Skip to main content

বাংলা পঞ্চম সেমিস্টার মেজর প্রশ্নপত্র

 WBSU Bengali Major 5th. Semester Question DS-11

•'স্বামীজীকে যেরূপ দেখিয়াছি'- ভগিনী নিবেদিতা।

ক) *** স্বামীজীকে যে রূপ দেখিয়াছি গ্রন্থ অবলম্বনে স্বামীজীর মহাপ্রস্থান প্রসঙ্গটির পরিচয় দাও।

খ) *** স্বামীজিকে যে রূপ দেখিয়াছি গ্রন্থে পঞ্চম পরিচ্ছেদে উত্তর ভারতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যক বর্ণনা প্রসঙ্গে স্বামীজীর যে গভীর স্বদেশপ্রেমের পরিচয় পাওয়া যায় তা নিজের ভাষায় লেখ। 

গ) স্বামীজীকে যেরূপ দেখিয়াছি' গ্রন্থে নিবেদিতার দৃষ্টিতে সারদা দেবীর পরিচয় যেভাবে উপস্থাপিত হয়েছে তার বর্ণনা দাও।

ঘ)***  'সময়টা ছিল নভেম্বর মাসের এক রবিবারে শীতল অপরাহ্ন'-সেই সময় কি ঘটেছিল আলোচনা করো।/ স্বামীজিকে যে রূপ দেখিয়েছি গ্রন্থে স্বামীজীর সঙ্গে ভগিনী নিবেদিতার প্রথম সাক্ষাতের বিষয়টি সম্পর্কে আলোচনা করো।

উঃ) স্বামীজীকে যেরূপ দেখিয়াছি গ্রন্থে স্বামীজীর সঙ্গে নিবেদিতার প্রথম সাক্ষাতের যে ছবি ফুটে উঠেছে তা আলোচনা কর 

চ) স্বামীজীকে যেরূপ দেখিয়েছে গ্রন্থে ভারতবর্ষের অতীত ও ভবিষ্যৎ বিষয়ে নিবেদিতার বক্তব্য বিবৃত করো।

ছ) পওহারী বাবা সম্পর্কে আলোচনা করো।/মরণ কি বাদ হাতি কাজ দাঁত-প্রবাদটি ব্যাখ্যা করো।

জ) স্বামীজিকে যে রূপ দেখিয়াছি গ্রন্থে স্বামীজীর উদার ধর্মশিক্ষা সম্পর্কে লেখিকার মতামত ব্যক্ত করো।


'জীবন স্মৃতি বিশ্বভারতী'- •রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের (WBSU) পঞ্চম সেমিস্টার বাংলা মেজর সিলেবাসে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'জীবনস্মৃতি' একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই গ্রন্থটি থেকে পরীক্ষার জন্য যে প্রশ্নগুলো সবচেয়ে বেশি সম্ভাব্য, সেগুলোকে আমি ১০ ও ৫ নম্বরের মাপে নিচে ভাগ করে দিচ্ছি।

১০ নম্বরের বড় প্রশ্ন (রচনাধর্মী)

১. স্মৃতি বনাম ইতিহাস: রবীন্দ্রনাথ 'জীবনস্মৃতি'র ভূমিকায় লিখেছেন— "ইহা স্মৃতির চিত্রশালা, ইতিহাসের রেকর্ড নহে।" কবির এই মন্তব্যের আলোকে 'জীবনস্মৃতি' গ্রন্থের নামকরণের সার্থকতা এবং শিল্পসৌন্দর্য আলোচনা করো।

২. শৈশব ও ভৃত্যরাজক শাসন: জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে রবীন্দ্রনাথের শৈশব কেটেছিল 'ভৃত্যরাজক শাসনে'। এই শাসনব্যবস্থার যে পরিচয় গ্রন্থে পাওয়া যায় তা ব্যক্ত করো এবং এটি কবির কিশোর মনে কী প্রভাব ফেলেছিল তা লেখো।

৩. প্রকৃতি ও কবির মন: 'জীবনস্মৃতি'তে রবীন্দ্রনাথের কবিমানস গঠনের মূলে প্রকৃতির যে ভূমিকা ছিল, তা বিভিন্ন পরিচ্ছেদের (যেমন: 'ঘর ও বাহির', 'বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর') উদাহরণসহ বুঝিয়ে দাও।

