Skip to main content

Posts

ইতিহাস সাজেশন ২০২৫ দ্বিতীয় সেমিস্টার।

          West Bengal State University .                                                  History minor.                                                            SUGGESTION-2025. Group-B Answer any two questions 5×2=10 ১) *** স্বত্ববিলোপ নীতির উপর একটি টীকা লেখো। •*** অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি বলতে কী বোঝ? • ** ইংরেজ কোম্পানি কর্তৃক দেওয়ানী লাভের তাৎপর্য কি ছিল?  • *** দ্বৈত শাসনব্যবস্থা বলতে কি বোঝো?  ২) *** ১৮৫৭ এর মহাবিদ্রোহের ব্যর্থতার কারণ লেখো। • *** অবশিল্পায়ন বলতে কী বোঝায়? ৩) লাল বাল পাল নামে কারা পরিচিত ছিলেন লেখো।  • ** ভারতের সামাজিক সংস্কারে আর্য সমাজের ভূমিকা কি ছিল?  • *** খিলাফৎ আন্দোলনের একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও। • মেকলে এর মিনিট কী ছিল?২০ ৪) ** ভারতীয়...

উপরাষ্ট্রপতির ভূমিকা সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আলোচনা।

উপরাষ্ট্রপতির ভূমিকা সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, দ্বিতীয় সেমিস্টার রাষ্ট্রবিজ্ঞান মাইনর)।                আমরা ভারতীয় সংবিধান অনুসারে জানি যে,ভারতের উপরাষ্ট্রপতি দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদাধিকারী। আর সংবিধান অনুসারে তাঁর ভূমিকা ও কার্যাবলী প্রধানত দুটি ক্ষেত্রে বিভক্ত- রাজ্যসভার চেয়ারম্যান হিসেবে এবং রাষ্ট্রপতির অনুপস্থিতিতে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনকারী হিসেবে। আর এই প্রেক্ষিতে ভারতীয় সংবিধানে- ১. রাজ্যসভার পদাধিকার বলে চেয়ারম্যানঃ উপরাষ্ট্রপতির প্রধান ও স্বাভাবিক ভূমিকা হলো রাজ্যসভার চেয়ারম্যান হিসেবে কাজ করা। এই ক্ষমতায় তিনি নিম্নলিখিত দায়িত্বগুলো পালন করেন। শুধু তাই নয় - অধিবেশন পরিচালনাঃ উপরাষ্ট্রপতি রাজ্যসভার অধিবেশন পরিচালনা করেন, সভার শৃঙ্খলা বজায় রাখেন এবং আলোচনা ও বিতর্ক সুষ্ঠুভাবে হয় তা নিশ্চিত করেন।   নিয়ম-কানুন ব্যাখ্যাঃ  তিনি সংসদীয় পদ্ধতি এবং রাজ্যসভার নিয়মাবলী ব্যাখ্যা করেন এবং সে অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনা করেন। নির্ণায়ক ভোটঃ  কোনো বিষয়ে ভোটাভুটিতে উ...

যে সামাজিক-রাজনৈতিক(4th.Sem) স্তর পরম্পরায় রবীন্দ্রনাথ ঘর ও বাইরে-র ব্যঞ্জনাকে দৃশ্যপটের মধ্যে উপস্থাপিত করেছেন তার পরিচয় দাও।

  যে সামাজিক-রাজনৈতিক স্তর পরম্পরায় রবীন্দ্রনাথ ঘর ও বাইরে-র ব্যঞ্জনাকে দৃশ্যপটের মধ্যে উপস্থাপিত করেছেন তার পরিচয় দাও(পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, চতুর্থ সেমিস্টার, বাংলা মেজর)।             আমরা জানি যে,রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'ঘরে বাইরে' উপন্যাসটি একটি কালজয়ী রাজনৈতিক উপন্যাস। যে উপন্যাসটি  ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ আন্দোলন এবং তার পরবর্তী সময়ের স্বদেশী আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত। এই রাজনৈতিক এবং সামাজিক প্রেক্ষাপটেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 'ঘর' ও 'বাইরে'র দ্বৈততার ওপর ভর করে উপন্যাসঠটি পাঠকের দরবারে উপস্থাপন করেছেন। আর সেই উপস্থাপনে আমরা দেখতে পাই যে-           সুবিশাল রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটঃ আমরা জানি যে 'ঘরে বাইরে' উপন্যাসের মূল রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট হল স্বদেশী আন্দোলন।  যে আন্দোলন ১৯০৫ সালে লর্ড কার্জনের বঙ্গভঙ্গকে কেন্দ্র করে এই আন্দোলন শুরু হয়। তবে উপন্যাসটিতে এই আন্দোলনের দুটি বিপরীতমুখী ধারাকে সামনে ঊতুলে ধরা হয়েছে। সেখানে আমরা দেখি-          রবীন্দ্র-ভাবনার স্বাদেশীকতাঃ  উপন্যাসটিতে আমর...

