Skip to main content

Posts

চতুর্থ সেমিস্টার রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ছোট প্রশ্ন ২০২০

 ১। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের একটি সংজ্ঞা দাও। উত্তর - আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বলতে এমন এক শাস্ত্র কে বোঝায় যা বিভিন্ন রাষ্ট্রের মধ্যস্থিত রাজনৈতিক, কূটনৈতিক, সামরিক, অর্থনৈতিক, আইনগত ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক, সরকারি ও বেসরকারি সকল প্রকার সম্পর্ক নিয়েই আলোচনা করে,  তাকে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বলে। ২) ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তির পরিপ্রেক্ষিতে ভূখণ্ড সাপেক্ষ তার ধারণা ব্যাখ্যা কর।  উত্তর - ১৬৪৮ খ্রিস্টাব্দে ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তির মধ্যে দিয়ে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায়  ভূখণ্ডকেন্দ্রিক সার্বভৌম জাতীয় রাষ্ট্রের ধারণাটি প্রাধান্য পেয়েছে। সে সময় জাতি রাষ্ট্রগুলো নিজেদের সার্বভৌমত্ব বজায় রেখে একে অপরের সঙ্গে আর্থ রাজনৈতিক বাণিজ্যিক সহ অন্যান্য ক্ষেত্রে যে পারস্পরিক সম্পর্ক গড়ে তোলে তা থেকেই আন্ত:রাষ্ট্রীয় সম্পর্কের প্রথম সূচনা ঘটে। ৩) বাস্তববাদী তত্ত্বের দুটি বৈশিষ্ট্য লেখো। উত্তর -১) বাস্তববাদ রাষ্ট্রকেই আন্তর্জাতিক সম্পর্কের আলোচ্য বিষয়ে একমাত্র একক হিসাবে বিবেচনা করে। ২) বাস্তববাদ মনে করে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের কেন্দ্রীয় ধারণা হলো ক্ষমতার লড়াই এবং রাজনৈতিক পরিবেশের উপর ক্ষমতার প্রয়োগ...

আমার সুন্দরবন

                     আমরা সুন্দরবনবাসী। চাষবাদ আমাদের নিত্যসঙ্গী। কিন্তু বর্তমানে চাষাবাদের জমি সংকুলান স্থাপনা বা অন্য কোন কারণে সুন্দরবনবাসীর জন্য মানুষ বেছে রায়ম ভয়াল ভয়ঙ্কর নদী এবং তার পার্শ্ববর্তী নদীকে জীবনধারণ করে অবলম্বন হিসাবে।                  যে নদীগুলো সুন্দরবনে নাগরিক থাকার প্রেরণা। আরও সুন্দরবনের গভীর জঙ্গলে ভয়াল ভয়ংকর বেঙ্গল টাইগার ,সিংহ ,বিষ ধর সাপ এ মানুষ কিছু উপেক্ষা করে মানুষ মধু সংগ্রহ করতে পারে। যায় মাছ এবং সুন্দরবনের বিখ্যাত এবং বিশ্ব বিখ্যাত নোনা কাঁকড়া 🦀 ধরতে।           এনই সার্বজনীন সুন্দরবনবাসী। তারা থাকতে থাকবে, লড়াই করবে না তাগিদে। কিন্তু আমরা এই সকল মানুষের জীবনযাত্রা সম্পর্কে বিন্দুমাত্র ভাবনা ভাবনা আমাদের সময় নেই! হায়রে ভারত।

রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ছোট প্রশ্ন ২০২১ সাল চতুর্থ সেমিস্টার।

 ১। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক কাকে বলে?        উত্তর - আন্তর্জাতিক সম্পর্ক হল সমাজবিজ্ঞানের এমন একটি বিষয় যা বিভিন্ন রাষ্ট্রের মধ্যস্থিত রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামরিক ,কূটনৈতিক, সাংস্কৃতিক সম্পর্ক ,সরকারি ও বেসরকারি সকল প্রকার সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করে। ২। ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি অনুসারে সার্বভৌমত্বের ধারণাটি লেখো।        উত্তর- ১৬৪৮ খ্রিস্টাব্দে সম্পাদিত ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তির মধ্যে দিয়ে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় ভূকেন্দ্রিক সার্বভৌম জাতীয় রাষ্ট্রের ধারণা প্রাধান্য পেয়েছে। সেই সময় জাতি রাষ্ট্রগুলো নিজেদের সার্বভৌমত্ব বজায় রেখে একে অপরের সাথে রাজনৈতিক, বাণিজ্যিক সহ অন্যান্য ক্ষেত্রে যে পারস্পরিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে তা থেকেই আন্ত: রাষ্ট্রীয় সম্পর্কের প্রথম সূচনা ঘটে। ৩। বাস্তববাদী তত্ত্বের দুটি সমালোচনা লেখো। উত্তর -      ক) বাস্তববাদ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক তত্ত্ব হলেও এই দৃষ্টিভঙ্গি কিভাবে নৈরাজ্য পুণ্য সংঘাতময় আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা পরিবর্তিত হতে পারে, সে সম্পর্কে কোন হদিস দেয় নি।        খ) বাস...