৪. শিক্ষা ও স্কুল জীবনের অভিজ্ঞতা: প্রচলিত প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার প্রতি রবীন্দ্রনাথের অনীহা 'জীবনস্মৃতি'তে কীভাবে ধরা পড়েছে? ওরিয়েন্টাল সেমিনারি, নর্মাল স্কুল ও বেঙ্গল একাডেমির অভিজ্ঞতা আলোচনা করো।

৫. জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ও কাদম্বরী দেবীর প্রভাব: কবির কিশোর জীবনে তাঁর মেজদাদা জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং 'নতুন বউঠান' কাদম্বরী দেবীর সাহিত্যিক ও মানসিক প্রভাবের পরিচয় দাও।

৫ নম্বরের মাঝারি প্রশ্ন (ব্যাখ্যা বা টীকা)

১. হিমালয় যাত্রা: মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গে কবির হিমালয় ভ্রমণের অভিজ্ঞতা ও তার গুরুত্ব।

২. কবিতার সূচনা: রবীন্দ্রনাথের কবি-প্রতিভার প্রথম উন্মেষ ও 'বনফুল' বা 'সন্ধ্যাসংগীত' পর্যায় সম্পর্কে টীকা।

৩. বিলেত যাত্রার স্মৃতি: প্রথমবার ইংল্যান্ড ভ্রমণের বিচিত্র অভিজ্ঞতা ও সেখানকার সমাজ নিয়ে কবির পর্যবেক্ষণ।

৪. শ্রীকণ্ঠবাবু: 'জীবনস্মৃতি'তে অঙ্কিত শ্রীকণ্ঠবাবুর চরিত্রের বৈশিষ্ট্য আলোচনা করো।

৫. জোড়াসাঁকোর সংগীত ও থিয়েটারের পরিবেশ: ঠাকুরবাড়ির সাংস্কৃতিক আবহাওয়া কবির মনোজগতকে কীভাবে সমৃদ্ধ করেছিল?

৬. 'প্রভাতসংগীত' ও নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ: নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ কবিতাটি লেখার মুহূর্ত এবং কবির আত্মিক জাগরণের বর্ণনা দাও।

পরীক্ষার জন্য বিশেষ টিপস

 * ভূমিকা মুখস্থ: বইটির প্রথম পরিচ্ছেদ বা 'ভূমিকা' অংশটি থেকে ৫ বা ১০ নম্বরের প্রশ্ন প্রায় প্রতি বছরই আসে। এটি খুব ভালো করে তৈরি রাখবেন।

 * উদ্ধৃতি ব্যবহার: "বাহিরের প্রকৃতির সহিত মানুষের অন্তরাত্মার যে একটি ঘনিষ্ঠ সম্বন্ধ আছে..."— এই ধরনের ছোট ছোট বিখ্যাত উদ্ধৃতি উত্তরের মাঝে দিলে নম্বর অনেক বেশি পাওয়া যায়।

 * চরিত্র বিশ্লেষণ: শ্রীকণ্ঠবাবু, অক্ষয়চন্দ্র চৌধুরী বা নর্মাল স্কুলের শিক্ষকদের নিয়ে ছোট ছোট টীকা তৈরি করে রাখুন।

আপনি কি চান আমি এই প্রশ্নগুলোর মধ্যে কোনো একটির (যেমন 'ভৃত্যরাজক শাসন') একটি আদর্শ উত্তর লিখে দিই?







ক) "বিদ্যালয়োত্তর একটা প্রতিষ্ঠানকে যুক্ত করা হলো এই নতুন উদ্যোগে। এই প্রতিষ্ঠানের নাম বিশ্বভারতী।"- কোন ভাবাদর্শের প্রানিত হয়ে রবীন্দ্রনাথের বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠা করলেন তা আলোচনা করো।

খ) বিশ্বভারতীর সংগীত ভবন এর গুরুত্ব ও নির্দেশ করো।

গ) শান্তিনিকেতনে ব্রম্ভ বিদ্যালয়ের ব্রহ্মচর্য শিক্ষা আলোচনা করো।

ঘ) শান্তিনিকেতন ব্রহ্মচর্যাশ্রমকে কেন্দ্র করে রবীন্দ্রনাথের এই পর্বের শিক্ষাচিন্তার পরিচয় দাও।

