Skip to main content

শিখন কাকে বলে? শিখনের বৈশিষ্ট্য গুলি লেখো।

শিখন(Learning) কাকে বলে? শিখনের বৈশিষ্ট্যগুলি লেখো (পশ্চিমবঙ্গ উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ দ্বাদশ শ্রেণী চতুর্থ সেমিস্টার এডুকেশন)।

       শিখনঃ আমরা জানি যে,শিখন হলো এমন একটি সচেতন প্রক্রিয়া,যে প্রক্রিয়ায় মাধ্যমে মানুষের অতীত অভিজ্ঞতা, অনুশীলন বা প্রশিক্ষণের প্রভাবে ব্যক্তির আচরণধারায় অপেক্ষাকৃত স্থায়ী পরিবর্তন সাধিত হয়। অর্থাৎ এখানে-

             নতুন জ্ঞান, দক্ষতা, মনোভাব বা দৃষ্টিভঙ্গি অর্জন করার অন্যতম একটি প্রক্রিয়া। যার মাধ্যমে প্রাণীকে পরিবর্তিত পরিবেশের সঙ্গে অভিযোজিত হতে সাহায্য করে, তাকেই শিখন বলে।

                    •শিখনের বৈশিষ্ট্য•

     •আচরণের পরিবর্তন। আমরা জানি যে,শিখন সব সময় আচরণের পরিবর্তন বা আচরণের সম্ভাবনার পরিবর্তন ঘটায়। শুধু তাই নয়,এটি মানুষের পূর্বের আচরণকে পরিমার্জিত করতে পারে বা নতুন আচরণ যোগ করতে পারে।

      •স্থায়ী পরিবর্তন। শিখনজাত পরিবর্তন সাধারণত অপেক্ষাকৃত স্থায়ী প্রকৃতির হয়। তবে এক্ষেত্রে ক্লান্তি, অসুস্থতা বা মাদক গ্রহণের ফলে যে সাময়িক আচরণ পরিবর্তন হয়, তাকে শিখন বলা যায় না।

      •অভিজ্ঞতার ফল। শিখন জন্মগত নয় বা স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও পরিণমনের ফলও নয়। আসলে এটি অভিজ্ঞতা, অনুশীলন এবং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অর্জিত হয়।

     •উদ্দেশ্যমুখী।শিখন একটি উদ্দেশ্যমুখী প্রক্রিয়া।যেখানে মানুষ তার কোনো চাহিদা বা উদ্দেশ্য পূরণের জন্যই কিছু শেখে।

     •অভিযোজনমূলক।শিখন প্রাণীকে নতুন পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে অর্থাৎ পরিবর্তিত পরিবেশের সাথে মানিয়ে চলতে (অভিযোজন) সাহায্য করে।

    •অভিজ্ঞতা ও প্রশিক্ষণের ফল। শিখন প্রক্রিয়া স্বতঃস্ফূর্তভাবে বা জন্মগতভাবে হয় না, বরং অভিজ্ঞতা, অনুশীলন ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অর্জিত হয়। এখানে ব্যক্তির আচরণের পরিবর্তনও হয়।

      •ঠিক এরূপ অসংখ্য বিষয়ভিত্তিক আলোচনা ব্যাখ্যা সাজেশন টিউটোরিয়াল ভিডিও পেতে ভিজিট করুন আমাদের SHESHER KOBITA SUNDARBAN Youtube channel 🙏 


Comments

Popular posts from this blog

একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়।

  একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়-সারদা মঙ্গল               গীতিকাব্য হলো এক ধরনের কবিতা, যার মধ্যে দিয়ে ব্যক্তির আবেগ, অনুভূতি এবং অভিজ্ঞতাগুলিকে ছন্দ ওর সংগীতের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। তবে এখানে কবিতাগুলি খুবই ছোট আকারের হয়, আর সেখানে কবির ব্যক্তিগত অনুভূতির গভীরতা ও আন্তরিকতা প্রকাশ পায়। আর এই প্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি গীতি কবিতার সংকলন হলো গীতিকাব্য। ব্যঞ্জনাময় ও সংহত ।  গীতিকাব্যের বৈশিষ্ট্য  গীতিকাব্যের কিছু প্রধান বৈশিষ্ট্য নিচে আলোচনা করা হলো: ১. ব্যক্তিগত অনুভূতি ও আবেগ প্রকাশ: এটি গীতিকাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য। এখানে কবি নিজের ব্যক্তিগত অনুভূতি, প্রেম, বিরহ, আনন্দ বা বিষাদের কথা তুলে ধরেন। ২. সংক্ষিপ্ততা: গীতিকাব্য সাধারণত দীর্ঘ হয় না। অল্প কয়েকটি স্তবকের মধ্যে কবি তাঁর ভাবনা সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করেন। ৩. সুর ও ছন্দের প্রাধান্য: গীতিকাব্য মূলত সুর করে আবৃত্তি করার জন্য রচিত হয়। তাই এতে সুর ও ছন্দের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়। ৪. আত্মগতভাব: গীতিকাব্যে বাইরের জগতের বর্ণনা না দিয়ে কবির নিজের মনের ভেতরের জগতের প্রতি মনোযোগ ...

