙ্কুর উদ্ভাবিত কয়েকটি অদ্ভুত ও গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রের নাম লিখে সেগুলির সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও।

 * **উত্তরের মূল দিক:**

   * **অ্যানিহিলেটিন পিস্তল:** যা কোনো বস্তুকে সম্পূর্ণ অদৃশ্য বা ধ্বংস করে দেয়।

   * **মিরাকিউরেল:** সমস্ত রোগ নিরাময়ের সর্বরোগহর ওষুধ।

   * **রেমিডিয়াম ও এয়ার-কন্ডিশনিং পিল:** মহাকাশ বা প্রতিকূল পরিবেশে বেঁচে থাকার ট্যাবলেট।

   * যন্ত্রগুলোর বৈজ্ঞানিক ধারণা এবং শঙ্কুর প্রজ্ঞার পরিচয়।

### ২. প্রোফেশনাল সঙ্গী ও সহকারী: প্রহল্লাদ ও নিউটন

> **প্রশ্ন:** প্রফেসর শঙ্কুর ডায়রিতে প্রহল্লাদ ও বিড়াল নিউটনের ভূমিকা সংক্ষেপে আলোচনা করো।

 * **উত্তরের মূল দিক:**

   * **প্রহল্লাদ:** তার বোকাটে স্বভাব, শঙ্কুর প্রতি অগাধ ভক্তি ও আনুগত্য, বিপদের সময় তার অসংকোচ আচরণ।

   * **নিউটন:** শঙ্কুর পোষা বিড়াল, যার খাদ্যাভ্যাস ও আচরণ সাধারণ বিড়ালের চেয়ে আলাদা (যেমন—ফিডো খেলে সুস্থ থাকা)।

   * গল্পে তাদের উপস্থিতির কারণে সৃষ্ট হালকা হাস্যরস ও পারিবারিক আবহ।

### ৩. প্রতিপক্ষ চরিত্র: ক্রোনাস বা কার্ভাস (অথবা সন্ডার্স/হেকটর)

> **প্রশ্ন:** প্রফেসর শঙ্কুর গল্পের যেকোনো একজন বিখ্যাত প্রতিপক্ষ বা বিদেশি বিজ্ঞানী চরিত্রের ভূমিকা সংক্ষেপে আলোচনা করো।

 * **উত্তরের মূল দিক:**

   * ডক্টর ক্রোনাস বা অন্য কোনো ঈর্ষান্বিত বিজ্ঞানীর পরিচয়।

   * শঙ্কুর আবিষ্কার চুরি বা তাকে ব্যর্থ করার ষড়যন্ত্র।

   * শেষ পর্যন্ত শঙ্কুর বুদ্ধিমত্তা ও নৈতিকতার কাছে প্রতিপক্ষের পরাজয়।

### ৪. ব্যোমযাত্রার অভিজ্ঞতা (ব্যোমযাত্রীর ডায়রি)

> **প্রশ্ন:** ‘ব্যোমযাত্রীর ডায়রি’ গল্পে মহাকাশযানে টাফা বা মঙ্গল গ্রহে যাওয়ার সময় শঙ্কু ও তার সহযোগীদের কী অভিজ্ঞতা হয়েছিল?

 * **উত্তরের মূল দিক:**

   * রকেট তৈরির বিবরণ ও উড্ডয়নের মুহূর্ত।

   * মহাকাশে ওজনহীনতা ও প্রহল্লাদের মজার কাণ্ডকারখানা।

   * ভিনগ্রহের প্রাণী ও অদ্ভুত প্রাকৃতিক পরিবেশের মুখোমুখি হওয়া।

## 📌 লাইন তুলে (ব্যাখ্যামূলক) ৫ নম্বরের প্রশ্নাবলি

পরীক্ষায় প্রায়শই নির্দিষ্ট গল্পের মূল পাঠ থেকে লাইন তুলে প্রশ্ন করা হয়:

### ৫. *"আমার ডায়রিটা যে কী করে এল, আর কীভাবে তা টিকে রইল, সেটা একটা আশ্চর্য ব্যাপার।"*

 * **(ক)** মন্তব্যটি কার? ডায়রিটির বৈশিষ্ট্য কেমন ছিল?

