Skip to main content

শাক্ত পদাবলীর প্রশ্নপত্র।

শাক্ত পদাবলীর প্রশ্নপত্র। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম সেমিস্টার বাংলা মেজার এবং মাইনর।


১. বড় প্রশ্ন (১০ নম্বর)

আগমনী ও বিজয়া পর্যায়:

 *** 1.শাক্ত পদাবলীতে আগমনী ও বিজয়া পর্যায়ের পদগুলির সামাজিক ও পারিবারিক পটভূমি আলোচনা করো। এই পদগুলিতে বাঙালি গৃহজীবনের যে রূপ ফুটে উঠেছে তা বিশ্লেষণ করো।

 ** 2."আগমনী-বিজয়ার গান বাঙালির নিজস্ব সৃষ্টি।"— উক্তিটির আলোকে মেনকা ও উমার বাৎসল্য রসের ব্যাকুলতা পদাবলী অনুসরণে আলোচনা করো।

 3. রামপ্রসাদ সেন ও রামবসুর আগমনী-বিজয়ার পদের তুলনামূলক আলোচনা করো।

 ***4. শাক্ত পদাবলীতে রামপ্রসাদ সেনের কবিপ্রতির ও সাধকসত্তার পরিচয় দাও। তাঁর পদের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য ও জনপ্রিয়তার কারণ সংক্ষেপে আলোচনা করো।

 *** 5.শাক্ত পদাবলীতে কমলাকান্ত ভট্টাচার্যের অবদানের কথা আলোচনা করো। রামপ্রসাদের সঙ্গে তাঁর মূল পার্থক্য কোথায়?

 6. "মা কি সুখে রেখেছেন"-এর আড়ালে কবি রামপ্রসাদের যে জীবনবোধ ও আত্মনিবেদনের সুর প্রকাশ পেয়েছে, তা পদের পাঠসূচি অনুসরণে লেখো।

২. লাইন তুলে প্রশ্ন (৫ নম্বর ) ক) আগমনী ও বিজয়া পর্যায় থেকে:

১. "গিরি, এবার উমা এলে, আর উমা পাঠাব না।"

প্রশ্ন: বক্তা কে? কার উদ্দেশ্যে কথাটি বলা হয়েছে? উমাকে আর না পাঠানোর কারণ কী? (১+১+৩)

২. "বলো গো গিরি, শুনিয়ে এসেছে, উমা নাকি মা মা বলে কেঁদেছে।"

প্রশ্ন: উক্তিটি কার? বিজয়া বা নবমীর রাতে মেনকার মনস্তত্ত্ব কীভাবে এই পদে প্রকাশ পেয়েছে?

৩. "জাগো মা কুলকুণ্ডলিনী..."বা *** "ওরে নবমী-নিশি, না হইও রে অবসান।"

প্রশ্ন:'নবমী-নিশি'-র কাছে ভক্ত বা জননীর আকুতি কী এবং কেন?

খ) ভক্তের আকুতি ও সাধনা পর্যায় থেকে:

৪. "এমন মানব-জমিন রইলো পতিত / আবাদ করলে ফলত সোনা।"

প্রশ্ন:এটি কার রচনা? রূপকটির অন্তর্নিহিত অর্থ ব্যাখ্যা করো। (১+৪)

৫. "মা আমায় ঘুরাবি কত? / যেমন কোল-ঘোরে চোখ বাঁধা বলদ।"

প্রশ্ন: পদের কবির নাম কী? 'চোখ বাঁধা বলদ'-এর রূপকটির মাধ্যমে কবি জীবনের কোন সত্যকে তুলে ধরেছেন?

৬. "আমি কি মা তোরে ডরাই, আমার পরম সম্বল কালীর নাম।"

প্রশ্ন: পদের প্রসঙ্গে কবির সন্তানভাব বা ‘অভিমানী ভক্ত’ রূপটি আলোচনা করো।

৭. "প্রসাদ বলে, মনের আশা, মিছা আসায় যাবে ভেসে।"

প্রশ্ন: পদের তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।

আগমনী-বিজয়া অংশে:পৌরাণিক কাহিনী অপেক্ষা বাঙালি সমাজ ও মায়ের বাৎসল্য রস কীভাবে প্রাধান্য পেয়েছে, সেদিকে বেশি জোর দিতে হবে।


