Skip to main content

Posts

চার্বাকগণ অনুমানকে প্রমাণ বলে স্বীকার করেননি কেন? চার্বাকদের যুক্তিগুলি আলোচনা ও বিচার করো।

চার্বাকগণ অনুমানকে প্রমাণ বলে স্বীকার করেননি কেন? চার্বাকদের যুক্তিগুলি আলোচনা ও বিচার করো।•অথবা.                                                            "অনুমান প্রমাণ নয়"- চার্বাকদের এই মন্তব্য ব্যাখ্যা ও বিচার করো  (প্রথম সেমিস্টার NEP).                    •অথবা                                                             অনুমান প্রমাণ খণ্ডের জন্য চার্বাকরা কোন কোন চুক্তি দিয়েছেন? তা ব্যাখ্যা ও বিচার করো। ভূমিকাঃ চার্বাক মতে জ্ঞানের একমাত্র উৎস প্রত্যক্ষ। প্রত্যক্ষই একমাত্র প্রমাণ। আর প্রত্যক্ষলব্ধ জ্ঞান নির্ভরযোগ্য। অনুমান ও শব্দ প্রমাণ রূপে গ্ৰাহ্য নয়। চার্বাক দর্শনের প্রমাণ শাস্ত্রীয় এই মতবাদটি আধ্যাত্মিকতার বিরোধিতার একট...

দ্বিতীয় সেমিস্টার দর্শন সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

১) আধুনিক পাশ্চাত্য দর্শনের জনক কাকে বলা হয়? উত্তরঃ ডেকার্ডকে আধুনিক পাশ্চাত্য দর্শনের জনক বলা হয়। ২) অভিজ্ঞতাবাদী বুদ্ধিবাদী ও বিচারবাদী দার্শনিকের নাম লেখ।  •লক, বার্কলে, হিউম অভিজ্ঞতাবাদী দার্শনিক। •লাইবোনিজ,স্পিনোজা, ডেকার্ট বুদ্ধিবাদী দার্শনিক। •কান্ট বিচারবাদী দার্শনিক। ৩) অস্তিত্ব প্রত্যক্ষ নির্ভর-(Esse est Percipi) কার উক্তি? উত্তরঃ অস্তিত্ব প্রত্যক্ষ নির্ভর একটি বার্কলে বলেছেন। ৪) Cogitio ergo sum/আমি চিন্তা করি অতএব আমি আছি- এটি কার মন্তব্য  উঃ ডেকার্ত। ৫) জ্ঞানের উৎপত্তি বিষয়ে কয়টি মতবাদ আছে?  উঃ জ্ঞান উৎপত্তি বিষয়ে চারটি মতবাদ আছে। অভিজ্ঞতাবাদ, বুদ্ধিবাদ, বিচারবাদ ও ভাববাদ। ৬) স্পিনোজাকে অনুসরণ করে সমান্তরালবাদের সংজ্ঞা লেখো। উত্তরঃ সমান্তরালবাদ অনুসারে বিস্তৃতি ও চেতনা সব সময় সহাবস্থান করে এবং একই ক্রমে ক্রিয়া করে। যখন কোন দৈহিক পরিবর্তন ঘটে তখন কোন মানসিক পরিবর্তন ঘটে। আর সমান্তরালভাবে এই ঘটনা ঘটে বলে একে বলা হয় সমান্তরালবাদ।  ৭) হিউমের মুদ্রণ ও ধারণার মধ্যে পার্থক্য কোথায়? উত্তরঃ হিউমের মতে মুদ্রণ ও ধারণার মধ্যে মাত্রাগত পার্থক্য আছে। হিউম তীব...