 * **(খ)** ডায়রিটি কীভাবে পাওয়া গিয়েছিল এবং তা কীভাবে শেষ পর্যন্ত অক্ষত রইল সংক্ষেপে লেখো।

### ৬. *"বিজ্ঞানকে যারা কেবল অর্থ উপার্জনের পথ বলে মনে করে, তারা সত্যকার বিজ্ঞানী নয়।"*

 * **(ক)** উক্তিটির বক্তা কে? কোন প্রসঙ্গে কথাটি বলা হয়েছে?

 * **(খ)** এই মন্তব্যের মধ্য দিয়ে প্রফেসর শঙ্কুর চরিত্র ও বিজ্ঞান-ভাবনার কী পরিচয় পাওয়া যায়?

### ৭. *"প্রহল্লাদকে সঙ্গে নেওয়াটা ভুল হয়েছিল কি না, এখনও বলতে পারছি না।"*

 * **(ক)** বক্তা কখন এবং কেন এই মন্তব্য করেছিলেন?

 * **(খ)** অভিযানের সময় প্রহল্লাদের কোন আচরণ বক্তার মনে এই দ্বিধার সৃষ্টি করেছিল?

## 💡 পরীক্ষার খাতায় ৫ নম্বরের উত্তর লেখার কৌশল:

১. **উৎস ও প্রেক্ষাপট:** উত্তর শুরুর ১ম-২টি বাক্যে সত্যজিৎ রায়ের সংশ্লিষ্ট গল্প ও প্রফেসরের ডায়রির প্রেক্ষাপট সংক্ষেপে উল্লেখ করবেন।

২. **পয়েন্ট ভিত্তিক উপস্থাপন:** আবিষ্কারের নাম বা ঘটনার ক্রম স্পষ্টভাবে পয়েন্ট বা বুলেট দিয়ে লিখলে নম্বর ভালো ওঠে।

৩. **বিজ্ঞান ও কল্পনার ভারসাম্য:** সত্যজিৎ রায় কীভাবে বিজ্ঞানের কাঠামোর মধ্যে রোমাঞ্চ ও কল্পনা মিশিয়েছেন, উত্তরের শেষ অনুচ্ছেদে তা সংক্ষেপে ছুঁয়ে যাওয়া ভালো।






শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের সামাজিক ও পারিবারিক মনস্তত্ত্বভিত্তিক উপন্যাস **‘সিঁড়ি ভেঙে ভেঙে’** থেকে বিভিন্ন পরীক্ষার (বিশেষত বিশ্ববিদ্যালয় স্তরের) উপযোগী সম্ভাব্য ৫ নম্বরের কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নিচে দেওয়া হলো:

## 📌 ৫ নম্বরের সম্ভাব্য বিষয়ভিত্তিক ও চরিত্র কেন্দ্রিক প্রশ্নাবলী

### ১. নামকরণের সার্থকতা

> **প্রশ্ন:** *‘সিঁড়ি ভেঙে ভেঙে’* উপন্যাসটির নামকরণের সার্থকতা সংক্ষেপে আলোচনা করো।

 * **উত্তরের মূল দিক:**

   * 'সিঁড়ি ভেঙে ভেঙে' পদটির রূপক ও মনস্তাত্ত্বিক অর্থ—জীবনের ক্রমান্বয়ে ওঠানামা, আত্মপ্রকাশ ও উত্তরণের পথ।

   * নিম্ন-মধ্যবিত্ত বা মধ্যবিত্ত সমাজের পারিবারিক জীবনসংগ্রাম এবং ব্যক্তিত্বের বিকাশের ধাপ।

   * নামকরণটি কীভাবে পাত্র-পাত্রীদের মানসিক বিবর্তন ও উপন্যাসের মূল ভাববস্তুকে ব্যক্ত করে।

### ২. প্রধান চরিত্রের মনস্তাত্ত্বিক রূপায়ণ

> **প্রশ্ন:** উপন্যাসের প্রধান চরিত্রের মানসিক দ্বন্দ্ব ও জীবনসংগ্রাম সংক্ষেপে বিশ্লেষণ করো।

 * **উত্তরের মূল দিক:**

   * চরিত্রটির ভেতরের দ্বিধা, নৈতিকতা ও অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই।

   * সমাজ ও পরিবারের প্রত্যাশার সাথে নিজস্ব স্বপ্ন ও চাওয়ার সংঘাত।

   * জীবনের কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে চরিত্রটির ধাপে ধাপে পরিপক্ব হয়ে ওঠার প্রক্রিয়া।

