Skip to main content

ইতিহাস/ দ্বিতীয় সেমিস্টার/২০২১

 ১) গ্ৰহন মোক্ষ পরিগ্রহ নীতি কে এবং কেন গ্রহণ করেছেন?

উত্তর - সম্রাট সমুদ্রগুপ্ত গ্রহণ মুখ্য পরিগ্রহ নীতি গ্রহণ করেছিলেন । তিনি এই নীতি গ্রহণ করেছিলেন দক্ষিণ ভারত বিজয় কালীন।


২) গুপ্ত যুগের দুজন বিখ্যাত বিজ্ঞানের নাম লেখো।

উত্তর - গুপ্ত যুগের দুজন বিজ্ঞানী হলেন আর্যভট্ট এবং বরাহমিহির।


৩) কালিদাসের রচিত দুটি গ্রন্থের নাম লেখো।

উত্তর - মহাকবি কালিদাসের উল্লেখযোগ্য রচনাগুলো ঋতুসংহার','মেঘদূত','রঘুবংশ',ও 'কুমারসম্ভব' -এই চারটি কাব্য ।


৪) কোন গুপ্ত সম্রাট হুনদের পরাজিত করেছিলেন?

উত্তর - মালবরাজ রাজা যশোধর্মন হূণদের পরাজিত করেন।


৫) কে উত্তর পথনাথ উপাধি গ্রহণ করেছিলেন?

উত্তর - হর্ষবর্ধন উত্তরাপথনাথ উপাধি গ্রহণ করেছিলেন।


৬) অগ্রহার ব্যবস্থা কি ছিল?

উত্তর -খ্রিস্টীয় চতুর্থ শতকের প্রথম দিকে ব্রাহ্মণদের গ্রাম দানের রীতি গড়ে উঠেছিল। আর ব্রাহ্মণদের এই গ্রাম দানের ব্যবস্থাকে বলা হয় অগ্রহার ব্যবস্থা।


৭) নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের তাৎপর্য কী ছিল?

উত্তর -বিহার রাজ্যের নালন্দা জেলার রাজগীরে অবস্থিত নালন্দা একটি বিশ্ববিদ্যালয় ও সর্বজনীন কেন্দ্র। এটি সমকালীন ভারতে বৌদ্ধ ধর্মচর্চা ও শিক্ষার প্রধান কেন্দ্র । চৈনিক পর্যটক হিউয়েনসাঙ এই বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঁচ বছর অধ্যয়ন করেছিলেন

৮) বানভট্টের রচিত দুটি গ্রন্থের নাম লেখো।

উত্তর - বানভট্ট রচিত দুটি গ্রন্থ হল হর্ষচরিত এবং কাদম্বরী।


৯) বর্ধন বংশের বিখ্যাত শাসক কে ছিলেন? প্রভাকর বর্ধনের রাজধানীর নাম কি ছিল?

উত্তর - বর্ধন বংশের বিখ্যাত শাসক ছিলেন হর্ষবর্ধন। প্রভাকর বর্ধনের রাজধানীর নাম ছিল থানেশ্বর।


১০) গোপাল কে ছিলেন?

উত্তর - ৭৫০ খ্রীষ্টাব্দে গোপাল ছিলেন সামন্তরাজা।  তিনি বাংলায় পাল বংশের শাসন প্রতিষ্ঠা করেন।


১১) কৈবর্ত বিদ্রোহ কি?

উত্তর - কৈবর্ত বিদ্রোহ বা বরেন্দ্র বিদ্রোহ হল কৈবর্ত সামন্ত রাজা দিব্যের নেতৃত্বে শুরু হওয়া তাদের তৎকালীন পাল রাজা দ্বিতীয় মহীপালের (১০৭০-১০৭৫) পাল সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে সংগঠিত একটি বিপ্লব।

১২) কখন এবং কার নেতৃত্বে তুরকিরা বাংলা আক্রমণ করেছিলেন?

উত্তর - মহম্মদ ঘুরির নেতৃত্বে ১১৯২ খ্রীষ্টাব্দে তুর্কিরা বাংলা আক্রমণ করেন।

১৩) পল্লব বংশের দুজন বিখ্যাত শাসকের নাম লেখো।উত্তর - পল্লব বংশের দুজন বিখ্যাত শাসক হলেন নরসিংহ বর্মন এবং শিবস্কন্দ বর্মন।


১৪) আইহোল প্রশস্তি কে রচনা করেছিলেন? এই প্রশস্তিতে কার কৃতিত্বের কথা বর্ণিত হয়েছে?

উত্তর - আইহোল প্রশস্তি রচিত হলেন রবিকীর্তি। এই প্রস্তুতিতে চালুক্যরাজ দ্বিতীয় পুলকেশীর কৃতিত্ব আলোচিত হয়েছে।


১৫) তরাইনের প্রথম যুদ্ধ কবে সংঘটিত হয়েছিল? এই যুদ্ধের ফলাফল কি হয়েছিল?

