Skip to main content

পঞ্চম সেমিস্টার বাংলা মেজর সাজেশন ২০২৫-২৬/DS10

            • বাংলা রঙ্গমঞ্চের ইতিহাস •DS-10

*** নাট্য নিয়ন্ত্রণ বিলটির উদ্দেশ্য কি ছিল? বাংলা নাটক ও রঙ্গমঞ্চের ইতিহাসে এর প্রভাব সম্পর্কে আলোচনা করো।

** বাংলা রঙ্গমঞ্চের ইতিহাসে লেবেডফ ও বেঙ্গলি থিয়েটারের গুরুত্ব নির্ণয় করো 

*** •বাংলা রঙ্গমঞ্চের ইতিহাসে বেলগাছিয়া নাট্যশালার গুরুত্ব নির্ণয় করো ।

*** •কবে কোথায় কাদের উদ্যোগে ন্যাশনাল থিয়েটার প্রতিষ্ঠিত হয়? যে নাটক অভিনয়ের মাধ্যমে এই নাট্যশালার সূচনা হয় তার অভিনয় ইতিহাস সম্পর্কে লিপিবদ্ধ করো। 

*** •জোড়াসাঁকো নাট্যশালা কবে প্রতিষ্ঠিত হয়? কমিটি অফ ফাইভ কারা ছিলেন ?এই থিয়েটারে যে যে নাটক অভিনীত হয়েছিল সেগুলির অভিনয় বৃত্তান্ত লেখো।২০২০

*** •কবে কার উদ্যোগে কোথায় বেঙ্গলি থিয়েটার স্থাপিত হয়েছিল? এই থিয়েটারে অভিনীত নাটকের ইতিহাস সংক্ষেপে বিবৃত করো।২০১৯

*** বাংলা নাট্যসাহিত্যের ইতিহাসে গণনাট্য আন্দোলনের পটভূমি ও গুরুত্ব আলোচনা করো।

** বাংলা সমাজ ও রাজনীতি পরিবর্তনে গণনাট্য আন্দোলনের প্রভাব আলোচনা করো।

*** গণনাট্য আন্দোলনের অন্যতম মাইলফলক নাটক হিসেবে বিজন ভট্টাচার্যের 'নবান্ন' নাটকের সার্থকতা বিচার করো।

*** নবনাট্য আন্দোলন' বলতে কী বোঝো? এই আন্দোলনের পটভূমি/বৈশিষ্ট্যগুলি/ গুরুত্ব আলোচনা করো।

পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (WBSU) পঞ্চম সেমিস্টার বাংলা মেজরের 'বাংলা রঙ্গমঞ্চের ইতিহাস' অংশ থেকে টীকা ৫ নম্বরের প্রশ্নের জন্য 

বেলগাছিয়া নাট্যশালা: বাংলা নাট্যমঞ্চের আধুনিকীকরণে এর ভূমিকা এবং 'রত্নাবলী' নাটকের অভিনয়।

 জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ির নাট্যচর্চা: রবীন্দ্রনাথের নাট্যভাবনা এবং এই মঞ্চের বৈশিষ্ট্য।

 হিন্দু থিয়েটার: প্রসন্নকুমার ঠাকুরের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত এই মঞ্চের ঐতিহাসিক গুরুত্ব।

 সাধারণ রঙ্গালয় (Public Theatre): ১৮৭২ সালে 'নীলদর্পণ' নাটকের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জন্য নাট্যমঞ্চ উন্মুক্ত হওয়ার ঘটনা।

 •ইন্ডিয়ান পিপলস থিয়েটার অ্যাসোসিয়েশন (IPTA) বা •গণনাট্য সংঘ: ১৯৪৩ সালের প্রেক্ষাপটে এর সৃষ্টি ও উদ্দেশ্য।

• বহুরূপী: শম্ভু মিত্রের নেতৃত্বে এই গোষ্ঠীর নাট্য আঙ্গিক ও অবদান।

২. বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব ও তাঁদের অবদান

 •গিরিশচন্দ্র ঘোষ: বাংলা পেশাদারি রঙ্গমঞ্চের রূপকার হিসেবে তাঁর অবদান।

 * অর্ধেন্দুশেখর মুস্তাফি: তাঁর অভিনয় প্রতিভা ও 'মুস্তাফি সাহেব' হিসেবে পরিচিতি।

 •শম্ভু মিত্র: নবনাট্য আন্দোলনের প্রাণপুরুষ ও তাঁর নির্দেশনার বৈশিষ্ট্য।

 •উৎপল দত্ত: তাঁর রাজনৈতিক নাটক ও 'টিনের তলোয়ার' বা 'কল্লোল' নাটকের প্রভাব।

 • অজিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায়: 'নন্দীকার' ও রূপান্তরিত নাটকের ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা।

