দামিনীর মুখ দিয়ে এছাড়া আর কোন জবাব বার হল না…” দামিনীর মুখ দিয়ে কোন্ জবাব বের হয়েছিল? হলুদ পোড়া গল্প কাহিনী অবলম্বনে ঘটনাটি উল্লেখ করো।
"দামিনীর মুখ দিয়ে এছাড়া আর কোন জবাব বার হল না…” দামিনীর মুখ দিয়ে কোন্ জবাব বের হয়েছিল? হলুদ পোড়া গল্প কাহিনী অবলম্বনে ঘটনাটি উল্লেখ করো(পশ্চিমবঙ্গ উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ, দ্বাদশ শ্রেণী, চতুর্থ সেমিস্টার, বাংলা)।
• আলোচনার শুরুতেই আমরা বলে রাখি যে, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘হলুদ পোড়া’ গল্পে দামিনী একমাত্র নারী চরিত্র,যে জবাব দিয়েছিল-সে চাটুজ্যে বাড়ির শুভ্রা, এবং বলাই চক্রবর্তী তাকে খুন করেছে।
হঠাৎ বাতাস লেগে আকস্মিকভাবে নবীনের স্ত্রী দামিনী অসুস্থ হয়ে পড়ে। অতঃপর কুঞ্জ গুনিনকে ডেকে আনা হয় দামিনীকে সুস্থ করে তোলার জন্য।কুঞ্জ গুনিন প্রথম দর্শনেই দামিনীর মধ্যে অশরীরী আত্মার অনুপ্রবেশ লক্ষ্য করে। অতঃপর কুঞ্জ বারান্দা থেকে সকলকে নেমে যেতে বলেন।সেই বারান্দায় জল ছিটিয়ে মন্ত্র পড়তে পড়তে দামিনীর এলোচুল দাওয়ার একটা খুঁটির সঙ্গে বাঁধে কুঞ্জ গুনিন। তারপর
কুঞ্জ গুনিন নানাদিকে ঘুরে ঘুরে দুর্বোধ্য মন্ত্র উচ্চারণ করতে থাকে। এখানেই শেষ নয়, অতঃপর সে মালসাতে আগুন করে তাতে শুকনো পাতা আর শিকড় পোড়াতে থাকে। চামড়ার মতো উৎকট গন্ধে চারপাশ ভরে যায়। ধীরে ধীরে দামিনীর আর্তনাদ এবং ছটফটানি কমে আসে। খুঁটিতে পিঠ ঠেকিয়ে কাঠের মতো সোজা দাঁড়িয়ে সে অর্ধ-উন্মীলিত চোখে কুঞ্জর দিকে তাকিয়ে থাকে। তখন -
একটা কাঁচা হলুদ পুড়িয়ে কুঞ্জ গুনিন তার নাকের কাছে ধরে। দামিনীর প্রায় বুজে আসা চোখ বিস্ফোরিত হয়ে ওঠে। কুঞ্জ অশরীরীর কাছে জানতে চায় তার পরিচয়। উত্তর আসে যে সে খুন হয়ে যাওয়া শুভ্রা।পঙ্কজ ঘোষাল কুঞ্জকে প্রশ্ন করতে বলেন যে, কে তাকে খুন করেছে? কিন্তু সেই প্রশ্ন করার আগেই দামিনী উত্তর দেয় যে বলাই চক্রবর্তী তাকে খুন করেছে।এর পরেও-
নানাভাবে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে অনেকবার প্রশ্ন করার পরেও অন্য কোনো উত্তর তার কাছ থেকে পাওয়া যায় না। তারপরে একসময় তার কথা বন্ধ হয়ে যায়, নাকে হলুদ পোড়া ধরেও তাকে আর কথা বলানো যায় নি।
ঠিক এরূপ অসংখ্য বিষয়ভিত্তিক আলোচনা সাজেশন এবং ভিডিও পেতে ভিজিট করুন আমাদের SHESHER KOBITA SUNDORBON YOUTUBE CHANNEL 🙏
Comments
Post a Comment