উত্তর -তরাইনের প্রথম যুদ্ধ হয়েছিল ১১৯১ সালে মহম্মদ ঘুরি এবং পৃথ্বীরাজ চৌহানের মধ্যে। 

তরাইনের প্রথম যুদ্ধে মহম্মদ ঘুরী পরাজিত হন ।

Comments

Popular posts from this blog

একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়।

  একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়-সারদা মঙ্গল               গীতিকাব্য হলো এক ধরনের কবিতা, যার মধ্যে দিয়ে ব্যক্তির আবেগ, অনুভূতি এবং অভিজ্ঞতাগুলিকে ছন্দ ওর সংগীতের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। তবে এখানে কবিতাগুলি খুবই ছোট আকারের হয়, আর সেখানে কবির ব্যক্তিগত অনুভূতির গভীরতা ও আন্তরিকতা প্রকাশ পায়। আর এই প্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি গীতি কবিতার সংকলন হলো গীতিকাব্য। ব্যঞ্জনাময় ও সংহত ।  গীতিকাব্যের বৈশিষ্ট্য  গীতিকাব্যের কিছু প্রধান বৈশিষ্ট্য নিচে আলোচনা করা হলো: ১. ব্যক্তিগত অনুভূতি ও আবেগ প্রকাশ: এটি গীতিকাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য। এখানে কবি নিজের ব্যক্তিগত অনুভূতি, প্রেম, বিরহ, আনন্দ বা বিষাদের কথা তুলে ধরেন। ২. সংক্ষিপ্ততা: গীতিকাব্য সাধারণত দীর্ঘ হয় না। অল্প কয়েকটি স্তবকের মধ্যে কবি তাঁর ভাবনা সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করেন। ৩. সুর ও ছন্দের প্রাধান্য: গীতিকাব্য মূলত সুর করে আবৃত্তি করার জন্য রচিত হয়। তাই এতে সুর ও ছন্দের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়। ৪. আত্মগতভাব: গীতিকাব্যে বাইরের জগতের বর্ণনা না দিয়ে কবির নিজের মনের ভেতরের জগতের প্রতি মনোযোগ ...

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর ।

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর  ১) শিল্প বিপ্লব কবে কোথায় প্রথম ঘটেছিল?         উত্তর - প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়েছিল ইংল্যান্ডে (গ্রেট ব্রিটেন)। এটি প্রধানত অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হয়ে প্রায় ১৭৬০ থেকে ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দ-এর মধ্যে ঘটেছিল। ২) কৃষ্ণমৃত্যু কী?            • কৃষ্ণমৃত্যু (Black Death) হলো মানব ইতিহাসের এক ভয়াবহ মহামারি।এটি ছিল মূলত প্লেগ (Plague) রোগ, যা Yersinia pestis নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে সৃষ্টি হয়েছিল।এটি প্রধানত ১৩৪৬ থেকে ১৩৫৩ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে ইউরোপ, এশিয়া (ইউরেশিয়া) এবং উত্তর আফ্রিকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল। ৩) কে বলেছিলেন মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড?        •এই বিখ্যাত উক্তিটি যিনি করেছিলেন তিনি হলেন প্রাচীন গ্রিসের একজন প্রখ্যাত দার্শনিক, যার নাম প্রোটাগোরাস (Protagoras)।তাঁর মূল বক্তব্যটি ছিল-"মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড, যা আছে তারও, আর যা নেই তারও।” ৪) পেত্রাক কেন বিখ্যাত?         •পেত্রাক (Francesco Petrarca) ছিলেন ১৪ শতকের (১৩০৪-১৩৭৪) একজন ...

অবক্ষয় যুগ। অষ্টাদশ-ঊনবিংশ শতাব্দীর সন্ধিক্ষণে বাঙালির অবক্ষয় যুগের পরিচয় দাও। এই সময়ে টপ্পা ও আখড়াই গানের উদ্ভব ও জনপ্রিয়তার সামাজিক কারণগুলি আলোচনা করো।

অবক্ষয় যুগ। অষ্টাদশ-ঊনবিংশ শতাব্দীর সন্ধিক্ষণে বাঙালির অবক্ষয় যুগের পরিচয় দাও। এই সময়ে টপ্পা ও আখড়াই গানের উদ্ভব ও জনপ্রিয়তার সামাজিক কারণগুলি আলোচনা করো। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম সেমিস্টার বাংলা মাইনর।ইউনিট ৪।   অবক্ষয় যুগের পরিচয় এবং টপ্পা ও আখড়াই গানের সামাজিক কারণ ও অবক্ষয় যুগের পরিচয়          আমরা জানি যে,১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে পলাশীর যুদ্ধের পর থেকে ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধ (১৮৫০ খ্রি.) পর্যন্ত সময়কালকে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে 'অবক্ষয় যুগ' বা 'সন্ধিযুগ' বলা হয়।আর এটি ছিল মধ্যযুগের দেবনির্ভরতার অবসান এবং আধুনিক যুগের মানবতাবোধের সূচনার মধ্যবর্তী এক ক্রান্তিকাল।যেখানে এই সময়কালের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি  নিম্নরূপে আলোচনা করা যেতে পারে-        •রাজনৈতিক অস্থিরতাঃ নবাবী শাসনের পতন এবং ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দেওয়ানি লাভের ফলে বাংলার পুরনো শাসন ও অর্থনৈতিক কাঠামো ভেঙে পড়ে।      •'বাবু' সংস্কৃতির উদয়ঃ ছিয়াত্তরের মন্বন্তর (১১৭৬ বঙ্গাব্দ) এবং চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের (১৭৯৩ খ্রি.) ফলে গ্রামীণ বনেদি সমাজ ধ্...