Skip to main content

Posts

পশ্চিমবঙ্গ উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা চতুর্থ সেমিস্টার বাংলা সিলেবাস।

পশ্চিমবঙ্গ উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ, দ্বাদশ শ্রেণি, চতুর্থ সেমিস্টার, বাংলা সিলেবাস ও নম্বর বিভাজন,২০২৫(ইউটিউব চ্যানেলে দেওয়া আছে)।           (SAQ & LAQ Type Question) ক) গল্প,০৫।    খ) কবিতা,০৫ গ) নাটক,০৫।  ঘ) পূর্ণাঙ্গ সহায়ক গ্ৰন্থ,১০ ঙ) বাংলা শিল্প-সাহিত্য ও সংস্কৃতির ইতিহাস,০৫ চ) প্রবন্ধ রচনা,১০ এবং প্রজেক্ট-২০ ক/গল্পঃ -  ১) হলুদ পোঁড়া- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়। ২) রং নাম্বার- মহাশ্বেতা দেবী। খ/ কবিতাঃ- ১) প্রার্থনা-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ২) তিমির হননের গান-জীবনানন্দ দাশ। ৩) কেন এলো না- সুভাষ মুখোপাধ্যায়। গ ) নাটকঃ- •নানা রঙের দিন-অজিতেশ বন্দোপাধ্যায়। ঘ) পূর্ণাঙ্গ সহায়ক গ্রন্থঃ  • ডাকঘর- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঙ) বাংলা শিল্প সাহিত্য ও সংস্কৃতির ইতিহাস।  • পর্ব৫- বাংলা চিত্রকলার ইতিহাস সংক্ষিপ্ত রূপরেখা। • পর্ব ৬- বাঙালির চলচ্চিত্রের ইতিহাস সংক্ষিপ্ত রূপরেখা। চ) প্রবন্ধ রচনা ঃ- • কোন একটি বিষয়ে কোনো একজন লেখকের লেখার একটি অংশ দেওয়া থাকবে। প্রদত্ত অনুচ্ছেদটি হলো মূল রচনার প্রস্তাবনা বা ভূমিকা। এই প্রস্তাবনা বা ভূমিকাটিকে অবল...

সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত 'আমরা' কবিতার মধ্যে দিয়ে বাঙালির কৃতিত্বকে কীভাবে তুলে ধরেছেন তা আলোচনা করো।

সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত 'আমরা' কবিতার মধ্যে দিয়ে বাঙালির কৃতিত্বকে কীভাবে তুলে ধরেছেন তা আলোচনা করো। (পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ, বাংলা-নবম শ্রেণী)          আলোচনার শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,' আমরা' কবিতাটি সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের ' কুহু ও কেকা' কাব্যগ্ৰন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে। আর সেখানে‘আমরা' কবিতাটি বাংলা ও বাঙালির গৌরব ও কৃতিত্বকে কেন্দ্র করে রচিত। যেখানে-       কবিতার শুরুতে বাংলার রূপ বর্ণনার পরেই কবি বাঙালির গৌরবগাথা রচনা করেছেন। জলে-জঙ্গলে পূর্ণ বাংলায় বাঙালি জাতি সাপ ও বাঘের সঙ্গে যুদ্ধ করে বেঁচে থাকে।আর সেখানে সিংহলি পুরাণ অনুসারে রাঢ় বাংলার সিংহপুরের রাজপুত্র বাঙালি বিজয়সিংহ লঙ্কা জয় করেন এবং তাঁর নামানুসারেই লঙ্কার সিংহল নামকরণ করা হয়।তবে-        বাঙালি বহির্দেশীয় আক্রমণকারী মগ ও মোগলের সঙ্গেও প্রাণপণ লড়াই করেছে। বারোভূঁইয়ার অন্যতম চাঁদ রায়, প্রতাপাদিত্যকে পরাজিত করতে দিল্লির মোগল সম্রাটকে রীতিমতো বেগ পেতে হয়েছিল।এই বাংলায় গঙ্গাসাগরে কপিলমুনির আশ্রম আছে।তাই কবি ধরে নিয়েছেন তাঁর সুপ্রাচীন সাংখ্য দর্শনের রচনাভূম...