বিবিধার্থ সংগ্ৰহ প্রত্রিকা(১৮৫১)

 বাংলা ভাষায় প্রথম সচিত্র মাসিক পত্রিকা বিবিধার্থ সংগ্ৰহ। পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশ পায় ১৮৫১ সালে। শুরুতেই পত্রিকাটি সম্পাদনা করেন ঐতিহাসিক ও পুরাতত্ত্ববিদ্ রাজেন্দ্রলাল মিত্র। বলা যায় এই পত্রিকাটি প্রকাশ পায় বিলাতি "পেনি "পত্রিকার আদর্শে।সেখানে----                 প্রকাশের শুরুতে এই পত্রিকায় স্থান পায় পুরাবৃত্ত, মনিষীদের জীবনকথা, তীর্থক্ষেত্রের কাহিনী,ব্যবসা বাণিজ্য, সাহিত্য সমালোচনা প্রভৃতি বিষয়। পাশাপাশি চিত্র সমৃদ্ধে স্থান পায় মধুসূদনের "তিলোত্তমা সম্ভব "কাব্যের প্রথম সর্গটি। শুধু তাই নয় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ছেলেবেলার সাথে জড়িয়ে থাকা স্মৃতি জীবনস্মৃতি গ্ৰন্থে লিপিবদ্ধ করেছেন।আসলে বিবিধার্থ সংগ্ৰহ প্রত্রিকায় জ্ঞানচর্চার সাথে সাথে শিল্পগত উৎকর্ষতা সম্মিলন হতো। ১৮৫১ সালে ভার্ণাকুলার লিটারেচার এর আনুকূল্য এই পত্রিকার পথ চলা শুরু হয়। বলা যায় বাংলা গদ্যের বিকাশে এই বিবিধার্থ সংগ্ৰহ পত্রিকার ভূমিকা অতি গুরুত্বপূর্ণ

বিস্মৃতির কারনগুলি লেখো।

১) আলোচনা বা অনুশীলনের অভাব:- আমাদের কোন বিষয়কে দেখতে হলে সেই বিষয়কে আলোচনায় বা অনুশীলন করা প্রয়োজন। আবার কখনো কোনোভাবে পড়ে ছেড়ে পড়তে হবে না। গতিকেন্দ্রিক চর্চার সাথে থাকতে হবে। আর এরূপ পদ্ধতি যদি অবলম্বন করি তাহলে শেখার আধ ঘণ্টার মধ্যেই অর্ধেক বোঝাতে পারি। এত শিক্ষণীয় বিষয় আলোচনা বা অনুশীলনের অভাবে বিস্মৃতি ঘটবে। ২) বিষয়বস্তুর প্রকৃতি:- শেখার বিষয়বস্তুর প্রকৃতির ওপর আউট বা স্মারন নক্সা করে। সাধারণ আমরা সরল বিষয়গুলি মনে রাখতে পারি। বাস্তব ক্ষেত্রে আমরা বিষয়ছি কবিতা বা অন্তর্দৃষ্টির সাহায্যে শেখা বিষয়টি অনেকদিন মনে রাখতে পারি। কিন্তু গদ্য বা অহীন শব্দ সমষ্টি খুব নিজের মানে এখানে বিস্মৃতির অনেক বেশি। ৩) মনে মনে মনে: আমরা জানি কোন বিষয় রাখা- আমাদের উপর চাপা পড়ে। কারণ সংরক্ষণের অধিকার আধার। আর সেই সংবাদটি পাওয়া গেলে আমাদের শেখা বিষয়টি সম্পূর্ণরূপে দেখা যায়। অনেক মানুষ তাদের স্মরণ বা অতীত অতীত হয়েছে। তাই আমাদের বন্ধুর আকস্মিক বিস্তৃতির কারণ বলা যেতে পারে। ৪) পাস:- আমরা প্রতিনিয়ত শিখতে চাই। পরের একটি বিষয় শেখার এবং একটি বিষয় শেখার পরের বিষয়ের মধ্যবর্তী কালে ক্লাউলি নি...

