Skip to main content

Posts

চৈতন্যভাগবত(2nd Semester Major)গ্রন্থের প্রশ্নাবলী

     •চৈতন্যভাগবত গ্রন্থের প্রশ্নাবলী•  ২০২৪ ১) 'কোন হেতু  কৃষ্ণচন্দ্র করে অবতার'- শ্রীকৃষ্ণের শ্রীচৈতন্যরূপে আবির্ভাবের কী কী কারণ ব্যাখ্যা করেছেন শ্রীশ্রীচৈতন্যভাগবতের রচয়িতা বৃন্দাবন দাস- সে সম্পর্কে লেখো। ২) শ্রীশ্রীচৈতন্যভাগবতের আদিখন্ডের অনুসরণে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর শৈশব-বাল্য-কৈশোর জীবনের পরিচয় দাও। • "নামমাত্র ভেদ করে হিন্দুরে যবনে।  পরমার্থ এক কহে কোরানে পুরাণে।।" কে,কাকে এ কথা বলেছে? উক্তিটি তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো। •২০২২• ১) চৈতন্য ভাগবত এর আদি খন্ডের দশম অধ্যায় 'বিষ্ণুপ্রিয়া পরিচয় বর্ণন' অংশটির পরিচয় দাও।প্রসঙ্গত বিষ্ণুপ্রিয়া চরিত্র বর্ণ নে বৃন্দাবন দাসের দক্ষতা বিচার করো। ২) চৈতন্য ভাগবত এর আদি খন্ড অবলম্বনে 'গৌরাঙ্গ অবতরণের হেতু' এবং তৎকালীন 'নবদ্বীপের অবস্থা'র পরিচয় দাও। • " ফলবন্ত বৃক্ষ আর গুণবন্ত জন।                      নম্রতা সে তাহার স্বভাব অনুক্ষণ।"  চৈতন্য ভাগবত এর কোন অধ্যায় থেকে নেওয়া হয়েছে? দিগ্বিজয়ী কে ?উদ্ধৃত অংশটির মর্মার্থ লেখ। •২০২১• ১) পঞ্চদশ অধ্যায় অবলম্বনে...

ধ্বনি কাকে বলে? উদাহরণ সহ ধ্বনির শ্রেণী বিভাগ আলোচনা করো।

ধ্বনি কাকে বলে? উদাহরণ সহ ধ্বনির শ্রেণী বিভাগ আলোচনা করো।                •আমরা জানি যে, ধ্বনি বা বর্ণ ভাষার ন্যূনতম একক, যা ভাষারূপ অট্টালিকার মূল ভিত্তি। আসলে লেখ‌্য রূপ বর্ণ এবং কন্ঠোচ্চারিত বা মৌখিক রূপ হলো ধ্বনি ।তবে কোন ভাষায় উচ্চারিত শব্দকে বিশ্লেষণ করলে আমরা কতগুলি ধ্বনি পাই।আর এই ধ্বনি উৎপন্ন হয় ফুসফুস থেকে ঠেলে দেওয়া শ্বাসবায়ু বা নিঃশ্বাস বায়ুর সহযোগে, যা শ্বাসনালীর মধ্যে দিয়ে কন্ঠনালীতে পড়ে। অতঃপর-              সেখান থেকে গলা, মুখ বা নাকের মধ্যে দিয়ে বেরিয়ে আসে। আমরা ইচ্ছা করলে এ সময় গলা থেকে ঠোঁট পর্যন্ত জিভের সাহায্যে আলতোভাবে বাধা দিতে পারি। কিম্বা নানাভাবে পরিবর্তিত করতে পারি। আর ইচ্ছাকৃত বাধাতেই ধ্বনি সৃষ্টি হয়। এই বাধা বা বাধার স্থান অনুসারে ধ্বনির প্রকারও পরিবর্তিত হয়। যেখানে -        শব্দের ক্ষীণতম অংশ বা ভগ্নাংশের উচ্চারিত রূপ হল ধ্বনি। অর্থাৎ মানুষের ইচ্ছার মাধ্যমে গলা বা মুখ-নিঃসৃত স্বর বায়ুতে যে স্পন্দন তোলে তাকে ধ্বনি  বলে। যেমন -     ...

সত্যজিৎ রায় কোন(4th.Sem.) পটভূমিতে প্রফেসর শঙ্কু ও রোবু গল্পটি রচিত? গল্পটি সেই পটভূমির আলোকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মানুষের লোভ, অহমিকা, যন্ত্রমানবের জন্মের বিষয়টি কীভাবে পাঠকের হৃদয়কে গভীরভাবে স্পর্শ করেছে তার আলোচনা করো।

সত্যজিৎ রায় কোন পটভূমিতে প্রফেসর শঙ্কু ও রোবু গল্পটি রচিত? গল্পটি সেই পটভূমির আলোকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মানুষের লোভ, অহমিকা, যন্ত্রমানবের জন্মের বিষয়টি কীভাবে পাঠকের হৃদয়কে গভীরভাবে স্পর্শ করেছে তা আলোচনা করো।            আলোচনার শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,সত্যজিৎ রায়ের প্রফেসর শঙ্কু ও রোবু গল্পের মূল পটভূমি হলো প্রফেসর ত্রিলোকেশ্বর শঙ্কুর নিজস্ব ল্যাবরেটরি, গ্রামীণ গিরিডির শান্ত পরিবেশ এবং আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক সম্মেলন বা গবেষণার ক্ষেত্র। আর সেই এই পটভূমিতে শঙ্কুর আবিষ্কার, রোবুর জন্ম এবং তার পরবর্তী ঘটনাবলি আলোচ্য  গল্পে তুলে ধরা হয়েছে। সেই  পরিপ্রেক্ষিতে আমরা দেখি - শঙ্কুর ল্যাবরেটরিঃপ্রফেসর শঙ্কু ও রোবু  গল্পের বেশিরভাগ ঘটনা প্রফেসর শঙ্কুর গিরিডিতে অবস্থিত অত্যাধুনিক গবেষণাগারেই ঘটে।আর সেখানে এই ল্যাবরেটরিতে তিনি রোবু-এর মতো অসাধারণ যন্ত্রমানব তৈরি করেন।যে ল্যাবরেটরি তার আবিষ্কারের কেন্দ্রবিন্দু। শুধু তাই নয়, আলোচ্য গল্পের মূল প্রযুক্তিগত পটভূমি। যেখানে- শান্ত পরিবেশঃ  প্রফেসর শঙ্কু বিহারের গিরিডি শহরে বসবাস করেন।আর সেই শহরের শান...