### ৩. মধ্যবিত্ত জীবনের বাস্তবতা ও সংকট

> **প্রশ্ন:** ‘সিঁড়ি ভেঙে ভেঙে’ উপন্যাসে মধ্যবিত্ত সমাজের যে পারিবারিক ও অর্থনৈতিক বাস্তবতা ফুটে উঠেছে তা লেখো।

 * **উত্তরের মূল দিক:**

   * সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের প্রাত্যহিক জীবনের টানাফোড়েন ও সম্পর্কের সমীকরণ।

   * অভাব-অনটন, স্বপ্নভঙ্গ এবং জীবনের অনিশ্চয়তার ছবি।

   * শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের সহজ-সরল অথচ গভীর পর্যবেক্ষণ ক্ষমতার প্রতিফলন।

### ৪. পারিবারিক সম্পর্কের টানাপোড়েন

> **প্রশ্ন:** উপন্যাসে চিত্রিত পারিবারিক ও ব্যক্তিগত সম্পর্কের জটিলতা সংক্ষেপে আলোচনা করো।

 * **উত্তরের মূল দিক:**

   * বাবা-মা, ভাই-বোন বা দম্পতির মধ্যকার সুক্ষ্ম মান-অভিমান ও দূরত্বের কারণ।

   * বাহ্যিক সংযোগের অভাব সত্ত্বেও ভেতরের গভীর মমত্ববোধ ও দায়িত্ববোধ।

## 📌 লাইন তুলে (ব্যাখ্যামূলক) ৫ নম্বরের প্রশ্নাবলী

### ৫. *"মানুষের জীবনটা তো আর সমতল রাস্তা নয়, ধাপে ধাপে ওঠানামার পথ।"*

 * **(ক)** উক্তিটির উৎস ও প্রসঙ্গ উল্লেখ করো।

 * **(খ)** উক্ত মন্তব্যের মধ্য দিয়ে জীবনের যে মূল সত্য বা দর্শন ব্যক্ত হয়েছে তা সংক্ষেপে লেখো।

### ৬. *"সম্পর্কের ভেতরের সুতোটা যখন আলগা হয়ে যায়, তখন বাইরের বাঁধন দিয়ে তাকে আটকে রাখা কঠিন।"*

 * **(ক)** মন্তব্যটি কার উদ্দেশ্যে বলা বা কোন প্রেক্ষাপটে এসেছে?

 * **(খ)** কাহিনীর পাত্র-পাত্রীদের জীবনের আলোকেই মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

### ৭. *"প্রতিটি ভুল পদক্ষেপই মানুষকে নতুন করে পথ চিনতে শেখায়।"*

 * **(ক)** এই বক্তব্যের অন্তর্নিহিত তাৎপর্য কী?

 * **(খ)** উপন্যাসের চরিত্রগুলির জীবনসংগ্রামের সাথে এই বক্তব্যের সঙ্গতি আলোচনা করো।

## 💡 উত্তর লেখার কৌশল:

 * **গঠন:** উত্তর সর্বদা তিনটি অনুচ্ছেদে ভাগ করে লেখা ভালো—সূচনা (উৎস ও প্রেক্ষাপট), মূল অংশ (প্রশ্ন অনুযায়ী কারণ/বিশ্লেষণ) এবং উপসংহার (মূল বক্তব্য)।

 * **মনস্তাত্ত্বিক গভীরতা:** শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের রচনার মূল শক্তি চরিত্রের ভেতরের সূক্ষ্ম মানসিক আলোড়ন। তাই উত্তরে চরিত্রগুলোর মানসিক অবস্থার ওপর বেশি জোর দেওয়া প্রয়োজন।







Comments

Popular posts from this blog

একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়।

  একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়-সারদা মঙ্গল               গীতিকাব্য হলো এক ধরনের কবিতা, যার মধ্যে দিয়ে ব্যক্তির আবেগ, অনুভূতি এবং অভিজ্ঞতাগুলিকে ছন্দ ওর সংগীতের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। তবে এখানে কবিতাগুলি খুবই ছোট আকারের হয়, আর সেখানে কবির ব্যক্তিগত অনুভূতির গভীরতা ও আন্তরিকতা প্রকাশ পায়। আর এই প্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি গীতি কবিতার সংকলন হলো গীতিকাব্য। ব্যঞ্জনাময় ও সংহত ।  গীতিকাব্যের বৈশিষ্ট্য  গীতিকাব্যের কিছু প্রধান বৈশিষ্ট্য নিচে আলোচনা করা হলো: ১. ব্যক্তিগত অনুভূতি ও আবেগ প্রকাশ: এটি গীতিকাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য। এখানে কবি নিজের ব্যক্তিগত অনুভূতি, প্রেম, বিরহ, আনন্দ বা বিষাদের কথা তুলে ধরেন। ২. সংক্ষিপ্ততা: গীতিকাব্য সাধারণত দীর্ঘ হয় না। অল্প কয়েকটি স্তবকের মধ্যে কবি তাঁর ভাবনা সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করেন। ৩. সুর ও ছন্দের প্রাধান্য: গীতিকাব্য মূলত সুর করে আবৃত্তি করার জন্য রচিত হয়। তাই এতে সুর ও ছন্দের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়। ৪. আত্মগতভাব: গীতিকাব্যে বাইরের জগতের বর্ণনা না দিয়ে কবির নিজের মনের ভেতরের জগতের প্রতি মনোযোগ ...