ঙ) রবীন্দ্র সমকালে কলাভবনের যেকোন দুজন শিক্ষকের অবদান সম্পর্কে আলোচনা করো।

চ) শান্তির নিকেতন আশ্রমে উদযাপিত যেকোনো দুটি উৎসব সম্পর্কে আলোচনা করো।

এ) শান্তিনিকেতন পল্লী উন্নয়ন পরিকল্পনায় লেওনার্ভ এলমহাস্টের অবদান আলোচনা করো।













•'ঈশ্বর পৃথিবী ভালোবাসা'- শিবনাথ শাস্ত্রী 



  • Cu ​গদ্যশৈলী ও রসবোধ: ‘ঈশ্বর পৃথিবী ভালোবাসা’ গ্রন্থ অবলম্বনে শিবরাম চক্রবর্তীর নিজস্ব ও অনন্য গদ্যরীতি এবং কৌতুকরসের পরিচয় দাও।
  • আত্মজীবনীর বৈশিষ্ট্য: আত্মজীবনী হিসেবে ‘ঈশ্বর পৃথিবী ভালোবাসা’ কতখানি সার্থক? এতে লেখকের ব্যক্তিগত জীবন ও সমকালীন সমাজ কীভাবে ফুটে উঠেছে?
  • ভবঘুরে জীবন ও দর্শন: “আমি একাই আছি, কিন্তু একলা নই”— এই উক্তির আলোকে লেখকের জীবনদর্শন ও তাঁর নিঃসঙ্গতার স্বরূপ আলোচনা করো।
  • কলকাতার বর্ণনা: শিবরামের বর্ণনায় তৎকালীন কলকাতার মেস জীবন এবং রাজপথের যে চিত্র ফুটে উঠেছে তা সংক্ষেপে লেখো।
  • WBSU ১. গদ্যশৈলী: শিবরাম চক্রবর্তীর ‘ঈশ্বর পৃথিবী ভালোবাসা’ গ্রন্থটি অবলম্বনে তাঁর নিজস্ব গদ্যরীতি ও রসবোধের পরিচয় দাও।
  • ২. আত্মজীবনীর বৈশিষ্ট্য: আত্মজীবনী হিসেবে ‘ঈশ্বর পৃথিবী ভালোবাসা’ কতখানি সার্থক? এতে লেখকের ব্যক্তিগত জীবন ও সমকালীন কলকাতার সমাজচিত্র কীভাবে ধরা পড়েছে?
  • ৩. জীবনদর্শন: "ঈশ্বর পৃথিবী ভালোবাসা"—এই নামকরণের সার্থকতা বিচার করো এবং লেখকের অধ্যাত্মচেতনার পরিচয় দাও।
  • ৪. ব্যক্তিত্ব ও চরিত্র: লেখক তাঁর আত্মজীবনীতে নিজের যে নির্লিপ্ত ও ভবঘুরে সত্তার পরিচয় দিয়েছেন, তা আলোচনা করো।

​৫ নম্বরের মাঝারি প্রশ্ন (ব্যাখ্যামূলক)

​এই বিভাগে নির্দিষ্ট কোনো উক্তি বা ঘটনা তুলে প্রশ্ন করা হয়:

  • ​Cu মেস জীবনের অভিজ্ঞতা: মুক্তারাম বাবু স্ট্রিটের মেস জীবন নিয়ে শিবরামের অভিজ্ঞতার সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দাও।
  • নামকরণের সার্থকতা: গ্রন্থটির নামকরণের (ঈশ্বর পৃথিবী ভালোবাসা) যৌক্তিকতা বিচার করো।
  • স্বদেশি আন্দোলনের প্রভাব: লেখকের জীবনে স্বদেশি আন্দোলনের প্রভাব বা জেল খাটার অভিজ্ঞতার অংশটি সংক্ষেপে লেখো।
  • নারী চরিত্র: তাঁর জীবনে আসা নারী চরিত্রের (যেমন— মা বা অন্য কেউ) প্রভাব সম্পর্কে টীকা লেখো।