শিক্ষাক্ষেত্রে দৈহিক বিকাশের গুরুত্ব বা দৈহিক বিকাশ ও শিক্ষা আলোচনা করো।

শিক্ষাক্ষেত্রে দৈহিক বিকাশের গুরুত্ব বা দৈহিক বিকাশ ও শিক্ষা আলোচনা করো। আমরা জানি যে,শিশুর দৈহিক বিকাশ তার মানসিক সামাজিক ও অন্যান্য দিকের বিকাশে সাহায্য করে। শিক্ষার ক্ষেত্রে তাই দৈহিক বিকাশের গুরুত্ব অপরিসীম। প্রগতিশীল আদর্শ বিদ্যালয়ের কাজ হবে শিক্ষার্থীদের এই দৈহিক বিকাশে সাহায্য করা। বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের দৈহিক বিকাশ ঠিকমতো হচ্ছে কিনা সে সম্পর্কে যথাযথ তথ্য সংগ্রহ করার মাধ্যমে এবং দৈহিক বিকাশের নীতি ও পরিমানকে কাজে লাগিয়ে শিক্ষাভিমুখী পরিকল্পনার রচনার মাধ্যমে শিক্ষক শিশুর দৈহিক বিকাশে সাহায্য করতে পারেন। তবে-           বিদ্যালয়ে খেলাধুলা, ব্যায়াম, অন্যান্য দেহ চর্চামূলক কাজের মাধ্যমে দৈহিক বিকাশে সহায়তা করা যায়। ব্যায়াম দেহের কোন কোন অঙ্গের শক্তি ও কর্মক্ষমতাকে বাড়িয়ে দেয়। বিদ্যালয়ে সহপাঠ্যক্রমিক কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দেহ সঞ্চালনের সুযোগ করে দেওয়া প্রয়োজন। আবার -           দৈনিক বিকাশের সাথে সাথে শিক্ষার্থীর মধ্যে নানা ধরনের চাহিদা সৃষ্টি হয় বলে সেই অনুযায়ী পাঠক্রমের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। বিশেষভাবে কৌশোর...

বৌদ্ধিক বিকাশ বা জ্ঞানমূলক বিকাশ কাকে বলে?

বৌদ্ধিক বিকাশ বা জ্ঞানমূলক বিকাশ কাকে বলে?       কোন কিছু সম্বন্ধে জানানোর জন্য মনের জন্য যে সমস্ত কর্ম-কলাপ আমাদের সাহায্য করে আর এইটি হল চিন্তন, ঘটনা, কল্পনা, সমস্যা সমাধান ঘটন ইত্যাদি। তবে শিশুর জন্মের পর থেকে এই সকল প্রক্রিয়া তার মধ্যে ছাত্রদের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। তাই মনের এই সকল বৈশিষ্ট্য বৃদ্ধির ধারাকে বলা হয় বিকাশ বিকাশ। আর এই বিকাশ বিকাশকে অনেক মনোবিদ বৌদ্ধিক বিকাশ বলে।            রাজনীতি কালে অনেক মনোবিদ গণ এই সংস্কৃতি বিকাশ বৌদ্ধিক বিকাশমূলক জ্ঞানবিজ্ঞান বিকাশ সংস্কৃতি আখ্য্যবাদী করেছেন। কারণ এই সকল প্রক্রিয়া বা সক্ষমতার মাধ্যমে আমরা বিভিন্ন বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করেছি। তাই-          শিশু উন্নয়ন বিকাশের সাথে তার প্রযুক্তি ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে তার সাথে জ্ঞানমূলক বিকাশ বলা হয়।

ন্যায়দর্শন মতে প্রমা ও প্রমাণ কী? আলোচনা করো।

ন্যায়দর্শন মতে প্রমা ও প্রমাণ কী? আলোচনা করো। ভূমিকা - প্রমা কথাটির অর্থ হলো যথার্থ বা উৎকৃষ্ট বা প্রকৃষ্ট জ্ঞান। অর্থাৎ প্রমা= প্র+মা। যেখানে প্র= যথার্থ বা প্রকৃষ্ট , আর মা=জ্ঞান। অর্থাৎ প্রমা কথাটির অর্থ দাঁড়ায় যথার্থ বা উৎকৃষ্ট জ্ঞান। এই জ্ঞান দুই প্রকার- অনুভব ও স্মৃতি।      'অনুভব' হলো নিরপেক্ষ জ্ঞান। এই জ্ঞান বিষয় থেকে উৎপন্ন হয়। আর 'স্মৃতি' হলো সাপেক্ষ জ্ঞান। এই জ্ঞান বিষয়ের সাপেক্ষ থেকে উৎপন্ন হয়। সুতরাং ন্যায় মতে প্রমা হল অনুভব এবং যথার্থ অনুভব। আর সেই মত অনুযায়ী-- ১) প্রমা হলো অনুভব।             প্রমা হল সেই অনুভব, যা বস্তু বা বিষয়ের অনুরূপ হবে। আর সেই কারণে ঘর প্রত্যক্কর ক্ষেত্রেই আর সেই কারণে ঘর পুত্রকে ক্ষেত্রে ঘঠত্ব বিশিষ্ট ঘটের অনুভব হবে। ২) প্রমা হলো বিপর্যয়শূন্য অনুভব।          বিপর্যয় হলো ভ্রান্তি বা মিথ্যা জ্ঞান। যে জ্ঞানে দড়িতে সাপের অনুভব হতে পারে। কিন্তু সেক্ষেত্রে আসলে সাপ নেই, সাপের অনুভব হবে। যেটির ভ্রান্তির নাম বিপর্যয়। তবে প্রত্যক্ষের ক্ষেত্রে এই বিপর্যয় থাকে না। ৩) প্রমা হলো...