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর ।

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর  ১) শিল্প বিপ্লব কবে কোথায় প্রথম ঘটেছিল?         উত্তর - প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়েছিল ইংল্যান্ডে (গ্রেট ব্রিটেন)। এটি প্রধানত অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হয়ে প্রায় ১৭৬০ থেকে ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দ-এর মধ্যে ঘটেছিল। ২) কৃষ্ণমৃত্যু কী?            • কৃষ্ণমৃত্যু (Black Death) হলো মানব ইতিহাসের এক ভয়াবহ মহামারি।এটি ছিল মূলত প্লেগ (Plague) রোগ, যা Yersinia pestis নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে সৃষ্টি হয়েছিল।এটি প্রধানত ১৩৪৬ থেকে ১৩৫৩ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে ইউরোপ, এশিয়া (ইউরেশিয়া) এবং উত্তর আফ্রিকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল। ৩) কে বলেছিলেন মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড?        •এই বিখ্যাত উক্তিটি যিনি করেছিলেন তিনি হলেন প্রাচীন গ্রিসের একজন প্রখ্যাত দার্শনিক, যার নাম প্রোটাগোরাস (Protagoras)।তাঁর মূল বক্তব্যটি ছিল-"মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড, যা আছে তারও, আর যা নেই তারও।” ৪) পেত্রাক কেন বিখ্যাত?         •পেত্রাক (Francesco Petrarca) ছিলেন ১৪ শতকের (১৩০৪-১৩৭৪) একজন ...

চতুর্থ সেমিস্টার জেনারেল ইতিহাস ছোট প্রশ্ন ২০২১

 *১) সুজাউদ্দৌলা কে ছিলেন বা মুর্শিদকুলি খাঁর মৃত্যুর পর কে বাংলার নবাব হন?  উত্তর - সুজা উদ্দৌলা আয়ুধের সুবেদার নবাব ছিলেন। মুর্শিদকুলি খাঁর মৃত্যুর পর তার জামাতা বাংলার নবাব  হন ১৭৫৪-১৭৭৫ খ্রীস্টাব্দ পর্যন্ত। নবাব থাকাকালীন তিনি বক্সারের যুদ্ধ এবং পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন। *২) কোন সালে রেগুলেটিং আইন জারি করা হয়েছিল? উত্তর - ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দুর্নীতি দূরীকরণ, গঠন বিন্যাস ও নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্রিটিশ সরকার ১৭৭৩ খ্রিস্টাব্দে রেগুলেটিং আইন প্রণয়ন করেন। আর সেই আইনে বলা হয় বাংলা বোম্বাই ও মাদ্রাজে ১ করে কাউন্সিল থাকবে। *৩) শ্রী রঙ্গপত্তমের সন্ধিতে স্বাক্ষরকারী কারা কারা ছিলেন ?কখন এই সন্ধিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল? উত্তর - তৃতীয় ইঙ্গ মহীশূর যুদ্ধের অবসান হয়েছিল শ্রীরঙ্গপত্তমের সন্ধির দ্বারা। আর এই সন্ধিতে ঠিক হয় টিপু সুলতান ইংরেজদের তিন কোটি টাকা এবং জামিন স্বরূপ তার দুই পুত্রকে দিতে বাধ্য হবেন। এছাড়া বিজিত অঞ্চল ইংরাজ, মারাঠা ও নিজামের মধ্যে বন্টিত হল। যে সন্ধির দুটি পক্ষ ছিল একদিকে ছিলেন টিপু সুলতান এবং অপরদিকে ছিলেন ইংরেজ। সময়কালটি ছি...