 • বাদল সরকার: তাঁর প্রবর্তিত 'তৃতীয় ধারা' (Third Theatre) নাট্যভাবনা।

৩. উল্লেখযোগ্য নাটক ও ঘটনা

 •নীলদর্পণ: সাধারণ রঙ্গালয়ের প্রতিষ্ঠা ও এই নাটকের ঐতিহাসিক গুরুত্ব।

 •নবান্ন: বিজন ভট্টাচার্যের এই নাটকটি কীভাবে বাংলা নাটকের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল।

 •টিনের তলোয়ার: উৎপল দত্তের এই নাটকে উনিশ শতকের রঙ্গমঞ্চের যে চিত্র ফুটে উঠেছে।

 •রক্তকরবী (মঞ্চায়ন): শম্ভু মিত্রের নির্দেশনায় এই নাটকের আধুনিক মঞ্চায়ন কৌশল।

 •থিয়েটার ও সেন্সরশিপ: ১৮৭৬ সালের 'ড্রামাটিক পারফরম্যান্স কন্ট্রোল অ্যাক্ট' বা নাট্য নিয়ন্ত্রণ আইন।

৪. আধুনিক নাট্যভাবনা

 •তৃতীয় থিয়েটার (Third Theatre): বাদল সরকারের মুক্ত মঞ্চের ধারণা।

 •গ্রুপ থিয়েটার আন্দোলন: পেশাদারি মঞ্চের বিপরীতে গ্রুপ থিয়েটারের আদর্শ ও সীমাবদ্ধতা।

পরামর্শ:

পরীক্ষায় টীকা লেখার সময় সেই বিষয়টি বা ব্যক্তির সময়কাল, ঐতিহাসিক গুরুত্ব, উল্লেখযোগ্য কিছু নাটকের নাম এবং বাংলা থিয়েটারে তাঁর প্রভাব—এই ৪টি পয়েন্ট মাথায় রেখে লিখলে ভালো নম্বর পাওয়া যাবে।

আপনার কি এর মধ্যে কোনো একটি নির্দিষ্ট টীকার যেমন: বাদল সরকারের তৃতীয় ধারা বা গণনাট্য আন্দোলন সম্পূর্ণ উত্তর প্রয়োজন?

** বাংলা সমাজ ও রাজনীতি পরিবর্তনে গণনাট্য আন্দোলনের প্রভাব আলোচনা করো।

*** গণনাট্য আন্দোলনের অন্যতম মাইলফলক নাটক হিসেবে বিজন ভট্টাচার্যের 'নবান্ন' নাটকের সার্থকতা বিচার করো।

*** নবনাট্য আন্দোলন' বলতে কী বোঝো? এই আন্দোলনের পটভূমি/বৈশিষ্ট্যগুলি/ গুরুত্ব আলোচনা করো।



Comments

Popular posts from this blog

একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়।

  একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়-সারদা মঙ্গল               গীতিকাব্য হলো এক ধরনের কবিতা, যার মধ্যে দিয়ে ব্যক্তির আবেগ, অনুভূতি এবং অভিজ্ঞতাগুলিকে ছন্দ ওর সংগীতের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। তবে এখানে কবিতাগুলি খুবই ছোট আকারের হয়, আর সেখানে কবির ব্যক্তিগত অনুভূতির গভীরতা ও আন্তরিকতা প্রকাশ পায়। আর এই প্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি গীতি কবিতার সংকলন হলো গীতিকাব্য। ব্যঞ্জনাময় ও সংহত ।  গীতিকাব্যের বৈশিষ্ট্য  গীতিকাব্যের কিছু প্রধান বৈশিষ্ট্য নিচে আলোচনা করা হলো: ১. ব্যক্তিগত অনুভূতি ও আবেগ প্রকাশ: এটি গীতিকাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য। এখানে কবি নিজের ব্যক্তিগত অনুভূতি, প্রেম, বিরহ, আনন্দ বা বিষাদের কথা তুলে ধরেন। ২. সংক্ষিপ্ততা: গীতিকাব্য সাধারণত দীর্ঘ হয় না। অল্প কয়েকটি স্তবকের মধ্যে কবি তাঁর ভাবনা সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করেন। ৩. সুর ও ছন্দের প্রাধান্য: গীতিকাব্য মূলত সুর করে আবৃত্তি করার জন্য রচিত হয়। তাই এতে সুর ও ছন্দের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়। ৪. আত্মগতভাব: গীতিকাব্যে বাইরের জগতের বর্ণনা না দিয়ে কবির নিজের মনের ভেতরের জগতের প্রতি মনোযোগ ...

