Skip to main content

পঞ্চম​ সেমিস্টার বাংলা মেজর ডিএস 8 সাজেশন ২০২৬

পঞ্চম​ সেমিস্টার বাংলা মেজর ডিএস 8 সাজেশন ২০২৬ 

১)কৃত্তিবাসী ওঝা অনুদিত রামায়ণ (অরণ্যকাণ্ড ও লঙ্কাকাণ্ড)১০ নম্বরের বড় প্রশ্ন।

​       •রামায়ণের কৃত্তিবাসী বৈশিষ্ট্য: কৃত্তিবাসী রামায়ণ মূল বাল্মীকি রামায়ণের অন্ধ অনুবাদ নয়—বাঙালিয়ানা ও ভক্তি রসের রূপায়ণ ঘটিয়ে কৃত্তিবাস কীভাবে রামায়ণকে বাঙালি গৃহস্থের আপন কাব্য করে তুলেছেন, 'অরণ্যকাণ্ড' ও 'লঙ্কাকাণ্ড' অবলম্বনে আলোচনা করো।

চরিত্র নির্ভর 

​       রাবণ: কৃত্তিবাসী 'লঙ্কাকাণ্ড'-এ রাবণ চরিত্রটিকে বীরের পরিবর্তে কীভাবে 'রামভক্ত' ও ট্র্যাজিক চরিত্র হিসেবে উপস্থাপন করেছেন?

সীতা (অরণ্যকাণ্ড): অরণ্যকাণ্ডে সীতার চরিত্রচিত্রণ এবং সোনার হরিণের প্রতি তাঁর আকর্ষণ ও তৎপরবর্তী ঘটনাপ্রবাহে তাঁর ভূমিকা বিশ্লেষণ করো।

তরণীসেন বা বীরবাহু: লঙ্কাকাণ্ডে তরণীসেন বা বীরবাহুর যুদ্ধ এবং তাঁদের ভক্তিভাবের তাৎপর্য আলোচনা করো।

বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন:

​অরণ্যকাণ্ড অবলম্বনে 'সূর্পণখার নাক-কান কাটা' ও 'রাবণ কর্তৃক সীতা হরণ' পর্বের নাট্যগুণ ও কবিপ্রতিভার পরিচায়ক বিবরণ দাও।

​লঙ্কাকাণ্ডের 'মহীরাবণ বধ' বা 'রাবণ বধ' প্রসঙ্গের গুরুত্ব কাব্যতাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে আলোচনা করো।

২) বিপ্রদাস পিপলাই: মনসামঙ্গল (প্রথম থেকে পঞ্চম পালা)

​১০ নম্বরের বড় প্রশ্ন।

​      •কবিপ্রতিভা ও মনসামঙ্গল ধারা: মনসামঙ্গল কাব্যের ধারায় বিপ্রদাস পিপলাইয়ের স্থান নিরূপণ করো। প্রথম থেকে পঞ্চম পালার ভিত্তিতে তাঁর কবিপ্রতিভার পরিচয় দাও।

​     •সামাজিক ও ভৌগোলিক চিত্র: বিপ্রদাস পিপলাইয়ের মনসামঙ্গলে তৎকালীন বঙ্গদেশের (বিশেষ করে সপ্তগ্রাম ও গঙ্গার গতিপথ) ভৌগোলিক ও সামাজিক জীবনের যে চিত্র ফুটে উঠেছে, তা সংক্ষেপে আলোচনা করো।

চরিত্র ও পৌরাণিক প্রসঙ্গ:

​     • প্রথম পাঁচ পালার ভিত্তিতে দেবী মনসার আত্মপ্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষা এবং শিব-মনসার দ্বন্দ্ব কীভাবে চিত্রিত হয়েছে?

​    •চাঁদ সওদাগরের চরিত্র রূপায়ণের প্রাথমিক রূপ বা তাঁর বশ্যতা স্বীকার না করার দৃঢ় মানসিকতা কীভাবে এই প্রথম দিকের পালাগুলিতে সূচিত হয়েছে?

৩) দৌলত কাজী: লোরচন্দ্রানী ও সতী ময়না।

​ ১০ নম্বরের বড় প্রশ্ন:

​      •আরাকান রাজসভার মধ্যযুগীয় ধারায় অবদান: রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান রচনায় দৌলত কাজীর ভূমিকা আলোচনা করো। 'লোরচন্দ্রানী ও সতী ময়না' কাব্যে মধ্যযুগীয় মানবীয় প্রেমের রূপায়ণ ব্যাখ্যা করো।

​      •কাব্যের মৌলিকতা ও অনুবাদরীতি: দৌলত কাজী মূল 'মৈনাসাত' গল্পকে গ্রহণ করলেও তাঁর কাব্যে কীভাবে বাঙালি সমাজ, নীতি ও লোকায়ত ভাবনার প্রতিফলন ঘটেছে?

