Skip to main content

পঞ্চম সেমিস্টার বাংলা মাইনর সাজেশন ২০২৫-২৬

West Bengal State University 5th. Semester Bengali Minor Suggestion 2025-26.


ইউনিট-১, উনিশ শতকের গদ্য ও সাময়িক পত্রের উদ্ভব এবং ক্রমবিকাশের ইতিহাস।

*** বাংলা গদ্য সাহিত্যে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যুরীতির জনক বা গদ্য ভাষার যথার্থ শিল্পী বলা হয়- আলোচনা করো।

** বাংলা প্রবন্ধ সাহিত্যে বঙ্কিমচন্দ্রের অবদান বা প্রবন্ধকার হিসাবে তাঁর অননৃতা বিচার করো।

** বাংলা গদ্য সাহিত্যের বিকাশে রাজা রামমোহন রায়ের অবদান আলোচনা করো।

*** বাংলা সাময়িক পত্রের উদ্ভব ও বিকাশে দিকদর্শন থেকে বঙ্গদর্শন পত্রিকার ভূমিকা  আলোচনা কর। (বিশেষকরে তত্ত্ববোধিনী, বিবিধার্থ সংগ্রহ, সংবাদ প্রভাকর ও বঙ্গদর্শন পত্রিকা)

*** বাংলা গদ্য সাহিত্যের বিকাশে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ ও শ্রীরামপুর মিশনের অবদান আলোচনা করো

টীকাঃ বঙ্গদর্শন বা বিবিধার্থ পত্রিকা, শ্রীরামপুর মিশন, কালীপ্রসন্ন সিংহ,অক্ষয় কুমার দত্ত।

ইউনিট-২, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর- সীতার বনবাস।

*** সীতার বনবাস গ্রন্থের অনুবাদে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মৌলিকতার পরিচয় দাও। 

*** সীতার বনবাস গ্রন্থ অবলম্বনে সীতা চরিত্রের দৃঢ়তা ও সহিষ্ণুতা ও সমাজের কঠোরতা বিদ্যাসাগর কিভাবে তুলে ধরে চিন্তা আলোচনা কর। 

** সীতার বনবাস গ্রন্থে রামের রাজধর্ম পালন এবং নারীর প্রতি সমাজের অবিচারের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে- আলোচনা করো।

*** বিদ্যাসাগর অনেক বেশি মানবদরদী শিল্পী। সীতার বনবাস গ্রন্থ অবলম্বনে বিদ্যাসাগরের মানবতাবাদী দৃষ্টিভঙ্গির পরিচয় দাও।

** সীতার বনবাস গ্রন্থে করুণ রসের প্রাধান্য অনধিক- আলোচনা করো।

** বাংলা কাব্য সাহিত্য রচনায় বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের ভূমিকা বা অবদান আলোচনা করো।

টীকাঃ সীতার বনবাস, সীতার বনবাস কালীন মনের অবস্থা,দুর্মুখ,

ইউনিট-৩,উনিশ শতকের বাংলা ভাষার কবি ও কাব্য কবিতার পরিচয়।

*** বাংলা কাব্য সাহিত্যে বিহারীলাল চক্রবর্তীকে 'ভোরের পাখি' আখ্যা দেওয়া হয় কেন এবং বাংলা গীতিকবিতার ধারায় তার কাব্য প্রতিভার পরিচয় দাও।

*** মাইকেল মধুসূদন দত্তের কাব্য ও কবি প্রতিভার পরিচয় দাও। 

*** বাংলা কাব্য ও কবিতায় ঈশ্বর গুপ্তের কাব্য ও কবি প্রতিভার পরিচয় দাও।

দেখে যাবে-গিরিন্দ্রমোহিনী বসু,মানকুমারী বসু এবং কামিনী রায়।

ইউনিট -৪, মধুসূদন দত্ত -চতুর্দশপদী কবিতাবলী।

*** সনেট হিসেবে 'কপোতাক্ষ নদ'/ বঙ্গভাষা কবিতাটি কতটা সার্থক হয়েছে আলোচনা করো।

*** অথবা কপোতাক্ষ নদ কবিতায় কবির স্বদেশ প্রীতি কতখানি ফুটে উঠেছে-আলোচনা করো।

***কমলে কামিনী মধুসূদন দত্তের একটি অন্যতম সনেট এই সনেটটির মূল বিষয়বস্তু আলোচনা করো।

** বঙ্গভাষা কবিতায় কবির আক্ষেপ এবং স্বদেশ প্রীতির পরিচয় দাও।

'মধুসূদন দত্ত সার্থক একজন মহাকাব্যিক'তাঁর কবিতা গুলির অবলম্বনে এ মতের যথার্থতা ব্যাখ্যা করো।

দেখে যাবে শ্রীমন্তের টোপর এবং ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। 