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর ।

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর  ১) শিল্প বিপ্লব কবে কোথায় প্রথম ঘটেছিল?         উত্তর - প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়েছিল ইংল্যান্ডে (গ্রেট ব্রিটেন)। এটি প্রধানত অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হয়ে প্রায় ১৭৬০ থেকে ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দ-এর মধ্যে ঘটেছিল। ২) কৃষ্ণমৃত্যু কী?            • কৃষ্ণমৃত্যু (Black Death) হলো মানব ইতিহাসের এক ভয়াবহ মহামারি।এটি ছিল মূলত প্লেগ (Plague) রোগ, যা Yersinia pestis নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে সৃষ্টি হয়েছিল।এটি প্রধানত ১৩৪৬ থেকে ১৩৫৩ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে ইউরোপ, এশিয়া (ইউরেশিয়া) এবং উত্তর আফ্রিকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল। ৩) কে বলেছিলেন মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড?        •এই বিখ্যাত উক্তিটি যিনি করেছিলেন তিনি হলেন প্রাচীন গ্রিসের একজন প্রখ্যাত দার্শনিক, যার নাম প্রোটাগোরাস (Protagoras)।তাঁর মূল বক্তব্যটি ছিল-"মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড, যা আছে তারও, আর যা নেই তারও।” ৪) পেত্রাক কেন বিখ্যাত?         •পেত্রাক (Francesco Petrarca) ছিলেন ১৪ শতকের (১৩০৪-১৩৭৪) একজন ...

অবক্ষয় যুগ। অষ্টাদশ-ঊনবিংশ শতাব্দীর সন্ধিক্ষণে বাঙালির অবক্ষয় যুগের পরিচয় দাও। এই সময়ে টপ্পা ও আখড়াই গানের উদ্ভব ও জনপ্রিয়তার সামাজিক কারণগুলি আলোচনা করো।

অবক্ষয় যুগ। অষ্টাদশ-ঊনবিংশ শতাব্দীর সন্ধিক্ষণে বাঙালির অবক্ষয় যুগের পরিচয় দাও। এই সময়ে টপ্পা ও আখড়াই গানের উদ্ভব ও জনপ্রিয়তার সামাজিক কারণগুলি আলোচনা করো। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম সেমিস্টার বাংলা মাইনর।ইউনিট ৪।   অবক্ষয় যুগের পরিচয় এবং টপ্পা ও আখড়াই গানের সামাজিক কারণ ও অবক্ষয় যুগের পরিচয়          আমরা জানি যে,১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে পলাশীর যুদ্ধের পর থেকে ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধ (১৮৫০ খ্রি.) পর্যন্ত সময়কালকে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে 'অবক্ষয় যুগ' বা 'সন্ধিযুগ' বলা হয়।আর এটি ছিল মধ্যযুগের দেবনির্ভরতার অবসান এবং আধুনিক যুগের মানবতাবোধের সূচনার মধ্যবর্তী এক ক্রান্তিকাল।যেখানে এই সময়কালের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি  নিম্নরূপে আলোচনা করা যেতে পারে-        •রাজনৈতিক অস্থিরতাঃ নবাবী শাসনের পতন এবং ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দেওয়ানি লাভের ফলে বাংলার পুরনো শাসন ও অর্থনৈতিক কাঠামো ভেঙে পড়ে।      •'বাবু' সংস্কৃতির উদয়ঃ ছিয়াত্তরের মন্বন্তর (১১৭৬ বঙ্গাব্দ) এবং চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের (১৭৯৩ খ্রি.) ফলে গ্রামীণ বনেদি সমাজ ধ্...