Comments

Popular posts from this blog

একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়।

  একটি সার্থক গীতিকাব্যের পরিচয়-সারদা মঙ্গল               গীতিকাব্য হলো এক ধরনের কবিতা, যার মধ্যে দিয়ে ব্যক্তির আবেগ, অনুভূতি এবং অভিজ্ঞতাগুলিকে ছন্দ ওর সংগীতের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। তবে এখানে কবিতাগুলি খুবই ছোট আকারের হয়, আর সেখানে কবির ব্যক্তিগত অনুভূতির গভীরতা ও আন্তরিকতা প্রকাশ পায়। আর এই প্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি গীতি কবিতার সংকলন হলো গীতিকাব্য। ব্যঞ্জনাময় ও সংহত ।  গীতিকাব্যের বৈশিষ্ট্য  গীতিকাব্যের কিছু প্রধান বৈশিষ্ট্য নিচে আলোচনা করা হলো: ১. ব্যক্তিগত অনুভূতি ও আবেগ প্রকাশ: এটি গীতিকাব্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য। এখানে কবি নিজের ব্যক্তিগত অনুভূতি, প্রেম, বিরহ, আনন্দ বা বিষাদের কথা তুলে ধরেন। ২. সংক্ষিপ্ততা: গীতিকাব্য সাধারণত দীর্ঘ হয় না। অল্প কয়েকটি স্তবকের মধ্যে কবি তাঁর ভাবনা সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করেন। ৩. সুর ও ছন্দের প্রাধান্য: গীতিকাব্য মূলত সুর করে আবৃত্তি করার জন্য রচিত হয়। তাই এতে সুর ও ছন্দের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়। ৪. আত্মগতভাব: গীতিকাব্যে বাইরের জগতের বর্ণনা না দিয়ে কবির নিজের মনের ভেতরের জগতের প্রতি মনোযোগ ...

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর ।

পঞ্চম সেমিস্টার ইতিহাস মাইনর সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর  ১) শিল্প বিপ্লব কবে কোথায় প্রথম ঘটেছিল?         উত্তর - প্রথম শিল্প বিপ্লব শুরু হয়েছিল ইংল্যান্ডে (গ্রেট ব্রিটেন)। এটি প্রধানত অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হয়ে প্রায় ১৭৬০ থেকে ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দ-এর মধ্যে ঘটেছিল। ২) কৃষ্ণমৃত্যু কী?            • কৃষ্ণমৃত্যু (Black Death) হলো মানব ইতিহাসের এক ভয়াবহ মহামারি।এটি ছিল মূলত প্লেগ (Plague) রোগ, যা Yersinia pestis নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে সৃষ্টি হয়েছিল।এটি প্রধানত ১৩৪৬ থেকে ১৩৫৩ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে ইউরোপ, এশিয়া (ইউরেশিয়া) এবং উত্তর আফ্রিকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল। ৩) কে বলেছিলেন মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড?        •এই বিখ্যাত উক্তিটি যিনি করেছিলেন তিনি হলেন প্রাচীন গ্রিসের একজন প্রখ্যাত দার্শনিক, যার নাম প্রোটাগোরাস (Protagoras)।তাঁর মূল বক্তব্যটি ছিল-"মানুষই সবকিছুর মানদণ্ড, যা আছে তারও, আর যা নেই তারও।” ৪) পেত্রাক কেন বিখ্যাত?         •পেত্রাক (Francesco Petrarca) ছিলেন ১৪ শতকের (১৩০৪-১৩৭৪) একজন ...

অবক্ষয় যুগ। অষ্টাদশ-ঊনবিংশ শতাব্দীর সন্ধিক্ষণে বাঙালির অবক্ষয় যুগের পরিচয় দাও। এই সময়ে টপ্পা ও আখড়াই গানের উদ্ভব ও জনপ্রিয়তার সামাজিক কারণগুলি আলোচনা করো।

অবক্ষয় যুগ। অষ্টাদশ-ঊনবিংশ শতাব্দীর সন্ধিক্ষণে বাঙালির অবক্ষয় যুগের পরিচয় দাও। এই সময়ে টপ্পা ও আখড়াই গানের উদ্ভব ও জনপ্রিয়তার সামাজিক কারণগুলি আলোচনা করো। পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম সেমিস্টার বাংলা মাইনর।ইউনিট ৪।   অবক্ষয় যুগের পরিচয় এবং টপ্পা ও আখড়াই গানের সামাজিক কারণ ও অবক্ষয় যুগের পরিচয়          আমরা জানি যে,১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে পলাশীর যুদ্ধের পর থেকে ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধ (১৮৫০ খ্রি.) পর্যন্ত সময়কালকে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে 'অবক্ষয় যুগ' বা 'সন্ধিযুগ' বলা হয়।আর এটি ছিল মধ্যযুগের দেবনির্ভরতার অবসান এবং আধুনিক যুগের মানবতাবোধের সূচনার মধ্যবর্তী এক ক্রান্তিকাল।যেখানে এই সময়কালের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি  নিম্নরূপে আলোচনা করা যেতে পারে-        •রাজনৈতিক অস্থিরতাঃ নবাবী শাসনের পতন এবং ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দেওয়ানি লাভের ফলে বাংলার পুরনো শাসন ও অর্থনৈতিক কাঠামো ভেঙে পড়ে।      •'বাবু' সংস্কৃতির উদয়ঃ ছিয়াত্তরের মন্বন্তর (১১৭৬ বঙ্গাব্দ) এবং চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের (১৭৯৩ খ্রি.) ফলে গ্রামীণ বনেদি সমাজ ধ্...