আগ্রহ ও মনোযোগের মধ্যে সম্পর্ক লেখ।

 মনোযোগ:- মনোযোগ হল একটি মানসিক প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে আমরা বিভিন্ন বিষয়ের মধ্য থেকে কোন একটি বিষয়ের উপর আমাদের মনকে নিযুক্ত করি। আর এই মনকে নিযুক্ত করার উদ্দেশ্য হলো সেই বিষয়টি সম্পর্কে আমাদের পূর্বাপেক্ষা অধিক সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট জ্ঞান লাভ করা। আগ্ৰহ:- আগ্রহ হলো কোন বিশেষ কাজ বা একশ্রেণীর কাজের প্রতি আকৃষ্ট হওয়ার একটি ব্যক্তিগত প্রবণতা। অর্থাৎ আগ্রহ ব্যক্তির এক ধরনের অভিজ্ঞতা ভিত্তিক বা অর্জিত মানসিক প্রবণতা। যে মানসিক প্রবণতা ব্যক্তিকে বহুমুখী কর্ম সম্পাদনে অনুপ্রাণিত করে।            শিক্ষাবিদ রস(Ross) বলেন আগ্রহ ও মনোযোগ একই মুদ্রার দুটি পিঠ মাত্র। আমরা অভিজ্ঞতার মাধ্যমে দেখেছি বাইরে কুকুরের চিৎকারে ঘুমন্ত মাতার ঘুম ভাঙ্গে না। কিন্তু কোলের ছোট্ট শিশুটি যখন মৃদু স্বরে কাঁদে তখন মায়ের ঘুম ভেঙে যায়। অর্থাৎ এখানে ওই শিশুটির মাতা তার শিশু কান্নার শব্দে মনোযোগী হয়ে ওঠেন। তবে--      আমাদের জীবনে প্রতিটি কাজের  পশ্চাতে একটি মানসিক সংগঠন কাজ করে থাকে। ঠিক তেমনি মনোযোগের পেছনেও এই আগ্রহের মানসিক সংগঠন কাজ করে থাকে। আর এখানে আগ্...

ছাত্রকে মনোযোগী করার উপায় বা শর্তগুলি কি? আলোচনা করো।

 আমরা জানি শিক্ষাক্ষেত্রে আগ্রহের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ শিক্ষার্থীর যদি পাঠ্য বিষয়ের প্রতি আগ্রহ থাকে তবে সে ওই বিষয়ের প্রতি মনোযোগী হবে। আর বিষয়ের প্রতি মনোযোগ বৃদ্ধি করতে শিক্ষকের ভূমিকা অপরিসীম। বিখ্যাত মনোযোগী হার্বাট বলেন -        "শিক্ষকের প্রধান কাজ হল শিক্ষার্থীদের মধ্যে আগ্রহ গড়ে তোলা।" আগ্রহের উপর ভিত্তি করেই শিক্ষককে শিক্ষা দেওয়া উচিত। কারণ পাঠের প্রতি আগ্রহই শিক্ষার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে শিক্ষার্থীকে পৌঁছাতে সাহায্য করে। তাই শিক্ষার্থীকে মনোযোগ আকর্ষণ করার জন্য শিক্ষককে নিম্ন  বর্ণিত বিষয়ের সচেতন থাকতে হবে -- ১) প্রাথমিক স্তরে শিশুর মনোযোগ ইচ্ছা নিরপেক্ষ থাকে। প্রধানত তারা প্রবৃত্তির তাড়নায় বিশেষ বিশেষ বস্তুর প্রতি মনোযোগী হয়। তবে এই সময়ে শিশু মনে কৌতুহল, আত্ম প্রতিষ্ঠা  প্রভৃতি বিষয়গুলি খুব প্রবল থাকে। আর এই স্তরে শিশু যেসব বিষয় বস্তুতে স্বাভাবিক আগ্রহী হয় সেইগুলিকে কেন্দ্র করেই তার শিক্ষা ব্যবস্থা করতে হবে। ২) বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে শিশু মনের মধ্যে ইচ্ছা মনোযোগ যাতে বৃদ্ধি পায় সেদিকে শিক্ষককে নজর রাখতে হবে। এর পাশাপাশি ...