প্রথম সেমিস্টার বাংলা সাজেশন ২০২৫ সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষা ।

  West Bengal State University           Supplimentary Examination                                              1st Semester CBCS                                                         Suggestion 2025 প্রতিটি ইউনিট থেকে একটি করে মোট চারটি প্রশ্নের উত্তর দাও। ৪×১০=৪০                  ইউনিট-১ ১। *** ক) বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম গ্রন্থের প্রকৃত নাম কী?এই গ্রন্থটি কে,কোথা থেকে,কবে আবিষ্কার করেন? গ্রন্থটির সাহিত্যমূল্য বিচার করো। • *** চর্যাপদে গূঢ় ধর্মীয় সাধনতত্ত্বের (ধর্মসঙ্গীত)প্রকাশ ঘটলেও তারই মধ্যে গানগুলিতে তৎকালীন সমাজ জীবন যেভাবে পরিলক্ষিত হয় তার পরিচয় দাও।                         ...

বাংলা মেজর প্রশ্নপত্র

বাংলা মেজর প্রথম সেমিস্টার বিভিন্ন সালের প্রশ্ন (CBCS, NEP)                           একক-১ ১।ক) বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম গ্রন্থের প্রকৃত নাম কী? এই গ্রন্থটি কে, কোথা থেকে, কবে আবিষ্কার করেন? গ্রন্থটির সাহিত্যমূল্য বিচার করো।২২ • চর্যাপদে গূঢ় ধর্মীয় সাধনতত্ত্বের প্রকাশ ঘটলেও তারই মধ্যে গানগুলিতে তৎকালীন সমাজ জীবন যেভাবে পরিলক্ষিত হয় তার পরিচয় দাও।২১ • বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন কী?কে এই গ্রন্থটি কোথা থেকে আবিষ্কার করেন? গ্রন্থটির সাহিত্যিক মূল্য বিচার করো। ২০ • 'চর্যাগীতি ধর্মসঙ্গীত হলেও সমাজ বিবিক্ত নয়- এই গানগুলোর মধ্যে পাই তৎকালীন সমাজ।' মন্তব্যটি ব্যাখ্যা করো।১৯ •বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম গ্রন্থের প্রকৃত নাম কী? কে এই গ্রন্থটি কোথা থেকে আবিষ্কার করেন? এই গ্রন্থটির সাহিত্যিক মূল্য বিচার করো।১৮ খ) শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের আবিষ্কার সম্পর্কিত তথ্য সংক্ষেপে লেখো। কাব্যটির কাব্যমূল্য সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করো।২২ • শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে কয়টি খন্ড ও কী কী ?এই কাব্যের কাহিনী ও আঙ্গিক আলোচনা করো।২১ • শ্রীকৃষ্ণকী...

উনিশ শতকে বাংলা গদ্যের বিকাশে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের অবদান আলোচনা করো।

উনিশ শতকে বাংলা গদ্যের বিকাশে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের অবদান আলোচনা করো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, তৃতীয় সেমিস্টার, বাংলা মেজর এবং পঞ্চম সেমিস্টার, বাংলা মাইনর)।             আলোচনার শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,১৯শ শতকে বাংলা গদ্যের বিকাশে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। যে প্রতিষ্ঠানটি তৎকালীন সময়ে বাংলা গদ্যের বিকাশে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।তবে সেই সময়ে বাংলা গদ্যের একটি নিজস্ব রূপ তখনও ছিল না।আর সেই প্রেক্ষিতে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ কিছু নির্দিষ্ট পদক্ষেপ গ্ৰহণ করে বাংলা গদ্যকে একটি আধুনিক ও প্রাঞ্জল রূপদান করে। তবে-         ১৭৯৯ সালে শ্রীরামপুর ব্যাপ্টিস্ট মিশন প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর বাইবেল ও অন্যান্য ধর্মীয় গ্রন্থ বাংলায় অনুবাদের কাজ শুরু হয়। এর প্রায় এক বছর পর অর্থাৎ ১৮০০ সালে কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত হয় ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ।যে কলেজটি মূলত ব্রিটিশ সিভিলিয়ানদের বাংলা ও অন্যান্য দেশীয় ভাষা শেখানোর উদ্দেশ্যেই এটি স্থাপিত হয়েছিল।আর কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান হিসেবে নিযু...