চৈতন্যদেবের গয়া গমনের ইতিবৃত্ত এবং ঈশ্বরপরীর সাক্ষাৎ এর ঘটনাটি আলোকপাত করো।

চৈতন্যদেবের গয়া গমনের ইতিবৃত্ত এবং ঈশ্বরপরীর সাক্ষাৎ এর ঘটনাটি আলোকপাত করো। বৃন্দাবন দাসের চৈতন্য ভাগবত গ্রন্থের আদি খন্ডে চৈতন্যদেবের গয়া গমন এবং ঈশ্বর পুরীর সাক্ষাতের বিষয়টি আলোচিত হয়েছে। যেখানে এই চৈতন্য ভাগবত এর আদি খন্ডে ১৫টি অধ্যায় আছে। আর সেই পনেরটি অধ্যায়ের মধ্যে সর্বশেষ অধ্যায় হল পঞ্চদশ অধ্যায়। আর সেখানেই নিমাই পন্ডিতের গয়া গমন এবং সেখানে ঈশ্বরপুরীর সাক্ষাতের বিষয়টি আমরা দেখতে পাই। যেখানে-                 চৈতন্যদেব মাত্র ১৬/১৭ বছর বয়সে তাঁর একদল ছাত্রদের সাথে নিয়ে গয়া গমন করেন। আর সেখানেই বৈষ্ণব সন্ন্যাসী এবং বিখ্যাত মাধবেন্দ্র পুরীর শিষ্য ঈশ্বরপুরীর কাছ থেকে তাঁর আধ্যাত্মিক দীক্ষা নেন। আর এই ঈশ্বরপুরীর সাথে তার প্রথম দেখা হয় গয়ায় পিতৃপিন্ড দান করতে গিয়ে । এখানে ঈশ্বরপুরী মহাপ্রভুকে দশাক্ষরের গোপালমন্ত্রে দীক্ষা দেন।তবে-                  নদিয়ায় প্রত্যাবর্তনের পর, নিমাই পন্ডিত একজন ধর্মপ্রচারক হয়ে ওঠেন এবং তার ধর্মীয় প্রকৃতি এতটাই উপস্থাপন করা হয়েছিল যে অবদ্বৈত প্রভু, শ্রীব...

অনৈতিক(2nd.Sem.Phil.) বা নীতিবহির্ভূত ক্রিয়া কাকে বলে? বিভিন্ন প্রকার অনৈতিক বা নীতি বর্হিভূত ক্রিয়ার উদাহরণ সহ আলোচনা করো।

অনৈতিক বা নীতিবহির্ভূত ক্রিয়া কাকে বলে?বিভিন্ন প্রকার অনৈতিক বা নীতি বহির্ভূত ক্রিয়া উদাহরণসহ আলোচনা করো(পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় দ্বিতীয় সেমিস্টার দর্শন মাইন) ।        • অনৈতিক বা নীতিবর্হিভূত ক্রিয়াঃ আমরা মানুষের কাজের নৈতিক বিচার করি। তবে মানুষের কিছু কাজের নৈতিক বিচার করা যায়, আবার কিছু কাজের নৈতিক বিচার করা যায় না। তাই-           যে কাজগুলির নৈতিক বিচার করা যায়, তাকে বলা হয় নৈতিক ক্রিয়া। আর যে কাজগুলির নৈতিক বিচার করা যায় না,সেই কাজগুলি হল অনৈতিক ক্রিয়া। অর্থাৎ-       অনৈতিক বা নীতিবহির্ভূত ক্রিয়া বলতে বোঝায়, যে ক্রিয়ার নৈতিক বিচার করা যায় না, যে ক্রিয়াকে নৈতিক ভালো বা নৈতিক মন্দ বলা যায় না, সেই ক্রিয়াকে বলা হয় অনৈতিক ক্রিয়া।     •অনৈতিক বা নীতিবহির্ভূত ক্রিয়ার প্রকার• ১)স্বয়ংক্রিয় ক্রিয়া     ২) স্বতঃসঞ্জাত ক্রিয়া ৩) প্রতিবর্ত ক্রিয়া      ৪)প্রবৃত্তিজাত ক্রিয়া  ৫) ভাবজ ক্রিয়া।       ৬) অনুকরণমূলক ক্রিয়া  ৭)আকস্মিক...