টীকাঃ হে বঙ্গ, ভান্ডারে তব বিবিধ রতন-উক্তিটির ব্যাখ্যা করো।

কমলে কামিনীর স্বরূপ লেখো।

'এ ভিখারি দশা তবে কেন'- তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।

Comments

Popular posts from this blog

একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়।

  একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়-সারদা মঙ্গল               গীতিকাব্য হলো এক ধরনের কবিতা, যার মধ্যে দিয়ে ব্যক্তির আবেগ, অনুভূতি এবং অভিজ্ঞতাগুলিকে ছন্দ ওর সংগীতের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। তবে এখানে কবিতাগুলি খুবই ছোট আকারের হয়, আর সেখানে কবির ব্যক্তিগত অনুভূতির গভীরতা ও আন্তরিকতা প্রকাশ পায়। আর এই প্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি গীতি কবিতার সংকলন হলো গীতিকাব্য। ব্যঞ্জনাময় ও সংহত ।  গীতিকাব্যের বৈশিষ্ট্য  গীতিকাব্যের কিছু প্রধান বৈশিষ্ট্য নিচে আলোচনা করা হলো: ১. ব্যক্তিগত অনুভূতি ও আবেগ প্রকাশ: এটি গীতিকাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য। এখানে কবি নিজের ব্যক্তিগত অনুভূতি, প্রেম, বিরহ, আনন্দ বা বিষাদের কথা তুলে ধরেন। ২. সংক্ষিপ্ততা: গীতিকাব্য সাধারণত দীর্ঘ হয় না। অল্প কয়েকটি স্তবকের মধ্যে কবি তাঁর ভাবনা সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করেন। ৩. সুর ও ছন্দের প্রাধান্য: গীতিকাব্য মূলত সুর করে আবৃত্তি করার জন্য রচিত হয়। তাই এতে সুর ও ছন্দের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়। ৪. আত্মগতভাব: গীতিকাব্যে বাইরের জগতের বর্ণনা না দিয়ে কবির নিজের মনের ভেতরের জগতের প্রতি মনোযোগ ...

চতুর্থ সেমিস্টার জেনারেল ইতিহাস ছোট প্রশ্ন ২০২১

 *১) সুজাউদ্দৌলা কে ছিলেন বা মুর্শিদকুলি খাঁর মৃত্যুর পর কে বাংলার নবাব হন?  উত্তর - সুজা উদ্দৌলা আয়ুধের সুবেদার নবাব ছিলেন। মুর্শিদকুলি খাঁর মৃত্যুর পর তার জামাতা বাংলার নবাব  হন ১৭৫৪-১৭৭৫ খ্রীস্টাব্দ পর্যন্ত। নবাব থাকাকালীন তিনি বক্সারের যুদ্ধ এবং পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন। *২) কোন সালে রেগুলেটিং আইন জারি করা হয়েছিল? উত্তর - ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দুর্নীতি দূরীকরণ, গঠন বিন্যাস ও নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্রিটিশ সরকার ১৭৭৩ খ্রিস্টাব্দে রেগুলেটিং আইন প্রণয়ন করেন। আর সেই আইনে বলা হয় বাংলা বোম্বাই ও মাদ্রাজে ১ করে কাউন্সিল থাকবে। *৩) শ্রী রঙ্গপত্তমের সন্ধিতে স্বাক্ষরকারী কারা কারা ছিলেন ?কখন এই সন্ধিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল? উত্তর - তৃতীয় ইঙ্গ মহীশূর যুদ্ধের অবসান হয়েছিল শ্রীরঙ্গপত্তমের সন্ধির দ্বারা। আর এই সন্ধিতে ঠিক হয় টিপু সুলতান ইংরেজদের তিন কোটি টাকা এবং জামিন স্বরূপ তার দুই পুত্রকে দিতে বাধ্য হবেন। এছাড়া বিজিত অঞ্চল ইংরাজ, মারাঠা ও নিজামের মধ্যে বন্টিত হল। যে সন্ধির দুটি পক্ষ ছিল একদিকে ছিলেন টিপু সুলতান এবং অপরদিকে ছিলেন ইংরেজ। সময়কালটি ছি...

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর ।

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর  ১) শিল্প বিপ্লব কবে কোথায় প্রথম ঘটেছিল?         উত্তর - প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়েছিল ইংল্যান্ডে (গ্রেট ব্রিটেন)। এটি প্রধানত অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হয়ে প্রায় ১৭৬০ থেকে ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দ-এর মধ্যে ঘটেছিল। ২) কৃষ্ণমৃত্যু কী?            • কৃষ্ণমৃত্যু (Black Death) হলো মানব ইতিহাসের এক ভয়াবহ মহামারি।এটি ছিল মূলত প্লেগ (Plague) রোগ, যা Yersinia pestis নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে সৃষ্টি হয়েছিল।এটি প্রধানত ১৩৪৬ থেকে ১৩৫৩ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে ইউরোপ, এশিয়া (ইউরেশিয়া) এবং উত্তর আফ্রিকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল। ৩) কে বলেছিলেন মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড?        •এই বিখ্যাত উক্তিটি যিনি করেছিলেন তিনি হলেন প্রাচীন গ্রিসের একজন প্রখ্যাত দার্শনিক, যার নাম প্রোটাগোরাস (Protagoras)।তাঁর মূল বক্তব্যটি ছিল-"মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড, যা আছে তারও, আর যা নেই তারও।” ৪) পেত্রাক কেন বিখ্যাত?         •পেত্রাক (Francesco Petrarca) ছিলেন ১৪ শতকের (১৩০৪-১৩৭৪) একজন ...