চরিত্র বিশ্লেষণ।

​     •সতী ময়না: স্বামীপ্রেম ও বিরহ-বেদনার মূর্ত প্রতীক হিসেবে সতী ময়নার চরিত্রটি বিশ্লেষণ করো।

​     •চন্দ্রানী ও লোর: লোর ও চন্দ্রানীর প্রণয়কাহিনীর মধ্যে যে আবেগ ও মানবিক সৌন্দর্য ফুটে উঠেছে তা আলোচনা করো।

​সম্পূরক তথ্য (সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন): দৌলত কাজীর অসম্পূর্ণ কাব্যটি পরবর্তীতে কে পূর্ণাঙ্গ করেন? (আলাওল)। এই কাব্যের ভাষা ও ছন্দরীতির বৈশিষ্ট্য লিখবে।

​৪. রায় গুণকর ভারতচন্দ্র: অন্নদামঙ্গল (প্রথম খণ্ড)

​১০ নম্বরের বড় প্রশ্ন:

      •​যুগসন্ধির কবি ভারতচন্দ্র: "ভারতচন্দ্র মধ্যযুগের শেষ কবি এবং আধুনিকতার অগ্রদূত"—অন্নদামঙ্গলের প্রথম খণ্ড (অন্নদামাTextMessage / শিব-অন্নপূর্ণা প্রসঙ্গ) অবলম্বনে উক্তিটির যথার্থতা বিচার করো।

​      •চিত্ররূপ ও কাব্যশৈলী: ভারতচন্দ্রের রূপদক্ষতা, অলঙ্কার প্রয়োগ এবং শব্দচয়ন কৌশল অন্নদামঙ্গলের প্রথম খণ্ডে কীভাবে প্রতিফলিত হয়েছে?

চরিত্র ও প্রসঙ্গ।

​       •ভবানন্দ মজুমদার ও ঈশ্বরী পাটনী: ঈশ্বরী পাটনী বর প্রার্থনা প্রসঙ্গের ("আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে") মাধ্যমে বাঙালির লোকজীবনের যে শাশ্বত আকাঙ্ক্ষা প্রকাশিত হয়েছে, তা আলোচনা করো।

​      •শিব-পার্বতী সংলাপ / ব্যাসদেবের কাশীবাস: শিব ও ব্যাসদেবের দ্বন্দ্ব অথবা অন্নপূর্ণার কাশী মাহাত্ম্য প্রসঙ্গের তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো।

৫ নম্বরের সংক্ষিপ্ত টিকা বা প্রশ্ন (সাধারণ সাজেশন)

​কৃত্তিবাসী রামায়ণের 'শ্রীরামের অসময়ে দেবী দুর্গার বোধন' প্রসঙ্গ।

​বিপ্রদাস পিপলাইয়ের কাব্যে মনসার জন্ম ও পদ্মা নামপ্রাপ্তির কাহিনী।

​দৌলত কাজীর কাব্যে ময়নার বারমাস্যা বা বিরহ বর্ণনা।

​ভারতচন্দ্রের 'আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে' পদটির কাব্যিক গুরুত্ব।