  • WBSU মুক্তারাম বাবু স্ট্রিট: শিবরামের বর্ণনায় মেস জীবনের বা মুক্তারাম বাবু স্ট্রিটের অভিজ্ঞতার সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দাও।
  • ২. পরিবার ও শৈশব: লেখকের শৈশবে তাঁর বাবা ও মায়ের ব্যক্তিত্ব কীভাবে তাঁর ওপর প্রভাব ফেলেছিল?
  • ৩. বন্ধুত্ব: লেখক ও প্রেমেন্দ্র মিত্রের সম্পর্কের যে পরিচয় এই গ্রন্থে পাওয়া যায়, তা সংক্ষেপে লেখো।
  • ৪. ট্যাক্সি ও শেষ যাত্রা: "জিনিসপত্র সব বাঁধা হয়ে গিয়েছে, এবার একটা ট্যাক্সি পেলেই চলে যাব"—উক্তিটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।






ক) মুক্তারাম বাবু স্ট্রিটের মেস জীবন: এটি শিবরামের অস্তিত্বের অবিচ্ছেদ্য অংশ।

চপলতা ও দার্শনিকতা: তিনি হাসতে হাসতে কীভাবে গম্ভীর কথা বলেন।

প্রথাবিরোধী আত্মজীবনী: এটি কেন মহাত্মা গান্ধী বা রবীন্দ্রনাথের আত্মজীবনীর মতো গম্ভীর নয়।












•'যখন ছোট ছিলাম'- সত্যজিৎ রায়।

ক) *** সত্যজিৎ রায়ের বিদ্যালয়ের জীবনের টুকরো টুকরো ছবি 'যখন ছোট ছিলাম' গ্রন্থে যেভাবে ধরা পড়েছে তা অসাধারণ এক জীবনালেখ্য-আলোচনা করো।

খ) *** ছেলেবেলায় সত্যজিৎ রায় যে সমস্ত বিশিষ্ট ব্যক্তির সান্নিধ্যে এসেছিলেন- 'যখন ছোট ছিলাম'-গ্রন্থ অনুসরণে তাদের পরিচয় দাও।

গ) সত্যজিৎ রায় ছেলেবেলায় গড়পারে বসবাসের যে স্মৃতি 'যখন ছোট ছিলাম' গ্রন্থে তুলে ধরেছেন তা নিজের ভাষায় ব্যক্ত করো।

ঘ) *** সত্যজিৎ রায়ের ছেলেবেলার যেকোনো দুটি বিচিত্র ঘটনার পরিচয় দাও।

ঙ) যখন ছোট ছিলাম গ্রন্থে সত্যজিৎ রায় তার ভবানীপুরের মামার বাড়ির যে ছবি এঁকেছেন তা লেখো 

চ) যখন ছোট ছিলাম গ্রন্থে সত্যজিৎ রায় তার শৈশব ভ্রমণের যে বর্ণনা দিয়েছেন তার পরিচয় দাও।

ছ) রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে সত্যজিৎ রায়ের প্রথম সাক্ষাতের ছবিটি বর্ণনা করো।

জ) সত্যজিৎ রায়ের যখন ছোট ছিলাম গ্রন্থটি জীবনী সাহিত্য হিসেবে কতখানি স্বার্থক আলোচনা করো।

Comments

Popular posts from this blog

একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়।

  একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়-সারদা মঙ্গল               গীতিকাব্য হলো এক ধরনের কবিতা, যার মধ্যে দিয়ে ব্যক্তির আবেগ, অনুভূতি এবং অভিজ্ঞতাগুলিকে ছন্দ ওর সংগীতের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। তবে এখানে কবিতাগুলি খুবই ছোট আকারের হয়, আর সেখানে কবির ব্যক্তিগত অনুভূতির গভীরতা ও আন্তরিকতা প্রকাশ পায়। আর এই প্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি গীতি কবিতার সংকলন হলো গীতিকাব্য। ব্যঞ্জনাময় ও সংহত ।  গীতিকাব্যের বৈশিষ্ট্য  গীতিকাব্যের কিছু প্রধান বৈশিষ্ট্য নিচে আলোচনা করা হলো: ১. ব্যক্তিগত অনুভূতি ও আবেগ প্রকাশ: এটি গীতিকাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য। এখানে কবি নিজের ব্যক্তিগত অনুভূতি, প্রেম, বিরহ, আনন্দ বা বিষাদের কথা তুলে ধরেন। ২. সংক্ষিপ্ততা: গীতিকাব্য সাধারণত দীর্ঘ হয় না। অল্প কয়েকটি স্তবকের মধ্যে কবি তাঁর ভাবনা সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করেন। ৩. সুর ও ছন্দের প্রাধান্য: গীতিকাব্য মূলত সুর করে আবৃত্তি করার জন্য রচিত হয়। তাই এতে সুর ও ছন্দের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়। ৪. আত্মগতভাব: গীতিকাব্যে বাইরের জগতের বর্ণনা না দিয়ে কবির নিজের মনের ভেতরের জগতের প্রতি মনোযোগ ...