ঘরে বাইরে উপন্যাসে(4th Semester) শ্রেয় এবং প্রেয়'র দ্বন্দ্ব বিমলা চরিত্রের মধ্যে দিয়ে কিভাবে প্রকাশিত হয়েছে- উপন্যাস অবলম্বনে তা আলোচনা করো।

' ঘরে বাইরে' উপন্যাসে শ্রেয় এবং প্রেয়'র দ্বন্দ্ব বিমলা চরিত্রের মধ্যে দিয়ে কিভাবে প্রকাশিত হয়েছে- উপন্যাস অবলম্বনে তা আলোচনা করো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় চতুর্থ সেমিস্টার বাংলা মেজর)।              আলোচনার শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে, ঔপন্যাসিক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি অন্যতম উপন্যাস ঘরে বাইরে।আর সেই উপন্যাসে শ্রেয় এবং প্রেয়'র দ্বন্দ্বকে নিখিলেশ ও সন্দীপের চরিত্রের মাধ্যমে এবং বিমলার মানসিক টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে খুব স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে।আর সেখানে আমরা দেখতে পাই -                •ঘরে বাইরে উপন্যাসে বিমলা চরিত্রের মধ্যে শ্রেয় এবং প্রেয়'র দ্বন্দ্ব অত্যন্ত সুস্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। আর সেখানে ' শ্রেয়' বলতে বোঝানো হয়েছে কল্যাণকর ও নৈতিকতাকে। যা সমাজের আদর্শ ও নীতির সঙ্গে সম্পর্কিত। আর ' প্রেয়' বলতে বোঝানো হয়েছে ব্যক্তিগত ভালো লাগা, আকর্ষণ এবং আত্মসুখকে। উপন্যাসের মূল কাহিনি এই দুই বিপরীতমুখী শক্তির টানাপোড়েনেই গড়ে উঠেছে, যার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে বিমলার মন। আর সেই কেন্দ্রবিন্দুতে আমরা দেখ...

নৌবিদ্রের কারণগুলি আলোচনা করো।

  নৌবিদ্রোহের কারণগুলি আলোচনা করো।        আমরা জানি যে,১৯৪৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ভারতের স্বাধীনতার ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ' নৌবিদ্রোহ'। আর এই  বিদ্রোহের মাধ্যমে ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে ভারতের নৌসেনারা বিদ্রোহ করে, তা ব্রিটিশ শাসনের ভিত নড়িয়ে দেয়। আর এই বিদ্রোহের যে কারণগুলি ছিল,তাহলো- ১)বৈষম্যময় জীবনযাত্রাঃ নৌবিদ্রোহের প্রধান কারণ ছিল ব্রিটিশ ও ভারতীয় নৌসেনাদের মধ্যে চরম বৈষম্য । যেখানে ব্রিটিশ নৌসেনাদের তুলনায় ভারতীয় নৌসেনাদের অনেক কম বেতন দেওয়া হতো। তাদের বাসস্থান, খাদ্য এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার মান ছিল অত্যন্ত নিম্ন। ভারতীয় নাবিকদের প্রায়শই বাসি ও পচা খাবার সরবরাহ করা হতো, যা তাদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষের জানা বাঁধে। ২) ব্রিটিশ অফিসারদের দুর্ব্যবহারঃ নৌবাহিনীর ব্রিটিশ অফিসাররা ভারতীয় নাবিকদের সঙ্গে প্রায়ই দুর্ব্যবহার করত। জাতিগত বৈষম্য ছিল প্রকট। ভারতীয়দের 'কুলি' বা 'কালো' বলে অপমান করা হতো। এই ধরনের বর্ণবৈষম্যমূলক আচরণ ভারতীয় নাবিকদের আত্মসম্মানে আঘাত হানত এবং তাদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছিল। ৩) আজাদ হিন্দ ফৌজের প্রভাবঃ ১৯৪৫ সালে দ্...

Authorise letter

To The Secretary, The West Bengal Rabindra Open Schooling  Bikash Bhaban,Salt Lake Kolkata-700091 From, Coordinator/Headmaster  Hingalganj High School (H.S) Hingalganj, North 24 Parganas,743435 Subject-  Respected Sir/Madam,  This to inform you that, this letter is to authorize Mr./Ms......... ........................ , representative of our Study Centre to Collect/ Submitted the ................................  on behalf of our Study Centre.           We kindly request you to Your cooperation in this matter would be highly appreciated.                            Thank you.  Signature attested                                                                              ...

মোক্ষকে জীবনের(4th.Sem) পরম পুরুষার্থ বলা হয় কেন? আলোচনা করো।

ভারতীয় নীতিশাস্ত্র অনুসারে কাকে এবং কেন পরম পুরুষার্থ বলা হয়? আলোচনা করো।•অথবা-মোক্ষকে পরম পুরুষার্থ বলা হয় কেন?তা বুঝিয়ে দাও (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, চতুর্থ সেমিস্টার, দর্শন মাইনর)।               আলোচনার শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,ভারতীয় নীতিশাস্ত্র অনুসারে, মোক্ষ বা নির্বাণকে পরম পুরুষার্থ বলা হয়। পুরুষার্থ হলো মানুষের জীবনের চারটি মূল লক্ষ্য- ধর্ম, অর্থ, কাম এবং মোক্ষ। এদের মধ্যে প্রথম তিনটি হলো জাগতিক লক্ষ্য এবং চতুর্থটি হলো চূড়ান্ত ও আধ্যাত্মিক লক্ষ্য। এই প্রেক্ষিতে আমাদের এখন আলোচনা করে দেখাতে হবে মোক্ষকে কেন পরম পুরুষার্থ বলা হয়? ১ ) জীবনের চরম লক্ষ্যঃ আমরা জানি যে,ধর্ম, অর্থ এবং কাম হলো মোক্ষ অর্জনের সহায়ক বিষয়।তবে একজন মানুষ ধর্মীয় ও নৈতিক পথে অর্থ উপার্জন এবং কাম উপভোগ করলে তার মন শুদ্ধ হয় এবং সে মোক্ষের দিকে অগ্রসর হতে পারে। কিন্তু এই তিনটিই বিষয় জীবনের শেষ লক্ষ্য নয়। বরং বলা যেতে পারে যে,মোক্ষই জীবনের চূড়ান্ত এবং সর্বোচ্চ লক্ষ্য। ২) দুঃখের অবসানঃ ভারতীয় দর্শনে, জীবনের মূল সমস্যা হলো দুঃখ। জন্ম-মৃত্যুর চক্রে বারব...