​ভারতচন্দ্রের রাজসভাকবি হিসেবে ছন্দ ও শব্দালঙ্কার সৃষ্টির দক্ষতা।

Comments

Popular posts from this blog

একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়।

  একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়-সারদা মঙ্গল               গীতিকাব্য হলো এক ধরনের কবিতা, যার মধ্যে দিয়ে ব্যক্তির আবেগ, অনুভূতি এবং অভিজ্ঞতাগুলিকে ছন্দ ওর সংগীতের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। তবে এখানে কবিতাগুলি খুবই ছোট আকারের হয়, আর সেখানে কবির ব্যক্তিগত অনুভূতির গভীরতা ও আন্তরিকতা প্রকাশ পায়। আর এই প্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি গীতি কবিতার সংকলন হলো গীতিকাব্য। ব্যঞ্জনাময় ও সংহত ।  গীতিকাব্যের বৈশিষ্ট্য  গীতিকাব্যের কিছু প্রধান বৈশিষ্ট্য নিচে আলোচনা করা হলো: ১. ব্যক্তিগত অনুভূতি ও আবেগ প্রকাশ: এটি গীতিকাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য। এখানে কবি নিজের ব্যক্তিগত অনুভূতি, প্রেম, বিরহ, আনন্দ বা বিষাদের কথা তুলে ধরেন। ২. সংক্ষিপ্ততা: গীতিকাব্য সাধারণত দীর্ঘ হয় না। অল্প কয়েকটি স্তবকের মধ্যে কবি তাঁর ভাবনা সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করেন। ৩. সুর ও ছন্দের প্রাধান্য: গীতিকাব্য মূলত সুর করে আবৃত্তি করার জন্য রচিত হয়। তাই এতে সুর ও ছন্দের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়। ৪. আত্মগতভাব: গীতিকাব্যে বাইরের জগতের বর্ণনা না দিয়ে কবির নিজের মনের ভেতরের জগতের প্রতি মনোযোগ ...

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর ।

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর  ১) শিল্প বিপ্লব কবে কোথায় প্রথম ঘটেছিল?         উত্তর - প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়েছিল ইংল্যান্ডে (গ্রেট ব্রিটেন)। এটি প্রধানত অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হয়ে প্রায় ১৭৬০ থেকে ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দ-এর মধ্যে ঘটেছিল। ২) কৃষ্ণমৃত্যু কী?            • কৃষ্ণমৃত্যু (Black Death) হলো মানব ইতিহাসের এক ভয়াবহ মহামারি।এটি ছিল মূলত প্লেগ (Plague) রোগ, যা Yersinia pestis নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে সৃষ্টি হয়েছিল।এটি প্রধানত ১৩৪৬ থেকে ১৩৫৩ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে ইউরোপ, এশিয়া (ইউরেশিয়া) এবং উত্তর আফ্রিকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল। ৩) কে বলেছিলেন মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড?        •এই বিখ্যাত উক্তিটি যিনি করেছিলেন তিনি হলেন প্রাচীন গ্রিসের একজন প্রখ্যাত দার্শনিক, যার নাম প্রোটাগোরাস (Protagoras)।তাঁর মূল বক্তব্যটি ছিল-"মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড, যা আছে তারও, আর যা নেই তারও।” ৪) পেত্রাক কেন বিখ্যাত?         •পেত্রাক (Francesco Petrarca) ছিলেন ১৪ শতকের (১৩০৪-১৩৭৪) একজন ...

অবক্ষয় যুগ। অষ্টাদশ-ঊনবিংশ শতাব্দীর সন্ধিক্ষণে বাঙালির অবক্ষয় যুগের পরিচয় দাও। এই সময়ে টপ্পা ও আখড়াই গানের উদ্ভব ও জনপ্রিয়তার সামাজিক কারণগুলি আলোচনা করো।

অবক্ষয় যুগ। অষ্টাদশ-ঊনবিংশ শতাব্দীর সন্ধিক্ষণে বাঙালির অবক্ষয় যুগের পরিচয় দাও। এই সময়ে টপ্পা ও আখড়াই গানের উদ্ভব ও জনপ্রিয়তার সামাজিক কারণগুলি আলোচনা করো। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম সেমিস্টার বাংলা মাইনর।ইউনিট ৪।   অবক্ষয় যুগের পরিচয় এবং টপ্পা ও আখড়াই গানের সামাজিক কারণ ও অবক্ষয় যুগের পরিচয়          আমরা জানি যে,১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে পলাশীর যুদ্ধের পর থেকে ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধ (১৮৫০ খ্রি.) পর্যন্ত সময়কালকে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে 'অবক্ষয় যুগ' বা 'সন্ধিযুগ' বলা হয়।আর এটি ছিল মধ্যযুগের দেবনির্ভরতার অবসান এবং আধুনিক যুগের মানবতাবোধের সূচনার মধ্যবর্তী এক ক্রান্তিকাল।যেখানে এই সময়কালের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি  নিম্নরূপে আলোচনা করা যেতে পারে-        •রাজনৈতিক অস্থিরতাঃ নবাবী শাসনের পতন এবং ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দেওয়ানি লাভের ফলে বাংলার পুরনো শাসন ও অর্থনৈতিক কাঠামো ভেঙে পড়ে।      •'বাবু' সংস্কৃতির উদয়ঃ ছিয়াত্তরের মন্বন্তর (১১৭৬ বঙ্গাব্দ) এবং চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের (১৭৯৩ খ্রি.) ফলে গ্রামীণ বনেদি সমাজ ধ্...