চতুর্থ সেমিস্টার জেনারেল ইতিহাস ছোট প্রশ্ন ২০২১

 *১) সুজাউদ্দৌলা কে ছিলেন বা মুর্শিদকুলি খাঁর মৃত্যুর পর কে বাংলার নবাব হন?  উত্তর - সুজা উদ্দৌলা আয়ুধের সুবেদার নবাব ছিলেন। মুর্শিদকুলি খাঁর মৃত্যুর পর তার জামাতা বাংলার নবাব  হন ১৭৫৪-১৭৭৫ খ্রীস্টাব্দ পর্যন্ত। নবাব থাকাকালীন তিনি বক্সারের যুদ্ধ এবং পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন। *২) কোন সালে রেগুলেটিং আইন জারি করা হয়েছিল? উত্তর - ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দুর্নীতি দূরীকরণ, গঠন বিন্যাস ও নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্রিটিশ সরকার ১৭৭৩ খ্রিস্টাব্দে রেগুলেটিং আইন প্রণয়ন করেন। আর সেই আইনে বলা হয় বাংলা বোম্বাই ও মাদ্রাজে ১ করে কাউন্সিল থাকবে। *৩) শ্রী রঙ্গপত্তমের সন্ধিতে স্বাক্ষরকারী কারা কারা ছিলেন ?কখন এই সন্ধিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল? উত্তর - তৃতীয় ইঙ্গ মহীশূর যুদ্ধের অবসান হয়েছিল শ্রীরঙ্গপত্তমের সন্ধির দ্বারা। আর এই সন্ধিতে ঠিক হয় টিপু সুলতান ইংরেজদের তিন কোটি টাকা এবং জামিন স্বরূপ তার দুই পুত্রকে দিতে বাধ্য হবেন। এছাড়া বিজিত অঞ্চল ইংরাজ, মারাঠা ও নিজামের মধ্যে বন্টিত হল। যে সন্ধির দুটি পক্ষ ছিল একদিকে ছিলেন টিপু সুলতান এবং অপরদিকে ছিলেন ইংরেজ। সময়কালটি ছি...

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর ।

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর  ১) শিল্প বিপ্লব কবে কোথায় প্রথম ঘটেছিল?         উত্তর - প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়েছিল ইংল্যান্ডে (গ্রেট ব্রিটেন)। এটি প্রধানত অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হয়ে প্রায় ১৭৬০ থেকে ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দ-এর মধ্যে ঘটেছিল। ২) কৃষ্ণমৃত্যু কী?            • কৃষ্ণমৃত্যু (Black Death) হলো মানব ইতিহাসের এক ভয়াবহ মহামারি।এটি ছিল মূলত প্লেগ (Plague) রোগ, যা Yersinia pestis নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে সৃষ্টি হয়েছিল।এটি প্রধানত ১৩৪৬ থেকে ১৩৫৩ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে ইউরোপ, এশিয়া (ইউরেশিয়া) এবং উত্তর আফ্রিকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল। ৩) কে বলেছিলেন মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড?        •এই বিখ্যাত উক্তিটি যিনি করেছিলেন তিনি হলেন প্রাচীন গ্রিসের একজন প্রখ্যাত দার্শনিক, যার নাম প্রোটাগোরাস (Protagoras)।তাঁর মূল বক্তব্যটি ছিল-"মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড, যা আছে তারও, আর যা নেই তারও।” ৪) পেত্রাক কেন বিখ্যাত?         •পেত্রাক (Francesco Petrarca) ছিলেন ১৪ শতকের (১৩০৪-১৩৭৪) একজন ...