বাংলা গদ্যের বিকাশে শ্রীরামপুর মিশনের অবদান আলোচনা করো ।

বাংলা গদ্যের বিকাশে শ্রীরামপুর মিশনের অবদান আলোচনা করো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, তৃতীয় সেমিস্টার, বাংলা মেজর)।              আলোচনার শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,বাংলা গদ্যের বিকাশে শ্রীরামপুর মিশনের অবদান ছিল অপরিসীম। ১৮০০ সালে উইলিয়াম কেরি, উইলিয়াম ওয়ার্ড এবং মার্শম্যান এই তিনজনের উদ্যোগে শ্রীরামপুরে ব্যাপটিস্ট মিশন স্থাপিত হয়। আর এই মিশন বাংলা ভাষার প্রসারে, বিশেষ করে বাংলা গদ্যের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।আর সেই প্রেক্ষিতে বাংলা গদ্যের বিকাশে শ্রীরামপুর মিশনের ভূমিকায় আমরা দেখতে পাই যে -             আমরা জানি যে,শ্রীরামপুর মিশন মূলত ধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। কিন্তু এই মিশন সেই কার্যক্রমের মধ্যে আবদ্ধ না থেকে তাদের কার্যক্রম বাংলা ভাষা এবং সাহিত্যের ওপর গভীর প্রভাব ফেলে। আর সেই প্রভাবে বাংলা গদ্যের বিকাশে তাদের প্রধান অবদান আমরা নিম্নসূত্রাকারে আলোচনা করলাম- ১)মুদ্রণ যন্ত্রের ব্যবহারঃ  শ্রীরামপুর মিশনই প্রথম এই বাংলার বুকে বাংলা মুদ্রণ যন্ত্র স্থাপন করে। তবে এর আগে বাংলা গদ্যের...

বাংলা কথাসাহিত্যে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কৃতিত্ব বা অবদান আলোচনা করো ।

বাংলা কথাসাহিত্যে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কৃতিত্ব বা অবদান আলোচনা করো (পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়, তৃতীয় সেমিস্টার, বাংলা মেজর)।           • আলোচনার শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে,বাংলা সাহিত্যকে সাধারণ পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে যাঁরা অগ্ৰণী ভূমিকা গ্ৰহণ করেছিলেন শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তার মধ্যে অন্যতম। শুধু তাই নয়, উপন্যাস সাহিত্যে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য।আসলে তিনি রবীন্দ্রনাথের উত্তরসূরি হয়েও নিজস্ব স্বকীয়তা বজায় রাখতে পেরেছিলেন এবং সমাজের নিপীড়িত, বঞ্চিত মানুষের কথা তুলে ধরেছিলেন তাঁর উপন্যাসে গুলিতে। তবে এখানে বলে রাখি-সমাজের প্রচলিত প্রথা, কুসংস্কার এবং নারী-পুরুষের সম্পর্কের জটিলতাকে তিনি তাঁর সাহিত্যে নতুনভাবে উপস্থাপন করে অনন্যসাধারণ কৃতিত্ব অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন।আর সেখানে -          •সাধারণ মানুষের জীবনচিত্রণে  শরৎচন্দ্র তাঁর উপন্যাস গুলিতে তৎকালীন বাংলার বাঙালি সমাজের বাস্তব চিত্র তুলে ধরেছেন। শুধুমাত্র তাই নয়,তিনি সমাজের মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত মানুষের জীবন, তাদের দুঃখ-দুর্দশা, প্রেম ও সম্পর্কের ...