চতুর্থ সেমিস্টার জেনারেল ইতিহাস ছোট প্রশ্ন ২০২১

 *১) সুজাউদ্দৌলা কে ছিলেন বা মুর্শিদকুলি খাঁর মৃত্যুর পর কে বাংলার নবাব হন?  উত্তর - সুজা উদ্দৌলা আয়ুধের সুবেদার নবাব ছিলেন। মুর্শিদকুলি খাঁর মৃত্যুর পর তার জামাতা বাংলার নবাব  হন ১৭৫৪-১৭৭৫ খ্রীস্টাব্দ পর্যন্ত। নবাব থাকাকালীন তিনি বক্সারের যুদ্ধ এবং পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন। *২) কোন সালে রেগুলেটিং আইন জারি করা হয়েছিল? উত্তর - ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দুর্নীতি দূরীকরণ, গঠন বিন্যাস ও নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্রিটিশ সরকার ১৭৭৩ খ্রিস্টাব্দে রেগুলেটিং আইন প্রণয়ন করেন। আর সেই আইনে বলা হয় বাংলা বোম্বাই ও মাদ্রাজে ১ করে কাউন্সিল থাকবে। *৩) শ্রী রঙ্গপত্তমের সন্ধিতে স্বাক্ষরকারী কারা কারা ছিলেন ?কখন এই সন্ধিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল? উত্তর - তৃতীয় ইঙ্গ মহীশূর যুদ্ধের অবসান হয়েছিল শ্রীরঙ্গপত্তমের সন্ধির দ্বারা। আর এই সন্ধিতে ঠিক হয় টিপু সুলতান ইংরেজদের তিন কোটি টাকা এবং জামিন স্বরূপ তার দুই পুত্রকে দিতে বাধ্য হবেন। এছাড়া বিজিত অঞ্চল ইংরাজ, মারাঠা ও নিজামের মধ্যে বন্টিত হল। যে সন্ধির দুটি পক্ষ ছিল একদিকে ছিলেন টিপু সুলতান এবং অপরদিকে ছিলেন ইংরেজ। সময়কালটি ছি...

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর ।

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর  ১) শিল্প বিপ্লব কবে কোথায় প্রথম ঘটেছিল?         উত্তর - প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়েছিল ইংল্যান্ডে (গ্রেট ব্রিটেন)। এটি প্রধানত অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হয়ে প্রায় ১৭৬০ থেকে ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দ-এর মধ্যে ঘটেছিল। ২) কৃষ্ণমৃত্যু কী?            • কৃষ্ণমৃত্যু (Black Death) হলো মানব ইতিহাসের এক ভয়াবহ মহামারি।এটি ছিল মূলত প্লেগ (Plague) রোগ, যা Yersinia pestis নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে সৃষ্টি হয়েছিল।এটি প্রধানত ১৩৪৬ থেকে ১৩৫৩ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে ইউরোপ, এশিয়া (ইউরেশিয়া) এবং উত্তর আফ্রিকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল। ৩) কে বলেছিলেন মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড?        •এই বিখ্যাত উক্তিটি যিনি করেছিলেন তিনি হলেন প্রাচীন গ্রিসের একজন প্রখ্যাত দার্শনিক, যার নাম প্রোটাগোরাস (Protagoras)।তাঁর মূল বক্তব্যটি ছিল-"মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড, যা আছে তারও, আর যা নেই তারও।” ৪) পেত্রাক কেন বিখ্যাত?         •পেত্রাক (Francesco Petrarca) ছিলেন ১৪ শতকের (১৩০৪-১৩৭৪) একজন ...