লকের মুখ্যগুণ(2nd.Sem.) ও গৌণ গুণের মধ্যে পার্থক্য লেখো। বার্কলে কীভাবে সেই পার্থক্য খন্ডন করেন? আলোচনা করো।

লকের মুখ্যগুণ ও গৌণ গুণের মধ্যে পার্থক্য লেখো। বার্কলে কীভাবে সেই পার্থক্য খন্ডন করেন? আলোচনা করো।            আলোচনার প্রথমেই আমরা বলে রাখি যে, অভিজ্ঞতাবাদী দার্শনিক লকের মতে আমরা সংবেদনের মাধ্যমে যা লাভ করি, তা হল বস্তুর ধারণা বা প্রতিরূপ। এই ধারণা বা প্রতিরূপ হল বিভিন্ন গুণের সমষ্টি। আস নালে তাঁর মতে বস্তুর গুণ দুই প্রকার-১) মুখ্য গুণ এবং ২) গৌণ গুণ। আর এই দুই গুণের মধ্যে যে পার্থক্য আছে তা নিম্নে আলোচনা করা হলো- ১) লক বলেন মুখ্য গুণগুলি বস্তুকে আশ্রয় করেই থাকে। বস্তু ছাড়া গুণের কোন অস্তিত্ব নেই। কাজেই, মুখ্য গুনগুলি বস্তুগত রূপে গণ্য হয়। কিন্তু -       • গৌণ গুণগুলি বস্তুতে আরোপিত হলে সেগুলি ব্যক্তির মনোগত রূপে গণ্য হয়। কারণ এই সমস্ত গুণ জ্ঞাতা কর্তৃক বস্তুতে আরোপিত হয়। ২) মুখ্য গুণগুলি বস্তুর অপরিহার্য গুণ রূপে গণ্য। সেই কারণেই মুখ্য গুণগুলি নিত্য, শাশ্বত ও অপরিবর্তনীয় রূপে স্বীকার্য। বস্তুর আকার, আয়তন এবং গতিপ্রকৃতি হলো বস্তুর মুখ্য গুন। আর এই গুণগুলি কখনোই পরিবর্তিত হতে পারে না। কিন্তু -          •গৌণ গু...

ষষ্ঠ সেমিস্টার বাংলা মেজর সাজেশন BNGADSE6T-Bengali(DSE3/4)

             West Bengal State University.                                   B.A Honours 6th Semester                                     SUGGESTION 2025.                                                      BNGADSE6T-                                                                 Bengali(DSE3/4)        •রবীন্দ্র জীবন কর্ম ও সংশ্লিষ্ট সাহিত্য•                    (২০২৩,২০২১,২০২২)         ...

ষষ্ঠ সেমিস্টার বাংলা (BNGADSE04T-Bengali(DSE3/4) অনার্স সাজেশন ২০২৫

      West Bengal State University.                                   B.A. Honours 6th Semester                                        SUGGESTION 2025                                                BNGADSE04T-                                                      Bengali(DSE3/4).                                                         •CBCS•               ...

বৈজ্ঞানিক অনুমান(4th. Sem.Minor) কাকে বলে? উদাহরণ সহ বৈশিষ্ট্য লেখো।

বৈজ্ঞানিক অনুমান কাকে বলে? উদাহরণ দাও। বৈজ্ঞানিক অনুমানের বৈশিষ্ট্যগুলি লেখো(পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় চতুর্থ সেমিস্টার দর্শন মাইনর Unit-3) বৈজ্ঞানিক অনুমান( Scientific Hypothesis) হলো একটি ধারণা বা প্রস্তাবনা যা একটি পর্যবেক্ষিত ঘটনা বা ঘটনার ব্যাখ্যা প্রদান করে।তবে  এটি একটি পরীক্ষাযোগ্য বিবৃতি, যা কোনো বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানের জন্য একটি ভিত্তি স্থাপন করে। অর্থাৎ-             বৈজ্ঞানিক অনুমান হলো প্রাকৃতিক জগতের কোনো ঘটনা বা পর্যবেক্ষণের একটি অস্থায়ী, পরীক্ষাযোগ্য ব্যাখ্যা। এটি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির একটি মৌলিক অংশ। একে প্রায়শই পূর্ববর্তী জ্ঞান এবং পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে একটি ' শিক্ষিত অনুমান' (educated guess) হিসেবে বর্ণনা করা হয়। তবে, এটি কেবল একটি অনুমান নয়, বরং সুচিন্তিত এবং সম্ভাব্যভাবে যাচাইযোগ্য একটি প্রস্তাবনা।            •বৈজ্ঞানিক অনুমানের বৈশিষ্ট্য•  •পরীক্ষাযোগ্যতা  (Testability)- একটি অনুমান এমন হতে হবে যাকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা বা পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে ভুল প্রমাণ করা যায় (falsifiable)। অর্থাৎ, এ...